১৮ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:১৫ পিএম

মোস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়া থেকে শুরু, যা এখন গিয়ে ঠেকেছে বাংলাদেশের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের প্রশ্নে। আগামী মাসে বাংলাদেশ বিশ্বকাপ খেলবে কিনা, খেললেও কোন দেশে খেলবে তা নিয়ে এখন আলোচনার শেষ নেই।
সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটবে ২১ জানুয়ারি, বুধবারের মধ্যে। জনপ্রিয় ক্রিকেট ওয়েবসাইট ইএসপিএন ক্রিকইনফোর প্রতিবেদনে জানা গেছে এই খবর। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবারের বৈঠকে বিসিবিকে এই কথা জানিয়েছেন আইসিসির প্রতিনিধিরা।
বাংলাদেশের বিশ্বকাপ ইস্যুতে আলোচনা করতে শনিবার বাংলাদেশে এসেছিলেন আইসিসির ইন্টেগ্রিটি ইউনিটের জিএম অ্যান্ড্রু এফগ্রেভ। আর ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন আইসিসির জেনারেল ম্যানেজার (ইভেন্টস অ্যান্ড কর্পোরেট কমিউনিকেশনস) গৌরব সাক্সেনা।
ওই বৈঠকে আবার বিসিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়, নিরাপত্তা শঙ্কা থাকায় কোনোভাবেই ভারতে গিয়ে বিশ্বকাপ খেলতে যাবে না বাংলাদেশ। তাই লজিস্টিক জটিলতা ন্যুনতম রেখে গ্রুপ পরিবর্তন নিয়েও আলোচনা করে বিসিবি ও আইসিসি।
ক্রিকইনফোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের গ্রুপ পরিবর্তনের অনুরোধে রাজি হয়নি আইসিসি। অর্থাৎ আয়ারল্যান্ডকে 'বি' গ্রুপ থেকে 'সি' গ্রুপে পাঠানো ও বাংলাদেশকে 'সি' গ্রুপ থেকে 'বি' গ্রুপে পাঠানোর সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।
এছাড়া আইসিসির পক্ষ থেকে বারবার নিশ্চিত করা হয়, ভারতের মাঠে বাংলাদেশ দলের জন্য কোনো রকমের নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই। তাই আইসিসি এখন বাংলাদেশের কাছ থেকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানার অপেক্ষা করছে।
ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাতে ক্রিকইনফো জানাচ্ছে, বাংলাদেশ যদি ভারতে গিয়ে না খেলার সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে বিশ্বকাপে বাংলাদেশের বদলে অন্য দেশকে নিতে পারে আইসিসি। আর র্যাঙ্কিং বিবেচনায় সেই দেশটি হতে পারে স্কটল্যান্ড।
শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের সব ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়া হবে নাকি ভারতেই খেলতে হবে অথবা অন্য কোনো সিদ্ধান্ত আসবে, সবই জানা যাবে আগামী বুধবারের মধ্যে।
No posts available.
১৮ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:০৯ পিএম
১৮ জানুয়ারি ২০২৬, ৯:২৩ পিএম
১৮ জানুয়ারি ২০২৬, ৮:৪০ পিএম
১৮ জানুয়ারি ২০২৬, ৭:৫৭ পিএম

সার্বিক দিক বিবেচনা করে বিপিএলের ১২তম আসরের ফাইনালের সময়সূচিতে কিছুটা পরিবর্তন আনল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। আগামী ২৩ জানুয়ারি (শুক্রবার) সন্ধ্যা ৭টার বদলে এক ঘণ্টা এগিয়ে সন্ধ্যা ৬টায় শুরু হবে টুর্নামেন্টের শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচ।
পূর্ব ঘোষিত সূচিতে প্রতিটি শুক্রবারের সন্ধ্যার ম্যাচ ছিল ৭টায়। সেই ধারায় ফাইনাল শুরুর সময়ও ছিল সন্ধ্যা ৭টা। তবে ফাইনালের দিন যেহেতু দুপুরে কোনো খেলা নেই, তাই আগে ম্যাচ শুরু করতেও কোনো সমস্যা নেই আয়োজকদের।
এছাড়া প্লে-অফের অন্য তিন ম্যাচ অর্থাৎ প্রথম কোয়ালিফায়ার, দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার ও এলিমিনেটর ম্যাচের জন্য বরাদ্দকৃত রিজার্ভ ডেও বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। তবে ফাইনালের জন্য পরদিন অর্থাৎ শনিবার থাকছে রিজার্ভ ডে হিসেবে।
বিপিএলের বাকি আছে আর এই চারটি ম্যাচ। একনজরে দেখে নেওয়া যাক সূচি
২০ জানুয়ারি, মঙ্গলবার
এলিমিনেটর (দুপুর ১টা) - রংপুর রাইডার্স বনাম সিলেট টাইটান্স
প্রথম কোয়ালিফায়ার (সন্ধ্যা ৬টা) - রাজশাহী ওয়ারিয়র্স বনাম চট্টগ্রাম রয়্যালস
