
ব্যাট–প্যাড আর হেলমেট হাতে একদল তরুণ যাচ্ছে স্টেডিয়ামে—অস্ট্রেলিয়া–ইংল্যান্ড কিংবা বাংলাদেশে এমন দৃশ্য অতীব সাধারণ। কিন্তু সেই তরুণ দলের দেশ যদি হয় ব্রাজিল–আর্জেন্টিনা, তবে চক্ষু চড়কগাছ হওয়ার জোগাড় সবার।
প্রশ্ন জাগতেই পারে—যে দেশে নাওয়া-খাওয়া, বাণিজ্য ও আবেগ—সবই ফুটবলকে কেন্দ্র করে, সেখানে ‘ক্রিকেট’ নামটা হয়তো অনেকের কাছেই অচেনা–অজানা। তবে ফুটবলের পাশাপাশি ক্রিকেটেও মনোযোগী হচ্ছে লাতিন আমেরিকার দুই দেশ—ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা। তারই অংশ হিসেবে এবার পাঁচ ম্যাচের সিরিজে মুখোমুখি হবে দুই দল।
আর্জেন্টিনার হোম ভেন্যু ক্লাব সান আলবায়ানোতে আগামীকাল স্থানীয় সময় বিকেল তিনটায় প্রথম টি–টোয়েন্টি দিয়ে শুরু হবে দুই দেশের মাঠের লড়াই।
সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ ২৯ নভেম্বর স্থানীয় সময় সকাল ১০টায়। একই দিনে অনুষ্ঠিত হবে তৃতীয় ম্যাচটিও—স্থানীয় সময় বিকেল ৩টায়। চতুর্থ ও পঞ্চম ম্যাচ হবে ৩০ নভেম্বর। চতুর্থ ম্যাচ স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় এবং পঞ্চম ম্যাচ বিকেল ৩টায় মাঠে গড়াবে।
সিরিজে আর্জেন্টিনার নেতৃত্ব দেবেন ডানহাতি ব্যাটার রোমারিও এসকোবার। ব্রাজিলের নেতৃত্ব দেবেন ফেলিপে ইজিদোরো অসুনসাও, যার টি–টোয়েন্টি ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা প্রায় ১১টির মতো।
No posts available.
২৮ নভেম্বর ২০২৫, ৯:৪৮ পিএম
২৮ নভেম্বর ২০২৫, ৮:১১ পিএম
২৮ নভেম্বর ২০২৫, ৭:৫৪ পিএম

সম্প্রতি দরজার বাড়ি লেগে পায়ের আঙুল ভেঙে ফেলেন কোল পালমার। চেলসির হয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুটি ম্যাচ মিস করেন ইংল্যান্ড অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার।
চোটের ঘটনায় চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে দুই সপ্তাহ বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। আশার কথা, মাঠে নামার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত ২৩ বর্ষী পালমার।
আজ চেলসি কোচ নিশ্চিত করেছেন, "সম্পূর্ণ সুস্থ পালমার। খেলার জন্যও প্রস্তুত তিনি।" তবে এনজো মারেস্কা এও বলেছেন,
"প্রিমিয়ার লিগে আর্সেনালের বিপক্ষে স্ট্যামফোর্ড ব্রিজ ম্যাচে নাও থাকতে পারেন পালমার। লিগের পরবর্তী ম্যাচ থেকে দেখা যাবে তাঁকে।"
প্রিয় শিষ্য পালমারকে নিয়ে মারেস্কা বলেছেন,
"তাঁর (পালমার) দলে ফেরাতে সবাই খুশি। কোল নিজেও খুশি। কারণ, একজন ফুটবলার সবসময় চায় খেলতে।"
প্রিমিয়ার লিগে চেলসি এখন পর্যন্ত ১২টি ম্যাচ খেললেও পালমার তিনটিতে মাঠে নামার সুযোগ পেয়েছেন। পায়ে সমস্যার কারণে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে মাঠে ফিরেছিলেন, এরপর ফের আঙুল ভেঙে চলে যান বাইরে।
