৩১ অক্টোবর ২০২৪, ২:০২ পিএম

৪ উইকেটে ৩৮ রান নিয়ে ৩য় দিনের খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। অধিনায়ক নাজমুল শান্ত আর মুমিনুল হক মিলে খেলছিলেন মোটামুটি স্বাচ্ছ্ন্দেই। সকালের প্রথম ৩ ওভার পর বাংলাদেশের রান ৪ উইকেটে ৪৫।
তবে এরপরই বাঁধে বিপত্তি। রাবাদার বাইরে বেরিয়ে যাওয়া বলে খোঁচা দিয়ে উইকেট কিপারের কাছে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন শান্ত। মাত্র ৯ রান করেই আউট হন। ক্রিজে টিকে থাকতে পারেননি অভিজ্ঞ মুশফিকও। ড্যান প্যাটারসনের বলে মিড উইকেটে ক্যাচ দেন এই অভিজ্ঞ ক্রিকেটার। ফেরেন কোনো রান না করেই।
আসা যাওয়ার মিছিলে সামিল ছিলেন মিরাজ আর অভিষিক্ত মাহিদুল অঙ্কনও। মিরাজের ব্যাট থেকে আসে মাত্র ১ রান। আর অঙ্কন ফেরেন শূন্যতে। দুজনকে ফিরিয়ে টেস্ট ক্যারিয়ারের ১৬ তম ফাইফার পূরণ করেন রাবাদা।
১ম ঘন্টাতেই তছনছ বাংলাদেশের ব্যাটিং। দিনের খেলায় মাত্র ১০ রান যোগ করতেই আরও ৪ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের ইনিংস তখন তাসের ঘর। ৮ উইকেটে ৪৮ রান। ফলো অন এড়াতে বাংলাদেশকে তখন আরও করতে হতো ৩৭৬।
টেস্টে বাংলাদেশের সর্বনিম্ন রান ৮৭। শংকা ছিল এদিন রেকর্ডটা ভাঙার। বাংলাদেশের শেষ আশা হিসেবে ক্রিজে টিকে ছিলেন মুমিনুল আর তাইজুল। সবাই যখন যাওয়া আসাতেই ব্যস্ত তখন এই দুজন ক্রিজে পড়ে ছিলেন মাটি কামড়ে।
এরই মাঝে কেশব মহারাজের বলে সুইপ খেলতে গিয়ে প্যাডে লাগতেই মুমিনুলকে আউট দেন আম্পায়ার। তবে রিভিউ নিয়ে বেঁচে যান মুমিনুল। যেই ধৈর্য্যের পরীক্ষা দিতে পারেনি কোন টইগার। সেখানে মুমিনুল আর তাইজুল ছিলেন ভিন্ন।
মুমিনুল রান করে গেছেন আর তাইজুল দিয়েছেন তাকে সাপোর্ট। এই চট্টগ্রামেই যে ৭ খাানা সেঞ্চুরি মুমিনুলের। পয়া এই মাঠে আর কেউ না পারলেও তিনি দেখিয়েছেন। ১৩৯ বলে ৮৯ রানের জুটিতে শেষ হয় প্রথম সেশন। মুমিনুলের ব্যাটে ৭৪ আর তাইজুলের ১৮। ৮ উইকেটে ১৩৭ করে লাঞ্চে যায় বাংলাদেশ।
তবে লাঞ্চের পর আর বেশিক্ষণ টিকতে পারেনি তাদের জুটি। মুমিনুল-তাইজুলের ২৭ ওভারে করা ১০৩ রানের জুটি মুথুসামি। ১১২ বলে ৮২ রানে আউট হন মুমিনুল। বন্দরনগরীর ৮ নম্বরের সেঞ্চুরিটা আর পাওয়া হলো না তার। ৩০ রান করে মাহারাজের বলে আউট হন তাইজুল। ১৫৯ রানে অলআউট বাংলাদেশ।
সাউথ আফ্রিকা তাদের প্রথম ইনিংসে করেছিল ৫৭৫ রান। ৪২৪ রানে পিছিয়ে থেকে ১ম ইনিংস শেষ করল বাংলাদেশ। ফলো অনে পড়ে আবারও ব্যাটিংয়ে নামবে বাংলাদেশ।
No posts available.
