
এগিয়ে থেকেও চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচে পিএসজির মাঠ থেকে হার নিয়েই ফিরেছে ম্যানচেস্টার সিটি। তাতে গ্রুপ পর্ব থেকেই বাদ যাওয়ার শঙ্কা জেগেছে প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়নদের। এমন কঠিন সময়ে সিটি সমর্থকদের মিলেছে কিছুটা খুশির রশদ। ফ্রাঙ্কফুর্ট থেকে পেপ গার্দিওলার দলে যোগ দিয়েছেন মিশরীয় স্ট্রাইকার ওমর মারমুশ।
বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মারমুশকে দলে টানার খবর নিশ্চিত করেছে সিটি। সাড়ে চার বছরের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছে তরুণ এই স্ট্রাইকার। ট্রান্সফার ফি অবশ্য জানায়নি সিটি। তবে এপি বলছে, প্রায় ৭০ মিলিয়ন ইউরো গুনতে হয়েছে সিটিকে।
আরও পড়ুন
| ব্রাজিল কিংবদন্তির গোলের রেকর্ড ভাঙতে চান ভিনিসিয়ুস |
|
গত মৌসুমে ফ্রাঙ্কফুটের হয়ে দারুণ ছন্দে ছিলেন মারমুশ। সেই ফর্ম টেনে ধরে রেখেছে চলতি মৌসুমেও। অর্ধেক মৌসুম শেষে জার্মান ক্লাবটার হয়ে ২৬ ম্যাচে ২০ গোলের পাশাপাশি করেছেন ১৪ অ্যাসিস্টও। তাতে হুলিয়ান আলভারেজের অভাব মেটাতে মারমুশকে বেছে নিয়েছে সিটি।
২৫ বছর বয়সী এই ফুটবলারও সিটিতে যোগ দিতে ভাসছেন রোমাঞ্চে।
“এই দিনটা আমি কখনো ভুলব না। বিশ্বের অন্যতম সেরা দলে খেলতে পারবো এই অনুভূতি প্রকাশ করার মত না। আমার পরিবার এই নিয়ে গর্বিত। আমরা দারুণ খুশি ম্যানচেস্টারে আসতে পেরে।”
মারমুশ ছাড়াও জানুয়ারির এই দলবদলে সিটি নতুন করে দলে যুক্ত করেছেন আরও দুই ফুটবলার। পালমেইরাস থেকে উড়িয়ে নিয়ে এসেছে ব্রাজিলিয়ান তরুণ ডিফেন্ডার ভিতর রেইসকে। এছাড়া লেন্স থেকে তারা দলে টেনেছে উজবেকিস্তান ডিফেন্ডার আব্দুকাদির খুশানভকে।
No posts available.
৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:০৮ এম

আদর্শ সমাজ উপহার দেওয়ার জন্য নিজের অবস্থান ব্যবহার করতে চান ম্যানচেস্টার সিটির ম্যানেজার পেপ গার্দিওলা। কারাবাও কাপের সেমিফাইনালে নিউজক্যাসেলের বিপক্ষে ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে গার্দিওলা শুধু দলের অবস্থানই ব্যাখ্যা করেননি, তিনি বিশ্বজুড়ে সংঘাতের শিকারদের প্রতি তার উদ্বেগও ব্যক্ত করেছেন।
গত সপ্তাহে বার্সেলোনায় একটি চ্যারিটি কনসার্টে অংশ নেন পেপ গার্দিওলা। যেখানে ফিলিস্তিনি শিশুদের পাশে থাকার সহানুভূতি প্রকাশ করেন সিটি বস। বক্তব্যকালীন তিনি বিশ্বজুড়ে সংঘাতপূর্ণ এলাকায় শিশুদের হত্যা ও আহত হওয়ার দৃশ্য দেখে ব্যথিত হন বলেও জানিয়েছেন।
