২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:৩৪ পিএম

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ঐতিহাসিক অভিযান শেষ হতেই নতুন বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছে ইতালিয়ান ক্রিকেট। দেশটির ক্রিকেট ফেডারেশনের এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ তুলেছেন নারী দলের এক ক্রিকেটার।
অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে নারী ক্রিকেট সমন্বয়ক প্রবাথ একনেলিগোদা। ইতালির ক্রিকেট ফেডারেশন তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে। বোর্ডের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, বিষয়টি ফেডারেল প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে তদন্তাধীন।
বোর্ডের ভাষ্য, ২০২৫ সালের মধ্যে সভাপতির নির্দেশে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে সব ধরনের ফেডারেল দায়িত্ব ও কার্যক্রম থেকে তাৎক্ষণিকভাবে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তদন্ত সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে।
একই সঙ্গে বোর্ড বলেছে, ক্রীড়াঙ্গনের স্বচ্ছতা বজায় রাখা, গুজব ঠেকানো এবং যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তদন্ত নিশ্চিত করতেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ব্যক্তিগত মর্যাদা, ন্যায় বিচার এবং নির্দোষের ধারণার নীতিও গুরুত্ব পাচ্ছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
এদিকে বিবিসি স্পোর্টেসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একনেলিগোদার আইনজীবী অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং এর পেছনে ‘ভিন্ন উদ্দেশ্য’ থাকার দাবি তুলেছেন। একনেলিগোদার মন্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হয়েছে।
বরখাস্তাদেশ বহাল থাকলেও ইতালির মিডিয়া ম্যানেজার রাকবির হাসান নিশ্চিত করেছেন, একনেলিগোদা টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে উপস্থিত ছিলেন। তবে তিনি কোনো সরকারি দায়িত্বে ছিলেন না; বোর্ড সভাপতি মারিয়া লোরেনা হাজ পাজের সফরসঙ্গী হিসেবে ভারতে গিয়েছিলেন।
বোর্ড আরও জানিয়েছে, তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পূর্ণ সহযোগিতা করবে এবং তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার সংরক্ষণ করছে।
এর মধ্যেই বোর্ডে চলছে অস্থিরতা। ইতালির বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হওয়ার পর সভাপতি হাজ পাজ পদচ্যুত হয়েছেন। প্রধান নির্বাহী লুকা ব্রুনো মালাসপিনা জানিয়েছেন, ছয়জন বোর্ড সদস্যও পদত্যাগ করেছেন, ফলে ফেডারেল কাউন্সিল ভেঙে গেছে। তবে এসব পদত্যাগের সঙ্গে বর্তমান অভিযোগের সরাসরি সম্পর্ক নেই বলে দাবি বোর্ডের।
মাঠের লড়াইয়ে অবশ্য ইতালির পুরুষ দল নজর কেড়েছে। বিশ্বকাপে নেপালের বিপক্ষে ১০ উইকেটের জয়, ইংল্যান্ডের কাছে মাত্র ২৪ রানে হার- দুই ম্যাচই প্রশংসা কুড়িয়েছে। যদিও সুপার এইটে ওঠা হয়নি, তবু প্রথমবারের অংশগ্রহণেই ইতালির লড়াকু পারফরম্যান্স আলোচনায় ছিল।
মাঠের সেই সাফল্যের রেশ কাটতে না কাটতেই প্রশাসনিক অস্থিরতা ও গুরুতর অভিযোগে ইতালিয়ান ক্রিকেট এখন কঠিন এক পরীক্ষার মুখে।
No posts available.
২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৬:৫৫ পিএম
২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৬:৪৫ পিএম
২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৩:৫৩ পিএম
২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:৩৭ পিএম

আফগানিস্তান ক্রিকেটে নতুন অধ্যায় শুরু হলো। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায়ের পর দলটির প্রধান কোচ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ইংলিশ কোচ । তিনি দায়িত্ব নিচ্ছেন চার বছর ধরে দায়িত্বে থাকা জোনাথন ট্রটের জায়গায়।
কোচিং ক্যারিয়ারে পাইবাসের ঝুলিতে রয়েছে সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা। ১৯৯৯ বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে ফাইনালে তুলতে বড় ভূমিকা ছিল তার। পরে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের ডিরেক্টর অব ক্রিকেট হিসেবেও দীর্ঘ সময় কাজ করেছেন তিনি।
২০১৬ সালে তার তত্ত্বাবধানে ওয়েস্ট ইন্ডিজের পুরুষ, নারী ও অনূর্ধ্ব-১৯ দল বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পায়।
২০১৮ সালে তিনি ওয়েস্ট ইন্ডিজের হাই পারফরম্যান্স ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব নেন। পরের বছর অন্তর্বর্তীকালীন প্রধান কোচের ভূমিকাও পালন করেন। ২০১২ সালে বাংলাদেশের প্রধান কোচ হিসেবেও স্বল্প সময় কাজ করেছিলেন পাইবাস, যদিও সেই অধ্যায় ছিল বিতর্কিত।
আফগানিস্তানের সঙ্গে পাইবাসের প্রথম অ্যাসাইনমেন্ট হবে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সংযুক্ত আরব আমিরাতে সাদা বলের সিরিজ। সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি ১৩ মার্চ শারজাহতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
নতুন কোচের অধীনে আফগানিস্তান টি- টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পরবর্তী পুনর্গঠনের পথে কত দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে পারে, এখন সেটিই দেখার।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ চলাকালীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। যেখানে ভারতের প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীরকে দেখা যায় ওপেনার অভিষেক শর্মার সঙ্গে বেশ সিরিয়াস বিষয়ে আলোচনায় মত্ত।
খবর অনুযায়ী, ভিডিওটি ধারণ করা হয়েছে ভারতীয় দলের বাসের ভেতরে। ক্লিপে দেখা যায়, বাসের সামনের অংশে বসে গম্ভীর পুরো সময় মন দিয়ে কোচের কথা শুনছেন। আলোচনার সুনির্দিষ্ট বিষয় জানা না গেলেও, দুজনের শরীরী ভাষা থেকে বোঝা যায় গুরুত্বপুর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করছেন তারা। পরে সহকারী কোচ রায়ান টেন ডেসকাটও আলোচনায় যোগ দেন।
ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর অনলাইনে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেক ভক্তের ধারণা, টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত অভিষেকের হতাশাজনক পারফরম্যান্স নিয়েই এই আলোচনা। ব্যাট হাতে তাঁর ধারাবাহিক ব্যর্থতার সময়েই এই কথোপকথন হওয়ায় বিষয়টি আরও নজর কাড়ছে।
ভারত দল এখন চেন্নাইয়ে। যেখানে সুপার এইট পর্বে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তাদের পরের ম্যাচ। ম্যাচটি হবে চেন্নাইয়ের এম এ চিদাম্বরম স্টেডিয়াম ।
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিপাক্ষিক সিরিজে দারুণ পারফরম্যান্সের পর বড় প্রত্যাশা নিয়ে বিশ্বকাপে এসেছিলেন অভিষেক শর্মা। কিন্তু মূল মঞ্চে সেই ছন্দ ধরে রাখতে পারেননি এই বাঁহাতি ওপেনার।
দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সুপার এইট ম্যাচেই প্রথম রান পান তিনি—১২ বলে ১৫ রান। তার আগে টানা তিন ম্যাচে শূন্য রানে আউট হন এবং অসুস্থতার কারণে একটি ম্যাচ খেলতে পারেননি। টুর্নামেন্টে ভালোভাবে শেষ করতে চাইলে এবার ব্যাট হাতে জবাব দিতে হবে অভিষেককেই।

দ্য হান্ড্রেডে পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের বাদ দেওয়ার গুঞ্জন¬ নিয়ে সরব হয়েছেন ইংল্যান্ডের অলরাউন্ডার মঈন আলী। জানিয়েছেন, এমন কিছু ঘটলে খেলোয়াড়েরা চুপ করে থাকবেন না, প্রয়োজন হলে কথা বলবেন।
সম্প্রতি ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, দ্য হান্ড্রেডের নিলামে আইপিএল মালিকানাধীন ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের বিবেচনায় নাও নিতে পারে। ফাঁস হওয়া একটি বার্তালাপ থেকে এমন ইঙ্গিত মিলেছে বলে জানানো হয়। যদিও গত সপ্তাহে প্রকাশিত দীর্ঘ তালিকায় ৬৭ জন পাকিস্তানি ক্রিকেটারের নাম রয়েছে।
এ প্রসঙ্গে মঈন আলী বলেন,
‘যুক্তরাজ্যে এমন কিছু ঘটতে পারে বলে আমি মনে করি না—আর আশা করি, এমনটা হবে না। এটা হওয়া উচিত নয়। শেষ পর্যন্ত কী হয়, তা আমাদের অপেক্ষা করে দেখতে হবে। তবে এমন কিছু হলে তা ভীষণ হতাশাজনক হবে। ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড নিশ্চয়ই বিষয়টি নজরে রাখবে।’
তিনি আরও বলেন,
‘খেলোয়াড়দের একটি অংশ অবশ্যই কথা বলবে। এ নিয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। কারও যদি এ ধরনের বিষয়ে উদ্বেগ থাকে—সে পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত হোক বা না হোক, তার কথা বলা উচিত।’
২০০৮ সালে মুম্বাই হামলার পর থেকে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের আর দেখা যায়নি। একইভাবে দক্ষিণ আফ্রিকার ফ্র্যাঞ্চাইজি প্রতিযোগিতা এসএ-টোয়েন্টিতে চার মৌসুমে কোনো পাকিস্তানি খেলোয়াড় অংশ নেননি, যেখানে ছয়টি দলেরই মালিক ভারতীয়।
মঈন বলেন,
‘খবরটি একেবারেই নতুন। এখনো কারও সঙ্গে বিস্তারিত কথা বলার সুযোগ হয়নি। তবে বেশির ভাগ খেলোয়াড়ই একই অবস্থানে থাকবে বলে মনে করি। অন্য দেশগুলো তাদের মতো সিদ্ধান্ত নিতে পারে, কিন্তু যুক্তরাজ্যে আমাদের মতামতের মূল্য আছে।’
এর আগে ইংল্যান্ডের সাদা বলের অধিনায়ক হ্যারি ব্রুকও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন,
‘পাকিস্তান বহু বছর ধরে শক্তিশালী ক্রিকেট জাতি। তাদের দলে বিশ্বের সেরা কয়েকজন খেলোয়াড় আছে। দ্য হান্ড্রেডে তাদের না দেখা গেলে সেটি দুঃখজনক হবে।’
সব মিলিয়ে নিলামের আগেই বিতর্কের আবহ তৈরি হয়েছে। এখন দেখার বিষয়, শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত কোন দিকে গড়ায় এবং খেলোয়াড়দের অবস্থান কতটা প্রভাব ফেলে।

পুরুষদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার আগেই
নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পূর্ণাঙ্গ সূচি ঘোষণা করে দিল আইসিসি। ভারত, অস্ট্রেলিয়ার
মতো শক্তিশালী দলগুলোর সঙ্গে কঠিন গ্রুপে পড়েছে বাংলাদেশ।
মঙ্গলবার দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আগামী জুন-জুলাইয়ে
ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে হতে যাওয়া এই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পূর্ণ সূচি প্রকাশ করেছে আইসিসি।
বাছাইপর্ব শেষে ১২ দলের চূড়ান্ত লাইনআপ নিশ্চিত হওয়ার পরই টুর্নামেন্টের সূচি জানানো
হলো।
বাংলাদেশ জায়গা পেয়েছে ‘গ্রুপ ১’-এ। যেখানে তাদের
সঙ্গী বর্তমান চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া, ভারত, পাকিস্তান, দক্ষিণ আফ্রিকা ও নেদারল্যান্ডস।
অর্থাৎ গ্রুপ পর্বেই ভারত-পাকিস্তানের মতো হাইভোল্টেজ লড়াইয়ের পাশাপাশি বাংলাদেশকে
খেলতে হবে কঠিন চার প্রতিপক্ষের বিপক্ষে।
টুর্নামেন্ট শুরু হবে আগামী ১২ জুন। পরে ৫ জুলাই
পর্যন্ত ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের বিভিন্ন ভেন্যুতে চলবে খেলা। শিরোপা নির্ধারণী ফাইনাল
হবে লর্ডসে।
কঠিন গ্রুপে বাংলাদেশ
গ্রুপ ১: অস্ট্রেলিয়া,
দক্ষিণ আফ্রিকা, ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, নেদারল্যান্ডস।
গ্রুপ ২: ওয়েস্ট
ইন্ডিজ, ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, আয়ারল্যান্ড, স্কটল্যান্ড।
নিগার সুলতানা জ্যোতির নেতৃত্বে বাছাইপর্বে অপরাজিত
থেকে মূল পর্বে উঠেছে বাংলাদেশ। তবে মূল আসরে শুরু থেকেই কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়তে হচ্ছে
তাদের।
গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের সূচি
১৪ জুন: বাংলাদেশ
বনাম নেদারল্যান্ডস, এজবাস্টন (সকাল ১০.৩০)
১৭ জুন: বাংলাদেশ
বনাম অস্ট্রেলিয়া, হেডিংলি (সকাল ১০.৩০)
২০ জুন: বাংলাদেশ
বনাম পাকিস্তান, হ্যাম্পশায়ার (দুপুর ২.৩০)
২৫ জুন: বাংলাদেশ
বনাম ভারত, ওল্ড ট্র্যাফোর্ড, (দুপুর ২.৩০)
২৮ জুন: বাংলাদেশ
বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা, লর্ডস, (সকাল ১০.৩০)
বাংলাদেশের গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচটি ঐতিহাসিক
লর্ডসে। যা যে কোনো ক্রিকেটারের জন্যই বিশেষ মঞ্চ। সেমিফাইনালে উঠতে হলে বাংলাদেশকে
অন্তত দুই-তিনটি বড় ম্যাচে চমক দেখাতেই হবে।
গ্রুপের গুরুত্বপূর্ণ লড়াই
বাংলাদেশের গ্রুপেই ১৪ জুন এজবাস্টনে হবে ভারত-পাকিস্তান
মহারণ। এছাড়া ২৮ জুন লর্ডসে অস্ট্রেলিয়া-ভারত ম্যাচও টুর্নামেন্টের অন্যতম আকর্ষণ।
সেমিফাইনাল ও ফাইনাল
৩০ জুন: প্রথম
সেমিফাইনাল - দ্য ওভাল (দুপুর ২.৩০)
২ জুলাই: দ্বিতীয়
সেমিফাইনাল - দ্য ওভাল (সন্ধ্যা ৬.৩০)
৫ জুলাই: ফাইনাল
- লর্ডস (দুপুর ২.৩০)

চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনাল ঘিরে সূচিতে এসেছে পরিবর্তন, দেওয়া হয়েছে নতুন ব্যাখ্যা। সহ-স্বাগতিল দেশ শ্রীলঙ্কা সেমি-ফাইনালে উঠলে নিজেদের মাঠেই খেলতে পারবে, তবে সেটি নির্ভর করছে প্রতিপক্ষ এবং পাকিস্তানের ফলাফলের ওপর।
সুপার এইটের লাইনআপ চূড়ান্ত হওয়ার পর অংশীজনদের কাছে পাঠানো এক বার্তায় সেমি-ফাইনালের ভেন্যু সম্পর্কিত তথ্য স্পষ্ট করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, প্রথম সেমি-ফাইনাল থাকবে ‘ফ্লোটিং’ অবস্থায় অর্থাৎ ম্যাচটি হবে হয় কলম্বোতে, নয়তো কলকাতায়।
ওই বার্তায় আরও জানানো হয়, পাকিস্তান সেমিফাইনালে উঠলে তারা ৪ মার্চ কলম্বোতে সেমিফাইনাল–১ খেলবে। পাকিস্তান যদি শেষ চারে না ওঠে, কিন্তু শ্রীলঙ্কা ওঠে এবং তাদের প্রতিপক্ষ ভারত না হয়, তাহলে সেই ম্যাচও হবে কলম্বোতেই।
আরও পড়ুন
| ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের বলি ইংল্যান্ড–দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজ |
|
আইসিসি আরও নিশ্চিত করেছে, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা- দুই দলই যদি সেমিফাইনালে না ওঠে, তাহলে সেমিফাইনাল-১ কলকাতায় আর সেমিফাইনাল-২ হবে মুম্বাইয়ে।
ভারত সেমিফাইনালে উঠলে তারা মুম্বাইয়েই খেলবে- প্রতিপক্ষ (পাকিস্তান বাদে) যে দলই হোক। তবে ভারত-পাকিস্তান সেমিফাইনাল হলে ম্যাচটি হবে কলম্বোতে।
আর যদি ভারত-পাকিস্তান-শ্রীলঙ্কা; তিন দলই সেমিফাইনালে না ওঠে, তাহলে সুপার এইটের গ্রুপ-১ চ্যাম্পিয়ন খেলবে গ্রুপ-২ রানার্স-আপের বিপক্ষে কলকাতায়। অন্য সেমিফাইনালে গ্রুপ-২ চ্যাম্পিয়ন মুখোমুখি হবে গ্রুপ-১ রানার্স-আপের, মুম্বাইয়ে।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তান- দুই দলই সুপার এইটের গ্রুপ-২তে রয়েছে। ফলে তাদের মধ্যে সেমিফাইনাল হওয়ার সুযোগ নেই।
নভেম্বরে ঘোষিত সূচিতে পাকিস্তান সেমিফাইনাল ও ফাইনালে উঠলে কলম্বোকে ভেন্যু হিসেবে রাখা হয়েছিল, কিন্তু শ্রীলঙ্কা নকআউটে উঠলে কী হবে- তা স্পষ্ট করা হয়নি। নতুন এই ব্যাখ্যায় সেই ধোঁয়াশা কেটেছে।
সব মিলিয়ে শ্রীলঙ্কার জন্য সমীকরণটা পরিষ্কার- শেষ চারে উঠতে পারলে এবং প্রতিপক্ষ ভারত না হলে, নিজেদের মাঠেই সেমিফাইনাল খেলার সম্ভাবনা জোরাল। তবে চূড়ান্ত হিসাব নির্ভর করছে সুপার এইটের ফলাফলের ওপরই।