
জয়ের জন্য দিল্লি ক্যাপিটালসের প্রয়োজন ৩ বলে ৮ রান। প্রাসিধ কৃষ্ণার স্লটে করা ডেলিভারি সোজা স্টেডিয়ামেরই বাইরে পাঠিয়ে দিলেন ডেভিড মিলার। স্ক্রিনে ভেসে উঠল, ১০৬ মিটার ছক্কা! সমীকরণ নেমে এলো ২ বলে ২ রানে।
পরের বলে ফাইন লেগের দিকে খেললেও, রান নিলেন না মিলার। ফলে শেষ বলে বাকি থাকল ২ রান। ঝুঁকি মাথায় রেখেই স্লোয়ার বাউন্সার করলেন কৃষ্ণা। ব্যাটে লাগাতে পারলেন না মিলার। রানের জন্য ছুটলেন কুলদিপ যাদব। তবে তিনি ক্রিজে ঢোকার আগেই স্টাম্প এলোমেলো করে দিলেন জস বাটলার।
রান আউটের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিলেন লেগ আম্পায়ার। তবে এর মাঝেই আবার ওয়াইডের জন্য রিভিউ নিলেন মিলার। রিপ্লেতে দেখা গেল, বাউন্সারের উচ্চতা ছিল তার মাথার নিচেই। তাই মাঠের সিদ্ধান্তই বহাল রাখলেন থার্ড আম্পায়ার। নিশ্চিত হারের মুখ থেকে জিতে গেল গুজরাট টাইটান্স।
শেষের এই নাটকীয়তার আগে দিল্লিকে জয়ের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন মিলারই। শেষ ২ ওভারে ৩৬ রানের সমীকরণে মোহাম্মদ সিরাজের বলে দুই ছক্কার মাঝে চার মেরে দেন প্রোটিয়া তারকা। ওই ওভার থেকে দিল্লি পেয়ে যায় ২৩ রান। শেষ ওভারে বাকি থাকে ১৩ রান।
ক্রিজে তখন ১৭ বলে ৩৫ রান করা মিলার থাকায় মনে হচ্ছিল, সহজেই জিতে যাবে গুজরাট। এর মাঝে প্রথম বলে বাউন্ডারি মেরে দেন ভিপরাজ নিগাম। তবে দ্বিতীয় বলে আউট হয়ে যান তিনি। চতুর্থ বলে স্ট্রাইক পেয়েই মিলারের সেই বিশাল ছক্কা।
পরে শেষ দুই বলের হিসেবে তালগোল পাকিয়ে হিরো হওয়ার বদলে ভিলেনই হয়ে গেলেন কিলার মিলার খ্যাত এই ব্যাটার। নিজেদের সর্বোচ্চ রান তাড়ার রেকর্ড গড়ার সম্ভাবনা জাগিয়েও তাই শেষ পর্যন্ত পারল না দিল্লি।
অরুন জেটলি স্টেডিয়ামে বুধবার রাতের এই ম্যাচটিতে গুজরাটের জয় মাত্র ১ রানে। আগে ব্যাট করে তারা পায় ২১০ রানের পুঁজি। জবাবে লোকেশ রাহুল ও মিলারের ঝড়ের পরও ২০৯ রানের বেশি করতে পারল না স্বাগতিক দল।
তিন ম্যাচে গুজরাটের এটি প্রথম জয়। অন্য দিকে প্রথম দুই ম্যাচ জেতার পর তৃতীয়টিতে এসে হারের স্বাদ পেল দিল্লি।
ম্যাচটিতে আগে ব্যাট করা গুজরাটকে দুইশ ছাড়ানো পুঁজি এনে দেন অধিনায়ক শুবমান গিল, বাটলার ও ওয়াশিংটন সুন্দর। ৪ চার ও ৫ ছক্কায় ৪৫ বলে ৭০ রানের ইনিংস খেলেন গিল। সুন্দরের ব্যাট থেকে আসে ৬ চার ও ২ ছক্কায় ৩২ বলে ৫৫ রান।
দুজনের মাঝে নেমে ৩ চার ও ৫ ছক্কায় ২৭ বলে ৫২ রান করেন বাটলার। এই ৫ ছক্কার সৌজন্যে স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে ৬০০ ছক্কার মালিক হয়েছেন ইংলিশ তারকা ব্যাটার।
রান তাড়ায় দিল্লিকে একাই বাঁচিয়ে রাখেন রাহুল। ১৭তম ওভারে আউট হওয়ার আগে ১১ চার ও ৪ ছক্কায় ৫২ বলে ৯২ রান করেন অভিজ্ঞ ওপেনার। তার উদ্বোধনী সঙ্গী পাথুম নিসাঙ্কার ব্যাট থেকে আসে ৬ চার ও ১ ছক্কায় ২৪ বলে ৪১ রান।
প্রথমে দশম ওভারে ক্রিজে গিয়ে হাতের চোটে উঠে গিয়েছিলেন মিলার। পরে আবার ব্যাটিংয়ে নেমে তিনিই জাগান জয়ের আশা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পারেননি নায়ক হতে। ৩টি করে চার-ছক্কা মেরে ২০ বলে ৪১ রানে অপরাজিত থাকেন মিলার।
রান বন্যার ম্যাচে ৪ ওভারে মাত্র ১৭ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন রশিদ খান।
No posts available.