২১ জানুয়ারি, বুধবার
দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার (সন্ধ্যা ৬টা) -প্রথম কোয়ালিফায়ার পরাজিত দল বনাম এলিমিনেটর জয়ী দল
২৩ জানুয়ারি, শুক্রবার
ফাইনাল (সন্ধ্যা ৬টা) - প্রথম কোয়ালিফায়ার জয়ী দল বনাম দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ার জয়ী দল

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) ক্রিকেটে প্রথম পর্বের শেষ ম্যাচে চট্টগ্রাম রয়্যালসকে ৪২ রানে হারিয়েছে ঢাকা ক্যাপিটালস। মিরপুরে রোববার ১৭১ রানের লক্ষ্যে ১২৮ রানের বেশি করতে পারেনি চট্টগ্রাম।
লিগ পর্বের দশ ম্যাচে তিন জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে এবারের বিপিএল শেষ করল ঢাকা। আর শেষ ম্যাচ হারের পরও সমান ১০ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে প্রথম কোয়ালিফায়ার নিশ্চিত করেছে চট্টগ্রাম।
হোম অব ক্রিকেটে মঙ্গলবার প্রথম কোয়ালিফায়ার ম্যাচে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের মুখোমুখি হবে বিসিবি পরিচালিত চট্টগ্রাম রয়্যালস। আর এলিমিনেটর ম্যাচে লড়বে রংপুর রাইডার্স ও সিলেট টাইটান্স।
ম্যাচে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে সাইফ হাসানের ৪৪ বলে ৫টি করে চার-ছক্কায় খেলা ৭৩ রানের ইনিংসের সৌজন্যে ১৭০ রানের পুঁজি পায় ঢাকা। শেষ দিকে মাত্র ৩ রানের মধ্যে ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলায় বড় হয়নি তাদের সংগ্রহ।
চট্টগ্রামের পক্ষে বল হাতে ২৫ রানে ৩ উইকেট নেন বাঁহাতি স্পিনার তানভির। এছাড়া মাত্র ১৮ রানে ২ উইকেট নেন শরিফুল ইসলাম। এখন পর্যন্ত ২৩ উইকেট নিয়ে তালিকার শীর্ষে বাঁহাতি এই পেসার।।
রান তাড়ায় চট্টগ্রামের মূল ব্যাটারদের কেউ তেমন কিছু করতে পারেননি। মাত্র ৭৮ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে ফেলে তারা। পরে আমির জামাল ও শরিফুল ইসলাম মাত্র ২১ বলে ৫০ রানের জুটি গড়ে দলকে একশ পার করান। জামাল খেলেন ২৬ বলে ৪২ রানের ইনিংস।
ঢাকার পক্ষে ২০ রানে ৪ উইকেট নেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। তাসকিন আহমেদের শিকার ৩টি।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ফাইন্যান্স কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান এম নাজমুল ইসলাম ক্রিকেটারদের নিয়ে দেওয়া বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে পাঠানো শোকজ নোটিসের জবাব দিয়েছেন। তার জবাবকে ইতিবাচক ও সন্তোষজনক বলে জানিয়েছেন বিসিবির ডিসিপ্লিনারি কমিটির চেয়ারম্যান ফায়েজুর রহমান মিতু।
তিনি নিশ্চিত করেছেন, রোববার দুপুরের পর নাজমুলকে পাঠানো শোকজ নোটিশের জবাব পেয়েছে বিসিবি। অন্য ব্যস্ততা থাকায় পুরোটা পড়তে পারেননি ফায়েজুর। তবে তিনি জানতে পেরেছেন নাজমুলের জবাব ইতিবাচক ও সন্তোষজনক।
“আমরা তার উত্তর পেয়েছি। যদিও এখনও ব্যক্তিগতভাবে পুরো পড়ে দেখার সুযোগ হয়নি। অন্য কাজের ব্যস্ততা ছিল, পাশাপাশি একটি টুর্নামেন্ট নিয়েও জড়িত ছিলাম। তবে যতটুকু জানতে পেরেছি, তার জবাব ইতিবাচক এবং সন্তোষজনক।”
এই বিষয়ে বিসিবির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বার্তা দেওয়া হবে কিনা সেটিও নিশ্চিত নয় বলে জানালেন ফায়েজুর।
“এটি নিয়ে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হবে কি না, তা মিডিয়া কমিটির সঙ্গে আলোচনা করে ঠিক করতে হবে। আমাকে বিষয়টি দেখার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আগামী বোর্ড সভায় এ নিয়ে আলোচনা হবে।”
