ক্রিকেট

১৬ বছর পর ট্রফিতে চোখ, বিগ বাজেটের দল মোহামেডানের

 
শামীম চৌধুরী
শামীম চৌধুরী
ঢাকা

১৮ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৫১ পিএম

news-details

চলমান মৌসুমে ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগ নিয়ে তৈরি হয়েছিল অনিশ্চয়তা। বিসিবির সর্বশেষ নির্বাচনকে অবৈধ আখ্যা দিয়ে মোহামেডানের নেতৃত্বে লিগ বয়কটে ক্রিকেটারদের রুটি-রুজির পথটা বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছিল। বুলবুলের নেতৃত্বাধীন বিসিবির পরিচালনা পরিষদ ভেঙ্গে দিয়ে তামিম ইকবালের নেতৃত্বে ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) গঠন করলে ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগের অচলাবস্থা নিরসন হয়। 


তামিমের নেতৃত্বাধীন বিসিবির অ্যাডহক কমিটি দায়িত্ব গ্রহনের ১১ দিনের মাথায় ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগে খেলোয়াড়দের দলবদল আয়োজন করেছে। ক্রিকেটাররা পেয়েছে রুটি-রুজির নিশ্চয়তা। ২০২৫-২৬ মৌসুমের প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগ হবে সিঙ্গল লিগ ভিত্তিতে, থাকছে না রেলিগেশন। বিসিবির এই ঘোষণায় ক্লাবগুলোর বাজেট হয়েছে সংকুচিত। এই লিগে প্রত্যাশিত পেমেন্ট পাচ্ছে না ক্রিকেটাররা। হাতে-গোনা ৪-৫টি ক্লাব ছাড়া বিগ বাজেটের দল গঠনের খবর নেই। সিসিডিএম-এর অনুদান ২৫ লাখ টাকা, জার্সি খরচ ২ লাখ টাকা, প্রতিদিন ট্রান্সপোর্ট অ্যালাউন্স ১৫ হাজার টাকা, আর ম্যাচ ডে-তে সিসিডিএম-এর তরফ থেকে বিনামূল্যে খাবার সরবরাহের নিশ্চয়তা পেয়ে কম বাজেটের দলগুলো মহাখুশি। 


গত এক যুগ ধরে ক্রিকেটারদের পেমেন্ট হু হু করে বাড়িয়ে দেয়ার পেছনে ছিলেন লেজেন্ডস অব রূপগঞ্জের সত্বাধিকারী লুৎফর রহমান বাদল। এবার তিনি লিগে অংশগ্রহন থেকে বিরত থাকার ঘোষনা দিয়ে পরবর্তীতে বিসিবির অ্যাডহক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবালের অনুরোধে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেছেন, লিগে অংশগ্রহন করছে তার দল। তবে বিগত বছরগুলোর মতো বড় বাজেটে টিম করার অভিলাস নেই তাঁর। গতবার মোহামেডান-লেজেন্ডস অব রূপগঞ্জের অর্ধেক বাজেটে টিম বানিয়ে লিগের শিরোপা জিতেছে আবাহনী। ঢাকা ক্রিকেট লিগে সর্বাধিক ২৩ বারের চ্যাম্পিয়ন আবাহনী এবারও ভুগছে অর্থ কষ্টে। মাঝারিমানের বাজেটে ক্রিকেট টিম গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করেছে ক্লাবটি। গতবারের মতো এবারও দলটির মূল ভরসা কোচ হান্নান সরকার।


তবে গতবার তামিম, মুশফিক, মাহমুদউল্লাহ, মেহেদী মিরাজ, তাওহিদ হৃদয়, নাসুম, সাইফউদ্দিন, মাহিদুল অঙ্কন, রনি তালুকদার, আবু হায়দার রনি-কে নিয়ে প্রায় ৫ কোটি টাকার টিম বানিয়েও ট্রফি জিততে পারেনি মোহামেডান। ২০০৯-১০ মৌসুমের পর লিগ শিরোপা খরায় থাকা ঐতিহ্যবাহী এই ক্লাবটি এবার ট্রফি পুনরুদ্ধারে বড় বাজেট নিয়ে নেমেছে। যেখানে রেলিগেশন থাকছে না বলে ঝুঁকিহীন লিগে অধিকাংশ ক্রিকেটারদের সম্মানী নেমে এসে এক তৃতীয়াংশে, সেখানে মোহামেডানে সাইন করে অর্ধকোটির কাছাকাছি টাকা নিশ্চিত করেছেন তাওহিদ হৃদয়-রিশাদ হোসেন। নাঈম শেখ,  এনামুল হক বিজয়, পারভেজ হোসেন ইমনদের এক এক জনের পেছনেও গুনতে হচ্ছে বড় অঙ্ক। দলবদলের প্রথম দিন ঢাকা লিগের পরীক্ষিত ১১ ক্রিকেটারকে ভিড়িয়ে প্রকারান্তরে ট্রফি জয়ের হুংকার দিয়েছে মোহামেডান। 