কারাবাও কাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে গার্দিওলা বলেন, “আমি যে ফুটেজগুলো দেখি তা আমাকে কষ্ট দেয়। আমি সবসময় তাদের পাশে দাঁড়াবো। হাজার হাজার নির্দোষ মানুষকে হত্যা হচ্ছে? এটা আমাকে আঘাত করে। এর চেয়ে জটিল কিছু নেই।”
তিনি আরও বলেন, “আমি কল্পনা করতে পারি না, মানুষের কেন এসব অনুভব করে না। প্রতিদিনই দেখা যায় বাবা-মা ও শিশুদের জীবন ধ্বংস হচ্ছে। এতো ব্যথা দেখে কিছুটা সহানুভূতি না রাখা যায় না। আমি তা অনুভব করতে পারি না।”
এসময় দ্য অ্যাথলেটিকের সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “গত ১০ বছরে প্রথমবার একজন সাংবাদিক আমাকে এ নিয়ে প্রশ্ন করেছেন। মনে হয় মিডিয়া এ ধরনের প্রশ্ন করতে পারছে না। কিন্তু কেউ কি বিশ্বের যুদ্ধের দৃশ্য দেখেও প্রভাবিত হয় না? এটা সঠিক বা ভুলের বিষয় নয়—মানবতার বিষয়।”
সোমবার বিবিসি নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জানুয়ারি মাসে মোট ৯৩৩ জন অভিবাসী চ্যানেল পার হয়ে যুক্তরাজ্যে প্রবেশ করেছে। গার্দিওলা বলেন, “মানুষগুলোকে সেই কাজ করতে হয় — তাদের দেশ ছেড়ে পালাতে হয়, সমুদ্রে যেতে হয় এবং তারপর উদ্ধার হওয়ার জন্য নৌকায় উঠতে হয় — এ বিষয়ে ‘সে ঠিক বা ভুল’ বলার আগে তাদের উদ্ধার করতে হবে। কারণ এটা মানবিক জীবন সম্পর্কিত।
গত মাসে ফেডারেল এজেন্টদের গুলিতে দুই জন মার্কিন নাগরিক নিহত হয়েছেন। গার্দিওলা বলেন, “এসব আমাকে ব্যথিত করে। এজন্যই আমি সমাজকে আরও ভালো করতে কথা বলতে পারি, আমি চেষ্টা করব এবং সেখানে থাকব — সব সময়ই। এটা আমার সন্তানের জন্য, আমার পরিবারদের জন্য, আপনাদের জন্য।
গত বছর জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থার একটি প্রতিবেদনে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের হত্যাকাণ্ড বা গণহত্যা চালানোর অভিযোগ আনা হয়েছিল, যদিও ইসরায়েল এই অভিযোগকে দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছিল। ইসরায়েলসহ বিশ্বে নিপড়ীতদের পক্ষে কথা বলবেন বলে জানিয়েছেন গার্দিওলা।

১৯৮২ সালে বোকা জুনিয়র্স থেকে বার্সেলোনায় যোগ দেওয়া দিয়েগো ম্যারাডোনা কাতালান ক্লাবে ছিলেন দুই বছর। এসময় মোট ৫৮টি ম্যাচ খেলেছেন তিনি। ক্লাবে তাঁর গোল সংখ্যা—৩৮টি।
১৯৮২ থেকে ১৯৮৪ সাল—দু’বছরের অম্ল-মধুর সময় পেরিয়ে ৬.৯ মিলিয়ন পাউন্ডে নাপোলিতে যোগ দেন আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ জয়ী কিংবদন্তি। নাপোলিতেই ম্যারাডোনা নিজের কিংবদন্তি অধ্যায় গড়ে তোলেন—৭ বছরের ক্যারিয়ারে ক্লাবকে জেতান ২টি সিরি আ, ১টি উইয়েফা কাপসহ একাধিক শিরোপা। যেখানে তাঁর গোল সংখ্যা—১৫৭।
