স্প্যানিশ লা লিগার শিরোপার দৌড়ে এমনিতেই বেশ পিছিয়ে ছিল রিয়াল মাদ্রিদ। এর মধ্যে আবার ধাক্কা দিলো রিয়াল বেতিস। শুরুতে এগিয়ে গিয়েও একদম শেষ সময়ে গোল হজম করে পয়েন্ট ভাগাভাগি করতে হলো স্প্যানিশ জায়ান্টদের।
প্রতিপক্ষের মাঠে শুক্রবার রাতে ১-১ গোলে ড্র করেছে রিয়াল। ম্যাচটি অবশ্য হারতেও পারত তারা। বেশ কিছু সেভ করে দলকে বারবার বাঁচিয়েছেন গোলরক্ষক আন্দ্রে লুনিন। কিন্তু শেষে গিয়ে আর পারেননি।
এই ড্রয়ে ৩৩ ম্যাচে ৭৪ পয়েন্ট নিয়ে দুই নম্বরেই রইল রিয়াল। সমান ম্যাচে ৫০ পয়েন্ট নিয়ে পাঁচে রিয়াল বেতিস।
তাদের চেয়ে এক ম্যাচ কম খেলে ৮২ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে টেবিলের বার্সেলোনা। বাকি ৬ ম্যাচে আর ৮ পয়েন্ট পেলেই চ্যাম্পিয়ন হয়ে যাবে কাতালান ক্লাবটি।
শুক্রবার রাতের ম্যাচে দাপট দেখিয়ে খেলে বেতিস। প্রায় ৫৩ শতাংশ সময় বলের দখল নিজেদের কাছে রেখে গোলের জন্য ১৭টি শট করে স্বাগতিকরা। এর মধ্যে ৫টি ছিল লক্ষ্য বরাবর। বিপরীতে রিয়ালের ১৪ শটের ৮টি ছিল লক্ষ্য বরাবর।
ম্যাচের শুরুর দিকে দারুণ সুযোগ নষ্ট করেন কিলিয়ান এমবাপে। ক্লাবের জার্সিতে শততম ম্যাচ খেলতে নেমে গোলরক্ষককে একা পেয়েও বাইরে উড়িয়ে মারেন ফরাসি তারকা।
তবে ১৭ মিনিটে ভুল করেননি ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। প্রায় ৩৫ গজ দূর থেকে জোরাল শট নেন ফেডেরিখ ভালভার্দে। গোলরক্ষক ঝাঁপিয়ে ঠেকালে বল পেয়ে যান কাছেই থাকা ভিনিসিয়ুস। সহজেই বল জালের জড়ান তিনি।
কিছুক্ষণ পর সুযোগ হারান জুড বেলিংহ্যাম। এরপর একাধিকবার রিয়ালের জাল অক্ষত রাখেন আন্দ্রে লুনিন।
বিরতির পর আবার গোলের চেষ্টা চালিয়ে নেয় বেতিস। কিন্তু কোনোভাবেই জালের দেখা পাচ্ছিল না তারা।
এর মাঝে ৫৪তম মিনিটে এমবাপে গোল করলেও অফ সাইডের কারণে বাতিল হয়ে যায় সেটি।
ম্যাচের একদম শেষ দিকে ইনজুরি টাইমের চতুর্থ মিনিটে গিয়ে ধাক্কাটা খায় রিয়াল। জটলার মধ্য থেকে বল জালে পাঠান হেক্টর বেল্লেরিন। পয়েন্ট ভাগাভাগি করার আনন্দে মাতে বেতিস।
No posts available.