দলবদলের প্রথম দিন মোহামেডানে যোগ দিয়েছেন যারা :   এনামুল হক বিজয় (গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স),পারভেজ হোসেন ইমন (আবাহনী লিমিটেড),ইয়াসির আলি চৌধুরী (ধানমন্ডি স্পোর্টস ক্লাব),মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী (আবাহনী লিমিটেড), নাঈম শেখ (প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব), তাইবুর রহমান পারভেজ (অগ্রণী ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব),রিপন মন্ডল (আবাহনী লিমিটেড),মোহাম্মদ নাঈম শেখ (প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব),তানভির ইসলাম (আবাহনী লিমিটেড), রিশাদ হোসেন (প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব) ও আফিফ হোসেন ধ্রুব (লেজেন্ডস অব রূপগঞ্জ)।

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন

No posts available.

bottom-logo

ক্রিকেট

প্রথম দিনে বদলে গেল ৭৯ জনের দল, নতুন ঠিকানায় তামিম-সাকিব-বিজয়রা

 
ক্রিকেট করেসপন্ডেন্ট
ক্রিকেট করেসপন্ডেন্ট
ঢাকা

১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৭:১৭ পিএম

news-details

দীর্ঘ অপেক্ষা শেষে জট খোলার পর শনিবার উৎসবমুখর পরিবেশে হয়ে গেল ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগের প্রথম দিনের দলবদল। যেখানে ৭৯ জন ক্রিকেটার খুঁজে নিয়েছেন নিজেদের নতুন ঠিকানা।


মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের সিসিডিএম (ক্রিকেট কমিটি অব ঢাকা মেট্রোপলিস) কার্যালয়ে বেলা ১১টায় শুরু হয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলে দলবদলের প্রক্রিয়া। 


প্রথম দিনে বড় চমক ছিলেন মাহমুদউল্লাহ। গত আসরে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবে অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার এবার নাম লিখিয়েছেন প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবে। এছাড়া জাতীয় দলের দুই তারকা তানজিদ হাসান তামিম ও তানজিম হাসান সাকিবকে লেজেন্ডস অব রূপগঞ্জ থেকে নিজেদের দলে টেনে নিয়েছে প্রাইম ব্যাংক।


গত লিগের সর্বোচ্চ তিন রান সংগ্রাহক এনামুল হক বিজয় (গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স থেকে), পারভেজ হোসেন ইমন (আবাহনী থেকে) ও মোহাম্মদ নাঈম শেখকে (প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব থেকে) দলে নিয়েছে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। 


প্রথম দিনের দলবদলে অংশ নিয়েছে মোট ৮টি ক্লাব। এদিন দলবদলে অংশ নেয়নি ব্রাদার্স ইউনিয়ন, লেজেন্ডস অব রূপগঞ্জ, গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স ও রূপগঞ্জ টাইগার্স ক্রিকেট ক্লাব। তবে তাদের সামনে রোববারও দল গোছানোর সুযোগ রয়েছে।


শনিবার সর্বোচ্চ ১৬ জন ক্রিকেটার দলে ভিড়িয়েছে প্রাইম ব্যাংক। গত মৌসুমের বেশিরভাগ ক্রিকেটারকে ছেড়ে দিয়ে নতুন চেহারার দল বানিয়েছে তারা। এছাড়া প্রথম বিভাগ থেকে উঠে আসা ঢাকা লেপার্ডস ও সিটি ক্লাব দলে নিয়েছে ১৫ জন করে ক্রিকেটার।


বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আবাহনী লিমিটেডে নতুন করে যোগ দিয়েছেন ১০ জন ক্রিকেটার। তারকায় ঠাঁসা দল গড়া মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবে এসেছেন ১১ জন।


