১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২:২৬ পিএম

সাবেক চেলসি ও ইংল্যান্ডের ডিফেন্ডার জন টেরি নিজের ব্যক্তিগত সংগ্রহের বেশ কিছু স্মারক নিলামে বিক্রি করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক নিলাম সংস্থা গোল্ডিন অকশনসে তোলা এসব সামগ্রী বিক্রি হয়েছে মোট ৬ লাখ ৯৫ হাজার ডলারে।
নিলামে টেরি দিয়েছেন নিজের সংগ্রহ থেকে ৫০টির বেশি স্মারক। এর মধ্যে ছিল ম্যাচে ব্যবহৃত ও ছবি মিলিয়ে যাচাই করা লিওনেল মেসির বার্সেলোনা জার্সি এবং ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড জার্সি, যেটিতে ছিল তাঁর স্বাক্ষরও।
২০০৬ সালের ১৮ অক্টোবর চ্যাম্পিয়নস লিগে চেলসির বিপক্ষে বার্সেলোনার হয়ে খেলা ম্যাচের মেসির জার্সিটি বিক্রি হয়েছে ১ লাখ ৮৩ হাজার ডলারে। আর ২০০৮ সালের ২৬ এপ্রিল প্রিমিয়ার লিগে চেলসির বিপক্ষে ম্যাচে ব্যবহৃত রোনালদোর জার্সিটির দাম উঠেছে ১ লাখ ১৫ হাজার ৯০০ ডলার— যা রোনালদোর ম্যাচ চলাকালীন ব্যবহৃত জার্সির সর্বোচ্চ মূল্য।
এ ছাড়া নিলামে বিক্রি হয়েছে থিয়েরি অঁরি ও জিয়ানলুইজি বুফনের ম্যাচে ব্যবহৃত জার্সিও। ২০০৩ মৌসুমে চেলসির বিপক্ষে ম্যাচে অঁরির পরা আর্সেনাল জার্সিটি বিক্রি হয়েছে ৯৮ হাজার ৮২০ ডলারে। ২০০৯ সালে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে চেলসি–জুভেন্টাস ম্যাচে ব্যবহৃত বুফনের সোনালি জার্সির দাম উঠেছে ২২ হাজার ২৬৫ ডলার—দুজনের ক্ষেত্রেই যা রেকর্ড মূল্য।
নিজের খেলা চেলসি, ইংল্যান্ড ও অ্যাস্টন ভিলার জার্সির পাশাপাশি ফ্র্যাংক ল্যাম্পার্ড, স্টিভেন জেরার্ড, পাওলো মালদিনি, সেস ফাব্রেগাস, অ্যাশলি কোল, জিয়ানফ্রাঙ্কো জোলা, সামুয়েল ইতো, রিও ফার্ডিনান্ড, ক্লোদ মাকেলেলে ও মার্সেল দেসাইলির মতো তারকাদের জার্সিও নিলামে তুলেছিলেন টেরি।
জার্সির পাশাপাশি বিক্রি হয়েছে টেরির ট্রফি, অধিনায়কত্বের আর্মব্যান্ড, ম্যাচে ব্যবহৃত বুট ও শিনগার্ড। এর মধ্যে ২০০৭ সালের এফএ কাপ জয়ের প্রতিকৃতি ট্রফিটি বিক্রি হয়েছে প্রায় ২৬ হাজার ৮৪০ ডলারে।
নিলাম থেকে প্রাপ্ত অর্থের একটি অংশ যাবে জন টেরি ফাউন্ডেশনে, যা যুক্তরাজ্যের সুবিধাবঞ্চিত তরুণদের সহায়তায় কাজ করে।
১৯৯৮ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ১৯ বছর চেলসিতে খেলেছেন টেরি। এই সময়ে ৭১৭টি ম্যাচে করেছেন ৬৭ গোল। তাঁর নেতৃত্বে ক্লাবটি ৫ বার প্রিমিয়ার লিগ, ১ বার চ্যাম্পিয়নস লিগ, ১ বার ইউরোপা লিগ, ৫ বার এফএ কাপ এবং ৩ বার লিগ কাপ জিতেছে।
ইংল্যান্ড জাতীয় দলের হয়ে ৭৮ ম্যাচ খেলেছেন টেরি। দীর্ঘ সময় অধিনায়কের দায়িত্বও পালন করেছেন। ২০০৬ বিশ্বকাপের 'অল-স্টার স্কোয়াডে' তিনি ছিলেন একমাত্র ইংলিশ খেলোয়াড়।
No posts available.
