
এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগে আবেদনের প্রেক্ষিতে পশ্চিমাঞ্চলের আয়োজক স্বত্ব পেয়েছে কিরগিস্তান, ভুটান ও কুয়েত। তাই গ্রুপ পর্বের খেলাগুলো হবে আয়োজক দেশগুলোর বাছাই করা নির্দিষ্ট কোনো ভেন্যুতে।
আগামী ২৫ অক্টোবর থেকে মাঠে গড়াবে গ্রুপ পর্বের খেলা। এর আগে ২৮ আগস্ট হবে ড্র। সেখানেই জানা যাবে, গ্রুপ পর্বের ম্যাচের জন্য কোন দেশে যেতে হবে বসুন্ধরা কিংসের।
গ্রুপ পর্বের ড্র অনুষ্ঠানে চার নম্বর পটে থাকবে বাংলাদেশের জায়ান্ট ক্লাবটি। এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগের গ্রুপ পর্বে দেশের একমাত্র প্রতিনিধিও বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নরা।
আরও পড়ুন
| বসুন্ধরা কিংসের সুযোগ-সুবিধা আন্তর্জাতিক মানের: কিউবা মিচেল |
|
গত ১২ আগস্ট হয় এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগের প্রিলিমিনারি পর্বের খেলা। কাতারের মাঠে সিরিয়ার ক্লাব আল কারামাহকে ১-০ গোলে হারিয়ে প্রতিযোগিতার গ্রুপ পর্বে ওঠে ঘরোয়া ফুটবলে সবশেষ ফেডারেশন কাপের চ্যাম্পিয়ন কিংস।
একই দিনে ঘরের মাঠ জাতীয় স্টেডিয়ামে কিরগিস্তানের ক্লাব মুরাস ইউনাইটেডের কাছে ২-০ ব্যবধানে হেরে বিদায় নেয় ঢাকা আবাহনী। পশ্চিমাঞ্চল থেকে এদিন আরও কোয়ালিফাই করে কিরগিস্তানের ক্লাব এফসি আবদিসা আতা, কুয়েতের ক্লাব আল আরাবি ও ভুটানের পারো এফসি।
এর আগে সরাসরি সাতটি ক্লাব জায়গা করে নেয় এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগের গ্রুপ পর্বে। ক্লাবগুলো হলো- রেগার-তাদাজ তুরসুনজোদা, আল সাঈব, আলতিন আসির, আল শাবাব, আল আনসার, সাফা এসসি ও আল কুয়েত।
No posts available.
২৭ মার্চ ২০২৬, ৪:৫১ পিএম
২৭ মার্চ ২০২৬, ৪:৪৭ পিএম

আনহেল দি মারিয়ার ফেরার সম্ভাবনা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে। ২০২৪ কোপা জিতে আর্জেন্টিনাকে বিদায় বলেন এই কিংবদন্তি ফুটবলার। তবে ক্লাব ফুটবলে এখনো আগের মতোই জাদু দেখিয়ে চলেছেন এই উইঙ্গার। এতেই আলোচনা ২০২৬ বিশ্বকাপে কি আবারও দেখা যেতে পারে দি মারিয়াকে?
