
গেল মাস থেকেই জোড়াল হচ্ছিল গুঞ্জন। রিয়াল মাদ্রিদ, কার্লো আনচেলত্তি বা ব্রাজিল ফুটবল ফেডারেশনের (সিবিএফ) পক্ষ থেকে এখনও আসেনি আনুষ্ঠানিক ঘোষণা। তবে এসব খবরের নির্ভরযোগ্য সূত্র দা আথলেতিকের দাবি, রিয়ালের চাকরি ছেঁড়ে ব্রাজিল জাতীয় দলের দায়িত্ব নেওয়ার জন্য নাকি চুক্তিতে সম্মত হয়ে গেছেন অভিজ্ঞ এই কোচ।
আথলেতিক সোমবার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, আনচেলত্তিকে এরই মধ্যে ব্রাজিল জাতীয় ফুটবল দলের প্রধান কোচ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সিবিএফ। তিনি আগামী ২৬ মে থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
আরও পড়ুন
| ‘ইয়ামাল বাচ্চা না, এমন পারফরম্যান্সই চায় বার্সা’ |
|
চলতি মৌসুমে রিয়ালের শেষ ম্যাচ লা লিগায় আগামী ২৫ মে। রিয়াল সোসিয়েদাদের বিপক্ষে সেই ম্যাচটিই হবে ক্লাবটির ডাগআউটে ৬৫ বছর বয়সী আনচেলত্তির শেষ ম্যাচ।
রিয়ালের সাথে ২০২৬ সাল পর্যন্ত চুক্তিবদ্ধ থাকায় আনচেলত্তিকে পেতে ব্রাজিলকে একটা সমঝোতায় যেতে হত স্প্যানিশ ক্লাবটির সাথেও। মাঝে কিছু বিষয় নিয়ে দূরত্ব তৈরির খবর আসলে অনিশ্চয়তা জাগে আনচেলত্তির নেইমারদের কোচ হওয়া নিয়ে।
তবে আথলেতিকদের দাবি, তিন পক্ষের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনার মাধ্যমে একটি সমঝোতায় যাওয়ার পর আনচেলত্তিকে নিয়োগ দিয়েছে সিবিএফ। এর মাধ্যমে আনচেলত্তি হচ্ছেন ব্রাজিলের ছেলেদের দলের ইতিহাসে প্রথম বিদেশি প্রধান কোচ।
ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সফল কোচ আনচেলত্তি এর আগে কখনই জাতীয় দলের কোচিং করারননি। এই অধ্যায়ে তার মূল চ্যালেঞ্জ ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ, যার বাছাইপর্ব থেকে এখনও মূল পর্বের টিকিট নিশ্চিত করতে পারেননি সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।
আরও পড়ুন
| ডিফেন্সের ভুলেই ডুবেছে রিয়ালের তরী, মত আনচেলত্তির |
|
ব্রাজিলের কোচের দায়িত্বে দরিভাল জুনিয়রের স্থলাভিষিক্ত হবেন আনচেলত্তি, যিনি মার্চে ১৪ মাস দায়িত্ব পালন করার পর বরখাস্ত হন। আনচেলত্তির অধীনে ব্রাজিলের প্রথম ম্যাচ হবে আগামী ৬ জুন, ইকুয়েডরের বিপক্ষে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচ। সেটার স্কোয়াড ঘোষণা হবে আগামী ২৬ মে।
আনচেলত্তি ২০২১ সালে দ্বিতীয় মেয়াদে রিয়ালে ফিরে আসেন। দুই দফায় রিয়ালের কোচ হিসেবে তার অর্জনের মধ্যে রয়েছে ৩টি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, ২টি লা লিগা শিরোপা সহ আরও অনেক শিরোপা। এই মৌসুমে অবশ্য বাজে সময় কাটছে তার। সব প্রতিযোগিতা থেকে খালি হাতে ফেরা রিয়াল লা লিগায় তিন রাউন্ড হাতে রেখে বার্সেলোনার চেয়ে পিছিয়ে আছে ৭ পয়েন্টে।
No posts available.
