১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৯:১৪ পিএম

২০২৬ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেবে পাকিস্তান। তবে প্রতিবেশি ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ খেলবেন না সালমান আলী আগারা।
টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তান অংশ নেবে কি না, এ নিয়ে আজ সন্ধ্যা ৬টায় পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান মহসিন নাকভির সঙ্গে দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত জানায় পাকিস্তান সরকার।
বৈঠক পরবর্তী পাকিস্তান সরকারের এক্স হ্যান্ডলে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘পাকিস্তানের সরকার আইসিসি টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬–এ অংশগ্রহণের জন্য পাকিস্তান ক্রিকেট দলকে অনুমোদন দিচ্ছে।’
একই সঙ্গে বিবৃতিতে যোগ করা হয়, ‘…তবে ২০২৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিপক্ষে নির্ধারিত ম্যাচে পাকিস্তান ক্রিকেট দল মাঠে নামবে না।’
পাকিস্তান সরকারের এক্স হ্যান্ডলের বিবৃতি উল্লেখ করে খবরটি প্রকাশ করেছে ডন ও জিও নিউজসহ একাধিক পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যমও।
বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অনুপস্থিতির প্রতিবাদে পাকিস্তানও সরে আসতে পারে, এমন কথা অনেক দিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল। পিসিবির সভাপতি জানিয়েছিলেন, এ বিষয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে বোর্ড। যদিও শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপে খেলার ব্যাপারে মত পাকিস্তান সরকারের।
ঘটনার সূত্রপাত আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) থেকে বাংলাদেশের পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়াকে কেন্দ্র করে। বিষয়টি শেষ পর্যন্ত দুই দেশের রাজনৈতিক টানাপোড়েনে রূপ নেয়। ভারতে নিরাপত্তাশঙ্কায় টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ না খেলার কথা জানিয়ে ৪ জানুয়ারি আইসিসিকে ভেন্যু বদলের অনুরোধ করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
২১ জানুয়ারি বোর্ডসভার
পর আইসিসি জানায়, বাংলাদেশকে পূর্বসূচি অনুযায়ী ভারতেই খেলতে হবে। কিন্তু বাংলাদেশ
নিজেদের অবস্থানে অনড় থাকায় তাদের বাদ দিয়ে বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে
আইসিসি। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ ভারত
ও শ্রীলঙ্কা।
No posts available.
১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৯:০০ পিএম
১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৫:৪৯ পিএম
১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৪:৫৮ পিএম
১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৪:৩৩ পিএম

২০১৮ সালের কালো অধ্যায় অস্ট্রেলিয়াকে আরেকবার স্মরণ করাল পাকিস্তান। বাবর আজমরা সেবার অসিদের ৩-০ ব্যবধানে টি-টোয়েন্টি সিরিজে হারিয়েছিল। এবার ঘরের মাঠে মিচেল মার্শদের একই লজ্জা দিল পাকিস্তান। একই সঙ্গে অসিদের বিপক্ষে কুড়ি কুড়ির সংস্করণে সবচেয়ে বড় জয়ের রেকর্ড গড়ল সালমান আলী আঘারা।
লাহোরে রবিবার সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে ১১১ রানে জিতেছে পাকিস্তান। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এই সংস্করণে সব দল মিলিয়ে যা সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয়। আগের রেকর্ডটি ছিল ইংল্যান্ডের, ২০০৫ সালে ১০০ রানে জিতেছিল তারা।
টস জিতে আগে ব্যাটিং করে সাইম আইয়ুব ও বাবর আজমের ফিফটি পর শাদাবের তাণ্ডবে ২০৭ রান তোলে পাকিস্তান। জবাব দিতে নেমে ৯৯ রানে গুটিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া।
