১২ নভেম্বর ২০২৪, ৫:৪২ পিএম

এই বছরের ব্যালন ডি’অরের লড়াইটা মূলত হয়েছিল তাদের দুজনের মধ্যেই। পুরোটা সময় ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ফেভারিট থাকলেও শেষ সময়ে এসে চমক দেখিয়ে এই খেতাব জিতেছেন রদ্রি। প্রতিবাদ জানিয়ে সেই অনুষ্ঠানই বয়কট করেন ব্রাজিলিয়ান তারকা ও তার ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদ। রদ্রি বলেছেন, ভিনিসিয়ুসের অনুপস্থিত থাকার ব্যাপারে তার বিন্দুমাত্র আগ্রহ নেই।
গত ২৮ অক্টোবর ঘোষিত হয় ব্যালন ডি’অর জয়ীর নাম। তার ঘণ্টাখানেক আগে অনুষ্ঠানে যাওয়া বাতিল করে গোটা রিয়াল দল। কারণ, নিশ্চিত জিততে যাওয়া বর্ষসেরার খেতাব থেকে বঞ্চিত হতে যাচ্ছেন ভিনিসিয়ুস। ভোটের ফলাফলে দেখা যায়, মাত্র ৪১ পয়েন্টের ব্যবধানে জিতেছেন রদ্রি। আর ভিনিসিয়ুস হন রানার্সআপ।
আরও পড়ুন
| নাটক জমিয়ে রদ্রির হাতেই উঠলো ব্যালন ডি’অর |
|
গত সোমবার কোপে-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ভিনিসিয়ুসের ব্যালন ডি’অর অনুষ্ঠান বয়কট প্রসঙ্গে রদ্রি জানান, এটা নিয়ে তার কোনো খারাপ লাগা নেই-
“কেন এটা (ভিনিসিয়ুসের উপস্থিত না হওয়া) আমাকে হতাশ করবে? এটা আমার পরিবারকে নিয়ে উদযাপনের মুহূর্ত ছিল। শেষ কাজটা যা আমি করতে পারতাম তা হল, যেসব লোকেরা এখানে আসেনি বা অংশ নিতে চায়নি তাদের নিয়ে চিন্তা করা।”
গত মৌসুমটা রদ্রি ও ভিনিসিয়ুস দুজনই ব্যক্তিগত ও দলগতভাবে কাটিয়েছেন দারুণ। একজন ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে প্রিমিয়ার লিগ জেতার পর স্পেনের হয়ে চ্যাম্পিয়ন হন ইউরো ২০২৪-তে। আর ভিনিসিয়ুস রিয়ালের হয়ে লা লিগা, চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জেতেন। তার দুই ক্লাব সতীর্থ জুড বেলিংহাম ও দানি কারভাহাল ভোটে হন যথাক্রমে তৃতীয় ও চতুর্থ।
আরও পড়ুন
| ভিনিসিয়ুস, রদ্রি নাকি বেলিংহাম কার হাতে উঠবে ব্যালন ডি’অর? |
|
এবারের ব্যালন ডি’অরের ভোট নিয়ে বেশ আলোচনা-সমালোচনা রয়েছে বেশ। তবে বিতর্কের অবকাশ দেখছেন না রদ্রি-
“লোকেরা তাদের ইচ্ছা অনুযায়ী ভোট দিতে পেরেছে এটা আমার ভালো লেগেছে। এটা অন্যদের মতামতের ব্যাপার। আমি ভিনিসিয়ুস জুনিয়রকে ভীষণ সম্মান করি এবং রিয়াল মাদ্রিদকেও। যারা আমাকে চেনে তারা ব্যাপারটা জানে। আমি হয়ত কারভাহাল, ভিনিসিয়ুসকে ভোট দিতাম। হয়ত কারভাহালকে দ্বিতীয় সেরা হিসেবে বেছে নিতাম।”
No posts available.
