
শততম টেস্টে সেঞ্চুরির পর এবার নিজের জন্মদিনেও শতকের সম্ভাবনা জাগিয়ে তুলেছেন মুশফিকুর রহিম। তবে অন্যপ্রান্ত থেকে তেমন সমর্থন পাচ্ছে। মোহাম্মদ আব্বাসের বোলিংয়ে এরই মধ্যে ৩ উইকেট হারিয়ে ফেলেছে বাংলাদেশ।
মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথম টেস্টে দ্বিতীয় দিনের মধ্যাহ্ন বিরতি পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ৭ উইকেটে ৩৮০ রান। প্রথম সেশনের ২৪ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ৭৯ রান করেছে স্বাগতিকরা।
এক প্রান্ত আগলে রেখে ৮ চারে ১৭৬ বলে ৭১ রানে খেলছেন মুশফিক। এদিনটি আবার তার ৩৯তম জন্মদিন। তাই আর মাত্র ২৯ রান করতে পারলে সেঞ্চুরি দিয়েই জন্মদিনটি রাঙাতে পারবেন অভিজ্ঞ এই ব্যাটার।
আরও পড়ুন
| বিশ্বকাপের প্রাথমিক স্কোয়াডে আছেন নেইমার-এস্তেভাও |
|
এর আগে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে নিজের শততম টেস্টে শতক করেছিলেন মুশফিক। এবার আরেকটি সেঞ্চুরি করতে পারলে বিরল কীর্তির মালিক হবেন তিনি। এর আগে ডেভিড ওয়ার্নার নিজের জন্মদিন ও শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করেছিলেন।
মুশফিকের সেঞ্চুরির পথে বাধা হিসেবে আছেন পাকিস্তানি পেসার মোহাম্মদ আব্বাস। দ্বিতীয় দিনে বাংলাদেশের ৩টি উইকেটই নিয়েছেন তিনি।
৬৭ বলে ৩৩ রানে আউট হয়েছেন লিটন কুমার দাস। মেহেদী হাসান মিরাজ করেছেন ১২ বলে ১০ রান। বিরতির কিছুক্ষণ আগে ফেরেন ২৩ বলে ১৭ রান করা তাইজুল।
এখন মুশফিকের সঙ্গে ক্রিজে আছেন ইবাদত হোসেন চৌধুরি। তাকে নিয়েই নিজের শতকের পথে ও দলকে বড় সংগ্রহের দিকে নিয়ে যেতে হবে অভিজ্ঞ ব্যাটারের।
No posts available.
১২ মে ২০২৬, ১২:২৬ পিএম

শ্বাসরুদ্ধর শেষ সেশনের সামনে দাঁড়িয়ে এখন দুদল। ৫ম দিনের টি ব্রেকের সময় পাকিস্তানের স্কোর ১১৬/৩। জয়ের জন্য বাংলাদেশের দরকার ৭ উইকেট, পাকিস্তানের দরকার শেষ ৪৫ ওভারে ১৫২রান। আবহাওয়া অনূকুল থাকলে লম্বা শেষ সেশনে ওভারপ্রতি ৩.৩৭ হারে রান করে করতে হবে পাকিস্তানকে। অভিষিক্ত আবদুল্লাহ ফজল ৬৬ রানে এবং সালমান আগা ২১ রানে ব্যাটিংয়ে আছেন।
টেস্টে শেষ সেশনে এসে এমন শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতির সামনে খুব কমই পড়েছে বাংলাদেশ দল। ৫ম দিনের টি ব্রেক পর্যন্ত উইকেটে ফাটল ধরেনি। উইকেট থেকে স্পিনারদের পিচিং ডেলিভারি বিপজ্জনক মনে হয়নি। সে কারনেই জয় কিংবা ড্র-দুদলের সামনে সমান সুযোগ।
মিরপুরে ৪র্থ ইনিংসে ২০৯রানের বেশি তাড়া করে জয়ের রেকর্ড নেই কারো। ২০১০ সালে ওই রান তাড়া করে জিতেছিল ইংল্যান্ড। ২০০৮ সালে ২০৫ রান তাড়া করে দক্ষিণ আফ্রিকা জিতেছিল ৫ উইকেটে। ২০১৬ সালে ৪র্থ ইনিংসে ইংল্যান্ডকে ২৭২ রানের টার্গেট দিয়ে ১০৮ রানে এবং ২০১৭ সালে অস্ট্রেলিয়াকে ২৬৪ রানের টার্গেট দিয়ে ২০ রানে বাংলাদেশের জয়ের অতীত থেকে টনিক নিতেই পারে শান্ত'র দল।
