
পাকিস্তানকে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ধবলধোলাই করে নতুন ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়ের পর দ্বিতীয় প্রতিপক্ষ হিসেবে শান মাসুদদের টানা চার টেস্টে হারালেন নাজুমল হোসেন শান্তরা।
বাংলাদেশের এমন ঐতিহাসিক জয়ের পর পাকিস্তান ক্রিকেট টিমকে ধুয়ে দিচ্ছেন দেশটির সাবেক ক্রিকেটাররা। বাবর আজমদের সমালোচনা করেছেন কামরান আকমল ও ওয়াসিম আকরামরা। বিপরীতে নাহিদ রানাদের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন এই কিংবদন্তিরা। এ তালিকায় যুক্ত হলেন পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার রশিদ লতিফ।
বুধবার পাকিস্তানের এক টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রশিদ লতিফ বলেছেন, বাংলাদেশের ক্রিকেট অনেক দূর এগিয়ে গেছে।
তিনি বলেন,
‘পাকিস্তানের মাটিতেই ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জিতে গেছে বাংলাদেশ। তাদের আসলে দরকার ছিল আত্মবিশ্বাস। যেমন আমরা সম্প্রতি জিম্বাবুয়েকে ডেকে এনে ৩-০–তে হারিয়েছি, বাংলাদেশও পাকিস্তানকে নিজেদের মাঠে এনে তাদের দুর্বল দিক বুঝে পরিকল্পনা করে খেলেছে। তবে পাকিস্তানও ভালো লড়াই করেছে। এটা বলা যাবে না যে তারা খুব খারাপ খেলেছে। ৪৩৭ রানের লক্ষ্য অনেক বড়। তারপরও কয়েকজন খেলোয়াড় চেষ্টা করেছে, শেষ পর্যন্ত লড়াই করেছে।’
পাকিস্তানের সাবেক এই উইকেটকিপার–ব্যাটসম্যান আরও বলেন,
‘বাংলাদেশ পরিকল্পনা করে খেলেছে। তারা সীমার মধ্যে থেকে ইতিবাচক ক্রিকেট খেলেছে। অনেক রানও করেছে।নতুন বল হাতে তারা পরিকল্পনা অনুযায়ী বোলিং করেছে। গতকাল সন্ধ্যায় পাকিস্তানকে অলআউট করে আজ সকালে আবার চাপ ধরে রেখেছে।’
২০২৪ সালে পাকিস্তান সফরে গিয়েও বাংলাদেশ একই ব্যবধানে টেস্ট সিরিজ জিতে এসেছিল। এই দুই সিরিজের আগে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৩ টেস্টে বাংলাদেশের কোনো জয় ছিল না (১২ হার, ১ ড্র)। এখন দুই দলের সবশেষ চার টেস্টেই জয়ী বাংলাদেশ। দেশের বাইরে সবশেষ সাত টেস্টেই হারল পাকিস্তান।
পাকিস্তানের বিপক্ষে টানা দুই টেস্ট জিতে র্যাঙ্কিংয়ে দুই ধাপ লাফিয়ে ৭ নম্বরে উঠে গেছে বাংলাদেশ। ৭৮ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে সাত নম্বরে অবস্থান করছে বাংলাদেশ। সিরিজ শুরুর আগে ৬৭ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে ৯ নম্বরে ছিলেন নাজমুল হোসেন শান্তরা। দুই টেস্টই জেতায় ১১ রেটিং যুক্ত হয়েছে তাদের।
No posts available.
