৪ এপ্রিল ২০২৬, ৯:২৯ পিএম

অবশেষে জাতীয় দলের সঙ্গে কাজ করার দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে মোহাম্মদ রফিকের। জাতীয় ক্রিকেট দলের বিশেষজ্ঞ স্পিন বোলিং কোচ হিসেবে এক বছরের জন্য সাবেক এই স্পিনারকে দায়িত্ব দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
শনিবার দুপুর থেকে শুরু হয়ে প্রায় ৭ ঘণ্টা ধরে চলা বিসিবির চতুর্থ বোর্ড সভার পর সংবাদ সম্মেলনে এই খবর জানিয়েছেন মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান মোখসেদুল কামাল বাবু। এর বাইরেও এক গুচ্ছ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এই সভায়।
ওয়ানডে দলের বর্তমান অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ ও সহ-অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তকে ২০২৭ বিশ্বকাপ পর্যন্ত দায়িত্বে বহাল রাখা হয়েছে। আর টি-টোয়েন্টিতে অধিনায়ক লিটন কুমার দাস ও সহ-অধিনায়ক হিসেবে সাইফ হাসান থাকবেন ২০২৮ বিশ্বকাপ পর্যন্ত।
এর বাইরে আরও অনেক সিদ্ধান্তের খবর জানিয়েছেন মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান। তার বয়ানেই এসব সিদ্ধান্ত নিচে তুলে ধরা হলো
প্রথমত আমাদের বিসিবির এইচআর পলিসি আজকে গ্রহণ করা হয়েছে। এরপর আমাদের জাতীয় দলের নির্বাচক কমিটি নির্ধারণ হয়েছে। ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে অধিনায়ক ও সহ-অধিনায়কের মেয়াদ আগামী বিশ্বকাপ পর্যন্ত বাড়ানো
আমরা আমাদের ক্রিকেটার, আম্পায়ার এবং সংশ্লিষ্টদের জন্য পেনশন স্কিম চালু করতে যাচ্ছি। এটি নীতিগতভাবে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
সিসিডিএম এর পক্ষ থেকে আমাদের ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ শুরু করা হবে এবং সেই লক্ষ্যে আগামী ৮ তারিখে সমস্ত ক্লাবগুলোকে আহবান জানানো হয়েছে মিটিংয়ের জন্য। ইন্টার ইউনিভার্সিটি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট শুরু হচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিকেট মাঠে।
আমাদের ঘরোয়া ক্রিকেটারদের অ্যানালিটিকাল বিশ্লেষণের জন্য বিসিবির পক্ষ থেকে নিজস্ব একটি অ্যাপ তৈরি করা হয়েছে এবং আজকে সেটি উদ্বোধন করা হয়েছে।
মোহাম্মদ রফিককে স্পেশালিস্ট স্পিন বোলার হিসেবে কোচ হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।
নারী বিপিএল ও উইমেন্স কাপ- এই দুইটি খেলা হবে। সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
সাংবাদিক, ক্রিকেটার ও অন্যান্যদের জন্য একটি পুরস্কার প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। আমরা অ্যাওয়ার্ড নাইট আবার নতুন করে শুরু করছি।
সিলেট ক্রিকেট স্টেডিয়াম পরিদর্শন করে সম্মানিত যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী (আমিনুল হক) মহোদয় যে সকল দিকনির্দেশনা দিয়েছেন, সেই বিষয়গুলো নিয়েও আলোচনা হয়েছে ও সেগুলোকে দ্রুত কার্যকর করা হবে।
সাংবাদিকদের জন্য আমরা একটা স্কলারশিপ প্রোগ্রাম চালু করছি। যারা স্পোর্টস জার্নালিজম এর ওপরে বাইরে পড়ালেখা করতে যেতে চান, আমরা তাদের জন্য একটি স্কলারশিপ চালু করব।
আমরা বিসিবির একটি স্পোর্টস জার্নাল বের করতে চাই। অন্তত প্রতি তিন মাস অন্তর অন্তর একটি স্পোর্টস জার্নাল আমরা বের করব।
এছাড়াও এর আগে সংসদে আমরা দেখেছি যে সেখানে দুর্নীতির বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। সরকারের দুর্নীতিবিরোধীসহ সমস্ত কাজের ক্ষেত্রেই সহযোগিতার ব্যাপারে পরিপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে এবং আমরা সকল ধরনের সহযোগিতা তাদেরকে অব্যাহত রাখব।
No posts available.