২৮ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:৩৩ পিএম
২৮ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:৪৫ এম

লামিনে ইয়ামালকে আটকাতে চেয়েছে অনেক দলই। মাঝেমধ্যে কিছু ক্লাব ও কোচের কৌশল কাজেও লেগেছে। তবে বার্সেলোনার এই স্প্যানিশ তারকা উইঙ্গারকে থামানো যে কতটা কঠিন সেটা ভালোই জানা আছে সবার। বার্সার ১০ নম্বর জার্সিধারীকে ঠেকাতে নাকি এবার নতুন ফন্দি এটেছেন ডেনমার্কের ক্লাব এফসি কোপেনহেগেনের কোচ জ্যাকব নিসট্রাপ।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগে আজ রাতে নিজেদের দূর্গ স্পোটিফাই ক্যাম্প ন্যুতে এফসি কোপেনহেগেনকে আতিথেয়তা দেবে বার্সেলোনা। ইউরোপ শ্রেষ্ঠত্বের প্রতিযোগিতায় লিগ পর্বে সরাসরি শেষ ষোলো নিশ্চিত করতে হলে জয়ের বিকল্প নেই স্বাগতিকদের। এমনকি ১৩ পয়েন্ট নিয়ে নয় নম্বরে থাকা কাতালান ক্লাবটির শুধু জয়ও যথেষ্ট নয়, সেরা আটে থাকতে হলে অন্য ম্যাচের ফলও পাল্টে দিতে পারে সমীকরণ।
বিপরীতে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ২ জয়, ২ হার ও তিন ড্রয়ে আট পয়েন্ট নিয়ে ২৬ নম্বরে আছে কোপেনহেগেন। শীর্ষ ২৪-এ থেকে প্লে অফ খেলতে হলে বার্সার বিপক্ষে পুরো তিন পয়েন্টই লাগবে তাদের।
এমন বাঁচা-মরার ম্যাচের আগে কোপেনহেগেনের কোচ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, বার্সার পথ কঠিন করতে সবকিছুই করতে প্রস্তুত তারা। হান্সি ফ্লিকের দলকে প্রতিহত করার জন্য ডেনমার্কের ক্লাবটির কোচ জ্যাকব নিসট্রাপ পরিপূর্ণ পরিকল্পনাও করে রেখেছেন।
ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে কোপেনহেগের কোচ বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যেই শক্ত প্রতিপক্ষের বিপক্ষে খেলেছি, যেমন বায়ার্ন, আর এখন বার্সা আমাদের সামনে। বার্সা সেরা একটি দল, যাদের আছে দুর্দান্ত আক্রমণভাগ। কে শুরু করবে সেটা ততটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হবে ভালো সংগঠিত থাকা, দৃঢ় রক্ষণ এবং বলের ওপর নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা।’
বার্সার আক্রমণভাগের প্রাণভোমরা ইয়ামাল। ১৮ বছর বয়সী উইঙ্গারকে প্রতিপক্ষের তির-চারজন খেলোয়াড় সামলাতেও হিমশিম খায়। সময়ের অন্যতম সেরা ফুটবলারের মুখোমুখি হওয়ার আগে কোপেনহেগেন কোচ নিশ্চিত করলেন ইয়ামালকে আটকাতে পরিকল্পনা আছে তাদের,‘লামিন দারুণ একজন খেলোয়াড়। অনেক কোচ তাকে থামানোর চেষ্টা করেছেন, এটা প্রায় অসম্ভব। আমাদের ইয়ামালের জন্য একটি পরিকল্পনা আছে, কিন্তু আসল উদ্দেশ্য হচ্ছে আমাদের সেরা খেলাটা উপহার দেওয়া।’
বর্তমানে বার্সাতে খেলছেন কোপেনহেগেনের সাবেক ফুটবলার রুনি বার্গজি। গত গ্রীষ্মে সুইডিশ এই উইঙ্গার কোপেনহেগেন স্প্যানিশ জায়ান্ট ক্লাবটিতে নাম লেখান। ২০ বছর বয়সী এই উঠতি তারককেও প্রশংসায় ভাসান কোপেনহেগেন কোচ, ‘সে খুব ভালো খেলছে, এই কয়েক মাসে অসাধারণ উন্নতি করেছে। আমরা তার জন্য খুব খুশি। সে ইতিমধ্যেই প্রমাণ করেছে যে তার মধ্যে চমৎকার চরিত্র এবং প্রতিভা রয়েছে।’
