
বাংলাদেশের বিপক্ষে দ্বিতীয়
ওয়ানডেতে ফিল্ডিংয়ের সময় বাঁ-কাঁধে গুরুতর চোট পেয়েছেন পাকিস্তানের অলরাউন্ডার হুসাইন
তালাত। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, এই চোট থেকে সেরে উঠতে তাঁর প্রায় ১২ থেকে ১৪ সপ্তাহ
সময় লাগতে পারে।
ম্যাচ চলাকালীন ফিল্ডিংয়ের
সময় তালাতের বাঁ কাঁধের সংযোগ নড়ে গেছে যায়। ঘটনার পরপরই মাঠেই তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা
দেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়।
হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের
তত্ত্বাবধানে তালাদের ওপর একটি সফল চিকিৎসা পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়, যার মাধ্যমে কাঁধের
স্থানচ্যুত জোড়াটি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হয়েছে। চিকিৎসা শেষে তাঁর শারীরিক
অবস্থা স্থিতিশীল ছিল। পরে তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।
চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী
কিছুদিন বিশ্রামে থাকবেন তালাত। তারপর তিনি পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শুরু করতে জাতীয় ক্রিকেট
একাডেমিতে যোগ দেবেন।
পর্যায়ক্রমে পুনর্বাসন
ও অনুশীলনের মাধ্যমে তালাতকে আবার প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে ফেরানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
সবকিছু ঠিক থাকলে প্রায় তিন মাসের মধ্যেই মাঠে ফিরতে পারেন এই পাকিস্তানি অলরাউন্ডার।
No posts available.
১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৭:১৭ পিএম
১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫:১৫ পিএম

চলমান মৌসুমে ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগ নিয়ে তৈরি হয়েছিল অনিশ্চয়তা। বিসিবির সর্বশেষ নির্বাচনকে অবৈধ আখ্যা দিয়ে মোহামেডানের নেতৃত্বে লিগ বয়কটে ক্রিকেটারদের রুটি-রুজির পথটা বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছিল। বুলবুলের নেতৃত্বাধীন বিসিবির পরিচালনা পরিষদ ভেঙ্গে দিয়ে তামিম ইকবালের নেতৃত্বে ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) গঠন করলে ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগের অচলাবস্থা নিরসন হয়।
তামিমের নেতৃত্বাধীন বিসিবির অ্যাডহক কমিটি দায়িত্ব গ্রহনের ১১ দিনের মাথায় ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগে খেলোয়াড়দের দলবদল আয়োজন করেছে। ক্রিকেটাররা পেয়েছে রুটি-রুজির নিশ্চয়তা। ২০২৫-২৬ মৌসুমের প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগ হবে সিঙ্গল লিগ ভিত্তিতে, থাকছে না রেলিগেশন। বিসিবির এই ঘোষণায় ক্লাবগুলোর বাজেট হয়েছে সংকুচিত। এই লিগে প্রত্যাশিত পেমেন্ট পাচ্ছে না ক্রিকেটাররা। হাতে-গোনা ৪-৫টি ক্লাব ছাড়া বিগ বাজেটের দল গঠনের খবর নেই। সিসিডিএম-এর অনুদান ২৫ লাখ টাকা, জার্সি খরচ ২ লাখ টাকা, প্রতিদিন ট্রান্সপোর্ট অ্যালাউন্স ১৫ হাজার টাকা, আর ম্যাচ ডে-তে সিসিডিএম-এর তরফ থেকে বিনামূল্যে খাবার সরবরাহের নিশ্চয়তা পেয়ে কম বাজেটের দলগুলো মহাখুশি।
