
আল নাসরের দু’টি ম্যাচ বয়কটের পর অবশেষে সৌদি ক্লাবটির হয়ে মাঠে নামার সিদ্ধান্ত নিলেন ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো। সূত্রের বরাতে ইএসপিএন ব্রাজিল জানিয়েছে ১৪ ফেব্রুয়ারি আল আল ফাতেহের বিপক্ষে ম্যাচেই দেখা যেতে পারে ‘সিআর সেভেনকে’।
সৌদি আরবের পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ডের (পিআইএফ) ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত নেন রোনালদো। পিআইএফ মূলত সৌদি আরবের প্রধান চারটি ক্লাব নিয়ন্ত্রণ করে। রোনালদোর অভিযোগ, আল নাসরের চেয়ে আল হিলালের মতো প্রতিদ্বন্দ্বী ক্লাবগুলোকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে তারা। প্রতিবাদে ৪১ বছর বয়সী মহাতারকা আল ইত্তিহাদ ও আল রিয়াদের বিপক্ষে ম্যাচে স্কোয়াড থেকেই নিজেকে সরিয়ে রাখেন।
আরও পড়ুন
| ‘এভাবে মৌসুমের শেষ দেখতে চাইনি’ |
|
ইএসপিএনের প্রতিদেন অনুযায়ী, পিআইএফ রোনালদোর দাবিগুলো পূরণ করায় মাঠে ফিরতে রাজি হন তিনি। ফান্ড আল নাসরের বকেয়া বেতন পরিশোধ করেছে এবং ক্লাবের শীর্ষ নির্বাহীদের ম্যানেজমেন্ট স্বায়ত্তশাসন ফিরিয়ে দিয়েছে। এর ফলে সিমাও কউতিনহো (স্পোর্টিং ডিরেক্টর) এবং জোসে সেমেডো (সিইও), যাদের পিআইএফ সাময়িক বরখাস্ত করেছিল, আবার তাদের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।
এর আগে সৌদি প্রো লিগ এক বিবৃতিতে খেলোয়াড়দের নিজের দলের বাইরে সিদ্ধান্তে প্রভাব রাখার সুযোগ নেই বলে সতর্ক করে। মধ্যপ্রাচ্যের লিগটি লিখে, ‘সৌদি প্রো লিগের মূল নীতি সহজ: প্রতিটি ক্লাব স্বাধীনভাবে পরিচালিত হয়, একই নিয়মের অধীনে। প্রতিটি ক্লাবের নিজস্ব বোর্ড, নিজস্ব নির্বাহী এবং ফুটবল নেতৃত্ব রয়েছে। খেলোয়াড় নিয়োগ, ব্যয় ও কৌশল নির্ধারণের সিদ্ধান্ত সেই ক্লাবের অন্তর্গত, আর সেই ফ্রেমওয়ার্ক নিশ্চিত করে টেকসই এবং প্রতিযোগিতামূলক ভারসাম্য। এই ফ্রেমওয়ার্ক পুরো লিগে সমানভাবে প্রযোজ্য।’
রোনালদো এই মৌসুমে দলের হয়ে ২২ ম্যাচ খেলেছেন, ১৮ গোল তিনটি অ্যাসিস্ট করেছেন। আল নাসর লিগে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। তাদের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আল হিলাল থেকে ঠিক এক পয়েন্ট কম নিয়ে দুইয়ে রোনালদোর ক্লাব।
No posts available.