২৬ এপ্রিল ২০২৬, ২:৩৫ পিএম
২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৫৬ পিএম
২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮ এম

বার্সেলোনার সাবেক কোচ জাভি হার্নান্দেজ সম্প্রতি ক্লাবে তাঁর সময়কাল নিয়ে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস করেছেন। রোমারিও টিভির ইউটিউব চ্যানেলে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, ২০২৩ সালে লিওনেল মেসিকে ন্যু ক্যাম্পে ফিরিয়ে আনার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হলেও খোদ ক্লাব সভাপতি হুয়ান লাপোর্তার আপত্তির কারণে তা ভেস্তে যায়।
সেই সময়ের কথা উল্লেখ করে জাভি বলেন, ‘বার্সেলোনার কোচ থাকাকালীন আমি দানি আলভেসকে ফিরিয়ে এনেছিলাম। এ ছাড়া নেইমার, পেদ্রো ও মেসিকেও ফেরানোর চেষ্টা করেছিলাম।’ মেসির প্রত্যাবর্তন প্রসঙ্গে আরও যোগ করেন, ‘আমরা পাঁচ মাস ধরে মেসির সঙ্গে কথা বলেছিলাম, সবকিছু চূড়ান্ত ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে সভাপতি 'না' বলে দেন।’ নেইমার ও পেদ্রোর ক্ষেত্রে অবশ্য ক্লাবের আর্থিক সীমাবদ্ধতাকেই মূল বাধা হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি।
মেসির সঙ্গে জাভির ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে জাভি জানান, মাঠে মেসি কতটা মনোযোগী ও দাবিদার ছিলেন। এক সময়ের সতীর্থকে নিয়ে বলেন, ‘মাঝে মাঝে অন্য কাউকে পাস দিলে মেসি আমার ওপর বিরক্ত হতো। সে এসে বলত, হেই, তুমি কী করছ? আমাকে পাস দাও! আমার কাছাকাছি এসে খেলো!’
আরও পড়ুন
| বিশ্বকাপের আগে আরেকটি চোট, দুশ্চিন্তায় জার্মানি |
|
১৬ বছর বয়সে মেসিকে প্রথম দেখার অভিজ্ঞতায় জাভি বলেছিলেন, ‘আমি দেখেই বুঝেছিলাম এটি একেবারেই আলাদা কিছু, এমনটা আগে কখনো দেখিনি।’
বর্তমান বার্সেলোনা দল নিয়ে জাভি বেশ আশাবাদী। বিশেষ করে লামিন ইয়ামালকে তিনি 'ফুটবলের জাদুকর' ও বর্তমান বিশ্বের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হিসেবে অভিহিত করেছেন। নিজের বিদায় প্রসঙ্গে ইঙ্গিতপূর্ণভাবে তিনি বলেন, ‘আমি চালিয়ে যেতে চেয়েছিলাম এবং সভাপতির সঙ্গে তেমন কথাই ছিল। কিন্তু ক্লাবের ভেতরের কারো সঙ্গে কোনো একটি সমস্যার কারণে পরিস্থিতি বদলে যায়।’
বর্তমান কোচ হান্সি ফ্লিকের কাজের প্রশংসা করে জাভি জানান, তিনি যে ভিত্তি তৈরি করে দিয়ে এসেছেন, তার ওপর দাঁড়িয়ে এই তরুণ দলটি আগামী ১০ বছর ফুটবল বিশ্বে রাজত্ব করার ক্ষমতা রাখে। বার্সেলোনায় তাঁর এই সময়টাকে তিনি নিজের কোচিং ক্যারিয়ারের 'মাস্টার্স ডিগ্রি' হিসেবে দেখছেন।

৪৬ দিন দূরে বিশ্বকাপ ফুটবল। ঠিক এই মুহূর্তে কাই হাভার্টজকে নিয়ে বড় ধরনের দুশ্চিন্তায় জার্মানি। গতকাল নিউক্যাসেল ইউনাইটেডের বিপক্ষে আর্সেনালের ১-০ ব্যবধানের জয়ের ম্যাচে ৩২ মিনিটের সময় চোট নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে এই ফরোয়ার্ডকে।
ম্যাচ চলাকালীন হঠাৎ করেই মাঠে বসে পড়েন হাভার্টজ। প্রাথমিক চিকিৎসার পর যখন তিনি মাঠ ছাড়ছিলেন, তখন তাঁর চোখে-মুখে স্পষ্ট বিরক্তি ও হতাশার ছাপ দেখা গেছে। চিকিৎসকদের সঙ্গে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে মাঠ ছেড়ে সরাসরি টানেল দিয়ে ভেতরে চলে যান তিনি। দীর্ঘদিনের চোট কাটিয়ে মাঠে ফেরার পর যখন তিনি ধীরে ধীরে নিজের ছন্দ খুঁজে পাচ্ছিলেন, ঠিক তখনই এমন অনাকাঙ্ক্ষিত আঘাত তাঁর জন্য বড় একটি ধাক্কা।