গত এক যুগ ধরে ক্রিকেটারদের পেমেন্ট হু হু করে বাড়িয়ে দেয়ার পেছনে ছিলেন লেজেন্ডস অব রূপগঞ্জের সত্বাধিকারী লুৎফর রহমান বাদল। এবার তিনি লিগে অংশগ্রহন থেকে বিরত থাকার ঘোষনা দিয়ে পরবর্তীতে বিসিবির অ্যাডহক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবালের অনুরোধে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেছেন, লিগে অংশগ্রহন করছে তার দল। তবে বিগত বছরগুলোর মতো বড় বাজেটে টিম করার অভিলাস নেই তাঁর। গতবার মোহামেডান-লেজেন্ডস অব রূপগঞ্জের অর্ধেক বাজেটে টিম বানিয়ে লিগের শিরোপা জিতেছে আবাহনী। ঢাকা ক্রিকেট লিগে সর্বাধিক ২৩ বারের চ্যাম্পিয়ন আবাহনী এবারও ভুগছে অর্থ কষ্টে। মাঝারিমানের বাজেটে ক্রিকেট টিম গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করেছে ক্লাবটি। গতবারের মতো এবারও দলটির মূল ভরসা কোচ হান্নান সরকার।
তবে গতবার তামিম, মুশফিক, মাহমুদউল্লাহ, মেহেদী মিরাজ, তাওহিদ হৃদয়, নাসুম, সাইফউদ্দিন, মাহিদুল অঙ্কন, রনি তালুকদার, আবু হায়দার রনি-কে নিয়ে প্রায় ৫ কোটি টাকার টিম বানিয়েও ট্রফি জিততে পারেনি মোহামেডান। ২০০৯-১০ মৌসুমের পর লিগ শিরোপা খরায় থাকা ঐতিহ্যবাহী এই ক্লাবটি এবার ট্রফি পুনরুদ্ধারে বড় বাজেট নিয়ে নেমেছে। যেখানে রেলিগেশন থাকছে না বলে ঝুঁকিহীন লিগে অধিকাংশ ক্রিকেটারদের সম্মানী নেমে এসে এক তৃতীয়াংশে, সেখানে মোহামেডানে সাইন করে অর্ধকোটির কাছাকাছি টাকা নিশ্চিত করেছেন তাওহিদ হৃদয়-রিশাদ হোসেন। নাঈম শেখ, এনামুল হক বিজয়, পারভেজ হোসেন ইমনদের এক এক জনের পেছনেও গুনতে হচ্ছে বড় অঙ্ক। দলবদলের প্রথম দিন ঢাকা লিগের পরীক্ষিত ১১ ক্রিকেটারকে ভিড়িয়ে প্রকারান্তরে ট্রফি জয়ের হুংকার দিয়েছে মোহামেডান।
দলবদলের প্রথম দিন মোহামেডানে যোগ দিয়েছেন যারা : এনামুল হক বিজয় (গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স),পারভেজ হোসেন ইমন (আবাহনী লিমিটেড),ইয়াসির আলি চৌধুরী (ধানমন্ডি স্পোর্টস ক্লাব),মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী (আবাহনী লিমিটেড), নাঈম শেখ (প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব), তাইবুর রহমান পারভেজ (অগ্রণী ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব),রিপন মন্ডল (আবাহনী লিমিটেড),মোহাম্মদ নাঈম শেখ (প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব),তানভির ইসলাম (আবাহনী লিমিটেড), রিশাদ হোসেন (প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব) ও আফিফ হোসেন ধ্রুব (লেজেন্ডস অব রূপগঞ্জ)।

২০২৩ বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ। ওপেনিংয়ে নেমে ৭ চারে ৬৬ রানের ইনিংস খেললেন লিটন কুমার দাস। এরপর থেকে যেন বড় রান করতে ভুলেই গেলেন স্টাইলিশ এই ব্যাটার। গত আড়াই বছরে আর ফিফটির দেখা পাননি অভিজ্ঞ ব্যাটার।
ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ লিটন পাবেন সোমবার। নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডেটি তার জন্য অন্য কারণেও বিশেষ। এই ম্যাচটি লিটনের ক্যারিয়ারের শততম ওয়ানডে। মাইলফলকের ম্যাচে তার ব্যাট থেকে বড় ইনিংসের আশায় থাকবে বাংলাদেশ দল।