মূলত স্পেন তরুণ তুর্কী লামিন ইয়ামালের একটি পরিসংখ্যান টানতেই ১৯৮৬ বিশ্বকাপজয়ী ম্যারাডোনার ক্যারিয়ারের একাংশ সামনে আনা। গতকাল কোপা দেল রে’তে বার্সাকে লিড এনে দেন ইয়ামাল। পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৩ সালে বার্সেলোনার মূল দলে যোগ স্পেন তরুণ বার্সার জার্সিতে এখন পর্যন্ত ৩৮টি গোল করেছেন। যা ছাড়িয়ে গেছে কিংবদন্তি ম্যারাডোনার বার্সার গোল সংখ্যা।
২১ বছর বয়সে বার্সেলোনায় যোগ দেওয়া ম্যারাডোনা ৫৮ ম্যাচে করেছিলেন ৩৮ গোল। আর ৩৯ গোল করতে ইয়ামালকে খেলতে হয়েছে ১৩৫ ম্যাচ। সব প্রতিযোগিতায় (ক্লাবের জন্য) — ৯১টি লা লিগা ম্যাচে ২৩ গোল, ৯টি কোপা দেল রে ম্যাচে ৫ গোল, এবং ২৯টি ইউরোপ (চ্যাম্পিয়নস লিগ) ম্যাচে ৮ গোল করেছেন তিনি।
বুধবার কোপা দেল রের কোয়ার্টার ফাইনালে ৩৯তম মিনিটে ‘ডেডলক’ ভাঙেন ইয়ামাল। পরে আরাউহো আরেকটি গোল করলে ২-১ গোলে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বার্সেলোনা। এই জয়ের মধ্য দিয়ে কোপা দেল রের সেমিফাইনালে ওঠা প্রথম দল বার্সা।
ম্যাচ শেষে ইয়ামাল ও আরাউহোকে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন বার্সেলোনা প্রেসিডেন্ট জোয়ান লাপোর্তা। তিনি বলেন, “ইয়ামাল একজন জাদুকর। তাঁর পা থেকে ম্যাচের প্রথম গোলটি আসে। তবে আমি বিশেষভাবে রোনাল্ড আরাউহোর জন্য খুশি। সে গোলও করেছে, ম্যাচের শুরু থেকেই খেলেছে। আমাদের অধিনায়কের ফেরা নিয়ে আমরা সন্তুষ্ট। তিনি এমন একটি গোল করেছেন যা আমাদের আরও কিছুটা স্বস্তি দিয়েছে।”

চ্যাম্পিয়নস লিগ হোক বা প্রিমিয়ার লিগ—এবার লিগ কাপেও একই গতিতে ছুটছে আর্সেনাল। মিকেল আরতেতার দল যেন থামতেই জানে না। ইউরোপের মঞ্চে টেবিলের শীর্ষে, ঘরোয়া লিগেও শিরোপা দৌড়ে সামনের সারিতে। সেই ধারাবাহিকতারই আরেকটি প্রমাণ মিলল লিগ কাপে।
চেলসিকে হারিয়ে নবমবারের মতো লিগ কাপের ফাইনালে উঠেছে গানাররা। মঙ্গলবার রাতে এমিরেটস স্টেডিয়ামে সেমিফাইনালের ফিরতি লেগে ১–০ গোলের জয় পায় আর্সেনাল। ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে জয়সূচক গোলটি করেন কাই হাভার্টজ। প্রথম লেগের ৩–২ ব্যবধানের জয় মিলিয়ে ৪–২ অ্যাগ্রিগেটে শিরোপা লড়াইয়ের মঞ্চ নিশ্চিত করে উত্তর লন্ডনের ক্লাবটি।
লিগ কাপের ইতিহাসে সবচেয়ে সফল দল লিভারপুল—১০টি শিরোপা জিতেছে অল রেডসরা। ম্যানচেস্টার সিটির ঝুলিতে আছে ৮টি ট্রফি। বিপরীতে, ৮ বার ফাইনালে উঠেও আর্সেনালের শিরোপা মাত্র দুটি। ১৯৮৬–৮৭ মৌসুমে প্রথম এবং সর্বশেষ ১৯৯২–৯৩ মৌসুমে। এবার আর একটি ম্যাচ জিততে পারলেই ৩৩ বছর পর লিগ কাপের শিরোপার স্বাদ পাবে গানাররা।
