.jpeg)
২০২৫ সালের এপ্রিলের পর থেকে প্রথমার্ধে এগিয়ে থাকা কোনো ম্যাচে হারেনি প্যারিস সেন্ট-জার্মেই (পিএসজি)। বুধবার চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালের ফিরতি লেগেও সেই ধারার কোনো ব্যত্যয় ঘটেনি। আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায় বায়ার্ন মিউনিখের বিপক্ষে ম্যাচটি ১-১ ব্যবধানে ড্র হলেও দুই লেগ মিলিয়ে ৬-৫ গোলের ব্যবধানে এগিয়ে থেকে ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে ফরাসি জায়ান্টরা। এর মাধ্যমে বিরতিতে এগিয়ে থাকা ম্যাচে নিজেদের অপরাজিত থাকার রেকর্ডটিকে ৩৮ ম্যাচে উন্নীত করল লুইস এনরিকের দল।
লিগের প্রথম সেমিফাইনালে আতলেতিকো মাদ্রিদকে দুই লেগ মিলিয়ে ২-১ ব্যবধানে হারিয়েছে আর্সেনাল। এই জয়ে ২০ বছর পর চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে উঠেছে মিকেল আরতেতার দল। ফলে আগামী ৩০ মে হাঙ্গেরির বুদাপেস্টে পুসকাস স্টেডিয়ামে পিএসজির বিপক্ষে শিরোপার লড়াইয়ে মুখোমুখি গানারররা।
আলিয়াঞ্জ অ্যারেনাতে এদিন পিএসজি ও বায়ার্নের দুই গোলকিপার সেভ করেছেন মোট ৯টি নিশ্চিত থাকা গোল। দুই গোলকিপার একটি করে গোল কনসিভ করেছে ঠিকই, তবে ম্যাচজুড়ে আক্রমণের পসরা বিপরীতে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছিল তারা। ম্যাচে ১৮টি শট নিয়ে ৬টি লক্ষ্যে রাখে বাভারিয়ানরা। ১৫টি শটের ৭টি লক্ষ্যে রাখে পিএসজি। ম্যানুয়েল নয়্যার ও সাফোনভ বীরত্ব দেখালেও ফার্স্ট লেগের ফলে ফাইনালে পৌঁছেছে পিএসজি।
বাংলাদশ সময় রাত একটায় শুরু হওয়া ম্যাচের তৃতীয় মিনিট পিএসজিকে লিড উপহার দেন উসমান দেম্বেলে। মাইকেল ওলিসের আক্রমণ পরাস্ত করে পাল্টা আক্রমণ গড়ে তোলে প্যারিস সেন্ট জার্মেই। ফাবিয়ান রুইজ ও খিচা কাভারাস্কেইয়ার মধ্যে ওয়ান-টু পাসের পর বল চলে যায় কাভারাস্কেইয়ার পায়ে। জর্জিয়া লেফট-ব্যাক বাঁ প্রান্ত দিয়ে বাইলাইন পর্যন্ত পৌঁছান এবং ডি-বক্সে নিচু ক্রস করেন। ঠিক সেই মুহূর্তেই দৌড়ে এসে নিখুঁত শটে বল জালে জড়ান ২০২৫ সালের ব্যালন ডি’অর জয়ী।
২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে পিএসজির হয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগে অভিষেকের পর থেকে কাভারাস্কেইয়া সর্বোচ্চ সংখ্যক গোলে সরাসরি অবদান রাখা খেলোয়াড়দের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছেন। ১৩টি গোল এবং আটটি অ্যাসিস্টসহ মোট ২১টি গোলে অবদান রেখেছেন তিনি। যা হ্যারি কেইনের সাথে যৌথভাবে সর্বোচ্চ। আর চ্যাম্পিয়ন লিগে অষ্টম গোলের দেখা পেলেন দেম্বেলে।
২৭তম মিনিটে ওলিসের বাম পায়ের দৃষ্টিনন্দন শট বারের ওপর দিয়ে চলে যায়। মিডফিল্ড থেকে কেইনের ক্রস রিসিভ করেন ওলিসে। তারপর ওয়ান এন্ড ওয়ান পজিশনে থাকা নুনেসকে ড্রিবলিং করে ডি বক্সে ঢুকে পড়েন বায়ার্ন উইঙ্গার। এরপর নেন বুলেট গতির শট। তার কার্ল শট ব্রেক করে চলে যায় বারের ওপর দিয়ে।
