
চট্টগ্রামে ফেরার অপেক্ষাই যেন করছিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। প্রায় ২৩ মাস পর সাগরিকার এই মাঠে ওয়ানডে খেলতে নেমে আবারও সেঞ্চুরির দেখা পেয়ে গেলেন বাংলাদেশের সহ-অধিনায়ক। তার ব্যাটে বড় সংগ্রহের পথে ছুটছে বাংলাদেশ।
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফট্যানেন্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে ম্যাচে ৯ চার ও ২ ছক্কায় ১১৪ বলে সেঞ্চুরি করেছেন শান্ত। ওয়ানডেতে এটি তার চতুর্থ সেঞ্চুরি।
এই সংস্করণে এর আগে সবশেষ সেঞ্চুরিটিও চট্টগ্রামের মাঠেই করেছিলেন শান্ত। ২০২৪ সালের মার্চে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে ১৩ চার ও ২ ছক্কায় সেদিন ১২৯ বলে করেছিলেন ১২২ রান।
ওই সিরিজের পর আর চট্টগ্রামে ওয়ানডে খেলেনি বাংলাদেশ। মাঝের এই ২৩ মাসে আর সেঞ্চুরিও করা হয়নি শান্তর। অবশেষে নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচটিতেই সেই ২০ ইনিংস পর সেই অপেক্ষার সমাপ্তি ঘটালেন ২৭ বছর বয়সী ব্যাটার।
আরও পড়ুন
| এবার টস হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, ফিরলেন মোস্তাফিজ |
|
চট্টগ্রামের তপ্ত রোদে দুই ওপেনারের ব্যর্থতায় তৃতীয় ওভারে ক্রিজে যেতে হয় শান্তর। এরপর থেকে এক প্রান্ত আগলে রেখে খেলতে থাকেন বাঁহাতি এই ব্যাটার। লিটন কুমার দাসের সঙ্গে চতুর্থ উইকেটে গড়েন ১৬০ রানের জুটি।
লিটন ৭৬ রান করে ফিরলেও কোনো ভুল করেননি শান্ত। দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে সেঞ্চুরির স্বাদ পেয়েছেন বাংলাদেশের সহ-অধিনায়ক।
শুরু থেকে রয়েসয়ে ব্যাটিং করা শান্ত ফিফটি করেন ৭০ বলে। এরপর রানের গতি বাড়িয়ে পরের পঞ্চাশ রান করতে তিনি খেলেন ৪৪ বল। সব মিলিয়ে চতুর্থ সেঞ্চুরি করে অবশ্য আর টিকতে পারেননি।
জেডেন লেনক্সের করা ৪৩তম ওভারের শেষ বলে ছক্কা মারতে গিয়ে লং অন সীমানায় ধরা পড়েন শান্ত। ৯ চার ও ২ ছক্কায় ১১৯ বলে খেলেন ১০৫ রানের ইনিংস।
এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৪৩ ওভারে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ২২১ রান। তাওহিদ হৃদয় ১৫ রানে অপরাজিত। নতুন ব্যাটার মেহেদী হাসান মিরাজ।
No posts available.
২৫ এপ্রিল ২০২৬, ৩:১৬ পিএম

ওয়ানডে সিরিজে বাংলাদেশের বড় শক্তি ছিলেন নাহিদ রানা ও মোস্তাফিজুর রহমান। তবে টি-টোয়েন্টি সিরিজে তাদের দুজনকেই বিশ্রাম দিয়েছে বাংলাদেশ। এতে নতুন ধরনের চ্যালেঞ্জের সামনে পড়বে নিউ জিল্যান্ড, এমনটাই মনে করেন ইশ সোধি।
চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লা. লে. মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সোমবার শুরু হবে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ। সিরিজ সামনে রেখে শনিবার প্রথম অনুশীলন করেছে দুই দল। ওয়ানডে সিরিজে না থাকলেও, টি-টোয়েন্টিতে খেলবেন অভিজ্ঞ লেগ স্পিনার সোধি।
তেমনিভাবে বাংলাদেশকে ওয়ানডে সিরিজ জেতানোর পর টি-টোয়েন্টি থেকে বিশ্রাম পেয়েছেন তিন পেসার তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজ ও নাহিদ। পরপর দুই ম্যাচে ৫ উইকেট করে নিয়ে বাংলাদেশের সিরিজ জয়ের বড় নায়ক ছিলেন মোস্তাফিজ ও নাহিদ।
