২৮ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:৪৪ পিএম

শুরুর ধাক্কা সামলে দারুণ জুটি গড়লেন জুয়াইরিয়া ফেরদৌস জয়িতা ও সোবহানা মোস্তারি। দুজনই পেলেন ফিফটির দেখা। বাংলাদেশ পেয়ে গেল বড় পুঁজি। পরে বোলারদের নৈপুণ্যে অনায়াস জয় পেল বাংলাদেশের মেয়েরা।
নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে সুপার সিক্সে নিজেদের প্রথম ম্যাচে থাইল্যান্ডকে ৩৯ রানে হারাল বাংলাদেশ। বুধবার সকালে আগে ব্যাট করে ১৬৫ রানের পুঁজি দাঁড় করায় তারা। জবাবে ১২৬ রানের বেশি করতে পারেনি থাইল্যান্ড।
প্রথম রাউন্ড থেকে নিয়ে আসা ৪ পয়েন্টসহ মোট ৬ পয়েন্ট নিয়ে মূল পর্বের টিকেট পাওয়ার পথে অনেকটা এগিয়ে গেল নিগার সুলতানা জ্যোতির দল।
টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ১২ রানে ২ উইকেট হারিয়ে ফেলে বাংলাদেশ। পরে ৮২ বলে ১১০ রানের জুটি গড়েন জুয়াইরিয়া ও সোবহানা। ৩ চার ও ৪ ছক্কায় ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটিতে ৪৫ বলে ৫৬ রান করেন জুয়াইরিয়া।
চার নম্বরে নামা সোবহানার ব্যাট থেকে আসে ৫৯ রান। ৪২ বলে ৯ চার ও ১ ছক্কার ইনিংস খেলে তিনিই জেতেন ম্যাচ সেরার পুরস্কার।
শেষ দিকে ১৫ রানের ক্যামিও খেলে দলকে দেড়শ পার করান অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার রিতু মনি।
থাইল্যান্ডের পক্ষে ২২ রানে ৩ উইকেট নেন থিপাচা পুথাওং।
রান তাড়ায় কখনও তেমন সম্ভাবনা জাগাতে পারেনি থাই মেয়েরা। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪৬ রানের ইনিংস খেলেন নাত্থাকান চান্থাম। এছাড়া নারুমল চাওয়াই ৩০ ও নানাপাট করেন ২৯ রান।
২৫ রান খরচ করে ৩ উইকেট নেন মারুফা আক্তার। রিতু ২০ রানে নেন ২ উইকেট।
শুক্রবার সকালে পরের ম্যাচে স্কটল্যান্ডের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
বাংলাদেশ: ২০ ওভারে ১৬৫/৮ (দিলারা ০, জুয়াইরিয়া ৫৬, সুপ্তা ১১, সোবহানা ৫৯, স্বর্ণা ৪, জ্যোতি ৬, রাবেয়া ৫, রিতু ১৫, ফাহিমা ১*; মায়া ৩-০-৩৩-১, পুথাওং ৪-০-২২-৩, সুনিদা ৪-০-৩১-০, কামচম্ফু ৪-০-২৯-২, লাওমি ৪-০-৩৭-০, ছায়ানিসা ১-০-১৩-০)
থাইল্যান্ড: ২০ ওভারে ১২৬/৮ (সুয়ানান ০, চান্থাম ৪৬, নানাপাট ২৯, চাওয়াই ৩০, চানিদা ১, লাওমি ৭, মায়া ২, কামচম্ফু ২, সুনিদা ১*; মারুফা ৪-০-২৫-৩, নাহিদা ৩-০-২৭-০, রাবেয়া ২-০-১৫-০, রিতু ৪-০-২০-২, ফাহিমা ৩-০-১৮-১, স্বর্ণা ৪-০-২১-২)
ফল: বাংলাদেশ ৩৯ রানে জয়ী
No posts available.
