১ জানুয়ারি ২০২৬, ৪:৫০ পিএম

১২ বলে ঢাকা ক্যাপিটালসের প্রয়োজন ৪৫ রান। উইকেট বাকি মাত্র ২টি। কঠিন এই সমীকরণে একাই লড়লেন শামীম হোসেন। আজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের ওভারে ১৮ রানের পর মোহাম্মদ আমিরের শেষ ওভারে তিনি নিলেন ২০ রান। কিন্তু জয়ের জন্য যথেষ্ট হলো না সেটি। রোমাঞ্চকয় জয়ে দুই নম্বরে উঠল সিলেট টাইটান্স।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার ঢাকাকে ৬ রানে হারায় সিলেট। ম্যাচে আগে ব্যাট করে ১৭৩ রানের পুঁজি পায় সিলেট। জবাবে শামীমের লড়াইয়ের পরও ১৬৭ রানের বেশি করতে পারেনি ঢাকা।
ছয় নম্বরে নেমে ৯ চার ও ৩ ছক্কায় ৪৩ বলে ৮১ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন শামীম। ১৩৩ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে এটিই বাঁহাতি ব্যাটারের সর্বোচ্চ ইনিংস। একইসঙ্গে এই ফরম্যাটে ২ হাজার রানও পূর্ণ হয়েছে তার।
সিলেটের জয়ের নায়ক আজমতউল্লাহ ওমরজাই। আগের রাতে দলের সঙ্গে যোগ দিয়ে ব্যাট হাতে ২৪ বলে ৫০ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। পরে বল হাতেও ৩ উইকেট নেন আফগানিস্তানের পেস বোলিং এই অলরাউন্ডার।
আরও পড়ুন
| রাতে এসে দুপুরেই ওমরজাইয়ের বিধ্বংসী ব্যাটিং |
|
দুই দিন বিরতির পর এই ম্যাচ দিয়েই আবার শুরু হয় বিপিএল। খেলা শুরুর আগে সদ্য প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি সম্মান জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন দুই দলের ক্রিকেটার, ম্যাচ অফিসিয়াল ও মাঠে উপস্থিত বাকিরা।
টস হেরে ব্যাট করতে নেমে সিলেটের পক্ষে সর্বোচ্চ ৫০ রান করেন ছয় নম্বরে নামা ওমরজাই। তার ঝড়ে শেষ পাঁচ ওভারে ৭৪ রান পায় সিলেট। এছাড়া ২ চার ও ২ ছক্কায় ৩২ বলে ৪৪ রান করেন ইমন। আর ২৯ রান করতে ৩৪ বল খেলে ফেলেন সাইম আইয়ুব।
২ উইকেটের জন্য ৪ ওভারে ৪৬ রান খরচ করেন সালমান মির্জা। তাসকিনও ৪ ওভারে দেন ৪৬ রান।
রান তাড়ায় শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে ঢাকা। ৮ ওভারের মধ্যে মাত্র ৪৩ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলে তারা। এরপর ষষ্ঠ উইকেটে ৩১ বলে ৪৬ রানের জুটি গড়েন সাব্বির রহমান ও শামীম। ১৯ বলে ২৩ রান করে ফিরে যান সাব্বির।
পরে দলকে একাই টেনে নেন শামীম। তবে শেষ দুই ওভারে ঝড় তুলেও জেতাতে পারেননি তিনি।
তিন ম্যাচের সিলেটের এটি দ্বিতীয় জয়। দুই ম্যাচে ঢাকার প্রথম পরাজয়।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
সিলেট টাইটান্স: ২০ ওভারে ১৭৩/৫ (সাইম ২৯, রনি ১১, মিরাজ ৬, ইমন ৪৪, আফিফ ১৩, ওমরজাই ৫০*, ব্রুকস ১৩*; ইমাদ ৩-০-১৪-০, তাসকিন ৪-০-৪৬-১, সালমান ৪-০-৪৬-২, নাসির ৩-০-২০-০, সাইফ উদ্দিন ৪-০-৩২-১, সাইফ হাসান ২-০-১৩-১)
ঢাকা ক্যাপিটালস: ২০ ওভারে ১৬৭/৮ (সাইফ ৯, জুবাইদ ১, উসমান ২১, মিঠুন ০, নাসির ৫, শামীম ৮১*, সাব্বির ২৩, ইমাদ ৮, সাইফ উদ্দিন ০, তাসকিন ৩*; আমির ৪-১-৩০-২, নাসুম ৪-০-২৬-২, ওমরজাই ৪-০-৪০-৩, মিরাজ ৩-০-১৯-১, খালেদ ৩-০-২৫-০ সাইম ১-০-১৪-০, আফিফ ১-০-৬-০)
ফল: সিলেট টাইটান্স ৬ রানে জয়ী
No posts available.