তাই টি-টোয়েন্টি সিরিজের আগে স্বাভাবিকভাবেই আলোচনার বড় অংশ জুড়ে এই দুই পেসার। শনিবার সংবাদ সম্মেলনে তাদের প্রশংসায় ভাসান সোধি।
“সবারই জানা, ‘ফিজ’-র মতো বিশ্বমানের বোলার দলে থাকলে সেটা বড় একটা শক্তি। এছাড়া বর্তমানে নাহিদ রানা যেভাবে বোলিং করছে, তাদের অনুপস্থিতি নিঃসন্দেহে (বাংলাদেশ) দলে একটা বড় শূন্যতা তৈরি করবে।”
ওয়ানডে সিরিজের তিন পেসারের বিশ্রামের সৌজন্যে টি-টোয়েন্টিতে ডাক পেয়েছেন তানজিম হাসান সাকিব, আব্দুল গাফফার সাকলাইন ও রিপন মন্ডল। এদের মধ্যে প্রথমবার জাতীয় দলে খেলতে দেখা যেতে পারে সাকলাইন ও রিপনকে।
পরীক্ষিত পেসারদের অনুপস্থিতিতে নতুন এই ক্রিকেটারদের নিয়ে নতুন চ্যালেঞ্জের কথা বলেন সোধি।
“আমার মনে হয় ওয়ানডে সিরিজে মোস্তাফিজুর রহমান ও নাহিদ রানা যেভাবে বোলিং করেছিল, তাদের না থাকা অবশ্যই ভিন্ন ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করবে।”
“একই সঙ্গে এখানে অনেক অজানা ক্রিকেটারও আছে। অনেক সময় কোনো বোলারকে কয়েকবার খেললে তার বিরুদ্ধে পরিকল্পনা তৈরি করা সহজ হয়। কিন্তু এখন দলটা একেবারে নতুন, ফলে নতুন ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে।”


প্রথম বলেই ফিরতে পারতেন ড্রেসিং রুমে। মোহাম্মদ সিরাজের বলে বিরাট কোহলির সহজ ক্যাচ ছেড়ে দিলেন ওয়াশিংটন সুন্দর। জীবন পেয়ে এর সদ্ব্যবহার করতে ভুল করলেন না কোহলি। দারুণ ইনিংসে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুকে জিতিয়ে বেশ কিছু রেকর্ডও গড়লেন ভারতের ব্যাটিং গ্রেট।
আইপিএল ইতিহাসে প্রথম ব্যাটার হিসেবে গড়েছেন ৮০০ চার মারার রেকর্ড। একইসঙ্গে নির্দিষ্ট কোনো দলের হয়ে প্রথম ব্যাটার হিসেবে ৩০০ ছক্কা মারার রেকর্ডও গড়েছেন বেঙ্গালুরুর এই কিংবদন্তি।
ঘরের মাঠে শুক্রবার গুজরাট টাইটান্সকে ৫ উইকেটে হারিয়েছে বেঙ্গালুরু। ২০৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে রান তাড়ায় নিজের সেরা সময়কে মনে করিয়ে ৪৪ বলে ৮১ রানের ইনিংস খেলেছেন কোহলি। জিতেছেন ম্যাচ সেরার পুরস্কার।
ওপেনিংয়ে নেমে ৮ চারের সঙ্গে ৪টি ছক্কা মেরেছেন কোহলি। ম্যাচ শুরুর আগে আইপিএলে কোহলির নামের পাশে ছিল ৭৯৯ চার ও ২৯৯টি ছক্কা।
জীবন পাওয়ার পরের ওভারেই কাগিসো রাবাদার বলে বাউন্ডারি মেরে ৮০০ চার পূর্ণ করেন কোহলি। এই ক্লাবে তার কোনো সঙ্গী নেই। তিনি একাই আছেন আইপিএলে ৮০০ চারের অভিজাত ক্লাবে।
সর্বোচ্চ চারের তালিকায় দুই নম্বরে আছেন শিখর ধাওয়ান, ৭৬৮টি চার। এছাড়া ডেভিড ওয়ার্নার ৬৬৩ ও রোহিত শর্মা মেরেছেন ৬৫৩টি চার।
পরে রশিদ খানকে ছক্কা মেরে ৩০০ ছক্কার মাইলফলক স্পর্শ করেন কোহলি। আইপিএল ইতিহাসে এই প্রথম একটি দলের হয়ে ৩০০ ছক্কা মারলেন কোনো ব্যাটার। এই ক্লাবে ঢুকতে কোহলি খেলেছেন মোট ২৬৬ ইনিংস।
তবে সব মিলিয়ে আইপিএলে ৩০০ ছক্কা আছে ক্রিস গেইল ও রোহিত শর্মার। কলকাতা নাইট রাইডার্স, কিংস এলেভেন পাঞ্জাব ও বেঙ্গালুরুর হয়ে ১৪১ ইনিংসে ৩৫৭টি ছক্কা মেরেছেন গেইল। আর মুম্বাই ইন্ডিয়ান ও ডেকান চার্জার্সের হয়ে ২৭১ ইনিংস খেলা রোহিতের ছক্কা ৩১০টি।