গুরুত্বপূর্ণ সময়ে মৌসুমে নিজেদের সেরা ফুটবলারকে নিয়ে অনিশ্চিয়তায় বায়ার্ন মিউনিখ। চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে ম্যাচে হ্যারি কেইনকে পাওয়া নিয়ে শঙ্কায় আছে বাভারিয়ানরা।
চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার-ফাইনালের প্রথম লেগে মঙ্গলবার রিয়ালের মুখোমুখি হবে বায়ার্ন। স্প্যানিশ জায়ান্টদের ডেরা সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে কেইনের খেলতে পারা নিয়ে সন্দিহান বায়ার্ন কোচ ভিনসেন্ট কোম্পানি। গোড়ালির চোটে পড়ে মাঠের বাইরে আছে ইংলিশ অধিনায়ক।
উরুগুয়ের বিপক্ষে ইংল্যান্ডের ১-১ ড্র ম্যাচে বিশ্রামে ছিলেন ৩২ বছর বয়সী কেইন। পরে অনুশীলনে চোট পাওয়ায় জাপানের বিপক্ষে ১-০ গোলে যাওয়া ম্যাচেও খেলেননি বায়ার্নের ইংলিশ ফরোয়ার্ড।
বুন্দেসলিগায় ফ্রেইবুর্গের বিপক্ষে ম্যাচের আগে বায়ার্ন কোচ কোম্পানি জানিয়েছেন,
‘জাতীয় দলে অনুশীলনের সময় গোড়ালিতে ব্যথা অনুভব করেন কেইন। ফলে লিগের এই ম্যাচে তাঁর থাকার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।’
কেইনের চোটের পরিস্থিতি যে খুব একটা ভালো না—সেটা স্বীকার করেও অবশ্য আশার আলো দেখছেন বায়ার্ন কোচ। কোম্পানির বিশ্বাস, চ্যাম্পিয়নস লিগ কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে স্প্যানিশ জায়ান্টদের বিপক্ষে ফিরতে পারবেন কেইন।
আন্তর্জাতিক বিরতিতে কেইনের চোট নিয়ে ইংল্যান্ড কোচ থমাস টুখেল জানিয়েছিলেন, ‘প্রায় হঠাৎ করেই ছোট একটি চোট পায় সে।’ অনুশীলনের মাত্র ১৫ মিনিট পরই মাঠ ছাড়তে হয় তাকে। টুখেল সাফ জানিয়ে দেন, ওই ম্যাচে খেলার ‘কোনো সম্ভাবনাই ছিল না।’
চলতি মৌসুমে দুর্দান্ত ছন্দে আছেন কেইন। বুন্দেসলিগায় ২৬ ম্যাচে করেছেন ৩১ গোল, আর চ্যাম্পিয়নস লিগে ৯ ম্যাচে তার গোল সংখ্যা ১০।

আন্তর্জাতিক সূচির বিরতিতে যাওয়ার আগে আর্সেনালকে হারিয়ে লিগ কাপের শিরোপা জিতেছিল পেপ গার্দিওলার ম্যানচেস্টার সিটি। এবার বিরতি থেকে ফিরে লিভারপুলকে হারিয়ে এফএ কাপের দারুণ এক রেকর্ড গড়তে চান সাফল্যরাঙা এই কোচ।
নিজেদের ঘরের মাঠ ইতিহাদ স্টেডিয়ামে শনিবার বাংলাদেশ সময় বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিটে এফএ কাপ কোয়ার্টার-ফাইনালে লিভারপুলের মুখোমুখি হবে ম্যান সিটি। এই ম্যাচ জিতলে টানা অষ্টমবারের মতো এফএ কাপের সেরা চারে উঠবে তারা।
টুর্নামেন্টের দীর্ঘ ইতিহাসে আর কোনো দল টানা ৮ মৌসুমে সেমি-ফাইনালে উঠতে পারেনি। এবার সেই কীর্তিই গড়তে চান গার্দিওলা। ফাইনালের আগের দিন সংবাদমাধ্যমে সেই দৃঢ় প্রত্যয়ই জানালেন ম্যান সিটি কোচ।
“আপনি একটি (লিগ কাপ) শেষ করার পর সবসময় পরবর্তী চিন্তা করবেন। কাল আমাদের সামনে এক দুর্দান্ত মাইলফলক অর্জনের সুযোগ। টানা ৮টি সেমি-ফাইনাল আগে কখনও হয়নি। এটি মর্যাদাপূর্ণ টুর্নামেন্ট এবং শক্ত ও আমাদের জন্য বিশেষ প্রতিপক্ষ (লিভারপুল) অপেক্ষা করছে।”
