১২ মার্চ ২০২৬, ৮:০৬ পিএম

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কায় এক নারীর সঙ্গে অসাদাচরণের অভিযোগ ওঠে সালমান মির্জার বিরুদ্ধে। তবে পাকিস্তানি এই পেসার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং তার বিরুদ্ধে প্রচারিত ওই প্রতিবেদনকে ‘মিথ্যা ও মানহানিকর’ বলে অভিযোগ করে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, সালমান মির্জার আচরণে অসন্তুষ্ট হয়ে হোটেল কর্তৃপক্ষ নাকি টিম ম্যানেজমেন্টের কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগও দায়ের করেছিল। এছাড়া সেখানে আরও দাবি করা হয়, আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) তাকে জরিমানাও করেছিল। তবে এসব অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন মির্জা এবং এ কারণেই সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন।
সালমান মির্জার পাঠানো আইনি নোটিশে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে বলা হয়, পিসিবি তাদের অফিসিয়াল এক্স অ্যাকাউন্টে প্রকাশ্যে এই অভিযোগগুলো অস্বীকার করেছে এবং প্রতিবেদনে দেওয়া তথ্যকে বিদ্বেষপূর্ণ, মনগড়া ও সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উল্লেখ করেছে।
নোটিশে আরও বলা হয়েছে, এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি, মির্জার ওপর কোনো জরিমানাও আরোপ করা হয়নি। যাচাই-বাছাই ছাড়াই খবরটি প্রকাশ করায় মির্জা, পিসিবি এবং পুরো পাকিস্তান ক্রিকেট দলের সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে।
এছাড়া ওই প্রতিবেদনে বাঁহাতি এই পেসারকে অসম্মানজনক ও অপেশাদার হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে, যা জনসাধারণ ও ক্রিকেট মহলের চোখে তার মর্যাদা কমিয়ে দিয়েছে।
নোটিশে আরও দাবি করা হয়, সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যম ও প্রতিবেদক তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন। যথাযথ যাচাই ছাড়া বিদ্বেষপূর্ণ উদ্দেশ্যে তথ্য প্রকাশ করে তারা পেশাদার সাংবাদিকতার নীতিমালা লঙ্ঘন করেছেন।
১৭টি টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে পাকিস্তানের প্রতিনিধিত্ব করা মির্জা নিজের ব্যক্তিগত ও পেশাগত সুনাম রক্ষার জন্য আইনি প্রতিকার চাইছেন।
সালমান মির্জা দৃঢ়ভাবে অভিযোগগুলো অস্বীকার করেন এবং প্রকাশ্যে প্রতিবেদনটির সমালোচনা করেছেন। পাকিস্তানি ফাস্ট বোলারের ভাষায় এটি দায়িত্বহীন কাজ যে যাচাই না করা তথ্য প্রচার করা। সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে তিনি লিখেছেন,
‘মিডিয়ায় একটি অবাস্তব খবর প্রচারিত হচ্ছে এবং আমি এই ধরনের সস্তা সাংবাদিকতা দৃঢ়ভাবে নিন্দা জানাচ্ছি। কোনো মিডিয়া হাউস যাচাই না করা কোনো খবর সম্প্রচার করতে পারবে না।’
পিসিবিও অভিযোগগুলো প্রত্যাখ্যান করেছে এবং খেলোয়াড়ের পাশে দাঁড়িয়েছে। বোর্ড সাংবাদিকের কাছ থেকে একটি প্রকাশ্য ক্ষমা দাবি করেছে এবং সতর্ক করেছে যে, বিষয়টি সমাধান না হলে তারা ব্যবস্থা নেবে।
No posts available.