দেখে নিন প্রথম দিনের ৭৯ ক্রিকেটারের দলবদলের তালিকা (ব্রাকেটে আগের ক্লাব)


আবাহনী লিমিটেড


১/ সৈয়দ খালেদ আহমেদ (প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব) 

২/ সাব্বির রহমান (পারটেক্স স্পোর্টিং ক্লাব)

৩/ জাকের আলী অনিক (লেজেন্ডস অব রূপগঞ্জ)

৪/ মারুফ মৃধা (ধানমন্ডি স্পোর্টস ক্লাব)

৫/ অনিক সরকার সেতু (শাইনপুকুর ক্রিকেট ক্লাব)

৬/ রোহানাত দৌল্লাহ বর্ষণ (রূপগঞ্জ টাইগার্স ক্রিকেট ক্লাব) 

৭/ সাব্বির হোসেন (প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব)

৮/ মাহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া অঙ্কন (মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব লিমিটেড) 

৯/ ইকবাল হোসেন ইমন (মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব লিমিটেড)  

১০/ সৌম্য সরকার (লেজেন্ডস অব রূপগঞ্জ)


অগ্রণী ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব


১১/ তৌফিক খান তুষার (মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব লিমিটেড)

১২/ তোফায়েল আহমেদ (গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স) 

১৩/ আশরাফুল হাসান (ঢাকা লেপার্ডস)

১৪/ নাসির হোসেন (রূপগঞ্জ টাইগার্স ক্রিকেট ক্লাব) 

১৫/ মাহফিজুল ইসলাম রবিন (ব্রাদার্স ইউনিয়ন লিমিটেড) 


বসুন্ধরা স্ট্রাইকার্স ধানমন্ডি


১৬/ মোহাম্মদ আল আমিন (রূপগঞ্জ টাইগার্স ক্রিকেট ক্লাব)

১৭/ রুয়েল মিয়া (অগ্রণী ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব)

১৮/ ইফরান হোসেন (প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব)

১৯/ নাহিদুল ইসলাম (আবাহনী লিমিটেড)


সিটি ক্লাব


২০/ শাকিল হোসেন (গুলশান ক্রিকেট ক্লাব)

২১/ আহরার আমিন পিয়ান (পারটেক্স স্পোর্টিং ক্লাব)

২২/ গাজী মোহাম্মদ তাহজিবুল ইসলাম (গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স)

২৩/ জিল্লুর রহমান বিজয় (ব্লুজ ক্রিকেটার্স)

২৪/ মিজানুর রহমান (ব্রাদার্স ইউনিয়ন)

২৫/ মো. ফাহিম হাসান (প্রাইম দোলেশ্বর স্পোর্টিং ক্লাব)

২৬/ নিহাদ উজ জামান (গুলশান ক্রিকেট ক্লাব)

২৭/ এনামুল হক আশিক (রূপগঞ্জ টাইগার্স ক্রিকেট ক্লাব)

২৮/ সাজ্জাদুল হক রিপন (প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব)

২৯/ মেহেদী মারুফ (লেজেন্ডস অব রূপগঞ্জ)

৩০/ এনামুল হক (ধানমন্ডি স্পোর্টস ক্লাব) 

৩১/ সাদিকুর রহমান (গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স)

৩২/ তৌফিক আহমেদ (পারটেক্স স্পোর্টিং ক্লাব) 

৩৩/ আবদুল্লাহ আল মামুন (প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব)

৩৪/ আব্দুল গাফফার সাকলাইন (গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স) 


ঢাকা লেপার্ডস


৩৫/ সৈকত আলি 

৩৬/ মাহাদী হাসান (অগ্রণী ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব)

৩৭/ শেখ পারভেজ জীবন (গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স) 

৩৮/ ইফতেখার হোসেন ইফতি (গুলশান ক্রিকেট ক্লাব)

৩৯/ মইন খান (ধানমন্ডি স্পোর্টস ক্লাব) 

৪০/ মোহাম্মদ মিঠুন (আবাহনী লিমিটেড)

৪১/ আল ফাহাদ (শাইনপুকুর ক্রিকেট ক্লাব) 

৪২/ ওয়াসি সিদ্দিকি (গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স) 

৪৩/ দেবাশিষ সরকার (গাজী টায়ার্স ক্রিকেট একাডেমি)

৪৪/ মুমিনুল হক সৌরভ (আবাহনী লিমিটেড)