চ্যাম্পিয়ন্স লিগের পাঁচবারের শিরোপাজয়ী বার্সার বিপক্ষে নিজেদের সম্ভাবনার ব্যাপারে নিসট্রাপ বলেন, ‘ফুটবলে সবসময় সম্ভাবনা থাকে, সবকিছু নির্ভর করবে আমাদের পারফরম্যান্সের ওপর। নিজের দল নিয়ে আত্মবিশ্বাসী নিসট্রাপ আরও বলেন, আমাদের রক্ষণে স্মার্ট হতে হবে, শক্তির জায়গায় জোর দিতে হবে এবং বল নিয়ে কার্যকর ফুটবল খেলতে হবে। রক্ষণাত্মক খেলায় আমার কোনো সমস্যা নেই।’

স্পোর্টিং লিসবনের বিপক্ষে ২-১ গোলের পরাজয়। তবুও এই ম্যাচকে প্যারিস সেন্ট জার্মেইয়ের (পিএসজি) সেরা অ্যাওয়ে পারফরম্যান্স হিসেবে দাবি করছেন কোচ লুইস এনরিকে। ২০২৩ সালে ফরাসি ক্লাবটির দায়িত্ব নেন স্প্যানিশ এই কোচ। এরপর থেকে নাকি এটাই তার দেখা প্যারিসিয়ানদের সেরা অ্যাওয়ে পারফরম্যান্স! অবিশ্বাস্য শোনালেও এমনই মন্তব্য করেছেন ৫৫ বছর বয়সি কোচ।
বিস্ময়কর দাবি এ কারণেই বলা যে চলতি মৌসুমে ইউরোপের বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা বার্সেলোনায় জয় পেয়েছে এবং লেভারকুসেনের মাঠে ৭ গোল করেছে; তবুও পরিসংখ্যান পুরোপুরি এনরিকের বক্তব্যকে প্রকাশ করে না। যদিও ধারণা করা হচ্ছে খেলোয়াড়দের বাড়তি সমালোচনা থেকে রক্ষা করতেই হয়ত এমন মন্তব্য করেছেন তিনি।
লিসবনে ম্যাচজুড়ে স্পষ্ট আধিপত্য ছিল পিএসজির। তাদের বল দখলে ছিল প্রায় ৭৫ শতাংশ সময়, নেয় ২৮টি শট। সেখান থেকে বাতিল না হলে আরও তিনটি গোল পেতে পারত প্যারিসিয়ানরা। কিন্তু ম্যাচের শেষদিকে লিসবনের কলম্বিয়ান স্ট্রাইকার লুইস সুয়ারেজের জোড়া গোলে সবকিছু ভেস্তে যায়। ম্যাচ শেষে এনরিকে বলেছিলেন, ‘আমরা জয়ের যোগ্য ছিলাম, কিন্তু ফুটবল এমনই।’
ম্যাচ নিয়ন্ত্রণে রাখার পরও যে সমস্যাগুলো গত মৌসুমের শুরুতে চ্যাম্পিয়নস লিগে ছিল এবারও সেই সমস্যায় ভুগছে পিএসজি। আগেরবার টানা চার ম্যাচে জয় পায়নি তারা, সেই সমস্যাগুলো যেন আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। ২০২৪ সালের মতোই এবারও রক্ষণভাগের ভুল ও দুর্বল ফিনিশিং ভালো পারফরম্যান্সকে ম্লান করে দিচ্ছে। যে কারণে চ্যাম্পিয়নস লিগের সব শেষ চার ম্যাচে জয় কেবল একটিতে।
গত মৌসুমে নাটকীয়ভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে ট্রেবল জেতে পিএসজি। তার পেছনে বড় ভূমিকা ছিল দলটির নিখুঁত ফিনিশিংয়ের। আরও বিশেষ করে বললে অ্যাওয়ে ম্যাচগুলোতে। পাশাপাশি উসমান দেম্বেলের নেতৃত্বে গতিময় আক্রমণভাগ ছিল বেশ কার্যকর। যেখানে তিনি ‘ফলস নাম্বার নাইন’র ভূমিকায় খেলতেন।
কিন্তু চলতি মৌসুমে সেই নিখুঁত আক্রমণের বিপরীতে পিএসজির খেলায় দেখা যাচ্ছে নিষ্প্রাণ ফুটবল। লিগ ম্যাচ অলিম্পিক মার্শেই ও মোনাকোর কাছে পরাজয় তারই প্রমাণ। এই হারের পেছনে অবশ্য দলটির ইনজুরির প্রভাবও রয়েছে। দেম্বেলে, দুয়ে, নুনো মেন্দেস ও আশরাফ হাকিমিরা এই সময়ে মাঠের বাইরে ছিলেন।
তবে এ মাসে কোপা ফ্রেঞ্চ কাপে প্যারিস এফসির কাছে ০-১ গোলের হার যেন নিশ্চিত করে দেয়- দলের ছন্দে কোথাও ভাটা পড়েছে। কয়েক দিন পর লিলের বিপক্ষে ৩-০ গোলের বড় জয়, যেখানে দেম্বেলে বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত ভলিতে গোল করেন, যা দেখে অনেকে বলছেন ‘সাময়িকভাবে আশার আলো’।