১২ মার্চ ২০২৬, ৫:২৪ পিএম

বিবিসি স্পোর্টসের সংবাদে শঙ্কা তৈরি হয়েছিল বৈকি। যুক্তরাজ্য ভিত্তিক ব্রডকাস্টিং প্রতিষ্ঠানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দ্য হানড্রেডে পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের প্রতি অনাস্থা প্রকাশ করেছে টুর্নামেন্টে আইপিএল সংশ্লিষ্ট ফ্রাঞ্চাইজিগুলো। সেটিই হওয়ার পথে।
বৃহস্পতিবার যুক্তরাজ্যের রাজধানী পিকিডিলি লাইটে বাংলাদেশ সময় বিকাল চারটা থেকে শুরু হওয়া নিলামে এখন পর্যন্ত আইপিএল সংশ্লিষ্ট চার ফ্রাঞ্চাইজির কোনোটি থেকে পাকিস্তানের খেলোয়াড়দের নাম ডাকা হয়নি। দেশটি থেকে কেবল উসমান তারিক ও আবরার আহমেদের প্রতি আগ্রহ দেখানো হয়েছে।
এক লাখ পাউন্ডের ভিত্তিমূল্যে থাকা উসমান বিক্রি হন ১ লাখ ৪০ হাজার পাউন্ডে। তাকে কিনেছে বার্মিংহ্যাম ফিনিক্স। আর আবরার ডাক পেয়েছৈন সানরাইজার্স লিডসে। তাকে ১ লাখ ৯০ হাজার পাউন্ডে কেনা হয়েছে।
এর আগে নাম উঠেছিল হারিস রউফ ও শাদাব খানদের নাম। তাদের প্রতি আগ্রহ দেখায়নি কেউ। আর নিলাম শুরুর মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে নাম প্রত্যাহার করে নেন শাহীন শাহ আফ্রিদি।
গত দুই বছরে ৪৭টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ৭৮ উইকেট নিয়েছেন উসমান। গড়ে ১৬ রান প্রতি উইকেট এবং প্রতি বল ১.১৫ রান দেন তিনি। তার অনন্য বোলিং অ্যাকশন নতুন বা আন্তর্জাতিক ম্যাচ না খেলা ব্যাটসম্যানদের জন্য বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারেন।

ইংল্যান্ডের ‘দ্য হান্ড্রেড’ টুর্নামেন্টের নিলামের জন্য নিবন্ধন করেছিলেন বাংলাদেশের
২৩ ক্রিকেটার। ফাইনাল তালিকায় অর্ন্তভুক্ত হয়েছিলেন কেবল মোস্তাফিজুর রহমান ও রিশাদ
হোসেন। বৈশ্বিক নামি-দামি ঘরোয়া টুর্নামেন্ট খেলা বাংলাদেশের এই দুই ক্রিকেটারকে নিয়ে
বেশ আগ্রহ ছিল সমর্থকদের। তবে নিলামে বাংলাদেশের লেগ স্পিনারকে কিনতে আগ্রহ প্রকাশ
করেনি কোনো দল।
যুক্তরাজ্যের রাজধানী পিকিডিলি
লাইটে বাংলাদেশ সময় বিকাল চারটা থেকে শুরু হয় দ্য হানড্রেডের নিলাম। যেখানে স্পিনারদের
ক্যাটাগরিতে ওঠে রিশাদের নাম। কিন্তু তাকে কিনতে আগ্রহ প্রকাশ করেনি কোনো দল। শেষ পর্যন্ত
অবিক্রিতই থেকে যান রিশাদ।
দ্য হান্ড্রেডের নিলামের
রিশাদের ভিত্তিমূল্য ধরা হয় ৭৫ হাজার পাউন্ড। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় এক কোটি ১২
লাখ ৫০ টাকা।
রিশাদের সঙ্গে স্পিনার ক্যাটাগরিতে নাম ওঠে জাফের চৌহান, উসমান তারিক এবং আকিল হোসেনের। এখন পর্যন্ত হানড্রেডে সর্বোচ্চ অর্থে বিক্রি হয়েছেন ২১ বছর বয়সী জেমস কোলেস। তিন লাখ ৯০ হাজার পাউন্ডে থাকা দলে ভেড়ায় লন্ডন স্পিরিট।

২০১৫ সালের পর দ্বিতীয়বার বাংলাদেশের বিপক্ষে ৮ উইকেটে হারল পাকিস্তান। বুধবার মিরপুরে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটিতে শাহিন আফ্রিদিদের এই হার নিয়ে বেশ সমালোচনা হচ্ছে। দেশটির সাবেক ক্রিকেটাররা শূল্যে চড়াচ্ছেন নির্বাচক, কোচ এবং টিম ম্যানেজমেন্টকে। যার সর্বশেষ সংযোজন বাসিত আলি।
সাবেক এই ক্রিকেটার এতটাই ক্ষেপেছেন যে, রীতিমতো পাকিস্তানের টিম ম্যানেজমেন্টকে গুলি করা উচিত বলে মনে করছেন। তিনি বলেন,
“প্রথমেই গুলি করা উচিত সেই মানুষটিকে, যে ব্যাটসম্যানদের বলেছিল প্রথম দশ ওভারে অন্তত ৬০ রান করতে। মনে হয় সে কখনো মাঠে ক্রিকেট খেলেনি, শুধু কাগজে পরিকল্পনা লিখে দেয়। এখানকার পরিস্থিতি কি সে দেখেনি? বাংলাদেশে যে বড় বড় দলও হেরে যায়, সেটাও কি জানত না?”
পাকিস্তানের সাবেক উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান কামরান আকমলের কাছে শাহিন আফ্রিদিদের দলকে ক্লাবের দল মনে হয়েছে। তিনি বলেন,
“মনে হচ্ছিল এক দল আন্তর্জাতিক মানের আর অন্য দলটা যেন বিশ্বকাপের আগে অনুশীলন করতে নামা কোনো ক্লাব দল। আমি বাসিত আলিকে ফোন করেছিলাম, কিন্তু কী বলব বুঝতে পারছিলাম না।”
সমালোচনা সেখানেই থামাননি তিনি। তার ভাষায়,
“আল্লাহর কসম, এমন ব্যাটিং ক্লাব ক্রিকেটেও দেখা যায় না। ক্লাবের ক্রিকেটাররাও এত খারাপ ব্যাটিং করে না।”
বাসিত আলি মনে করেন, এই ম্যাচে পাকিস্তান ক্রিকেটের বড় একটি সমস্যা প্রকাশ পেয়েছে। তিনি বলেন,
“তরুণদের সময় দিতে হবে—এই বিতর্ক এখন শেষ করা উচিত। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে যে নতুন খেলোয়াড় আসে, সে প্রস্তুত হয়েই আসে এবং প্রভাব ফেলে। আমাদের ক্রিকেটারদের বুঝতে হবে, এটি কোনো স্থানীয় ক্লাবের মাঠ নয়, আন্তর্জাতিক মানের বড় ভেন্যু।”
সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে চারজন নতুন ক্রিকেটারকে দলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন দুজনই। বাসিত আলির মতে,
“নতুন খেলোয়াড় এক বা দু’জন করে আনা উচিত, একসঙ্গে চারজনকে নামানো ঠিক নয়।”
আকমল মনে করেন, পাকিস্তানের আন্তর্জাতিক র্যাঙ্কিংয়ে চতুর্থ অবস্থান খুব একটা গুরুত্ব বহন করে না। তিনি বলেন,
“ঘরের মাঠে দুর্বল দলের বিপক্ষে জিতে পয়েন্ট বাড়ানো যায়, কিন্তু বিদেশে গেলে বাস্তবতা দেখা যায়।”

নিউ জিল্যান্ডের ঘরোয়া টুর্নামেন্ট প্লাংকেট শিল্ডে আলো ছড়ালেন বাঁহাতি পেসার থমাস ও'কনর। দুর্দান্ত বোলিং করে নিজের বাবার ২৭ বছরের পুরোনো রেকর্ড ভেঙে দিলেন ওটাগোর এই পেসার। দুই ইনিংস মিলিয়ে তিনি নিলেন ১৩ উইকেট।
ইডেন পার্কের আউটার ওভালে বুধবার শেষ হওয়া ম্যাচে অকল্যান্ডকে একাই গুঁড়িয়ে দেন থমাস। এই টুর্নামেন্টের ১৯৯৯ সালের সংস্করণে ওটাগোর বিপক্ষেই ১২ উইকেট নিয়েছিলেন থমাসের বাবা ও নিউ জিল্যান্ডের সাবেক পেসার শেইন ও'কনর।
চমৎকার বোলিং করে অকল্যান্ডের প্রথম ইনিংসে ৫৮ রানে ৭ উইকেট নেন থমাস। পরে ধারাবাহিকতা ধরে রেখে দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ২৭ রানে তিনি নেন ৬ উইকেট। সব মিলিয়ে ৮৫ রানে ১৩ উইকেট নিয়ে ওটাগোর ৯ উইকেটের জয়ের নায়ক ২১ বছর বয়সী পেসার।
১৯৯৯ সালের তৎকালীন শেল ট্রফির (বর্তমান প্লাংকেট শিল্ড) ম্যাচে অকল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ৫৮ রানে ৬ উইকেট নিয়েছিলেন শেইন। পরে দ্বিতীয়বার তার শিকার ৬৪ রানে ৬ উইকেট। শেইনের এমন বোলিংয়ের পর ম্যাচটি ৬ উইকেটে জিতেছিল ওটাগো।
মজার ব্যাপার হলো, শেইনের ওই কীর্তির সময় জন্মই হয়নি থমাসের। ২০০৪ সালে জন্মগ্রহণ করা সেই পেসার এবার ভেঙে দিলেন বাবার রেকর্ড। দুই ম্যাচেই আম্পায়ারিংয়ের দায়িত্ব পালন করেছেন নিউ জিল্যান্ডের বিখ্যাত আম্পায়ার বিলি বাউডেন।
ম্যাচে নেওয়া ১৩ উইকেট ওটাগোর হয়ে সব মিলিয়ে সপ্তম সেরা বোলিং পারফরম্যান্স। আর ১৯৮৯-৯০ মৌসুমের পর এটিই সেরা বোলিং।