৪ এপ্রিল ২০২৬, ৭:২৯ পিএম

আগামী ১০ দিনে তিনবার দেখা হবে দুই দলের। চলতি মৌসুমে এরমধ্যেই দু’বার মুখোমুখি হয়েছে বার্সেলোনা-আতলেতিকো মাদ্রিদ। আজ লা লিগায় নিজেদের মাঠে কাতালান ক্লাবটিকে আতিথেয়তা দেবে আতলেতিকো।
সবশেষ কোপা দেল’রের সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে বার্সার বিপক্ষে ৩-০ গোলে হারে আতলেতিকো। তবে প্রথম লেগে ৪-০ গোলে জিতে দুই লেগ মিলিয়ে ফাইনালের টিকিট কাটে সিমিওনের দলই। কিন্তু বার্সার ডেরা ক্যাম্প ন্যূতে অগ্নিপরীক্ষার মুখে পড়েছিল আতলেতিকো। হান্সি ফ্লিকের দলের প্রবল আক্রমণের মুখে পড়ে কোনোমতে কোপা দেল’রের ফাইনাল নিশ্চিত করে তারা।
এবার লা লিগায় বার্সার বিপক্ষে মাঠে নামার আগে আরও বেশি সতর্ক সিমিওনে। ২০২৫-২৬ মৌসুমে আতলেতিকোর লিগ জয়ের আশা নেই বললেই চলে। ২৯ ম্যাচে ৫৭ পয়েন্ট নিয়ে চার নম্বরে আছে তারা। সেরা চারে থেকে আগামী মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লিগে নিজেদের অবস্থানও অনেকটাই নিশ্চিত করেছে ক্লাবটি। তবে শীর্ষে থাকা বার্সার জন্য লিগের বাকি সব ম্যাচই গুরুত্বপূর্ণ। ৭৩ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে অবস্থান করা বার্সা দুই নম্বরে থাকা রিয়াল মাদ্রিদ থেকে ৪ পয়েন্টে এগিয়ে আছে।
ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল সিমিওনের বিশ্লেষণ। ঠিক কী কারণে বর্তমান বার্সাকে বিপজ্জনক মনে হয়। যখন তাকে জিজ্ঞাসা করা হয় বার্সেলোনার সবচেয়ে বিপজ্জনক খেলোয়াড় কে, তিনি লামিন ইয়ামাল, রাফিনহা, রবার্ট লেভানডফস্কি বা ফেরমিন লোপেজের মতো কারও নাম নেননি। বরং তার মতে, সবচেয়ে বড় বিপদ হলো ক্লাবটির খেলোয়াড়দের তৈরি করা সম্মিলিত চাপ।
সিমিওনে বলেন,
‘এদের সব খেলোয়াড়ই বিপজ্জনক, কারণ তারা অসাধারণ। তারা প্রতিপক্ষের অর্ধেক মাঠ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, আপনাকে চিন্তা করার কোনো সময়ই দেবে না। প্রতিটি ম্যাচে তারা এটা করে, যা খুবই কঠিন; তারা হাই-ডিফেন্স করে এবং ঝুঁকি নেয়। আমাদের ম্যাচটা এমন জায়গায় খেলতে হবে যেখানে আমরা তাদের আঘাত করতে পারি।’
এই ম্যাচের তিন দিন পরই আবার দেখা হবে বার্সা-আতলেতিকোর। চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে বার্সার আতিথেয়তা নেবে তারা। ১৪ এপ্রিল দ্বিতীয় লেগে মৌসুমে শেষবারের মতো মুখোমুখি হবে দুই দল।

শনির দশা পেছন ছাড়ছেই না নেইমারের। কোনো কিছুই যেন পরিকল্পনা অনুযায়ী হচ্ছে না সান্তোসের ‘রাজপুত্রের’। চোট তো তাঁর পুরোনো শত্রুই। এবার এর সঙ্গে যোগ হলো নিষেধাজ্ঞার শঙ্কাও। তাও আবার এক দুই ম্যাচ নয়, বড় ধরনের নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে পারেন ব্রাজিলিয়ান এই সুপারস্টার।
ব্রাজিলের কোচ কার্লো আনচেলোত্তির শর্ত অনুযায়ী শতভাগ ফিট থাকলেই মিলবে বিশ্বকাপের স্কোয়াডে পরম আরাধ্য জায়গা। সবশেষ আন্তর্জাতিক বিরতিতে ব্রাজিলের স্কোয়াডে জায়গা না পাওয়া নেইমার সান্তোসের হয়ে গতকাল মাঠে নামেন। তবে এই ম্যাচেই বাধে বিপত্তি। সিরি‘আ’তে রেমের বিপক্ষে ম্যাচের পর রেফারির তীব্র সমালোচনা করেন সান্তোসের ফরোয়ার্ড। আর রেফারিকে নিয়ে মন্তব্য করেই এখন বড় ধরনের নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে আছেন নেইমার।
ম্যাচ-পরবর্তী সাক্ষাৎকারে রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে নেইমার বলেন,
‘সবসময় একই ঘটনা ঘটে। এটা অন্যায্য। ম্যাচের শেষ দিকে আমাকে পেছন থেকে অপ্রয়োজনীয় ফাউল করা হয়। এটা প্রথমবার নয়—তৃতীয় বা চতুর্থবার এমনটা হয়েছে। তাই আমি রেফারির কাছে প্রতিবাদ জানাতে যাই। আমি তাকে বলি, ‘তুমি কি পাগল?’