১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:০১ পিএম
১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:০৯ এম
১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৯:৪২ এম

চমৎকার বোলিংয়ে প্রতিপক্ষকে অল্পেই আটকে দিলেন সহ-অধিনায়ক নাহিদা আক্তার। জবাবে শুরুতে চাপ পড়লেও দারুণ ব্যাটিংয়ে অপরাজিত ফিফটি করলেন অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি। দুজনের নৈপুণ্যে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়ে গেল বাংলাদেশ।
নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের শেষ ম্যাচে নেদারল্যান্ডসকে ৭ উইকেটে হারায় বাংলাদেশ।নেপালের মুলপানি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে রোববার সকালের ম্যাচে আগে ব্যাট করে মাত্র ১০২ রান করতে পারে ডাচরা। জবাবে ২০ বল আগেই ম্যাচ জিতে যায় জ্যোতির দল।
প্রথম রাউন্ডের চার ম্যাচের পর সুপার সিক্সেও তিন ম্যাচের সবকটি জিতল বাংলাদেশ। সব মিলিয়ে টানা সাত ম্যাচ জিতে বাছাইপর্বে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েই আগামী জুন-জুলাইয়ে হতে যাওয়া বিশ্বকাপের মূল পর্বে যাবে বাংলাদেশ।
এদিন টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই পিছিয়ে পড়ে ডাচরা। মাত্র ২৩ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে অল্পেই গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় পড়ে যায় তারা। সেখান থেকে রবিন রাইক ও সানিয়া খুরানা ৭৮ রানের জুটি গড়ে দলকে একশ পার করান।
ইনিংসের শেষ ওভারে আউট হন ৩৯ রান করে। ৪৫ বলে ৪টি চার মারেন তিনি। আর ৩৭ বলে ৬ চারে ৪৩ রানে অপরাজিত থাকেন সানিয়া।
বাঁহাতি স্পিনের জাদুতে ৪ ওভারে এক মেডেনসহ মাত্র ১০ রানে ৩ উইকেট নেন নাহিদা। এছাড়া মারুফা আক্তার, স্বর্ণা আক্তার ও রাবেয়া খান নেন ১টি করে উইকেট।
রান তাড়ায় প্রথম দুই ওভারে দুই উইকেট হারিয়ে ফেলে বাংলাদেশ। তৃতীয় উইকেটে ৪২ রানের জুটি গড়ে প্রাথমিক ধাক্কা সামাল দেন জ্যোতি ও শারমিন সুলতানা সুপ্তা। দলের পঞ্চাশের আগে সুপ্তাও ধরেন ড্রেসিং রুমের পথ।
এরপর আর উইকেট পড়তে দেননি জ্যোতি ও সোবহানা মোস্তারি। অবিচ্ছিন্ন ৫৭ রানের জুটিতে দলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়েন তারা। ক্যারিয়ারের ১১তম ফিফটিতে ঠিক ৫০ রানে অপরাজিত থাকেন জ্যোতি। আর সোবহানার ব্যাট থেকে আসে ৩৩ রান।
সব মিলিয়ে ৭ ম্যাচে ৫২.৪০ গড় ও ১৪৫.৫৫ স্ট্রাইক রেটে ২৬২ রান করে বাছাইয়ের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক সোবহানা।
আগামী জুন-জুলাইয়ে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে হবে এবারের নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
নেদারল্যান্ডস: ২০ ওভারে ১০২/৬ (হিদার সিগার্স ১, ফিবি ৪, ডে লেডে ৪, কালিস ৪, রবিন ৩৯, ওভারডাইক ৩, সানিয়া ৪৩*, আইরিস ০*; মারুফা ৪-০-১৪-১, নাহিদা ৪-১-১০-৩, রিতু ৪-০-১৮-০, রাবেয়া ৪-০-২৬-১, স্বর্ণা ৩-০-১৭-১, ফাহিমা ১-০-১৪-০)