৮ জানুয়ারি ২০২৬, ২:৪১ পিএম
৮ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:৫৮ পিএম
৮ জানুয়ারি ২০২৬, ৯:৪৮ এম

বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের মধ্যে রেকর্ড মূল্যে দল পাওয়ার পরও ২০২৬ সালের আইপিএল খেলা হবে না মোস্তাফিজুর রহমানের। তার আইপিএল খেলা নিয়ে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে যা করা হয়েছে, তা খুবই হতাশাজনক বললেন রংপুর রাইডার্সের প্রধান কোচ মিকি আর্থার।
আইপিএলের নিলামে বাংলাদেশের রেকর্ড ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে মোস্তাফিজকে কিনেছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। কিন্তু সাম্প্রতিক পরিস্থিতির অজুহাত দিয়ে মোস্তাফিজকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার নির্দেশনা দেয় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)।
এরপর গড়িয়েছে বহু জল। সেই ঘটনার জের ধরে ভারতের মাঠে বিশ্বকাপ খেলতে যেতে অস্বীকৃতি জানিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। যা এখন ঝুলে আছে আইসিসির কাছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পাওয়া যাবে দুই-এক দিনের মধ্যে।
এর মাঝেও বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে ব্যস্ত মোস্তাফিজ। রংপুরের জার্সিতে দুর্দান্ত বোলিং করছেন বাঁহাতি কাটার মাস্টার। তবে বিষয়টি যে হতাশাজনক, বৃহস্পতিবার সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সেটিই বললেন আর্থার।
আরও পড়ুন
| অদেখা জয়ের খোঁজে নোয়াখালী দলে একগাদা পরিবর্তন |
|
“ফিজ পুরোদস্তুর পেশাদার ক্রিকেটার। সে আমাদের জন্য দুর্দান্ত, অসাধারণ। আমরা জানি, বোলার হিসেবে তার কোয়ালিটি কতটা। বিশ্বের যে কারও সমানে সমান সে, যদি না তাদের চেয়ে ভালো হয়ে থাকে। সে খুব ভালো টিম ম্যান এবং খুব নম্র-ভদ্র ছেলে। তাই ওকে সামলানো সহজ।”
“সে প্রতিদিন মাঠে আসে এবং নিজের সামর্থ্যের সর্বোচ্চ দিয়ে কাজটা করে দেয়। তো তার সঙ্গে যেমন হয়েছে, এটা আসলে সত্যিই হতাশাজনক। কলকাতা নাইট রাইডার্সে সে খুব ভালো একটা (৯ কোটি ২০ লাখ রুপি) চুক্তি পেয়েছি। এখন এটা খুবই হতাশাজনক।”
আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার ওই ঘটনার পর মোস্তাফিজের সঙ্গে আলাপ হয়েছে বলেও জানালেন রংপুরের প্রধান কোচ।
“তার সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। আমাদের মধ্যে খুবই দ্রুত অল্প কিছু কথা হয়েছে। আমার সঙ্গে ওর ভাষাগত একটা বাধা আছে। তো, সে জানে আমি কী বলতে চেয়েছি, আমিও বুঝেছি সে কী বলতে চেয়েছে। দ্রুতই সেই কথা শেষ করে আমরা সামনে এগিয়ে গেছি।”

বেশ হুমকি-ধমকি দিয়েই অস্ট্রেলিয়ায় পা রেখেছিলেন বেন স্টোকস। দিন বদলের গল্প শুনয়েছিলেন সমর্থকদের। অজিদের ডেরায় ইংলিশ লায়নের হুঙ্কার শোনার অপেক্ষায়ও ছিলেন অনেকে। তবে মাঠের লড়াইয়ে বিন্দু পরিমাণ কথার ঝাঁঝের ছাপ পাওয়া গেল না। মাত্র ১১ দিনেই সিরিজ অ্যাশেজ খোঁয়ানোর পর শেষ টেস্টেও আত্মসমর্পন করেছে স্বাগতিকরা। চতুর্থ টেস্টে পাওয়া একমাত্র স্বান্ত্বনার জয় নিয়েই মলিন মুখে ঘরে ফিরতে হচ্ছে ইংল্যান্ডকে।