৩ এপ্রিল ২০২৬, ৭:৫৪ পিএম

আইপিএলের শুরু থেকে ব্যাট হাতে ভালো সময়ই পার করছেন শ্রেয়াস আইয়ার। তবে অধিনায়কত্বে যেন কিছুটা গড়বড় হয়ে যাচ্ছে তার। এমন না যে ম্যাচ জিততে পারছেন না। পরপর দুই ম্যাচই জিতেছে পাঞ্জাব কিংস। কিন্তু জরিমানার হাত থেকে রেহাই পাচ্ছেন না অধিনায়ক।
দুই ম্যাচে মন্থর ওভার রেটের কারণে শাস্তি পেয়েছেন শ্রেয়াস। চেন্নাই সুপার কিংসের বিপক্ষে শুক্রবার রাতের ম্যাচে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ২০ ওভার শেষ করতে না পারায় ২৪ লাখ রুপি জরিমানা করা হয়েছে পাঞ্জাব অধিনায়কের।
এছাড়া ইমপ্যাক্ট ক্রিকেটারসহ একাদশের বাকি সব ক্রিকেটারকে ৬ লাখ রুপি বা ম্যাচ ফির ২৫ শতাংশ (যেটি কম) জরিমানা হয়েছে।
এর আগে গুজরাট টাইটান্সের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচেও জেতার পর শাস্তির দুঃসংবাদ পেয়েছিলেন শ্রেয়াস আইয়ার। সেদিনও নির্ধারিত সময়ে পুরো ২০ ওভার শেষ করতে না পারায়, ১২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছিল অভিজ্ঞ ব্যাটারের।
আর এবার চেন্নাইয়ের বিপক্ষে একই অপরাধে দোষী হওয়ায় জরিমানা বেড়ে হয়েছে দ্বিগুণ।

পিএসএল-এ লাহোর কালান্দার্সের কদরটা প্রথম দুই ম্যাচে অনুমান করতে পারেননি বাংলাদেশের বাঁ হাতি ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন। প্রথম দুই ম্যাচে সেট হয়ে ১৪ এবং ১২ রানে থেমেছেন ২৩ বছর বয়সী এই ওপেনার। শুক্রবার রাতে লাহোরে ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে চিনিয়েছেন নিজেকে। ২০ ওভারের ম্যাচ ১৩ ওভারে নেমে আসায় শুরু থেকে ব্যাটটা চওড়া করেছেন পারভেজ হোসেন ইমন। ব্যাটিং ঝড়ে মাত্র ১৯ বলে ২ চার,৫ ছক্কায় করেছেন ৪৫ রান।
পিটার সিডলকে বাউন্ডারি দিয়ে আত্মবিশ্বাসী ইমন পর পর দুই ওভারে নেওয়াজ এবং ফয়সালকে পাড়া-মহল্লা মানের বোলারে নামিয়ে এনেছেন। ইনিংসের চতুর্থ ওভারের ৩য় এবং ৪র্থ বলে নেওয়াজকে লং অন এবং কাউ কর্নার দিয়ে মেরেছেন উপর্যুপরি ছক্কা। ওই ওভারের ৫ম বলে মিড অফ দিয়ে মেরেছেন বাউন্ডারি।
ইনিংসের ৫ম ওভারের প্রথম তিন বলে ফয়সালকে কভার, স্কোয়ার লেগ এবং লং অফের উপর দিয়ে মেরেছেন ছক্কা! ফিফটিটা ছিল তার প্রাপ্য। তবে ৬ষ্ঠ ওভারের প্রথম বলে মোহাম্মদ ওয়াসিমের এক্সট্রা বাউন্সে পুল করতে যেয়ে ডিপ মিড উইকেটে ক্যাচ দিয়ে থেমেছেন ফিফটির ৫ রান আগে। আর এক ওপেনার মোহাম্মদ নাইমের সঙ্গে পারভেজ হোসেন ইমনের বোঝাপড়াটা ছিল দারুণ। ৫১ বলে এই পার্টনারশিপের ৮৬ রান লাহোর কালান্দার্সের বড় স্কোরের ভিত্তিটা গড়ে দিয়েছে। পারভেজ হোসেন ইমনের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে উদ্বুদ্ধ মোহাম্মদ নাইম ২৮ বলে ৪ চার, ৪ ছক্কায় থেমেছেন ৬০ রানে। এই দুই ওপেনারের ব্যাটিং ঝড়ে ১৩ ওভারের ম্যাচে লাহোর কালান্দার্স স্কোর টেনে নিয়েছে ১৮৫/৫ পর্যন্ত।