রেকর্ড জয়ের দিনে দুই ছক্কা ও ছয়টি চারে ৩৭ বলে ৫৬ রান করেন সাইম। ৫০ রান করতে এক ছক্কা ও তিনটি চার মারেন বাবর। আর পাঁচটি ছক্কা ও দুটি চারে ১৯ বলে ৪৬ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন শাদাব।
সাইম ৫৬ রান করে আউট হলেও ইনিংসের শেষ ওভার পর্যন্ত খেলে অপরাজিতই থাকেন বাবর। ব্যাট হাতে খেলেন ৩৬ বলে ৫০ রানের অপ্রতিরোধ্য ইনিংস। এটি বাবরের ৩৯তম আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ফিফটি। যা দিয়ে তিনি ছাড়িয়ে যান বিরাট কোহলির ৩৮টি ফিফটির রেকর্ড।
অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসে ফিফটি করতে পারেননি কেউ। সর্বোচ্চ ২৩ রান করেন মার্কাস স্টোইনিস। ক্যামেরুন গ্রিন করেন ২২ রান। বাকিরা ছিলেন আশা-যাওয়ার মিছিলে।
অস্ট্রেলিয়াকে গুঁড়িয়ে দেওয়ার কাজটি করেন মোহাম্মদ নাওয়াজ। ৪ ওভারে স্রেফ ১৮ রান দিয়ে ৫ উইকেট নেন তিনি। স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতেই এই প্রথম পাঁচ উইকেটের স্বাদ পেলেন বাঁহাতি স্পিনার। শাহীন আফ্রিদি নেন দুটি উইকেট।

অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ থেকে ভারতকে বিদায় করে দেওয়ার সুবর্ণ সুযোগ পাকিস্তান দলের সামনে। এজন্য অবশ্য বেশ কঠিন সমীকরণ মেলাতে হবে পাকিস্তানের যুবাদের। ওভারপ্রতি নিতে হবে প্রায় ৮ করে ২৫৩ রান।
বুলাওয়ায়োতে সুপার সিক্স পর্বের শেষ ম্যাচে ভারতকে ২৫২ রানে অলআউট করেছে পাকিস্তান। ম্যাচটি শুধু জিতলেই হবে না পাকিস্তানের। নেট রান রেটের হিসেবেও ভারতকে টপকে যেতে হবে তাদের। আর এটি করতে ৩৩.৩ ওভারের মধ্যে জিততে হবে ম্যাচ।
প্রথম তিন ম্যাচে ভারতের সংগ্রহ ৪ পয়েন্ট। আর পাকিস্তানের ঝুলিতে আছে ২ পয়েন্ট। দুই দলের শেষ ম্যাচটিতে ভারত জয় পেলে কোনো সমীকরণ ছাড়া সেমি-ফাইনালে উঠে যাবে তারা। আর পাকিস্তানকে মেলাতে হবে সমীকরণ।
লক্ষ্য তাড়ায় ঠিক ২৫৩ রান করলে ৩৩.৩ ওভারের মধ্যে ম্যাচ শেষ করতে হবে পাকিস্তানের। আর যদি ২৫৮ রান পর্যন্ত করতে পারে তারা, তাহলে খেলতে পারবে ৩৪.৩ ওভার পর্যন্ত। এর বেশি ওভার লেগে গেলেই জয় পেলেও সেমি-ফাইনাল খেলা হবে না পাকিস্তানের।
ম্যাচটিতে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ঝড়ো শুরুই করে ভারতের দুই ওপেনার। অ্যারন জর্জ ও বৈভব সুর্যবংশী। প্রথম ৭ ওভারে ৪৭ রান করে ফেলে তারা। তবে এরপর চার বলের মধ্যে তিন উইকেট হারিয়ে ব্যাকফুটে চলে যায় ভারত।
সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে আর রানের গতি বাড়াতে পারেনি ভারত। চার নম্বরে নামা ভেদান্ত ত্রিবেদি দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৬৮ রান করেন। ৯৮ বলের ইনিংসে তিনি মারেন ২ চারের সঙ্গে ১টি ছক্কা।
শেষ দিকে কনিষ্ক চৌহান ২৯ বলে ৩৫ ও খিলান প্যাটেল ১৫ বলে ২১ রানের ইনিংস খেলে ভারতকে ২৫০ পার করান।
পাকিস্তানের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন আব্দুল সোবহান। আর মোহাম্মদ সায়েমের শিকার ২ উইকেট।

নারী টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব চলাকালে বড় ধাক্কা খেল যুক্তরাষ্ট্র। দলের পেস বোলিং অলরাউন্ডার ইসানি ভাগেলাকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বোলিং থেকে তাৎক্ষণিকভাবে নিষিদ্ধ করেছে আইসিসি।
আইসিসি জানিয়েছে, ইভেন্ট প্যানেলের আনুষ্ঠানিক পর্যালোচনার পর ভাগেলার বোলিং অ্যাকশনকে অবৈধ বলে বিবেচনা করা হয়েছে। ফলে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আর বোলিং করতে পারবেন না।
নেপালে চলমান বাছাইপর্বে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাচে ভাগেলার বোলিং অ্যাকশন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন ম্যাচ অফিশিয়ালরা। আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী, অভিযোগ ওঠার পর শুরু হয় বিস্তারিত পর্যালোচনা প্রক্রিয়া।