২০১৬ সালে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে ম্যান সিটিকে একের পর এক সাফল্যে ভাসিয়েছেন গার্দিওলা। তার কোচিংয়ে এখন পর্যন্ত ৬টি প্রিমিয়ার লিগ, ২টি এফএ কাপ ও ৫টি লিগ কাপ শিরোপা জিতেছে সিটিজেনরা।
তবে ক্যারিয়ারজুড়ে গার্দিওলার জন্য এক কাঁটার নাম লিভারপুল। সব দল মিলিয়ে এখন পর্যন্ত ২৬ বার লিভারপুলের মুখোমুখি হয়েছে ৯ ম্যাচ জিতেছেন গার্দিওলা, ড্র হয়েছে ৭টি আর হেরে গেছেন বাকি ১০ ম্যাচে।
চলতি মৌসুমের ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে অবশ্য দুই ম্যাচেই লিভারপুলকে হারিয়েছে ম্যান সিটি। তবে এই দলের বিপক্ষে খেলার আগে বাড়তি সতর্কতার কথাই বললেন গার্দিওলা।
“প্রায় সময়ই তারা আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছে, সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী, সব বড় দাবিদার। সেরা মানের সব ফুটবলার ওই দলে, সবাই। আশা করি, আর্সেনালের বিপক্ষে যেমন খেলেছি, ওই পর্যায়ে খেলতে পারব এবং পরের ধাপে যাব।”

খানিক পর সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে মাঠে নামছে বাংলাদেশ। ভারতের বিপক্ষে এই ম্যাচে শুরুর একাদশে জায়গা হয়নি ডেকলান সুলিভানের। তবে একাদশে আছেন তাঁর ভাই রোনান সুলিভান।
মালদ্বীপের ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে ফাইনাল শুরু হবে আজ রাত ৯টায় (বাংলাদেশ সময়)। সরাসরি দেখাবে স্পোর্টজওয়ার্কসের ইউটিউব চ্যানেল।
এর আগে প্রতি ম্যাচেই খেলেছেন রোনান। আসরে উদ্বোধনী ম্যাচে তাঁর জোড়া গোলেই পাকিস্তানকে হারায় বাংলাদেশ। 'বি' গ্রুপ থেকে পরের ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে ১-১ ব্যবধানে ড্র করা ম্যাচেও রিয়াদকে অ্যাসিস্ট করেন যুক্তরাষ্ট্রের ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়ন একাডেমিতে খেলা রোনান।
তবে সুযোগ হচ্ছিল না ডেকলানের। অবশেষে নেপালের বিপক্ষে সেমিফাইনালের ৮৭তম মিনিটে বদলি হিসেবে তাঁকে মাঠে নামান কোচ মার্ক কক্স। ওইটুকু সময়ের মধ্যে দুটি গোলের সুযোগ তৈরি করেন ডেকলান। এরপর তাঁর আগের ম্যাচগুলোতে সুযোগ না পাওয়াতে সমালোচনা শুরু হয় সামাজিকমাধ্যমে।
সেমিফাইনালে ১-০ গোলে জেতা ম্যাচের অল্প সময় সুযোগ পাওয়ার পর বল পায়ে ঝলক দেখান ডেকলান। পরের ম্যাচে আজ তাঁর না থাকাটা বিস্ময়ই বটে।
একটি পরিবর্তন নিয়ে ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামছে লাল সবুজের ছেলেরা। সানিদাসের পরিবর্তে সুযোগ পেয়েছেন আব্দুল রিয়াদ ফাহিম।
বাংলাদেশ একাদশ: ইসমাইল হোসেন মাহিন (গোলরক্ষক), মিঠু চৌধুরী (অধিনায়ক), কামাল মৃধা, চন্দন রায়, মোহাম্মদ মানিক, নাজমুল হুদা ফয়সাল, মুরশেদ আলী, রোনান সুলিভান, শেখ সংগ্রাম, আব্দুল রিয়াদ ফাহিম ও ইউসুফ আলী।

