
দেশজুড়ে আবারও শুরু হচ্ছে বৃহৎ ক্রিকেট উৎসব। ৬৪ জেলার ৩৪৭টি বিদ্যালয়ের অংশগ্রহণে প্রায় ৯ হাজার ক্রিকেটারকে নিয়ে হবে এবার প্রাইম ব্যাংক জাতীয় স্কুল ক্রিকেট টুর্নামেন্ট। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) থেকে শুরু হয়ে যাবে জেলা পর্যায়ের খেলা।
মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে এই টুর্নামেন্টের নতুন আসর শুরুর ঘোষণা দেওয়া হয়। একইসঙ্গে জার্সি উন্মোচন ও গত আসরের বাছাইকৃত ২৫ ক্রিকেটারকে বৃত্তি প্রদান করে পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠান প্রাইম ব্যাংক।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক ও সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাশার সুমন, জাতীয় দলের বর্তমান টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত, ব্যাটার তাওহিদ হৃদয় ও প্রাইম ব্যাংকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর নাজিম এ চৌধুরী।
আরও পড়ুন
| স্কুলসেরা ২৫ ক্রিকেটারকে প্রাইম ব্যাংকের বৃত্তি |
|
জাতীয় দলের তারকা হওয়ার আগে স্কুল ক্রিকেট দিয়েই নিজের যাত্রা শুরু করেন শান্ত। এছাড়া তাওহিদ হৃদয়ও বগুড়ায় খেলেন স্কুল ক্রিকেটে। যেখানে চার বছরের মধ্যে তিনবার চ্যাম্পিয়ন হয় তার বগুড়া পুলিশ লাইন্স হাই স্কুল।
এসময় নিজেদের স্কুল ক্রিকেট খেলার দিনগুলো স্মৃতিচারণ করেন শান্ত ও হৃদয়। পরে শান্ত বলেন, দেশের ক্রিকেটের বৃহত্তর স্বার্থ মাথায় রেখেই স্কুল ক্রিকেটকে বড় করে দেখা উচিত।
“আমি মনে করি, স্কুল ক্রিকেটকে খুব বড় করে দেখা উচিত। ক্রিকেট বোর্ড ও প্রাইম ব্যাংককে ধন্যবাদ যে এত সুন্দর ভাবে প্রত্যেকটা স্কুলকে সহযোগিতা করছে। এই টুর্নামেন্টটাকে যতো বড়ভাবে করা যায় ও যতো সুন্দর ভাবে করা যায় এবং প্লেয়ারদেরকে ঐ যথাযথ সুযোগ-সুবিধা যদি আমরা নিশ্চিত করতে পারি, তাহলে আমার মনে হয় প্লেয়াররা আরও ভালোভাবে এখানে খেলতে আসবে আগ্রহ নিয়ে।”
“একটু আগে (হাবিবুল বাশার) স্যার বলছিলেন যে অনেক সময় স্কুলকে আমন্ত্রণ করা লাগে। তখন দেখা যাবে যে, আমন্ত্রণ করা লাগবে না। তারা নিজ থেকে আসবে। তাই আমার মনে হয় যে এই জায়গাটাতে একটু নজর দেওয়া উচিত।”
এসময় আয়োজকদের প্রতি একটি অনুরোধও করেন জাতীয় দলের টেস্ট অধিনায়ক।
“একটা অনুরোধ থাকবে প্রাইম ব্যাংক ও ক্রিকেট বোর্ডের কাছে। এটা আমরা ধীরে ধীরে কীভাবে দেশের বাইরে গিয়েও খেলার ব্যবস্থা করতে পারি, এটা আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হবে। তো সব মিলিয়ে ধন্যবাদ। আমি খুবই খুশি। প্লেয়ার যারা আছে, শিক্ষার্থী স্টুডেন্ট যারা আছে তাদের জন্য শুভকামনা। টুর্নামেন্টটা ভালো ভাবে তোমরা খেলবে ইনশাআল্লাহ। শুভকামনা।”
No posts available.