গুজরাটের বিপক্ষে ম্যাচে ৪৯তম রান নিয়ে ভারতের মাঠে স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে ১০ হাজার রানও পূর্ণ করেছেন কোহলি। এই সংস্করণে বিশ্বের প্রথম ব্যাটার হিসেবে নির্দিষ্ট কোনো দেশে ১০ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করলেন তিনি। এজন্য লেগেছে ২৯১ ম্যাচ।
এই তালিকার দুইয়ে রোহিত। এখন পর্যন্ত ভারতের মাঠে ৩১৯ ম্যাচে তার সংগ্রহ ৮ হাজার ৫৬৩ রান।
আরেকটি দারুণ মাইলফলকও হাতছানি দিচ্ছে কোহলির সামনে। আইপিএল ইতিহাসে প্রথম ব্যাটার হিসেবে ৯ হাজার রান করতে আর মাত্র ১১ রান প্রয়োজন তার। পরের ম্যাচেই হয়তো সেই কীর্তি গড়ে ফেলবেন ভারতের কিংবদন্তি।

সিরিজের প্রথম ম্যাচে ন্যাথান স্মিথের লো বাউন্সি ডেলিভারিতে নাজমুল হোসেন শান্ত বোল্ড আউট হয়েছেন, তা দেখে সমালোচকদের তিরে বিদ্ধ হতে হয়েছে নির্বাচকদের। সিরিজের প্রথম ম্যাচে গোল্ডেন ডাক পাওয়া এই শান্তই সিরিজে সর্বাধিক রান সংগ্রাহক। ১ সেঞ্চুরি, ১ ফিফটিতে করেছেন ৭৭.৫০ গড়ে ১৫৫ রান। কীভাবে সিরিজের শেষ দুটি ম্যাচে এতোটা ইউটার্ন দিলেন শান্ত ? এটাই এখন গবেষণার বিষয়।
তবে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ৫০ এবং শেষ ম্যাচে ১০৫ রানের পেছনে অন্যতম কারন ব্যাটিং অর্ডারে পরিবর্তন। তিন থেকে চার নম্বরে ব্যাটিং অর্ডার নামিয়ে আনায় স্বাচ্ছন্দে ব্যাটিং করতে পেরেছেন শান্ত। সিরিজের প্রথম ম্যাচে শান্ত ব্যাটিং করেছেন ৩ নম্বর পজিশনে, ওডিআই ক্রিকেটে যে পজিশনে ৬৪টি ইনিংসের মধ্যে ৪৮টি ইনিংসে করেছেন ব্যাটিং। এই ৪৮টি ইনিংসে তার ব্যাটিং গড় ৩০.৫০। অথচ, সিরিজের পরের দুই ম্যাচে ৪ নম্বরে ব্যাট করেছেন শান্ত, যে পজিশনে শান্ত ৮ ইনিংসে ২ সেঞ্চুরি, ২ ফিফটি করেছেন, চার নম্বরে তার ব্যাটিং গড় ৬৫.৫০, স্ট্রাইক রেট ৮১.৮৭।
চার নম্বরটা যে তার সঙ্গে বেশ মানিয়ে নেয়, তা জানিয়ে দিয়েছেন শান্ত এই পজিশনে প্রথম ব্যাট করে। ২০২৩ সালে লাহোরে আফগানিস্তানের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো ৪ নম্বরে নেমে লাহোরে দিয়েছিলেন সেঞ্চুরি উপহার (১০৪)। ৪ নম্বরে নেমে পরের ম্যাচে ও একই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ধর্মশালায় খেলেছেন ম্যাচ উইনিং ইনিংস (৫৯*)। ২০২৩ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচের ম্যাচ উইনারকে পরের ৮টি ম্যাচের মধ্যে ২টিতে চার নম্বরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
প্রিয় পজিশনে ব্যাটিং ফিরে পেয়েছেন শান্ত দুই বছর পর, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৪৪ রানের ইনিংসের পর আবারো ফিরে যেতে হয়েছে তাকে ৩ নম্বরে। নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় এবং তৃতীয় ম্যাচে সৌম্যকে ফেরানোয় সৌম্য'র যতোটা না লাভ হয়েছে, তার চেয়ে ঢের বেশি লাভ হয়েছে শান্ত'র। সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ফর্ম ফিরে পেয়েছেন, ১৩ ইনিংস পর পেয়েছেন ফিফটি। সিরিজের শেষ ম্যাচে সেঞ্চুরিটি সেখানে প্রতীক্ষিত। সময়ের হিসেবে ২৫ মাস, আর ম্যাচের হিসেবে ২০ ইনিংস পর উদযাপন করেছেন সেঞ্চুরি।