১ জানুয়ারি ২০২৬, ১:০০ পিএম
১ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:২৯ পিএম
১ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:১৮ এম
১ জানুয়ারি ২০২৬, ৯:৩০ এম

পারিবারিক কারণে প্রথম ম্যাচে বাইরে থাকার পর এবার ঢাকা ক্যাপিটালস একাদশে ফিরলেন তাসকিন আহমেদ। অভিজ্ঞ পেসারকে পাওয়ার ম্যাচে টস জিতে আগে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ঢাকা অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন।
দুই দিন বিরতির পর সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার পুনরায় শুরু বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) ক্রিকেটের খেলা। নতুন বছরের প্রথম দিনে ঢাকা ক্যাপিটালসের প্রতিপক্ষ স্থানীয় দল সিলেট টাইটান্স।
ম্যাচ শুরুর আগে সদ্য প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি সম্মান জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন দুই দলের ক্রিকেটার, ম্যাচ অফিসিয়াল ও মাঠে উপস্থিত বাকিরা।
ঢাকার একাদশে পরিবর্তন মোট ২টি। বাদ পড়েছেন জিয়াউর রহমান শরিফি ও আব্দুল্লাহ আল মামুন। আর তাসকিনের সঙ্গে সুযোগ পেয়েছেন জুবাইর আকবরি।
আরও পড়ুন
| ১৩ বছর বয়সী ভাইকে হারিয়ে শোকে মূহ্যমান সিকান্দার রাজা |
|
সিলেটের একাদশে পরিবর্তন শুধু একটি। পাকিস্তানি পেসার সালমান ইরশাদের বদলে আফগানিস্তানের পেস বোলিং অলরাউন্ডার আজমতউল্লাহ ওমরজাইকে দলে নিয়েছে তারা।
এখন দুই ম্যাচ খেলে সিলেটের জয় একটি। আর নিজেদের একমাত্র ম্যাচে জিতেছে ঢাকাও।
সিলেট টাইটান্স একাদশ
মেহেদী হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), আফিফ হোসেন ধ্রুব, সাইম আইয়ুব, ইথান ব্রুকস, পারভেজ হোসেন ইমন (উইকেটরক্ষক), নাসুম আহমেদ, মোহাম্মদ আমির, রনি তালুকদার, সৈয়দ খালেদ আহমেদ, জাকির হাসান, আজমতউল্লাহ ওমরজাই
মেহেদী হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), আফিফ হোসেন ধ্রুব, সাইম আইয়ুব, ইথান ব্রুকস, পারভেজ হোসেন ইমন (উইকেটরক্ষক), নাসুম আহমেদ, মোহাম্মদ আমির, রনি তালুকদার, সৈয়দ খালেদ আহমেদ, জাকির হাসান, আজমতউল্লাহ ওমরজাই
ঢাকা ক্যাপিটালস একাদশ
উসমান খান, সাইফ হাসান, জুবাইর আকবরি, মোহাম্মদ মিঠুন (অধিনায়ক, উইকেটরক্ষক), নাসির হোসেন, সাব্বির রহমান, শামীম হোসেন, ইমাদ ওয়াসিম, মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন, তাসকিন আহমেদ, সালমান মির্জা
উসমান খান, সাইফ হাসান, জুবাইর আকবরি, মোহাম্মদ মিঠুন (অধিনায়ক, উইকেটরক্ষক), নাসির হোসেন, সাব্বির রহমান, শামীম হোসেন, ইমাদ ওয়াসিম, মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন, তাসকিন আহমেদ, সালমান মির্জা