লিটনের সাম্প্রতিক ফর্ম অবশ্য একদমই তার পক্ষে নয়। ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচের পর ১৮টি ম্যাচ খেললেও নেই কোনো ফিফটি। এই সময়ে মাত্র ১৮.৪৩ গড়ে তিনি করেছেন ২৯৫ রান। মাঝে ৯ ইনিংসে দুই অঙ্কও ছুঁতে পারেননি।
তবে গত কয়েক ম্যাচে রানে ফেরার আভাস দিয়েছেন লিটন। গত মাসে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের শেষ দুই ম্যাচে তিনি করেছেন ৪১ ও ৪১ রান। ধারাবাহিকতা ধরে রেখে কিউইদের বিপক্ষে তার ব্যাট থেকে এসেছে ৪৬ রান।
টানা তিন ম্যাচে চল্লিশ পেরোলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি লিটন। সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ক্যারিয়ারের শততম ম্যাচে নিশ্চিতভাবেই বড় ইনিংসের আশায় থাকবেন ৩১ বছর বয়সী এই ব্যাটার।
সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত ৯৯ ম্যাচের ৯৮ ইনিংসে ৩০.৩৩ গড় ও ৮৫.৭৬ স্ট্রাইক রেটে ২ হাজার ৭০০ রান করেছেন লিটন। ক্যারিয়ারে এখন পর্যন্ত ১২ ফিফটির সঙ্গে ৫টি সেঞ্চুরি এসেছে তার ব্যাট থেকে।
ওয়ানডেতে বাংলাদেশের হয়ে এখন পর্যন্ত অন্তত ৯৮টি ইনিংস খেলেছেন মোট ১০ জন ব্যাটার। তাদের মধ্যে প্রথম ৯৮ ইনিংসে লিটনের চেয়ে বেশি রান করেছেন শুধু তামিম ইকবাল (৩ সেঞ্চুরিতে ২ হাজার ৮৯৬) ও সাকিব আল হাসান (৫ সেঞ্চুরিতে ২ হাজার ৮৩৪)।

দীর্ঘ অপেক্ষা শেষে জট খোলার পর শনিবার উৎসবমুখর পরিবেশে হয়ে গেল ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগের প্রথম দিনের দলবদল। যেখানে ৭৯ জন ক্রিকেটার খুঁজে নিয়েছেন নিজেদের নতুন ঠিকানা।
মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের সিসিডিএম (ক্রিকেট কমিটি অব ঢাকা মেট্রোপলিস) কার্যালয়ে বেলা ১১টায় শুরু হয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলে দলবদলের প্রক্রিয়া।
প্রথম দিনে বড় চমক ছিলেন মাহমুদউল্লাহ। গত আসরে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবে অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার এবার নাম লিখিয়েছেন প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবে। এছাড়া জাতীয় দলের দুই তারকা তানজিদ হাসান তামিম ও তানজিম হাসান সাকিবকে লেজেন্ডস অব রূপগঞ্জ থেকে নিজেদের দলে টেনে নিয়েছে প্রাইম ব্যাংক।
গত লিগের সর্বোচ্চ তিন রান সংগ্রাহক এনামুল হক বিজয় (গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স থেকে), পারভেজ হোসেন ইমন (আবাহনী থেকে) ও মোহাম্মদ নাঈম শেখকে (প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব থেকে) দলে নিয়েছে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব।
প্রথম দিনের দলবদলে অংশ নিয়েছে মোট ৮টি ক্লাব। এদিন দলবদলে অংশ নেয়নি ব্রাদার্স ইউনিয়ন, লেজেন্ডস অব রূপগঞ্জ, গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স ও রূপগঞ্জ টাইগার্স ক্রিকেট ক্লাব। তবে তাদের সামনে রোববারও দল গোছানোর সুযোগ রয়েছে।
শনিবার সর্বোচ্চ ১৬ জন ক্রিকেটার দলে ভিড়িয়েছে প্রাইম ব্যাংক। গত মৌসুমের বেশিরভাগ ক্রিকেটারকে ছেড়ে দিয়ে নতুন চেহারার দল বানিয়েছে তারা। এছাড়া প্রথম বিভাগ থেকে উঠে আসা ঢাকা লেপার্ডস ও সিটি ক্লাব দলে নিয়েছে ১৫ জন করে ক্রিকেটার।
বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আবাহনী লিমিটেডে নতুন করে যোগ দিয়েছেন ১০ জন ক্রিকেটার। তারকায় ঠাঁসা দল গড়া মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবে এসেছেন ১১ জন।
দেখে নিন প্রথম দিনের ৭৯ ক্রিকেটারের দলবদলের তালিকা (ব্রাকেটে আগের ক্লাব)
আবাহনী লিমিটেড
১/ সৈয়দ খালেদ আহমেদ (প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব)
২/ সাব্বির রহমান (পারটেক্স স্পোর্টিং ক্লাব)
৩/ জাকের আলী অনিক (লেজেন্ডস অব রূপগঞ্জ)
৪/ মারুফ মৃধা (ধানমন্ডি স্পোর্টস ক্লাব)
৫/ অনিক সরকার সেতু (শাইনপুকুর ক্রিকেট ক্লাব)
৬/ রোহানাত দৌল্লাহ বর্ষণ (রূপগঞ্জ টাইগার্স ক্রিকেট ক্লাব)
৭/ সাব্বির হোসেন (প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব)
৮/ মাহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া অঙ্কন (মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব লিমিটেড)
৯/ ইকবাল হোসেন ইমন (মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব লিমিটেড)
১০/ সৌম্য সরকার (লেজেন্ডস অব রূপগঞ্জ)
অগ্রণী ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব
১১/ তৌফিক খান তুষার (মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব লিমিটেড)
১২/ তোফায়েল আহমেদ (গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স)
১৩/ আশরাফুল হাসান (ঢাকা লেপার্ডস)
১৪/ নাসির হোসেন (রূপগঞ্জ টাইগার্স ক্রিকেট ক্লাব)
১৫/ মাহফিজুল ইসলাম রবিন (ব্রাদার্স ইউনিয়ন লিমিটেড)
বসুন্ধরা স্ট্রাইকার্স ধানমন্ডি
১৬/ মোহাম্মদ আল আমিন (রূপগঞ্জ টাইগার্স ক্রিকেট ক্লাব)
১৭/ রুয়েল মিয়া (অগ্রণী ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব)
১৮/ ইফরান হোসেন (প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব)
১৯/ নাহিদুল ইসলাম (আবাহনী লিমিটেড)
সিটি ক্লাব
২০/ শাকিল হোসেন (গুলশান ক্রিকেট ক্লাব)
২১/ আহরার আমিন পিয়ান (পারটেক্স স্পোর্টিং ক্লাব)
২২/ গাজী মোহাম্মদ তাহজিবুল ইসলাম (গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স)
২৩/ জিল্লুর রহমান বিজয় (ব্লুজ ক্রিকেটার্স)
২৪/ মিজানুর রহমান (ব্রাদার্স ইউনিয়ন)
২৫/ মো. ফাহিম হাসান (প্রাইম দোলেশ্বর স্পোর্টিং ক্লাব)
২৬/ নিহাদ উজ জামান (গুলশান ক্রিকেট ক্লাব)
২৭/ এনামুল হক আশিক (রূপগঞ্জ টাইগার্স ক্রিকেট ক্লাব)
২৮/ সাজ্জাদুল হক রিপন (প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব)
২৯/ মেহেদী মারুফ (লেজেন্ডস অব রূপগঞ্জ)
৩০/ এনামুল হক (ধানমন্ডি স্পোর্টস ক্লাব)
৩১/ সাদিকুর রহমান (গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স)
৩২/ তৌফিক আহমেদ (পারটেক্স স্পোর্টিং ক্লাব)
৩৩/ আবদুল্লাহ আল মামুন (প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব)
৩৪/ আব্দুল গাফফার সাকলাইন (গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স)
ঢাকা লেপার্ডস
৩৫/ সৈকত আলি
৩৬/ মাহাদী হাসান (অগ্রণী ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব)
