
ব্যাংকার্স ক্রিকেটের ফাইনালে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেডকে ৬৯ রানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে সিটি ব্যাংক।
২০ ওভারের এই ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে ধাক্কা খায় সিটি ব্যাংক। ৪র্থ ওভারের মাঝেই দুই ওপেনার এস কে আরিফুজ্জামান ও ফারহান শোভোনকে হারিয়ে চাপে পড়ে দলটি। তবে এরপর ৩য় উইকেট জুটিতে শরিফুল সৈকত ও শাকিল হায়দার মিলে ৭১ রান তোলেন। শাকিল আউট হয়ে ফেরেন ১৭ বলে ৩১ রান করে।
এরপর ইমন ও ক্যাপ্টেন মারুফ আহমেদ প্রায় ২০০র কাছাকাছি স্ট্রাইকরেটে খেলে সঙ্গ দিয়ে যান সৈকতকে। বাকিরা ফিরে গেলেও শেষ বল পর্যন্ত ক্রিজে টিকে থাকেন সৈকত। তার ৫৫ বলে করা অপরাজিত ৯০ রানে ছিল ৮ টি চার ও ৫ টি ছক্কা। এই ঝড়ো ইনিংসে সিটি ব্যাংকের স্কোরবোর্ডে ৫ উইকেটে ওঠে ২১৯ রান।
মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের হয়ে হাবিব তালুকদার নেন ৩ টি উইকেট। রাকেশ পাশি ও অধিনায়ক শাহাবুদ্দিন রানা নেন ১ টি করে উইকেট।
২২০ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালোই করে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক। ৫ ওভারেই রান ওঠে ৫০ এর বেশি। তবে এরপর নিয়মিত ভাবে উইকেট হারাতে থাকে দল। মাত্র ১ রানের ব্যবধানে তারা হারায় চার উইকেট।
ব্যাটের পর বল হাতে জাদু দেখান সিটি ব্যাংকের অধিনায়ক মারুফ আহমেদ। মাত্র ২৫ রান দিয়ে তুলে নেন ৪ টি উইকেট। নির্জন ভদ্র ২ টি এবং শোভোন, নয়ন নেন ১ টি করে উইকেট। মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের হয়ে ৩৩ বলে সর্বোচ্চ ৬২ রান করেন দিদার ইমরান। ২য় সবোর্চ্চ ফিরোজ আহমেদের ২৩।
১৭.৪ ওভারে ১৫০ রানে অলআউট হয় মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক। ৬৯ রানে জিতে চ্যাম্পিয়ন সিটি ব্যাংক। ২১ বলে ৩৫ রান ও ৪ উইকেট নিয়ে সেরা বোলার এবং ম্যাচ সেরা হন চ্যাম্পিয়ন ক্যাপ্টেন মারুফ আহমেদ। সেরা ব্যাটারের পুরস্কার ওঠে অপরাজিত ৯০ রান করা শরিফুল সৈকতের হাতে।
No posts available.
৫ এপ্রিল ২০২৬, ৭:১৩ পিএম
৫ এপ্রিল ২০২৬, ৩:৪৪ পিএম

রোববারের ম্যাচ শেষ করার ২০ ঘণ্টার মধ্যে নামতে হবে পরের খেলায়। কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্সকে হারানোর পর এবার মুলতান সুলতান্সের সামনে রাওয়ালপিন্ডি পিন্ডিজ। ব্যস্ত এই সূচিতে তাই কিছুটা মজাই করে নিলেন মুলতান অধিনায়ক অ্যাশটন টার্নার।
লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে রোববার রাতের ম্যাচে কোয়েটার বিপক্ষে ৭ উইকেটে জিতেছে মুলতান। এই জয়ের পর কোনো ফুরসৎ নেই তাদের। সোমবার রাতেই পিন্ডিজের বিপক্ষে লড়তে হবে তাদের।
২৪ ঘণ্টার মধ্যে দুই ম্যাচ। পরদিন বিকেলে আবার মাঠে যেতে হবে, তাই মাঠ ছেড়ে যেন টিম হোটেলে যেতেই চান না টার্নার। বরং কাঁথা-বালিশ নিয়ে মাঠেই ঘুমিয়ে পড়া ভালো মনে করেন অস্ট্রেলিয়ান এই অধিনায়ক।
“দুই ম্যাচের মাঝে এত কম সময়। হয়তো আজ রাতে এখানেই কাঁথা-বালিশ নিয়ে ঘুমিয়ে পড়তে হবে! তবে এটাই পেশাদার ক্রিকেটের বাস্তবতা। আমরা জানি, সূচি এমনই হয়।আমরা পরের ম্যাচে নতুন সুযোগ পাওয়ার অপেক্ষায় আছি।”