তার ঠিক দুই মিনিট পর হ্যান্ডবল বিতর্ক তৈরি হয়। লাইমারের ফ্লিক থেকে আসা বলটি পিএসজির লেফট-ব্যাক মেন্দেসের হাতে স্পষ্টভাবে আঘাত করে। তবে রেফারি তাকে পেনাল্টি দেওয়া কিংবা দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখানোর পরিবর্তে উল্টো লাইমারের বিরুদ্ধেই ফাউলের বাঁশি বাজিয়ে ফ্রি-কিক দিয়েছেন! এতে ক্ষিপ্ত হতে দেখা যায় ভিনসেন্ট কোম্পানিকে।
হ্যান্ডবল বিতর্কের রেষ না কাটতেই ৩১তম মিনিটে একটি ঘটনা ঘটে। লুইস দিয়াস মার্কিনিয়োস থেকে বল বাগিয়ে ডি-বক্সে পাস দেওয়ার চেষ্টা করলে বলটি ডিফ্লেক্টেড হয়। এরপর পাভলোভিচ জাইরে-এমেরিকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে বল নিয়ন্ত্রণে নেন। স্তানিসিচের পাঠানো ক্রসটি গোলমুখে অগোছালোভাবে ক্লিয়ার করেন গোলরক্ষক সাফোনভ। কিন্তু এরপর ভিতিনিয়ার ক্লিয়ারেন্সটি জোয়াও নেভেসের হাতে লাগে বলে মনে হয়। এই ঘটনায় বায়ার্নের খেলোয়াড় ও কোচ পেনাল্টির দাবিতে চিৎকার করতে থাকেন।
৪২তম মিনিটে ডান প্রান্তে ফাঁকা জায়গায় অবস্থান বানিয়ে নেন মুসিয়ালা এবং ভিতিনিয়াকে পরাস্ত করে ডি-বক্সের মাঝখানে একটি নিচু কাটব্যাক করেন। কিন্তু সাফোনভ মাটিতে ঝাঁপিয়ে বল পাঞ্চ করেন এবং ক্লিয়ার করে বিপদমুক্ত করেন রুইজ।
বিরতির পর খেলা শুরু না হতেই হ্যারি কেইনের বুটের আঘাতে পাচো মাথায় আঘাত পান এবং মাটিতেই লুটিয়ে পড়েন পিএসজি সেন্টার-ব্যাক। কিছুক্ষণ সময়ক্ষেপন করে তাঁকে মাঠেই চিকিৎসা দিতে হয়।
৬২তম মিনেট সাফোনভ পিএসজিকে বড় বিপদ থেকে বাঁচান। ডি-বক্সের ভেতর দারুণভাবে ঘুরে বলটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখেন পাভলোভিচ। এরপর কিমিখের কাছ থেকে বলটি ফেরত নিয়ে তিনি আড়াআড়ি পাস দেন। ২২ গজ দূর থেকে প্রথম সুযোগেই শট নেন স্তানিসিচ। কিন্তু বায়ার্ন রাইট-ব্যাকের নেওয়া সেই নিচু ও সাইড-ফুটেড শটটি সরাসরি গিয়ে জমা হয় গোলরক্ষক সাফোনভের হাতে।
ম্যাচের সময় যত পুরোনো হতে থাকে ততই গোলনেশায় বুঁদ হয়ে পড়ে বায়ার্ন। একের পর এক আক্রমণ শানাতে থাকে কোম্পানির শিষ্যরা। বেশ কয়েকটি সুযোগও তৈরি হয় অল্প সময়ের ব্যবধানে। বিশেষ করে ৬৭-৬৯ মিনিটের মধ্যে গোলের উদ্দেশ্যে দুটি শট ঠেকিয়ে দেন সাফোনভ।
বিশেষ করে ৬৯তম মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে নেমেই মুসিলার সাথে ওয়ান-টু পাস খেলে পিএসজির ডান দিকের ডিফেন্সের পেছনে ঢুকে পড়েন ডেভিস। এরপর কানাডিয়ান এই খেলোয়াড় মাঝমাঠের দিকে বল কাটব্যাক করেন লুইস দিয়াসের উদ্দেশ্যে। দিয়াসের প্রথম টাচ এবং শটটি একদম লক্ষ্যে ছিল, কিন্তু পিএসজি গোলকিপার অসাধারণ এক সেভ করে দলকে রক্ষা করেন!