লন্ডনের ক্লাবটির পাশাপাশি এখন উদ্বেগ বাড়ছে জার্মানির কোচ ইউলিয়ান নাগেলসম্যানের মনেও। কারণ সাম্প্রতিক প্রীতি ম্যাচগুলোতে হাভার্টজ ছিলেন দলের নিয়মিত মুখ। গত মাসে ঘানার বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানের জয়েও তাঁর পা থেকে একটি গোল এসেছিল।
সার্জ গ্যানাব্রি বিশ্বকাপ স্বপ্ন চোটের কারণে আগেই শেষ হয়ে গেছে। এখন যদি হাভার্টজকেও দলের বাইরে থাকতে হয়, তবে সেটি জার্মানির জন্য বড় ধাক্কা। আগামী কয়েক দিনের মেডিকেল পরীক্ষার ফলের দিকেই তাকিয়ে এখন জার্মানরা।

চ্যাম্পিয়নস লিগে মঙ্গলবার বায়ার্ন মিউনিখকে আতিথ্য দিবে পিএসজি। সেমি-ফাইনাল মহারণের আগে মাইন্ড গেম শুরু করে দিয়েছেন পিএসজি কোচ লুইস এনরিকে।
শনিবার রাতে লিগ ওয়ানে অ্যাঞ্জার্সের বিপক্ষে ৩-০ গোলের দাপুটে জয়ের পর দলের চোট আক্রান্ত খেলোয়াড়দের বর্তমান অবস্থা নিয়ে মুখ খুলতে নারাজ এই স্প্যানিশ কোচ।
অ্যাঞ্জার্সের বিপক্ষে ম্যাচে প্রথমার্ধের পরেই (৪৬ মিনিটে) আশরাফ হাকিমি, ফাবিয়ান রুইস এবং লুকাস হার্নান্দেজ তুলে নেন এনরিকে। এই পরিবর্তনগুলো কি চোটের কারণে নাকি বায়ার্ন ম্যাচের আগে বিশ্রাম দেওয়ার জন্য, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়।
ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে পিএসজি কোচ বলেন, ‘বায়ার্নের বিপক্ষে সেমিফাইনাল লড়াই এরই মধ্যে শুরু হয়ে গেছে এবং আমি (খেলোয়াড়দের বিষয়ে) কোনো তথ্য দেব না।’
আরও পড়ুন
| রেকর্ড গড়ে আবারও শীর্ষে ফিরল আর্সেনাল |
|
শনিবার রাতের জয়ে লেন্সের চেয়ে ৬ পয়েন্টে এগিয়ে থেকে টেবিলের শীর্ষস্থান মজবুত করেছে পিএসজি। তবে সহজ জয়ের দিনে অবশ্য প্যারিসিয়ানদের জন্য বড় অস্বস্তি হয়ে এসেছে গনসালো রামোসের লাল কার্ড।
যদিও চ্যাম্পিয়নস লিগে এর প্রভাব পড়বে না, তবে ঘরোয়া লিগের পরবর্তী ম্যাচে তাকে ছাড়াই কৌশল সাজাতে এনরিকেকে।
চ্যাম্পিয়নস লিগের গত ২০২৪-২৫ মৌসুমে ইন্টার মিলানকে পরাজিত করে প্রথমবারের মতো ইউরোপসেরার মুকুট পরেছিল পিএসজি।
এবারও প্যারিসের এই ক্লাবটি রয়েছে দুর্দান্ত ছন্দে। প্রথমবারের মতো সেই ধারাবাহিকতায় রেকর্ড টানা তিনবার ইউরোপীয় শ্রেষ্ঠত্বের সেমি-ফাইনালে পা রাখল প্যারিসের ক্লাবটি।

লিভারপুলে ৯ বছরের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের ইতি টানার ঘোষণা আগেই দিয়েছিলেন মোহামেদ সালাহ। প্রিমিয়ার লিগে অল রেডদের বাকি ছিল আর চারটি ম্যাচ। লিভারপুল সমর্থকরা যখন সালাহর বর্ণিল বিদায়ের প্রস্তুতি নিচ্ছিল, তখনই চোট যেন এক বিষাদময় সমাপ্তি নিয়ে এল।
শনিবার রাতে ক্রিস্টাল প্যালেসের বিপক্ষে ৩-১ ব্যবধানে জয়ের ম্যাচে হ্যামস্ট্রিং চোটে পড়ে মৌসুমের বাকি অংশ থেকে ছিটকে গেছেন সালাহ। মিশর জাতীয় দলের পরিচালক ইব্রাহিম হাসান শনিবার নিশ্চিত করেছেন, ৩৩ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড লিভারপুলের জার্সিতে তার শেষ ম্যাচটি খেলে ফেলেছেন।