১২ এপ্রিল ২০২৬, ২:৫০ পিএম
১২ এপ্রিল ২০২৬, ১:০৮ পিএম

কাঁধের চোটে পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল) থেকে ছিটকে যাওয়া পারভেজ হোসেন ইমনের বদলে শ্রীলঙ্কার ব্যাটিং অলরাউন্ডার চারিথ আসালাঙ্কাকে দলে নিয়েছে লাহোর কালান্দার্স। টুর্নামেন্টের বাকি অংশে খেলবেন আসালাঙ্কা।
এক বিবৃতিতে রোববার দুপুরে ইমনের বদলি খেলোয়াড়ের নাম ঘোষণা করেছে লাহোর ফ্র্যাঞ্চাইজি। এর আগে শনিবার দুপুরে পিএসএল থেকে ইমনের ছিটকে যাওয়ার খবর জানিয়েছিল দলটি।
পিএসএল খেলার জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের কাছ থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত ছড়পত্র পেয়েছিলেন ইমন। কিন্তু গত ৩ এপ্রিল মুলতান সুলতান্সের বিপক্ষে ফিল্ডিং করার সময় সতীর্থ আসিফ আলির সঙ্গে ধাক্কা লেগে ব্যথা পান বাঁহাতি এই ওপেনার।
ওই ম্যাচেই প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ২ চারের সঙ্গে ৫ ছক্কায় মাত্র ১৯ বলে ৪৫ রানের ইনিংস খেলেছিলেন ইমন। কিন্তু পরে চোট পাওয়ায় আর খেলা হয়নি তার। প্রায় এক সপ্তাহ পর্যবেক্ষণে রাখার পর শনিবার তার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত জানায় লাহোর।
এখন পর্যন্ত ৫ ম্যাচের ২টি জিতে পয়েন্ট টেবিলের ৬ নম্বরে অবস্থান করছে লাহোর। আগামী শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্সের বিপক্ষে দলের পরবর্তী ম্যাচের আগেই যোগ দেওয়ার কথা আসালাঙ্কার।
এর আগে কখনও পিএসএল খেলা হয়নি আসালাঙ্কার। ইমনের চোটে এবার পাকিস্তানের ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে অভিষেক হবে ২৮ বছর বয়সী অলরাউন্ডারের।

সোশ্যাল মিডিয়ায় হুমকিস্বরুপ মন্তব্য করায় শাস্তির মুখে পড়লেন কারান কেসি। এক ফেইসবুক পোস্টে আম্পায়ারদের মারার ইঙ্গিত দিয়ে কমেন্ট করায় নেপালের এই অলরাউন্ডারকে এক ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করেছে দেশটির ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন।
রোববার দুপুরে শাস্তির সিদ্ধান্ত জানিয়েছে ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অব নেপাল (সিএএন)। নিষেধাজ্ঞার সঙ্গে ৩৪ বছর বয়সী অলরাউন্ডারের ম্যাচ ফির শতভাগ জরিমানাও করা হয়েছে।
ঘটনা নেপালের পিএম কাপের একটি ম্যাচ ঘিরে। গত শুক্রবার মুখোমুখি হয়েছিল বাগমাতি ও মাধেশ। ম্যাচের এক পর্যায়ে আম্পায়ারের একটি সিদ্ধান্ত মানতে না পেরে মাঠেই তীব্র প্রতিবাদ জানান বাগমাতির অধিনায়ক সন্দীপ লামিচানে।
আরও পড়ুন
| খেলার সময় মুঠোফোন ব্যবহার, লাল তালিকায় রাজস্থান |
|
আম্পায়ারের সঙ্গে লামিচানের উত্তপ্ত বাক্য-বিনিময়ের ওই ছবি পোস্ট করে 'ট্রল ক্রিকেট নেপাল' নামের একটি কৌতুক পেজ। সেখানে গিয়ে উশকানিমূলক মন্তব্য করেন কারান কেসি।
তিনি লিখেন, “কোনো ক্রিকেটার যদি ভুলবশত একজন আম্পায়ারকে মারে, তখন কয় ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করা হবে? এমনিই জিজ্ঞেস করছি। মূলত ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা ও জানার জন্য।”
মুহূর্তের মধ্যে নেপালের ক্রিকেটে ভাইরাল হয়ে যায় কারান কেসির এই কমেন্ট। যা দেখে প্রতিবাদ ও নিন্দা জানায় নেপালের আম্পায়ার ও স্কোরার অ্যাসোসিয়েশন। পরে আলাদা এক পোস্ট করে ওই কমেন্টের জন্য ক্ষমা চান কারান কেসি।