🇧🇷 Neymar lost his cool after a provocation from Diego Hernández and responded poorly earning a yellow card that will now force him to sit out the highly anticipated clash against Flamengo. pic.twitter.com/ka1RrMrvMU
— Speedline (@speedlinexx) April 3, 2026
এখানেই থামেননি নেইমার। তিনি যোগ করেন,
‘ওই রেফারি সবসময় এমনই। আজও ভিন্ন কিছু হয়নি। তার সঙ্গে কথাই বলা যায় না—পেছন ঘুরে উপেক্ষা করে। সে এমন একজন, যে খেলাটা নিজের মতো চালাতে চায়। খেলোয়াড়দের প্রতি তার সম্মান নেই। শুধু আমার সঙ্গেই নয়, প্রতিপক্ষের সঙ্গেও একই আচরণ করে। সে কথা বলতে চায় না। এসব বদলানো দরকার। খেলোয়াড়রা প্রশ্ন করতে পারে, প্রতিবাদ জানাতে পারে—এটাই ফুটবল। রেফারিদের সেটা সামলাতে জানা উচিত। কিন্তু তার এই আচরণ খুবই অপ্রীতিকর ও অসম্মানজনক।’
কার্লো আনচেলত্তি যদি আগামী ১৮ মে বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণা করেন, তাহলে নেইমারের হাতে ১৪ ম্যাচ বাকি থাকার কথা। সেই হিসেবে ঘরোয়া লিগে নিজেকে প্রমাণের সুযোগ ছিল সান্তোসের হয়ে মাঠে নেমে ভালো পারফর্ম করে। চূড়ান্ত সেই মিশনে এক ম্যাচ খেলতে না খেলতেই কার্ডজনিত নিষেধাজ্ঞায় পড়েন এই ব্রাজিলিয়ান তারকা। আর তাতেই ম্যাচ শেষে সব রাগ উগড়ে দেন রেফারির ওপর।
নেইমারের এই মন্তব্য হয়তো কেবল অসন্তোষ প্রকাশের মধ্যে থেমে থাকার সম্ভাবনা কম। ব্রাজিলিয়ান ফুটবলে প্রকাশ্যে রেফারির সমালোচনার ক্ষেত্রে কঠোর নিয়ম রয়েছে। অতীতের এমন ঘটনায় খেলোয়াড়রা ১২ ম্যাচ পর্যন্ত নিষিদ্ধও হয়েছেন। যদি একই মাত্রার শৃঙ্খলাবিধি নেইমারের ওপরও প্রয়োগ করা হয়, তাহলে নেইমারের বিশ্বকাপে যাওয়ার সুযোগ কার্যত শেষ হয়ে যেতে পারে।

শক্তিমত্তায় বাংলাদেশের চেয়ে চীন কতটা এগিয়ে সেটি না বললেও চলে। তারপরও প্রথমার্ধে মোটামুটি লড়াইয়ের চেষ্টা করেছে লাল সবুজের মেয়েরা। এ সময় বল দখলেও অর্পিতারা ছিলেন প্রতিপক্ষের প্রায় কাছাকাছি। তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই আচমকা গোলে পিছিয়ে পড়ায় লড়াইয়ের শক্তি হারায় বাংলাদেশ। পিছিয়ে পড়ার পর আর ম্যাচে ফিরতে পারেননি অর্পিতা বিশ্বাসরা।