পালমারকে মারেস্কা দলের সেরা খেলোয়াড় উল্লেখ করে বলেছেন,
"সে আমাদের দলের খেলা খেলোয়াড়। তার ফেরাতে আমরা সবাই আনন্দিত। আমরা তাঁকে শতভাগ ফিট দেখতে চাই।"
২০২৩ সালে ম্যানচেস্টার সিটি থেকে চেলসিতে যোগ দেন পালমার। এখন পর্যন্ত দ্য ব্লুজদের হয়ে ৪৫ গোল করেছেন। এ নিয়ে মারেস্কা বলেছেন,
"সে (পালমার) দারুণ অতীত পার করেছে। নিঃসন্দেহে তাঁর ক্লাবের হয়ে আরও ভালো সময় কাটাবে।"
কোল পালমারের অনুপস্থিতিতে একাধিক প্লেয়ারকে সুযোগ দিয়েছেন ইতালি কোচ। নজর কেড়েছেন এস্তেভাও উইলিয়ান। পালমারের জায়গায় চেলসির রাইট উইঙ্গে মাতিয়েছেন ব্রাজিল তরুণ। সবশেষ জাতীয় দলের হয়ে দুই ম্যাচে দুই গোল ছাড়াও চ্যাম্পিয়নস লিগে বার্সেলোনা বধে ভূমিকা ছিল এস্তেভাওয়ের। ৪৫ বছর বয়সী মারেস্কা বলেছেন,
"তাঁরা একসাথে খেলতে পারে, তবে তা গেম প্ল্যানের ওপর নির্ভর করবে। এ নিয়ে ফ্যানরা রোমাঞ্চিত, আমরাও। কিন্তু উভয়ের মধ্যে একটি ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে আমাদের।"

ফুটবলারদের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত মর্যাদার পুরস্কার ব্যালন ডি’অর। ২০২৪-২৫ মৌসুমে ক্যারিয়ারে প্রথমবার বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের স্বীকৃতি পান ফরাসি তারকা উসমান দেম্বেলে।
এখন থেকেই শুরু হয়েছে ২০২৫-২৬ ব্যালন ডি’অরের হিসাব-নিকাশ। জনপ্রিয় ফুটবল বিষয়ক সংবাদমাধ্যম গোলডটকম এর সর্বশেষ ‘ব্যালন ডি’অর পাওয়ার’ র্যাঙ্কিং-এ সবার ওপরে রয়েছেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেইন।
২০২৫-২৬ মৌসুমে ২৯ গোল এবং ৩টি অ্যাসিস্ট করেছেন কেইন। এরই মধ্যে বায়ার্ন মিউনিখকে ডিএফএল সুপারকাপ জিতিয়েছেন অভিজ্ঞ এই স্ট্রাইকার। কেইনের দুর্দান্ত ফর্মে বুন্দেসলিগা ও চ্যাম্পিয়ন্স লিগে দাপট দেখাচ্ছে বায়ার্ন।
তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদের ফরাসি ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপে। মৌসুমে এখন পর্যন্ত ২৭ গোল এবং ৬টি অ্যাসিস্ট করেছেন তিনি।
তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে আছেন ম্যানচেস্টার সিটির ফরোয়ার্ড আর্লিং হলান্ড ও আর্সেনাল মিডফিল্ডার ডেকলান রাইস। মৌসুমে হলান্ড ৩২ গোলের সঙ্গে ৩টি অ্যাসিস্ট করেছেন, অন্যদিকে ডেকলানের নামের পাশে রয়েছে ৩ গোল ও ৮টি অ্যাসিস্ট।
পাঁচ নম্বরে রয়েছেন বার্সেলোনার লামিনে ইয়ামাল। গত মৌসুমে ব্যালন ডি’অর জেতার দৌড়ে দ্বিতীয় স্থানে ছিলেন স্পেন ফরোয়ার্ড। চলতি মৌসুমে চোটের কারণে বেশ কিছু ম্যাচে খেলতে পারেননি তিনি। নিজে করেছেন ৬ গোল এবং সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন ১১টি।