৩৭/ শেখ পারভেজ জীবন (গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স)
৩৮/ ইফতেখার হোসেন ইফতি (গুলশান ক্রিকেট ক্লাব)
৩৯/ মইন খান (ধানমন্ডি স্পোর্টস ক্লাব)
৪০/ মোহাম্মদ মিঠুন (আবাহনী লিমিটেড)
৪১/ আল ফাহাদ (শাইনপুকুর ক্রিকেট ক্লাব)
৪২/ ওয়াসি সিদ্দিকি (গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স)
৪৩/ দেবাশিষ সরকার (গাজী টায়ার্স ক্রিকেট একাডেমি)
৪৪/ মুমিনুল হক সৌরভ (আবাহনী লিমিটেড)
৪৫/ জাকির হাসান (প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব)
৪৬/ হাসান মুরাদ (ধানমন্ডি স্পোর্টস ক্লাব)
৪৭/ জাওয়াদ আবরার (গুলশান ক্রিকেট ক্লাব)
৪৮/ আলাউদ্দিন বাবু (পারটেক্স স্পোর্টিং ক্লাব)
৪৯/ আরাফাত সানি (প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব)
গুলশান ক্রিকেট ক্লাব
৫০/ বিশাল চৌধুরী (ব্রাদার্স ইউনিয়ন)
৫১/ তানভীর হোসেন (পারটেক্স স্পোর্টিং ক্লাব)
৫২/ কে. এম. আতিকুর রহমান (শেখ জামাল ক্রিকেটার্স)
মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব
৫৩/ এনামুল হক বিজয় (গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স)
৫৪/ পারভেজ হোসেন ইমন (আবাহনী লিমিটেড)
৫৫/ ইয়াসির আলি চৌধুরি (ধানমন্ডি স্পোর্টস ক্লাব)
৫৬/ মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরি (আবাহনী লিমিটেড)
৫৭/ নাঈম আহমেদ (প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব)
৫৮/ তাইবুর রহমান পারভেজ (অগ্রণী ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব)
৫৯/ রিপন মন্ডল (আবাহনী লিমিটেড)
৬০/ মোহাম্মদ নাঈম শেখ (প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব)
৬১/ তানভির ইসলাম (আবাহনী লিমিটেড)
৬২/ রিশাদ হোসেন (প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব)
৬৩/ আফিফ হোসেন ধ্রুব (লেজেন্ডস অব রূপগঞ্জ)
প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাব
৬৪/ আবু হাশিম (গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স)
৬৫/ মাহমুদউল্লাহ (মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব)
৬৬/ আলিস আল ইসলাম (লেজেন্ডস অব রূপগঞ্জ)
৬৭/ রায়ান রাফসান রহমান (শাইনপুকুর ক্রিকেট ক্লাব)
৬৮/ হাবিবুর শেখ মুন্না (গুলশান ক্রিকেট ক্লাব)
৬৯/ আজিজুল হাকিম তামিম (গুলশান ক্রিকেট ক্লাব)
৭০/ খালিদ হাসান (গুলশান ক্রিকেট ক্লাব)
৭১/ আকবর আলি (লেজেন্ডস অব রূপগঞ্জ)
৭২/ শামিম মিয়া (গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স)
৭৩/ আবু হায়দার রনি (মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব)
৭৪/ এনামুল হক (আবাহনী লিমিটেড)
৭৫/ মেহেদী হাসান (গুলশান ক্রিকেট ক্লাব)
৭৬/ রিজান হোসেন (গাজী টায়ার্স ক্রিকেট একাডেমি)
৭৭/ ইকবাল হোসেন (খেলাঘর সমাজ কল্যাণ সমিতি)
৭৮/ তানজিদ হাসান তামিম (লেজেন্ডস অব রূপগঞ্জ)
৭৯/ তানজিম হাসান সাকিব (লেজেন্ডস অব রূপগঞ্জ)

শিরোপা ধরে রাখার অভিযানে এখন পর্যন্ত দারুণ ছন্দে রয়েছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। এরই মধ্যে তারা গড়েছে নতুন এক ইতিহাস। আইপিএলের ইতিহাসে প্রথম দল হিসেবে নিজেদের ঘরের মাঠে তারা খেলেছে একশটি ম্যাচ।
চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে শনিবার বিকেলের ম্যাচে দিল্লি ক্যাপিটালসের মুখোমুখি হয়েছে বিরাট কোহলির বেঙ্গালুরু। এই মাঠে এটি তাদের একশতম ম্যাচ। আইপিএলের আর কোনো দল নিজেদের ঘরের মাঠ বা নির্দিষ্ট কোনো মাঠে শত ম্যাচ খেলেনি।
২০০৮ সালে ঠিক আজকের তারিখেই যাত্রা শুরু করেছিল ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল)। সেদিন নিজেদের ঘরের মাঠে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে খেলেছিল বেঙ্গালুরু। ঠিক ১৮ বছর পর এবার তারাই গড়ল টুর্নামেন্টের নতুন ইতিহাস।
আইপিএলে এক মাঠে সর্বোচ্চ ম্যাচের তালিকায় পরের নামটি কলকাতারই। এখন পর্যন্ত ইডেন গার্ডেন্সে মোট ৯৮টি ম্যাচ খেলেছে তিনবারের চ্যাম্পিয়নরা। আর পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স তাদের ঘরের মাঠে ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে খেলেছে ৯৫ ম্যাচ।
এছাড়া দিল্লির অরুন জেটলি স্টেডিয়ামে দিল্লি ক্যাপিটালস ৮৯টি, চেন্নাইয়ের এমএ চিদম্বরম স্টেডিয়ামে ৮০টি ম্যাচ খেলেছে চেন্নাই সুপার কিংস।
এক মাঠে সর্বোচ্চ ম্যাচ জয়ের রেকর্ড মুম্বাইয়ের। ওয়াংখেড়েতে ৯৫ ম্যাচের ৫৭টি জিতেছে তারা। এর বাইরে ইডে গার্ডেন্সে কলকাতা নাইট রাইডার্স জিতেছে ৫৪ ম্যাচ। আর চেন্নাই নিজেদের ঘরের মাঠে জিতেছে ৫৩ ম্যাচ।
আর সব মিলিয়ে আইপিএল ইতিহাসে সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলার রেকর্ডও মুম্বাইয়ের। এখন পর্যন্ত ২৮২ ম্যাচ খেলেছে তারা। এছাড়া বেঙ্গালুরু ২৭৭ ম্যাচ নিয়ে আছে দুই নম্বরে। কলকাতা ও দিল্লি খেলেছে ২৭১টি করে ম্যাচ।

আওয়ামী
লীগ সরকারের বিদায়ের পর কেটে গেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারেরও অধ্যায়। এখন চলছে বিএনপি
সরকারের সময়। গত কয়েক বছরের মধ্যে ভিন্ন তিন সরকারের দেখা মিললেও, সে অর্থে দৃশ্যমান
কোনো কাজ হয়নি পূর্বাচলের ন্যাশনাল ক্রিকেট স্টেডিয়ামের।
পূর্বাচল
স্টেডিয়ামের কাজের স্থবিরতা আর দীর্ঘায়িত হতে দিতে চান না বর্তমান সরকারের যুব ও ক্রীড়া
প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। সব নাটকীয়তার অবসান ঘটিয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে পূর্বাচল স্টেডিয়ামের
কাজ শুরুর আশ্বাস দিয়েছেন জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক এই অধিনায়ক।
বৈশাখের
তপ্ত রোদের মাঝেই শনিবার দুপুরে পূর্বাচল স্টেডিয়ামের বর্তমান অবস্থান পরিদর্শনে যান
আমিনুল। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের বর্তমান সভাপতি তামিম ইকবাল,
গ্রাউন্ডস কমিটির চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বাবু ও বিসিবির টেন্ডার-পারচেজ কমিটির প্রধান
সৈয়দ ইব্রাহিম আহমেদ।
পরিদর্শন
শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ২০৩১ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপকে লক্ষ্য বানিয়ে দ্রুত
কাজ শুরুর বার্তা দেন আমিনুল।
“পূর্বাচলের ক্রিকেট স্টেডিয়ামের জন্য যে বরাদ্দকৃত যে মাঠটি, এখানে তো ক্রিকেট স্টেডিয়াম হবেই ইনশাআল্লাহ। পাশাপাশি এখানে আমাদের বিভিন্ন স্পোর্টসের মাল্টিপারপাস কিছু বিষয় সার্ভ করার জন্য আমাদের একটি পরিকল্পনা রয়েছে।”