বিশ্বকাপ ‘ট্র্যাজেডির’ পর ইতালির ফুটবলে রীতিমতো পদত্যাগের ধুম পড়ছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের ফুটবল ফেডারেশনের কর্মকর্তাদের একের পর এক সরে দাড়ানোর ঘোষণার পর বিদায় বললেন কোচ জেনেরো গাত্তুসোও। বিশ্বকাপের প্লে অফের ফাইনালে হারের পর ‘আজ্জুরিদের’ কোচের বিদায় অনেকটা সময়ের ব্যাপারই ছিল। আজ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দিয়ে পদত্যাগ করেন গাত্তুসো।
গাট্তুসোর পদত্যাগের ঘোষণা আসে ইতালির ফুটবল ফেডারেশনের (এফআইজিসি) প্রেসিডেন্ট গ্যাব্রিয়েলে গ্রাভিনার পদত্যাগের একদিন পরে। জাতীয় দলের প্রতিনিধি প্রধান জিয়ানলুইজি বুফনও তার দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।
পদত্যাগের ঘোষণা দিয়ে গাত্তুসো এক বিবৃতিতে বলেন,
‘আমাদের নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জন করতে ব্যর্থ হওয়ার পর, দুঃখ ভারাক্রান্ত মন নিয়ে, জাতীয় দলে আমার দায়িত্ব শেষ বলে মনে করছি।’
তিনি আরও যোগ করেন,
‘আজ্জুরির' জার্সি ফুটবলের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ, তাই ভবিষ্যতের প্রযুক্তিগত মূল্যায়নকে অবিলম্বে সহজলভ্য করা উচিত। জাতীয় দলকে নেতৃত্ব দেওয়া এবং এমন এক দলের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পাওয়া, যারা জার্সির প্রতি দায়বদ্ধতা ও আনুগত্য দেখিয়েছে, আমার জন্য সত্যিই সম্মানের বিষয় ছিল।’
এফআইজিসি গাত্তুসোর অবদানের জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছে। বিবৃতিতে ইতালি ফেডারেশন বলেছে,
‘ইতালীয় ফুটবল ফেডারেশন এবং জেনেরো ইভান গাত্তুসো পারস্পরিক সম্মতিতে চুক্তি শেষ করেছে, যা ক্যালাব্রিয়ান কোচকে ইতালির জাতীয় ফুটবল দলের নেতৃত্বে আবদ্ধ করেছিল।’
গাত্তুসো এবং তার পুরো স্টাফকে গত নয় মাসে তাদের পেশাদারি, নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছে এফআইজিসি। পাশাপাশি ফেডারেশন তাদের ভবিষ্যত ক্যারিয়ারে সফলতা কামনা করেছে।
কোচিং ক্যারিয়ারের পরের অধ্যায় নিয়ে কথা বলতে রাজি হননি গাত্তুসো। ইতালির সাবেক হয়ে যাওয়া কোচ বলেন, ‘এখন আমার ভবিষ্যত নিয়ে কথা বলার সময় নয়।’
৪৮ বছর বয়সী গাত্তুসো ছিলেন ইতালির ২০০৬ বিশ্বকাপ জয়ী দলের সদস্য। তবে ফুটবল ক্যারিয়ারের পর কোচ হিসেবে দলকে সাফল্য এনে দিতে পারলেন না তিনি।
বিশ্বকাপের চতুর্থ শিরোপার পর পরবর্তী দুই বিশ্বকাপে ইতালি মাত্র একটি ম্যাচ জিতে এবং গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেয়। ২০১৮ বিশ্বকাপের টিকিট কাটতে ব্যর্থ হওয়ার পর ২০২০ ইউরো জিতে আশার আলো দেখছিল তারা। তবে ২০২২ আর এবার ২০২৬ বিশ্বকাপেও যোগ্যতা অর্জনে ব্যর্থ হয়ে ‘হ্যাটট্রিক ট্রেজেডি’ স্বাক্ষী হতে হলো তাদের।
