১ মার্চ ২০২৬, ১১:৪৯ এম

এশিয়ার নারী ফুটবলারদের সবচেয়ে বড় প্রতিযোগিতা এএফসি এশিয়ান কাপ। এই অঞ্চলের সেরা ১২ দলের লড়াই। শিরোপা তো থাকছেই, একই সঙ্গে এই টুর্নামেন্টে ভালো করে বিশ্বকাপে খেলার সুযোগও আছে। এবং অলিস্পিক গেমসের বাছাই পর্ব খেলার টিকিটও দলগুলো পাবে এই টুর্নামেন্টে ভালো করে।
প্রতিযোগিতায় সর্বশেষ বাংলাদেশের পতাকা উড়েছিল ১৯৮০ সালে। বাংলাদেশ পুরুষ ফুটবল দলের সেই ইতিহাস এখন অনেক পুরোনো। ২০২৫ সালে প্রথমবার মেয়েরা এই আসরে খেলার যোগ্যতা অর্জন করায় দ্বিতীয়বার এশিয়ান মঞ্চে থাকছে বাংলাদেশ।
অস্ট্রেলিয়ার তিনটি শহর সিডনি, পার্থ ও গোল্ডকোস্টে বসছে এশিয়ান কাপের ২১তম আসর। ২০০৬ সালের পর দ্বিতীয়বারের মতো এই টুর্নামেন্ট আয়োজন করছে অস্ট্রেলিয়া। স্বাগতিক দল ছাড়াও অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ, চীন, উত্তর কোরিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, ভারত, ভিয়েতনাম, উজবেকিস্তান, জাপান, ফিলিপাইন, চাইনিজ তাইপে ও ইরান।
আরও পড়ুন
| ডর্টমুন্ডকে হারিয়ে শিরোপার পথে বায়ার্নের বড় লাফ |
|
নারী এশিয়ান কাপের সবচেয়ে সফল দেশ চীন। ৯ বার শিরোপা জেতা এই দেশটি পড়েছে বাংলাদেশের গ্রুপে। এছাড়া তিনবারের চ্যাম্পিয়ন উত্তর কোরিয়াও আছে এই গ্রুপে। ‘বি’ গ্রুপে বাংলাদেশের অন্য প্রতিপক্ষ পাঁচবার এশিয়ান কাপের মূলপর্বে খেলা উজবেকিস্তান।
এবারের আসরে একমাত্র বাংলাদেশেরই হতে যাচ্ছে অভিষেক। ফিফার সর্বশেষ র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশ সবার নিচে, ১১২ নম্বরে। আর গ্রুপে বাংলাদেশের নিকটতম দল উজবেকিস্তানের সঙ্গেও বাংলাদেশের র্যাঙ্কিংয়ের ফারাক ৬৩ ধাপ (বাংলাদেশ ১১২ এবং ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে উজবেকিস্তান ৪৯)।
টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে আজ মুখোমুখি হবে অস্ট্রেলিয়া ও ফিলিপাইন। পার্থে বাংলাদেশ সময় বেলা ৩টায় গড়াবে খেলাটি। বাংলাদেশের এশিয়ান কাপ শুরু হবে ৩ মার্চ, সোমবার। প্রথম ম্যাচে লাল সবুজের মেয়েদের প্রতিপক্ষ চীন।
১২ দলের এই টুর্নামেন্টে সেমিফাইনালে ওঠা ৪ দেশ পাবে ব্রাজিল বিশ্বকাপে খেলার টিকিট। কোয়ার্টার ফাইনালে হারা চার দলেরও সুযোগ থাকবে বেস্ট থার্ড হয়ে প্লে-অফ খেলার। সেখান থেকে বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন করার সুযোগ পাবে আরও দুটি দল। আর কোয়ার্টার ফাইনালের ৮ দল খেলবে অলিম্পিক গেমসের বাছাই পর্ব।
No posts available.

বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের প্রধান কোচ কে হবেন এ নিয়ে জল্পনার অন্ত নেই। তবে হুট করেই দৃশ্যপটে এল নতুন মোড়। গায়ানা জাতীয় দলের কোচের পদ থেকে আকস্মিক পদত্যাগ করেছেন বাফুফের (বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন) সংক্ষিপ্ত তালিকায় থাকা টমাস ডুলি।
ডুলির পদত্যাগ ঘিরেই জোরালো গুঞ্জন শুরু হয়েছে, তবে কি হাভিয়ের কাবরেরার উত্তরসূরি হিসেবে বাংলাদেশের ডাগআউটে দেখা যাবে এই হাই-প্রোফাইল জার্মান-মার্কিন কোচকে?
বাফুফে ইতিমধ্যে নতুন কোচের জন্য ১১ জনের একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা (শর্টলিস্ট) চূড়ান্ত করেছে এবং আগামী ১৫ মে নতুন কোচের নাম ঘোষণা করার কথা রয়েছে। ঠিক তিন দিন আগে ১২ মে ডুলির পদত্যাগ করার বিষয়টি কোনো সাধারণ কাকতালীয় ঘটনা হতে পারে না। ৯ মাস গায়ানার দায়িত্বে থেকে অপরাজিত রেকর্ড গড়ার পরও 'নতুন চ্যালেঞ্জ' গ্রহণের কারণ দেখিয়ে তাঁর বিদায় নেওয়া ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, বাংলাদেশের প্রস্তাবটি হয়তো তাঁর কাছে এখন অনেক বেশি বাস্তবসম্মত।
যদিও বাফুফে থেকে নতুন কোচের বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। টেকনিক্যাল কমিটির চেয়ারম্যান কামরুল ইসলাম হিলটন বলেছেন, 'টমাস ডুলি আমাদের সংক্ষিপ্ত তালিকায় আছেন। এখন কোচ নিয়োগের বিষয়টি পুরোপুরি সভাপতি (তাবিথ আউয়াল) নিজেই দেখছেন। উনি ১৫ মে ঘোষণা দেবেন বলে জানি।'
৬৪ বছর বয়সী ডুলি খেলোয়াড় হিসেবে যেমন বুন্দেসলিগা ও ইউয়েফা কাপ জয়ী। কোচ হিসেবেও তাঁর প্রোফাইল বেশ ভারী। ছিলেন জার্মান কিংবদন্তি ইয়ুর্গেন ক্লিন্সমানের সহকারীও। বিশেষ করে ফিলিপাইন জাতীয় দলকে সাফল্য এনে দেওয়া এবং প্রথমবার এশিয়ান কাপের মূল পর্বে কোয়ালিফাই করানোর অভিজ্ঞতা তাঁকে বাফুফের তালিকার শীর্ষে রাখার বড় কারণ হতে পারে। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন বর্তমানে এমন একজন অভিজ্ঞ কোচ খুঁজছে যিনি এশিয়ান ফুটবল সম্পর্কে সম্যক ধারণা রাখেন।
তবে ডুলির কোচিং ক্যারিয়ারে শৃঙ্খলার বিষয়টি যেমন প্রশংসিত, তেমনি গায়ানায় স্থানীয় খেলোয়াড়দের সঙ্গে তাঁর দ্বন্দ্ব কিছুটা বিতর্কেরও জন্ম দিয়েছিল। বাফুফের শর্টলিস্টে থাকা অন্য ১০ জন প্রার্থীর নাম এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা না হলেও, ডুলির পদত্যাগের পর আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এখন শুধুই তিনি।
টমাস ডুলিই কি তবে বাংলাদেশের পরবর্তী হেড কোচ হতে যাচ্ছেন? নাকি শেষ মুহূর্তে আসবে অন্য কোনো চমক?

মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) আয়ের সব রেকর্ড ভেঙে নিজের শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন লিওনেল মেসি। মঙ্গলবার এমএলএস প্লেয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রকাশিত সর্বশেষ বেতন তালিকা অনুযায়ী, ইন্টার মায়ামির এই মহাতারকার বার্ষিক মূল বেতন এখন ২ কোটি ৫০ লাখ ডলার।
গত অক্টোবরে মায়ামির সঙ্গে ২০২৮ সাল পর্যন্ত নতুন চুক্তি সই করেন মেসি। নতুন এই চুক্তিতে তাঁর মূল বেতন দ্বিগুণ হয়েছে। সব মিলিয়ে গ্যারান্টিড ক্ষতিপূরণসহ তাঁর বার্ষিক আয় দাঁড়াবে ২ কোটি ৮৩ লাখ ডলারে। এই হিসেবে মেসির বিভিন্ন বিজ্ঞাপন বা এনডোর্সমেন্ট চুক্তির আয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।
আরও পড়ুন
| গোলকিপারের অবিশ্বাস্য ভুলে শিরোপার অপেক্ষা বাড়ল রোনালদোর |
|
তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন সন হিউং-মিন। গত আগস্টে লস অ্যাঞ্জেলেস এফসিতে যোগ দেন দক্ষিণ কোরিয়ার এই তারকা। সনের বার্ষিক মূল বেতন ১ কোটি ৩ লাখ ৬০ হাজার ডলার।
৯৭ লাখ ডলার নিয়ে তালিকার তৃতীয় স্থানে আছেন মেসির মায়ামি ও আর্জেন্টিনা সতীর্থ রদ্রিগো ডি পল। মেক্সিকোর হার্ভিং লোসানো ৯৩ লাখ ডলার আয় নিয়ে তালিকার চতুর্থ স্থানে রয়েছেন। আর পঞ্চম স্থানে থাকা আতলান্তার মিগুয়েল আলমিরনের আয় ৭৯ লাখ ডলার।
২০২৩ সালে এমএলএসে যোগ দেওয়ার পর থেকেই মাঠ এবং মাঠের বাইরে লিগটিকে বদলে দিয়েছেন মেসি। মায়ামির হয়ে ৬৪ ম্যাচে তাঁর গোল সংখ্যা ৫৯।
গত বছর নিয়মিত মৌসুমে ২৯ গোল করে দলকে এমএলএস কাপ জেতানোর পাশাপাশি টানা দ্বিতীয়বারের মতো লিগের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন মেসি। আগামী মাসে আর্জেন্টিনার হয়ে বিশ্বকাপ ধরে রাখার মিশনে মাঠে নামবেন এই ফুটবল জাদুকর।

শিরোপাহীন মৌসুম আর অভ্যন্তরীণ কোন্দলে টালমাটাল রিয়াল মাদ্রিদ; চারপাশ থেকে ধেয়ে আসছে সমালোচনার তির, উঠছে পদত্যাগের দাবি। তবে চরম এই সংকটেও দমে যাওয়ার পাত্র নন ক্লাব সভাপতি ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ। পদত্যাগের গুঞ্জন সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে উল্টো নিজের অবস্থান আরও সুসংহত করতে ক্লাবে আগাম নির্বাচনের ডাক দিয়েছেন ৭৯ বছর বয়সী এই ফুটবল সংগঠক।
২০২৫ সালের জানুয়ারিতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পুনরায় নির্বাচিত হওয়া পেরেজ মঙ্গলবার এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনের ডাক দেন। সেখানে তিনি বলেন, ‘দুঃখিত, আমি পদত্যাগ করছি না। বরং আমি নির্বাচনের ডাক দিচ্ছি। নির্বাচক কমিটিকে বোর্ড অফ ডিরেক্টরস নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু করতে বলেছি, যেখানে বর্তমান বোর্ড আবারও প্রার্থী হিসেবে লড়বে।‘
স্প্যানিশ মিডিয়ার একটি অংশের প্রতি ক্ষোভ ঝেড়ে পেরেজ অভিযোগ করেন, তাঁর এবং রিয়াল মাদ্রিদের বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা প্রচার চালানো হচ্ছে। শারীরিক অবস্থা নিয়ে ছড়ানো গুজব প্রসঙ্গে পেরেজ বলেন, ‘অনেকে রটাচ্ছে আমার নাকি মরণব্যাধি ক্যান্সার হয়েছে। আমি জানাতে চাই, আমার স্বাস্থ্য ঠিক আছে। যদি আমার ক্যান্সার হতো তবে কি আমি বিশ্বজুড়ে সংবাদ শিরোনাম হতাম না?’