এরপর পর্তুগালে স্পোর্টিং লিসবনের কাছে হার। পরে লিগ ম্যাচে অক্সেরের বিপক্ষে ১-০ ব্যবধানে জয়েও পিএসজি ঘরানার ফুটবলের দেখা মেলেনি। সুযোগ হাতছাড়ার মিছিলে নেমেছিলেন দলটির ফুটবলাররা। ওই ম্যাচের পর লিগ ওয়ানে শীর্ষে ফিরলেও পিএসজি বস বলেন, ‘আমরা অনেক সুযোগ তৈরি করছি, কিন্তু ফাইনাল থার্ড-এ আত্মবিশ্বাসের অভাব রয়ে গেছে। আরও নিখুঁত হতে হবে।’
চ্যাম্পিয়নস লিগের লিগ পর্বে এই মুহূর্তে সেরা আটে থাকলেও, এখনো গত মৌসুমের মানে পৌঁছাতে পারেনি পিএসজি।
এ মৌসুমে দেম্বেলের অনুপস্থিতিতে অন্য ফরোয়ার্ডরা সেই দায়িত্ব ঠিকভাবে নিতে পারেননি। পুরোপুরি ফিটনেসে ফিরতে থাকা দেম্বেলে অক্সেরের বিপক্ষে বদলি নেমে ব্র্যাডলি বারকোলার জয়সূচক গোলে অ্যাসিস্ট করেন যদিও। তার আগে গনসালো রামোস শুরু একাদশে খেলেও খুব একটা প্রভাব রাখতে পারেননি।
নভেম্বর থেকে চোটে থাকা হাকিমির শিগগিরই ফেরা পিএসজির আক্রমণে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে, পাশাপাশি জাইরে এমেরিও বিশ্রামের সুযোগ পাবেন কিছুটা। তবে কোচ এনরিকে ক্লান্তিকে অজুহাত মানতে নারাজ। তার ভাষায়, ‘সবই মানসিক ব্যাপার। ৫-০ গোলে জিতলে কেউ ক্লান্ত থাকে না, হারলে সবাই ক্লান্ত— এটাই স্বাভাবিক।’
গ্রীষ্মকালীন দলবদলে আসা নতুন খেলোয়াড়রাও এখনো সমর্থকদের পুরোপুরি সন্তুষ্ট করতে পারেননি। গোলকিপার লুকা শেভালিয়ে বেশ কিছু সেভ দিলেও গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তাঁর ভুলের খেসারত দিতে হয়েছে দলকে। স্পোর্টিং লিসবনের বিপক্ষে দুই গোলেই তাঁর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন আছে।
রক্ষণে ইউক্রেনের ইলিয়া জাবারনিও দৃষ্টিকটু ভুলের জন্য সমালোচনার মুখে। তবু নতুনদের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন এনরিকে, ‘পিএসজিতে প্রথম মৌসুমে যা-ই করুন না কেন, সমালোচনা হবেই— এটা আমি খেলোয়াড়দের আগেই বলে দিই।’
নিউক্যাসলের বিপক্ষে লিগ পর্বের শেষ খেলায় আজ মহা গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মাঠে নামবে পিএসজি। চ্যাম্পিয়নস লিগের পয়েন্ট টেবিলে পাশাপাশি থাকা (৬ ও ৭) দুই দলের সংগ্রহ সমান ১৩ করে। ঘরের মাঠে এই ম্যাচের জয়ই পারে প্যারিসিয়ানদের সেরা আটে জায়গা নিশ্চিত করতে। হার কিংবা ড্রয়ে খেলতে হবে প্লে-অফ। ম্যাচের আগে এনরিকে বলেন, ‘আমাদের ম্যাচ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। বল আমাদের, এই বিশ্বাস নিয়ে খেলতে হবে।’
গত মৌসুমের এই সময়েই ইউরোপ থেকে বিদায়ের মুখে ছিল পিএসজি, কিন্তু সেখান থেকেই ঘুরে দাঁড়িয়ে ইতিহাস গড়েছিল তারা। এবার পরিস্থিতি ততটা সংকটময় না হলেও, নিউক্যাসলের বিপক্ষে শীর্ষ আটের লড়াইটা নিঃসন্দেহে রোমাঞ্চকর হবে।

আমেরিকা। আর এই মহাদেশে ফুটবল রক্তের সঙ্গে মিশে থাকা দেশের নাম কিংবদন্তি দিয়াগো ম্যারাডোনা-লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা। তিনবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন এই দেশের আবেগের সবচেয়ে বড় মঞ্চ হলো আর্জেন্টিনার ফুটবল ক্লাব রিভার প্লেট তাদের ঐতিহাসিক মনুমেন্টাল স্টেডিয়ামকে ব্যাপকভাবে সম্প্রসারণের ঘোষণা দিয়েছে। এই প্রকল্প শেষ হলে এটি হবে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ফুটবল স্টেডিয়াম।
সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করা এক ভিডিও বার্তায় রিভার প্লেটের প্রেসিডেন্ট স্তেফানো দি কার্লো স্টেডিয়াম সম্প্রসারণের ঘোষণা দিয়ে দিনটিকে ‘ঐতিহাসিক’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি জানান, প্রকল্পের অংশ হিসেবে পুরো গ্যালারির ওপর ছাদ নির্মাণ করা হবে।
আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের ঘরের মাঠ মনুমেন্টাল স্টেডিয়ামের এই সংস্কারকাজ শেষ হলে এটি ক্লাব পর্যায়ে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ফুটবল স্টেডিয়াম হবে। যার ধারণক্ষমতা সংস্কার শেষে ১ লাখ ৫ হাজারে পৌঁছানোর কথা। প্রথম স্থানে থাকবে বার্সেলোনার ক্যাম্প ন্যূ।
বর্তমানে ৮৫ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতা থাকা মনুমেন্টাল স্টেডিয়ামে যুক্ত হবে আরও ১৬ হাজার আসন। প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হচ্ছে ১০ কোটি ডলারের বেশি। চলতি বছরের এপ্রিল থেকে নির্মাণকাজ শুরু হওয়ার কথা, যা শেষ হতে আনুমানিক ৩৬ মাস সময় লাগবে।
চারবারের কোপা লিবার্তাদোরেস জয়ী রিভার প্লেট এই প্রকল্পে জার্মান একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অংশীদারিত্ব করেছে। ক্লাবটি আশা করছে, আর্জেন্টিনা ২০৩০ বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক হওয়ার আগেই স্টেডিয়ামের সংস্কারকাজ সম্পন্ন হবে।
এক বিবৃতিতে রিভার প্লেট জানায়, ‘গত এক বছর ধরে রিভার প্লেট কাজ করছে শ্লাইখ বার্গারমান পার্টনার (এসবিপি)-এর সঙ্গে। বৃহৎ স্টেডিয়ামের ছাদ নির্মাণে বিশ্বসেরা এই জার্মান প্রকৌশল প্রতিষ্ঠান এর আগে রিয়াদ এয়ার মেট্রোপলিতানো, টটেনহ্যাম হটস্পার স্টেডিয়াম, অ্যালিয়াঞ্জ অ্যারেনা, মারাকানা ও সান্তিয়াগো বার্নাব্যুসহ একাধিক আইকনিক প্রকল্পে কাজ করেছে।’
দি কার্লো জানান, দীর্ঘমেয়াদি আন্তর্জাতিক ঋণের মাধ্যমে এই প্রকল্পের অর্থায়ন করা হবে, যেখানে সুদের হার থাকবে প্রতিযোগিতামূলক। সংস্কার শেষে স্টেডিয়ামে আয়োজিত ক্রীড়া ইভেন্ট ও সঙ্গীতানুষ্ঠান থেকে বাড়তি আয়ের মাধ্যমেই এই ঋণ পরিশোধের পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি আরও যোগ করেন, ‘রিভার প্লেট আধুনিকায়ন, প্রবৃদ্ধি ও ক্রীড়া অবকাঠামোয় ঐতিহাসিক নেতৃত্বের পথ ধরে এগিয়ে যাচ্ছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে মনুমেন্টাল স্টেডিয়াম আমেরিকার সবচেয়ে বড় ও গুরুত্বপূর্ণ ভেন্যু হিসেবে নিজের অবস্থান আরও শক্ত করবে এবং বৈশ্বিক মানদণ্ডে পরিণত হবে।’

