
ইন্টার মায়ামির হয়ে শততম ম্যাচে মাঠে নেমেছিলেন লিওনেল মেসি। ম্যাচের ৩৩ মিনিটের মধ্যেই ৩-০ গোলের বড় লিড নিয়ে সমর্থকদের উৎসবের উপলক্ষও তৈরি করেছিল তারা। কিন্তু আনন্দ বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে দেয়নি অরল্যান্ডো সিটি।
মেজর লিগ সকারে আজ ভোরে হওয়া ম্যাচে মায়ামিকে স্তব্ধ করে ৪-৩ ব্যবধানের জয় ছিনিয়ে নিয়েছে অরল্যান্ডো। এই হারের ফলে নিজেদের নতুন ভেন্যু নু স্টেডিয়ামে টানা চার ম্যাচ জয়হীন রইল মায়ামি।
ম্যাচের শুরু থেকেই দাপট ছিল ইন্টার মায়ামির। মাত্র চার মিনিটের মাথায় ইয়ান ফ্রের গোলে এগিয়ে যায় তারা। এরপরই শুরু হয় মেসি ম্যাজিক। ২৫ মিনিটে মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে দারুণভাবে এগিয়ে গিয়ে লুইস সুয়ারেজকে পাস দেন মেসি। সুয়ারেজ ফিরতি পাসে বক্সের ভেতর বল বাড়ান মেসিকে। আর্জেন্টাইন তারকার নিখুঁত পাসে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন তেলাসকো সেগোভিয়া।
৩৩ মিনিটে এবার নিজেই গোলের খাতায় নাম লেখান মেসি। বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত বা পায়ের শটে ব্যবধান ৩-০ করেন। ইন্টার মায়ামির জার্সিতে এটি ছিল মেসির ৮৬তম গোল।
৩৯ মিনিটে অরল্যান্ডোর মার্তিন ওজেদা এক গোল শোধ করলে নাটকের শুরু হয়। ৬৮ মিনিটে ওজেদা নিজের দ্বিতীয় গোল করলে ব্যবধান দাঁড়ায় ৩-২। ৭৮ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে নিজের হ্যাটট্রিক পূর্ণ করার পাশাপাশি ম্যাচে ৩-৩ সমতা ফেরান এই আর্জেন্টাইন। ইনজুরি টাইমে টাইরেস স্পাইসার জয়সূচক গোলটি করলে স্তব্ধ হয়ে যায় পুরো গ্যালারি।
এমএলএসের ইতিহাসে এটি মাত্র তৃতীয় ঘটনা যেখানে ৩-০ গোলে পিছিয়ে থেকেও কোনো দল ম্যাচ জিতল। এর আগে ২০১৭ সালে সিয়াটল সাউন্ডার্স এবং ২০১৮ সালে এলএ গ্যালাক্সি এই কীর্তি গড়েছিল। অথচ এই ম্যাচের আগে গত ১৫ ম্যাচের মাত্র দুটিতে জিতেছিল অরল্যান্ডো।
এই হারে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে মায়ামির টানা ১১ ম্যাচের অপরাজিত যাত্রাও থেমে গেল। ১১ ম্যাচে ১৯ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের তিন নম্বরে ইন্টার মায়ামি। ১০ ম্যাচে ২৩ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে ন্যাশভিল এসসি। ১১ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে ১৩ নম্বরে অরল্যান্ডো।
No posts available.