শনিবার থাইল্যান্ডের ননথাবুড়ি স্টেডিয়ামে ‘এ’ গ্রুপের খেলায় চীনকে মোকাবিলা করে বাংলাদেশ। যেখানে ২-০ গোলের পরাজয় মেনে মাঠ ছাড়ে পিটার বাটলারের দল। দুটি গোলই হয়েছে ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে। এর আগে গ্রুপ পর্বের প্রথম খেলায় স্বাগতিক থাইল্যান্ডের কাছে ২-৩ ব্যবধানে হেরেছিল বাংলাদেশ। আর প্রথম ম্যাচে ভিয়েতনামকে ৩-০ গোলে হারানো চীন পরপর দুটি জয় তুলে নিলো।
এদিন ৩৩ মিনিটে মুনকি আক্তার মাঠে নামেন শান্তি মার্ডির জায়গায়। ৪৩ মিনিটে পরিষ্কার গোল ঠেকিয়ে দেন মিলি। বাংলাদেশের রক্ষণচিড় ভেদ করে চীনের এক ফরোয়ার্ড বল নিয়ে এগিয়ে যান। তার সঙ্গে ওয়ান-ওয়ান পরিস্থিতিতে অবিচল ছিলেন মিলি। এই মিনিটেই জি জংমির ক্রসে লু জিয়াউয়ের হেড মাটিতে পরে জাল খুঁজে নিচ্ছিল। সেটি লাফিয়ে জালের ওপর দিয়ে কর্নার করে দেন বাংলাদেশ গোলকিপার।
বিরতির পরপরই এগিয়ে যায় চীন। ৪৭ মিনিটে উমেহ্লা আর প্রীতিকে কাটিয়ে পোস্টের কাছ থেকে জিং লুজিয়ার কাটব্যাকে গোল করেন হু চিংগুয়ে। ৮২ মিনিটে ফ্রি কিক থেকে লিড দ্বিগুণ করেন চীনের ওয়াং আইফাং। বক্সের অনেকটা সামনে ফ্রি কিকের সামনে রক্ষণ দেয়াল তৈরি করে বাংলাদেশ। চীনা ফরোয়ার্ড শট নিলে বলের লাইন থেকে শরীর সরিয়ে ফেলেন সুরমা। দূরের পোস্ট দিয়ে বল খুঁজে নেয় জাল। ডানদিকে ঝাপিয়েও ঠেকাতে পারেননি মিলি।
পরের মিনিটে ভুল করেন আফঈদা খন্দকার। চীনের বদলি খেলোয়াড় লু জিয়াকির ক্রসে বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে ফাকায় তাঁর পায়েই তুলে দেন বাংলাদেশ ডিফেন্ডার। যদিও গোলমুখের সামনে থেকে অবিশ্বাস্য মিসে গোল পায়নি চীন। যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে এবার দারুণ ব্লকে চীনের ব্যবধান বাড়াতে দেননি আফঈদা। শেষ পর্যন্ত ২-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে চীন।
গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের শেষ ম্যাচ ৭ এপ্রিল, ভিয়েতনামের বিপক্ষে। দুই ম্যাচে হারলেও শেষ আটে উঠার সম্ভাবনা শেষ হয়ে যায়নি বাংলাদেশের। শেষ খেলায় ভিয়েতনামকে হারাতে পারলে তিন গ্রুপের মধ্যে সেরা তৃতীয় দল হিসেবে পরের রাউন্ডে যেতে পারে বাংলাদেশ।

আর বাকি ৬৮টি দিন। বিশ্বকাপের জ্বরে কাঁপতে প্রস্তুত বিশ্ব। সমর্থক, বিশ্লেষক আর ফুটবলবোদ্ধারা এরমধ্যেই ব্যস্ত হয়ে পড়েছে তর্ক-বিতর্ক-আলোচনায়। ৪৮ দলের প্রথম বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে কে? শক্তিমত্তা, পরিসংখ্যান কিংবা অতীত ইতিহাস বিবেচনায় কাকে এগিয়ে রাখা যায়?