১২ এপ্রিল ২০২৬, ৯:১৬ পিএম
১২ এপ্রিল ২০২৬, ২:৫০ পিএম

শ্রীলঙ্কা নারী দলের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের জন্য ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
রবিবার বিসিবির ঘোষিত এই দলে ফেরানো হয়েছে ডানহাতি মিডল অর্ডার ব্যাটার শারমিন সুলতানাকে। যিনি সাত বছর আগে সর্বশেষ পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে খেলেছেন। দলে একমাত্র আনক্যাপড খেলোয়াড় জুয়াইরিয়া ফেরদৌস। ২০ বছর বয়সী এই উইকেটরক্ষক-ব্যাটার দেশের হয়ে ইতিমধ্যে সাতটি টি-টোয়েন্টি খেলেছেন।
লঙ্কানদের বিপক্ষে ২০ এপ্রিল শুরু হওয়া সিরিজের বাকি দুই ওয়ানডে ২২ ও ২৫ এপ্রিল। সিরিজের সবগুলো ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে রাজশাহীর শহীদ কামরুজ্জামান স্টেডিয়ামে।
এরপর সিলেটে শুরু হবে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ। প্রথমটি ২৮ এপ্রিল এবং দ্বিতীয় ও তৃতীয়টি ৩০ এপ্রিল ও ২ মে। এই ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে।
বাংলাদেশ স্কোয়াড: নিগার সুলতানা জৌতি (অধিনায়ক), নাহিদা আক্তার (সহ-অধিনায়ক), ফারজানা হক, সোবহানা মোস্তারি, ফাহিমা খাতুন, শারমিন আক্তার সুপ্তা, রিতু মণি, স্বর্ণা আক্তার, রাবেয়া খান, শারমিন সুলতানা, মারুফা আক্তার, ফারিহা ইসলাম তৃষ্ণা, সুলতানা খাতুন, সানজিদা আক্তার মেঘলা এবং জুয়াইরিয়া ফেরদৌস।
স্ট্যান্ড বাই: দিলারা আক্তার, শরিফা খাতুন, ফারজানা ইয়াসমিন ও তাজ নেহার।

পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) অংশগ্রহণ শেষে দেশে ফেরার পর জাতীয় দলের ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমনের শারীরিক অবস্থা জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। রবিবার বিসিবির পাঠানো এক বার্তায় জানানো হয়, চোট কাটিয়ে পুরোপুরি সেরে উঠতে প্রায় তিন সপ্তাহ সময় লাগতে পারে ইমনের।
গত ৩ এপ্রিল গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে মুলতান সুলতানসের বিপক্ষে ম্যাচে ফিল্ডিংয়ের সময় আসিফ আলির সঙ্গে সংঘর্ষে চোট পান ইমন। পরবর্তীতে এমআরআই পরীক্ষায় কাঁধের লিগামেন্টে চোট ধরা পড়ে এবং টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে পড়েন তিনি।
জাতীয় দলের ফিজিও বায়েজিদুল ইসলাম খান বলেন, ‘পাকিস্তান থেকে ডান কাঁধের ইনজুরি নিয়ে ফেরা পারভেজ হোসেন ইমনের শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই চোট থেকে পুরোপুরি সেরে উঠতে তাঁর প্রায় তিন সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।’
বায়েজিদুল ইসলাম আরও জানান, ইমন ইতিমধ্যে বিসিবির মেডিকেল ও কোচিং স্টাফদের তত্ত্বাবধানে পুনর্বাসন প্রোগ্রাম শুরু করেছেন। এখন থেকে তিনি বিসিবির নিবিড় পর্যবেক্ষণে থেকে রিহ্যাব এবং স্কিল ট্রেনিং চালিয়ে যাবেন।
২৭ ও ২৯ এপ্রিল নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে দুটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচের সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। এর আগে ১৭, ২০ ও ২৩ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে ওয়ানডে সিরিজ। ইতিমধ্যে প্রথম দুই ওয়ানডে ম্যাচের স্কোয়াড ঘোষণা করেছে বিসিবি।
বিসিবির ফিজিও আরও যোগ করেন, ‘আমরা আশাবাদী, চলতি মাসের শেষের দিকে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে শুরু হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি সিরিজের আগেই তিনি সুস্থ হয়ে উঠবেন।’