৬ মে ২০২৬, ৯:২৩ এম

আর্সেনালের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনাল থেকে ছিটকে পড়ার পর দিয়েগো সিমেওনের কণ্ঠে ঝরেছে আক্ষেপ। এমিরেটস স্টেডিয়ামে ১-০ গোলের হারের ম্যাচে আন্তোয়ান গ্রিজম্যানের ওপর পেনাল্টির সিদ্ধান্তটি পরিষ্কার ছিল বলে মনে করেন আতলেতিকো মাদ্রিদ কোচ। তবে হারের পেছনে এটিকে অজুহাত হিসেবে দাঁড়া করাতে নারাজ তিনি।
ম্যাচের ৫৬ মিনিটে গ্রিজম্যানের গোড়ালিতে বা পায়ের ওপর সরাসরি আঘাত করেন রিকার্ডো ক্যালাফিওরি। পেনাল্টির আবেদন জানালেও রেফারি আতলেতিকোকে পেনাল্টি না দিয়ে আর্সেনালের পক্ষে একটি ফ্রি-কিক দেন।
ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে সিমেওনে বলেন,
‘গ্রিজম্যানের ঘটনাটি খুবই পরিষ্কার ছিল। শুরুতে আমরা ভেবেছিলাম রেফারি দানিয়েল সিবার্ট সঠিক সিদ্ধান্তই নিয়েছেন, কিন্তু আসলে তা ছিল না। তবে আমি এটি নিয়ে পড়ে থাকতে চাই না। কারণ সেটি করা মানে হারের জন্য অজুহাত দেওয়া, যা আমি একদমই করতে চাই না।‘
সিমিওনে আরও বলেন,
‘রেফারিদের সিদ্ধান্ত কখনো আমাদের পক্ষে যায়, কখনো বিপক্ষে। আজ আমরা দুর্ভাগা ছিলাম, তাই বলে প্রতিপক্ষের কৃতিত্ব কেড়ে নেওয়া ঠিক হবে না। তারা আমাদের চেয়ে বেশি ক্লিনিক্যাল ছিল।‘
সেমিফাইনালের প্রথম লেগে ঘরের মাঠে ১-১ গোলে ড্র করে আতলেতিকো। দুই লেগ মিলিয়ে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে ফাইনালের টিকিট পেয়েছে আর্সেনাল। বিদায় নিলেও মিকেল আরতেতার দলকে অভিনন্দন জানাতে ভোলেননি আতলেতিকো কোচ,
‘আর্সেনালকে অভিনন্দন, তারা ফাইনালে ওঠার দাবিদার। মিকেল আরতেতা অসাধারণ কাজ করছেন। দীর্ঘ লড়াইয়ের পর তারা আজ এই জায়গায় পৌঁছেছে। তাদের আর্থিক সক্ষমতা এবং ধারাবাহিক পরিকল্পনা তাদের এই পর্যায়ে নিয়ে এসেছে।‘
কোপা দেল রের ফাইনালে হার এবং লা লিগার শিরোপা দৌড় থেকে ছিটকে পড়ার পর চ্যাম্পিয়নস লিগই ছিল আতলেতিকোর শেষ ভরসা। কোয়ার্টার ফাইনালে বার্সেলোনাকে হারিয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করা সিমিওনের দল এবারের মৌসুম শেষ করছে কোনো ট্রফি ছাড়াই। তবে নিজের খেলোয়াড়দের নিয়ে গর্বিত কোচ বলেন,
‘আমি এখন শান্ত বোধ করছি। আমার দল তাদের সবটুকু উজাড় করে দিয়েছে। কেউ কল্পনাও করেনি আমরা সেমিফাইনাল পর্যন্ত আসব, কিন্তু আমরা লড়াই করেছি।‘
এমন হারের পর সিমিওনের কাছে জানতে চাওয়া হয়, তিনি আবারও নতুন করে শুরু করার শক্তি পাবেন কি না। বিষণ্ণ কণ্ঠে তিনি উত্তর দেন,
“না, এই মুহূর্তে একদমই না।‘

নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষে তখন চলছে ইনজুরি টাইমের খেলা। হুট করে নামল বৃষ্টি। গ্যালারির সব দর্শক তখন ঠায় দাঁড়িয়ে। এর মাঝেই ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজালেন রেফারি। এমিরেটস স্টেডিয়ামে বৃষ্টির সঙ্গে যেন মিলেমিশে একাকার হয়ে গেল হাজারো দর্শকের আনন্দাশ্রু।