মর্যাদার লড়াই অ্যাশেজে এমন ভরাডুবির পর ‘বাজবল’ দর্শন নিয়েও সমালোচনার তীরে বিদ্ধ হচ্ছেন ব্রেন্ডন ম্যাককালাম-বেন স্টোকস জুটি। তবে চারদিক থেকে ধেয়ে আসা ঝড়ের মধ্যেও নতুন করে আশার বাণী শোনালেন স্টোকস। ৩৪ বছর বয়সী অলরাউন্ডারের মতে অস্ট্রেলিয়ায় ‘৩/১০ ধরনের ক্রিকেট’ খেলেছে ইংল্যান্ড। কিন্তু নিজের ‘নির্দয় আর নির্মম’ দিক দেখাতে নাকি তিনি ভয় পাননা।
পুরোদস্তর ব্যর্থ একটি অ্যাশেজ সিরিজের পর ইংল্যান্ড টেস্ট দলকে নেতৃত্ব দিয়ে পুরো ঢেলে সাজানোর বার্তা দেন স্টোকস, ‘আমরা যতটা এগোতে চাই, তার জন্য আমাদের সরল ও খোলামেলা হতে হবে। আমিও যুবক বয়সে কিছু শিখেছি যা আমার তখন ভালো লাগত না, কিন্তু এখন পেছনে তাকালে বুঝতে পারি, তা আমাকে সঠিক কারণেই বলা হয়েছিল। আমি কেবল ড্রেসিং রুমের ছেলেদের জন্য সেরাটা চাই এবং তাদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সফল হওয়ার সেরা সুযোগ দিতে চাই, যা তারা করতে পারে। আমাদের কেবল একটি পুনঃগঠন দরকার।’
নিউ জিল্যান্ডের সাবেক ক্রিকেটার ম্যাককালাম দায়িত্ব নেওয়ার পরই বদলে যায় ইংল্যান্ড। ‘বাজবল’ নামের দর্শনে টেস্ট খেলে প্রথমদিকে বেশ সাফল্যও পায় তারা। ক্রিকেটের দীর্ঘতম সংস্করণে এই কৌশলের সাফল্য নিয়ে এখনও দৃঢ় আছেন ইংল্যান্ডের অধিনায়ক। আগের সেই ধারাই বজায় রাখতে চান তিনি, ‘আমরা প্রথম কয়েক বছরে (ম্যাককালামের অধীনে) অসাধারণ কিছু করেছি—শুধু ফলাফলের দিক থেকে নয়, বরং এমন খেলোয়াড়দের সেরাটা বের করেছি যারা হয়তো জানত না তারা কতটা ভালো। এখন বিষয় হলো, সেটা নিয়মিতভাবে করা।’
স্টোকস আরও যোগ করেন, “এখানেই দায়িত্ব আসে আমার, ব্রেন্ডন ও রবের ওপর—যারা খেলোয়াড়দের তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ করা। আমরা এমন কিছু তৈরি করব যা দেখাবে, “এটাই আমাদের চেয়েছিলাম”।
পুরো সিরিজে নিজের করা ভুলও মাথা পেতে স্বীকার করেছেন স্টোকস, ‘আমি একজন নেতা ও অধিনায়ক হিসেবে আরও ভালো করতে পারি। আমরা খেলোয়াড় হিসেবে বড় ভুল করেছি, আমি ক্যাপ্টেন হিসেবে বড় ভুল করেছি, আর আমাদের সাহসী হতে হবে এবং নিজেকে ব্যক্তিগতভাবে তা স্বীকার করতে হবে। এটা কোনো ‘ভুল চাপিয়ে দেওয়া সংস্কৃতি’ নয়। যদি এটা একবার শুরু হলে, তবে সবকিছু ধ্বংস হয়ে যাবে।’

প্রথমবার বিপিএল খেলতে এসে একদম সুবিধা করতে পারছে না নোয়াখালী এক্সপ্রেস। পরপর পাঁচ ম্যাচ হেরে পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে পড়ে আছে তারা। প্লে-অফে খেলার আশা বাঁচিয়ে রাখতে বাকি পাঁচ ম্যাচেই জিততে হবে তাদের।
সেই আশায় রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে নিজেদের একাদশে ৪টি পরিবর্তন এনেছে নোয়াখালী। বাদ পড়েছেন হাবিবুর রহমান সোহান, মুনিম শাহরিয়ার, আবু হাশিম ও রেজাউর রহমান রাজা। তাদের জায়গায় এসেছেন শাহাদাত হোসেন দীপু, জাকের আলি অনিক, আবু জায়েদ রাহি ও মেহেদি হাসান রানা।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার দুপুরের এই ম্যাচটিতে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নামবে নোয়াখালী। টস জিতে আগে ফিল্ডিং নিয়েছেন রাজশাহী অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।
