৩১ অক্টোবর ২০২৪, ৭:৩১ পিএম

গেল কয়েক দিন ধরেই আলোচনায় নাজমুল হাসান শান্তর অধিনায়কত্ব। আলোচনায় ছিল সাউথ আফ্রিকা সিরিজ শেষে শান্ত আর অধিনায়কত্ব করতে চান না। যদিও এই নিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড কিংবা শান্ত কেউই মুখ খুলেননি। দ্বিতীয় টেস্ট শেষে শান্ত জানিয়েছেন বোর্ড থেকেই খুব শীঘ্রই এই নিয়ে আসবে সিদ্ধান্ত।
এ বছরের শুরুতে তিন ফরম্যাটে বাংলাদেশ দলের অধিনায়কত্ব দেওয়া হয়েছে শান্তকে। তার অধীনে পাকিস্তানকে হোয়াইট ওয়াশ করেছে বাংলাদেশ। তবে শেষ দুই সিরিজে সাউথ আফ্রিকা ও ভারতের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি টাইগাররা। শান্ত নিজেও নেই রানের মধ্যে। তাতেও পড়ছেন সমালোচনায়।
আরও পড়ুন
| ‘হঠাৎ করে স্টিভ ওয়াহ-ইমরান খান-ধোনি হওয়া যায় না’, অধিনায়ক শান্তকে নিয়ে বললেন ফাহিম |
|
চটটগ্রাম টেস্ট শেষে সাংবাদ সম্মেলনে তাই ঘুরেফিরে এসেছে সেই প্রসঙ্গ। যার জবাবে শান্ত ছিলেন চুপ, “অধিনায়কত্বের ব্যাপারে সভাপতি কথা বলেছেন আপনাদের সঙ্গে। এ ব্যাপারে এখানে আমি আর কোনো মন্তব্য না করি। হয়তো ক্রিকেট বোর্ড থেকেই এই নিয়ে একটা কিছু জানতে পাবেন।”
বয়সভিত্তিক দল থেকেই অধিনায়কত্বের দায়িত্ব সামলে আসছেন শান্ত। কাজটা যে তিনি উপভোগ করেন সেটাও জানিয়েছেন বাঁহাতি এই ব্যাটার, “বয়সভিত্তিক থেকেই অনেক জায়গায় বলে আসছি, ক্যাপ্টেন্সি আমি সবসময় উপভোগ করি। গত কয়েকটা সিরিজও মাঠের ভেতরে আমি উপভোগ করেছি। এটা সবসময়ই আমার ভালো লাগার জায়গা।”
আরও পড়ুন
| নাসুমকে লাঞ্ছিত করার বিষয়ে জানেন না শান্ত |
|
গেল কিছু দিন থেকে দলের ব্যর্থতার সাথে তার ব্যাটেও রান নেই। অধিনায়কত্বের চাপে এমনটা হচ্ছে কিনা সে প্রশ্নও উঠেছে সংবাদ সম্মেলনে। তবে সেটা উড়িয়ে দিয়েছেন শান্ত, “আমার কাছে একবারও মনে হয়নি আমি ক্যাপ্টেন। ক্যাপ্টেন তাই সব আমাকে একা করতে হবে এমন মনে হয় না। বল দেখি ব্যাটিং করি, ব্যাটিং উপভোগ করি। ব্যাটিং করতে সবারই ভালো লাগে। চিন্তা থাকে একটাই কীভাবে বড় রান করতে পারব। এখন পর্যন্ত (চাপ) হয়নি আলহামদুলিল্লাহ।”
No posts available.
৬ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:২১ পিএম
৬ জানুয়ারি ২০২৬, ৪:০৯ পিএম

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) ১৯তম আসরের জন্য মোস্তাফিজুর রহমানকে ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে দলে ভেড়ায় কলকাতা নাইট রাইডার্স। সম্প্রতি বিসিসিআইয়ের এক নির্দেশে বাংলাদেশের পেসারকে ছেড়ে দেয় কেকেআর।
মোস্তাফিজুর রহমানের ইস্যুতে অনেক জল গড়িয়েছে। বিষয়টি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ছাপিয়ে চলে গেছে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে। নিরাপত্তা শঙ্কায় ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিবি। একই সঙ্গে আইপিএলের সংবাদ প্রচারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।
মোস্তাফিজ ইস্যুতে লঙ্কা কাণ্ড ঘটে গেলেও ভ্রুক্ষেপ নেই বাংলাদেশি বাঁহাতি পেসারের। বর্তমানে বিপিএলে ব্যস্ত সময় করছেন তিনি। রংপুর রাইডার্সের হয়ে ইতোমধ্যে বেশ কিছু মাইলফলকের সাক্ষী হয়েছেন ‘স্লগ ওভার’ মাস্টার। স্বীকৃত টি টোয়েন্টিতে চার’শ উইকেট অর্জন ছাড়াও বিপিএলের তৃতীয় সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি তিনি। রয়েছেন সেরার রেসে।