তারপর ইভেন্ট প্যানেল ভাগেলার পরবর্তী ম্যাচের ভিডিও ফুটেজ পরীক্ষা করে সিদ্ধান্তে পৌঁছায় যে, তাঁর বোলিং অ্যাকশন অনুমোদিত সীমার মধ্যে নেই। আইসিসি বোলিং অ্যাকশন সংক্রান্ত বিধিমালার ৬.৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তাঁকে সব ধরনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বোলিং থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
আইসিসি জানিয়েছে, ভাগেলার বোলিং অ্যাকশন ‘ন্যায্য বোলিং’ সংক্রান্ত আইন লঙ্ঘন করেছে। তাই পুনর্মূল্যায়নের মাধ্যমে অ্যাকশন বৈধ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তিনি আর আন্তর্জাতিক ম্যাচে বল করতে পারবেন না।
তবে বোলিংয়ে নিষিদ্ধ হলেও ব্যাটার হিসেবে তিনি যুক্তরাষ্ট্র দলের হয়ে খেলতে পারবেন। কিন্তু একজন মূল পেসারকে হারানোয় দলের বোলিং আক্রমণ দুর্বল হয়ে পড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে।
২০ বছর বয়সী ভাগেলা নিষেধাজ্ঞার আগে যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে ছয় ম্যাচে চার উইকেট নিয়েছিলেন। তাঁর ইকোনমি রেট ছিল ৬.৪০।
এর আগেও চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র পুরুষ দলের ব্যাটার অ্যারন জোনসকে সাময়িকভাবে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আইসিসি ও ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজের দুর্নীতি দমন বিধি ভঙ্গের পাঁচটি অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
অভিযোগগুলো মূলত ২০২৩–২৪ মৌসুমের বিম-টেন টুর্নামেন্ট ঘিরে, পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ম্যাচ সংশ্লিষ্ট আরও দুটি অভিযোগও রয়েছে। জোনসকে এসব অভিযোগের জবাব দিতে ১৪ দিনের সময় দিয়েছে আইসিসি।
যুক্তরাষ্ট্র ক্রিকেটের জন্য এক সপ্তাহের ব্যবধানে দুই বড় নিষেধাজ্ঞা নিঃসন্দেহে বড় অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

নতুন টুর্নামেন্টের ঘোষণা দেওয়ার পর দিন তিন দলের স্কোয়াড জানিয়ে দিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। অদম্য বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি কাপে তিন দলে ভাগ হয়ে খেলবেন মোট ৩৯ জন ক্রিকেটার। অর্থাৎ প্রতি স্কোয়াডে আছেন ১৩ জন করে ক্রিকেটার।
লিটন কুমার দাসের নেতৃত্বাধীন ধুমকেতু একাদশ দলটি সাজানো হয়েছে মূলত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য ঘোষিত স্কোয়াডের ক্রিকেটারদের নিয়ে। বিশ্বকাপ স্কোয়াডের ১৫ জনের মধ্যে ১৩ জনই আছেন এই দলে। এটিকে জাতীয় দল বললেও ভুল হবে না।
দুর্বার একাদশের নেতৃত্বে নাজমুল হোসেন শান্ত। বিশ্বকাপ স্কোয়াডে থাকা সাইফ উদ্দিন ও নুরুল হাসান সোহান আছেন এই দলে। সাম্প্রতিক সময়ে জাতীয় দলে খেলা ক্রিকেটারদের রাখা হয়েছে এতে। এই দলে থাকতে পারতেন মোহাম্মদ নাঈম শেখও। তবে ওমরাহ পালন করার জন্য আগেই ছুটি নিয়ে রাখায় অদম্য কাপে খেলা হবে না তার।
আর আকবর আলির নেতৃত্বাধীন দুরন্ত একাদশ সাজানো হয়েছে মূলত উদীয়মান ও সম্ভাবনাময় সব ক্রিকেটারকে। চলতি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে খেলা চার ক্রিকেটার আছেন এই দলে। এছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে সম্ভাবনার ছাপ রাখা ক্রিকেটারদের সুযোগ দেওয়া হয়েছে এই দলে।
তিন দলের কোচিং প্যানেলও সাজিয়েছে বিসিবি। ধুমকেতুর প্রধান কোচ মোহাম্মদ সালাহউদ্দীন ও তার সহকারী মোহাম্মদ আশরাফুল। দুর্বারের দায়িত্বে মিজানুর রহমান বাবুল ও ডেপুটি তুষার ইমরান। আর দুরন্তের কোচ হিসেবে থাকবেন বিপিএল জয়ী হান্নান সরকার, সহকারী থাকবেন রাজিন সালেহ।