ইংল্যান্ডের জনপ্রিয় ১০০ বলের টুর্নামেন্ট দ্য হান্ড্রেডের নিলাম চলছে। যুক্তরাজ্যের রাজধানী পিকিডিলি লাইটে বাংলাদেশ সময় বিকাল চারটা থেকে শুরু হয় নিলাম। বিসিবির এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, নিলামে আইপিএল সংশ্লিষ্ট দলগুলো পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের না কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যদিও ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর কোচেরা এমন নির্দেশনার কথা অস্বীকার করেছেন।
বুধবার অনুষ্ঠিত হওয়া নারী হান্ড্রেড নিলামে পাকিস্তানের কোনো নারী ক্রিকেটার দল পাননি। আজ পুরুষদের নিলামে শাহিন আফ্রিদি, হারিস রউফ ও উসমান তারিকসহ ১৭ জন পাকিস্তানি ক্রিকেটারের নাম থাকলেও তারা দল পাবেন কি না, তা নিয়ে সংশয় কাটছে না।
বিষয়টি নিয়ে বুধবার কথা বলেছেন আইপিএল মালিকানাধীন সানরাইজার্স লিডসের কোচ আদি বিরিল। তিনি জানান, ‘পাকিস্তানি খেলোয়াড় না নেওয়ার জন্য কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। বৃহস্পতিবার কিছু খেলোয়াড়কে নিয়ে আগ্রহ দেখা যেতে পারে।’ আরেক আইপিএল মালিকানাধীন সাউদার্ন ব্রেইভের নারী দলের কোচ জনাথন ব্যাটি বলেন, তাদেরকে সেরা দল গড়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন
| ‘পাকিস্তানকে দুম্বার মতো পিটিয়েছে বাংলাদেশ’ |
|
২০০৮ সালের নভেম্বরে মুম্বাইয়ে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার পর ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের চরম অবনতি ঘটে। নিরাপত্তার অজুহাত এবং রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে ২০০৯ সাল থেকেই আইপিএলে পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণের পথ বন্ধ হয়ে যায়।
একই ধারা দেখা গেছে দক্ষিণ আফ্রিকার এসএটি-টোয়েন্টি লিগেও। সেখানে সব দলই আইপিএল মালিকানাধীন হওয়ার ফলে পাকিস্তানের কোনো খেলোয়াড় খেলেননি। সংযুক্ত আরব আমিরাতের আইএল টি-টোয়েন্টি লিগে এমআই লন্ডন ও সাউদার্ন ব্রেভের মালিকানাধীন দলগুলো চার মৌসুমে কোনো পাকিস্তানি ক্রিকেটার নেয়নি।
দ্য হান্ড্রেডের আট দলের মধ্যে চারটি ম্যানচেস্টার সুপার জায়ান্টস, এমআই লন্ডন, সাউদার্ন ব্রেভ ও সানরাইজার্স লিডস—আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি নিয়ন্ত্রিত কোম্পানির মালিকানায় রয়েছে। এই ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো পাকিস্তানি খেলোয়াড়দের ড্রাফটে ডাকবে না এই আশঙ্কায় গত মাস থেকেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ইসিবির কর্মকর্তা ও সাবেক ক্রিকেটাররা।
ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হ্যারি ব্রক গতমাসে বলেন, ‘দ্য হান্ড্রেডে পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের না থাকাটা দুঃখজনক হবে।’
গতমাসে ইসিবি এবং আটটি ফ্র্যাঞ্চাইজি একটি যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছিল, ‘জাতীয়তার ভিত্তিতে কোনো খেলোয়াড়কে বাদ দেওয়া যাবে না।’ তবে আজ নিলামের টেবিলে শেষ পর্যন্ত যোগ্যতার লড়াই জেতে নাকি মালিকপক্ষের কৌশল— সেটিই এখন দেখার বিষয়।