আপাতত সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, বোর্ড সভায় আলোচনার পরই এই বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ জানা যাবে। আর এই প্রক্রিয়া চলমান থাকার শর্তেই মাঠে খেলা অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব)।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ উপলক্ষ্যে বাংলাদেশের ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত উল্লেখযোগ্য আলোচনার বিষয়বস্তু। তবে পাকিস্তানি ও দেশটির বংশোদ্ভুত নাগরিকদের ভারতের ভিসা না পাওয়ার বিষয়টিও বিতর্ক তৈরি করেছে। ইংল্যান্ড-যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের পাকিস্তানি বংশোদ্ভুত ক্রিকেটার ভারতের ভিসার আবেদন করলে বাড়তি নজরদারি আর দীর্ঘ প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে হচ্ছে।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তান ও পাকিস্তান বংশোদ্ভুত ক্রিকেটারদের ভিসা নিরসনে মাঠে নেমেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। ভারতীয় বার্তা সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, বিভিন্ন দেশের স্কোয়াডে থাকা ৪২ জন পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ক্রিকেটার ও কর্মকর্তাদের ভারতের ভিসা নিশ্চিত করতে কাজ করছে তারা।
এখন পর্যন্ত ইংল্যান্ডের আদিল রশিদ, রেহান খান ও পেসার সাকিব মাহমুদের ভিসা কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। নেদারল্যান্ডসের খেলোয়াড়রা এবং কানাডার শাহ সালেম জাফরের ভিসা ক্লিয়ারেন্সও নিশ্চিত হয়েছে।
তবে পাকিস্তান ও পাকিস্তানি বংশোদ্ভুত ক্রিকেটারদের ভিসা প্রক্রিয়া এখনও চলমান—এদের মধ্যে রয়েছেন আমেরিকা, কানাডা, ইতালি ও ইংল্যান্ডের ক্রিকেটাররা। আশা করা যাচ্ছে, আগামী সপ্তাহের শুরুতে তাদের ভিসা কার্যক্রমও সম্পন্ন হবে।
ভিসা ইস্যুর শেষ সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩১ জানুয়ারি। সমন্বয়প্রক্রিয়ার পুরো সময় ধরে আইসিসি বিভিন্ন দেশের ভারতীয় হাইকমিশনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে। আইসিসির আশা, এর মধ্যেই সব ক্রিকেটারদের ভিসা মিলবে এবং বিশ্বকাপের মাঠে তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে।

টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে শততম ম্যাচ খেলতে নেমে দারুণ এক মাইলফলক স্পর্শ করলেন সাইফ হাসান। বিধ্বংসী ইনিংস খেলে তিনি ছুঁয়ে ফেললেন ছক্কার সেঞ্চুরি। একইসঙ্গে রানখরা কাটিয়ে পেলেন ফিফটির দেখা।
মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথম পর্বের শেষ ম্যাচে চট্টগ্রাম রয়্যালসের বিপক্ষে ৫টি করে চার ও ছক্কা মেরে ৪৪ বলে ৭৩ রানের ইনিংস খেলেছেন সাইফ। অথচ এর আগের ৮ ম্যাচ মিলিয়ে তার সংগ্রহ ছিল মাত্র ৬০ রান।
স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে সাইফের এটি একশতম ম্যাচ। এর আগে ৯৪ ইনিংসে তার নামের পাশে ছিল ৯৭টি ছক্কা। এবার পাঁচটি ছক্কা মেরে ১০২টি ছক্কা হয়ে গেল তার।
এর আগে সবশেষ ১৪ ইনিংসে রান ছিল না সাইফের ব্যাটে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে তার অফফর্ম বাংলাদেশ দলের জন্যও ছিল চিন্তার কারণ। এবার শেষ ম্যাচে রানে ফিরে যেন কামব্যাকের বার্তাই দিলেন ২৭ বছর বয়সী ব্যাটার।
এদিন তিন নম্বরে নেমে সাইফের শুরুটা ছিল মন্থর। প্রথম ৭ বলে তিনি করেন ৩ রান। পঞ্চম ওভারে আমির জামালের বলে ৪টি চারের সঙ্গে ১টি ছক্কা মেরে গা ঝারা দেন সাইফ। পরে মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধর বলে দুটি ছক্কা মেরে পূর্ণ করেন ছক্কার সেঞ্চুরি।
দশম ওভারে হাসান নাওয়াজের বলে ফ্রি-হিটে ছক্কা মেরে ২৯ বলে বিপিএল ক্যারিয়ারের চতুর্থ ও সব মিলিয়ে ১৩তম ফিফটি করেন সাইফ। এরপর জামালের বলে আরেকটি ছক্কা মারেন টপ-অর্ডার ব্যাটার।
১৫তম ওভারে তানভির ইসলামের বলে ক্যাচ আউট হয়ে সমাপ্তি ঘটে তার ৭৩ রানের ইনিংসের। সাইফের ফিফটি ছাড়া আর কেউ ৩০ রানও করতে পারেননি। তাই বড় স্কোরের সম্ভাবনা জাগিয়েও শেষ পর্যন্ত ১৭০ রানে অল আউট হয়ে যায় ঢাকা।
চট্টগ্রামের পক্ষে বল হাতে ২৫ রানে ৩ উইকেট নেন বাঁহাতি স্পিনার তানভির। এছাড়া মাত্র ১৮ রানে ২ উইকেট নেন শরিফুল ইসলাম। এখন পর্যন্ত ২৩ উইকেট নিয়ে তালিকার শীর্ষে বাঁহাতি এই পেসার