পর্যটন নির্ভর দেশ শ্রীলঙ্কা কদিন আগে ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখে পড়ে। ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানির স্বাক্ষী হওয়া দেশটি এখন ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াইয়ে আছে। ডিটওয়া ঘূর্ণিঝড়ের কারণে সৃষ্ট ধ্বংসযজ্ঞের পর ‘রিবিল্ডিং শ্রীলঙ্কা’ নামে দেশটি একটি প্রোগ্রাম ঘোষণা করে। মূলত প্রাকৃতিক দূর্যোগে সৃষ্ট অর্থনৈতিক ক্ষতি কাটিয়ে ওটার একটি উদ্যেগ এটি।
পাকিস্তান সিরিজ দিয়ে নতুন বছর শুরু করবে শ্রীলঙ্কা। ঘরের মাঠে তিন ম্যাচের এই টি-টোয়েন্টি সিরিজটি ‘শ্রীলঙ্কা পূনর্গঠন’ উদ্যোগের জন্য উৎসর্গ করেছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড (এসএলসি)। শাম্মি সিলভার নেতৃত্বে এসএলসির এক্সিকিউটিভ কমিটি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দেশের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সরকারের প্রচেষ্টার প্রতি শ্রীলঙ্কার বোর্ডের সমর্থনের অংশ হিসেবে এই ঘোষণা দেওয়া হয়।
এছাড়া পাকিস্তান সিরিজ চলাকালীন এই প্রোগ্রামের বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এসএলসি। পাশাপাশি ম্যাচ ভেন্যুতে ‘#VisitSriLanka’ হ্যাশট্যাগের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পর্যটন প্রচারেও কাজ করবে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট।পাকিস্তানের বিপক্ষে ঘরের মাঠে এই সিরিজ থেকে অর্জিত লাভ ফেডারেল সরকারের পুনর্গঠন প্রোগ্রামে দান করা হবে।
সাম্প্রতিক ঘূর্ণিঝড়ে অন্তত ৬০৭ জন নিহত এবং ২১৪ জন নিখোঁজ রয়েছে বলে জানিয়েছে শ্রীলঙ্কা সরকার। ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয় অন্তত ২০ লাখ মানুষ, যা দেশটির মোট জনসংখ্যার প্রায় ১০ শতাংশ। বন্যা ও ভূমিধসের ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে বিস্তৃত কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করে দেশটির সরকার। অবকাঠামো পুনর্নির্মাণের পাশাপাশি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া বাড়িঘর মেরামত ও নতুনভাবে নির্মাণের জন্য নেওয়া হয়েছে ব্যাপক উদ্যোগ।
আসন্ন বিশ্বকাপের সহআয়োজক শ্রীলঙ্কা। ফেব্রুয়ারিতে ভারতে ও নিজেদের দেশেই অনুষ্ঠেয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে প্রস্তুতি সেরে নেবে শ্রীলঙ্কা। আগামী ৭ জানুয়ারি শুরু হবে পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচ। সিরিজের পরের দু’টি ম্যাচ হবে যথাক্রমে ৯ ও ১১ জানুয়ারি। এরপর জানুয়ারির শেষ দিকে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আরেকটি তিন ম্যাচের কুড়ি ওভারের সিরিজ খেলবে বিশ্বকাপের স্বাগতিকরা।
বিশ্বকাপে গ্রুপ ‘এ’ এর দল পাকিস্তানের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু হবে ৭ ফেব্রুয়ারি নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে। পরদিন গ্রুপ ‘বি’ এর দল শ্রীলঙ্কা কলম্বোতে মুখোমুখি হবে আয়ারল্যান্ডের।