২০ মে ২০২৬, ৮:২৬ পিএম

এবার ঘরের মাঠেও পাকিস্তানকে ধবলধোলাই করল বাংলাদেশ। নাজমুল হোসেন শান্তদের দাপুটে পারফরম্যান্সে আরও একবার শান মাসুদদের হোয়াইটওয়াশ করল তারা। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ক্রিকেট গড়ল টানা ৪ টেস্ট জয়ের ইতিহাস।
সিলেট টেস্টে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৭৮ রানে জিতেছে বাংলাদেশ। এর আগে মিরপুরে প্রথম টেস্টে ১০৪ রানে জিতেছিল তারা। এ নিয়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে টানা দুটি টেস্ট সিরিজে হোয়াইটওয়াশ করার অনন্য কীর্তি গড়ল বাংলাদেশ।
বাংলাদেশের এমন অবিস্মরণীয় জয়ের পর সামাজিক মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন পাকিস্তানি কিংবদন্তি পেসার ওয়াসিম আকরাম। অন্যদিকে শান মাসুদদের এমন নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দেশটির সাবেক উইকেটকিপার-ব্যাটার কামরান আকমল।
১০৪ টেস্টে ৪১৪ উইকেট নেওয়া সাবেক বাঁহাতি পেসার ওয়াসিম আকরাম বলেন,
‘অলরাউন্ড বা কমপ্লিট ক্রিকেট খেলার জন্য পুরো কৃতিত্ব বাংলাদেশেরই প্রাপ্য।’
ক্রিকেটের দীর্ঘতম এই সংস্করণে (টেস্ট) বাংলাদেশ যে অভাবনীয় উন্নতি করেছে, সেটিও যোগ করেন সুলতান অব সুইং। ওয়াসিম উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ দল একসময় ধীরগতির এবং নিচু বাউন্সের টার্নিং পিচ তৈরির জন্য পরিচিত ছিল। কিন্তু তারা এখন মানসম্মত এবং স্পোর্টিং টেস্ট উইকেট প্রস্তুত করছে, যা তাদের ফাস্ট বোলারদের দারুণভাবে সাহায্য করছে।
পাকিস্তানের এই সাবেক পেস তারকা আরও বলেন,
‘বাংলাদেশের পেস আক্রমণ গতি এবং লাইনে বজায় রাখা শৃঙ্খলার মাধ্যমে পাকিস্তানকে পুরোপুরি কোণঠাসা করে দিয়েছিল। দলটি এখন বিশ্বের যেকোনো শীর্ষসারির টেস্ট দলের বিপক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত।’
বাংলাদেশের তরুণ ফাস্ট বোলার নাহিদ রানার প্রশংসা করতে ভোলেননি আকরাম। নাহিদ রানাকে এক ‘অসাধারণ প্রতিভা’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন,
‘এই তরুণের বোলিং দেখাটা সত্যিই চোখ জুড়ানো এক অভিজ্ঞতা ছিল।’
পাকিস্তানের এমন ভরাডুবি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে গিয়ে কামরান আকমল বলেন,
‘বাংলাদেশের কাছে আমরা টানা চার ম্যাচ হেরেছি। তারা আমাদের কন্ডিশনে আমাদের হোয়াইটওয়াশ করে গেছে, এখন আমাদের মাটিতেও হারাল। খুবই আফসোসের কথা! তারা দেখিয়ে দিয়েছে আমরা এখন কোথায় আছি। আমরা ওদের চেয়ে কোনো অংশেই ভালো নই। বরং ওদের চেয়ে আমরা অনেক বাজে দল। তারা খুবই ভালো ক্রিকেট খেলেছে এবং দারুণ পারফরম্যান্স দেখিয়েছে।’

জয়ের জন্য শেষ ওভারে লাগত ৭ রান। আব্দুল গাফফার সাকলাইনের প্রথম ডেলিভারিতেই ক্যাচ দিয়ে ফিরেন আমিনুল ইসলাম বিপ্লব। সাকলাইনের পরের তিন বল থেকে তিন রান নেওয়ার পর শেষ দুই বলে বসুন্ধরা স্ট্রাইকার্সের লক্ষ্য দাড়ায় ৪ রান। পঞ্চম ডেলিভারিতে চার মেরে সব নাটকীয়তার ইতি টেনে বসুন্ধরার জয় নিশ্চিত করেন ইরফান হোসেন।
ঢাকা প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগের (ডিপিএল) আজ সিটি ক্লাবের বিপক্ষে ১ উইকেটে জিতেছে বসুন্ধরা স্ট্রাইকার্স। শুরুতে ব্যাটিংয়ে নেমে ৮ উইকেটে ২৩১ রান করে সিটি। ফিফটি করেন শাকিল হোসেন ও সাকলাইন। এরপর রান তাড়ায় নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারালেও স্নায়ুর পরীক্ষা দিয়ে ১ বল হাতে রেখেই জয় পায় বসুন্ধরা।
