৮ মার্চ ২০২৬, ৫:৩৭ পিএম

দুর্দান্ত এক জয়ে আন্তর্জাতিক
ক্রিকেট থেকে বিদায় নিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার নারী দলের অধিনায়ক অ্যালিসা হিলি। পার্থের
ডাবলডব্লিউসিএসএ গ্রাউন্ডে ভারতের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে ১০ উইকেটে জয় নিশ্চিত করেছে
অস্ট্রেলিয়া। এই ম্যাচ দিয়ে হিলি ১৬ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
একই সঙ্গে এই জয় অস্ট্রেলিয়া মাল্টি–ফরম্যাট সিরিজ ১২–৪
ব্যবধানে শেষ করেছে।
ম্যাচের পর আবেগাপ্লুত
হিলি বলেন, ‘টি-টোয়েন্টি সিরিজের হতাশাজনক ফলাফলের পর দল কীভাবে ফিরে এল তা দেখে আমি
সত্যিই গর্বিত। শেষ চার ম্যাচে দলের খেলা অবিশ্বাস্য ছিল।’
৩৫ বছর বয়সী এই উইকেটকিপার–ব্যাটার
টেস্ট ক্রিকেটের গুরুত্বও তুলে ধরেন, ‘সাদা বলের খেলা ব্যাটারকে গড়ে তোলার বা ইনিংস
তৈরি করার সুযোগ দেয় না। দীর্ঘ ফরম্যাটে খেলা শেখা গুরুত্বপূর্ণ। তাই টেস্ট ক্রিকেট
চিরজীবী হোক এবং আশা করি আমরা আরও বেশি ম্যাচ দেখব।’
বিদায়ের মুহূর্তে হিলি
বলেন, ‘শেষবার দলের সঙ্গে ড্রেসিংরুমে ঢোকা সত্যিই অনুভূতিপূর্ণ ছিল। দলের সঙ্গীত গাইতে
এবং এই মুহূর্তটি উপভোগ করতে পেরে আনন্দিত।’
নতুন অধিনায়ক সোফি মোলিনার
নেতৃত্বে দলের ভবিষ্যত সাফল্যের প্রতি বিশ্বাসও ব্যক্ত করেন হিলি। দর্শকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা
প্রকাশ করে বলেন, ‘দেশের প্রতিনিধিত্ব করে উচ্চতর স্তরে খেলতে গেলে বাইরে যা হচ্ছে
তা বোঝা যায় না। গত সপ্তাহে সমর্থন পাওয়া সত্যিই অসাধারণ।’
পরিশেষে পার্থে উদযাপনের
সময় হিলি সহকর্মী ও স্টাফদের সঙ্গে আলিঙ্গন-হাত মিলিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তাঁর অসাধারণ
ক্যারিয়ারের সমাপ্তি ঘটান।
No posts available.
৯ মার্চ ২০২৬, ৭:০১ পিএম
৯ মার্চ ২০২৬, ২:৫৯ পিএম

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে দারুণ একটি ওভার করেও দলকে জেতাতে পারেননি। তবে ম্যাচ শেষের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ভিন্ন কারণে আলোচনায় নিউ জিল্যান্ডের অলরাউন্ডার জেমস নিশাম। নেপাল প্রিমিয়ার লিগের (এনপিএল) একটি দলকে খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক পরিশোধের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন তিনি।
গতকাল আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে ফাইনালে নিউ জিল্যান্ডকে ৯৬ রানে হারিয়ে শিরোপা জেতে ভারত। ম্যাচ একচেটিয়া ভারতের নিয়ন্ত্রণে ছিল। পাওয়ার-প্লে শেষে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৯২ রান তুলে নেয় তারা।
ভারত তখন ২৫০ পেরোনোর ইঙ্গিত দিচ্ছিল। তবে ম্যাচে সাময়িক উত্তেজনা ফেরান নিশাম। ইনিংসের ১৬তম ওভারে টানা তিন উইকেট তুলে নেন এই অলরাউন্ডার।
সেই ওভারে প্রথমে ফুলটস বলে বিপজ্জনক সঞ্জু স্যামসনকে ফিরিয়ে দেন তিনি। তারপর হাফসেঞ্চুরি করা ইশান কিষানকে আউট করেন। পরের বলেই সুর্যকুমার যাদবকে শূন্য রানে ফিরিয়ে দিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনাও তৈরি করেছিলেন। সেই ওভারে দেন মাত্র ১ রান। তাতে নিউ জিল্যান্ডের ঘুরে দাঁড়ানোর আশা জাগলেও শেষ পর্যন্ত ৫ উইকেটে ২৫৫ রান তোলে ভারত। নিশাম শেষ ওভারে দেন ২৪ রান!