তাতে কোনো লাভ হয়নি। ক্রিকেটের স্পিরিটের পরিপন্থী মন্তব্য করায় নিষেধাজ্ঞা ও আর্থিক শাস্তির সামনেই পড়তে হয়েছে কারান কেসির।

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) দুর্নীতিবিরোধী বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। রাজস্থান রয়্যালস ও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর ম্যাচে রাজস্থানের টিম ম্যানেজার রোমি ভিন্দরের বিরুদ্ধে নিয়ম ভাঙার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যে কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)।
গত শুক্রবার গুয়াহাটিতে ম্যাচ চলাকালীন টেলিভিশন ক্যামেরায় ধরা পড়ে, দলের ডাগআউটে বসে মোবাইল ফোন ব্যবহার করছেন রোমি ভিন্দর। তাঁর পাশেই ছিলেন কিশোর ক্রিকেটার বৈভব সূর্যবংশী। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা। তদন্তে নিশ্চিত হওয়া গেছে, ম্যাচ চলাকালে ডাগআউটে মোবাইল ফোন ব্যবহার করে তিনি নিয়ম ভঙ্গ করেছেন।
বিসিসিআইয়ের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, খেলোয়াড় ও ম্যাচ-সম্পর্কিত নির্ধারিত এলাকায় মোবাইল ফোন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। বিশেষ করে ডাগআউটকে উচ্চ-নিরাপত্তার এলাকা হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যাতে বাইরের কোনো প্রভাব ম্যাচে না পড়ে। তবে ড্রেসিংরুমে সীমিতভাবে ফোন ব্যবহারের সুযোগ থাকলেও ডাগআউটে তা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
আরও পড়ুন
| আম্পায়ারের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে রানার শাস্তি |
|
লিগের আনুষ্ঠানিক নীতিমালাতেও এ বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, দলের ম্যানেজার ড্রেসিংরুমে ফোন ব্যবহার করতে পারবেন, কিন্তু ডাগআউটে নয়। দীর্ঘদিন ধরে ফ্র্যাঞ্চাইজিটির সঙ্গে যুক্ত থাকা একজন কর্মকর্তা হিসেবে ভিন্দরের এ নিয়ম জানা থাকার কথা—এমন মত সংশ্লিষ্টদের।
বোর্ডের ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ঘটনাটি অনিচ্ছাকৃত হতে পারে, তবে এটি স্পষ্টতই নিয়মভঙ্গ। এ কারণে কোনো না কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ম্যাচ রেফারি ও দুর্নীতিবিরোধী ইউনিটের প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে সতর্কবার্তা থেকে শুরু করে ম্যাচ নিষেধাজ্ঞা—যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।
এদিকে ম্যাচ পরবর্তী প্রেজেন্টেশনে তরুণ ক্রিকেটার সূর্যবংশী তাঁর ‘স্থানীয় অভিভাবক’ হিসেবে ভিন্দরের নাম উল্লেখ করায় বিষয়টি আরও গুরুত্ব পেয়েছে। এতে করে তদন্তে তাঁর ভূমিকা নিয়ে বাড়তি নজর দেওয়া হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনাটি এরই মধ্যে সাবেক লিগ কমিশনার ললিত মোদির দৃষ্টিতেও এসেছে। তিনি প্রকাশ্যে প্রশ্ন তুলেছেন, এমন পরিস্থিতিতে দুর্নীতিবিরোধী নিরাপত্তা ইউনিটের কর্মকর্তারা কোথায় ছিলেন।
এ ব্যাপারে ভারতীয় বোর্ডের দুর্নীতিবিরোধী ইউনিট তদন্ত শুরু করতে যাচ্ছে। তদন্ত শেষে একটি প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে, যার ভিত্তিতে ভিন্দরের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নির্ধারণ করা হবে। সম্ভাব্য শাস্তির মধ্যে রয়েছে আর্থিক জরিমানা কিংবা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ডাগআউট ও ড্রেসিংরুমে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা।