সুপারকম্পিউটার দিয়ে সম্ভাব্য চ্যাম্পিয়ন দলের নাম জানিয়ে দিল জনপ্রিয় পরিসংখ্যানভিত্তিক ব্রিটিশ বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠান ‘অপটা’। প্রযুক্তির হিসাব বলছে, যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় অনুষ্ঠেয় টুর্নামেন্টে এগিয়ে থাকবে স্পেন।
মিশরের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে ড্র করে ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে কদিন আগেই ফ্রান্সের কাছে রাজত্ব হারায় স্পেন। তবে এবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার লড়াইয়ে স্পেনকেই ফেবারিট বলছে ‘অপটা’। একবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের সম্ভাবনা ধরা হয়েছে ১৫.৮৩ শতাংশ।
আরও পড়ুন
| ছাদখোলা বাসে সংবর্ধনা পাচ্ছে সাফজয়ী মিঠু-সুলিভানরা |
|
স্পেনের পরই আছে ফ্রান্স। ২০১৮ বিশ্বকাপের পর র্যাঙ্কিংয়ে এক নম্বর উঠে এসেছে কিলিয়ান এমবাপেরা। দু’বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের শিরোপা জেতার সম্ভাবনা ১২.৭৭ শতাংশ। তাতে বিশ্বকাপে তাদের পারফরম্যান্সটা হবে এমন—চ্যাম্পিয়ন-রানার্স আপ-চ্যাম্পিয়ন।
বিশ্বকাপের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা এবার শিরোপা ধরে রাখার দৌড়ে শীর্ষে নেই। ফ্রান্সের পর রয়েছে ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনা—দুই দলেরই সম্ভাবনা ১০ শতাংশের বেশি। শিরোপা জেতার দৌড়ে শীর্ষ পাঁচে রাখা হয়েছে ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর পর্তুগালকে। ইতিহাসে একবারও এই ট্রফির স্বাদ না পাওয়া দলটির প্রথম বিশ্বকাপ জয়ের সম্ভাবনা ধরা হয়েছে ৬.৯২ শতাংশ। ব্রাজিল ও জার্মানি তালিকার ছয় ও সাত নম্বরে অবস্থান করছে।
এবারের আসরে নতুন নিয়ম অনুযায়ী গ্রুপপর্বে তৃতীয় হওয়া দলগুলোর মধ্য থেকেও সেরা আটটি দল শেষ ষোলোতে জায়গা পাবে। ফলে বড় কোনো দলের গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেওয়া কঠিনই। তবুও তৃতীয় হয়ে পরের রাউন্ডে ওঠার লড়াইটা হবে বেশ হাড্ডাহাড্ডি।
অপ্টার ভবিষ্যদ্বাণীঅনুযায়ী, তৃতীয় স্থান থেকে শেষ ষোলোতে উঠতে পারে দক্ষিণ কোরিয়া, ইরান, অস্ট্রেলিয়া, অস্ট্রিয়া, আইভরি কোস্ট, সুইডেন, ঘানা ও কাতার।
১১ জুন মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচের মধ্য দিয়ে বিশ্বকাপের পর্দা উঠবে। ১৯ জুলাই ফাইনালের মধ্য দিয়ে শেষ হবে ১০৪ ম্যাচের মহাযজ্ঞ।

সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে গতকাল ভারতকে টাইব্রেকারে হারিয়ে শিরোপা জিতেছে বাংলাদেশ। মালদ্বীপ থেকে আজ দেশে ফিরে ছাদখোলা বাসে সংবর্ধনা পাচ্ছে চ্যাম্পিয়ন রোনান সুলিভানরা। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম বাবু।
চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ দলকে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে হাতিরঝিলে এনে সংবর্ধনা দেওয়া হবে । বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে যুবাদের একটি বিশেষ ছাদখোলা বাসে করে শহরে নিয়ে আসা হবে।
আরও পড়ুন
| এফএ কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে বিকেলে লিভারপুলের মুখোমুখি ম্যানসিটি |
|
শুক্রবার রাত ৯ টায় শুরু হওয়া ফাইনালে নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলায় গোলের দেখা পায়নি কোন দল। এরপর সরাসরি ট্রাইবেকারে খেলা গড়ালে ৪-৩ ব্যবধানে জেতে মার্ক কক্সের দল। শিরোপা জয়ের পর আজ সন্ধ্যা ৬টা ৩৫ মিনিটে বাংলাদেশে পৌঁছাবে সাফজয়ী ফুটবল দল।
চ্যাম্পিয়নদের ছাদখোলা বাসে সংবার্ধনা দেওয়ার কথা জানিয়ে বাফুফে মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান বাবু বলেন, ‘বিজয়ী দল দেশে আসলে আমাদের ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী, বাফুফে সভাপতি, সম্মানিত সভাপতি এবং ফেডারেশনের সকল কর্মকর্তারা এয়ারপোর্টে তাদেরকে রিসিভ করবেন। সেখান থেকে সরাসরি গাড়ি চলে যাবে হাতিরঝিলের অ্যাম্ফিথিয়েটারে। তাদেরকে সংবর্ধনা দেওয়া হবে আজকে রাত ৮টার সময়।’
এ নিয়ে পরপর দুবার অনূর্ধ্ব-২০ সাফের শিরোপা ঘরে তুলল বাংলাদেশ। এর আগে ২০২৪ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে নেপালকে ১-০ গোলে হারিয়ে ট্রফি জিতেছিল লাল সবুজের তরুণেরা। মিডিয়া কমিটির পক্ষ থেকে শিরোপাজয়ী দলকে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার কথা জানান বাবু।