মোস্তাফিজ ইস্যুটি আরেকবার উস্কে দিয়েছে পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল)। সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে পিএসএল পেজ থেকে বাংলাদেশি পেসারকে নিয়ে পোস্ট দেওয়া হয়েছে।
আজ মোস্তাফিজকে স্বাগত জানিয়ে পিএসএলের করা ছবি পোস্টের ক্যাপশনে লেখা ছিল ,
‘ব্যাটারদের সাবধানে থাকা উচিত… নতুন যুগে আসছে ফিজ। পিএসএলের ১১ তম মৌসুমে মোস্তাফিজুর রহমান।’
পিএসএলে ১১তম আসরে মোস্তাফিজের ডাক পাওয়াটা অনেকটা অনুমেয়ই ছিল। বর্তমানে দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছেন এই বাঁহাতি পেসার। আইএল টি-টোয়েন্টিতে দুবাই ক্যাপিটালসের হয়ে ৮ ম্যাচে ১৫ উইকেট নেওয়ার পর, চলমান বিপিএলে রংপুর রাইডার্সের হয়ে ৫ ম্যাচে নিয়েছেন ৯ উইকেট।
পিএসলের ২০১৭-১৮ মৌসুমে লাহোর কালার্ন্দাসের হয়ে খেলেছিলেন মোস্তাফিজ। সে আসরে ৫ ম্যাচে তিনি উইকেট নিয়েছেন ৪টি। আগের দলে ফিরবেন তিনি, নাকি ঠিকানা হবে নতুন নীড়ে। সেটাই দেখার অপেক্ষা।
পিএসএলের ১১তম সংস্করণ শুরু ২৬ মার্চ। চলবে ৩ মে পর্যন্ত। জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে হতে পারে প্লেয়ার ড্রাফট। খবর অনুযায়ী, মুস্তাফিজকে সর্বোচ্চ 'মারকিউ' ক্যাটাগরিতে রাখা হবে।

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ১২তম আসরে সিলেট টাইটানসের যাত্রা অম্ল-মধুর। তিন জয়ের বিপরীতে ফ্রাঞ্চাইজিটির হার সমপরিমান। পয়েন্ট টেবিলে অবস্থান তিনে। শীর্ষে থাকা রংপুর রাইডার্সের চেয়ে দুই পয়েন্ট কম তাঁদের। সমপরিমান পয়েন্ট হলেও নেট রান রেটে পিছিয়ে চট্টগ্রাম রয়্যালস থেকে।
বিপিএলের দলের অবস্থান তিনে হলেও এখনও আশাহত নন দলটির ব্যাটিং কোচ ইমরুল কায়েস। সিলেট টাইটানস নিয়ে আশা দেখছেন বিপিএলে অধিনায়ক হিসেবে তিনবার ট্রফি জেতা এই কোচ।
সিলেটে আজ সংবাদমাধ্যমে কথা বলেছেন ইমরুল কায়েস। যেখানে ফুটে উঠেছে সিলেট টাইটানসের ভেতর-বাইরের কথা।
জাতীয় দলের সাবেক এই ব্যাটার বলেছেন,
‘প্রথম ম্যাচে আমরা ভালো ক্রিকেট খেলেছি। ১৯০ রান করেও হেরে গেছি। তারপর আবার কামব্যাক করেছি। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে প্রতি ম্যাচে জিতবেন, এমনটা বলতে পারবেন না। আমরা কোন প্রসেস ও মাইন্ডসেটে খেলছি, সেটাই গুরুত্বপূর্ণ। দলের জয়ের মেন্টালিটি এবং মাইন্ডসেট রয়েছে।’
টুর্নামেন্টে বাকি ম্যাচগুলোতে ভালো করার ব্যাপারে আশাবাদী ইমরুল। তাঁর মতে জয়-পরাজয়ের পাল্লা সমান হলেও ভেঙে পড়েনি সিলেট।
ইমরুল বলেছেন,
‘আমরা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছি এমন নয়। ৬ ম্যাচে ৩টিতে জিতেছি এবং ৩টি হেরেছি। সামনে ম্যাচ আছে, আশা করি বাকি খেলাগুলোতে ভালো ক্রিকেট খেলতে পারবো।’
বিপিএল ইতিহাসে অধিনায়ক হিসেবে মাশরাফি বিন মর্তুজার (৪ ট্রফি) পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ (৩ টি) ট্রফি জিতেছেন ইমরুল। ১২তম আসরে প্রথমবার কোচিংয়ের দায়িত্ব নিয়েছেন তিনি।
নতুন ভূমিকায় নিয়ে ইমরুল বলেছেন,
‘ওদের সাথে কিছুদিন আগেও খেলে গেছি। তাঁরা (খেলোয়াড়রা) ভালোভাবে আমাকে গ্রহণ করেছে।’