অদম্য কাপে আইপিএলের আদলে ’ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার’ নিয়ম ব্যবহারের কথাও জানিয়েছে বিসিবি। প্রতি দিন খেলা শুরুর আগে বিকেল ৪টায় থাকবে সাংস্কৃতিক আয়োজন। আর ৬টা থেকে শুরু হবে মাঠের খেলা।
আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি প্রথম ম্যাচে লড়বে ধুমকেতু ও দুরন্ত। পরদিন মুখোমুখি হবে ধুমকেতু ও দুর্বার। আর প্রথম পর্বের শেষ ম্যাচে ৭ তারিখ খেলবে দুর্বার ও দুরন্ত। এরপর সেরা দুই দল নিয়ে ৯ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) হবে ফাইনাল ম্যাচ।
মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে হতে যাওয়া টুর্নামেন্টের ম্যাচগুলো মাঠে বসে দেখার জন্য সর্বনিম্ন ১০০ ও সর্বোচ্চ ১ হাজার টাকা গুনতে হবে দর্শকদের। প্রাইজমানি ও সব ফি মিলিয়ে এই টুর্নামেন্টের আর্থিক মূল্য আড়াই কোটি টাকা।
ধুমকেতু একাদশ
লিটন কুমার দাস (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান তামিম, সাইফ হাসান (সহ-অধিনায়ক), পারভেজ হোসেন ইমন, তাওহিদ হৃদয়, শামীম হোসেন, শেখ মেহেদি হাসান, রিশাদ হোসেন, নাসুম আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান, তানজিম হাসান সাকিব, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম
দুর্বার একাদশ
হাবিবুর রহমান সোহান, আফিফ হোসেন ধ্রুব, নাজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), মাহমুদুল হাসান জয়, জাকের আলি অনিক, মেহেদি হাসান মিরাজ, নুরুল হাসান সোহান, তানভির ইসলাম, আলিস আল ইসলাম, হাসান মাহমুদ, সাইফ উদ্দিন, সৈয়দ খালেদ আহমেদ, আল ফাহাদ
দুরন্ত একাদশ
জিসান আলম, জাওয়াদ আবরার, মাহফিজুল ইসলাম রবিন, আরিফুল ইসলাম, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন, আকবর আলি (অধিনায়ক), আজিজুল হাকিম তামিম, রিপন মন্ডল, আব্দুল গাফফার সাকলাইন, এসএম মেহেরব হাসান, রকিবুল হাসান, নাহিদ রানা, ইকবাল হোসেন ইমন

তিন দলের নাম চূড়ান্ত হয়েছিল আগেই। অপেক্ষা ছিল চতুর্থ ও শেষ দলের। রোববার দুপুরে জানা গেল সেই নাম। যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাবনা শেষ করে দিয়ে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মূল পর্ব নিশ্চিত করল স্কটল্যান্ড।
নেপালে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের শেষ ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রকে ৪১ রানে হারিয়েছে স্কটল্যান্ড। সুপার সিক্স পর্বে পাঁচ ম্যাচে ছয় পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ দল হিসেবে বিশ্বকাপের মূল পর্বে নাম লেখাল তারা।
বাছাইপর্বে সবকটি ম্যাচ জিতে পূর্ণ ১০ পয়েন্ট নিয়ে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ। তাদের সঙ্গে আগেই বিশ্বকাপের টিকেট কেটে ফেলেছিল নেদারল্যান্ডস ও আয়ারল্যান্ড। এবার এই তিন দলের সঙ্গী হয়েছে স্কটিশরা।
ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে আগামী জুন-জুলাইয়ে হবে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মূল পর্ব। আয়োজক দেশ হিসেবে সরাসরি খেলার সুযোগ পেয়েছে ইংল্যান্ড।
আর গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দলীয় অবস্থান অনুযায়ী বিশ্বকাপের সরাসরি টিকেট পায় অস্ট্রেলিয়া, ভারত, নিউ জিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
এই ছয় দলের বাইরে র্যাঙ্কিংয়ে অবস্থান অনুযায়ী বিশ্বকাপ নিশ্চিত করে শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তান। বাকি চার দলের জন্য আয়োজন করা হয় বাছাইপর্ব। যেখান থেকে জানা গেল শেষ চার দলের নাম।
২০২৬ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী সব দল
ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, ভারত, নিউ জিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, নেদারল্যান্ডস, আয়ারল্যান্ড ও স্কটল্যান্ড