বাকি দায়িত্বটা পালন করেছেন ফ্রাঞ্চাইজি ক্রিকেটে বাংলাদেশের ফেরিওয়ালা মোস্তাফিজুর রহমান (২/৩৭)।
পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) চলমান আসরের শুরু থেকে বাঁ হাতি কাটার মাস্টার মোস্তাফিজ ছড়াচ্ছেন আলো। প্রথম দুই ম্যাচে হায়দারাবাদ কিংসম্যান ( ৪-০-১৯-১) এবং করাচি কিংসের (৪-০-২০-১) বিপক্ষে মিতব্যয়ী বোলিংয়ে কুড়িয়েছেন সুনাম। তৃতীয় ম্যাচে মুলতান সুলতানসের বিপক্ষে করেছেন উইকেট টেকিং বোলিং (৩-০-৩৭-২)। নিজের প্রথম ওভারের তৃতীয় ডেলিভারিতে স্লোয়ারে শাহিবজাদা ফারহানকে (২৪) লং অনে ক্যাচ দিতে বাধ্য করেছেন। মোস্তাফিজ তৃতীয় ওভারে শিকার করেছেন শান মাসুদকে (৪৪)। ফুলটস ডেলিভারিতে এলবিডাব্লুউতে ফিরিয়ে দিয়েছেন তিনি ডেঞ্জারম্যান শান মাসুদকে। শুক্রবার রাতে প্রথম ২ ওভারে মিতব্যয়ী বোলিং করলেও তৃতীয় ওভারটা ছিল খরুচে। এই ওভারে খেয়েছেন ১ চার, ২ ছক্কা।
পারভেজ হোসেন ইমন এবং মোস্তাফিজুর রহমানের রাতে মুলতান সুলতানসকে ২০ রানে হারিয়ে পয়েন্ট তালিকায় দুই নম্বরে উঠে এসেছে লাহোর কালান্দার্স ( ৩ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট)।

পিএসএলে দারুণ ম্যাচ কাটালেন বাংলাদেশের দুই তারকা ক্রিকেটার মোস্তাফিজুর রহমান ও পারভেজ হোসেন ইমন। ব্যাট হাতে তাণ্ডব চালিয়েছেন ইমন। আর পরে বল হাতে জাদু দেখিয়ে রেকর্ড গড়েছেন কাটার মাস্টার- দা ফিজ।
ইমন-মোস্তাফিজদের উজ্জ্বল পারফরম্যান্সের দিনে মুলতান সুলতান্সকে হারিয়ে জয়ে ফিরেছে লাহোর কালান্দার্স। শুক্রবার রাতে বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে ২০ রানে জিতেছে মোস্তাফিজ-ইমনদের দল।
বৃষ্টির কারণে প্রায় পৌনে দুই ঘণ্টা নষ্ট হলে ১৩ ওভারে নেমে আসে ম্যাচ। ইমন ও মোহাম্মদ নাঈমের তাণ্ডবে ১৮৫ রানের বড় পুঁজি দাঁড় করায় লাহোর। জবাবে প্রাণপন চেষ্টা করেও নিজেদের ১৩ ওভারে ১৬৫ রানের বেশি করতে পারেনি মুলতান।
তিন ম্যাচে লাহোরের এটি দ্বিতীয় জয়। প্রথম ম্যাচে হায়দরাবাদ কিংসমেনকে হারানোর পর দ্বিতীয়টিতে করাচি কিংসের সঙ্গে আর পারেনি লাহোর। এবার মুলতানকে হারাল তারা।
২ চার ও ৫ ছক্কায় মাত্র ১৯ বলে ৪৫ রানের ইনিংস খেলে বড় অবদান রাখেন ইমন। বল হাতে ৩ ওভারে ৩৭ রানে ২ উইকেট নেন মোস্তাফিজ।