ফুটবল সমর্থকদের জন্য ব্যস্ত একটি রাত। ৩৬ দলের চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ১৮ ম্যাচ শুরু হবে একযোগে। পাগলাটে এই রাতে ভাগ্য নির্ধারণ হবে জায়ান্ট, মধ্যম সারি কিংবা নামে-ভারে ছোটো অনেক ক্লাবের। কারও সামনে সমীকরণ শেষ আটের, কোনোমতে প্লে অফ নিশ্চিত হলেই হাঁফ ছেড়ে বাঁচবে কোনো ক্লাব। ইউরোপ সেরা প্রতিযোগিতায় শুরু থেকেই দাপট দেখানো কোনো ক্লাবের হিসেব হয়তো খুবই সরল।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগে এখন পর্যন্ত সবকটি ম্যাচেই জয় পাওয়া আর্সেনাল শীর্ষে থেকে লিগ পর্ব শেষ করা অনেকটাই নিশ্চিত। কাজাখস্তানের ক্লাব কাইরত আলমাতির বিপক্ষে নির্ভার হয়েই নামবে গানাররা। মিকেল আরতেতার দলের সঙ্গে সরাসরি শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে বায়ার্ন মিউনেখও। বাভারিয়ানরা শেষ রাউন্ডে মুখোমুখি হবে ডাচ ক্লাব পিএসভি আইন্দোভেনের বিপক্ষে।
কাগজে-কলমে শীর্ষ আটে থেকে লিগ পর্ব শেষ করার সুযোগ আছে এখনও ১৬টি ক্লাবের। পিএসজি এবং রিয়াল মাদ্রিদ, বার্সেলোনা, ম্যানচেস্টার সিটি ও লিভারপুলের মতো সাবেক চ্যাম্পিয়নরা নকআউট পর্ব নিশ্চিত করলেও এই জায়ান্টদের লড়াই এখন সরাসরি শেষ ষোলো নিশ্চিতের।
লিগ পর্বের সপ্তম রাউন্ড পর্যন্ত নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে আর্সেনাল-বায়ার্নসহ ১৫টি ক্লাব। বাকি ৯টি জায়গার জন্য লড়াইয়ে টিকে আছে ১৭টি দল। ৯ম থেকে ২৪তম—এই ১৬ দল উঠবে নকআউট প্লে-অফে। সেখান থেকে আট ম্যাচের আট জয়ী দল উঠবে শেষ ষোলোতে। আগামী শুক্রবার হবে প্লে-অফের ড্র। আইনট্রাখট ফ্রাঙ্কফুর্ট, কাইরাত আলমাতি, স্লাভিয়া প্রাগ ও ভিয়ারিয়ালের প্রথম পর্ব থেকে বিদায় নিশ্চিত হওয়ায় প্লে অফ খেলার সুযোগও শেষ হয়েছে তাদের।
শীর্ষ আটের মহারণ :
সরাসরি নকআউট পর্বে খেলার টিকেট বাকি আছে এখনও ছয়টি। রিয়াল মাদ্রিদ, লিভারপুল, ও টটেনহ্যাম হটস্পারের জন্য হিসেব অনেকটাই সরল। জয় পেলেই চলবে তাদের। বেনফিকার মাঠে রিয়াল মাদ্রিদ, কারাবাখের বিপক্ষে ঘরের মাঠে লিভারপুল ও আইনট্রাখট ফ্র্যাঙ্কফুর্টের মাঠে টটেনহ্যাম জিতলেই তারা সরাসরি নকআউট পর্বে পা রাখবে।
পয়েন্ট টেবিলের ৬ থেকে ১২ নম্বর পর্যন্ত দলগুলোর মধ্যেই হবে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। এই আটটি দলেরই সংগ্রহ ১৩ পয়েন্ট। নিজ নিজ ম্যাচে জয়ের সঙ্গে তাকিয়ে থাকতে হবে অন্য দলের ফলের দিকেও।
আরও পড়ুন
| নাপোলিতে আতঙ্ক, ম্যারাডোনা স্টেডিয়ামে চেলসি সমর্থকদের জন্য সর্বোচ্চ সতর্কতা |
|
পিএসজি-নিউক্যাসল ইউনাইটেডের ম্যাচটি রূপ নিয়েছে অলিখিত নকআউটে। এই ম্যাচের বিজয়ী দল সরাসরি উঠবে পরের ধাপে, আর পরাজিত দলটিকে হয়তো খেলতে হবে প্লে-অফে। তবে ড্র হলে দুই দলকেই অপেক্ষা করতে হবে অন্য ম্যাচের ফলের ওপর।
সমান ১৩ পয়েন্ট আছে আরও ছয়টি দলের। এর মধ্যে চেলসিও তুলনামূলক ভালো অবস্থানে আছে; টিকে থাকার লড়াইয়ে থাকা নাপোলির মাঠে জিতলেই হয়তো সরাসরি শেষ ষোলোয় উঠে যাবে স্ট্যামফোর্ড ব্রিজের দলটি। অবশ্য গোল ব্যবধানে তাদের পিছিয়ে পড়ার কিঞ্চিৎ শঙ্কাও আছে।
সমান ১৩ পয়েন্ট নিয়ে একইরকম আশায় আছে বার্সেলোনা, স্পোর্তিং, ম্যানচেস্টার সিটি, আতলেতিকো মাদ্রিদ ও আতালান্তা।
কোপেনহেগেনের বিপক্ষে ঘরের মাঠে শুধু জয় যথেষ্ট নয়, বড় ব্যবধানে জয়ই বার্সাকে পৌঁছে দেবে সরাসরি নকআউট পর্বে। পেপ গুয়ার্দিওলার দল সিটিকে সরাসরি শেষ ষোলোয় খেলতে হারাতেই হবে গালাতাসারাইকে। আর সিটিকে হারাতে পারলে প্লে-অফে খেলা নিশ্চিত হবে তুর্কি ক্লাব গালাতাসারাইয়ের।