বাংলাদেশ: ১৬.৪ ওভারে ১০৫/৩ (দিলারা ৪, জুয়াইরিয়া ০, সুপ্তা ১৩, জ্যোতি ৫০*, সোবহানা ৩৩*; আইরিস ৪-০-১৬-১, হিদার সিগার্স ৩-০-৯-১, ওভারডাইক ৩-০-১৬-০, ডি ল্যাঙ্গে ৩-০-২৬-০, সিলভার সিগার্স ২.৪-০-২০-০, লান্ধির ১-০-১৭-১)
ফল: বাংলাদেশ ৭ উইকেটে জয়ী

বুন্দেসলিগায় টানা দ্বিতীয় ম্যাচে জয় বঞ্চিত বায়ার্ন মিউনিখ। শনিবার রাতে হামবুর্গের সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করেছে লিগ শীর্ষে থাকা দলটি।
ঘরের মাঠ ভলসপার্ক স্টেডিয়ামে ম্যাচের ৩৩ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে হামবুর্গকে এগিয়ে দেন ফাবিও ভিয়েরা। নিকোলাই রেমবার্গকে ফাউল করে বসেন বায়ার্ন মিডফিল্ডার জশুয়া কিমিখ। রেফারি বাজান পেনাল্টির বাঁশি। সফল স্পট কিকে এগিয়ে যায় হামবুর্গ।
আট মিনিট পরই বায়ার্নকে ১-১ সমতায় ফেরান ইংলিশ স্ট্রাইকার হ্যারি কেইন। কিমিখের বাড়ানো বল থেকে দারুণ ফিনিশে মৌসুমের ২২তম লিগ গোলটি করেন তিনি।
বিরতির ঠিক পরপরই এগিয়ে যায় বায়ার্ন। ৪৬ মিনিটে মাইকেল ওলিসের সহায়তায় গোল করেন লুইস দিয়াজ।
তবে এই লিড বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি ভিনসেন্ট কোম্পানির দল। ৫৩ মিনিটে হেডে গোল করে হামবুর্গকে ২-২ গোলে সমতায় ফেরান লুকা ভাসকোভিচ।
ম্যাচের শেষ দিকে আবার এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল হামবুর্গ। ৭৪ মিনিটে গোলকিপার মানুয়েল নয়্যার পোস্ট ছেড়ে বেরিয়ে গেলে ফাঁকা জালে শট নেন ভিয়েরা। অসাধারণ স্লাইডিংয়ে বল ক্লিয়ার করে বায়ার্নকে বাঁচান আলফনসো ডেভিস।
এই ড্রয়ে ২০ ম্যাচে বায়ার্নের পয়েন্ট হলো ৫১। একটি ম্যাচ বেশি খেলে দ্বিতীয় স্থানে থাকা বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের চেয়ে এগিয়ে আছে ৯ পয়েন্টে। হামবুর্গ ১৯ পয়েন্ট নিয়ে আছে লিগ টেবিলের ১৩ নম্বরে।

লন্ডন ডার্বিতে নাটকীয় প্রত্যাবর্তনে জয় পেয়েছে চেলসি। দুই গোলে পিছিয়ে থেকেও যোগ করা সময়ে গোল করে ওয়েস্ট হ্যামকে হারিয়ে প্রিমিয়ার লিগের চার নম্বরে উঠে এসেছে পশ্চিম লন্ডনের ক্লাবটি।
ঘরের মাঠ স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে চেলসির জয় ৩-২ গোলের। এই নিয়ে লিগে টানা তিন ম্যাচে জয় পেল চেলসি। লিয়াম রসেনিয়রের অধীনে সব ধরনের প্রতিযোগিতায় টানা ৫ ম্যাচে জিতল দলটি।
ম্যাচের শুরুটা ছিল পুরোপুরি ওয়েস্ট হ্যামের দখলে। সপ্তম মিনিটে জ্যারড বোয়েনের বাঁকানো ক্রস সামলাতে ব্যর্থ হন চেলসির গোলকিপার রবার্ট সানচেজ। সেই বল জালে জড়িয়ে এগিয়ে যায় অতিথিরা।
৩৬ মিনিটে বক্সের ভেতর থেকে দুর্দান্ত শটে গোল করেন ক্রিসেনসিও সামারভিল। প্রথমার্ধ শেষে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল ওয়েস্ট হ্যাম।
প্রথমার্ধে কোল পালমারের একটি ফ্রি-কিক ছাড়া বড় কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারেনি চেলসি। বিরতির পর মাঠে নামার সময় দর্শকদের দুয়োধ্বনিও শুনতে হয় স্বাগতিকদের। তিন পরিবর্তন আনেন চেলসির কোচ রসেনিয়র। তাতেই বদলে যায় ম্যাচের চিত্র।