এই আলোচনা নাকচ করে দিয়েছেন আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি। তাঁর মতে, দি মারিয়ার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের অধ্যায় ইতোমধ্যেই শেষ হয়েছে।
দেশে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলতে নামার আগে মরিতানিয়া ও জাম্বিয়ার বিপক্ষে—সংবাদ সম্মেলনে স্কালোনি এ বিষয়ে খোলামেলা কথা বলেন। তিনি জানান, দি মারিয়ার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক এখনো ভালো, তবে জাতীয় দলে ফেরার কোনো পরিকল্পনা নেই।
স্কালোনি বলেন, ‘তার (দি মারিয়া) সঙ্গে আমার খুব ভালো সম্পর্ক। সে আমাকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছে। কিন্তু বিষয়টি পরিবেশ ও পরিস্থিতির সঙ্গে জড়িত। আমার মনে হয়, এই অধ্যায় শেষ হয়ে গেছে। আমরা বিষয়টি সেভাবেই দেখি।’
২০২৪ সালের কোপা আমেরিকা জয়ের পর আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নেন দি মারিয়া। সেই টুর্নামেন্টে তাঁর অবদান ছিল গুরুত্বপূর্ণ। স্কালোনির অধীনে আর্জেন্টিনা যে চারটি শিরোপা জিতেছে, তার পেছনে দি মারিয়ার ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য।
জাতীয় দলের জার্সিতে ১৪৫ ম্যাচ খেলা এই তারকা ২০০৮ সালের বেইজিং অলিম্পিকে স্বর্ণপদকসহ মোট পাঁচটি শিরোপা জিতেছেন। অবসরের আগে চিলির বিপক্ষে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের ম্যাচে তাঁকে সংবর্ধনা জানানো হয়, যেখানে পরিবার, সতীর্থ ও হাজারো সমর্থকের উপস্থিতিতে আবেগঘন বিদায় নেন তিনি।
সম্প্রতি ক্লাব ফুটবলে রোসারিও সেন্ট্রালে দারুণ পারফরম্যান্সের পর অনেক সমর্থকই আশা করেছিলেন, হয়তো জাতীয় দলে ফেরার সিদ্ধান্ত বদলাতে পারেন দি মারিয়া। তবে স্কালোনির মন্তব্যে সেই সম্ভাবনা প্রায় শেষ হয়ে গেছে।
তবে কোচ জানিয়েছেন, ক্লাব ফুটবলে দি মারিয়ার বর্তমান পারফরম্যান্সে তিনি খুশি এবং আশা করেন, তিনি একইভাবে খেলা চালিয়ে যাবেন।

দলটি সবশেষ প্রতিযোগিতামূলক কোনো ম্যাচ খেলেছিল ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে। ফিফা র্যাঙ্কিংয়েও নেই তাদের উপস্থিতি। দীর্ঘ ৭ বছরের বিরবির পর অবশেষে মাঠে ফিরেছে তারা। বলা হচ্ছে পূর্ব আফ্রিকার দেশ ইরিত্রিয়ার কথা। বুধবার রাতে আফ্রিকা কাপ অব নেশন্সের বাছাইপর্বে তারা মুখোমুখি হয় এসওয়াতিনি (সাবেক সোয়াজিল্যান্ড)-এর। আর এই ম্যাচটিই হয়ে থাকল ঐতিহাসিক।
নামিবিয়ার বিপক্ষে ইরিত্রিয়ার ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরের ওই ম্যাচটি ছিল ২০২২ বিশ্বকাপ বাছাইয়ের। দুই লেগ মিলিয়ে নামিবিয়ার কাছে হেরে যায় তারা। এরপর ২০২৬ বিশ্বকাপ বাছাইসহ বিভিন্ন প্রীতি ম্যাচ থেকেও সরে দাঁড়ায় দেশটি। দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, নিয়মিত এই সরে দাঁড়ানোর পেছনে বড় কারণ হলো—দেশটির খেলোয়াড়রা বিদেশে খেলতে গেলে রাজনৈতিক আশ্রয় (অ্যাসাইলাম) চেয়ে বসতে পারেন, এমন আশঙ্কা।
জাতিসংঘের হিসেবে, ২০০৭ সালের পর থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ৮০ জন খেলোয়াড় ও কোচ দেশত্যাগ করেছেন। ১৯৯৩ সাল থেকে প্রেসিডেন্ট ইসাইয়াস আফওয়ারকির শাসনে রয়েছে দেশটি।