৪৫/ জাকির হাসান (প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব)

৪৬/ হাসান মুরাদ (ধানমন্ডি স্পোর্টস ক্লাব)

৪৭/ জাওয়াদ আবরার (গুলশান ক্রিকেট ক্লাব)

৪৮/ আলাউদ্দিন বাবু (পারটেক্স স্পোর্টিং ক্লাব) 

৪৯/ আরাফাত সানি (প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব) 


গুলশান ক্রিকেট ক্লাব


৫০/ বিশাল চৌধুরী (ব্রাদার্স ইউনিয়ন)

৫১/ তানভীর হোসেন (পারটেক্স স্পোর্টিং ক্লাব) 

৫২/ কে. এম. আতিকুর রহমান (শেখ জামাল ক্রিকেটার্স) 


মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব


৫৩/ এনামুল হক বিজয় (গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স) 

৫৪/ পারভেজ হোসেন ইমন (আবাহনী লিমিটেড) 

৫৫/ ইয়াসির আলি চৌধুরি (ধানমন্ডি স্পোর্টস ক্লাব) 

৫৬/ মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরি (আবাহনী লিমিটেড) 

৫৭/ নাঈম আহমেদ (প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব) 

৫৮/ তাইবুর রহমান পারভেজ (অগ্রণী ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব)

৫৯/ রিপন মন্ডল (আবাহনী লিমিটেড)

৬০/ মোহাম্মদ নাঈম শেখ (প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব)

৬১/ তানভির ইসলাম (আবাহনী লিমিটেড)

৬২/ রিশাদ হোসেন (প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব)

৬৩/ আফিফ হোসেন ধ্রুব (লেজেন্ডস অব রূপগঞ্জ) 


প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব


৬৪/ আবু হাশিম (গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স) 

৬৫/ মাহমুদউল্লাহ (মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব) 

৬৬/ আলিস আল ইসলাম (লেজেন্ডস অব রূপগঞ্জ) 

৬৭/ রায়ান রাফসান রহমান (শাইনপুকুর ক্রিকেট ক্লাব) 

৬৮/ হাবিবুর শেখ মুন্না (গুলশান ক্রিকেট ক্লাব) 

৬৯/ আজিজুল হাকিম তামিম (গুলশান ক্রিকেট ক্লাব)

৭০/ খালিদ হাসান (গুলশান ক্রিকেট ক্লাব) 

৭১/ আকবর আলি (লেজেন্ডস অব রূপগঞ্জ) 

৭২/ শামিম মিয়া (গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স)

৭৩/ আবু হায়দার রনি (মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব)

৭৪/ এনামুল হক (আবাহনী লিমিটেড) 

৭৫/ মেহেদী হাসান (গুলশান ক্রিকেট ক্লাব) 

৭৬/ রিজান হোসেন (গাজী টায়ার্স ক্রিকেট একাডেমি) 

৭৭/ ইকবাল হোসেন (খেলাঘর সমাজ কল্যাণ সমিতি) 

৭৮/ তানজিদ হাসান তামিম (লেজেন্ডস অব রূপগঞ্জ) 

৭৯/ তানজিম হাসান সাকিব (লেজেন্ডস অব রূপগঞ্জ)

bottom-logo

ক্রিকেট

ঘরের মাঠে কোহলিদের নতুন ইতিহাস

 
অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
ঢাকা

১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৬:৩২ পিএম

news-details

শিরোপা ধরে রাখার অভিযানে এখন পর্যন্ত দারুণ ছন্দে রয়েছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। এরই মধ্যে তারা গড়েছে নতুন এক ইতিহাস। আইপিএলের ইতিহাসে প্রথম দল হিসেবে নিজেদের ঘরের মাঠে তারা খেলেছে একশটি ম্যাচ।


চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে শনিবার বিকেলের ম্যাচে দিল্লি ক্যাপিটালসের মুখোমুখি হয়েছে বিরাট কোহলির বেঙ্গালুরু। এই মাঠে এটি তাদের একশতম ম্যাচ। আইপিএলের আর কোনো দল নিজেদের ঘরের মাঠ বা নির্দিষ্ট কোনো মাঠে শত ম্যাচ খেলেনি।