৯১তম মিনেট আরও একবার কিমিখের ফ্রি-কিক থেকে বল বিপদমুক্ত করেন গোলরক্ষক সাফোনভ। এরপর কাভারাস্কেইয়া মাঝমাঠে বলের দখল নেন এবং উপামেকানোর পাসটি আটকে মেন্দেসকে বাড়ান। কিন্তু মেন্দেসের দূরপাল্লার শটটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে পোস্টের বাইরে চলে যায়।
ম্যাচের যোগ করা সময়ের চতুর্থ মিনিটে বাঁ পায়ের জাদু দেখান হ্যারি কেইন। আসরের সর্বোচ্চ এই স্কোরার যেন সব ধরণের নাটকীয়তা জমিয়ে দেন। তবে ফার্স্ট লেগের ফলে শেষটা সুন্দর হয়নি জার্মানি জায়ান্টদের।
No posts available.
১১ মে ২০২৬, ৮:০২ পিএম

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সেই কঠিন দিনগুলো এখন অতীত; রিয়াল বেতিসে দারুণ সময় কাটছে আন্তনির। দুর্দান্ত ফর্মে থাকা আক্রমণভাগের এই ফুটবলার এবার লা লিগায় রিয়াল মাদ্রিদ তারকা কিলিয়ান এমবাপের একটি অনন্য রেকর্ড স্পর্শ করেছেন। রোববার রাতে রিয়াল সোসিয়েদাদের বিপক্ষে ২-২ ব্যবধানে ড্র হওয়া ম্যাচে গোল করেন তিনি। এর মাধ্যমে ২৬ বছর বয়সী উইঙ্গার প্রমাণ করেছেন যে ক্যারিয়ারের পুনরুত্থান এখন আর কেবল সম্ভাবনা নয়, বাস্তবতা।
স্পেনের সেরাদের তালিকায়
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সাবেক এই ফুটবলার লা লিগায় আসার পর থেকেই উড়ছেন। ফাইনাল থার্ডে নিজের দক্ষতাকে নিয়ে গেছেন অন্য উচ্চতায়। বিশেষ করে বক্সের বাইরে থেকে গোল করার ক্ষেত্রে তিনি এখন বিশেষজ্ঞ হয়ে উঠেছেন। আনোয়েতা স্টেডিয়ামে সোসিয়েদাদের বিপক্ষে গোল করার পর চলতি মৌসুমে লা লিগায় বক্সের বাইরে থেকে সবচেয়ে বেশি (৫টি) গোল করার রেকর্ডে তিনি ছুঁয়েছেন এমবাপেকে। এই পরিসংখ্যানটিই বলে দেয়, প্রিমিয়ার লিগে ধুঁকতে থাকা সেই আন্তনি এখন কতটা আত্মবিশ্বাসী।
খেলা শেষে ডিএজেডএন-কে আন্তনি বলেন,
‘আমি খুবই খুশি। এটি কঠোর পরিশ্রমের ফল। আমি যা করছি তার জন্য আমি গর্বিত। এর জন্য আমি আমার সতীর্থ এবং কোচের কাছে কৃতজ্ঞ, কারণ তারা আমাকে অনেক আত্মবিশ্বাস দিয়েছেন। আমরা এভাবেই এগিয়ে যেতে চাই।’
ম্যান ইউনাইটেড ব্যর্থতা ঝেড়ে পুনর্জন্ম