আর তা হবেই না কেন! দীর্ঘ ২০ বছরের অপেক্ষার পর যে আবার ইউয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনাল নিশ্চিত করতে পেরেছে আর্সেনাল। ২০০৫-০৬ মৌসুমের পর আবার চলতি চ্যাম্পিয়নস লিগের শিরোপার লড়াইয়ে নামবে মিকেল আরতেতার শিষ্যরা।
নিজেদের ঘরের মাঠে এমিরেটস স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার রাতের ম্যাচে আতলেতিকোর বিপক্ষে ১-০ গোলে জিতেছে আর্সেনাল। সেমি-ফাইনালে দুই লেগ মিলিয়ে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে ফাইনালের টিকিট পেয়েছে উত্তর লন্ডনের ক্লাবটি।
প্রথমার্ধের বিরতির বাঁশি বাজার মিনিটখানেক আগে স্বাগতিকদের দর্শকদের আনন্দে ভাসানো গোলটি করেন ২৪ বছর বয়সী সাকা। সেটিই শেষ পর্যন্ত হয়ে থাকে জয়সূচক।
মাঠের খেলায় এমনিতে প্রায় সমান-সমানই ছিল দুই দল। প্রায় ৫৪ শতাংশ সময় বলের দখল নিজেদের কাছে রেখে গোলের জন্য ১৩টি শট করে আর্সেনাল। বিপরীতে ৯টি শটের মধ্যে ২টি লক্ষ্য বরাবর রাখতে পারে আতলেতিকো।
ম্যাচের শুরু থেকেই বলের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দখলে রেখে খেলতে থাকে আর্সেনাল। দুই পাশ দিয়ে তারা আক্রমণে ওঠার চেষ্টা করে বেশ কয়েকবার। কিন্তু কখনও সে অর্থে জোরাল আক্রমণ করতে পারছিল না তারা।
বারবার কাছাকাছি গিয়ে খেই হারাচ্ছিলেন বুকায়ো সাকা, ডেকলান রাইস, এবেরেচি এজেরা। একই দশা ছিল আতলেতিকোর হুলিয়ান আলভারেজ, আন্তোনিও গ্রিজম্যানদেরও। প্রথমার্ধের পুরোটা সময়ে বলার মতো তেমন কোনো আক্রমণই করতে পারেনি আতলেতিকো।
মনে হচ্ছিল, গোলশূন্য থেকেই বিরতিতে যাবে দুই দল। তবে ম্যাচের ৪৩ মিনিটে চমৎকার আক্রমণের পর বাম পাশ থেকে ডান পায়ের জোরাল শট নেন লেয়ান্দ্রো ট্রসার্ড। প্রথম দফায় সেটি ঠেকিয়ে দেন আতলেতিকো গোলরক্ষক ইয়ান অবলাক।
তবে ফিরতি বল ফাঁকায় পেয়ে যান সাকা। বাম পায়ের আলতো টোকায় বাকি কাজ সহজেই সারেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। আতলেতিকোর ফুটবলাররা অফসাইডের মৃদু আবেদন করলেও তা ধোপে টেকেনি। স্বাগতিক দর্শকদের নিয়ে উল্লাসে মাতে আর্সেনাল।
দ্বিতীয়ার্ধে তুলনামূলক গোছানো ফুটবল খেলে আতলেতিকো। প্রথম মিনিটেই হেডে গোলের সম্ভাবনা তৈরি করেন আদেমালো লুকমান। পরে ৫৬ মিনিটে ডি-বক্সের ডান পাশ থেকে জোরাল শট নেন গ্রিজমান। যা ঠেকিয়ে দেন আর্সেনাল গোলরক্ষক ডেভিড রায়া।
সেটিই ছিল ম্যাচে আতলেতিকোর প্রথম অন টার্গেট শট।
মিনিট দশেক পর বড় সুযোগ পায় আর্সেনাল। আচমকা পাল্টা আক্রমণে বাম পাশ দিয়ে বল পেয়ে যান বদলি হিসেবে নামা পিয়েরো হিকাপি। ডি-বক্সের মধ্যে ক্রস দেন তিনি। তবে পেনাল্টি স্পটের কাছ থেকে ভিক্টর গিয়োকেরেসের শট চলে যায় বারের ওপর দিয়ে।
গোলের খোঁজে মরিয়া ডিয়েগো সিমিওনে ৬৬ মিনিটের সময় দুই ফরোয়ার্ড গ্রিজমান ও আলভারেজকে একসঙ্গে তুলে নেন। তাদের বদলি হিসেবে নামেন থিয়াগো আলমাদা ও অ্যালেক্স বায়েনা। তবে বদলি দুজনের কেউই তেমন ছাপ রাখতে পারেননি।