ম্যাচ শেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিশামের প্রশংসা করে পোস্ট দেয় নেপাল প্রিমিয়ার লিগের দল পুখারা অ্যাভেঞ্জার্স। লেখা হয়, ‘বিশ্বকাপ ফাইনালের বড় মঞ্চে নেইশামের সেই ওভার ছিল দুর্দান্ত এবং তাদের হয়ে খেলার জন্য তারা গর্বিত।’
তবে সেই পোস্টের জবাবে নিশামের মন্তব্য বেশ বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি করে। সংক্ষিপ্ত উত্তরে তিনি লেখেন, ‘ভালো, খেলোয়াড়দের টাকা দিন।’
ধারণা করা হচ্ছে, দলটির কাছে বকেয়া পারিশ্রমিকের বিষয়টিই এভাবে প্রকাশ্যে তুলে ধরেছেন তিনি। গত মৌসুমে নেপাল প্রিমিয়ার লিগে পুখারা অ্যাভেঞ্জার্স সাত ম্যাচের মধ্যে তিনটি জিতে পঞ্চম হয়েছিল।
নিশামের মন্তব্যের পর নেপালের সংবাদমাধ্যম হামরোখেলকুদ জানিয়েছে, ফ্র্যাঞ্চাইজিটি ইতিমধ্যে খেলোয়াড়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। বকেয়া অর্থ আগামীকাল, ১০ মার্চের মধ্যেই পরিশোধ করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।

ভারতের সফল অভিযানের মধ্য দিয়ে শেষ হলো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। কুড়ি কুড়ির আসরে গ্রুপ পর্ব উৎরে সুপার এইটে পা রাখলেও শেষটা সুন্দর হয়নি একই গ্রুপে থাকা পাকিস্তানের। শেষ আট থেকে বিদায় নেয় সালমান আলী আগারা। বলা চলে একটি ব্যর্থ মিশনের সমাপ্তি হয়েছে পাকিস্তানের।
বিশ্বকাপ শেষ হলেও দম ফেলানোর ফুসরত নেই পাকিস্তানের। ১১ মার্চ থেকে শুরু হতে যাওয়া বাংলাদেশের বিপক্ষে ৩ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলতে রবিবার ভোররাতে ঢাকায় পা রাখেন শাহীন শাহ আফ্রিদিরা। প্রথমদিন বিশ্রামে থাকলে সোমবার অনুশীলন করেন সফরকারীরা। অনুশীলন শেষে সংবাদ সম্মেলনে দলটির প্রধান কোচ মাইক হেসন জানালেন সিরিজ জয়ের কথা।
পাকিস্তানের প্রধান কোচ বলেন,
‘অবশ্যই আমরা পারি (বাংলাদেশকে ৩-০ ব্যবধানে হারাতে)। কিন্তু আমরা বাংলাদেশের কন্ডিশনে তাদের বিশেষ সম্মান করি। আবারও বলছি, এখানকার কন্ডিশন টি-টোয়েন্টি সিরিজের তুলনায় অনেক ভিন্ন হবে। আমার মনে হয় দুই দলই ব্যাটিংয়ের মতো বোলিংয়েও চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে। বাংলাদেশ সাম্প্রতিক সময়ে অনেক বেশি ৫০ ওভারের ক্রিকেট খেলছে, তাই আমাদের এই দীর্ঘ ফরম্যাটের সাথে খুব দ্রুত মানিয়ে নিতে হবে।’
পাকিস্তানের নিউ জিল্যান্ড কোচ এরপর যোগ করেন,
‘আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জ হলো এখানকার পিচের সাথে দ্রুত মানিয়ে নেয়া। আমাদের সামনে যাই আসুক না কেন, আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যে, বাংলাদেশের নিজেদের কন্ডিশনে তাদের চ্যালেঞ্জ করার মতো একটি দল আমাদের আছে।’
শাহীন শাহ আফ্রিদীর নেতৃত্বে থাকা পাকিস্তানের ১৫ সদস্যের দলে ৬ জনই নতুন। অভিজ্ঞ ও নতুনের মিশেলে একটি গতিময় দল নিয়ে বাংলাদেশে সফরে পাকিস্তান। ক্রিকেট বিশ্লেষকদের অনেকেই বলছেন, তারুণ্যনির্ভর দলটি বাংলাদেশে প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়তে পারে। তবে হেসনের মতে, তার দল বেশ সুসংগঠিত।
হেসন বলেন,
“এটা বেশ রোমাঞ্চকর একটি দল। আমাদের দলে কয়েকজন নতুন মুখ আছে, যারা ‘শাহিনস’ দলে ভালো করেছে। তারা জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছে এবং আমরা তাদের অন্তর্ভুক্ত করতে পেরে উচ্ছ্বসিত।’