২ এপ্রিল ২০২৬, ৬:১০ পিএম

উইকেট না পেলেও নিজের প্রথম দুই ওভার দারুণই করলেন রিশাদ হোসেন। দলকে প্রায়ই ব্রেকথ্রু এনে দেওয়া বাংলাদেশি লেগ স্পিনার পরের দুই ওভারেও উইকেট পেলেন না, উল্টো অনেক বেশি রানই হজম করতে হলো তাকে। রিশাদের খরুচে দিনে হেরেছে তাঁর দল রাওয়ালপিন্ডিজও।
পিএসএল আজ কিংসের কাছে ৫ উইকেটে হেরেছে রিশাদ হোসেনদের রাওয়ালপিন্ডিজ। ৪ ওভারে ৩৮ রান খরচায় উইকেটের দেখা পাননি রিশাদ। এই নিয়ে টানা দ্বিতীয় ম্যাচে হারলো রাওয়ালপিন্ডিজ।
লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নামা রাওয়ালপিন্ডিজ ৬ উইকেটে ১৯৭ রান করে। ফিফটি করেন ড্যারিল মিচেল ও স্যাম বিলিংস। রান তাড়ায় পাঁচ উইকেট ও ৪ বল হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে করাচি। ডেভিড ওয়ার্নারের ফিফটির সঙ্গে আজম খানের ৩৪ বলে ৭৪ রানের বিধ্বংসী ইনিংসে হেসেখেলেই জয় তুলে নেয় করাচি।
ডেভিড ওয়ার্নার এবং মোহাম্মদ ওয়াসিমের ওপেনিং জুটিতে ২৭ রান তোলে করাচি কিংস। ১১ বলে ২৩ রান করে সাজঘরে ফিরে যান ওয়াসিম। তিনে নামা সালমান আলী আগার ব্যাট থেকে আসে ২৪ বলে ২৯।
তৃতীয় উইকেটে ওয়ার্নার-আজম খানের জুটিতেই মূলত ম্যাচ জয়ের ভিত পেয়ে যায় করাচি। তাদের ৪১ বলে ৭৬ রানের জুটিতে ছেদ ঘটে ৩৬ বলে ফিফটি করা ওয়ার্নার আউট হলে। এরপর বাকি কাজ আজম খান একাই করেন।
রিশাদ বোলিংয়ে আসেন দলীয় ৮ম ওভারে। ওই ওভারে কোনো বাউন্ডারি হজম না করে ৬ রান দেন তিনি। পরের ওভারে একটি প্রথম বলেই চার মারেন ওয়ার্নার। তবে ওভারের শেষ তিন বল ডট দিয়ে সেটা উশুল করেন রিশাদ।
তৃতীয় ওভারের রিশাদ খরচ করেন ১০ রান। শেষ ওভারে লাইন-লেংথ হারিয়ে ১৪ রান হজম করেন তিনি। চতুর্থ ডেলিভারিতে লং অন দিয়ে তাকে ছক্কা হাঁকান আজম, আর শেষ বলে চার মারেন ওয়ার্নার।
রিশাদের গড়পড়তার দিনে রাওয়াপিন্ডিজের সব বোলারই ছিলেন খরুচে। ৩.২ ওভারে ৩২ রান দিয়ে তিন উইকেট নেওয়া ড্যারিল মিচেল ছিলেন সবচেয়ে সফল। ১ উইকেট শিকার মোহাম্মদ আমির ও নাসিম শাহের।
এর আগে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নামা রাওয়ালপিন্ডিজ ৫৫ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর হাল ধরেন মিচেল ও বিলিংস। ৫ চার ও ৩ ছক্কা ৪১ বলে ৬৫ করেন মিচেল। চতুর্থ উইকেটে কিউই ব্যাটারের সঙ্গে ১২০ রানের জুটি গড়া বিলিংস ৮ চার ১ ছয়ে করেন ৩৫ বলে ৫৮।

জাতীয় দলে নতুন দুই কোচ নিয়োগ দিলো শ্রীলঙ্কা। রায়ান ফন নিইকার্ককে বোলিং এবং জর্ডান গ্রেগরিকে ফিল্ডিং ও স্পিন কোচ হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট (এসএলসি। বৃহস্পতিবার এক আনুষ্ঠানিক ঘোষণায় এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
রায়ান ফন নিইকার্ক এর আগে ২০২৩ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত নেদারল্যান্ডস জাতীয় দলের বোলিং কোচ এবং অন্তর্বর্তীকালীন প্রধান কোচ ছিলেন। তার কোচিংয়ে ডাচদের পারফরম্যান্সে ছিল দারুণ। নিইকার্ক দায়িত্বথাকালীন তিনটি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করে নেদারল্যান্ডস। শ্রীলঙ্কায় জাতীয় দলের সব বিভাগের ফাস্ট বোলিং কার্যক্রম তদারকি করবেন তিনি।
জর্ডান গ্রেগরিকে জাতীয় ফিল্ডিং ও স্পিন বোলিং কোচ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর আগে তিনি নেদারল্যান্ডস ক্রিকেট দলের ফিল্ডিং কনসালট্যান্ট হিসেবে কাজ করেছেন এবং দলটির বেশ কিছু দ্বিপাক্ষিক ও বৈশ্বিক টুর্নামেন্টে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
আগামী ১৫ এপ্রিল থেকে এই দুই কোচ তাদের দায়িত্ব গ্রহণ করবেন বলে জানিয়েছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড।