লিভারপুলের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি না এলেও ইব্রাহিম হাসান বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন এই খবর।
"সালাহ হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে আক্রান্ত হয়েছেন এবং তার সুস্থ হতে অন্তত চার সপ্তাহ সময় লাগবে।"
আরও পড়ুন
| ঘুরে দাঁড়ানো জয়ে ফাইনালে উঠে ম্যান সিটির রেকর্ড |
|
ফলে আগামী ২৪ মে ব্রেন্টফোর্ডের বিপক্ষে মৌসুমের শেষ ম্যাচটি ক্লাবের জার্সিতে খেলে নয়, মাঠের বাইরে দাঁড়িয়ে সমর্থকদের কাছ থেকে বিদায় নিতে হবে লিভারপুলের এই কিংবদন্তিকে।
২০১৭ সালে যোগ দেওয়ার পর লিভারপুলের হয়ে সম্ভাব্য সব শিরোপা জিতেছেন সালাহ। ক্লাবটির ইতিহাসের তৃতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে চলতি মৌসুমে করেছেন ১২ গোল ও সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন আরও ৯টি।
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, চেলসি এবং অ্যাস্টন ভিলার বিপক্ষে মৌসুমের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলোতে সালাহর অনুপস্থিতি লিভারপুলের জন্য বড় এক ধাক্কা।
মিশরীয় সমর্থকদের জন্য আপাতত স্বস্তির খবর, ২০২৬ বিশ্বকাপের আগেই সালাহ ফিট হয়ে উঠবেন বলে জানিয়েছেন হাসান।
আগামী ১১ জুন থেকে উত্তর আমেরিকায় শুরু হতে যাওয়া এই মহাযজ্ঞে গ্রুপ 'জি'-তে মিশর মুখোমুখি হবে বেলজিয়াম, নিউজিল্যান্ড এবং ইরানের।

প্রিমিয়ার লিগে টানা দুই হারের পর অবশেষে জয়ের দেখা পেল আর্সেনাল। শনিবার রাতে নিউক্যাসল ইউনাইটেডকে হারিয়ে আবারও পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে ফিরেছে উত্তর লন্ডনের ক্লাবটি।
ঘরের মাঠ এমিরেটস স্টেডিয়ামে আর্সেনালের জয় ১-০ গোলে। দলের হয়ে জয়সূচক গোলটি করেছেন এবেরেচি এজে।
ম্যাচের ৯ মিনিটে কর্নার কিক থেকে অসাধারণ ফিনিশিংয়ে লক্ষ্যভেদ করেন এজে। কর্নার থেকে নোনি মাদুয়েকে পাস দেন কাই হাভার্টজের দিকে। হাভার্টজ বলটি বক্সের ঠিক বাইরে অবস্থান করা এজের দিকে ঠেলে দেন। বল রিসিভ করে দারুণ কার্লিং শটে গোল করেন এজে।
এই গোলের মাধ্যমে অনন্য রেকর্ড গড়েছে মিকেল আরতেতার দল। চলতি মৌসুমে কর্নার থেকে ১৭টি গোল করল তারা। প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে এক মৌসুমে কর্নার থেকে করা সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড এটি।
আরও পড়ুন
| ঘুরে দাঁড়ানো জয়ে ফাইনালে উঠে ম্যান সিটির রেকর্ড |
|
গোল খেয়ে ম্যাচে ফেরার আপ্রাণ চেষ্টা করেছিল নিউক্যাসল। ৩০ মিনিটে সান্দ্রো তোনালির দূরপাল্লার শট দারুণ দক্ষতায় রুখে দেন আর্সেনাল গোলকিপার ডেভিড রায়া। জো উইলকের একটি প্রচেষ্টাও সরাসরি তার হাতে জমা পড়ে।
দ্বিতীয়ার্ধে বদলি হিসেবে নামা ইয়োনে উইসা অ্যাক্রোবেটিক শট নিলেও তা পোস্টের ওপর দিয়ে চলে যায়।
পুরো ম্যাচে লড়াই করলেও কাজের কাজ গোলটি আর পাওয়া হয়নি এডি হাউয়ের শিষ্যদের। পুরো ম্যাচের বল দখলে নিউক্যাসল এগিয়ে থাকলেও জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে আর্সেনাল।
এই জয়ের পর শিরোপা লড়াইয়ে ভালোভাবেই টিকে রইল গানার্সরা। ৩৪ ম্যাচ শেষে আর্সেনালের সংগ্রহ ৭৩ পয়েন্ট। এক ম্যাচ কম খেলা ম্যানচেস্টার সিটি ৭০ পয়েন্ট নিয়ে রয়েছে দুইয়ে।