১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৪:৩৩ পিএম

তিন দলের নাম চূড়ান্ত হয়েছিল আগেই। অপেক্ষা ছিল চতুর্থ ও শেষ দলের। রোববার দুপুরে জানা গেল সেই নাম। যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাবনা শেষ করে দিয়ে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মূল পর্ব নিশ্চিত করল স্কটল্যান্ড।
নেপালে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের শেষ ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রকে ৪১ রানে হারিয়েছে স্কটল্যান্ড। সুপার সিক্স পর্বে পাঁচ ম্যাচে ছয় পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ দল হিসেবে বিশ্বকাপের মূল পর্বে নাম লেখাল তারা।
বাছাইপর্বে সবকটি ম্যাচ জিতে পূর্ণ ১০ পয়েন্ট নিয়ে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ। তাদের সঙ্গে আগেই বিশ্বকাপের টিকেট কেটে ফেলেছিল নেদারল্যান্ডস ও আয়ারল্যান্ড। এবার এই তিন দলের সঙ্গী হয়েছে স্কটিশরা।
ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে আগামী জুন-জুলাইয়ে হবে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মূল পর্ব। আয়োজক দেশ হিসেবে সরাসরি খেলার সুযোগ পেয়েছে ইংল্যান্ড।
আর গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দলীয় অবস্থান অনুযায়ী বিশ্বকাপের সরাসরি টিকেট পায় অস্ট্রেলিয়া, ভারত, নিউ জিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
এই ছয় দলের বাইরে র্যাঙ্কিংয়ে অবস্থান অনুযায়ী বিশ্বকাপ নিশ্চিত করে শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তান। বাকি চার দলের জন্য আয়োজন করা হয় বাছাইপর্ব। যেখান থেকে জানা গেল শেষ চার দলের নাম।
২০২৬ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী সব দল
ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, ভারত, নিউ জিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, নেদারল্যান্ডস, আয়ারল্যান্ড ও স্কটল্যান্ড
No posts available.
১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৯:৪৪ এম
৩১ জানুয়ারি ২০২৬, ৯:২১ পিএম
৩১ জানুয়ারি ২০২৬, ৮:৩৮ পিএম
৩১ জানুয়ারি ২০২৬, ৭:২১ পিএম

বৃষ্টির কারণে ১০ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে সান্ত্বনার জয় পেয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। শুক্রবার রাতে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে ডিএলএস পদ্ধতিতে ক্যারিবিয়রা জিতেছে ৬ রানে।
জোহানেসবার্গের ওয়ান্ডারার্স স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাট করে ১০ ওভারে ৩ উইকেটে ১১৪ রান তোলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ডিএলএস হিসাব অনুযায়ী দক্ষিণ আফ্রিকার লক্ষ্য দাঁড়ায় ১২৫ রান। তবে ৬ উইকেটে ১১৮ রানের বেশি করতে পারেনি স্বাগতিকরা।
নির্ধারিত সময়ের আগে বজ্রপাতের কারণে দেরিতে শুরু হয় খেলা। একাধিকবার খেলা বন্ধ থাকায় শেষ পর্যন্ত ম্যাচ নামিয়ে আনা হয় ১০ ওভারে।
টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শাই হোপের ২৫ বলে ৪৮ রান ও শিমরন হেটমায়ারের ২২ বলে অপরাজিত ৪৮ রানের উপর ভর করে ৩ উইকেটে ১১৪ রান তোলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
জবাবে কুইন্টন ডি কক ২৮ রান করলেও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি কেউ। শেষ ওভারে শামার জোসেফের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে জয় নিশ্চিত করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ক্যারিবিয়দের হয়ে গুদাকেশ মোতি ১৭ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন।