এবার ইতালির হাল ধরবে কে? গাত্তুসোর বিদায়ের পর এখন আলোচনায় কেন্দ্রে নতুন কোচ। এসি মিলানের মাসিমিলিয়ানো অ্যালেগ্রি এবং নাপোলির কোচ অ্যান্তনিও কন্তে হতে পারেন ইতালির সম্ভাব্য কোচ। এর আগেও ইতালির ডাগ-আউটের দায়িত্ব পালন করেছিলেন কন্তে। তাঁর অধীনে ২০১৪ বিশ্বকাপ এবং ২০১৬ ইউরো খেলেছে ইতালি। ইউরোর সেই আসরের কোয়ার্টার ফাইনালে জার্মানির কাছে পেনাল্টিতে হারের পর পদত্যাগ করেছিলেন ৫৬ বছর বয়সী এই কোচ।

এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ নারী এশিয়ান কাপে আগামীকাল বাংলাদেশের দ্বিতীয় ম্যাচ। প্রথম ম্যাচে স্বাগতিক থাইল্যান্ডের কাছে হারের পর এবার চীনের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। থাইল্যান্ডের ননথাবুড়ি স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় বিকাল ৩টায়। সরাসরি দেখাবে চ্যানেল টি-স্পোর্টস।
‘এ’ গ্রুপ থেকে নিজেদের প্রথম ম্যাচে জয় পেয়েছে চীন। ভিয়েতনামকে তারা উড়িয়ে দিয়েছে ৩-০ গোলে। আর প্রথম ম্যাচে থাইল্যান্ডের বিপক্ষে জয়ের আশা জাগিয়েও বাংলাদেশ হেরেছে ২-৩ ব্যবধানে। স্বাগতিকদের বিপক্ষে রক্ষণে আফঈদাদের ভুল ছিল স্পষ্ট। শনিবার সেই একই ভুল করতে চায় না বাংলাদেশের মেয়েরা।
বুধবার ম্যাচের পর গতকাল ছিল বাংলাদেশের রিকভারি সেশন। আজ মাঠের অনুশীলন করেছেন অর্পিতা বিশ্বাসরা। সেখান থেকে পাঠানো ভিডিও বার্তায় বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেছেন,
‘আমরা একটা ম্যাচ খেলে ফেলেছি ইতিমধ্যে। ওই ম্যাচে কিছু ভুল করেছি। আজকে কোচ সেগুলো নিয়ে আমাদের সঙ্গে কাজ করেছেন। পজিশন, শেপ, যেগুলো ভুল ছিল সেগুলো নিয়ে কাজ করেছি। ফিনিশিংয়ে যেখানে সমস্যা ছিল, সেগুলো নিয়ে কাজ করেছি।’
ভুল শুধরে এবার মাঠে বাস্তবায়নের পালা। তবে সেটি মোটেও সহজ হবে না বাংলাদেশের জন্য। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ের ৫২ নম্বরে থাকা থাইল্যান্ডের বিপক্ষে ২-০ গোলে এগিয়ে গিয়েও জিততে পারেনি এই তালিকার ১১৩-তে থাকা বাংলাদেশ। সেখানে চীনের মেয়েরা অবস্থান করছে ১৬-তে। তারপরও লড়াইয়ের কথা বলেছেন অধিনায়ক অর্পিতা,
‘আমাদের পরের ম্যাচ চীনের সঙ্গে। চীন দল অনেক শক্তিশালী। আমরা তাদের সঙ্গে ফাইট করবো এবং সেটি করার জন্য আমরা প্রস্তুত আছি।’
প্রথম ম্যাচের মতো ভুল না করলে এবং নিজেদের সেরা খেলাটা খেলতে পারলে চীনের বিপক্ষে ভালো কিছু করা সম্ভব বলে মনে করেন দলের গোলকিপিং কোচ মাসুদ আহমেদ উজ্জ্বল। আগামীকালের ম্যাচ নিয়ে তিনি বলেছেন,
‘চীন বিশ্ব ফুটবলে অনেক ভালো অবস্থানে আছে, তাদের বিপক্ষে আমরা খেলব। আমরা ডিফেন্ডিং শেপ, সেট পিস নিয়ে কাজ করেছি। যাতে আমরা এই সেট পিসে বা ডিফেন্সে কোনো ভুল না করি এবং গোল হজম না করি। আমরা ওইটার ওপরই জোর দিচ্ছি বেশি। মেয়েরা নিজেদের স্বাভাবিক খেলাটা যদি খেলতে পারে, আমি আশাবাদী ভালো কিছুই হবে।’