ফাইনালে ওঠাকে দলের জন্য এক ‘জাদুকরি মুহূর্ত’ হিসেবে দেখছেন কোচ মিকেল আরতেতা। তাঁর ভাষায়, এই সাফল্যই হলো, “আমাদের শরীরে দেওয়ার জন্য সবচেয়ে ভালো ভিটামিন।”
আরতেতার অধীনে আর্সেনালের একমাত্র শিরোপা এসেছিল ২০২০ সালের এফএ কাপ থেকে। এরপর টানা চারটি সেমিফাইনালে হতাশ হতে হয়েছিল দলটিকে। সেই ব্যর্থতার দেয়াল ভেঙে ফাইনালে ওঠাকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন স্প্যানিশ কোচ।
আরতেতা বলেন, “আমরা এখন ফাইনাল থেকে মাত্র এক ম্যাচ দূরে। তিন দিন পরপর ম্যাচ খেলতে হচ্ছে—এই মুহূর্তগুলো আমাদের শরীর ও মানসিকতার জন্য সবচেয়ে ভালো ভিটামিন। তবে সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, এই জায়গায় পৌঁছাতে আমরা সবাই মিলে কতটা পরিশ্রম করেছি এবং এখন সেই মুহূর্তগুলো একসঙ্গে উপভোগ করতে পারছি—এটাই সত্যিকারের জাদু।”
তিনি আরও যোগ করেন, “গত তিন–চার বছর ধরে আমরা প্রিমিয়ার লিগের শীর্ষে থেকে লড়াই করেছি, খুব কাছাকাছি গিয়েও শেষ ধাপটা পার হতে পারিনি। সে কারণেই এই মৌসুমে আমাদের ভেতরে বাড়তি ক্ষুধা আর আগুন কাজ করছে। প্রতিটি প্রতিযোগিতায় এক ধাপ করে সামনে এগোনোর তাড়না আছে। পথ এখনও অনেক বাকি, তবে এই ক্লাবের হয়ে একটি কাপ ফাইনালে পৌঁছানো সত্যিই অসাধারণ অনুভূতি।”

চলতি মৌসুমের দারুণ ছন্দে আর্সেনাল। চেলসিকে হারিয়ে ছয় বছর পর বড় কোন টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠল মিকেল আরতেতার দল।
সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে মঙ্গলবার রাতে চেলসিকে ১-০ গোলে হারিয়েছে আর্সেনাল। দুই লেগ মিলিয়ে ৪-২ ব্যবধানে জয় পেয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে গানাররা।
এমিরেটস স্টেডিয়ামে ম্যাচের যোগ করা সময়ে একমাত্র গোলটি করেন কাই হাভার্টজ। সাবেক ক্লাব চেলসির বিপক্ষে গোল করে আগামী মাসে ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে আর্সেনালের ফাইনাল খেলা নিশ্চিত করেন এই জার্মান ফরোয়ার্ড।
প্রথম লেগে ঘরের মাঠে হারের পরও এদিন চেলসি বেশ সময় ধরে আর্সেনালকে চাপে রাখে। তবে গোলের জন্য যেটুকু আক্রমণ দরকার ছিল, তা খুব একটা গড়ে তুলতে পারেনি তারা।
প্রথমার্ধে আর্সেনালের একমাত্র উল্লেখযোগ্য সুযোগটি আসে ১৮ মিনিটে। দূরপাল্লার শট থেকে গোলরক্ষক রবার্ট সানচেজকে পরীক্ষা করেন পিয়েরো হিনকাপিয়ে। চেলসি রক্ষণে পাঁচজন রেখে আর্সেনালের আক্রমণ ঠেকানোর কৌশল নেয়।
বিরতির পরও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণে ছিল আর্সেনাল। তবে ব্যবধান এক গোল থাকায় শেষ পর্যন্ত লড়াই জমে থাকে। চেলসি সমতায় ফেরার চেষ্টা করে পাল্টা আক্রমণে। কোল পালমার ও এস্তেভাওকে নামান কোচ লিয়াম রসেনিয়র। কিন্তু তাতেও কাঙ্ক্ষিত গোল পায়নি সফরকারীরা।