ম্যাচের ৮১ মিনিটে আলেসান্দ্রো সরলথের পাস থেকে বাম পায়ের শট নেন মার্কোস লরেন্তে। ডান কোনা থেকে সেটি ফিরিয়ে দেন ডেভিড রায়া। পরের মিনিটে অল্পের জন্য ওপর দিয়ে চলে যায় আর্সেনালের উইলিয়াম সালিবার হেডার।
৮৯ মিনিটে প্রায় ৩০ গজ দূর থেকে দূরপাল্লার শটের চেষ্টা করেন অ্যালেক্স বায়েনা। বারের অনেক ওপর দিয়ে চলে যায় বল। এরপর ইনজুরি টাইমে আর্সেনালের সময়ক্ষেপণের চেষ্টায় কিছুটা উত্তেজনা ছড়ায় মাঠে। তবে সেটি ম্যাচের ফলে কোনো প্রভাব ফেলেনি।
চ্যাম্পিয়নস লিগের অন্য সেমি-ফাইনালে দ্বিতীয় লেগে বুধবার রাতে লড়বে পিএসজি ও বায়ার্ন মিউনিখ। পরে ফাইনাল ম্যাচে শিরোপার লড়াইটি হবে আগামী ৩০ মে।

ম্যাড়ম্যাড়ে ফুটবলে মনে হচ্ছিল প্রথমার্ধে গোলের দেখা পাবে না কোনো দল। গোল তো দূরে, লক্ষ্যের কাছাকাছি শটই নিতে পারছিল না আর্সেনাল ও আতলেতিকো মাদ্রিদ। তবে হুট করেই দৃশ্যপট বদলে দিলেন বুকায়ো সাকা। গোল করে আর্সেনালকে লিড এনে দিলেন ইংলিশ ফরোয়ার্ড।
নিজেদের ঘরের মাঠে এমিরেটস স্টেডিয়ামে আতলেতিকোর বিপক্ষে প্রথমার্ধ শেষে ১-০ গোলে এগিয়ে আর্সেনাল। ইউয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমি-ফাইনালে দুই লেগ মিলিয়ে আপাতত ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে মিকেল আরতেতার শিষ্যরা।
প্রথমার্ধের বিরতির বাঁশি বাজার মিনিটখানেক আগে স্বাগতিকদের দর্শকদের আনন্দে ভাসানো গোলটি করেন ২৪ বছর বয়সী সাকা।
মাঠের খেলায় এমনিতে দাপটও ছিল আর্সেনালেরই। প্রথমার্ধে প্রায় ৬৮ শতাংশ সময় বলের দখল তারা নিজেদের কাছে রাখে। গোলের জন্য করতে পারে মোট ৭টি শট। এর মধ্যে প্রথম ৫টিই ছিল লক্ষ্যভ্রষ্ট। বিপরীতে আতলেতিকোর ২ শটের একটিও লক্ষ্য বরাবর ছিল না।
ম্যাচের শুরু থেকেই বলের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের দখলে রেখে খেলতে থাকে আর্সেনাল। দুই পাশ দিয়ে তারা আক্রমণে ওঠার চেষ্টা করে বেশ কয়েকবার। কিন্তু কখনও সে অর্থে জোরাল আক্রমণ করতে পারছিল না তারা।
বারবার কাছাকাছি গিয়ে খেই হারাচ্ছিলেন বুকায়ো সাকা, ডেকলান রাইস, এবেরেচি এজেরা। একই দশা ছিল আতলেতিকোর হুলিয়ান আলভারেজ, আন্তোনিও গ্রিজম্যানদেরও। প্রথমার্ধের পুরোটা সময়ে বলার মতো তেমন কোনো আক্রমণই করতে পারেনি আতলেতিকো।
মনে হচ্ছিল, গোলশূন্য থেকেই বিরতিতে যাবে দুই দল। তবে ম্যাচের ৪৩ মিনিটে চমৎকার আক্রমণের পর বাম পাশ থেকে ডান পায়ের জোরাল শট নেন লেয়ান্দ্রো ট্রসার্ড। প্রথম দফায় সেটি ঠেকিয়ে দেন আতলেতিকো গোলরক্ষক ইয়ান অবলাক।
তবে ফিরতি বল ফাঁকায় পেয়ে যান সাকা। বাম পায়ের আলতো টোকায় বাকি কাজ সহজেই সারেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। আতলেতিকোর ফুটবলাররা অফসাইডের মৃদু আবেদন করলেও তা ধোপে টেকেনি। স্বাগতিক দর্শকদের নিয়ে উল্লাসে মাতে আর্সেনাল।

অফিস-আদালতে বসে কাজ করার দিন শেষ! এবারের গ্রীষ্মে আমেরিকার সবচেয়ে আকর্ষণীয় চাকরির খবর নিয়ে এলো ফক্স স্পোর্টস ও জব সাইট ইনডিড। কোনো কর্পোরেট মিটিং নয়, যেখানে কাজ হবে স্রেফ বসে বসে ফুটবল বিশ্বকাপের সবগুলো ম্যাচ দেখা!