শেষ ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রয়োজন ছিল ১৬ রান। তৃতীয় বলে জেসন স্মিথ বাউন্ডারি হাঁকালেও ৩ বলে প্রয়োজন ছিল ৯ রান। চতুর্থ বলে স্মিথকে বোল্ড করে চাপ বাড়ান শামার জোসেফ। শেষ দুই বলে ৮ রান তুলতে ব্যর্থ হয় স্বাগতিকরা।
সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে টানা দুই বড় হারের পর অবশেষে স্বস্তির জয় পেল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ম্যাচসেরা হয়েছেন ক্যারিবিয়ান স্পিনার গুদাকেশ মোতি। আর সিরিজ সেরা ডি কক।

চ্যাম্পিয়ন হওয়ার প্রত্যয় নিয়ে দেশ ছেড়েছিল বাংলাদেশ। তবে একরাশ হতাশা নিয়েই দেশে ফিরতে হচ্ছে যুবাদের। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে সুপার সিক্সে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হারে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিশ্চিত হয় আগেই। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সান্ত্বনার জয় নিয়ে টুর্নামন্টে শেষ হলো আজিজুল হাকিমদের।
হারারাতে আজ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের সুপার সিক্সে নিজেদের শেষ ম্যাচে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৭৪ রানের জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। শুরুতে ব্যাটিংয়ে নেমে ৫০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ২৫৩ রান করে বাংলাদেশের যুবারা। সর্বোচ্চ রান আসে অধিনায়ক আজিজুলের ব্যাট থেকে। ৮৭ বলে ৫৯ রান করেন তিনি।
রান তাড়ায় ইকবাল হোসেন ইমনের তোপে ১৭৯ রানে গুটিয়ে যায় জিম্বাবুয়ে। ১০ ওভারে মাত্র ২৪ রান দিয়ে পাঁচ উইকেট নেন ডানহাতি পেসার ইমন। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ইতিহাসে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি পাঁচ উইকেট নেওয়া বোলার এখন ইমন। ৪২ ইনিংসে তিনবার পাঁচ উইকেট নিয়েছেন তিনি।
আনুষ্ঠানিকতা রক্ষার ম্যাচে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। কালাম সিদ্দিকি ও ইমন ছাড়া দুই অঙ্কে পৌঁছান সব ব্যাটারই। ১১ নম্বরে নামা ইমন ২ বলে ২ চারে ৮ রানে অপরাজিত ছিলেন।
দলীয় ২০ রানে প্রথম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ১৪ বলে ১৫ করেন রিফাত বেগ। আরেক ওপেনার জাওয়াদ আবরার করেন ৪৮ বলে ২৫ রান। ২১ ওভার শেষে তিন উইকেট হারিয়ে ৮০ রান তোলে বাংলাদেশ।
তারপর আজিজুল হাকিম ও রিজান হোসেন বাংলাদেশের ইনিংসের সর্বোচ্চ ৭৩ রানের জুটি গড়েন। ফিফটি করা অধিনায়ক ফিরলে ভাঙে চতুর্থ উইকেটের এই জুটি।
আজিজুল-রিজানের জুটি ভাঙার পর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ। উইকেটে থিতু হয়েও ইনিংস বড় করতে ব্যর্থ হন বাকিরা। ইনিংসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান আসে ৬৮ বলে ৪৭ করা রিজানের ব্যাট থেকে।
রান তাড়ায় নেমে ইমনের তোপে পড়েন জিম্বাবুয়ের ব্যাটাররা। স্বাগতিকদের টপ অর্ডার আর মিডল অর্ডারে একাই ধস নামান এই পেসার। ৫৪ রানেই পাঁচ উইকেট হারায় স্বাগতিকরা।
জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক সিম্বারাশে মুদজেঙ্গেরের একাই লড়ে যান। ১২১ বলে ৭০ করেন তিনি। ৪২ বলে ৪২ করা শেলটন মাজভিতোরেরার জিম্বাবুয়ের হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ইনিংস খেলেন। নবম উইকেটে এই দুজনের ৬৪ রানের জুটি কেবল বাংলাদেশের জয়ের ব্যবধানই কমিয়েছে।