আরও পড়ুন
| চোট কাটিয়ে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন সাদাব খানের |
|
রাজশাহী একাদশে বদলে গেছে তিন বিদেশি ক্রিকেটার। সাহিবজাদা ফারহান, মোহাম্মদ নাওয়াজ ও হুসাইন তালাতের জায়গায় এসেছেন মোহাম্মদ ওয়াসির, রায়ান বার্ল ও হাসান মুরাদ। এই ম্যাচে মোট তিন বিদেশি নিয়েই খেলছে তারা।
নোয়াখালী এক্সপ্রেস একাদশ
মোহাম্মদ নবী, সৌম্য সরকার, শাহাদাত হোসেন দীপু, হায়দার আলি, মেহেদি হাসান রানা, জাকের আলি অনিক, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন, জহির খান, হাসান মাহমুদ, আবু জায়েদ রাহি, মাজ সাদাকাত
রাজশাহী ওয়ারিয়র্স একাদশ
মোহাম্মদ ওয়াসিম, তানজিদ হাসান তামিম, নাজমুল হোসেন শান্ত, মুশফিকুর রহিম, ইয়াসির আলি চৌধুরি, রায়ান বার্ল, এসএম মেহেরব হাসান, তানজিম হাসান সাকিব, রিপন মন্ডল, বিনুরা ফার্নান্দো, হাসান মুরাদ

চার দিন লড়াইয়ের পরও কোনো লাভ হলো না ইংল্যান্ডের। দাপুটে পারফরম্যান্সে জয় দিয়েই অ্যাশেজ সিরিজ শেষ করল অস্ট্রেলিয়া। ব্যাট হাতে বড় কিছু করতে না পারলেও ঘরের মাঠে মাথা উঁচু রেখেই ক্যারিয়ার শেষ করতে পারলেন উসমান খাজা।
সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে এবারের অ্যাশেজের শেষ ম্যাচে ইংল্যান্ডকে ৫ উইকেটে হারিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। সফরকারীদের দেওয়া ১৬০ রানের লক্ষ্য মাত্র ৩১.২ ওভারেই তাড়া করে ফেলে স্টিভ স্মিথের নেতৃত্বাধীন দল।
ম্যাচের প্রথম ইনিংসে ৩৮৪ রান করেছিল ইংল্যান্ড। জবাবে ট্রাভিস হেড, স্টিভ স্মিথের সেঞ্চুরিতে ৫৬৭ রান করে অস্ট্রেলিয়া। ১৮৩ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয়বার ব্যাট করতে নেমে জ্যাকব বেথেলের রেকর্ড গড়া সেঞ্চুরির পরও ৩৪২ রানের বেশি করতে পারেনি ইংলিশরা।
অ্যাশেজ শুরুর আগেই বিশেষজ্ঞ-বিশ্লেষকদের অনেকে বলছিলেন, গত ১৫ বছরের মধ্যে এটি সবচেয়ে দুর্বল অস্ট্রেলিয়া দল। তাই ইংল্যান্ডের সিরিজ জয়ের ভবিষ্যদ্বাণীও করেছিলেন কেউ কেউ। তাদের ভুল প্রমাণ করে ৪-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতল অস্ট্রেলিয়া।
এবারের অ্যাশেজে অস্ট্রেলিয়ার সাফল্যের বড় কারিগর ট্রাভিস হেড ও মিচেল স্টার্ক। পাঁচ ম্যাচে তিন সেঞ্চুরিতে ৬২৯ রান করেন হেড। চলতি শতাব্দীতে এক অ্যাশেজে ৬০০ রান করা অস্ট্রেলিয়ার মাত্র দ্বিতীয় ব্যাটার তিনি। এর আগে ২০১৭-১৮ ও ২০১৯ অ্যাশেজ এই কীর্তি গড়েন স্টিভ স্মিথ।
বল হাতে স্টার্ক নেন ৩১ উইকেট। চলতি শতাব্দীতে এক অ্যাশেজে ৩০-র বেশি উইকেট নেওয়া চতুর্থ বোলার তিনি। মাত্র ২৯.৬ স্ট্রাইক রেটে এই ৩১ উইকেট নিয়ে সিরিজ সেরার পুরস্কার জেতেন স্টার্ক। অ্যাশেজ ইতিহাসে এক সিরিজে অন্তত ৩০ উইকেট নেওয়া বোলারদের মধ্যে তার স্ট্রাইক রেটই সবচেয়ে ভালো।