বসুন্ধরা স্পোর্টস কমপ্লেক্সে টসে জিতে সিটিকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় বসুন্ধরা স্ট্রাইকার্স। ব্যাটিংয়ে নেমে স্কোরবোর্ডে ১০০ রান তোলার আগেই ছয় ব্যাটারকে হারায় সিটি। উইকেটে থিতু হয়েও ইনিংস বড় করতে ব্যর্থ হন টপ-অর্ডারের চার ব্যাটার। একটা পর্যায়ে ১৪৮ রানেই ৮ উইকেট হারিয়ে ফেলে তারা। তবে সাত নম্বরে নামা শাকিল হোসেন ও ১১ নম্বর ব্যাটার সাকলাইনের নৈপুণ্যে দুইশো পার করেন সিটি।
শাকিল অপরাজিত ছিলেন ৬৯ বলে ৬৭ রানে। আর ৫ ছক্কা ও ২ চারে ২৮ বলে ৫২* করেন সাকলাইন। বসুন্ধরার হয়ে বল হাতে নাহিদুল ইসলাম ও সানজামুল ইসলাম।
রান তাড়ায় শুরুতে থেকেই উইকেট হারাতে থাকে বসুন্ধরা। সতীর্থদের আসা-যাওয়ার মিছিলে ফিফটি করেন ইমরানুজ্জামান। দলীয় ৯৯ রানে এই ওপেনারও ফিরেন ১০২ বলে ৬১ করে। ১৩৫ রানে সপ্তম উইকেটের পতন ঘটলে জিয়াউর রহমানকে নিয়ে প্রতিরোধ গড়েন বিপ্লব। অষ্টম উইকেটে তাদের ৫৭ রানের জুটি ভাঙলে আবার বিপদে পড়ে বসুন্ধরা। ৩৮ বলে ৪৬ করা জিয়াউর এলবিড্লু হয়ে ফিরেন সাকলাইনের বলে। এরপর শেষ ওভারে বিপ্লব (৫২ বলে ৫৬) আউট হলেও জয়ের বাকি কাজটা সারেন ইরফান। সিটির হয়ে সফলতম বোলার ৬৫ রান দিয়ে তিন উইকেট নেওয়া আব্দুল্লাহ আল মামুম।

টানা জয়ে হাওয়ায় উড়ছিল প্রাইম ব্যাংক। ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগের চলমান আসরে কাগজে-কলমে সেরা মোহামেডানকে ৫ম রাউন্ডে ৩ উইকেটে হারিয়ে শিরোপার দাবিটা জোরালো করেছিল প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব। তবে ৬ষ্ঠ রাউন্ডে এসে মাঝারিমানের বাজেটের দল আবাহনীর কাছে খেয়েছে হোঁচট। জাকের আলী অনিকের লিস্ট 'এ' ক্যারিয়ারসেরা ইনিংসে (১০৭ বলে ৩৩) বিকেএসপি-থ্রি-তে ১০৬ রানে হেরেছে শিরোপা প্রত্যাশী এই ব্যাংকটি।
এই হারের ফলে পয়েন্ট তালিকায় এককভাবে শীর্ষে উঠে আসতে পারেনি প্রাইম ব্যাংক। ৬ষ্ঠ রাউন্ড শেষে মোহামেডানের সঙ্গে (৬ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট) যৌথভাবে শীর্ষে এখন প্রাইম ব্যাংক
টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শেষ পাওয়ার প্লে-তে ৩ উইকেট হারিয়ে ১০৭ রান যোগ করায় মোহামেডান পাহাড়সময় স্কোর করেছে (৩৪১/৯)। আবাহনীর অঙ্কন তুলেছিলেন ব্যাটে ঝড়। তবে ৮৫ বলে ৩ চার, ৪ ছক্কায় ৭৫ রানে থেমেছেন অঙ্কন। তবে অঙ্কন সেঞ্চুরি মিস করলেও জাকের আলী অনিক লিস্ট 'এ' ক্রিকেটে ৩য় সেঞ্চুরি পেয়েই ছেড়েছেন। বাংলাদেশ দল থেকে বাদ পড়ার যন্ত্রনা লাঘবে এদিন ব্যাট করেছেন টি-টোয়েন্টি আমেজে। করেছেন ১২৯.১৩ স্ট্রাইক রেটে রান।
৫৭ বলে ফিফটি, ৯২ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেছেন জাকের আলী অনিক। আনামুলের বলে ওয়াইড লং অফে ক্যাচ দেয়ার আগে করেছেন ১০৭ বলে ১০ চার, ৯ ছক্কায় ১৩৩। সেঞ্চুরির পর দ্রুতগতিতে রান তোলায় মনযোগ দিয়েছেন। ৪৭তম ওভারে আরিফুলকে পর পর ৪ বলে মেরেছেন ৬ ছক্কা, ২ চার। তৃতীয় উইকেট জুটির ১৩৬ বলে ১২২, চতুর্থ উইকেট জুটির ৪৪ বলে ৫৩ এবং ৫ম জুটির ৬৪ বলে ১০১ রানে নেতৃত্ব দিয়েছেন জাকের আলী অনিক।
৩৪২ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং পাওয়ার প্লে-তে উইকেটহীন ৬০ এবং প্রথম উইকেট জুটির ৭০ রানে চ্যালেঞ্জটা ভালই নিয়েছিল প্রাইম ব্যাংক। তবে শামীম পাটোয়ারি ৪৬ বলে ৬ চার, ২ ছক্কায় ৫১ রানে থেমে গেলে রণে ভঙ্গ দেয় প্রাইম ব্যাংক। আবাহনীর বাঁ হাতি স্পিনার রাকিবুল (২/৩৪), অফ স্পিনার মোসাদ্দেক সৈকত (২/৩১) এবং মাহফুজ রাব্বীর বলে (৩/৫০) ২৭ বল বাকি থাকতে ২৩৫ রানে ইনিংস থেমে যায় প্রাইম ব্যাংকের।