ইমনের পাঁচ উইকেট ছাড়া তিন উইকেট নেন আল ফাহাদ। একটি করে উইকেট নিয়েছেন আজিজুল হাকিম, রিজান হোসেন।

নিরাপত্তা শঙ্কায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর এবার দেশের শীর্ষস্থানীয় ক্রিকেটারদের নিয়ে নতুন টুর্নামেন্ট আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিলো বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তিন দলে ভাগ হয়ে ‘অদম্য বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি কাপ’ খেলবেন লিটন কুমার দাস, নাজমুল হোসেন শান্তরা।
এক বিবৃতিতে শনিবার এই টুর্নামেন্টের ঘোষণা দিয়েছে বিসিবি। মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি শুরু হবে আড়াই কোটি টাকা প্রাইজমানির এই অদম্য বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি কাপের খেলা।
এরই মধ্যে ঠিক করা হয়েছে তিন দলের নাম- ধুমকেতু একাদশ, দুর্বার একাদশ ও দুরন্ত একাদশ। লিটন কুমার দাসের নেতৃত্বে খেলবে ধুমকেতু। এছাড়া দুর্বারের অধিনায়কত্ব করবেন শান্ত ও দুরন্তের নেতৃত্বে থাকবেন আকবর আলি।
তিন দলের কোচিং প্যানেলও সাজিয়ে ফেলেছে বিসিবি। ধুমকেতুর প্রধান কোচ মোহাম্মদ সালাহউদ্দীন ও সহকারী কোচ মোহাম্মদ আশরাফুল। দুর্বারের দায়িত্বে মিজানুর রহমান বাবুল ও তার ডেপুটি তুষার ইমরান। আর দুরন্তের কোচ হিসেবে থাকবেন বিপিএল জয়ী হান্নান সরকার, সহকারী হিসেবে থাকবেন রাজিন সালেহ।
অদম্য কাপে আইপিএলের আদলে ’ইমপ্যাক্ট প্লেয়ার’ নিয়ম ব্যবহারের কথাও জানিয়েছে বিসিবি। প্রতি দিন খেলা শুরুর আগে বিকেল ৪টায় থাকবে সাংস্কৃতিক আয়োজন। আর ৬টা থেকে শুরু হবে মাঠের খেলা।
পূর্ণাঙ্গ সূচি চূড়ান্ত হয়নি। তবে ৫, ৬ ও ৭ ফেব্রুয়ারি হবে রাউন্ড রবিন লিগের খেলা। যেখানে একে অপরের বিপক্ষে একবার করে মুখোমুখি হবে দলগুলো। এরপর সেরা দুই দল নিয়ে ৯ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) হবে ফাইনাল ম্যাচ।
মাঠে বসে খেলা দেখার জন্য সর্বনিম্ন ১০০ ও সর্বোচ্চ ১ হাজার টাকা গুনতে হবে দর্শকদের। প্রাইজমানি ও সব ফি মিলিয়ে এই টুর্নামেন্টের আর্থিক মূল্য আড়াই কোটি টাকা।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে নিজেদের ঝালিয়ে নেওয়ার কাজটা দারুণভাবেই করল পাকিস্তান। ঘরের মাঠে প্রথমবার অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ জয়ের স্বাদ পেল সালমান আলি আগার দল। প্রথম ম্যাচের পর দ্বিতীয়টিতেও ব্যাটে-বলে স্বাগতিকদের সামনে দাড়াতেই পারল না অজিরা।
লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে আজ তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে দ্বিতীয়টিতে ৯০ রানের জয় পেল পাকিস্তান। শুরুতে ব্যাটিংয়ে নেমে অধিনায়ক আগা ও উসামন খানের ফিফটিতে ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৯৮ রানের বড় সংগ্রহ পায় পাকিস্তান। জবাবে আবরার আহমেদ ও শাদাব খানের ঘূর্নিতে ১৫.৪ ওভারে ১০৮ রানেই গুটিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। তাতে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ নিশ্চিত হলো আগার দলের।
টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় জয় এটি। এরআগে ২০১৮ সালে আবুধাবিতে অজিদের বিপক্ষে ৬৬ রানের জয়ই ছিল তাদের সর্বোচ্চ। সংযুক্ত আরব আমিরাতে ওই সিরিজে অস্ট্রেলিয়াকে ধোবলধোলাই করার পর এই সংস্করণে তাদের বিপক্ষে প্রথম সিরিজ জয় পাকিস্তানের। নিজেদের মাঠে অস্ট্রেলিয়াকে প্রথমবার সিরিজ হারানোর ইতিহাসও গড়ল পাকিস্তান। অবশ্য ঘরের মাঠে টি-টোয়েন্টিতে এই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে তিন ম্যাচের প্রথম পূর্ণাঙ্গ সিরিজও ছিল এটি।