তবে ২০২৫ সালের মে’তে নীরবে ফেরার সূচনা করে ইরিত্রিয়া। সে সময় ১৯৯৩ সালে ইথিওপিয়া থেকে স্বাধীনতা লাভের স্মরণে নাইজারের বিপক্ষে কয়েক দিনের ব্যবধানে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলেছিল তারা।
নাইজারের পূর্ণ শক্তির আন্তর্জাতিক দল না খেলায় ম্যাচটি ফিফা র্যাঙ্কিংয়ের হিসেবে ধরা হয়নি। তবে ইরিত্রিয়া দারুণভাবে ফিরে আসে—এসওয়াতিনিকে ২-০ গোলে হারিয়ে। ম্যাচের শেষ দিকে গোল করেন ১৮ বছর বয়সী অভিষিক্ত খেলোয়াড় সিয়েম আইয়োব-আব্রাহা (শেফিল্ড ইউনাইটেড) এবং মিশরে খেলা আলি সুলেইমান। এটি ছিল ২০০৮ সালের পর আফ্রিকা কাপ অব নেশন্সের বাছাইপর্বে ইরিত্রিয়ার প্রথম অংশগ্রহণ। ৩১ মার্চ এসওয়াতিনির মাঠে দ্বিতীয় লেগ খেলবে তারা।
প্রথম লেগটি অনুষ্ঠিত হয় মরক্কোর মেকনেসে নিরপেক্ষ ভেন্যুতে, কারণ ইরিত্রিয়ার নিজস্ব কোনো উপযুক্ত স্টেডিয়াম নেই।
আরও পাঁচটি দলের সঙ্গে এই প্রাথমিক পর্বের জয়ীরা পরবর্তী ধাপে উঠবে, যেখানে ১২টি চার-দলের গ্রুপে বিভক্ত হয়ে লিগ পদ্ধতিতে খেলা হবে। র্যাঙ্কিংয়ে ১ থেকে ৪২ নম্বরে থাকা দলগুলো সরাসরি গ্রুপ পর্বে সুযোগ পেয়েছে, আর ৪৩ থেকে ৫৪ নম্বর দলগুলোকে এই প্রাথমিক পর্ব খেলতে হচ্ছে। কেনিয়া, উগান্ডা ও তানজানিয়ায় অনুষ্ঠিতব্য আফকনের ৭০তম আসরকে সামনে রেখে এই বাছাই প্রক্রিয়া চলছে।
ইরিত্রিয়া কখনোই বিশ্বকাপ বা আফ্রিকা কাপ অব নেশন্সে খেলেনি। দীর্ঘদিন নিষ্ক্রিয় থাকায় ফিফার ২১১টি দেশের মধ্যে বর্তমানে একমাত্র র্যাঙ্কবিহীন দল তারা, এবং র্যাঙ্কিংয়ে তাদের জন্য আলাদা একটি বিভাগ রাখা আছে।
আগামী ৬ এপ্রিল ফিফার পরবর্তী র্যাঙ্কিং হালনাগাদ প্রকাশিত হবে। সেখানে ‘রেড সি ক্যামেলস’ নামে পরিচিত ইরিত্রিয়া ২০২২ সালের পর প্রথমবারের মতো আবার র্যাঙ্কিংয়ে ফিরতে পারে—সর্বশেষ তখন তাদের অবস্থান ছিল ২০০।

ফ্রান্সের হয়ে সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ড ছুঁতে আর মাত্র এক গোল দূরে আছেন কিলিয়ান এমবাপে। গতরাতে ব্রাজিলের বিপক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের জিলেট স্টেডিয়ামে ব্রাজিলের বিপক্ষে গোল করেই এমন রেকর্ডের সামনে দাঁড়িয়ে ফ্রান্স ফরোয়ার্ড।
এই গোল নিয়ে ক্যারিয়ারে ৫৬তম গোল পেলেন এমবাপে। এর জন্য তাঁকে খেলতে হয়েছে ৯৪ ম্যাচ। এমবাপের সামনে কেবল অলিভার জিরুদ। দুইবারের চ্যাম্পিয়নদের হয়ে সর্বোচ্চ ৫৭ গোল করেছেন জিরুদ। এই গোল করতে ১৩৭ ম্যাচ খেলেছেন বর্তমানে লিলের হয়ে খেলা বিশ্বকাপজয়ী ফরোয়ার্ড।
এদিন ম্যাচের ৬৬ মিনিটে মার্কাস থুরামের বদলি হিসেবে তুলে নেওয়া হয় ২৭ বছর বয়সী এমবাপেকে। এরপর আরও বেশ কয়েকটি গোলের সুযোগ মিস করে ফ্রান্স। রিয়াল মাদ্রিদ তারকা মাঠে থাকলে হয়ত রেকর্ডটা এদিনই স্পর্শ করা হয়ে যেতো তাঁর।
এর আগে বেশ কিছুদিন ধরে ইনজুরির সঙ্গে লড়াই করছিলেন এমবাপে। অবশেষে গত ২২ ফেব্রুয়ারি রিয়াল মাদ্রিদের জার্সিতে মাঠের লড়াইয়ে ফেরেন তিনি। এরপর জাতীয় দলের হয়ে ছন্দ ফিরে পেয়েছেন ২০১৭ সালে ফ্রান্সের হয়ে অভিষেক হওয়া এই তারকা।
ফ্রান্সের সর্বকালের সর্বোচ্চ ৮ গোলদাতা:
অলিভার জিরুদ - ১৩৭ ম্যাচে ৫৭ গোল।
কিলিয়ান এমবাপে - ৯৪ ম্যাচে ৫৬ গোল।
থিয়েরি হেনরি - ১২৩ ম্যাচে ৫১ গোল।
আতোয়ান গ্রিজম্যান - ১৩৭ ম্যাচে ৪৪ গোল।