তালিকার ছয় নম্বরে আছেন প্যারিস সেইন্ট জার্মেইয়ের (পিএসজি) মিডফিল্ডার ভিতিনহা। ব্যালন ডি’অর জেতার দৌড়ে গত মৌসুমে দেম্বেলে, ইয়ামালের পর তৃতীয় স্থানে ছিলেন এই মিডফিল্ডার। চলতি মৌসুমে ৫ গোল ও ৮টি অ্যাসিস্ট করেছেন তিনি। সেই সাথে ইউয়েফা সুপার কাপ জিতেছেন পর্তুগিজ এই তারকা।
সাত ও আট নম্বরে রয়েছেন বায়ার্ন মিউনিখের মাইকেল ওলিস এবং লুইস দিয়াজ। দুজনই জিতেছেন ডিএফএল সুপারকাপ। মৌসুমে ১১ গোল ও ১১টি অ্যাসিস্ট করেছেন ২৩ বছর বয়সী ওলিস। দিয়াজ করেছেন ১৩ গোল, সতীর্থকে দিয়ে করিয়েছেন ৭টি গোল।
তালিকার ৯ নম্বরে উঠে এসেছে চেলসির ১৮ বছর বয়সী নতুন সেনসেশন এস্তেভাও উইলিয়ান। ব্রাজিলিয়ান এই তরুণ মৌসুমে ১০ গোল ও একটি অ্যাসিস্ট করেছেন।
১০ নম্বরে রয়েছেন পিএসজির আশরাফ হাকিমি। ২০২৪-২৫ মৌসুমে ব্যালন ডি’অর পাওয়ার দৌড়ে ষষ্ঠ স্থানে ছিলেন হাকিমি। চলতি মৌসুমে ২ গোলের পাশাপাশি সতীর্থকে দিয়ে করিয়েছেন ৮টি গোল।

আগামী সপ্তাহে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিত হবে ফিফা ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের ড্র। ৫ ডিসেম্বরের সে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দেশের প্রতিনিধি উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। তবে ইরান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা জটিলতা ও কম সংখ্যক ভিসা প্রদানের কারণে ড্র অনুষ্ঠানে অংশ নেবে না তারা।
আজ ইরান ফুটবল ফেডারেশনের মুখপাত্র মেহেদি আলভি দেশটির স্থানীয় গণমাধ্যম তারাফদারি-কে জানিয়েছে, ভিসা জটিলতার কারণে বিশ্বকাপের ড্র অনুষ্ঠানে অংশ বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরান ফুটবল ফেডারেশন।
রাজনৈতিক ও নিরাপত্তাজনিত কারণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে ইরানিদের ওপর কঠোর ভিসা সীমাবদ্ধতা আরোপ করে রেখেছে। আলভি জানিয়েছেন, বিশ্বকাপের ড্র অনুষ্ঠানের জন্য ইরান মাত্র চারজন ভিসা পেয়েছেন।
কোচ আমির ঘালেনোনি ভিসা পেলেও, বঞ্চিত থেকেছেন ইরান ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি মেহেদি তাজ।
এ নিয়ে আলভি বলেন,
“যেহেতু গৃহীত সিদ্ধান্তগুলো ক্রীড়াসঙ্গত নয়। তাই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে ,ইরানি প্রতিনিধি দল ড্র অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবে না।”
ইতোমধ্যে এনিয়ে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর সঙ্গে যোগাযোগ করেছে ইরান। ফিফার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিষয়টি তারা গুরুত্ব সহকারে দেখছে।