চতুর্থ দিন শেষেই পঞ্চম দিনের রোমাঞ্চের আবহ ছিল শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে। টেস্ট ক্রিকেটে সফল চতুর্থ ইনিংসের পরিসংখ্যান চলে এসেছে সামনে। চতুর্থ দিন শেষে ১৭৯ রানের লিড নিয়ে পাকিস্তানকে ব্যাকফুটে নামিয়ে আনার ছকঁই একেঁছে নাজমুল হোসেন শান্ত'র দল। ১৫২/৩ স্কোর নিয়ে ব্যাট করতে এসে পঞ্চম দিনের লাঞ্চ ব্রেকের ২৫ মিনিট আগে ইনিংস ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ২৪০/৯ স্কোরে।
চতুর্থ ইনিংসে ২৬৮ রানের চ্যালেঞ্জ দিয়েছে বাংলাদেশ সফরকারী পাকিস্তান দলকে। পাকিস্তানকে খেলতে হবে ৭৬ ওভার। পাকিস্তানকে চতুর্থ ইনিংসে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে ৫ম দিনের লাঞ্চের আগে প্রতিপক্ষ দলকে ১৫ মিনিট ব্যাটিংয়ের সুযোগ দিয়ে ওপেনিং পার্টনারশিপ বিচ্ছিন্ন করেছে বাংলাদেশ। ইমাম উল হককে (২) অ্যাঙ্গল ডেলিভারিতে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিতে বাধ্য করেছেন তাসকিন।
লাঞ্চের পর তিন ওভারের মধ্যে প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি করা পাকিস্তানি ওপেনার আজান আওয়াইসকে ফিরিয়ে দিয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। মিরাজের দ্বিতীয় স্পেলের প্রথম ডেলিভারিতে ব্যাকফুটে কাট করতে যেয়ে আজান বোল্ড (৩৩ বলে ১৫) হয়েছেন। নাহিদ রানার ৪র্থ ওভারের দ্বিতীয় বলটি ছিল এক্সট্রা বাউন্স। ওই ডেলিভারিতে ব্যাকফুটে খেলতে যেয়ে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়েছেন শান মাসুদ (২)।
৫ম দিনে ১১০ মিনিট ব্যাটিং করে ৮৮ রান যোগ করে হারিয়েছে বাংলাদেশ ৬ উইকেট। বাঁ হাতি স্পিনার নোমান আলী লম্বা স্পেলে ৩ উইকেট পেয়ে (১৮-১-৭৬-৩) পূর্ণ করেছেন টেস্টে শততম উইকেট। অন্য পেসার হাসান আলী এদিন পেয়েছেন ২ উইকেট। অন্য পেসার শাহিন আফ্রিদি-মুহাম্মদ আব্বাস এই দিনটিতে পেয়েছেন ১টি করে উইকেট।
দিনের দ্বিতীয় ওভারে হাসান আলীর বলে মিড অফে ক্যাচ দিয়ে থেমেছেন মুশফিক (৩৭ বলে ৪ বাউন্ডারিতে ২২)। শাহিন শাহ আফ্রিদির দ্বিতীয় ওভারে লিটন দাস দিয়েছেন ডিপ ফাইন লেগে ক্যাচ (২৮ বলে ১১)।
২০২৩ সালে আফগানিস্তানের বিপক্ষে মিরপুরে উভয় ইনিংসে সেঞ্চুরি (১৪৬ও ১২৩), ২০২৫ সালে গল এ শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে (১৪৮ ও ১২৫) এর পর তৃতীয়বারের মতো একই কৃতির সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন শান্ত। চতুর্থ দিন শেষে ছিলেন ৫৮ রানে ব্যাটিংয়ে। অপেক্ষা ছিল ৪২ রান। সেঞ্চুরির কক্ষপথেই ছিলেন বাংলাদেশ টেস্ট অধিনায়ক। টেস্ট ক্রিকেটের ১৪৩ বছরের ইতিহাসে তিন কৃতিমানের আছে এমন রেকর্ড। সেঞ্চুরিটি পেলে তিন লিজেন্ডারি ভারতের সুনিল গাভাস্কার, অস্ট্রেলিয়ার রিকি পন্টিং এবং ডেভিড ওয়ার্নারের পাশে নাম লেখাতে পারতেন শান্ত।