শোকের ছায়া নেমে এসেছে জিম্বাবুয়ের ক্রিকেটার সিকান্দার রাজার পরিবারে। জিম্বাবুয়ের টি-টোয়েন্টি অধিনায়কের ১৩ বছর বয়সী ছোট ভাই মুহাম্মদ মাহদিকে হারালেন। গত ২৯ ডিসেম্বর হারারেতে মারা যান এই তারকা অলরাউন্ডারের ভাই।
রক্তক্ষরণজনিত বিরল জন্মগত রোগ হিমোফিলিয়া নিয়ে জন্মগ্রহণ করেছিলেন মাহদি। এই রোগে রক্ত ঠিকমতো জমাট বাঁধে না। সিকান্দার রাজার ভাইকে মঙ্গলবার হারারে’তে অবস্থিত ওয়্যারেন হিলস সিমেটারিতে সমাহিত করা হয়।
জাতীয় দলের অধিনায়কের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট, ‘জিম্বাবুয়ে টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক সিকান্দার রাজা ও তার পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই। তার প্রিয় ছোট ভাই মুহাম্মদ মাহদি গত ২৯ ডিসেম্বর হারারাতে মারা গেছেন। মাহদি হেমোফিলিয়ায় আক্রান্ত ছিলেন এবং সাম্প্রতিক স্বাস্থ্য জটিলতার কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। তাকে ওয়্যারেন হিলস সিমেটারিতে দাফন করা হয়। এই দুঃখের সময়ে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট বোর্ড, ব্যবস্থাপনা, খেলোয়াড় ও স্টাফরা সিকান্দার রাজা ও তার পরিবারের পাশে আছে। আল্লাহ তাদের ধৈর্য ও সাহস দিন এবং মুহাম্মদ মাহদির আত্মা চিরশান্তিতে বিশ্রাম নিক।’
সবশেষ সিকান্দার রাজা মাঠে নেমেছিলেন আইএল টি-টোয়েন্টিতে শারজাহ ওয়ারিয়র্সের হয়ে। এই ফ্রাঞ্চাইজি লিগে ১০টি ম্যাচ খেলে, ১৭১ রান করার পাশাপাশি ১০টি উইকেট নিয়েছেন ৩৯ বছর বয়সী অলরাউন্ডার।
ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সিকান্দার রাজাকে আবার মাঠে দেখা যাবে। তাঁর নেতৃত্বে কুড়ি ওভারের বিশ্বকাপে খেলবে আফ্রিকার দেশটি। বিশ্বকাপে গ্রুপ ‘বি’তে জিম্বাবুয়ের প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া, শ্রীলঙ্কা, আয়ারল্যান্ড ও ওমান। আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি ওমানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে তারা।

বিগত ২০২৫ সালে ব্যস্ত বছরে তিন সংস্করণ মিলিয়ে ৪৭টি ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ। এক বছরে ৩০টি টি-টোয়েন্টি খেলে গড়েছে নিজেদের রেকর্ড। নাজমুল হোসেন শান্ত, লিটন কুমার দাসদের একই ব্যস্ততা অপেক্ষা করছে নতুন বছরেও।
২০২৬ সালে সব মিলিয়ে অন্তত ১০টি টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ দল। এছাড়া ফেব্রুয়ারি মাসে রয়েছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। সব মিলিয়ে নতুন বছরেও ব্যস্ততার শেষ নেই শান্ত, লিটন, মেহেদী হাসান মিরাজদের।
একনজরে দেখে নেওয়া যাক ২০২৬ সালে বাংলাদেশের সূচি (পুরুষ ক্রিকেট)
জানুয়ারি ২০২৬