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ফল আশানুরূপ না হলেও শেষ দুটি ওয়ানডে সিরিজে ভালো করেছে পাকিস্তান। কোচ হেসনও বলছেন সে কথা,
‘আমাদের শেষ দুইটি ওয়ানডে সিরিজ খুব ভালো গেছে। আমরা দুটিতেই বেশ স্বাচ্ছন্দ্যে জিতেছি। ওপেনিং ব্যাটসম্যানরা রান করেছে, যা সব সময়ই দলের জন্য সহায়ক। এবার এই সিরিজে নতুন খেলোয়াড়দের জন্যও একই কাজ করার সুযোগ থাকবে।’
আগামী ১১-১৫ মার্চ মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হতে সিরিজের তিন ওয়ানডে। প্রায় সাড়ে চার মাস পর ওয়ানডে ক্রিকেটে খেলতে নামছে নাজমুল হোসেন শান্তরা।

পাকিস্তান সিরিজ দিয়ে বছর শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ দলের। সামনে রয়েছে ব্যস্ত সূচি। নিজেদের মাঠে উজ্জ্বল শুরুর অপেক্ষায় স্বাগতিকেরা। সেটি অবশ্য সহজ হওয়ার কথা নয়। প্রায় পাঁচ মাস পর ওয়ানডে সিরিজ খেলবেন লিটন-মিরাজরা। সবশেষ গত বছর অক্টোবরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে খেলেছিলেন।
সব মিলিয়ে সাড়ে তিন মাস পর আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ দল। মাঝে ঘরোয়া টুর্নামেন্টগুলো ছিল নিজেদের প্রস্তুত রাখার মঞ্চ। তবে নিজেদের সবশেষ ওয়ানডে সিরিজে ছিল তাদের সুখস্মৃতি। ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতেছিল বাংলাদেশ দল।
পাকিস্তানের বিপক্ষে সেই আত্মবিশ্বাস নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় কোচ সিমন্সের,
‘আমরা ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজটা ভালোভাবে শেষ করেছিলাম এবং সেখান থেকে পিছিয়ে যেতে চাই না। প্রথমত, উইকেটগুলো আগের সিরিজের তুলনায় অনেক ভালো দেখাচ্ছে। তাই আমাদের মূল লক্ষ্য হলো উন্নতি করা এবং পরের ধাপে এগিয়ে যাওয়া।’
ব্যাটিংয়ে উন্নতির তাগিদ, পাশাপাশি মাঝের ওভারে বোলিং দুর্বলতাও খুঁজে বের করেছেন সিমন্স,
‘শেষ ম্যাচে যেভাবে ব্যাটিং করেছিলাম, সেটাকে ধরে রাখতে চাই। পাশাপাশি কিছু জায়গা ঠিক করতে হবে। বিশেষ করে মাঝের ওভারগুলোতে আমরা খুব ভালো করতে পারিনি। আর বোলিংয়ে মাঝের ওভারগুলোতে আরও বেশি উইকেট নিতে হবে। এই দুই জায়গাতেই আমরা বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি।’
আগামী পরশু মিরপুর শেরেবাংলায় প্রথম ওয়ানডেতে মাঠে নামবে বাংলাদেশ-পাকিস্তান। তাঁর আগে আজ সংবাদ সম্মেলন কক্ষে দলের অবস্থা ও পরিকল্পনার সঙ্গে সিমন্সের কাছে জানতে চাওয়া হয় সাকিব আল হাসান প্রসঙ্গে।
রাজনীতি বাদ দিয়ে ক্রিকেটার সাকিবকে ফেরানো কোনো তথ্য আছে কোচের কাছে? সিমন্স অবশ্য রাখঢাক রাখলেন,
‘আমি ঠিক যতটা শুনেছি বা পড়েছি, আপনারাও ততটাই জানেন। এর বেশি কিছু বলার নেই (সাকিব সম্পর্কে)।’

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শেষ হয়েছে। বিশ্বকাপে না খেলার হতাশাও কাটতে শুরু করেছে বাংলাদেশ দলেরও। পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে দারুণ কিছু অর্জন করতে পারলে আবারও খোশ মেজাজে ফেরার সুযোগ লিটন-মিরাজদের।