২০০৮ সালে ঠিক আজকের তারিখেই যাত্রা শুরু করেছিল ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল)। সেদিন নিজেদের ঘরের মাঠে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে খেলেছিল বেঙ্গালুরু। ঠিক ১৮ বছর পর এবার তারাই গড়ল টুর্নামেন্টের নতুন ইতিহাস।


আইপিএলে এক মাঠে সর্বোচ্চ ম্যাচের তালিকায় পরের নামটি কলকাতারই। এখন পর্যন্ত ইডেন গার্ডেন্সে মোট ৯৮টি ম্যাচ খেলেছে তিনবারের চ্যাম্পিয়নরা। আর পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স তাদের ঘরের মাঠে ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে খেলেছে ৯৫ ম্যাচ।


এছাড়া দিল্লির অরুন জেটলি স্টেডিয়ামে দিল্লি ক্যাপিটালস ৮৯টি, চেন্নাইয়ের এমএ চিদম্বরম স্টেডিয়ামে ৮০টি ম্যাচ খেলেছে চেন্নাই সুপার কিংস।


এক মাঠে সর্বোচ্চ ম্যাচ জয়ের রেকর্ড মুম্বাইয়ের। ওয়াংখেড়েতে ৯৫ ম্যাচের ৫৭টি জিতেছে তারা। এর বাইরে ইডে গার্ডেন্সে কলকাতা নাইট রাইডার্স জিতেছে ৫৪ ম্যাচ। আর চেন্নাই নিজেদের ঘরের মাঠে জিতেছে ৫৩ ম্যাচ। 


আর সব মিলিয়ে আইপিএল ইতিহাসে সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলার রেকর্ডও মুম্বাইয়ের। এখন পর্যন্ত ২৮২ ম্যাচ খেলেছে তারা। এছাড়া বেঙ্গালুরু ২৭৭ ম্যাচ নিয়ে আছে দুই নম্বরে। কলকাতা ও দিল্লি খেলেছে ২৭১টি করে ম্যাচ।

bottom-logo

ক্রিকেট

নাটকের অবসান ঘটিয়ে পূর্বাচল স্টেডিয়ামের কাজ দ্রুত শুরু করবে সরকার

 
ক্রিকেট করেসপন্ডেন্ট
ক্রিকেট করেসপন্ডেন্ট
ঢাকা

১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫:১৫ পিএম

news-details

আওয়ামী লীগ সরকারের বিদায়ের পর কেটে গেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারেরও অধ্যায়। এখন চলছে বিএনপি সরকারের সময়। গত কয়েক বছরের মধ্যে ভিন্ন তিন সরকারের দেখা মিললেও, সে অর্থে দৃশ্যমান কোনো কাজ হয়নি পূর্বাচলের ন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামের।

 

পূর্বাচল স্টেডিয়ামের কাজের স্থবিরতা আর দীর্ঘায়িত হতে দিতে চান না বর্তমান সরকারের যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। সব নাটকীয়তার অবসান ঘটিয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে পূর্বাচল স্টেডিয়ামের কাজ শুরুর আশ্বাস দিয়েছেন জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক এই অধিনায়ক। 

 

বৈশাখের তপ্ত রোদের মাঝেই শনিবার দুপুরে পূর্বাচল স্টেডিয়ামের বর্তমান অবস্থান পরিদর্শনে যান আমিনুল। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের বর্তমান সভাপতি তামিম ইকবাল, গ্রাউন্ডস কমিটির চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বাবু ও বিসিবির টেন্ডার-পারচেজ কমিটির প্রধান সৈয়দ ইব্রাহিম আহমেদ।

 

পরিদর্শন শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ২০৩১ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপকে লক্ষ্য বানিয়ে দ্রুত কাজ শুরুর বার্তা দেন আমিনুল। 

 


“পূর্বাচলের ক্রিকেট স্টেডিয়ামের জন্য যে বরাদ্দকৃত যে মাঠটি, এখানে তো ক্রিকেট স্টেডিয়াম হবেই ইনশাআল্লাহ। পাশাপাশি এখানে আমাদের বিভিন্ন স্পোর্টসের মাল্টিপারপাস কিছু বিষয় সার্ভ করার জন্য আমাদের একটি পরিকল্পনা রয়েছে।”

 


“আমাদের ২০২৭ সালে এশিয়া কাপ রয়েছে ও ২০৩১ সালে সহ-আয়োজক হিসেবে বিশ্বকাপ ক্রিকেট রয়েছে। সেই চিন্তাভাবনা করে আমরা আশা করছি যে, প্রাথমিক ধাপে ক্রিকেট বোর্ড নিজেরাই এই কার্যক্রম শুরু করবে।”