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের ১২তম সংস্করণ
ফেব্রুয়ারি ২০২৬
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ (ভারত ও শ্রীলঙ্কায়)
মার্চ ২০২৬
পাকিস্তানের বাংলাদেশ সফর - আইসিসির ফিউচার ট্যুর প্ল্যান (এফটিপি) অনুযায়ী মার্চে ২ টেস্ট, ৩ ওয়ানডে ও ৩ টি-টোয়েন্টি খেলতে বাংলাদেশে আসার কথা পাকিস্তান দলের। তবে দুই বোর্ডের আলোচনার ভিত্তিতে মার্চ ও মে মাস মিলিয়ে হতে পারে এই খেলাগুলো।
এপ্রিল ২০২৬
নিউ জিল্যান্ডের বাংলাদেশ সফর - ৩ ওয়ানডে ও ৩ টি-টোয়েন্টি
মে ২০২৬
পাকিস্তানের বাংলাদেশ সফর - মার্চ ও মে মাস মিলিয়ে বাংলাদেশ সফরের ২ টেস্ট, ৩ ওয়ানডে ও ৩ টি-টোয়েন্টি খেলবে পাকিস্তান
জুন ২০২৬
অস্ট্রেলিয়ার বাংলাদেশ সফর - আইসিসির ফিউচার ট্যুর প্ল্যান (এফটিপি) অনুযায়ী এপ্রিলে ৩টি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি খেলতে বাংলাদেশে আসার কথা রয়েছে অস্ট্রেলিয়ার। তবে অজিদের এই সফরের ভবিষ্যত এখনও চূড়ান্ত নয়।
জুলাই ২০২৬
বাংলাদেশের জিম্বাবুয়ে সফর - ২ টেস্ট ও ৫ ওয়ানডে
আগস্ট ২০২৬
বাংলাদেশের অস্ট্রেলিয়া সফর - ২ টেস্ট (প্রায় ২৩ বছর অপেক্ষার পর অস্ট্রেলিয়ার মাঠে টেস্ট খেলতে যাবে বাংলাদেশ)
সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভারতের বাংলাদেশ সফর - ৩ ওয়ানডে (আইসিসির ফিউচার ট্যুর প্ল্যান অনুযায়ী গত আগস্টে হওয়ার কথা ছিল ভারতের বাংলাদেশ সফর। সেটি পিছিয়ে আগামী সেপ্টেম্বরে হতে পারে)
অক্টোবর ২০২৬
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বাংলাদেশ সফর - ২ টেস্ট
নভেম্বর ২০২৬
বাংলাদেশের দক্ষিণ আফ্রিকা সফর - ২ টেস্ট, ৩ ওয়ানডে
সব মিলিয়ে ২০২৬ সালে প্রায় ১০টি টেস্ট, ২০টি ওয়ানডে, অন্তত ১৬টি টি-টোয়েন্টি খেলার কথা রয়েছে বাংলাদেশের। তবে এফটিপির কিছু সিরিজ বাতিল বা পিছিয়েও যেতে পারে। আবার এফটিপির বাইরেও আয়োজিত হতে পারে কোনো সিরিজ।
একনজরে দেখে নেওয়া যাক ২০২৬ সালে বাংলাদেশের সূচি (নারী ক্রিকেট)
জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি ২০২৬
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব (সম্ভাব্য ভেন্যু নেপাল)
এপ্রিল ২০২৬
শ্রীলঙ্কার বাংলাদেশ সফর - ৩ ওয়ানডে, ৩ টি-টোয়েন্টি
জুন-জুলাই
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ (বাছাইপর্ব পেরোতে পারলে, ভেন্যু ইংল্যান্ড)
সেপ্টেম্বর ২০২৬
এশিয়া কাপ (ভেন্যু চূড়ান্ত হয়নি)
অক্টোবর ২০২৬
বাংলাদেশের অস্ট্রেলিয়া সফর - ৩ ওয়ানডে, ৩ টি-টোয়েন্টি
ডিসেম্বর ২০২৬
বাংলাদেশের নিউ জিল্যান্ড সফর - ৩ ওয়ানডে, ৩ টি-টোয়েন্টি
নারী ক্রিকেটের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। এফটিপির কিছু সিরিজ বাতিল বা পিছিয়েও যেতে পারে। আবার এফটিপির বাইরেও আয়োজিত হতে পারে কোনো সিরিজ।