কোয়েটার বিপক্ষে দাপুটে জয়ই পেয়েছে মুলতান। আগে ব্যাট করে ৭ উইকেটে ১৬৬ রানের বেশি করতে পারেনি কোয়েটা। জবাবে সাহিবজাদা ফারহান, স্টিভেন স্মিথের ঝড়ে ১৫ বল বাকি থাকতেই ম্যাচ জিতে যায় মুলতান।
দলের এমন পারফরম্যান্সে তৃপ্ত অধিনায়ক টার্নার।
“গত দুই ম্যাচের তুলনায় আজকের কন্ডিশন কিছুটা ভিন্ন ছিল। তবে আমরা এমন একটি পারফরম্যান্স খুঁজছিলাম যেখানে খেলার দুই দিকই একসঙ্গে ঠিকভাবে করতে পারি। আমার মনে হয়, আজ আমরা তিনটি বিভাগেই সেটা করতে পেরেছি-যা সত্যিই তৃপ্তিদায়ক।”
পাকিস্তান সুপার লিগে এখন পর্যন্ত চার ম্যাচের তিনটি জিতে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে মুলতান।

গতির ঝড়ে ব্যাটারদের নাকাল করে প্রায়ই আলোচনায় আসেন বাংলাদেশের ডান হাতি পেসার নাহিদ রানা। পাকিস্তান সুপর লিগে অংশ নিতে ২৩ বর্ষী ফাস্ট বোলার বর্তমানে পাকিস্তানে। পিএসএলের দশম আসরের মতো এবারও তাকে ভিড়িয়েছে পেশোয়ার জালমি। যদিও এখনও পর্যন্ত পাকিস্তানের ঘরোয়া এই টুর্নামেন্টে গতির ঝড় তোলার সুযোগ মেলেনি নাহিদের।
নাহিদ নিজেকে প্রমাণের সুযোগ না পেলেও ঠিকই অভিজ্ঞ পেসারদের সঙ্গে ড্রেসিংরুম ভাগাভাগি কিংবা অনুশীলনে বোলিং টোটকা নিচ্ছেন। সম্প্রতি তাকে দেখা গেছে পাকিস্তানের অভিজ্ঞ পেসার মোহাম্মদ আমিরের কাছ থেকে টিপস নিতে। যেখানে গতির সঙ্গে কন্ট্রোল এবং কিভাবে চাপের মুহূর্তে স্কিল বাড়ানো যায় তা শিখেছেন।
পিএসএলের ১১তম আসরে রাওয়ালাপিন্ডি পিন্ডিজের হয়ে খেলা মোহাম্মদ আমিরের সঙ্গে কথোপকথন নিয়ে টি-স্পোর্টসকে নাহিদ বলেন,
“আমির (মোহাম্মদ আমির) ভাইয়ের অনেক অভিজ্ঞতা। এতদিন ফিজ (মোস্তাফিজুর রহমান) ভাই থেকে শিখেছি। চাপের সময়ে কীভাবে কাজ করে, স্কিল বাড়ানো আর গতির সাথে কন্ট্রোল আনাও শিখছি। আমি নিজের শক্তির জায়গা জানি। তাদের থেকে শুনি, প্র্যাকটিসে চেষ্টা করি এরপর।”
নিজেদের বলের গতির সঙ্গে কিভাবে নিখুঁত ইয়র্কার আর স্লোয়ারের সংমিশ্রণ ঘটানো যায়, তা নিয়েই কাজ করছেন বাংলাদেশের এই পেসার। তিনি বলেন,
“আমি নিখুঁত ইয়র্কার আর স্লোয়ার বল নিয়ে বেশি কাজ করছি। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং কার্যকর, এই জায়গাগুলোতেই এখন আমার সবচেয়ে বেশি ফোকাস।”

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সবশেষ নির্বাচন ঘিরে সৃষ্ট অভিযোগের বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে গড়া স্বাধীন তদন্ত কমিটি। এবার সেই প্রতিবেদন সম্পর্কে আইসিসিকে অবহিত করার পর বিসিবির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
রোববার বিকেলে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে এই কথা বলেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের চেয়ারম্যান আমিনুল হক।
আরও পড়ুন
| তদন্ত রিপোর্টে কাউকে অভিযুক্ত করা হয়নি, বিসিবির গঠনতন্ত্র সংশোধনের সুপারিশ |
|