আগামী পরশু থেকে মিরপুর শেরেবাংলায় শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ-পাকিস্তানের ওয়ানডে সিরিজ। তবে বিশ্বকাপ খেলতে না পারার হতাশা ও আক্ষেপ এখনো পুরোপুরি কাটেনি স্বাগতিক ক্রিকেটারদের। দলের প্রধান কোচ ফিল সিমন্সের কথায় সেটি স্পষ্ট হয়।
বিশ্বকাপে খেলতে না পারার হতাশা থেকে কি দল এখন বেরিয়ে এসেছে? এমন প্রশ্নে মিরপুরে সংবাদ সম্মেলনে আজ সিমন্স বললেন, ‘খুব ভালো প্রশ্ন। আমার মনে হয় আমরা ধীরে ধীরে সেটা পেরিয়ে আসছি।’
বিশ্বকাপ না খেলতে পারার আক্ষেপে ক্রিকেটাররা পুড়েছেন সে ব্যাপারটিও উল্লেখ করেছেন সিমন্স, ‘এটা খেলোয়াড়দের জন্য খুব কষ্টদায়ক ছিল। আমি তাদের সঙ্গে কথা বলেছি, তারা সত্যিই কষ্ট পেয়েছিল।’
বিপিএলের পর বিসিএল অদম্য টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট খেলোয়াড়দের মানসিক সতেজতায় কিছুটা সহায়তা করেছে বলে জানিয়েছেন সিমন্স। বাংলাদেশ কোচের ভাষায়, ‘বিসিএলের ছোট টুর্নামেন্টটা কিছুটা সহায়তা করেছে (হতাশা থেকে বেরোতে)। আবার ৫০ ওভারের ক্রিকেটে মনোযোগ ফিরছে এবং এই তিন ম্যাচ নিয়ে ভাবতে শুরু করেছি।’
প্রায় চার মাস পর আবারও ওয়ানডে সিরিজে মাঠে নামবে বাংলাদেশ দল। সবশেষ গত বছর অক্টোবরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে খেলেছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজরা। সেই সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জিতেছিল স্বাগতিকেরা। সেই সুখস্মৃতি নিয়ে মিরপুরে নতুন মিশন শুরু করবে তারা।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালে ভারতের একতরফা জয়ের পর ক্রিকেট বিশ্বজুড়ে চলছে নানা রকমের আলোচনা। অনেকেই ভারতের পারফরম্যান্সের প্রশংসা করলেও, ভিন্ন সুর শোনা গেছে পাকিস্তানের সাবেক গতিতারকা শোয়েব আখতারের কণ্ঠে।
তার দাবি, ভারতের উত্থান মূলত ক্রিকেটকে শেষ করে দিয়েছে। বিশ্বকাপের ফাইনালে ভারতের সামনে পাত্তাই পায়নি নিউ জিল্যান্ড। দুর্দান্ত ব্যাটিং-বোলিংয়ে কিউইদের ৯৬ রানে হারায় স্বাগতিকরা। এটি ছিল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তাদের রেকর্ড তৃতীয় শিরোপা।
বেশিরভাগ ক্রিকেট বিশ্লেষক যেখানে ভারতের নিখুঁত পারফরম্যান্সের প্রশংসা করেছেন, সেখানে ভিন্ন পথে হাঁটলেন শোয়েব আখতার। পাকিস্তানি স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম ট্যাপম্যাডের অনুষ্ঠান গেম অন হ্যায় অনুষ্ঠানে তিনি ভারতের দাপটকে তুলনা করেন পাড়ার খেলায় ধনী শিশুর সঙ্গে।
আরও পড়ুন
| আফঈদা-মিলিদের সমীহ করছে উজবেকিস্তান |
|
“পাড়া-মহল্লায় সবসময় একজন ধনী ছেলে থাকে, সে গরিব বাচ্চাদের ডেকে বলে- চলো ক্রিকেট খেলি, তবে জিতব কিন্তু আমিই। ভারত আমাদের সঙ্গে ঠিক সেটাই করছে।”
“আট দলের মধ্যে চারটি রাখে, তারপর আবার সেখান থেকে তিনটিকে ডাকে ও সামনে এগিয়ে যায়। শেষে বলে- দেখো, আমি জিতে গেছি। তারা পুরো ক্রিকেটটাই শেষ করে দিয়েছে।”
তার এই মন্তব্য দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। অনেক ভক্তই ভারতের বড় জয়ের পর এমন মন্তব্যকে তিক্ত প্রতিক্রিয়া হিসেবে দেখছেন।
তবে ফাইনালের আগে আখতারের সুর ছিল কিছুটা ভিন্ন। ভারতকে ফেভারিট মানলেও তিনি বলেছিলেন, ক্রিকেটের স্বার্থে নিউ জিল্যান্ডের জেতা উচিত। তার মতে, ভারতের ওপর ১৫০ কোটির বেশি মানুষের প্রত্যাশার চাপ থাকে এবং বড় ফাইনালে সেই চাপ কখনও কখনও প্রভাব ফেলতে পারে।