চতুর্থ দিনে সতর্ক ব্যাটিংয়ে নিজের প্রথম বাউন্ডারির জন্য অপেক্ষা করেছেন ১৬টি বল। হাসান আলীর শর্ট বলে স্কোয়ার লেগ দিয়ে বাউন্ডারিতে পেয়েছেন ছন্দ। তবে অপর এন্ডে পাকিস্তান বোলারদের উপর মিরাজের প্রতি আক্রমন দেখে বড় শট খেলতে প্রলুব্ধ হয়েছেন শান্ত। বাঁ হাতি স্পিনার নোমান আলীকে রিভার্স সুইপ করতে যেয়ে এলবিডাব্লুউতে থেমেছেন নোমান আলী ৮৭ রানে। রিভিউ আপীলে আম্পায়ার ক্যাটেলব্রর সিদ্ধান্ত পরিবর্তিত হয়নি। আলট্রা এজ-এ ব্যাট কিংবা গ্লাভসের স্পর্শ ধরা পড়েনি। বল ট্র্যাকিংয়ে লেগ স্ট্যাম্পের দিকে বলের গতিপথ ধরা পড়ায় থামতে হয়েছে শান্তকে। ২৮৪ মিনিট ব্যাটিং করে ৭ বাউন্ডারিতে সাজানো এই ইনিংসে তাঁর আক্ষেপ ১৩ রান।
শান্ত ফিরে যাওয়ার পর নোমান আলীর বলে ফরোয়ার্ড ডিফেন্স করতে যেয়ে স্লিপে ক্যাচ দিয়েছেন মিরাজ (২৭ বলে ৩ চার, ১ ছক্কায় ২৪)। পূর্ণ করেছেন ১০০তম উইকেট। ৩ বল পর তাইজুলকেও (৩) শিকার করেছেন এই বাঁ হাতি স্পিনার। হাসান আলীর বলে স্কোয়ার লেগে তাসকিন (৫ বলে ১১) ক্যাচ দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইনিংস ঘোষণা (২৪০/৯ডি.) করেছেন শান্ত।

পাঞ্জাব কিংসের বিপক্ষে জয়ের আনন্দটা পুরোপুরি উপভোগ করতে পারল না দিল্লি ক্যাপিটালস। স্লো ওভার রেটের কারণে অধিনায়ক অক্ষর প্যাটেলকে ১২ লাখ টাকা জরিমানা করেছে আইপিএল কর্তৃপক্ষ।
আইপিএলের আচরণবিধির ২.২২ ধারা ভেঙ্গেছেন অক্ষর। চলতি টুর্নামেন্টে এটি দিল্লির প্রথম অপরাধ। দ্বিতীয়বার এই অপরাধ করলে জরিমানার পরিমাণ দ্বিগুণ হয়ে ২৪ লক্ষ রুপি হবে। সেই সাথে দলের বাকি সদস্যদের ম্যাচ ফির ২৫ শতাংশ জরিমানা গুণতে হবে।
ধর্মশালায় সোমবার রাতে পাঞ্জাবের দেওয়া ২১১ রানের লক্ষ্য তাড়ায় ৩ উইকেটের জয় ছিনিয়ে নিয়েছে দিল্লি ক্যাপিটালস। এই জয়ের ফলে প্লে-অফের লড়াইয়ে টিকে রইল তারা।
প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে প্রিয়াংশ আর্যর ৫৬ এবং অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ারের অপরাজিত ৫৯ রানের ওপর ভর করে ৫ উইকেটে ২১০ রান তোলে পাঞ্জাব।
রান তাড়া করতে নেমে ৭৪ রানেই ৪ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল দিল্লি। সেখান থেকেই দলকে টেনে তোলেন অধিনায়ক অক্ষর প্যাটেল (৫৬) এবং ডেভিড মিলার (৫১)।
শেষ দিকে আশুতোষ শর্মা (২৪) ও মাধব তিওয়ারির (১৮*) ব্যাটে চড়ে ১৯ ওভারেই পাঞ্জাবের রান টপকে যায় জয় দিল্লি।