পিএসএল দিয়ে দেশের বাইরের লিগে পথচলা শুরু হয় ইমনের। কালান্দার্সের হয়ে প্রথম দুই ম্যাচে ১৪ ও ১২ রানের পর তৃতীয় ম্যাচে ৫ ছক্কায় করেন তিনি ১৯ বলে ৪৩। ওই ম্যাচেই ফিল্ডিংয়ে চোটে পড়েন।

কাঁধের চোটে পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল) থেকে ছিটকে যাওয়া পারভেজ হোসেন ইমনের বদলে শ্রীলঙ্কার ব্যাটিং অলরাউন্ডার চারিথ আসালাঙ্কাকে দলে নিয়েছে লাহোর কালান্দার্স। টুর্নামেন্টের বাকি অংশে খেলবেন আসালাঙ্কা।
এক বিবৃতিতে রোববার দুপুরে ইমনের বদলি খেলোয়াড়ের নাম ঘোষণা করেছে লাহোর ফ্র্যাঞ্চাইজি। এর আগে শনিবার দুপুরে পিএসএল থেকে ইমনের ছিটকে যাওয়ার খবর জানিয়েছিল দলটি।
পিএসএল খেলার জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের কাছ থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত ছড়পত্র পেয়েছিলেন ইমন। কিন্তু গত ৩ এপ্রিল মুলতান সুলতান্সের বিপক্ষে ফিল্ডিং করার সময় সতীর্থ আসিফ আলির সঙ্গে ধাক্কা লেগে ব্যথা পান বাঁহাতি এই ওপেনার।
ওই ম্যাচেই প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ২ চারের সঙ্গে ৫ ছক্কায় মাত্র ১৯ বলে ৪৫ রানের ইনিংস খেলেছিলেন ইমন। কিন্তু পরে চোট পাওয়ায় আর খেলা হয়নি তার। প্রায় এক সপ্তাহ পর্যবেক্ষণে রাখার পর শনিবার তার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত জানায় লাহোর।
এখন পর্যন্ত ৫ ম্যাচের ২টি জিতে পয়েন্ট টেবিলের ৬ নম্বরে অবস্থান করছে লাহোর। আগামী শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্সের বিপক্ষে দলের পরবর্তী ম্যাচের আগেই যোগ দেওয়ার কথা আসালাঙ্কার।
এর আগে কখনও পিএসএল খেলা হয়নি আসালাঙ্কার। ইমনের চোটে এবার পাকিস্তানের ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে অভিষেক হবে ২৮ বছর বয়সী অলরাউন্ডারের।

সোশ্যাল মিডিয়ায় হুমকিস্বরুপ মন্তব্য করায় শাস্তির মুখে পড়লেন কারান কেসি। এক ফেইসবুক পোস্টে আম্পায়ারদের মারার ইঙ্গিত দিয়ে কমেন্ট করায় নেপালের এই অলরাউন্ডারকে এক ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করেছে দেশটির ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন।
রোববার দুপুরে শাস্তির সিদ্ধান্ত জানিয়েছে ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অব নেপাল (সিএএন)। নিষেধাজ্ঞার সঙ্গে ৩৪ বছর বয়সী অলরাউন্ডারের ম্যাচ ফির শতভাগ জরিমানাও করা হয়েছে।
ঘটনা নেপালের পিএম কাপের একটি ম্যাচ ঘিরে। গত শুক্রবার মুখোমুখি হয়েছিল বাগমাতি ও মাধেশ। ম্যাচের এক পর্যায়ে আম্পায়ারের একটি সিদ্ধান্ত মানতে না পেরে মাঠেই তীব্র প্রতিবাদ জানান বাগমাতির অধিনায়ক সন্দীপ লামিচানে।
আরও পড়ুন
| খেলার সময় মুঠোফোন ব্যবহার, লাল তালিকায় রাজস্থান |
|
আম্পায়ারের সঙ্গে লামিচানের উত্তপ্ত বাক্য-বিনিময়ের ওই ছবি পোস্ট করে 'ট্রল ক্রিকেট নেপাল' নামের একটি কৌতুক পেজ। সেখানে গিয়ে উশকানিমূলক মন্তব্য করেন কারান কেসি।
তিনি লিখেন, “কোনো ক্রিকেটার যদি ভুলবশত একজন আম্পায়ারকে মারে, তখন কয় ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করা হবে? এমনিই জিজ্ঞেস করছি। মূলত ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা ও জানার জন্য।”
মুহূর্তের মধ্যে নেপালের ক্রিকেটে ভাইরাল হয়ে যায় কারান কেসির এই কমেন্ট। যা দেখে প্রতিবাদ ও নিন্দা জানায় নেপালের আম্পায়ার ও স্কোরার অ্যাসোসিয়েশন। পরে আলাদা এক পোস্ট করে ওই কমেন্টের জন্য ক্ষমা চান কারান কেসি।