লাহোরে প্রথম ম্যাচে তবু লক্ষ্যে কাছাকাছি পৌছায় অস্ট্রেলিয়া। তবে আজ ১৯৯ রান তাড়ায় শুরু থেকেই হাঁসফাঁস করা মিচেল মার্শেল দল অল আউট হয়ে যেন হাঁফ ছেড়ে বাঁচে। তিন ওভারে ১৪ রান দিয়ে তিন উইকেট নেন আবরার। সমান উইকেট নেওয়া শাদাব ৪ ওভারে দেন ২৬ রান।
পাওয়ার প্লেতে ৪৮ রান তুলতেই তিন ব্যাটার ফেরেন। মিচেল মার্শ ১৮, ট্র্যাভিস হেড ৪ ও জশ ইংলিস ৫ রান করে ড্রেসিংরুমের পথ ধরেন। টপ অর্ডারের ধসের পর পাল্ট আক্রমণের পথ বেছে নেন ক্যামেরুন গ্রিন। তবে অন্যপ্রান্তে চলে আসা যাওয়ার মিছিল। ১০.৫ বল অস্ট্রেলিয়ার স্কোরবোর্ড ৭৬/৬। ম্যাট রেঁনশো ২, কোপার কোনোলি ১ এবং অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসের সর্বোচ্চ রান করা গ্রিন ২০ বলে ৩৫ করে আউট হন।
অস্ট্রেলিয়ার লোয়ার অর্ডারের ব্যাটারদের ফেরাতেও খুব একটা সময় লাগেনি পাকিস্তানের। শেষ দিকে ২৩ বলে ২৭ করা ম্যাথু শর্ট কেবল পাকিস্তানের জয় খানিকটা বিলম্বই করেছে।
এর আগে লাহোরে ঝড় তোলেন পাকিস্তান অধিনায়ক আগা। দুইয়ে নামা এই ব্যাটারের তাণ্ডবে পাওয়া প্লেতে ৭২ রান তোলে পাকিস্তান। ২৫ বলে ফিফটি করেন আগা। এর আগে ১১ বলে ২৩ রান করে আউটন হন সায়েম আইয়ুব। চারে নামা বাবর আজম আরও একবার ব্যর্থ। ছন্দহীনতার ধারাবাহিকতা ধরে রেখে ৫ বলে ২ করে অ্যাডাম জাম্পার বলে এলবিডব্লুউর ফাঁদে পড়েন তিনি।
বাবর আজম ফিরলেও ঝড় থামেনি আগার। ১২.৫ ওভারে পাকিস্তান অধিনায়ক যখন সাজঘরের পথ ধরেছেন পাকিস্তানের রান তখন ১২৫, আর আটটি ৪ ও চার ছক্কায় ৪০ বলে ৭৬ আগার নামের পাশে। তারপর পাকিস্তানের রান দুইশোর কাছাকাছি নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন উসমান খান। আউট হওয়ার আগে তিনি ডানহাতি ব্যাটার করেন ৩৬ বলে ৫৩ রান। পঞ্চম উইকেটে শাদাবকে নিয়ে গড়েন ৫৭ রানের জুটি। ২০ বলে ২৮ রানের ইনিংস খেলেন শাদাব। শেষ দিকে ৩ বলে ৯ করেন মোহাম্মদ নেওয়াজ।
সিরিজ নিশ্চিতের পর নিয়মরক্ষার তৃতীয় ও শেষ ম্যাচটি হবে আগামীকাল।

মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়াম ও এর আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করতে নতুন প্রবেশ বিধিমালা কার্যকর করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এই নিয়ম এখন থেকে স্টেডিয়াম কমপ্লেক্সে প্রবেশকারী সবার জন্য প্রযোজ্য হবে, যার মধ্যে সংবাদমাধ্যম প্রতিনিধিরাও অন্তর্ভুক্ত।
আজ এক বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি জানায়, নতুন বিধি অনুযায়ী সাংবাদিকদের জন্য স্টেডিয়ামে প্রবেশের একমাত্র নির্ধারিত পথ ১ নম্বর গেইট।
এ ছাড়া সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা শুধু নির্দিষ্ট কিছু উপলক্ষে স্টেডিয়ামে প্রবেশের সুযোগ পাবেন। এর মধ্যে রয়েছে ম্যাচের দিন, আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলন, বিসিবির আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণে আয়োজিত অনুষ্ঠান এবং বিসিবি কর্তৃক জানানো নির্দিষ্ট অনুশীলন বা প্রশিক্ষণ সেশন।
বিসিবি বলেছে, নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা এবং ভেন্যু ও বোর্ড কার্যালয়ের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার স্বার্থে এসব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নতুন নিয়ম বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সবার সহায়তা কামনা করেছে ক্রিকেট বোর্ড। বিসিবির নতুন নিয়মে সাংবাদিকদের কাজের পরিধি কিছুটা ‘সীমাবদ্ধ’ হচ্ছে।