মিচেল প্লাতিনি - ৭২ ম্যাচে ৪১ গোল।
কারিম বেনজেমা - ৯৭ ম্যাচে ৩৭ গোল।
ডেভিড রেজেগুয়েট - ৭১ ম্যাচে ৩৪ গোল।
জিনেদিন জিদান - ১০৬ ম্যাচে ৩১ গোল।

১১ জুন থেকে শুরু ফিফা বিশ্বকাপ। গ্রেটেস্ট শো অন আর্থের আগে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সারছে অংশগ্রহণকারী দলগুলো। তবে ইউরোপীয় ও আন্তমহাদেশীয় অঞ্চলের এখনও ৬ দল অপেক্ষায় চূড়ান্ত টিকিটের জন্য। বাদবাকি ৪২ দলের বেশিরভাগই ফ্রেন্ডলি ম্যাচে ব্যস্ত সময় পার করছে।
বিশ্বকাপে গ্রুপ জে-তে আর্জেন্টিনা। তিনবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা এখন ফিফা ফ্রেন্ডলি ম্যাচ নিয়েই ব্যস্ত। মৌরিতানিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশ সময় শুক্রবার রাত দুইটায় মুখোমুখি হবে আলবেসেলেস্তারা। আর এই ম্যাচের আগে দলের তিন প্লেয়ার— নিকোলাস ওতামেন্দি, জোয়াকিন পানিচেল্লি, রদ্রিগো দি পলকে নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে ।
ফরাসি ক্লাব স্টার্সবুর্গের জোয়াকিন পানিচেল্লির অবস্থা একটু বেশিই গুরুতর। অনুশীলনের সময় হাঁটুতে চোট পেয়েছেন আর্জেন্টিনার ২৩ বছর বয়সী তরুণ স্ট্রাইকার। ফলে মৌসুম থেকেই ছিটকে পড়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
লিগ ওয়ানে ১৬ গোল করে শীর্ষে পানিচেল্লি। শুক্রবার মৌরিতানিয়ার বিপক্ষে নামার কথা থাকলেও চোটের কারণে সেটা সম্ভব হবে না।
ইতালির ক্রীড়া সাংবাদিক ও ফুটবল বিশ্লেষক ফ্যাব্রিজিও রোমানো সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে জানিয়েছেন, পানিচেল্লির হাঁটুর চোট গুরুতর। তার চোটের বিষয়টি ইতোমধ্যে ক্লাবকে জানানো হয়েছে।
পানিচেল্লির চোটের বিষয়ে এখন পর্যন্ত আর্জেন্টিনা ফুটবল ফেডারেশন কিংবা স্টার্সবুর্গ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছুই জানানো হয়নি। ফলে জানা যায়নি তার চোট কতটা গুরুতর কিংবা কতদিন মাঠের বাইরে থাকবেন তিনি।

এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে আগামী মঙ্গলবার সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে অ্যাওয়ে ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। আজ ভিয়েতনাম থেকে সরাসরি দেশটিতে পৌঁছেছেন জামাল ভূঁইয়ারা।
গতকাল ভিয়েতনামের বিপক্ষে একমাত্র প্রীতি ম্যাচে মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ। যেখানে ৩-০ ব্যবধানে হেরে মাঠ ছাড়ে হাভিয়ের কাবরেরার দল। সিঙ্গাপুরকে মোকাবিলার আগে পরাজয় সঙ্গী হলেও এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে শেষটা জয় দিয়ে রাঙাতে চায় লাল সবুজের দল। যদিও গত ১০ জুন সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে হোম ম্যাচে ১-২ ব্যবধানে হেরেছিল বাংলাদেশ।
এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে এটিই বাংলাদেশের শেষ ম্যাচ। ‘সি’ গ্রুপ থেকে ৫ ম্যাচ খেলে একটিতে জয়, দুটি করে পরাজয় এবং ড্রয়ে ৫ পয়েন্ট বাংলাদেশের। টেবিলের তিনে বাংলাদেশ। এই গ্রুপ থেকে ২০২৭ সালের এশিয়ান কাপের মূলপর্ব নিশ্চিত করেছে সিঙ্গাপুর।
একই দিনে গ্রুপের তলানীতে থাকা ভারত মোকাবিলা করবে টেবিলের তিনে থাকা হংকংকে। প্রতিযোগিতায় দুই দলের প্রথম সাক্ষাতে ১-০ গোলে জয় পেয়েছিল হংকং।