এএফসি থার্ড রাউন্ডে উজবেকিস্তানের বিপক্ষে ২–২ ড্র করে বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করেছে ইরান। আগামী সপ্তাহের ৫ তারিখ বিশ্বকাপের ড্র অনুষ্ঠিত হবে। আর ৪৮ দলের বিশ্বকাপ আগামী বছরের জুনে শুরু হবে।

১৫ বছরের ক্লাব ফুটবলে কবে এতটা খারাপ সময় কাটিয়েছেন, তা নিঃসন্দেহে ভুলে যাওয়ার কথা মোহাম্মদ সালাহর। ২০২৪–২৫ মৌসুমেও দুর্দান্ত দাপটে ছিলেন মিশরীয় রাইট উইঙ্গার। প্রিমিয়ার লিগে ছিলেন সর্বোচ্চ গোল স্কোরার। জিতেছেন গোল্ডেন বুট।
নতুন মৌসুমে পা রাখতেই একদম মিইয়ে গেছেন সালাহ। পা তার চলছেই না, পাচ্ছেন না গোল। গত বছরের রাজা এবার স্রেফ প্রজা। মাঝে মধ্যে বেঞ্চেও বসতে হচ্ছে তাঁকে। নামছেন বদলি হিসেবে। ক্লাবের হয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ১৮ ম্যাচে পেয়েছেন ৫ গোল।
সালাহ’র বাজে পারফরম্যান্স নিয়ে কোচ আর্নে স্লটের যুক্তি—সময় বাড়লে হয়তো সবকিছুই ঠিকঠাক হয়ে যাবে। তিনি আরও বলেছিলেন, নতুন রিক্রুট হুগো একিতিকে ও ফ্লোরিয়ান ব্রির্টজ ও মোহাম্মদ ইসাকদের সঙ্গে সামঞ্জস্য হতে পারছেন না সালাহ। ক্রমান্বয়ে সবকিছুর সুন্দর ফল মিলবে।
ইতোমধ্যে প্রিমিয়ার লিগে ১২টি ম্যাচ খেলেছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা, যেখানে ৬ জয়ের বিপরীতে ৬ হার। এর জন্য অভিজ্ঞ, বিশেষ করে মোহাম্মদ সালাহ, ভির্জিল ভ্যান ডাইক ও ইসাকদের গোল খরাকে দায়ী করেছেন ফুটবল বিশ্লেষকরা।
এবার সালাহকে কাঠগড়ায় তুলেছেন অল রেডস শিবিরে সাবেক ডিফেন্ডার জেমি কারাঘার। বর্তমানে ফুটবল বিশ্লেষক ও টেলিভিশন কমেন্টেটর হিসেবে কাজ করা এই ইংলিশ ডিফেন্ডার বলেন, ‘‘সালাহর পা সম্পূর্ণরূপে গেছে। এগুলো আর কার্যকরি নয়।’’
সবশেষে পিএসভি আইন্দহোভেনের কাছে ৪–১ গোলে হেরেছে লিভারপুল। এরপরই নিজের অভিমত প্রকাশ করেন জেমি। তিনি বলেন,
“লিভারপুল অন্য ইউরোপীয়ান ক্লাবগুলো থেকে ভিন্ন—এখানে ম্যানেজারই রাজা, ম্যানেজারকে সময় দেওয়া হয়।”
তিনি আরও বলেন,
“আমি সবসময় সেই দলে থাকি যারা ম্যানেজারের পাশে থাকে। সত্য বলতে গেলে, আমি খেলোয়াড়দের নিয়েই রেগে আছি।”
জেমি বলেন,
“অ্যালিসন বেকার প্রায়ই চোটে ভোগেন, খুব বেশি খেলেন না তিনি। কিন্তু আপনি ভার্জিল ভ্যান ডাইককে দেখুন, তিনি আগের সেই খেলোয়াড় আর নেই। মো. সালাহ যেন তার পায়ের শক্তি হারিয়ে ফেলেছেন।”
তিনি আরও বলেন,
“আমি তাঁদের (সালাহ, অ্যালিসন) অপমান করছি না। বরং আমি মনে করি এ মৌসুমে খেলোয়াড় হিসেবে তাদের কিছু সমালোচনা বেশ কঠোর হয়েছে। তাঁরা প্রত্যেকেই লেজেন্ড। তাদের অপমান করাটা সত্যিই পছন্দ করি না। তবে এটা ঠিক যে, এখন তাদের পায়ের শক্তি কমে গেছে।”

যুক্তরাজ্য ২০৩৫ নারী ফুটবল বিশ্বকাপ আয়োজনের প্রস্তাবিত ভেন্যুর তালিকায় যুক্ত হয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের নতুন ওল্ড ট্রাফোর্ড স্টেডিয়াম।