ইনজুরি থেকে ফেরার পথে থাকা প্যাট কামিন্স, জশ হ্যাজেলউড ও টিম ডেভিডকে নিয়েই টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য প্রাথমিক দল ঘোষণা করেছে অস্ট্রেলিয়া। ভারত ও শ্রীলঙ্কায় হতে যাওয়া বিশ্বকাপকে সামনে রেখে নির্বাচকরা অভিজ্ঞতা ও কন্ডিশন–উপযোগী ভারসাম্যের ওপরই ভরসা রেখেছেন।
পিঠের চোটে ভোগা কামিন্স সম্প্রতি অ্যাশেজ সিরিজে শুধু অ্যাডিলেড টেস্টেই খেলতে পেরেছেন। এই মাসের শেষ দিকে তার স্ক্যান হওয়ার কথা রয়েছে, যার ওপর চূড়ান্ত স্কোয়াডে থাকা-না থাকার সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে।
প্রধান নির্বাচক জর্জ বেইলি জানিয়েছেন, কামিন্সের পাশাপাশি হ্যাজেলউড ও টিম ডেভিড- তিনজনই দ্রুত সেরে উঠছেন।
“প্যাট কামিন্স, জশ হ্যাজেলউড এবং টিম ডেভিডের পুনর্বাসন ভালোভাবে এগোচ্ছে। আমরা আত্মবিশ্বাসী, বিশ্বকাপের আগেই তারা পুরোপুরি ফিট হয়ে উঠবে।”
বিগ ব্যাশ লিগে বক্সিং ডে ম্যাচে গ্রেড–টু হ্যামস্ট্রিং ইনজুরিতে পড়েছিলেন টিম ডেভিড। আর আগের হ্যামস্ট্রিং সমস্যার পর অ্যাকিলিসে ব্যথার কারণে পুরো অ্যাশেজ সিরিজেই খেলতে পারেননি হ্যাজেলউড।
প্রাথমিক স্কোয়াড ঘোষণার সময় বেইলি আরও বলেন,
“টি–টোয়েন্টি দলটি সাম্প্রতিক সময়ে ধারাবাহিক সাফল্য পেয়েছে। সেটি মাথায় রেখে শ্রীলঙ্কা-ভারতের ভিন্ন ভিন্ন কন্ডিশনের কথা বিবেচনা করে ভারসাম্যপূর্ণ দল নির্বাচন করা হয়েছে। এটি প্রাথমিক স্কোয়াড, প্রয়োজনে নির্ধারিত সময় শুরুর আগেই পরিবর্তন আনা হতে পারে।”
আগামী ৩১ জানুয়ারির মধ্যে কোনো কারণ দেখানো ছাড়া স্কোয়াডে পরিবর্তন আনতে পারবে দলগুলো। এরপর দলে কোনো খেলোয়াড় অন্তর্ভুক্তি বা বাদ দেওয়ার জন্য টুর্নামেন্টের টেকনিক্যাল কমিটির অনুমোদন নিতে হবে।
বিশ্বকাপের জন্য ঘোষিত অস্ট্রেলিয়া স্কোয়াডে স্পিনারদের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো। গ্রুপ ‘বি’-তে থাকা অস্ট্রেলিয়া তাদের ম্যাচগুলো খেলবে কলম্বো ও পাল্লেকেলেতে।
মিচেল মার্শই আবারও দলটির অধিনায়কত্ব করবেন। ভারতের বিপক্ষে সাম্প্রতিক টি–টোয়েন্টি সিরিজে না থাকা ক্যামেরন গ্রিন ও কুপার কনোলি ফিরেছেন দলে। একমাত্র উইকেটকিপার হিসেবে জায়গা পেয়েছেন জশ ইংলিস।
এই দলে জায়গা হয়নি মিচেল ওয়েন ও বেন ডোয়ারশুইসের। বিশ্বকাপের আগে পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি–টোয়েন্টি সিরিজের জন্য আলাদা স্কোয়াড ঘোষণা করা হবে পরে।
অস্ট্রেলিয়ার প্রাথমিক বিশ্বকাপ স্কোয়াড
মিচেল মার্শ (অধিনায়ক), হাভিয়ের বার্টলেট, কুপার কনোলি, প্যাট কামিন্স, টিম ডেভিড, ক্যামেরন গ্রিন, নাথান এলিস, জশ হ্যাজেলউড, ট্রাভিস হেড, জশ ইংলিস, ম্যাথু কুনেমান, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, ম্যাথু শর্ট, মার্কাস স্টয়নিস, অ্যাডাম জাম্পা।