“আমাদের ২০২৭ সালে এশিয়া কাপ রয়েছে ও ২০৩১ সালে সহ-আয়োজক হিসেবে বিশ্বকাপ ক্রিকেট রয়েছে। সেই চিন্তাভাবনা করে আমরা আশা করছি যে, প্রাথমিক ধাপে ক্রিকেট বোর্ড নিজেরাই এই কার্যক্রম শুরু করবে।”
পূর্বাচলে
স্টেডিয়াম বানানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে প্রায় ৫ বছর আগে। সরকার বদলের পাশাপাশি নানা
কারণে তেমন কোনো অগ্রগতি হয়নি এই স্টেডিয়ামের নির্মাণ কাজের। আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ই
সিদ্ধান্ত হয়েছিল, ক্রিকেটের পাশাপাশি আরও ৫টি ফেডারেশনকে জায়গা দেওয়া হবে পূর্বাচলে।
সেই
পরিকল্পনা বহাল রেখেই বাকি সব নাটকের অবসান
ঘটিয়ে দ্রুত স্টেডিয়াম ও অন্যান্য খেলাধুলার জন্য প্রয়োজনীয় স্পোর্টস সেন্টার তৈরির
তাগিদ দিলেন বর্তমান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।
“পাশাপাশি সরকারের পক্ষ থেকে যা যা করণীয় আছে, পরিকল্পনামাফিক সুন্দরভাবে আমরা এগোতে চাই। এটি নিয়ে যাতে আর কোনো নাটক তৈরি না হয় এবং সকল নাটকের অবসান শেষে আমরা এই পূর্বাচলে একটি ক্রিকেট স্টেডিয়াম পাশাপাশি মাল্টিপারপাস বিভিন্ন স্পোর্টসের যে সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য যা যা করণীয় আছে আমরা এটা আনুষ্ঠানিকভাবে সরকার পক্ষ থেকেই সেই পদক্ষেপগুলো আমরা খুব দ্রুত সময়ের ভিতরে নেব ইনশাআল্লাহ।”
ক্রিকেটের
বাইরে কোন ৫টি ফেডারেশনকে পূর্বাচলে
জায়গা দেওয়া হবে তা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি। তবে জানা গেছে, জুডো, কারাতে, উশু, স্নুকার ও ভারোত্তোলন ফেডারেশনের
জন্যও জায়গা থাকবে পূর্বাচলে।
সব
মিলিয়েই জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিসিবি সভাপতি। অন্য
সব ফেডারেশনের চেয়ে তুলনামূলক ধনী হওয়ায়, নিজেদের দায়িত্বের অংশ হিসেবেই পাঁচটি খেলাকে
পূর্বাচলে জায়গা দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা দেখছেন তামিম।
“আমরা পুরো ডিজাইনটা মাননীয় মন্ত্রীকে প্রেজেন্ট করেছি। এখানে কিছু পরিবর্তন জরুরি। এমন না যে শুধু বদলানোর জন্য বদলাবো। কিছু পরিবর্তন জরুরি। এখানে আমাদের চেষ্টা থাকবে কিছু কিছু খেলাকে যদি একসঙ্গে জায়গা করে নিতে পারি, আমাদের সামগ্রিক খেলাধুলার জন্য ভালো হবে।”
“ক্রিকেট বোর্ডের আর্থিক অবস্থান হয়তো অন্য অনেক ফেডারেশনের চেয়ে ভালো। আমাদেরও একটা দায়িত্বের মধ্যে পড়ে অন্য খেলার দিকে খেয়াল রাখার। এই জিনিসটা আমাদের মাননীয় মন্ত্রী খুব সুন্দর করে প্রেজেন্ট করে বলেছেন, কোন কোন খেলাকে ফ্যাসিলিটিসের মধ্যে আনতে পারলে আমাদের ক্রীড়াঙ্গনের জন্য ভালো হবে।”
গত
কয়েক বছর ধরে পূর্বাচল স্টেডিয়ামের কাজ বারবার শুধু পরিদর্শন আর পরিকল্পনায় আটকে থাকায়
এখন কাজ শুরুর দিকে বাড়তি জোর দিতে চান তামিম।
“এখানে সরকারের অনেক বড় বিনিয়োগের দরকার হবে যদি আমরা একটা বড় স্টেডিয়াম করতে চাই। তো আমরা একসঙ্গে মিলে খুবই দ্রুত যা যা পরিবর্তন দরকার, ওগুলা করে নেব। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জিনিস হলো কাজটা শুরু হওয়া। সেটারই চেষ্টা করছি আমরা।”