ওডিআই ক্রিকেটে নুতন বলে মানিয়ে নিতে সময়ক্ষেপন হলেও সমস্যা নেই, ব্যাটিং পাওয়ার প্লে পেরিয়ে যাওয়ার পর ইনিংসের মাঝপথে সিঙ্গল-ডাবলে অনায়াসে স্কোর সমৃদ্ধ করতে পারেন। নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের শেষ ম্যাচে তা জানিয়ে দিয়েছেন শান্ত। প্রথম রানটির জন্য অপেক্ষা করেছেন ৭ম বলের মোকাবেলা পর্যন্ত। ও' রোর্কেকে স্ট্রেইট ড্রাইভে লং অনে খেলে ২ রানে শুরু তার ইনিংস। পুরো ইনিংসে একটিবারও দেননি সুযোগ।
বৃহস্পতিবার বিশেষ আতিথি হিসেবে প্রেসিডেন্ট বক্সে পুরো খেলা দেখেছেন সাবেক অধিনায়ক শফিকুল হক হীরা। চার নম্বরে ব্যাটিংয়ের জন্য শান্ত আদর্শ বলে মনে করছেন-‘ তিন এবং চার নম্বরের ব্যাটারের বৈশিষ্ট্য পুরো আলাদা। চার নম্বরে ব্যাটিংয়ে প্রধান দায়িত্ব সিঙ্গল-ডাবলে ইনিংসটা টেনে নিয়ে যাওয়া। শান্ত সে কাজটাই করেছে। উপরে খেলার প্রবনতা দেখিনি। ব্যাটিংয়ের সময়ে অধৈর্য হতে দেখিনি। রান রেটটাও ঠিক রেখেছে। লিটনকে গাইড করে ১৬০ রানের পার্টনারশিপেও শান্ত নেতৃত্ব দিয়েছে। এমন এক বৈশিষ্ট্যের ব্যাটারের জন্য ৪ নম্বর পজিশন পারফেক্ট। তিন নম্বরের জন্য একজন জেনুইন ব্যাটার দরকার। এ ব্যাপারে নির্বাচকরা বিশেষ ভুমিকা রাখবে বলে আশা করছি।’

তৃতীয় দিনেই ইনিংস ব্যবধানে জয়ের সুবাস পাচ্ছিল পূর্বাঞ্চল। চতুর্থ দিনে জয় পেতে খুব একটা সময় নিল না তারা। দ্রুতই মধ্যাঞ্চলের বাকি উইকেট নিয়ে বড় জয় নিশ্চিত করল।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের একাডেমি মাঠে বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের (বিসিএলে) প্রথম রাউন্ডে ইনিংস ও ৫৩ রানে জিতেছে পূর্বাঞ্চল। চতুর্থ দিনে দ্বিতীয় ইনিংসে ৭ উইকেটে ৮২ রান নিয়ে মাঠে নামা মার্শাল আইয়ুবের দল ২১ রান করেই বাকি তিন উইকেট হারায়।
আরও পড়ুন
| ইরানের জায়গায় বিশ্বকাপ খেলার প্রস্তাবকে ‘লজ্জাজনক’ বলে প্রত্যাখান ইতালির |
|
ম্যাচের প্রথম ইনিংসে ৩০৭ রান করে মধ্যাঞ্চল। জবাবে অমিতের সেঞ্চুরির সঙ্গে মাহমুদুল হাসান জয়, মুশফিকুর রহিম ও ইয়াসির আলি রাব্বির ফিফটিতে ৪৬৩ রান করে পূর্বাঞ্চল। ১৫৬ রানে পিছিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে শুরু থেকেই ধুঁকতে থাকে মধ্যাঞ্চল। প্রথম ইনিংসে চার উইকেট নেওয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসেও সমান চারটি উইকেট নেন ইবাদত হোসেইন।
এর আগে ৩ উইকেটে ২৪৩ রান নিয়ে তৃতীয় দিন শুরু করে পূর্বাঞ্চল। সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগালেও ৮৩ রান করে জিসান আলমের বলে কট বিহাইন্ড হয়ে যান মুশফিক। তার বিদায়ে ভাঙে অমিতের সঙ্গে গড়া ১৫১ রানের চতুর্থ উইকেট জুটি।
এরপর ইয়াসির রাব্বির সঙ্গে ১০৭ রানের জুটি গড়েন অমিত। চমৎকার ব্যাটিংয়ে ৪৯ ম্যাচের প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ারে ১১তম সেঞ্চুরি করেন ২৪ বছর বয়সী ব্যাটার। ডাবল সেঞ্চুরি মনে হচ্ছিল তখন সময়ের ব্যাপার। তবে ১৬২ রানে থামতে হয় তাকে। পরে অন্য প্রান্তে আর সঙ্গী পাননি ইয়াসির। শেষ পর্যন্ত ৭৯ রানে অপরাজিত থেকে যান তিনি। মধ্যাঞ্চলের পক্ষে ১৫২ রানে ৫ উইকেট নেন রকিবুল।