আরও পড়ুন
| গোলকিপারের অবিশ্বাস্য ভুলে শিরোপার অপেক্ষা বাড়ল রোনালদোর |
|
রোববার বার্সেলোনার বিপক্ষে এল ক্লাসিকোতে ২-০ গোলে হেরেছে লস ব্লাঙ্কোসরা। মাঝ মৌসুমে জাবি আলোনসোকে বরখাস্ত করে আলভারো আরবেলোয়াকে কোচ হিসেবে নিয়োগ দিলেও ভাগ্যের পরিবর্তন হয়নি। শিরোপাহীন মৌসুম কাটাতে হচ্ছে আবারও।
রিয়ালের ড্রেসিংরুমের পরিবেশ নিয়েও বিতর্ক কম নয়। বার্সেলোনার বিপক্ষে ম্যাচের আগে অনুশীলনে ফেদেরিকো ভালভার্দে ও অরেলিয়ে চুয়ামেনির মধ্যে হাতাহাতির খবর সংবাদমাধ্যমে ফাঁস হয়ে যায়। এই ঘটনায় দুই ফুটবলারকেই ৫ লাখ ইউরো করে জরিমানা করেছে ক্লাব।
বিবাদের খবর ফাঁস হওয়া নিয়ে পেরেজ বলেন, ‘আমি খেলোয়াড়দের নিয়ে কথা বলব না। তবে আমার সময়ে খেলোয়াড়দের মধ্যে হাতাহাতি এই প্রথম নয়, কিন্তু এবারই প্রথম এটি সংবাদমাধ্যমে ফাঁস হলো।‘
২০০৯ সাল থেকে টানা সভাপতির দায়িত্ব পালন করা পেরেজ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেন, ‘যারা নির্বাচন করতে চান, তাদের স্বাগত। আমি সদস্যদের স্বার্থ রক্ষায় লড়ব। কোনো হুমকি আমাকে দমাতে পারবে না, বরং এটি আমাকে আরও শক্তি জোগাচ্ছে।‘
পেরেজ তাঁর সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরে বলেন, ‘আমি সবকিছু জিততে চাই। আমার সভাপতিত্বে আমরা ফুটবল ও বাস্কেটবল মিলিয়ে যথাক্রমে ৩৭টি ও ২৯টি শিরোপা জিতেছে।‘
সৌদি প্রো লিগের শিরোপা উৎসবের সব প্রস্তুতিই সেরে ফেলেছিল আল নাসর। কিন্তু ম্যাচের একদম শেষ মুহূর্তে গোলকিপার বেন্তোর অবিশ্বাস্য ভুলে শিরোপা জেতার অপেক্ষা আরও দীর্ঘায়িত হলো ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোদের।
মঙ্গলবার রাতে ঘরের মাঠে আল হিলালের বিপক্ষে ১-০ গোলে এগিয়ে থেকেও শেষ মুহূর্তের আত্মঘাতী গোলে ১-১ ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে আল নাসরকে।
আল-আউয়াল পার্কে ম্যাচের ৩৭ মিনিটে কিংসলে কোমানের অ্যাসিস্ট থেকে গোল করে আল নাসরকে এগিয়ে দেন মোহামেদ সিমাকান। দ্বিতীয় হাফের ইনজুরি টাইমের একদম শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সেই লিড বজায় ছিল।
নির্ধারিত সময় শেষে যোগ করা সময়ের খেলা শেষ হতে বাকি ছিল ১০ সেকেন্ড। এমন সময় আল হিলালের একটি লম্বা থ্রো-ইন ধরতে সামনে এগিয়ে গিয়ে উপরে লাফিয়ে ওঠেন বেন্তো। আশেপাশে কোনো প্রতিপক্ষ খেলোয়াড় না থাকলেও বলটি তাঁর হাত ফসকে সরাসরি জালে জড়িয়ে যায়। এই আত্মঘাতী গোলের পর মাথায় হাত দিয়ে মাঠে বসে পড়েন সতীর্থরা, আর ডাগআউটে হতাশায় ভেঙে পড়েন রোনালদো।