আজ প্রকাশিত তালিকায় ২২টি ভেন্যুর তালিকা দিয়েছে ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, ওয়েলস ও নর্দান আয়ারল্যান্ডের ফুটবল কর্তৃপক্ষ। ওল্ড ট্রাফোর্ড অনুমোদন পাওয়ার ধারণা করা হচ্ছে। বলা হচ্ছে, এখনো প্রতিদ্বন্দ্বীহীন। ২০২৬ সালের ফিফা কংগ্রেসে ভোটে অনুমোদন পেলে বিশ্বকাপ আয়োজন নিশ্চিত হয়ে যাবে।
ওল্ড ট্রাফোর্ডের পুনর্নির্মাণ কাজ এখনো পরিকল্পনার স্তরে। ফলে নতুন স্টেডিয়ামের ধারণা-চিত্র থাকলেও ফিফার মূল্যায়নের জন্য প্রয়োজনীয় নথি প্রস্তুত হয়নি। কাজ দ্রুত না হলে বর্তমান ওল্ড ট্রাফোর্ডই বিকল্প হিসেবে বিবেচিত হবে। একইভাবে পরিকল্পনার পর্যায়ে থাকা বার্মিংহাম সিটির নতুন স্টেডিয়াম ও রেক্সহামের স্টোককে র্যাসের উন্নয়ন পরিকল্পনাও বিডে ধরা হয়েছে।
২২টি ভেন্যুর মধ্যে ইংল্যান্ডে ১৬টি, ওয়েলসে তিনটি, স্কটল্যান্ডে দুটি ও নর্দান আয়ারল্যান্ডে একটি। ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামকে ফাইনালের সম্ভাব্য ভেন্যু হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।
বিশ্বকাপ বর্ধিত সংস্করণ অনুযায়ী ২০৩১ সাল থেকে নারী বিশ্বকাপে অংশ নেবে ৪৮ দল। ৩৯ দিনে হবে ১০৪ ম্যাচ। এ জন্য কমপক্ষে ১৫টি স্টেডিয়াম প্রয়োজন হবে।
ইংল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, স্কটল্যান্ড ও ওয়েলসের ফুটবল কর্তাদের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নারী বিশ্বকাপ আয়োজন নারীদের ফুটবলকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে, পাশাপাশি চার জাতির ফুটবলে দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার বলেন, ‘লায়নেসদের (সিংহীদের) সাফল্য পুরো দেশে মেয়েদের অনুপ্রাণিত করেছে। সেই উদ্দীপনা নিয়েই আমরা বিশ্বকাপ আয়োজনের লক্ষ্য নিয়েছি।’
স্কটল্যান্ডের কোচ মেলিসা আন্দ্রেয়াত্তা ও ইংল্যান্ড কোচ সারিনা ভিগম্যানও বলেছেন, টুর্নামেন্টটি শুধু ফুটবল নয়, নারী অংশগ্রহণ ও সামাজিক পরিবর্তনেও বড় ভূমিকা রাখবে।
তালিকাভুক্ত ২২ ভেন্যু- নর্দান আয়ারল্যান্ডের উইনসর পার্ক (বেলফাস্ট)। ওয়েলসের তিনটি- কার্ডিফ সিটি স্টেডিয়াম, প্রিন্সিপ্যালিটি স্টেডিয়াম (কার্ডিফ) ও স্টোক কে র্যাস (রেক্সহাম)। স্কটল্যান্ডের ইস্টার রোড (এডিনবার্গ) ও হ্যাম্পডেন পার্ক (গ্লাসগো)।
ইংল্যান্ডের- ব্রাইটন, ব্রিস্টল, লিডস, লিভারপুল, লন্ডন, ম্যানচেস্টার, নিউক্যাসল, নটিংহাম, সান্ডারল্যান্ডসহ মোট ১৬ স্টেডিয়াম। এর মধ্যে ওয়েম্বলি, এমিরেটস, টটেনহাম হটস্পার স্টেডিয়াম, ভিলা পার্ক, ইতিহাদ, সেলহার্স্ট পার্ক, অ্যাশটন গেট, এল্যান্ড রোড, স্টেডিয়াম অব লাইট ও নতুন প্রস্তাবিত ওল্ড ট্রাফোর্ড।