 

পূর্বাচলে স্টেডিয়াম বানানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে প্রায় ৫ বছর আগে। সরকার বদলের পাশাপাশি নানা কারণে তেমন কোনো অগ্রগতি হয়নি এই স্টেডিয়ামের নির্মাণ কাজের। আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ই সিদ্ধান্ত হয়েছিল, ক্রিকেটের পাশাপাশি আরও ৫টি ফেডারেশনকে জায়গা দেওয়া হবে পূর্বাচলে।

 

সেই পরিকল্পনা বহাল রেখেই বাকি সব নাটকের অবসান ঘটিয়ে দ্রুত স্টেডিয়াম ও অন্যান্য খেলাধুলার জন্য প্রয়োজনীয় স্পোর্টস সেন্টার তৈরির তাগিদ দিলেন বর্তমান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। 

 


“পাশাপাশি সরকারের পক্ষ থেকে যা যা করণীয় আছে, পরিকল্পনামাফিক সুন্দরভাবে আমরা এগোতে চাই। এটি নিয়ে যাতে আর কোনো নাটক তৈরি না হয় এবং সকল নাটকের অবসান শেষে আমরা এই পূর্বাচলে একটি ক্রিকেট স্টেডিয়াম পাশাপাশি মাল্টিপারপাস বিভিন্ন স্পোর্টসের যে সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য যা যা করণীয় আছে আমরা এটা আনুষ্ঠানিকভাবে সরকার পক্ষ থেকেই সেই পদক্ষেপগুলো আমরা খুব দ্রুত সময়ের ভিতরে নেব ইনশাআল্লাহ।”

 

ক্রিকেটের বাইরে কোন ৫টি ফেডারেশনকে পূর্বাচলে জায়গা দেওয়া হবে তা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি। তবে জানা গেছে, জুডো, কারাতে, উশু, স্নুকার ও ভারোত্তোলন ফেডারেশনের জন্যও জায়গা থাকবে পূর্বাচলে। 

 

সব মিলিয়েই জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিসিবি সভাপতি। অন্য সব ফেডারেশনের চেয়ে তুলনামূলক ধনী হওয়ায়, নিজেদের দায়িত্বের অংশ হিসেবেই পাঁচটি খেলাকে পূর্বাচলে জায়গা দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা দেখছেন তামিম।

 


“আমরা পুরো ডিজাইনটা মাননীয় মন্ত্রীকে প্রেজেন্ট করেছি। এখানে কিছু পরিবর্তন জরুরি। এমন না যে শুধু বদলানোর জন্য বদলাবো। কিছু পরিবর্তন জরুরি। এখানে আমাদের চেষ্টা থাকবে কিছু কিছু খেলাকে যদি একসঙ্গে জায়গা করে নিতে পারি, আমাদের সামগ্রিক খেলাধুলার জন্য ভালো হবে।”

 


“ক্রিকেট বোর্ডের আর্থিক অবস্থান হয়তো অন্য অনেক ফেডারেশনের চেয়ে ভালো। আমাদেরও একটা দায়িত্বের মধ্যে পড়ে অন্য খেলার দিকে খেয়াল রাখার। এই জিনিসটা আমাদের মাননীয় মন্ত্রী খুব সুন্দর করে প্রেজেন্ট করে বলেছেন, কোন কোন খেলাকে ফ্যাসিলিটিসের মধ্যে আনতে পারলে আমাদের ক্রীড়াঙ্গনের জন্য ভালো হবে।”

 

গত কয়েক বছর ধরে পূর্বাচল স্টেডিয়ামের কাজ বারবার শুধু পরিদর্শন আর পরিকল্পনায় আটকে থাকায় এখন কাজ শুরুর দিকে বাড়তি জোর দিতে চান তামিম।

 


“এখানে সরকারের অনেক বড় বিনিয়োগের দরকার হবে যদি আমরা একটা বড় স্টেডিয়াম করতে চাই। তো আমরা একসঙ্গে মিলে খুবই দ্রুত যা যা পরিবর্তন দরকার, ওগুলা করে নেব। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জিনিস হলো কাজটা শুরু হওয়া। সেটারই চেষ্টা করছি আমরা।”