৫৭ মিনিটে ওয়েসলি ফোফানার ক্রস থেকে হেডে গোল করে ব্যবধান কমান জোয়াও পেদ্রো। এরপর ৭০ মিনিটে মালো হেডে গোল করে সমতা ফেরান মার্ক কুকুরেয়া। যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে জোয়াও পেদ্রোর ক্রস থেকে গোল করে ব্লুজদের জয়ের নায়ক বনে যান অধিনায়ক এনজো ফার্নান্দেজ।
খেলা শেষ হওয়ার আগ মুহূর্তে এক চরম বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। জোয়াও পেদ্রোকে গলা চেপে ধরার কারণে ভিএআর পর্যালোচনার পর জিন-ক্লেয়ার তোদীবোকে সরাসরি লাল কার্ড দেখান রেফারি।
২৪ ম্যাচে ৪০ পয়েন্ট নিয়ে ৪ নম্বরে চেলসি। সমান ম্যাচে এক পয়েন্ট কম নিয়ে পাঁচে নেমে গেছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। ২৪ ম্যাচে ২০ পয়েন্ট নিয়ে ১৮ নম্বরে ওয়েস্ট হ্যাম। একই রাতে নিউক্যাসলের সঙ্গে বড় জয়ে চেলসির ঘাসে নিশ্বাস ফেলছে লিভারপুল। পাঁচে থাকা অল রেডদের পয়েন্ট ৩৯।
অ্যানফিল্ডে চেলসির সহজ জয়ের ম্যাচে অবশ্য আগে লিড নিয়েছিল অতিথি শিবির। ৩৬ মিনিটে নিউক্যাসলের গর্ডন গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। বিরতির আগে তিন মিনিটের মধ্যে জোড়া গোল করে লিভারপুলকে এগিয়ে দেন হুগো একিতিকে। ৬৭ মিনিটে ফ্লোরান রিটজ এবং যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে ইব্রাহীম কোনাতের গোলে শেষ পর্যন্ত ৪-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে আর্নে স্লটের দল।
আফ্রিকা কাপ অব নেশনস খেলে ফিরে আসার পর লিভারপুলে নিয়মিতই আবার শুরুর একাদশে জায়গা পাচ্ছেন মোহাম্মদ সালাহ। মিশরীয় তারকা এদিন গোল না পেলেও এক গোলে সহায়তা করে দলের জয়ে অবদান রেখেছেন।

প্রতিপক্ষের রক্ষণে আতঙ্ক ছড়িয়ে জয়ের ধারা অব্যাহত রেখেছে বার্সেলোনা। মার্কাস রাশফোর্ডের টানা দ্বিতীয় ম্যাচে গোল পাওয়ার দিনে এলচেকে হারিয়ে লা লিগায় রিয়াল মাদ্রিদের সঙ্গে ব্যবধান আরেকটু আরেকটু বাড়িয়ে হান্সি ফ্লিকের দল।
শনিবার রাতে ৩-১ ব্যবধানে জিতে টেবিলের শীর্ষে চার পয়েন্টের ব্যবধান তৈরি করেছে হান্সি ফ্লিকের দল। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে শেষ ১৬ ম্যাচে ১৫ টিতেই জয় পেল বার্সেলোনা।
প্রতিপক্ষের ঘরের মাঠে ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে যায় বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। ষষ্ঠ মিনিটে দানি ওলমোর বাড়ানো বল ধরে এলচে গোলকিপার ইনাকি পেনাকে কাটিয়ে ফাঁকা জালে বল পাঠান লামিনে ইয়ামাল।
২৭ মিনিটে ওলমোর বাঁকানো শট এলচের গোলপোস্টে লেগে ফিরে আসে। সুযোগ মিস করার ঠিক দুই মিনিট পর প্রতিপক্ষের রক্ষণ দেয়াল টপকে আলভারো রদ্রিগেজ নিখুঁত ফিনিশিংয়ে সমতা ফেরান এলচের হয়ে।
এরপর আবার নিয়ন্ত্রণ নেয় বার্সেলোনা। ৩৯ মিনিটে ডি ইয়ংয়ের কাটব্যাক থেকে জোরালো শটে দলকে এগিয়ে দেন ফেরান তোরেস।