“তদন্ত কমিটি এসে তদন্ত প্রতিবেদন দিয়ে গেছে। তারা এটি দেওয়ার পর আমরা তাৎক্ষণিকভাবে এখানে আন্তঃমন্ত্রণালয় মিটিং ডেকেছি আমি। সেই মিটিংয়ে আলাপ-আলোচনা করেছি আমরা। আইসিসিকে তদন্ত রিপোর্টটি অবগত করার পর আমরা পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করব ইনশাআল্লাহ।”
বিসিবির নির্বাচনে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগে গত মাসে সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানকে প্রধান করে ৫ সদস্যের নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)।
কমিটির অন্য ৪ সদস্য ছিলেন অতিরিক্ত সচিব সেলিম ফকির, যুগ্ম পুলিশ কমিশনার নাসিরুল ইসলাম, ক্রীড়া সাংবাদিক এ টি এম সাইদুজ্জামান ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আকরাম সম্রাট।
আরও পড়ুন
| বুড়ো হাড়ের ভেলকি দেখালেন ৪৩ বছরের অ্যান্ডারসন |
|
১৫ কার্যদিবসের মধ্যে এই তদন্ত কমিটির তদন্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা ছিল। সেই সময়সীমার মধ্যে তদন্ত কাজ শেষ করে রোববার দুপুর ১২টায় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে তদন্ত রিপোর্ট জমা দিয়েছে তদন্ত কমিটি।
এনএসসি চেয়ারম্যান এবং যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ওই সময়ে উপস্থিত না থাকায় এনএসসি চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত সচিবের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে তদন্ত রিপোর্ট। ৩৪ পাতার তদন্ত প্রতিবেদনে আছে বিসিবি নির্বাচন বিষয়ক প্রয়োজনীয় সুপারিশ।

গত ৬ অক্টোবরে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পরিষদের নির্বাচন নিয়ে অভিযোগের অন্ত নেই। ক্যাটাগরি-১-এ বিসিবির বিদ্যমান গঠণতন্ত্র লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে তীব্রভাবে। ক্লাব কোটার নির্বাচন নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন। বিসিবির এই নির্বাচিত কমিটিকে অবৈধ দাবি করে ক্রিকেট ক্লাব অর্গানাইজার্স এসোসিয়েশন একটার পর একটা সংবাদ সম্মেলন করেছে।
বিসিবির নির্বাচনে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগে গত ১১ মার্চ সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানকে প্রধান করে ৫ সদস্যের নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। যে কমিটির অন্য ৪ সদস্য হচ্ছেন অতিরিক্ত সচিব সেলিম ফকির, যুগ্ম পুলিশ কমিশনার নাসিরুল ইসলাম, ক্রীড়া সাংবাদিক এ টি এম সাইদুজ্জামান ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আকরাম সম্রাট। ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে এই তদন্ত কমিটির তদন্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা ছিল। এবং সেই সময়সীমার মধ্যে তদন্ত কাজ শেষ করে রোববার দুপুর ১২টায় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে (এনএসসি) তদন্ত রিপোর্ট জমা দিয়েছে তদন্ত কমিটি। এনএসসি চেয়ারম্যান এবং যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ওই সময়ে উপস্থিত না থাকায় এনএসসি চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত সচিবের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে তদন্ত রিপোর্ট।