ক্রিকেট থেকে আরও পড়ুন

bottom-logo

ক্রিকেট

মোহামেডান ছেড়ে এক দশক পর প্রাইম ব্যাংকে মাহমুদউল্লাহ

 
ক্রিকেট করেসপন্ডেন্ট
ক্রিকেট করেসপন্ডেন্ট
ঢাকা

১৮ এপ্রিল ২০২৬, ১:৫৫ পিএম

news-details

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়েছেন এক বছরের বেশি সময় আগে। গত ফেব্রুয়ারিতে পেরিয়ে গেছে ৪০তম জন্মদিন। তবু শীর্ষ পর্যায়ের ক্রিকেটেই থাকছেন মাহমুদউল্লাহ। আসন্ন ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবে নাম লিখিয়েছেন অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার।

 

প্রিমিয়ার লিগের ৪ আসরে ঐতিহ্যবাহী মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের হয়ে খেলেছেন মাহমুদউল্লাহ। এবার ঠিকানা বদলে লিগের আরেক ধারাবাহিক দল প্রাইম ব্যাংকে যোগ দিয়েছেন ৪০ বছর বয়সী অলরাউন্ডার।

 

মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের সিসিডিএম (ক্রিকেট কমিটি অব ঢাকা মেট্রোপলিস) কার্যালয়ে শনিবার দুপুরে দলবদলের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেছেন মাহমুদউল্লাহ। 

 

প্রাইম ব্যাংকের হয়ে এবার মাহমুদউল্লাহ ছাড়াও দেখা যাবে আজিজুল হাকিম তামিম, শাহাদাত হোসেন দীপু, শামীম হোসেন পাটোয়ারি, আলিস আল ইসলাম, তানজিম হাসান সাকিবের মতো পরীক্ষিত ক্রিকেটারদের। 

 

সব মিলিয়ে দল নিয়ে খুশি মাহমুদউল্লাহ। দলবদলের আনুষ্ঠানিকতা সারার পর সংবাদমাধ্যমে সন্তোষ প্রকাশ করেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক।

 

“ব্যক্তিগতভাবে আমি খুব খুশি এই দল নিয়ে। টপ-অর্ডার থেকে শুরু করে যেভাবে সাজানো হয়েছে, খুব ভালো। টপ-অর্ডারে তামিম আছে, আজিজুল হাকিম তামিম আছে, দীপু আছে। মিডল অর্ডারে আমি আছি, পাটোয়ারি আছে, আরও কয়েকটা তরুণ ক্রিকেটার আছে।”


“একইসঙ্গে দলের পেস বোলিং ডিপার্টমেন্টও ভালো, স্পিন ডিপার্টমেন্টও ভালো। আলিস আছে, (রায়ান) রাফসান আছে, তানজিম সাকিব, এনামুল আছে। তো তরুণ ও অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের দারুণ একটা মিশেল আছে।”

 

প্রায় এক দশকের বেশি সময় পর আবার প্রাইম ব্যাংকের জার্সিতে খেলতে নামবেন মাহমুদউল্লাহ। দীর্ঘ দিন ধরে দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে ধারাবাহিকতার সঙ্গে সুন্দরভাবে ক্রিকেটে অবদান রাখায় প্রাইম ব্যাংকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। 

 


“প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবকে ধন্যবাদ যে তারা আমাকে সুযোগটা দিয়েছে। আমি মনে হয় ২০১৫ সালে সবশেষ প্রাইম ব্যাংকে খেলেছি। তারপর এই বছর আল্লাহর রহমতে আমার সুযোগ হয়েছে প্রাইম ব্যাংকে খেলার। আমার মনে হয়, বছরের পর বছর ধরে সেরা সুযোগ-সুবিধা পারিশ্রমিক নিশ্চিত করা আসা দারুণ একটি দল প্রাইম ব্যাংক।”

 


“এটা প্রাইম ব্যাংকের কৃতিত্ব। আর এটা প্রতিটা ক্রিকেটারদেরই স্বস্তির বিষয়। কারণ দিনশেষে আমরা যখন আমরা মাঠে কষ্ট করি, আমরা মাঠে খেলি আমরা সবাই নিশ্চিত করতে চাই যেন পারিশ্রমিকটা ঠিকঠাক পাই। এদিক থেকে প্রাইম ব্যাংক প্রিমিয়ার লিগের একটি স্তম্ভ।”

 