উইকেটের পেছনে দুর্দান্ত ছিলেন অ্যালেক্স কেয়ারি। সব মিলিয়ে ২৮টি ডিসমিসাল করেছেন তিনি। এক অ্যাশেজে এর চেয়ে ডিসমিসাল আছে শুধু একজনের, ব্র্যাড হ্যাডিন (২০১৩ সালের অ্যাশেজে ২৯ ডিসমিসাল)।
৮ উইকেটে ৩০২ রান নিয়ে সিরিজের শেষ দিন ব্যাট করতে নামে ইংল্যান্ড। এদিন আরও ৪০ রান যোগ করতে পারে তারা। ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি করা বেথেল আউট হন ১৫৪ রান করে। আর ম্যাথু পটস করেন ১৮ রান।
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ৩টি করে উইকেট নেন স্টার্ক ও বাউ ওয়েবস্টার।
মাঝারি লক্ষ্য পেয়ে ঝড়ো শুরু করেন হেড ও জ্যাক ওয়েদারাল্ড। মাত্র ৬৩ বলে ৬২ রান যোগ করেন দুই ওপেনার। হেড ৩৫ বলে ২৯ ও ওয়েদারাল্ড ৪০ বলে ৩৫ রান করে ফিরে যান। একই ছন্দে খেলে ৪০ বলে ৩৭ রান করেন মার্নাস লাবুশেন।
তবে দুর্ভাগ্যজনক রান আউটে কাটা পড়েন লাবুশেন। ক্যারিয়ারের শেষ ইনিংস খেলতে নামা খাজা ৬ রানের বেশি করতে পারেননি। সব মিলিয়ে ৮৮ টেস্টে ১৬ সেঞ্চুরি ও ২৮ ফিফটিতে ৬ হাজার ২২৯ রান নিয়ে বিদায় জানালেন তিনি।
১২১ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়ে অস্ট্রেলিয়া। তবে অ্যালেক্স কেয়ারি (১৬) ও ক্যামেরন গ্রিনের (২২) অবিচ্ছিন্ন ৪০ রানের জুটিতে অনায়াসেই জিতে যায় স্বাগতিকরা।

সাত মাসের চোট কাটিয়ে জাতীয় দলে ফিরেই ম্যাচসেরা সাদাব খান। ডাম্বুলায় টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে ওয়ার্ম–আপ সিরিজের প্রথম ম্যাচে তাঁর অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৬ উইকেটে জয় পেয়েছে পাকিস্তান।
বল হাতে চার ওভারে ২৫ রান দিয়ে দুটি উইকেট নেন সাদাব। পরে ব্যাট হাতে ১২ বলে অপরাজিত ১৮ রান করে দলের জয় নিশ্চিত করেন। দারুণ এই পারফরম্যান্সের জন্য ম্যাচ শেষে সেরার পুরস্কারও ওঠে তার হাতেই।
গত বছরের জুনে বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের পর কাঁধে অস্ত্রোপচার করাতে হয় সাদাবকে। দীর্ঘ পুনর্বাসন শেষে বিগ ব্যাশ দিয়ে প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে ফিরলেও, ডাম্বুলার ম্যাচটি ছিল তার জাতীয় দলের জার্সিতে প্রথম ম্যাচ।
ফেরা নিয়ে ম্যাচ শেষে সম্প্রচার চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সাদাব বলেন,
“আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরে আসা কঠিন, কারণ এখানে আপনাকে আবার শূন্য থেকে শুরু করতে হয়। বোলিং ও ব্যাটিং ভালোই হচ্ছে—আমি সহজ বিষয়গুলোর দিকেই মনোযোগ দিচ্ছি। উইকেট সহায়ক ছিল, তবে ক্রিকেটে সব সময় পরিস্থিতি বুঝে নিতে হয়। এখানে ভালো লেংথের চেয়ে একটু ফুল লেংথে বল করাই বেশি কার্যকর ছিল।”
সামনে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ—এ বিষয়েও কথা বলেন পাকিস্তানের এই অলরাউন্ডার।
“একজন খেলোয়াড় হিসেবে সর্বোচ্চ পর্যায়ে খেলা সব সময়ই স্বপ্ন। আমার জন্য বিষয়টা এক ধাপ এক ধাপ করে এগোনো। দল দারুণ খেলেছে—মির্জা ও ওয়াসিম তাদের সিম বোলিং দিয়ে স্পিনারদের জন্য দারুণ ভিত তৈরি করে দিয়েছে,”
—বলেন সাদাব।