পাকিস্তান-শ্রীলঙ্কা তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু কাল। সিরিজের আগের দিন ১৮ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড। নেতৃত্ব থাকছেন অলরাউন্ডার দাসুন শানাকা
লঙ্কান দলে ফিরেছেন চারিথ আসালাঙ্কা, ধনঞ্জয়া ডি সিলভা এবং দুনিথ ওয়েলালাগে।
শ্রীলঙ্কা দলে প্রথমবার ডাক পেয়েছেন ২১ বছর বয়সী ট্রাভিন ম্যাথিউ। নভেন্বরে এশিয়া কাপ রাইজিং স্টারস টুর্নামেন্টে শ্রীলঙ্কা ‘এ’ দলে খেলেছিলেন এই অফস্পিনার। টুর্নামেন্টে তিন ম্যাচে ৭ উইকেট নিয়েছিলেন ম্যাথিউ, তাঁর ইকোনমি রেট ছিল মাত্র ৫.৭৫।
সিরিজের সবগুলো ম্যাচ ডাম্বুলায়। দ্বিতীয় ও তৃতীয় টি-টোয়েন্টি হবে যথাক্রমে ৯ ও ১১ জানুয়ারি।
৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের সঙ্গে সহ-আয়োজক শ্রীলঙ্কা। এই সিরিজকে তাই বিশ্বকাপের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে নিচ্ছে দেশটি। সবশেষ রাওয়ালপিন্ডিতে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে পাকিস্তানের কাছে হেরেছিল লঙ্কানরা।
শ্রীলঙ্কা টি–টোয়েন্টি স্কোয়াড: দাসুন শানাকা (অধিনায়ক), পাথুম নিসাঙ্কা, কামিল মিশারা, কুশল মেন্ডিস, কুশল পেরেরা, ধনঞ্জয়া ডি সিলভা, চারিথ আসালাঙ্কা, জানিথ লিয়ানাগে, কামিন্দু মেন্ডিস, ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা, দুনিথ ওয়েলালাগে, মহেশ থিকশানা, দুশান হেমন্থা, ত্রাভিন ম্যাথিউ, দুশমন্ত চামিরা, মাথিশা পাতিরানা, নুয়ান থুশারা, এশান মালিঙ্গা।

মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার পর থেকে দুই দেশের ক্রিকেটাঙ্গনেই তোলপাড় এই ইস্যুতে। এবার পেস বোলিং অলরাউন্ডার তানজিম হাসান সাকিব বললেন, আগামী বছর আইপিএল খেলার জন্য নাম দেওয়ার জন্য চিন্তাভাবনা করে নেবেন তিনি।
অভিজ্ঞ বাঁহাতি পেসারকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার ঘটনার পর চুপ থাকেনি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে বিশ্বকাপ খেলতে ভারত যেতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে দেশের ক্রিকেটের অভিভাবক সংস্থা।
এখন আপাতত আইসিসির দুয়ারে আটকে আছে বিষয়টি। সবুজ সংকেত পেলেই বাংলাদেশের সব ম্যাচ হবে শ্রীলঙ্কার মাঠে। বিশ্বকাপ যেখানেই হোক, আগামী বছর আইপিএলে নাম দেওয়া নিয়েও এখন আর আগের মতো আগ্রহী নন সাকিব।
২০২৬ সালের আইপিএল নিলামে মোস্তাফিজের পাশাপাশি, সাকিবসহ নাম দিয়েছিলেন বাংলাদেশের ৬ ক্রিকেটার। তবে মোস্তাফিজ ও তাসকিন আহমেদ ছাড়া আর কারও নামই ওঠেনি নিলামে। এর মধ্যে ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে মোস্তাফিজকে কিনে নিয়েছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স।
আরও পড়ুন
| 'ভেন্যু যেখানেই হোক, বিশ্বকাপ খেলতে প্রস্তুত বাংলাদেশ' |
|
কিন্তু এখন পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে আর আইপিএল খেলা হবে মোস্তাফিজের। আর এই ঘটনার জেরেই আইপিএল থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে চান সাকিব।
সিলেটে মঙ্গলবার রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের অনুশীলন শেষে এই বিষয়ে কথা বলেন তরুণ পেস বোলিং অলরাউন্ডার।
“আইপিএল থেকে উনাকে (মোস্তাফিজ) কেন সরিয়ে দিল বা ইয়ে করল, এটা আসলে আমরা কেউ জানি না। হয়তো রাজনৈতিক ইস্যু হতে পারে। কিন্তু ক্রিকেটে রাজনীতি না আসাই ভালো। আমরা তো চাই... আমরা আসলে রাজনৈতিক দিক দিয়ে চিন্তা করি না।”
“একজন ক্রিকেটার হিসেবে আইপিএল খেলার ইচ্ছা থাকে। ঐ হিসাবে আমরা নাম দেই। তবে পরবর্তী বছর এজেন্টের সঙ্গে কথা বলে বা দেশের যারা আছে তাদের সঙ্গে কথা বলে তারপর আমরা নাম দেবো বা নাম দেবো না।”