শেষদিকে কিছুটা নার্ভাস হয়ে পড়ে আর্সেনাল। ডেকলান রাইস সতীর্থদের শান্ত থাকার ইঙ্গিত দেন। ৭৬ মিনিটে গ্যাব্রিয়েলের হেড গোল হতে পারত, তবে মার্ক কুকুরেয়া বল ক্লিয়ার করেন।
অবশেষে যোগ করা সময়ে ম্যাচের নিষ্পত্তি হয়। ডেকলান রাইসের পাস থেকে গোলরক্ষককে কাটিয়ে ঠাণ্ডা মাথায় গোল করেন হাভার্টজ।
এই জয়ে ১৯৮৭ ও ১৯৯৩ সালের পর তৃতীয় লিগ কাপ শিরোপার স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখল আর্সেনাল। ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ হবে ম্যানচেস্টার সিটি ও নিউক্যাসল ইউনাইটেডের সেমিফাইনালের বিজয়ী দল। প্রথম লেগে সিটি ২-০ গোলে এগিয়ে আছে।
২০২০ সালের এফএ কাপের পর এবারই প্রথম বড় কোনো ট্রফির খুব কাছে পৌঁছাল আর্সেনাল।

কোপা দেল রেতে স্বপ্নের যাত্রার ইতি ঘটলো আলবাসেতের। টুর্নামেন্টে রিয়াল মাদ্রিদ ও সেল্টা ভিগোকে হারিয়ে চমক দেখানো দ্বিতীয় বিভাগের ক্লাবটি মঙ্গলবার রাতে বার্সেলোনার কাছে হেরে বিদায় নিয়েছে।
আলবাসেতের ঘরের মাঠে কোয়ার্টারে বার্সেলোনার জয় ২-১ গোলে। এই জয়ের মধ্য দিয়ে কোপা দেল রের সেমিফাইনালে ওঠা প্রথম দল হলো কাতালান ক্লাবটি।
ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল ধরে রেখে খেলতে থাকে বার্সেলোনা। সপ্তম মিনিটে প্রথম সুযোগ পান মার্কাস রাশফোর্ড, তবে দানি ওলমোর পাস থেকে নেওয়া শটটি লক্ষ্যে রাখতে পারেননি।
৩৯ মিনিটে এগিয়ে যায় বার্সেলোনা। রাশফোর্ড ও ফ্রেংকি ডি ইয়ংয়ের চাপে বল হারায় আলবাসেতে। সেই বল পেয়ে এক স্পর্শেই বাম পায়ে গোল করেন লামিনে ইয়ামাল।
বিরতির পরও আক্রমণাত্মক খেলতে থাকে হান্সি ফ্লিকের দল। ৫৬ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন অধিনায়ক রোনাল্ড আরাউহো। রাশফোর্ডের নেওয়া কর্নার থেকে হেডে গোল করেন উরুগুয়ের এই ডিফেন্ডার।
এরপর ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে আলবাসেতে। ৮৭ মিনিটে হাভিয়ের মোরেনো ফ্রি-কিক থেকে হেডে গোল করলে শেষ দিকে উত্তেজনা বাড়ে।
যোগ করা সময়ে আলবাসেতে সমতায় ফেরার সুযোগ পেলেও গোললাইন থেকে বল ক্লিয়ার করেন জেরার্দ মার্তিন। বার্সেলোনার ফেরান তোরেস একটি গোল করলেও অফসাইডের কারণে তা বাতিল হয়।
শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলের জয়ে অঘটন ছাড়াই সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে হান্সি ফ্লিকের দল।
৭৩ শতাংশের বেশি সময় বল দখলে রেখে গোলের জন্য ১৭টি শট নেয় বার্সেলোনা, এর সাতটি ছিল লক্ষ্যে। অন্যদিকে আলবাসেতে সাত শটের তিনটি রাখতে পারে লক্ষ্যে।