মোস্তাফিজুর রহমান ইস্যুতে অবশেষে নীরবতা ভাঙলেন ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) চেয়ারম্যান অরুণ ধুমাল। কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) থেকে বাংলাদেশি পেসারের বাদ পড়ার তিন মাস পর মুখ খুললেন তিনি।
গত বছরের ডিসেম্বর ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে মোস্তাফিজকে দলে ভিড়ায় কেকেআর। তবে ভারত ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) নির্দেশনায় তাকে ছেড়ে দেয় কলকাতার ফ্র্যাঞ্চাইজি। বিষয়টিকে দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছেন ধুমাল।
বৃহস্পতিবার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ফিনান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ধুমাল বলেন,
“আমি শুধু এটুকুই বলব, এটি দুঃখজনক। এর বাইরে আমার খুব বেশি ধারণা নেই।”
ধুমাল আরও বলেন,
“এটি দুঃখজনক। কখনও কখনও বিষয়গুলো এইভাবেই ঘটে। ক্রিকেটের দৈনন্দিন কার্যক্রমে সরকারের কোনো হস্তক্ষেপ থাকা প্রয়োজন বলে আমি মনে করি না। সাধারণভাবে সরকার ক্রিকেটকে সমর্থন করে। তবে হ্যাঁ, মাঝে মাঝে আমাদের চারপাশে কিছু ঘটনা ঘটে এবং তার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আমি নিশ্চিত, ভবিষ্যতে স্বাভাবিক যুক্তি ও বিবেচনা কাজ করবে এবং এরকম পরিস্থিতি আর হবে না।”
বিসিসিআইয়ের সিদ্ধান্তের পরই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড প্রতিবাদ জানায়। ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বয়কট করে বিসিবি। নিরাপত্তা বিষয়টি সামনে এনে তখন বলা হয়েছিল, বাংলাদেশ দল অংশগ্রহণ করবে তখনই, যদি ম্যাচগুলো ভারতের বাইরে চলে যায়।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের অনুরোধ প্রত্যাখান করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের নিয়ন্তা সংস্থা। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের জায়গায় স্কটল্যান্ডকে স্থলাভিষিক্ত করা হয়।
বর্তমানে পাকিস্তান সুপার লিগে খেলছেন খেলছেন মোস্তাফিজ। ৬.৪৪ কোটি রুপিতে লাহোর কালান্দার্সে যোগ দেন তিনি। এখন পর্যন্ত পিএসএলে দুটি ম্যাচ খেলেছেন বাংলাদেশের বাঁ-হাতি পেসার। নিয়েছেন দুটি উইকেট। সঙ্গে দুর্দান্ত ইকোনমি রেট ৪.৮৭।

আইপিএলে খেলার জন্য ‘নো অবজেকশন সার্টিফিকেট’ (এনওসি) না দেওয়ায় শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন দলটির পেসার নুয়ান থুশারা। এনওসি না মেলায় কলম্বো জেলা আদালতে মামলা করেছেন তিনি।
এবারের আইপিএলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুতে খেলার কথা ছিল থুশারার। তবে ফিটনেস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে না পারায় বোর্ড তাঁকে ছাড়পত্র দিতে অস্বীকৃতি জানায়। বোর্ডের এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে আইপিএলে খেলার সুযোগ পেতে আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন এই পেসার।
থুশারার অভিযোগ, গত দুই আইপিএল মৌসুমে একই ধরনের ফিটনেস থাকা সত্ত্বেও তাকে এনওসি দেওয়া হয়েছিল। অথচ এবার তাকে জানিয়ে দেওয়া হয়, জাতীয় দলে বিবেচনায় রাখা হবে না, তারপরও একই ফিটনেসের অজুহাতে এনওসি আটকে দেওয়া হয়েছে।
মামলায় শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের প্রেসিডেন্ট শাম্মি সিলভা, সচিব বান্দুলা দিসানায়েকে, কোষাধ্যক্ষ সুজিওয়া গোডালিয়াড্ডা এবং সিইও অ্যাশলে ডি সিলভাকে বিবাদী করেছেন থুশারা। কলম্বো জেলা আদালতে গত বৃহস্পতিবার বিষয়টি উত্থাপিত হওয়ার পর ৯ এপ্রিল শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।
শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট (এসএলসি) জানিয়েছে, বাধ্যতামূলক ফিটনেস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে না পারায় থুশারাকে এনওসি দেওয়া হয়নি। পাঁচটি মানদণ্ডে সর্বোচ্চ ২৯ পয়েন্টের মধ্যে তিনি পেয়েছেন মাত্র ১৭। বোর্ডের অবস্থান স্পষ্ট—বিদেশি লিগে খেলতে হলে এই ফিটনেস পরীক্ষা পাস করাই বাধ্যতামূলক।
তবে থুশারা এই সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করেছেন। তার দাবি, ক্যারিয়ারজুড়েই তার ফিটনেস একই রকম রয়েছে। ২০২৪ ও ২০২৫ আইপিএল মৌসুমে কোনো ফিটনেস ইস্যু না তুলেই তাকে এনওসি দেওয়া হয়েছিল।
তিনি আরও জানান, ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ তার এসএলসি চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়েছে এবং তিনি সেটি নবায়ন না করার সিদ্ধান্ত আগেই বোর্ডকে জানিয়েছিলেন। পাশাপাশি, এসএলসির কর্মকর্তারা তাকে জানিয়ে দেন যে ভবিষ্যতে জাতীয় দলে তার জায়গা নেই—এমন অবস্থায় ফিটনেসের অজুহাতে এনওসি না দেওয়া তার কাছে পরস্পরবিরোধী বলে মনে হচ্ছে।
থুশারা আদালতের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন, যেন তাকে এনওসি পাওয়ার অধিকারী ঘোষণা করা হয়। পাশাপাশি তিনি অন্তর্বর্তীকালীন ও স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদনও করেছেন, যাতে এসএলসি-কে অবিলম্বে সনদটি দিতে নির্দেশ দেওয়া হয় যাতে চলতি মৌসুমে বেঙ্গালুরুতে যোগ দিতে পারেন তিনি।
থুশারার জন্য এই পরিস্থিতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এনওসি না পেলে আরসিবি বাধ্য হবে ৩১ বছর বয়সী এই পেসারকে স্কোয়াড থেকে বাদ দিয়ে বিকল্প খেলোয়াড় নিতে। ফলে তিনি শুধু চলতি আইপিএলের পারিশ্রমিকই হারাবেন না, ভবিষ্যতে বৈশ্বিক টি-টোয়েন্টি লিগগুলোর সুযোগও হাতছাড়া হতে পারে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে সরে দাঁড়ানোর পর আইপিএলই এখন তার আয়ের প্রধান উৎস।
আইপিএলে থুশারা এখন পর্যন্ত দুটি দলের হয়ে খেলেছেন। প্রথমে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে ২০২৪ মৌসুমে ৭ ম্যাচে ৮ উইকেট নিয়েছিলেন। আর আরসিবির হয়ে এখন পর্যন্ত খেলেছেন মাত্র একটি ম্যাচ। গত মৌসুমে—যেখানে তিনি নিয়েছেন ১ উইকেট।

জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটের জন্য বড় সংবাদই বটে। এক যুগ পর তাদের মাটিতে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলতে যাবে অষ্ট্রেলিয়া। সর্বশেষ ২০১৪ সালে ত্রিদেশীয় সিরিজে অংশ নিতে জিম্বাবুয়ে সফর করেছিল অজিরা।
তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের সবকটি হবে হারারে স্পোর্টস ক্লাবে। সিরিজের প্রথম ম্যাচটি হবে ১৫ সেপ্টেম্বর, এরপর ১৮ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় ও ২০ সেপ্টেম্বর হবে শেষ ওয়ানডে।
২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপ যৌথভাবে আয়োজন করবে জিম্বাবুয়ে, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং নামিবিয়া। ঘরের মাঠে মেগা ইভেন্টের প্রস্তুতি হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে এই সিরিজটি স্বাগতিকদের জন্য বড় পরীক্ষা।
অস্ট্রেলিয়া সফর নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক গিভমোর মাকোনি বলেন,
‘আমরা অস্ট্রেলিয়াকে আবারও জিম্বাবুয়েতে স্বাগত জানাতে পেরে আনন্দিত। এই ধরনের বড় দলের বিপক্ষে খেলা আমাদের দলের উন্নতির জন্য অপরিহার্য। ২০২৭ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে নিজেদের প্রস্তুত করার ক্ষেত্রে এই সফরটি অমূল্য ভূমিকা রাখবে।’
এই সিরিজের আগে জুলাইয়ে ঘরের মাঠে ভারতকে স্বাগত জানাবে জিম্বাবুয়ে। সেই সিরিজে ৩ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে দুই দল।