ক্লাবের নতুন ও তরুণ ক্রিকেটারদের জন্য নিজের অভিজ্ঞতার ঝুলি খুলে দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেন মাহমুদউল্লাহ।

 


“আমার যতটুকু জ্ঞান বা অভিজ্ঞতা আছে ইনশাআল্লাহ, লক্ষ্য পূরণে আমি সর্বোচ্চটা দেব। আর তরুণ ক্রিকেটারদের জন্য যখন যতটুকু জ্ঞান ভাগ করে দিতে হবে বা পরামর্শ দিতে হবে, আমি করব ইনশাআল্লাহ্‌। তাদের জন্য সবসময় আমার দরজা খোলা থাকবে।”
bottom-logo

ক্রিকেট

নতুন কোচ ও ৪ তরুণকে নিয়ে বাংলাদেশে আসছে পাকিস্তান

 
অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ডেস্ক
ঢাকা

১৮ এপ্রিল ২০২৬, ১২:২৮ পিএম

news-details

ভিন্ন সংস্করণের ক্রিকেট খেলতে দেড় মাসের ব্যবধানে আবার বাংলাদেশে আসছে পাকিস্তান। এবার এই দলের সঙ্গে থাকবে নতুন প্রধান কোচ ও অভিষেকের অপেক্ষায় থাকা ৪ ক্রিকেটার। 


বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হিসেবে দুই ম্যাচের সিরিজ খেলতে আগামী ৩ মে বাংলাদেশে আসবে পাকিস্তান। এই সিরিজের জন্য শনিবার ১৬ জনের দল ঘোষণা করেছে পাকিস্তান।


শান মাসুদের নেতৃত্বাধীন দলে আছেন টেস্ট অভিষেকের অপেক্ষায় থাকা ৪ ক্রিকেটার আব্দুল্লাহ ফজল, আমাদ বাট, আজান আওয়াইস ও মোহাম্মদ গাজী ঘড়ি। এদের মধ্যে গাজী ঘড়ি গত মাসে বাংলাদেশ সফরে ওয়ানডে খেলে গেছেন। 


এই সিরিজের জন্য এরই মধ্যে লাহোরে লাল বলের অনুশীলন শুরু করেছেন স্কোয়াডের ৫ ক্রিকেটার- নোমান আলি, সাজিদ খান, ইমাম ইয়ল হক, আজান ও গাজী ঘড়ি। 


করাচিতে আগামী ২৭ এপ্রিল শুরু হবে পুরো স্কোয়াডের অনুশীলন ক্যাম্প। চার দিনের ক্যাম্প শেষ করে আগামী ২ মে পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশের উদ্দেশে রওনা হবে তারা। 


দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ দিয়ে পাকিস্তানের লাল বলের প্রধান কোচ হিসেবে যাত্রা শুরু হবে সরফরাজ আহমেদের। এর আগে গত মাসেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়েছেন সাবেক উইকেটরক্ষক এই ব্যাটার।  


সরফরাজের অধিনায়কত্বে ২০০৬ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ও ২০১৭ সালের আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতেছে পাকিস্তান। এছাড়া অনূর্ধ্ব-১৯ দলের প্রধান কোচ ও পাকিস্তান শাহিনসের ('এ' দল) মেন্টর হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতাও আছে তার। 


নতুন প্রধান কোচের তত্ত্বাবধানে পাকিস্তানের কোচিং প্যানেলে ব্যাটিং কোচের দায়িত্ব পালন করবেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১২ সেঞ্চুরিতে ৬ হাজারের বেশি রান করা আসাদ শফিক। আর বোলিং কোচ হিসেবে দেখা যাবে চারশর বেশি উইকেট নেওয়া উমর গুলকে।


মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আগামী ৮ মে শুরু হবে প্রথম টেস্ট। পরে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় ম্যাচ শুরু ১৬ মে।


পাকিস্তান স্কোয়াড


শান মাসুদ (অধিনায়ক), আব্দুল্লাহ ফজল, আমাদ বাট, আজান আওয়াইস, বাবর আজম, হাসান আলি, ইমাম উল হক, খুররাম শাহজাদ, মোহাম্মদ আব্বাস, মোহাম্মদ রিজওয়ান (উইকেটরক্ষক), মোহাম্মদ গাজী ঘড়ি (উইকেটরক্ষক), নোমান আলি, সাজিদ খান, সালমান আলি আগা, সৌদ শাকিল, শাহিন শাহ আফ্রিদি



bottom-logo