অনলাইন ডেস্ক, ঢাকা
ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলবে না বলে আইসিসিকে জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এ ব্যাপারে বিসিবির সঙ্গে আলোচনার কথা রয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির। তারপর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। যদি শেষ পর্যন্ত ভেন্যু পরিবর্তন হয়, শ্রীলঙ্কায় স্থানান্তর হতে পারে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো।
তবে ভেন্যু পরিবর্তন হলেও দলের পারফরম্যান্সে কোনো প্রভাব পড়বে না বলে জানিয়েছেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। বাংলাদেশের বিশ্বকাপ দলে থাকা এ অলরাউন্ডার সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, 'জানি না আসলে কী হবে, যেহেতু আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই। আমরা যেকোনো ভেন্যুতেই খেলতে সব সময় প্রস্তুত থাকি। বেশ কিছুদিন আগে শ্রীলঙ্কার কন্ডিশনে আমরা টি-টোয়েন্টি সিরিজ এবং পূর্ণাঙ্গ একটা সিরিজ খেলে এসেছি। আমাদের জন্য আরও অনেক বেশি খাপখাইয়ে নেওয়াটা সুবিধা হবে আশা করি।'
ভেন্যু যেখানেই হোক পারফরম্যান্স করতে প্রস্তুত বাংলাদেশ দল। সাইফউদ্দিন বললেন, 'তারপরও দেখা যাক আমরা যেকোনো কন্ডিশনে- সেটা ইন্ডিয়াই হোক বা শ্রীলঙ্কাই হোক আমরা সব সময় প্রস্তুত। আর বিশ্বকাপের মতো একটা বড় ইভেন্ট আমরা সব প্লেয়ারই মুখিয়ে আছি খেলার জন্য। এটা যেখানে হোক।'
সবশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দলেও জায়গা হয়নি সাইফউদ্দিনের। দলে ফিরলেও থিতু পারেন না ২৯ বছর বয়সী এই অলরাউন্ডার। ফিটনেসও বিভিন্ন সময় বাধা হয়েছে। ক্যারিয়ারের এই চড়াই-উতরাই নিয়ে সাইফউদ্দিন বললেন, 'জীবন তো, আসলে অনেক লড়াই করতে হয়। সেটা খেলোয়াড় জীবন হোক কিংবা ব্যক্তিগত জীবন হোক। সবসময় চিন্তা করি, আগে হয়তো অনেক বেশি চিন্তা করতাম ক্রিকেট নিয়ে- আমার এই জায়গায় থাকতে হবে। আমার রোলটা ভালোভাবে প্লে করতে হবে। এখন আসলে সেই জায়গা থেকে কিছুটা সরে এসেছি।'
তারপর সাইফউদ্দিনের উপলব্ধি, 'সব সময় চেষ্টা করি নিজেকে ফিট রাখা। যা হওয়ার হবে। মন খুলে ক্রিকেটটা খেলি। তো ইনশাআল্লাহ গত চার-পাঁচ মাস চাচ্ছি যেরকম, সবকিছু হচ্ছে। চেষ্টা করবো এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখার, দলের নিয়মিত হওয়ার।'