ম্যাচসেরা মাধব তিওয়ারি বল হাতেও নিয়েছেন দুটি উইকেট। তাঁর সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার তারকা পেসার মিচেল স্টার্কও শিকার করেন দুই উইকেট।
১২ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট তালিকার সাত নম্বরে দিল্লি। এক ম্যাচ কম খেলে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে চার নম্বরে পাঞ্জাব। সমান ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে সবার ওপরে রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু।

চতুর্থ দিন শেষেই পঞ্চম দিনের রোমাঞ্চের আবহ ছিল শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে। টেস্ট ক্রিকেটে সফল চতুর্থ ইনিংসের পরিসংখ্যান চলে এসেছে সামনে। চতুর্থ দিন শেষে ১৭৯ রানের লিড নিয়ে পাকিস্তানকে ব্যাকফুটে নামিয়ে আনার ছকঁই একেঁছে নাজমুল হোসেন শান্ত'র দল। ১৫২/৩ স্কোর নিয়ে ব্যাট করতে এসে পঞ্চম দিনের লাঞ্চ ব্রেকের ২৫ মিনিট আগে ইনিংস ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ২৪০/৯ স্কোরে। চতুর্থ ইনিংসে ২৬৮ রানের চ্যালেঞ্জ দিয়েছে বাংলাদেশ সফরকারী পাকিস্তান দলকে। পাকিস্তানকে খেলতে হবে ৭৬ ওভার। পাকিস্তানকে চতুর্থ ইনিংসে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে ৫ম দিনের লাঞ্চের আগে ওপেনিং পার্টনারশিপ বিচ্ছিন্ন করেছেন তাসকিন। ইমাম উল হককে (২) অ্যাঙ্গল ডেলিভারিতে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিতে বাধ্য করেছেন তাসকিন। টেস্ট জয়ে বাংলাদেশের দরকার এখন ৯ উইকেটে, পাকিস্তানের দরকার সেখানে ২৬২ রান।
মিরপুরে ৪র্থ ইনিংসে ২০৯রানের বেশি তাড়া করে জয়ের রেকর্ড নেই কারো। ২০১০ সালে ওই রান তাড়া করে জিতেছিল ইংল্যান্ড। ২০০৮ সালে ২০৫ রান তাড়া করে দক্ষিণ আফ্রিকা জিতেছিল ৫ উইকেটে। ২০১৬ সালে ৪র্থ ইনিংসে ইংল্যান্ডকে ২৭২ রানের টার্গেট দিয়ে ১০৮ রানে এবং ২০১৭ সালে অস্ট্রেলিয়াকে ২৬৪ রানের টার্গেট দিয়ে ২০ রানে বাংলাদেশের জয়ের অতীত থেকে টনিক নিতেই পারে শান্ত'র দল।
৫ম দিনে ১১০ মিনিট ব্যাটিং করে ৮৮ রান যোগ করে হারিয়েছে বাংলাদেশ ৬ উইকেট। বাঁ হাতি স্পিনার নোমান আলী লম্বা স্পেলে ৩ উইকেট পেয়ে (১৮-১-৭৬-৩) পূর্ণ করেছেন টেস্টে শততম উইকেট। অন্য পেসার হাসান আলী এদিন পেয়েছেন ২ উইকেট। অন্য পেসার শাহিন আফ্রিদি-মুহাম্মদ আব্বাস এই দিনটিতে পেয়েছেন ১টি করে উইকেট।
দিনের দ্বিতীয় ওভারে হাসান আলীর বলে মিড অফে ক্যাচ দিয়ে থেমেছেন মুশফিক (৩৭ বলে ৪ বাউন্ডারিতে ২২)। শাহিন শাহ আফ্রিদির দ্বিতীয় ওভারে লিটন দাস দিয়েছেন ডিপ ফাইন লেগে ক্যাচ (২৮ বলে ১১)।