৩৪ পৃষ্টার সামারি রিপোর্টে আছে প্রয়োজনীয় সুপারিশ। এর সঙ্গে তদন্ত রিপোর্টের প্রয়োজনে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস এবং তদন্ত কমিটির শুনানীতে যারা হাজির হয়েছেন, তাদের বক্তব্য রেকর্ড করে লিখিত আকারে জমা দেয়া কাগজের সংখ্যা ছাড়িয়ে গেছে হাজার পৃষ্টা।
বিসিবির নির্বাচন নিয়ে ওঠা অনিয়ম ও কারসাজির অভিযোগ খতিয়ে দেখার শর্ত জুড়ে দেয়া হয়েছিল স্বাধীন এই কমিটিকে। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য প্রয়োজনীয় দলিল সংগ্রহ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য গ্রহণ করে মনোনয়নপ্রক্রিয়া বিসিবির গঠনতন্ত্র ও প্রচলিত আইন অনুযায়ী হয়েছে কি না, তা পরীক্ষা করে দেখে যে রিপোর্ট দাখিল করেছে তদন্ত কমিটি, তাতে কেউ অভিযুক্ত হননি। তদন্ত রিপোর্ট জমা দিয়ে উপস্থিত গণমাধ্যমকে তা বলেছেন স্বাধীন তদন্ত কমিটির প্রধান সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান-‘ আমরা একটা তদন্ত করতে বসেছিলাম। নিরপেক্ষ ভাবে চেষ্টা করেছি। যাদের সম্পৃক্ততা পেয়েছিলাম, তাদেরকে জিজ্ঞাবাস করেছি। যা পেয়েছি সেভাবে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেছি। কাউকে অভিযুক্ত না করে রিপোর্ট দিয়েছি। আমরা কাউকে অভিযুক্ত করিনি, কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ আনিনি। যা হয়েছে, যা হয়নি, এসব রিপোর্ট দিয়েছি।’
অন্তবর্তীকালীন সরকারের ক্ষমতার শেষ দিকে এসে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচনে প্রত্যক্ষভাবে হস্তক্ষেপ করেছেন তৎকালীন যুবও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহামুদ সজীব ভূঁইয়া।
সাবেক যুবও ক্রীড়া উপদেষ্টার সংশ্লিষ্টতা নিয়ে গণমাধ্যমে প্রচুর রিপোর্ট হয়েছে। বিসিবির নির্বাচন নিয়ে অনিয়ম উদঘাটনে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠন করেছে সে কারণেই। বিসিবির নির্বাচন নিয়ে সাবেক যুবও ক্রীড়া উপদেষ্টার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ নিয়ে তাঁর বক্তব্য জানতে চেয়ে ব্যর্থ হয়েছে স্বাধীন তদন্ত কমিটি। তদন্ত কমিটির সামনে হাজিরা দেননি তিনি। গণমাধ্যমকে তা জানিয়েছেন তদন্ত কমিটির প্রধান-‘উনি কিছু বলতে চান কী না, তার জন্য ডেকেছিলাম। উনাকে অভিযুক্ত করতে নয়। ওনাকে সময় দিয়ে ডেকেছিলাম। তবে উনি আমাদের কাছে আসেননি।’
বিসিবির নির্বাচন নিয়ে যা কিছু অভিযোগ, সে সব অভিযোগের তিরে বিদ্ধ হওয়ার কথা নির্বাচন কমিশনের। কারণ, তারাই বিধিসম্মত ভাবে কাউন্সিলর মনোনয়ন হয়েছে কী না, তা যাচাই-বাছাই করেছেন। তারাই বৈধ প্রার্থীদের তালিকা চূড়ান্ত করেছেন। বিসিবির নির্বাচন কমিশনের সব সদস্যকে ডেকেছিলেন তদন্ত কমিটি। তবে এই নির্বাচন কমিশনও তদন্ত কমিটির সামনে আসেননি। বিসিবির নির্বাচন নিয়ে আনীত অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাঁরা লিখিত বক্তব্য দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন তদন্ত কমিটির প্রধান- ‘সংশ্লিষ্ট সবাইকে আমরা চেষ্টা করেছি আনতে। ওনারা লিখিত বক্তব্য দিয়েছেন। একজন একজন করে নিয়েছি।’