স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে বাঁহাতি পেসারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি উইকেট এখন তার। ৩২৫ ইনিংসে ৪১৬ উইকেট নিয়েছেন কাটার মাস্টার। আর ৩৫৬ ম্যাচে ৪১৫ উইকেট নিয়ে দুইয়ে নেমেছেন মোহাম্মদ আমির।
সব মিলিয়ে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বাঁহাতি বোলারদের মধ্যে মোস্তাফিজের চেয়ে বেশি উইকেট আছে শুধু একজনের- বাংলাদেশের সর্বকালের সেরা ক্রিকেটার, সাকিব আল হাসান (৪৬১ ইনিংসে ৫০৭ উইকেট)।
টস হেরে ব্যাটিং পায় ইমন, মোস্তাফিজদের নিয়ে খেলতে নামা লাহোর। মোহাম্মদ ইসমাইলের প্রথম ওভারের প্রথম দুই বলে ১৮ রান পেয়ে যায় দলটি। দুইটি বাউন্ডারি মারেন নাঈম। আর বাকি দুই বলে ওয়াইডসহ ৪ দেন ইসমাইল।
প্রথম ৩ ওভারে কিছুটা গুটিয়েই ছিলেন ইমন। প্রথম ১০ বলে তিনি নেন মাত্র ৯ রান। পরে চতুর্থ ওভারে মোহাম্মদ নাওয়াজ আক্রমণে আসতেই যেন জ্বলে ওঠেন বাঁহাতি এই ওপেনার। ডিপ মিড উইকেট দিয়ে পরপর দুইটি ছক্কার পরে একটি চার মারেন তিনি।
এরপর পঞ্চম ওভারে আক্রমণে আসেন ফয়সাল আকরাম। বাঁহাতি এই লেগ স্পিনারের প্রথম তিন বলে তিনটি ছক্কা মেরে দেন ইমন। মাত্র ১৭ বলে তিনি পৌঁছে যান ৪৪ রানে।
ষষ্ঠ ওভারে ইসমাইল আক্রমণে ফিরলে আবার বড় শটের চেষ্টা করেন ইমন। তবে এবার সীমানার কাছে ধরা পড়ে যান ২৩ বছর বয়সী ওপেনার। তার বিদায়ে ভাঙে ৩১ বলে ৮৫ রানের উদ্বোধনী জুটি।
ইমন ফিরলেও ঝড় থামাননি নাঈম। তিন নম্বরে নেমে আব্দুল্লাহ শফিকও একই ছন্দে ব্যাটিং করেন। দুজন মিলে দ্বিতীয় উইকেটে গড়েন মাত্র ২৫ বলে ৫৮ রানের জুটি।
নাঈমের ব্যাট থেকে আসে ৪টি করে চার-ছক্কায় ২৮ বলে ৬০ রান। ৩ চার ও ২ ছক্কায় ১৪ বলে ৩৩ রান করেন শফিক।
রান তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো না হলেও, শেষ দিকে ভালোই জবাব দেয় মুলতান। শেষের ২১ বলে ৬৫ রান করে তারা।
২ চারের সঙ্গে ৫ ছক্কায় মাত্র ২২ বলে ৫২ রান করে অপরাজিত থাকেন মুলতান অধিনায়ক অ্যাশটন টার্নার। এছাড়া শান মাসুদ ১৮ বলে ৪৪ ও আরাফাত মিনহাস ১১ বলে করেন ২৫ রান।
বল হাতে নিজের প্রথম ওভারে সাহিবজাদা ফারহানকে ফেরান মোস্তাফিজ। আর তৃতীয় ওভারে তার শিকার হন শান মাসুদ। প্রথম ওভারে মাত্র ৫ রান দিলেও, পরের দুই ওভারে ৩২ রান দিয়ে ফেলেন বাঁহাতি এই পেসার।

প্রথম দুই ম্যাচের ব্যর্থতা ভুলে অবশেষে ছন্দ খুঁজে পেলেন পারভেজ হোসেন ইমন। মুলতান সুলতান্সের স্পিনারদের কচুকাটা করে একের পর এক ছক্কা হাঁকালেন লাহোর কালান্দার্সের বাংলাদেশি ওপেনার। তবে অল্পের জন্য ফিফটি করতে পারলেন না তিনি।
লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে শুক্রবার রাতের ম্যাচে ২ চারের সঙ্গে ৫টি ছক্কা মেরে ২৩৬.৮৪ স্ট্রাইক রেটে ৪৫ রানের ইনিংস খেলেছেন ইমন। চলতি পিএসএলে এখন পর্যন্ত এটিই তার সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস।
বৃষ্টির কারণে ১৩ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে টস হেরে ব্যাটিং পায় ইমন, মোস্তাফিজুর রহমানদের নিয়ে খেলতে নামা লাহোর। মোহাম্মদ ইসমাইলের প্রথম ওভারের প্রথম দুই বলে ১৮ রান পেয়ে যায় দলটি। দুইটি বাউন্ডারি মারেন মোহাম্মদ নাঈম। আর বাকি দুই বলে ওয়াইডসহ ৪ দেন ইসমাইল।
প্রথম ৩ ওভারে কিছুটা গুটিয়েই ছিলেন ইমন। প্রথম ১০ বলে তিনি নেন মাত্র ৯ রান। পরে চতুর্থ ওভারে মোহাম্মদ নাওয়াজ আক্রমণে আসতেই যেন জ্বলে ওঠেন বাঁহাতি এই ওপেনার। ডিপ মিড উইকেট দিয়ে পরপর দুইটি ছক্কার পরে একটি চার মারেন তিনি।
এরপর পঞ্চম ওভারে আক্রমণে আসেন ফয়সাল আকরাম। বাঁহাতি এই লেগ স্পিনারের প্রথম তিন বলে তিনটি ছক্কা মেরে দেন ইমন। মাত্র ১৭ বলে তিনি পৌঁছে যান ৪৪ রান।
ষষ্ঠ ওভারে ইসমাইল আক্রমণে ফিরলে আবার বড় শটের চেষ্টা করেন ইমন। তবে এবার সীমানার কাছে ধরা পড়ে যান ২৩ বছর বয়সী ওপেনার। তার বিদায়ে ভাঙে ৩১ বলে ৮৫ রানের উদ্বোধনী জুটি।
ইমন ফিরলেও ঝড় থামাননি নাঈম। তিন নম্বরে নেমে আব্দুল্লাহ শফিকও। যার সৌজন্যে মাত্র ৭ ওভারে ১২৩ রান করে ফেলেছে লাহোর। নাঈম ১৮ বলে ৪৪ ও শফিক ৭ বলে ১৮ রানে অপরাজিত।

প্রতি বছর এই সময় ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের (ডিপিএল) উত্তেজনায় ব্যস্ত থাকে দেশের ক্রিকেট। কোন দল চ্যাম্পিয়ন হবে, সেরা ব্যাটার-বোলার কারা হবেন, সেই আলোচনা থাকে তুঙ্গে। কিন্তু চলতি বছর এখনও শুরুই হয়নি ডিপিএল।
তবে বেশি দিন এই অচলাবস্থা অব্যাহত রাখতে চায় না বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ও ক্রিকেট কমিটি অব ঢাকা মেট্রোপলিস (সিসিডিএম)। তাই ডিপিএল শুরুর জন্য ক্লাবগুলোকে নিয়ে আলোচনায় বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিসিডিএম।
মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের ভেতরে সিসিডিএমের অফিসে আগামী বুধবার (৮ এপ্রিল) প্রিমিয়ার লিগে অংশগ্রহণকারী সব ক্লাব ও অন্যান্য অংশীজনদের নিয়ে করা হবে ডিপিএল বিষয়ক বৈঠক।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই খবর জানিয়েছে বিসিবি। বার্তায় বলা হয়েছে, এই বৈঠকে ডিপিএল শুরুর সূচি ও লিগ পরিচালনার অন্যান্য বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হবে। সব অংশীজনদের নিয়ে সুষ্ঠু ও সুন্দর একটি লিগ আয়োজনের আশা বিসিবির।