২০২৩ সালে আফগানিস্তানের বিপক্ষে মিরপুরে উভয় ইনিংসে সেঞ্চুরি (১৪৬ও ১২৩), ২০২৫ সালে গল এ শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে (১৪৮ ও ১২৫) এর পর তৃতীয়বারের মতো একই কৃতির সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন শান্ত। চতুর্থ দিন শেষে ছিলেন ৫৮ রানে ব্যাটিংয়ে। অপেক্ষা ছিল ৪২ রান। সেঞ্চুরির কক্ষপথেই ছিলেন বাংলাদেশ টেস্ট অধিনায়ক। টেস্ট ক্রিকেটের ১৪৩ বছরের ইতিহাসে তিন কৃতিমানের আছে এমন রেকর্ড। সেঞ্চুরিটি পেলে তিন লিজেন্ডারি ভারতের সুনিল গাভাস্কার, অস্ট্রেলিয়ার রিকি পন্টিং এবং ডেভিড ওয়ার্নারের পাশে নাম লেখাতে পারতেন শান্ত।
চতুর্থ দিনে সতর্ক ব্যাটিংয়ে নিজের প্রথম বাউন্ডারির জন্য অপেক্ষা করেছেন ১৬টি বল। হাসান আলীর শর্ট বলে স্কোয়ার লেগ দিয়ে বাউন্ডারিতে পেয়েছেন ছন্দ। তবে অপর এন্ডে পাকিস্তান বোলারদের উপর মিরাজের প্রতি আক্রমন দেখে বড় শট খেলতে প্রলুব্ধ হয়েছেন শান্ত। বাঁ হাতি স্পিনার নোমান আলীকে রিভার্স সুইপ করতে যেয়ে এলবিডাব্লুউতে থেমেছেন নোমান আলী ৮৭ রানে। রিভিউ আপীলে আম্পায়ার ক্যাটেলব্রর সিদ্ধান্ত পরিবর্তিত হয়নি। আলট্রা এজ-এ ব্যাট কিংবা গ্লাভসের স্পর্শ ধরা পড়েনি। বল ট্র্যাকিংয়ে লেগ স্ট্যাম্পের দিকে বলের গতিপথ ধরা পড়ায় থামতে হয়েছে শান্তকে। ২৮৪ মিনিট ব্যাটিং করে ৭ বাউন্ডারিতে সাজানো এই ইনিংসে তাঁর আক্ষেপ ১৩ রান।
শান্ত ফিরে যাওয়ার পর নোমান আলীর বলে ফরোয়ার্ড ডিফেন্স করতে যেয়ে স্লিপে ক্যাচ দিয়েছেন মিরাজ (২৭ বলে ৩ চার, ১ ছক্কায় ২৪)। পূর্ণ করেছেন ১০০তম উইকেট। ৩ বল পর তাইজুলকেও (৩) শিকার করেছেন এই বাঁ হাতি স্পিনার। হাসান আলীর বলে স্কোয়ার লেগে তাসকিন (৫ বলে ১১) ক্যাচ দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইনিংস ঘোষণা (২৪০/৯ডি.) করেছেন শান্ত।

টেস্ট ক্যারিয়ারে তাঁর ফিফটি থেকে সেঞ্চুরির সংখ্যা বেশি। পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরিতে (১০১) ৪০ টেস্টে ৫ ফিফটির পাশে সেঞ্চুরির সংখ্যাটা উন্নীত করেছিলেন ৯-এ। টেস্ট ক্যারিয়ারে ৮০'র ঘরে এসে একবার কেবল তিন অঙ্কের নাগাল পাননি। নব্বইয়ের ঘরে এসে কখনো সেঞ্চুরি হাতছাড়া করার কষ্ট পেতে হয়নি। সে কারণেই চতুর্থ ইনিংসেও শান্ত'র আর একটি সেঞ্চুরির দিকে তাকিয়ে ছিলেন সবাই।
২০২৩ সালে আফগানিস্তানের বিপক্ষে মিরপুরে উভয় ইনিংসে সেঞ্চুরি (১৪৬ও ১২৩), ২০২৫ সালে গল এ শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে (১৪৮ ও ১২৫) এর পর তৃতীয়বারের মতো একই কৃতির সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন শান্ত। চতুর্থ দিন শেষে ছিলেন ৫৮ রানে ব্যাটিংয়ে অপেক্ষা ছিল ৪২ রান। সেঞ্চুরির কক্ষপথেই ছিলেন বাংলাদেশ টেস্ট অধিনায়ক। টেস্ট ক্রিকেটের ১৪৩ বছরের ইতিহাসে তিন কৃতিমানের আছে এমন রেকর্ড। সেঞ্চুরিটি পেলে তিন লিজেন্ডারি ভারতের সুনিল গাভাস্কার, অস্ট্রেলিয়ার রিকি পন্টিং এবং ডেভিড ওয়ার্নারের পাশে নাম লেখাতে পারতেন শান্ত।