নরওয়ের দল বোডো/গ্লিম্টের বিপক্ষে ঘরের মাঠে বড় ব্যবধানে জয়ে সরাসরি শেষ ষোলোয় ওঠার দরজা খুলতে পারে আতলেতিকো মাদ্রিদেরও। একই লক্ষ্যে ইতালিয়ান ক্লাব আতালান্তার নিজেদের ম্যাচে বিশাল ব্যবধানে জিততে হবে এবং অন্যান্য ম্যাচের ফল পক্ষে আসার প্রার্থনা করতে হবে।
প্লে অফের লড়াই :
সাবেক ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন বেনফিকা ও আয়াক্স আমস্টারডাম টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় ঠেকানোর লড়াইয়ে আছে। সাত ম্যাচের মাত্র দুটিতে জিতে ৬ পয়েন্ট নিয়ে ২৯ নম্বরে আছে হোসে মরিনহোর বেনফিকা। সমান পয়েন্ট নিয়ে ৩২ নম্বরে আয়াক্স।
পর্তুগিজ ক্লাব বেনফিকার টিকে থাকতে রিয়াল মাদ্রিদকে হারাতেই হবে এবং পাশপাশি অন্য ম্যাচের ফলও নির্ভর করবে পর্তুগিজ ক্লাবটির টিকে থাকা। একইভাবে আয়াক্সকেও ২৪তম স্থানে থাকা অলিম্পিয়াকোসের বিপক্ষে জিততে হবে এবং একইসঙ্গে তাদের ভাগ্য নির্ধারণ করে দিতে পারে অন্যান্য ম্যাচের ফলও।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ রাউন্ডের মহারণে চেলসির প্রতিপক্ষ নাপোলি। আজ রাতে ইউরোপ সেরা প্রতিযোগিতায় নাপোলির দিয়েগো আর্মান্দো ম্যারডোনা স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে নাপোলি ও চেলসি। গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচের আগে নিজেদের সমর্থকদের জন্য সতর্কবার্তা জারি করেছে ক্লাব কর্তৃপক্ষ। ইতালির এই শহরে এক ঘটনায় দুই চেলসি সমর্থক আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় সবাইকে চরম সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানানো হয়েছে।
চেলসির তাদের অফিসিয়াল এক্স (টুইটার) অ্যাকাউন্টে জানায়, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নেপলসে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনার বিষয়ে ক্লাব অবগত। আহত দুই সমর্থকের আঘাত গুরুতর নয়, তবে পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় শহরে অবস্থানরত সব সমর্থককে সতর্ক থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আহত সমর্থকদের ছুরিকাঘাত করা হয়েছে এমন দাবি উঠলেও, আঘাতের সুনির্দিষ্ট কারণ নিয়ে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।
এই ম্যাচ উপলক্ষে শহরে অবস্থানরত সব সমর্থককে চরম সতর্কতা অবলম্বনের পাশাপাশি আগেই দেওয়া পরামর্শগুলো মেনে চলার জন্য স্মরণ করিয়ে দেয় চেলসি। এর আগে ভ্রমণসংক্রান্ত পরামর্শে চেলসি জানায়, উয়েফা প্রতিযোগিতার সময় নেপলসে অতিথি দলের সমর্থকদের ওপর হামলার ঘটনা অতীতেও ঘটেছে। সে কারণে সমর্থকদের শহরে একা চলাফেরা না করা, ক্লাবের রং বা প্রতীক প্রকাশ না করারও অনুরোধ করা হয়েছে।
নাপোলির বিপক্ষে এই ম্যাচে জয় পেলে সরাসরি শেষ ষোলোতে জায়গা করে নেবে চেলসি। ৭ ম্যাচে ৪ জয়, এক ড্র ও দুই হারে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের আট নম্বরে আছে ‘ব্লুজরা’। আর গত মৌসুমের সিরি আ চ্যাম্পিয়ন নাপোলির জন্যও ম্যাচটি বাঁচা–মরার। পয়েন্ট তালিকার ২৫ নম্বরে থাকা কিংবদন্তি ম্যারাডোনার ক্লাবটি প্লে অফ নিশ্চিত করতে জয়ের বিকল্প নেই।