দ্বিতীয়ার্ধে বদলি হিসেবে নামেন রাশফোর্ড। ৭১ মিনিটে লামিনে ইয়ামালের নিচু ক্রস থেকে সহজ ট্যাপে ব্যবধান বাড়ান ইংলিশ ফরোয়ার্ড। এটি ছিল চলতি মৌসুমে তাঁর ১০ম গোল।
ম্যাচে সব মিলিয়ে ৩০ টি শট নেয় বার্সেলোনা, যার মধ্যে ৮ টি ছিল অন টার্গেট। শেষ পর্যন্ত ৩-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে কাতালানরা।
২২ ম্যাচে ৫৫ পয়েন্ট নিয়ে লিগে সবার ওপরে বার্সেলোনা। সমান ম্যাচে ২৪ পয়েন্ট নিয়ে ১২ নম্বরে এলচে। এক ম্যাচ কম খেলে ৫১ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে রিয়াল মাদ্রিদ। আজ রায়ো ভায়েকানোর বিপক্ষে জিতে ব্যবধান এক পয়েন্টে নামিয়ে আনার সুযোগ থাকছে লস ব্ল্যাঙ্কোসদের সামনে।

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে টানা তিন ম্যাচ জয়হীন থাকার পর ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে মাঠে নামে আর্সেনাল। প্রতিপক্ষ লিডস ইউনাইটেড শেষ ১০ ম্যাচে মাত্র একবার হেরেছে—ডিসেম্বরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত এত কম হার আর কোনো দলের নেই। দুই ড্র ও এক হারে খানিকটা কক্ষ্যচূত মনে হওয়া গানাররা অবশেষে জয়ে ফিরল।
প্রিমিয়ার লিগে আজ লিডসের বিপক্ষে ৪-০ গোলের জয় পেয়েছে আর্সেনাল। প্রতিপক্ষের মাঠে মার্টিন জুবিমেন্দির গোলের পর আত্মঘাতি গোলের সৌজন্যে দ্বিতীয় দফা ব্যবধান বাড়ায় গানাররা। শেষ গোলটি করেন ভিক্টর গিওকেরেস।
এই জয়ে পয়েন্ট টেবিলে শীর্ষে আরও পোক্ত হলো আর্সেনাল। ২৪ ম্যাচে ১৬ জয়, ৫ ড্র ও তিন হারে ৫৩ পয়েন্ট মিকেল আরতেতার দলের। দুইয়ে থাকা ম্যানচেস্টার সিটি থেকে সাত পয়েন্ট ব্যবধান বাড়িয়ে নিল তারা। সমান ম্যাচে ২৬ পয়েন্ট নিয়ে ১৬ নম্বরে লিডস।
অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ড এবং গ্যাব্রিয়েল জেসুস ছাড়া একাদশ সাজান আরতেতা। অনুশীলনের সময় চোট পাওয়া বুকায়ো সাকার জায়গায় মাঠে নামেন ননি মাদুয়ে। এছাড়া একাদশে ফেরেন ভিক্টর ইওকেরেস ও কাই হাভার্টজ ; চলতি মৌসুমে লিগে প্রথমবার শুরুর একাদশে থেকে মাঠে নামলেন হাভার্টজ। নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে দলে ফেরেন প্রিমিয়ার লিগে ৩০০ ম্যাচ খেলার মাইলফলক স্পর্শ করা ডেকলান রাইস।
প্রথমার্ধেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় আর্সেনাল। ‘সেট-পিস কিং’ আর্সেনাল আরও একবার একইভাবে প্রতিপক্ষের জালে বল পাঠান। ২৭ মিনিটে মাদুয়েকের ক্রস থেকে হেডে লক্ষ্যভেদ করেন জুবিমেন্দি। পরের গোলটি আসে আরেকটি সেট পিস থেকে। ৩৮ মিনিটে মাদুয়েকের ইনসুইং কর্নার ঠেকাতে গিয়ে নিজেদের জালে বল পাঠিয়ে দেন লিডস গোলকিপার কার্ল ডারলো।
দ্বিতীয়ার্ধেও লিডসের ওপর চাপ ধরে রাখে আর্সেনার। ৬৯ মিনিটে ব্যবধান ৩-০ করেন গিওকেরেস। গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেলির বাড়ানো বল থেকে জাল কাঁপান সুইডিশ ফরোয়ার্ড। এরপর বদলি নামা গ্যাব্রিয়েল জেসুস ৮৬ মিনিটে গোল করে হালি পূর্ণ করেন।