২০২৩ সালের জানুয়ারিতে যোগ দেওয়ার পর আল নাসরের হয়ে এটিই ছিল রোনালদোর প্রথম বড় ট্রফি জেতার সবচেয়ে বড় সুযোগ। ম্যাচ শেষ হওয়ার সাত মিনিট আগে যখন তুলে নেওয়া হয়, তখন গ্যালারির দর্শকদের উৎসাহ দিচ্ছিলেন সিআরসেভেন।
কিন্তু শেষ মুহূর্তের ওই ভুলে সব ওলটপালট হয়ে যায়। চলতি মৌসুমে ৩৩ লিগ ম্যাচে ২৬ গোল করেছেন রোনালদো। সব মিলিয়ে আল নাসরের হয়ে এই পর্তুগিজ মহাতারকার গোল সংখ্যা ১২৭, আর ক্যারিয়ার গোল ৯৭১। ১০০০ গোলের মাইলফলক থেকে এখন মাত্র ২৯ গোল দূরে রোনালদো।
এই ড্রয়ের পর ৩৩ ম্যাচ শেষে ৮৩ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষেই রয়েছে আল নাসর। এক ম্যাচ কম খেলা আল হিলাল ৭৮ পয়েন্ট নিয়ে রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে। শিরোপার ফয়সালা হবে এখন লিগের শেষ ম্যাচে।
আল হিলাল যদি পরের ম্যাচে নিওম এসসির বিপক্ষে জয় পায়, তবে আল নাসরের সাথে তাদের পয়েন্ট ব্যবধান নেমে আসবে ২-এ। সেক্ষেত্রে লিগের শেষ ম্যাচে আল নাসরকে শিরোপা নিশ্চিত করতে অবশ্যই দামাক এফসির বিপক্ষে অন্তত ড্র বা জয় পেতে হবে।

বিশ্বকাপের ২৬ সদস্যের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছে সুইডেন। দলে জায়গা পেয়েছেন আর্সেনালের ফরোয়ার্ড ভিক্টর ইয়োকেরেশ এবং লিভারপুল ফরোয়ার্ড আলেকজান্ডার ইসাক। তবে সুইডেনের বিশ্বকাপ দলে জায়গা হলো না টটেনহ্যাম তারকা দেজান কুলুসেভস্কি ও বার্সেলোনা ফরোয়ার্ড রুনি বার্দঘজির।
জাতীয় দলে নিয়মিত মুখ না হলেও, ক্লাবের হয়ে অভিষেক মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ২৬টি ম্যাচ খেলেছেন বার্দঘজি। যেখানে তাঁর নামের পাশে রয়েছে ২ গোল এবং ৪টি অ্যাসিস্ট। গ্রাহাম পটার ঘোষিত বিশ্বকাপ স্কোয়াডে জায়গা না পেয়ে সামাজিক মাধ্যমে আবেগঘন বার্তা দেন তিনি। বার্দঘজি লিখেন, ‘ঘোর বিপদের পথ দিয়ে চললেও আমার মনে কোনো ভয় নেই; কারণ আমি জানি, আপনি (সৃষ্টিকর্তা) আমার পাশেই আছেন।
বার্সা কোচ হানসি ফ্লিকও সাম্প্রতিক সময়ে রুনির বেশ প্রশংসা করেছেন। বিশেষ করে গ্রীষ্মকালীন দলবদলে রুনির ক্লাব ছাড়ার গুঞ্জনের মাঝেই ফ্লিক তাঁর সামর্থ্য নিয়ে কথা বলেন, ‘সে একজন অসাধারণ খেলোয়াড়, বিশ্বের সেরাদের সাথেই সে খেলছে এবং নিজের খেলায় অনেক উন্নতি করেছে। আমি তাকে বলেছি মৌসুম শেষে আমরা কথা বলব। দলের প্রতিটি সদস্যই গুরুত্বপূর্ণ এবং আমরা সবাইকে অনুপ্রাণিত দেখতে চাই।’