________________________________________
নাপোলিতে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ম্যাচের আগে দুই সমর্থক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন হওয়ায় সেখানে থাকা ভক্তদের ‘চরম সতর্কতা’ অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছে চেলসি।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে বুধবার রাতে নাপোলির দিয়েগো আর্মান্দো মারাদোনা স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে নাপোলি ও চেলসি।
চেলসি তাদের অফিসিয়াল এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে জানায়,
“মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নাপোলিতে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনার বিষয়ে ক্লাব অবগত রয়েছে।
দুইজন সমর্থক হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তাদের আঘাত প্রাণঘাতী নয়।
এই ম্যাচ উপলক্ষে শহরে অবস্থানরত সব সমর্থককে চরম সতর্কতা অবলম্বনের পাশাপাশি আগেই দেওয়া পরামর্শগুলো মেনে চলার জন্য স্মরণ করিয়ে দিতে চায় ক্লাব।”
চ্যাম্পিয়ন্স লিগের গ্রুপ পর্বে শীর্ষ আটে থেকে শেষ করতে পারলে সরাসরি শেষ ষোলো নিশ্চিত হবে চেলসির। সেক্ষেত্রে আগামী মাসের প্লে-অফ রাউন্ড খেলতে হবে না তাদের।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচকে ঘিরে নেপলসে চেলসি সমর্থকদের জন্য সতর্কবার্তা জারি করেছে ক্লাব কর্তৃপক্ষ। ইতালির এই শহরে এক ঘটনায় দুই চেলসি সমর্থক আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় সবাইকে চরম সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানানো হয়েছে।
চেলসির এক বিবৃতিতে বলা হয়, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নেপলসে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনার বিষয়ে ক্লাব অবগত। আহত দুই সমর্থকের আঘাত গুরুতর নয়, তবে পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় শহরে অবস্থানরত সব সমর্থককে সতর্ক থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আহত সমর্থকদের ছুরিকাঘাত করা হয়েছে এমন দাবি উঠলেও, আঘাতের সুনির্দিষ্ট কারণ নিয়ে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচটি দেখতে প্রায় ২ হাজার ৫০০ চেলসি সমর্থক নেপলসে উপস্থিত থাকবেন। নিরাপত্তার স্বার্থে তাদের নির্দিষ্ট জায়গায় জড়ো হয়ে পুলিশি প্রহরায় শাটল বাসে স্টেডিয়ামে যাওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এর আগে ভ্রমণসংক্রান্ত পরামর্শে চেলসি জানায়, উয়েফা প্রতিযোগিতার সময় নেপলসে অতিথি দলের সমর্থকদের ওপর হামলার ঘটনা অতীতেও ঘটেছে। সে কারণে সমর্থকদের শহরে একা চলাফেরা না করা, ক্লাবের রং বা প্রতীক প্রকাশ না করারও অনুরোধ করা হয়েছে।
ডিয়েগো আর্মান্দো মারাদোনা স্টেডিয়ামে নাপোলির বিপক্ষে এই ম্যাচে জয় পেলে চেলসি সরাসরি শেষ ষোলোতে জায়গা করে নেবে। অন্যদিকে, গত মৌসুমের সিরি আ চ্যাম্পিয়ন নাপোলির জন্যও ম্যাচটি বাঁচা–মরার, টিকে থাকতে তাদেরও জয় দরকার।