এমনই এক চাকরির বিজ্ঞতি দিয়েছে ফক্স স্পোর্টস। জব সাইট ইনডিডের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে এই চাকরির জন্য। পরে আবেদনকারীদের মধ্যে থেকে একজনকে বেছে নেওয়া হবে ‘চিফ ওয়ার্ল্ড কাপ ওয়াচার’ হিসেবে।
যিনি পুরো বিশ্বকাপের ১০৪টি ম্যাচের প্রতিটি মিনিট দেখার জন্য পারিশ্রমিক হিসেবে পাবেন ৫০ হাজার ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৬১ লাখ টাকার বেশি।
এটিকে বলা হচ্ছে গ্রীষ্মের বাজারের সেরা চাকরি। তবে শর্ত একটাই, বিশ্বকাপের প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করতে হবে। নিউ ইয়র্ক সিটির প্রাণকেন্দ্র টাইমস স্কয়ারে তৈরি একটি বিশেষ ‘গ্লাস কিউব’ বা কাঁচের ঘরের ভেতর বসে দেখতে হবে খেলা।
এই চিফ ওয়ার্ল্ড কাপ ওয়াচারকে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের মোট ১০৪টি ম্যাচই দেখতে হবে ফক্স ওয়ান স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে। খেলা দেখার পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কন্টেন্ট তৈরি করে শেয়ার করতে হবে।
মূলত টাইমস স্কয়ার দিয়ে যাতায়াত করা হাজার হাজার পর্যটক ও পথচারীদের জন্য প্রতিটি ম্যাচকে একটি ‘লাইভ ওয়াচ পার্টি’তে রূপান্তর করাই হবে কাজ। আবেদনের প্রেক্ষিতে আগামী ৬ জুন ঘোষণা করা হবে চিফ ওয়ার্ল্ড কাপ ওয়াচার চাকরি পাওয়া ব্যক্তির নাম।
পরে আগামী ১১ জুন শুরু হবে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিশ্বকাপের আসর। ৪৮টি দলের এই ফুটবল মহাযজ্ঞ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর বিভিন্ন শহরে চলবে ১৯ জুলাই পর্যন্ত।

ইউরোপের সবচেয়ে জমজমাট লড়াইগুলোর একটি আবারও ফিরছে ইউয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের মঞ্চে। সেমি-ফাইনালের দ্বিতীয় লেগে পিএসজির মুখোমুখি হচ্ছে বায়ার্ন মিউনিখ। ম্যাচের ভেন্যু পিএসজি কোচ লুইস এনরিকের সুখস্মৃতিমাখা আলিয়াঞ্জ এরেনা।
গত সপ্তাহে প্যারিসে প্রথম লেগে ৫-৪ গোলের রোমাঞ্চকর জয়ে সামান্য এগিয়ে আছে পিএসজি। এবার সেই লিড নিয়েই জার্মানিতে নামছে তারা। যেখানে গত বছরই নিজেদের ইতিহাসের প্রথম চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপা জিতেছিল ফরাসি ক্লাবটি, ইন্টার মিলানকে ৫-০ গোলে হারিয়ে।
পিএসজির কোচ এনরিকের জন্য এই মাঠ আরও বিশেষ। ২০১৫ সালে বার্সেলোনার কোচ থাকাকালীনও তিনি এই মিউনিখেই বায়ার্নকে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছিলেন। পরে জিতেছিলেন শিরোপা।
এবার বায়ার্ন ম্যাচের আগে এসব সুখস্মৃতি মনে করিয়ে দিলেন এনরিকে।
“এই মাঠে আমাদের অসাধারণ স্মৃতি আছে। গত বছরের অভিজ্ঞতা সবসময় মনে থাকবে। বার্সেলোনায় থাকার সময়ও এখানে জয়ের স্মৃতি আছে। এগুলো অবশ্যই বাড়তি অনুপ্রেরণা দেয়।”
দুই দলের প্রথম লেগ ছিল একেবারে রুদ্ধশ্বাস। পিছিয়ে পড়েও পিএসজি এগিয়ে যায় ৫-২ ব্যবধানে, পরে বায়ার্ন ঘুরে দাঁড়িয়ে ব্যবধান কমায় ৫-৪ গোলে। এমন পরিস্থিতিতে দ্বিতীয় লেগের ফল অনুমান করা কঠিনই।
এনরিকের কথায়, “সাধারণত দুই লেগের ম্যাচে পার্থক্য থাকে। কিন্তু এবার সেটা বলার সুযোগ নেই। দুই দলই মনে করে তারা সেরা। ম্যাচে সেটাই দেখা যাবে।”
এক গোলের লিড থাকলেও রক্ষণাত্মক খেলার চিন্তা নেই পিএসজির। এনরিকে স্পষ্ট বলেছেন, তাদের লক্ষ্য আগের মতোই, জয়।
“আমরা সব ম্যাচ জিততে নামি। নির্দিষ্ট কোনো ফল ধরে খেলার দরকার নেই। আমরা জানি, বায়ার্ন ফিরে আসতে পারে, আবার আমরাও গোল করতে পারি। আমরা শুধু রক্ষণভাগ সামলাতে আসিনি।”