তাতে কোনো লাভ হয়নি। ক্রিকেটের স্পিরিটের পরিপন্থী মন্তব্য করায় নিষেধাজ্ঞা ও আর্থিক শাস্তির সামনেই পড়তে হয়েছে কারান কেসির।

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) দুর্নীতিবিরোধী বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। রাজস্থান রয়্যালস ও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর ম্যাচে রাজস্থানের টিম ম্যানেজার রোমি ভিন্দরের বিরুদ্ধে নিয়ম ভাঙার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যে কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)।
গত শুক্রবার গুয়াহাটিতে ম্যাচ চলাকালীন টেলিভিশন ক্যামেরায় ধরা পড়ে, দলের ডাগআউটে বসে মোবাইল ফোন ব্যবহার করছেন রোমি ভিন্দর। তাঁর পাশেই ছিলেন কিশোর ক্রিকেটার বৈভব সূর্যবংশী। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা। তদন্তে নিশ্চিত হওয়া গেছে, ম্যাচ চলাকালে ডাগআউটে মোবাইল ফোন ব্যবহার করে তিনি নিয়ম ভঙ্গ করেছেন।
বিসিসিআইয়ের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, খেলোয়াড় ও ম্যাচ-সম্পর্কিত নির্ধারিত এলাকায় মোবাইল ফোন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। বিশেষ করে ডাগআউটকে উচ্চ-নিরাপত্তার এলাকা হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যাতে বাইরের কোনো প্রভাব ম্যাচে না পড়ে। তবে ড্রেসিংরুমে সীমিতভাবে ফোন ব্যবহারের সুযোগ থাকলেও ডাগআউটে তা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
আরও পড়ুন
| আম্পায়ারের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে রানার শাস্তি |
|
লিগের আনুষ্ঠানিক নীতিমালাতেও এ বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, দলের ম্যানেজার ড্রেসিংরুমে ফোন ব্যবহার করতে পারবেন, কিন্তু ডাগআউটে নয়। দীর্ঘদিন ধরে ফ্র্যাঞ্চাইজিটির সঙ্গে যুক্ত থাকা একজন কর্মকর্তা হিসেবে ভিন্দরের এ নিয়ম জানা থাকার কথা—এমন মত সংশ্লিষ্টদের।
বোর্ডের ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ঘটনাটি অনিচ্ছাকৃত হতে পারে, তবে এটি স্পষ্টতই নিয়মভঙ্গ। এ কারণে কোনো না কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ম্যাচ রেফারি ও দুর্নীতিবিরোধী ইউনিটের প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে সতর্কবার্তা থেকে শুরু করে ম্যাচ নিষেধাজ্ঞা—যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।
এদিকে ম্যাচ পরবর্তী প্রেজেন্টেশনে তরুণ ক্রিকেটার সূর্যবংশী তাঁর ‘স্থানীয় অভিভাবক’ হিসেবে ভিন্দরের নাম উল্লেখ করায় বিষয়টি আরও গুরুত্ব পেয়েছে। এতে করে তদন্তে তাঁর ভূমিকা নিয়ে বাড়তি নজর দেওয়া হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনাটি এরই মধ্যে সাবেক লিগ কমিশনার ললিত মোদির দৃষ্টিতেও এসেছে। তিনি প্রকাশ্যে প্রশ্ন তুলেছেন, এমন পরিস্থিতিতে দুর্নীতিবিরোধী নিরাপত্তা ইউনিটের কর্মকর্তারা কোথায় ছিলেন।
এ ব্যাপারে ভারতীয় বোর্ডের দুর্নীতিবিরোধী ইউনিট তদন্ত শুরু করতে যাচ্ছে। তদন্ত শেষে একটি প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে, যার ভিত্তিতে ভিন্দরের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নির্ধারণ করা হবে। সম্ভাব্য শাস্তির মধ্যে রয়েছে আর্থিক জরিমানা কিংবা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ডাগআউট ও ড্রেসিংরুমে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা।