
আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি হিসেবে নিয়োগ পেলেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল ইসলাম বুলবুল। তিনি স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন সদ্য বিদায়ী ফারুক আহমেদের। শুক্তবার বিসিবির বোর্ড সভায় পরিচালকদের ভোটে তিনি সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।
শুক্রবারই জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) মনোনীত কাউন্সিলর হিসেবে অনুমোদন পান আমিনুল। এর মধ্য দিয়ে শুরু হয় আমিনুলের বিসিবি সভাপতি হওয়ার প্রক্রিয়া। এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাতে এনএসসি বাতিল করে ফারুক আহমেদের কাউন্সিলরশিপ। ফলে তিনি হারান সভাপতির পদ।
ফারুককের অপসারণের আগে থেকেই আলোচনায় ছিল বিসিবির সভাপতির পদে আমিনুলের নাম। তবে তিনি বিসিবির কাউন্সিলর না হওয়ায় পরিচালক হতে ছিল প্রক্রিয়ার কিছু জটিলতা। সেটা সমাধান হয় এনএসসির মাধ্যমেই।
এনএসসি থেকে বিসিবিতে পাঁচজন মনোনীত কাউন্সিলর থাকেন, যার দুজন পরিচালক হিসেবে নির্বাচিত হন। সেই কাউন্সিলরদের একজনকে সরিয়ে তার জায়গায় আমিনুলকে মনোনয়ন দেয় এনএসসি।
এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘ সময় পর বাংলাদেশের ক্রিকেটে সরাসরি ফিরলেন দেশের ইতিহাসের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিয়ান। খেলোয়াড়ি জীবন শেষে বিসিবিতে অন্য কোনো ভূমিকায় দেখা যায়নি তাকে। এবার যোগ দিলেন বিসিবির ১৬তম সভাপতি হিসেবে।
আমিনুল বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) এশিয়া অঞ্চলের ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার হিসেবে। তার কাজের মধ্যে রয়েছে হাই পারফরম্যান্স ফ্রেমওয়ার্ক তৈরি, বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও শিক্ষামূলক কার্যক্রম পরিচালনা। বিসিবির দায়িত্ব শেষে ভবিষ্যতে আবারও আইসিসিতে ফিরে যাওয়ার কথাও সম্প্রতি বলেছেন আমিনুল।
No posts available.
৮ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৪৯ পিএম
৮ এপ্রিল ২০২৬, ১০:২৭ পিএম

জয়ের জন্য দিল্লি ক্যাপিটালসের প্রয়োজন ৩ বলে ৮ রান। প্রাসিধ কৃষ্ণার স্লটে করা ডেলিভারি সোজা স্টেডিয়ামেরই বাইরে পাঠিয়ে দিলেন ডেভিড মিলার। স্ক্রিনে ভেসে উঠল, ১০৬ মিটার ছক্কা! সমীকরণ নেমে এলো ২ বলে ২ রানে।
পরের বলে ফাইন লেগের দিকে খেললেও, রান নিলেন না মিলার। ফলে শেষ বলে বাকি থাকল ২ রান। ঝুঁকি মাথায় রেখেই স্লোয়ার বাউন্সার করলেন কৃষ্ণা। ব্যাটে লাগাতে পারলেন না মিলার। রানের জন্য ছুটলেন কুলদিপ যাদব। তবে তিনি ক্রিজে ঢোকার আগেই স্টাম্প এলোমেলো করে দিলেন জস বাটলার।
রান আউটের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিলেন লেগ আম্পায়ার। তবে এর মাঝেই আবার ওয়াইডের জন্য রিভিউ নিলেন মিলার। রিপ্লেতে দেখা গেল, বাউন্সারের উচ্চতা ছিল তার মাথার নিচেই। তাই মাঠের সিদ্ধান্তই বহাল রাখলেন থার্ড আম্পায়ার। নিশ্চিত হারের মুখ থেকে জিতে গেল গুজরাট টাইটান্স।
শেষের এই নাটকীয়তার আগে দিল্লিকে জয়ের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন মিলারই। শেষ ২ ওভারে ৩৬ রানের সমীকরণে মোহাম্মদ সিরাজের বলে দুই ছক্কার মাঝে চার মেরে দেন প্রোটিয়া তারকা। ওই ওভার থেকে দিল্লি পেয়ে যায় ২৩ রান। শেষ ওভারে বাকি থাকে ১৩ রান।
ক্রিজে তখন ১৭ বলে ৩৫ রান করা মিলার থাকায় মনে হচ্ছিল, সহজেই জিতে যাবে গুজরাট। এর মাঝে প্রথম বলে বাউন্ডারি মেরে দেন ভিপরাজ নিগাম। তবে দ্বিতীয় বলে আউট হয়ে যান তিনি। চতুর্থ বলে স্ট্রাইক পেয়েই মিলারের সেই বিশাল ছক্কা।
পরে শেষ দুই বলের হিসেবে তালগোল পাকিয়ে হিরো হওয়ার বদলে ভিলেনই হয়ে গেলেন কিলার মিলার খ্যাত এই ব্যাটার। নিজেদের সর্বোচ্চ রান তাড়ার রেকর্ড গড়ার সম্ভাবনা জাগিয়েও তাই শেষ পর্যন্ত পারল না দিল্লি।
অরুন জেটলি স্টেডিয়ামে বুধবার রাতের এই ম্যাচটিতে গুজরাটের জয় মাত্র ১ রানে। আগে ব্যাট করে তারা পায় ২১০ রানের পুঁজি। জবাবে লোকেশ রাহুল ও মিলারের ঝড়ের পরও ২০৯ রানের বেশি করতে পারল না স্বাগতিক দল।
তিন ম্যাচে গুজরাটের এটি প্রথম জয়। অন্য দিকে প্রথম দুই ম্যাচ জেতার পর তৃতীয়টিতে এসে হারের স্বাদ পেল দিল্লি।
ম্যাচটিতে আগে ব্যাট করা গুজরাটকে দুইশ ছাড়ানো পুঁজি এনে দেন অধিনায়ক শুবমান গিল, বাটলার ও ওয়াশিংটন সুন্দর। ৪ চার ও ৫ ছক্কায় ৪৫ বলে ৭০ রানের ইনিংস খেলেন গিল। সুন্দরের ব্যাট থেকে আসে ৬ চার ও ২ ছক্কায় ৩২ বলে ৫৫ রান।
দুজনের মাঝে নেমে ৩ চার ও ৫ ছক্কায় ২৭ বলে ৫২ রান করেন বাটলার। এই ৫ ছক্কার সৌজন্যে স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে ৬০০ ছক্কার মালিক হয়েছেন ইংলিশ তারকা ব্যাটার।
রান তাড়ায় দিল্লিকে একাই বাঁচিয়ে রাখেন রাহুল। ১৭তম ওভারে আউট হওয়ার আগে ১১ চার ও ৪ ছক্কায় ৫২ বলে ৯২ রান করেন অভিজ্ঞ ওপেনার। তার উদ্বোধনী সঙ্গী পাথুম নিসাঙ্কার ব্যাট থেকে আসে ৬ চার ও ১ ছক্কায় ২৪ বলে ৪১ রান।
প্রথমে দশম ওভারে ক্রিজে গিয়ে হাতের চোটে উঠে গিয়েছিলেন মিলার। পরে আবার ব্যাটিংয়ে নেমে তিনিই জাগান জয়ের আশা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পারেননি নায়ক হতে। ৩টি করে চার-ছক্কা মেরে ২০ বলে ৪১ রানে অপরাজিত থাকেন মিলার।
রান বন্যার ম্যাচে ৪ ওভারে মাত্র ১৭ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন রশিদ খান।

পিএসএলে প্রথমবার সুযোগ পেয়ে কাজে লাগাতে পারলেন না নাহিদ রানা। বিবর্ণ চেহারায় হাজির হলেন শরিফুল ইসলামও। বাংলাদেশের দুই পেসারের ব্যর্থতার দিনে জ্বলে উঠলেন ইফতিখার আহমেদ। চাচাখ্যাত এই অলরাউন্ডের নৈপুণ্যে শেষ বলে জিতল পেশাওয়ার জালমি।
করাচিতে বুধবার রাতের ম্যাচে হায়দরাবাদ কিংসমেনকে ৪ উইকেটে হারিয়েছে জালমি। আগে ব্যাট করে ১৪৫ রানে গুটিয়ে যায় পিএসএলের নতুন দল হায়দরাবাদ। জবাবে ম্যাচের একদম শেষ বলে গিয়ে জিতেছে বাবর আজমের দল।
তিন ম্যাচে জালমির এটি দ্বিতীয় জয়। বৃষ্টিতে ভেসে গেছে তাদের অন্য ম্যাচ। আর চার ম্যাচের সবকটি হেরেছে হায়দরাবাদ।
ম্যাচে টস হেরে আগে ব্যাট করা হায়দরাবাদকে শুরুতে ধাক্কা দেন ইফতিখার। নিজের প্রথম দুই ওভারে মাত্র ৯ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন অভিজ্ঞ অফ স্পিনার। মাত্র ৩৪ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে যায় নবাগত দলটি।
পরে কুশল পেরেরা ৩৫ বলে ৫৮ ও মার্নাস লাবুশেন ২৭ বলে ২৭ রান করে কোনোমতে দলকে দেড়শর কাছে নিয়ে যান।
শেষ দিকের ঘূর্ণি জাদুতে ৩২ রানে ৪ উইকেট নেন সুফিয়ান মুকিম। বাংলাদেশের পেসারদের মধ্যে ২ ওভারে ২১ রান দেন শরিফুল আর ৩ ওভারে ৩০ রান খরচ করেন নাহিদ।
রান তাড়ায় জালমির হয়ে ৩৭ বলে সর্বোচ্চ ৪৩ রান করেন অধিনায়ক বাবর আজম। এছাড়া কুশল মেন্ডিস ২৩ বলে ২৭ ও মাইকেল ব্রেসওয়েল ১৯ বলে করেন ২৫ রান।
শেষ ওভারে তাদের জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ১৪ রান। হুনাইন শাহর বলে ছক্কা ও চার মেরে দলকে জেতান ইফতিখার। তিনি ১০ বলে ১৫ রানে অপরাজিত থাকেন।

ব্যর্থতার বৃত্ত ভেঙে গা ঝাড়া দিলেন জস বাটলার। দিল্লি ক্যাপিটালসের বোলারদের নিয়ে ছেলেখেলা করে মারলেন একের পর এক ছক্কা। এই পথচলায় পূর্ণ হলো তার ক্যারিয়ারের ৬০০ ছক্কা। আর এই রেকর্ডের একটি জায়গায় তিনিই পৌঁছালেন সবার আগে।
আইপিএলে বুধবার রাতের ম্যাচে দিল্লির বিপক্ষে ২১০ রান করেছে গুজরাট টাইটান্স। যেখানে ৩ চার ও ৫ ছক্কায় ২৭ বলে ৫২ রানের ইনিংস খেলেছেন বাটলার। আর এই ৫ ছক্কায় স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে তার পূর্ণ হয়েছে ৬০০ ছক্কার মাইলফলক।
স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে এখন পর্যন্ত ৪৬৭ ইনিংসে বাটলারের ছক্কা ঠিক ৬০০টি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটার বাদ দিলে ৩৫ বছর বয়সী এই ইংলিশ তারকাই বিশ্বের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে এই সংস্করণে ৬০০টি ছক্কা মারার রেকর্ড গড়লেন।
বাটলারের আগে ৬০০ ছক্কার কীর্তি গড়া চারজন ব্যাটারই ওয়েস্ট ইন্ডিজের। অবসরের আগে মাত্র ৪৫৫ ইনিংসে ১ হাজার ৫৬টি ছক্কা মেরেছেন দ্য ইউনিভার্স বস ক্রিস গেইল। আর কারও এই সংস্করণে ১ হাজার ছক্কার রেকর্ড নেই।
৬৫২ ইনিংসে ৯৮২টি ছক্কা মেরে তালিকার দুই নম্বরে কাইরন পোলার্ড। এছাড়া আন্দ্রে রাসেন ৫০৮ ইনিংসে ৭৮৪ ও নিকোলাস পুরান ৪১৮ ইনিংসে মেরেছেন ৭১২টি ছক্কা। অর্থাৎ ৬০০ পেরিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের এই চার ব্যাটারই ছুঁয়েছেন ৭০০ ছক্কার মাইলফলক।
বাটলারের পর ৬০০ ছক্কার খুব কাছে আছেন তারই স্বদেশি অ্যালেক্স হেলস। এখন পর্যন্ত ৫২৩ ইনিংসে ৫৯৫টি ছক্কা মেরেছেন হেলস।
এছাড়া রানের তালিকায়ও ১৪ হাজারের খুব কাছে পৌঁছে গেছেন বাটলার। এখন পর্যন্ত ৮ সেঞ্চুরি ও ৯৯ ফিফটিতে তার সংগ্রহ ১৩ হাজার ৯৬১ রান। তার আগে ১৪ হাজার রান করেছেন চার ব্যাটার- গেইল (১৪৫৬২), পোলার্ড (১৪৪৮২), হেলস (১৪৪৪৯) ও ডেভিড ওয়ার্নার (১৪১২১)।

দেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ সাশ্রয় করতে ভূমিকা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তামিম ইকবালের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে সামনের সিরিজে ফ্লাডলাইটের ব্যবহার কমিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা।
পূর্ব নির্ধারিত সূচিতে ৩টি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি খেলতে সোমবার বাংলাদেশে আসার কথা নিউ জিল্যান্ড ক্রিকেট দলের। ওই সিরিজের ওয়ানডে ম্যাচগুলো শুরুর কথা ছিল দুপুর ২টায়। আর টি-টোয়েন্টি সিরিজের খেলা হওয়ার কথা ছিল সন্ধ্যা ৬টা থেকে।
এমনটা হলে ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ইনিংসের পুরোটা আর টি-টোয়েন্টি ম্যাচের দুই ইনিংসই খেলা হতো ফ্লাডলাইটের আলোয়। তাই এই সূচিতে বদল আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তামিমের বোর্ড।
বুধবার এডহক কমিটির প্রথম বোর্ড সভার পর সংবাদ সম্মেলনে এই কথা জানিয়েছেন তামিম।
“আপনারা জানেন বাংলাদেশ সরকার উৎসাহ দিচ্ছে যে, আমরা যতটুকু সম্ভব ইলেকট্রিসিটি যেন সেভ করতে পারি, সবাই মিলে অ্যাজ আ নেশন, যতটুকু সহায়তা করতে পারি। এগুলো মাথায় রেখে আমরা নিউ জিল্যান্ডের ম্যাচের সময় পরিবর্তন করছি। আমরা যতটুকু পারব, চেষ্টা করব যতটা কম সম্ভব কৃত্রিম আলোয় খেলার।”
“সুনির্দিষ্ট সময়টা এখনই বলছি না, তবে একটা ধারণা দিতে পারি। যেরকম ওয়ানডে ম্যাচগুলো হয়তো ১১টা বা সাড়ে ১১টা থেকে শুরু হতে পারে। টি-টোয়েন্টি ম্যাচ হয়তো ২টা বা আড়াইটা থেকে হতে পারে। কারণ বিদ্যুৎ নিয়ে যখন সরকার সবাইকে বলছে এটা করতে, ক্রিকেট বোর্ড, ক্রিকেটার এবং আমাদের সবার উচিত নিজেদের ভূমিকা রাখা। যদি (কৃত্রিম) আলো ব্যবহার করতেও হয়, যত মিনিমাম কম ব্যবহার করা যায়, যাতে বিদ্যুৎ বাঁচাতে পারি আমরা।”
যথাসময়ে নিউ জিল্যান্ড সিরিজের খেলা শুরুর সময় জানিয়ে দেবে বিসিবি।

চোটে পড়া দুই পেসার নাসিম শাহ ও জামান খানের শূন্যতা পূরণে নিউজিল্যান্ডের গতিতারকা বেন সিয়ার্সকে দলে নিয়েছে রিশাদ হোসেনের দল রাওয়ালপিন্ডি পিন্ডিজ। বুধবার ফ্র্যাঞ্চাইজিটি বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
দলীয় সূত্র জানিয়েছে, বর্তমানে নিউজিল্যান্ড ‘এ’ দলের সঙ্গে শ্রীলঙ্কায় থাকা সিয়ার্স প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র পেলে বৃহস্পতিবারই রাওয়ালপিন্ডিজ শিবিরে যোগ দেবেন। জিও নিউজের প্রতিবেদনে জানা গেছে এই খবর।
এবারই প্রথমবারের মতো পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) খেলতে যাচ্ছেন ডানহাতি এই পেসার। এর আগে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে তার অভিজ্ঞতা বলতে ছিল কেবল মেজর লিগ ক্রিকেটে ওয়াশিংটন ফ্রিডমের হয়ে খেলার অভিজ্ঞতা।
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে নিউজিল্যান্ডের হয়ে ২৭ ম্যাচে ৩১ উইকেট নিয়েছেন সিয়ার্স। চার ওয়ানডেতে তার শিকার ১০ উইকেট।
মূলত চোটে পড়া দুই পেসার নাসিম শাহ ও জামান খানের বিকল্প হিসেবে তাকে দলে টেনেছে পিন্ডিজ।
করাচি কিংসের বিপক্ষে সর্বশেষ ম্যাচে চোটে পড়া নাসিম শাহ আপাতত মাঠের বাইরে। যদিও দলীয় সূত্র বলছে, তিনি এখনও স্কোয়াডের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবেই থাকছেন। আগামী ১৫ এপ্রিল তার আরও মেডিকেল পরীক্ষা হবে, যেখানে চোটের অগ্রগতি মূল্যায়ন করা হবে।
টিম ম্যানেজমেন্ট জানিয়েছে, টুর্নামেন্টের শেষ দিকে নাসিমের ফেরার সম্ভাবনা থাকলেও সেটি নির্ভর করছে তার পুনর্বাসন ও ফিটনেস পরীক্ষার ওপর।
অন্যদিকে ন্যাশনাল টি-টোয়েন্টি কাপে ফয়সালাবাদের হয়ে খেলতে গিয়ে ফিল্ডিংয়ের সময় ডান কাঁধে অ্যাক্রোমিওক্ল্যাভিকুলার (এসি) জয়েন্ট ডিসলোকেশনে পড়েছেন জামান খান। তার বদলি হিসেবে নেওয়া হয়েছে জালাত খানকে।
মোহাম্মদ রিজওয়ানের নেতৃত্বাধীন রাওয়ালপিন্ডিজ নিজেদের পরের পিএসএল ম্যাচ খেলবে ১০ এপ্রিল, কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটরসের বিপক্ষে।