চতুর্থ দিনে সতর্ক ব্যাটিংয়ে নিজের প্রথম বাউন্ডারির জন্য অপেক্ষা করেছেন ১৬টি বল। হাসান আলীর শর্ট বলে স্কোয়ার লেগ দিয়ে বাউন্ডারিতে পেয়েছেন ছন্দ। তবে অপর এন্ডে পাকিস্তান বোলারদের উপর মিরাজের প্রতি আক্রমন দেখে বড় শট খেলতে প্রলুব্ধ হয়েছেন শান্ত। বাঁ হাতি স্পিনার নোমান আলীকে রিভার্স সুইপ করতে যেয়ে এলবিডাব্লুউতে থেমেছেন নোমান আলী ৮৭ রানে। রিভিউ আপীলে আম্পায়ার ক্যাটেলব্রর সিদ্ধান্ত পরিবর্তিত হয়নি। আলট্রা এজ-এ ব্যাট কিংবা গ্লাভসের স্পর্শ ধরা পড়েনি। বল ট্র্যাকিংয়ে লেগ স্ট্যাম্পের দিকে বলের গতিপথ ধরা পড়ায় থামতে হয়েছে শান্তকে। ২৮৪ মিনিট ব্যাটিং করে ৭ বাউন্ডারিতে সাজানো এই ইনিংসে তাঁর আক্ষেপ ১৩ রান।

ভারতীয় ক্রিকেটের কিংবদন্তি রাহুল দ্রাবিড় এবার পা রাখলেন ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের মালিকানায়। ইউরোপিয়ান টি-টোয়েন্টি প্রিমিয়ার লিগে (ইটিপিএল) ডাবলিন গার্ডিয়ানস দলের সহ-স্বত্বাধিকারী হিসেবে নাম ঘোষণা করা হয়েছে তাঁর।
৫৩ বছর বয়সী দ্রাবিড় ২০২১ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ভারতীয় জাতীয় দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব পালন করেছেন। তাকে এই লিগের সাথে যুক্ত করা আয়োজকদের জন্য একটি বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।
নতুন পথচলা সম্পর্কে দ্রাবিড় বলেন,
’এর সাথে যুক্ত হতে পেরে অত্যন্ত আনন্দিত। ইউরোপে ক্রিকেটের প্রতি যে আবেগ এবং উদ্দীপনা আমি দেখেছি, তা সত্যিই দারুণ। তৃণমূল পর্যায়ের প্রতিভা এবং টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ইউরোপীয় দেশগুলোর পারফরম্যান্স প্রমাণ করে এখানে অনেক সম্ভাবনা রয়েছে। এই প্রতিভাদের বিশ্বমঞ্চে দেখা আমার স্বপ্ন।‘
আয়ারল্যান্ড, স্কটল্যান্ড এবং নেদারল্যান্ডস ক্রিকেট বোর্ডের যৌথ উদ্যোগে শুরু হতে যাওয়া এই লিগে মোট ছয়টি দল অংশ নেবে। প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজি ১০ বছরের জন্য ১৫ মিলিয়ন ডলারে বিক্রি হয়েছে।
বলিউড তারকা অভিষেক বচ্চনের সহ-মালিকানাধীন এই লিগে মালিক হিসেবে আরও রয়েছেন স্টিভ ওয়াহ, ক্রিস গেইল এবং গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের মতো কিংবদন্তিরা।
ইউরোপিয়ান টি-টোয়েন্টি প্রিমিয়ার লিগের প্রথম সংস্করণ শুরু হবে আগামী ২৬ আগস্ট থেকে ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। টুর্নামেন্টে স্টিভেন স্মিথ, মিচেল মার্শ এবং লিয়াম লিভিংস্টোনের মতো তারকাদের খেলতে দেখা যাবে।