এই জয়ে মোহামেডান-প্রাইম ব্যংকের পিছনে থাকা আবাহনীর সংগ্রহ ৬ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট।

বাংলাদেশের কাছে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার পর আইসিইউর কোড অব কনডাক্ট ভাঙার অপরাধে শাস্তি পেলেন পাকিস্তানের সালমান আলী আগা। লেভেল-১ এর আচরণবিধি ভাঙায় সিলেটে বাংলাদেশের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্ট ম্যাচ চলাকালীন এই শাস্তি পেলেন তিনি। তিরস্কারের পাশাপাশি সালমানের শাস্তির রেকর্ডে একটি ডিমেরিট পয়েন্ট যোগ করা হয়েছে।
আইসিসির আচরণবিধির ২.২ নম্বর ধারা লঙ্ঘনের দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে আগাকে। এ মূলত আন্তর্জাতিক ম্যাচ চলাকালীন ক্রিকেটের সরঞ্জাম বা জার্সি, মাঠের যন্ত্রপাতি অথবা স্টেডিয়ামের কোনো জিনিসপত্রের ক্ষতি বা অবমাননা করার সাথে সম্পর্কিত ধারাটি।
গত ২৪ মাসের মধ্যে এটি আগার দ্বিতীয় অপরাধ, ফলে তাঁর ঝুলিতে মোট ডিমেরিট পয়েন্ট দাঁড়িয়েছে দুইয়ে। এর আগে চলতি বছরের ১৩ মার্চ ঢাকার একটি ওয়ানডে ম্যাচে বাংলাদেশের বিপক্ষেই একই ধারা (২.২) ভেঙে প্রথম অপরাধটি করেছিলেন।
ঘটনা সিলেট টেস্টের চতুর্থ দিনের। পাকিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংসের ৮২তম ওভারে আউট হয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরার পথে মেজাজ হারিয়ে নিজের ব্যাট দিয়ে একটি বিজ্ঞাপনী বোর্ডে আঘাত করেন আগা।
সালমান নিজের অপরাধ স্বীকার করে নিয়েছেন এবং আইসিসির এলিট প্যানেলের ম্যাচ রেফারি জেফ ক্রোর দেওয়া শাস্তি মেনে নিয়েছেন। তাই এই বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক শুনানির প্রয়োজন পড়েনি। মাঠের দুই আম্পায়ার রিচার্ড কেটলবরো ও আলাউদ্দিন পালেকর, থার্ড আম্পায়ার কুমার ধর্মসেনা এবং ফোর্থ আম্পায়ার মাসুদুর রহমান মুকুল এই অভিযোগটি আনেন।

ঘরের মাঠে পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে দারুণ এক অর্জন নিজের করে নিয়েছেন নাজমুল হোসেন শান্ত। টেস্ট ইতিহাসে বাংলাদেশের সেরা অধিনায়ক এক বাঁহাতি এই ব্যাটার।
সিলেটে বুধবার সকালে শেষ হওয়া ম্যাচে পাকিস্তানকে ৮ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ। অধিনায়ক হিসেবে শান্তর এটি অষ্টম টেস্ট জয়।
বাংলাদেশের অধিনায়কদের মধ্যে আর কারও এত বেশি ম্যাচ জয়ের রেকর্ড নেই।
মিরপুরে প্রথম টেস্টে জয়ের পর মুশফিকুর রহিমের পাশে বসেছিলেন শান্ত। এবার সিলেটে জিতে অভিজ্ঞ ব্যাটারকেও টপকে গেছেন তিনি।
বাংলাদেশের অধিনায়ক হিসেবে এখন পর্যন্ত ১৮ ম্যাচে ৮টি জিতেছেন শান্ত। ড্র হয়েছে ১টি ম্যাচ। তার অপরাজিত থাকার হার ৪৪.৪৪ শতাংশ।
২০১১ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত বাংলাদেশকে ৩৪ ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়ে ৭টি জয় পেয়েছিলেন মুশফিক। এছাড়া ড্র হয়েছিল আরও ৯ ম্যাচ। সব মিলিয়ে তার জয়ের হার ছিল ২০.৫৮ শতাংশ।
নিজেদের টেস্ট ইতিহাসে এখন পর্যন্ত ১৫৮টি টেস্ট ম্যাচ খেলে মোট ২৭ জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে মুশফিক আর শান্তর অধিনায়কত্বে মিলেছে ১৫ জয়।
এর বাইরে অধিনায়ক হিসেবে সাকিব আল হাসান ১৯ ম্যাচে ৪, মুমিনুল হক ১৭ ম্যাচে ৩, মেহেদী হাসান মিরাজ ২ ম্যাচে ১, লিটন কুমার দাস ১ ম্যাচে ১ ও মাশরাফি বিন মুর্তজা ১ ম্যাচে পেয়েছেন ১ জয়।