বিসিবির বিদ্যমান গঠণতন্ত্রের ত্রুটি-বিচ্যুতি তদন্ত কমিটির নজরে এসেছে। এই গঠণতন্ত্রে সংশোধণী না আনলে বিসিবির নির্বাচন হস্তক্ষেপমুক্ত করা সম্ভব নয়। তদন্ত কমিটির সামনে যারা সাক্ষাতকার দিয়েছেন, তাদের মধ্যে একাধিক সংগঠক বিসিবির বিদ্যমান গঠণতন্ত্রে সংশোধণী আনার প্রস্তাব দিয়েছেন। স্বাধীন তদন্ত কমিটির সুপারিশমালায় গঠণতন্ত্র সংশোধণের কথা বলা আছে বলে জানিয়েছেন এই কমিটি প্রধান অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান- ‘আমরা কিছু সুপারিশ করেছি। আমরা চেষ্টা করেছিলাম একটা সুপারিশ দেওয়ার জন্য যে (ভবিষ্যতে) নির্বাচনটা সুন্দর করার জন্য বা এই বোর্ডসংক্রান্ত আর কোনো সুপারিশ করা যায় কি না, এই সম্পর্কে আমরা কিছু গাইডলাইন দেওয়ার চেষ্টা করেছি।গঠণতন্ত্র সংশোধনের ব্যাপার আছে।’
বিসিবির ২৫ সদস্যের নির্বাচিত পরিচালনা পরিষদ থেকে একজন একজন করে ৭ পরিচালক পদত্যাগ করেছেন। পদত্যাগের মিছিলেন অপেক্ষমান আছেন আরো একদল পরিচালক। সে কারণেই রোববার বিসিবির নির্বাচনে অনিয়ম নিয়ে তদন্ত কমিটির রিপোর্টের দিকে তাকিয়ে এখন ক্রিকেটপ্রেমীরা। তদন্ত কমিটির রিপোর্টের আলোকে যুবও ক্রীড়া মন্ত্রানালয় পরবর্তী পদক্ষেপ কী নেয়, তার দিকেই তাকিয়ে এখন সবাই।

কয়েক বছর ধরেই বয়সকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে এগিয়ে চলেছেন জিমি অ্যান্ডারসন। ব্যতিক্রম হলো না কাউন্টি ক্রিকেটের নতুন মৌসুমেও। চমৎকার বোলিংয়ে প্রথম ম্যাচেই ৫ উইকেটের দেখা পেলেন ৪৩ বছর বয়সী ল্যাঙ্কাশায়ার অধিনায়ক।
নর্দাম্পটনের কাউন্টি গ্রাউন্ডে নর্দাম্পটনশায়ারের বিপক্ষে প্রথম রাউন্ডের প্রথম ইনিংসে ৬৪ রানে ৫ উইকেট নিয়েছেন অ্যান্ডারসন। তার বোলিং জাদুতে বিশাল লিড পাওয়ার পথে ল্যাঙ্কাশায়ার।
কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপের চলতি মৌসুম শুরুর আগে অ্যান্ডারসনকে পূর্ণাঙ্গ অধিনায়কত্ব দিয়েছে ল্যাঙ্কাশায়ার। প্রথম ম্যাচেই সেই ভরসার প্রতিদান দিয়েছেন অভিজ্ঞ পেসার।
আরও পড়ুন
| ‘রফিকের পরামর্শ পেলে খুব উপকৃত হবে স্পিনাররা’ |
|
ম্যাচে টস জিতে ব্যাট করে প্রথম ইনিংসে ৩৮৪ রানের সংগ্রহ পায় ল্যাঙ্কাশায়ার। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৯০ রান করেন জোস বোহানন। এছাড়া লুক ওয়েলস ৮৭ ও মাইকেল জোন্সের ব্যাট থেকে আসে ৭১ রানের ইনিংস।
পরে ফিল্ডিংয়ে নেমে বল হাতে তোপ দাগান অ্যান্ডারসন। ষষ্ঠ ওভারে কেলভিন হ্যারিসনকে ফিরিয়ে উইকেট উৎসবের শুরু করেন তিনি। এরপর রিকার্ডো ভাসকনসেলোস, সাইফ জাইভ ও জেমস সেলসকেও তিনি আউট করলে ৪১ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ফেলে নর্দাম্পটনশায়ার।
৪১তম ওভারে লুইস কিম্বারকে বোল্ড করে প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ারে ৫৬তম ৫ উইকেট পূর্ণ করেন অ্যান্ডারসন। দিন শেষে ৯ উইকেটে ২১৫ রানে খেলছে নর্দাম্পটনশায়ার। তাই রোববার ৬ উইকেট নেওয়ার সুযোগ থাকছে অ্যান্ডারসনের।