পাকিস্তান সুপার লিগে অভিযান শেষ করে দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশের ৪ ক্রিকেটার মোস্তাফিজুর রহমান, তানজিদ হাসান তামিম, রিশাদ হোসেন ও পারভেজ হোসেন ইমন। তবে একটি বাড়তি ম্যাচ খেলার জন্য অনুমতি পেয়েছেন নাহিদ রানা ও শরিফুল ইসলাম।
রোববার সকালে একসঙ্গেই পাকিস্তান থেকে ঢাকায় এসেছেন মোস্তাফিজ, রিশাদসহ ৪ জন। পেশাওয়ার জালমির পরের ম্যাচটি খেলে মঙ্গলবার ফিরবেন দুই পেসার নাহিদ ও শরিফুল।
প্রাথমিকভাবে পিএসএল খেলতে যাওয়া বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের ১২ এপ্রিল পর্যন্ত ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছিল। সেই পর্যন্ত খেলে একসঙ্গেই ফেরার কথা ছিল সবার। তবে ১৩ এপ্রিল পেশাওয়ারের ম্যাচ থাকায় নাহিদ ও শরিফুল বাড়তি ২ দিন ছুটির আবেদন করেছেন।
আরও পড়ুন
| আম্পায়ারের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে রানার শাস্তি |
|
করাচির ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে সোমবার রাতে মুলতান সুলতান্সের মুখোমুখি হবে নাহিদ-শরিফুলদের পেশাওয়ার। এখন পর্যন্ত পাঁচ ম্যাচে ৪ জয় ও এক পরিত্যক্তসহ ৯ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষেই রয়েছে তারা।
পেশাওয়ারে নাহিদ-শরিফুলদের সতীর্থ ছিলেন তামিমও। তবে পাঁচ ম্যাচের একটিতেও খেলার সুযোগ হয়নি বাঁহাতি ওপেনারের। সে কারণেই হয়তো আর ছুটি বাড়াননি তিনি। পূর্ব নির্ধারিত সূচিতেই দেশে ফিরেছেন বাকি তিন ক্রিকেটারের সঙ্গে।
দেশে ফিরে এখন নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের প্রস্তুতিতে মন দেবেন তামিম, রিশাদ ও মোস্তাফিজ।
ওয়ানডে দলে না থাকা পারভেজ ইমনের ছুটি ছিল ২১ এপ্রিল পর্যন্ত। কিন্তু কাঁধের চোটে পিএসএল থেকে ছিটকে গেছেন বাঁহাতি ওপেনার। দেশে ফিরে এখন বিসিবির মেডিকেল বিভাগের তত্ত্বাবধানে তার মাঠে ফেরার সময় নির্ধারিত হবে।

আইপিএলে গতকাল রাতে চেন্নাই সুপার কিংসের বিপক্ষে ২৩ রানে হেরেছে দিল্লি ক্যাপিটালস। ম্যাচে আম্পায়ারের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে শাস্তি পেয়েছেন দিল্লির ব্যাটার নিতিশ রানা। জিতলেও জরিমানা গুনতে হয়েছে চেন্নাই অধিনায়ক রুতুরাজ গায়কোয়াড়কে।
দিল্লির ইনিংসের ১৯তম ওভারে সতীর্থ ট্রিস্টান স্টাবসকে গ্লাভস পরিবর্তন করতে না দেওয়ায় আম্পায়ারের সঙ্গে তর্কে জড়ান রানা। সেই সময় নাকি অশ্লীল শব্দও ব্যবহার করেছেন।
আইপিএল আচরণবিধির লেভেল ১-এর ধারা ২.৩ লঙ্ঘন করেছেন রানা। শাস্তি হিসেবে ম্যাচ ফির ২৫ শতাংশ জরিমানা এবং নামের পাশে যুক্ত হয়েছে একটি ডিমেরিট পয়েন্ট। রানা তাঁর অপরাধ স্বীকার করেছেন এবং ম্যাচ রেফারির শাস্তি মেনে নিয়েছেন।
স্লো ওভার রেটের কারণে জরিমানা গুনতে হয়েছে গায়কোয়াড়কে। আইপিএলের আচরণবিধির ধারা ২.২২ লঙ্ঘন করেছেন তিনি। প্রথম অপরাধের জন্য ১২ লক্ষ রুপি জরিমানা করা হয়েছে গায়কোয়াড়কে। পরেরবার একই অপরাধ করলে জরিমানা দ্বিগুণ হবে।
২০২৬ আইপিএল শুরুর ১৭ ম্যাচে তিন অধিনায়ক স্লো ওভার রেটের শাস্তি পেলেন। এর আগে পাঞ্জাব কিংসের অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার দুবার দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। দ্বিতীয়বার অপরাধের জন্য তাঁকে ২৪ লক্ষ রুপি জরিমানা করা হয়। জরিমানা হয়েছে গুজরাট টাইটানসের অধিনায়ক শুভমান গিলেরও।