এদিকে লিভারপুলের রেকর্ডধারী সাইনিং আলেকজান্ডার ইসাকের জন্যও মৌসুমটা খুব একটা ভালো যায়নি। চোটের কারণে এ মৌসুমে লিভারপুলের হয়ে মাত্র ৮টি ম্যাচে শুরুর একাদশে ছিলেন তিনি। আর হাঁটুর চোটের চলতি মৌসুমে মাঠের বাইরে থাকা দেজান কুলুসেভস্কি শেষ পর্যন্ত বাদই পড়লেন।
ইসাককে নিয়ে সুইডেনের কোচ পটার বলেন, ‘আমরা আশা করছি লিভারপুলের হয়ে মৌসুমের শেষ ম্যাচগুলোতে ও মাঠে থাকবে। আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ হলো আলেকজান্ডারকে তার সেরা ছন্দে ফিরিয়ে আনা। কারণ সে যদি ফর্মে থাকে, তবে সে একজন বিশ্বমানের খেলোয়াড়।’
বিশ্বকাপের বাছাইপর্বের অভিযানটা সুইডেনের জন্য ছিল এক দুঃস্বপ্নের মতো। গ্রুপ টেবিলের তলানিতে থেকে মাত্র ২ পয়েন্ট নিয়ে শেষ করেছিল তারা। তবে নেশনস লিগের পারফরম্যান্স তাদের দেয় ‘দ্বিতীয় জীবন’। প্লে-অফে ইউক্রেন ও পোল্যান্ডকে হারিয়ে শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বে জায়গা করে নেয় স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশটি।
গ্রুপ ‘এফ’-এ থাকা সুইডেন তাদের প্রথম ম্যাচে ১৪ জুন মেক্সিকোর মন্টেরিতে তিউনিসিয়ার মুখোমুখি হবে। এরপরের দুটি ম্যাচ তারা খেলবে যুক্তরাষ্ট্রে; ২০ জুন হিউস্টনে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে এবং ২৫ জুন ডালাসে জাপানের বিপক্ষে মাঠে নামবে পটারের শিষ্যরা।
সুইডেনের ২৬ সদস্যের বিশ্বকাপ স্কোয়াড :
গোলকিপার: ভিক্টর জোহানসন (স্টোক সিটি), ক্রিস্টোফার নর্ডফেল্ট (এআইকে), জেকব উইডেল জেটারস্ট্রম (ডার্বি কাউন্টি)।
ডিফেন্ডার: ভিক্টর লিন্ডেলফ (অ্যাস্টন ভিলা), ড্যানিয়েল সভেনসন (বরুশিয়া ডর্টমুন্ড), এমিল হোম (জুভেন্টাস), আইজ্যাক হিয়েন (আটালান্টা), গুস্তাফ লেগারবিল্কে (ব্রাগা), হ্যালমার একডাল (বার্নলি), গ্যাব্রিয়েল গুডমুন্ডসন (লিডস ইউনাইটেড), এরিক স্মিথ (সেন্ট পাউলি), কার্ল স্টারফেল্ট (সেল্টা ভিগো), এলিয়ট স্ট্রাউড (মিয়ালবি)।
মিডফিল্ডার : লুকাস বার্গভাল (টটেনহ্যাম), ইয়াসিন আয়রি (ব্রাইটন), জেস্পার কার্লস্ট্রম (উডিনিস), মাত্তিয়াস সভানবার্গ (উলফসবার্গ), কেন সেমা (পাফোস), বেসফোর্ট জেনেলি (ইউনিয়ন সেন্ট-গিলোইস), তাহা আলি (মালমো)।
ফরোয়ার্ড : ভিক্টর ইউকোরেশ (আর্সেনাল), আলেকজান্ডার ইসাক (লিভারপুল), অ্যান্থনি এলাঙ্গা (নিউক্যাসেল ইউনাইটেড), বেঞ্জামিন নাইগ্রেন (সেল্টিক), গুস্তাফ নিলসন (ক্লাব ব্রুগ), আলেকজান্ডার বার্নহার্ডসন (হলস্টেইন কিল)।