২০২২ সালে নেদারল্যান্ডসের ক্লাব আয়াক্স থেকে বড় অঙ্কের বিনিময়ে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে যোগ দেন আন্তনি। কিন্তু এই চুক্তিটি ব্রাজিলিয়ান উইঙ্গারের জন্য দারুণ কিছু বয়ে আনেনি। বরং ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ‘ফ্লপ’ তকমা জুটেছিল তাঁর কপালে। তবে সেভিয়া ভিত্তিক ক্লাব বেতিসে যোগ দেওয়াটা যেন তার ক্যারিয়ারের জন্য আশীর্বাদ হয়ে ধরা দিয়েছে। এখন তিনি আর সেই খামখেয়ালি উইঙ্গার নন, বরং বেতিস আক্রমণের মূল ভরসা। চোটের সঙ্গে লড়াই করলেও আন্তনি স্বীকার করেছেন যে, এটাই তাঁর ক্যারিয়ারের সেরা মৌসুম।
আন্তনি বলেন,
‘ব্যক্তিগতভাবে এই মৌসুমটি নিয়ে আমি খুব খুশি। এটি আমার ক্যারিয়ারের সেরা মৌসুম। আমি জানি কতটা ত্যাগ স্বীকার করে আমি খেলে যাচ্ছি। ২০টিরও বেশি ম্যাচ আমি শারীরিক অস্বস্তি নিয়ে খেলেছি। এই জার্সি গায়ে দিলে আমি নিজের সবটুকু উজাড় করে দিই।’
সোসিয়েদাদ ম্যাচে আক্ষেপ
ব্যক্তিগত অর্জন থাকলেও, সোসিয়েদাদের বিপক্ষে ম্যাচটি বেতিসের জন্য আক্ষেপের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ২-০ গোলে এগিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে তাদের। এই ফলাফলে ইউরোপীয় প্রতিযোগিতায় (ইউয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ) কোয়ালিফাই করার দৌড়ে সেল্টা ভিগোর চেয়ে মাত্র ৪ পয়েন্ট এগিয়ে রইল বেতিস। ম্যাচের পর আন্তনি স্বীকার করেন যে, সুযোগগুলো কাজে লাগাতে পারলে ফলাফল অন্যরকম হতে পারত।
তাঁর ভাষ্যমতে,
‘আমি আমার নিজের কথা বলতে পারি। প্রথমার্ধে আমি দুটি সহজ সুযোগ পেয়েছিলাম যা গোল হওয়া উচিত ছিল। জয়ের সুযোগ হাতছাড়া হওয়ায় আমরা কিছুটা হতাশ ও দুঃখিত। তবে এখন আমাদের সামনে তাকাতে হবে।’
নজর এখন ইউরোপে
লা লিগার চলতি মৌসুমে আর মাত্র তিনটি ম্যাচ বাকি। পঞ্চম স্থানে থেকে মৌসুম শেষ করার লক্ষ্যে বেতিস সুবিধাজনক অবস্থানেই আছে। এর মধ্যে দুটি ম্যাচই তাদের ঘরের মাঠে। আন্তনি মনে করেন ঘরের মাঠের দর্শকদের সমর্থন তাদের লক্ষ্য (চ্যাম্পিয়নস লিগ কোয়ালিফাই) অর্জনে সহায়ক হবে,
‘সোসিয়েদাদের প্রথম গোলের আগে থেকেই তারা (প্রতিপক্ষ) আমাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করছিল। এখন আমাদের মঙ্গলবার এলচের বিপক্ষে হোম ম্যাচের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে। আমাদের হাতে তিনটি ম্যাচ আছে, যার দুটিই নিজেদের মাঠে। আমরা জেতার জন্য লড়ব।’

এক মাস দূরে বিশ্বকাপ। আজই শেষ হচ্ছে ফিফাকে প্রাথমিক দল হস্তান্তরের সময়সীমা। শেষ দিনে এসে কোচ লিওনেল স্কালোনি ঘোষণা করলেন আর্জেন্টিনার প্রথমিক স্কোয়াড। তালিকায় রেখেছেন ৫৫ খেলোয়াড়, এখান থেকেই বাছাই করে পরবর্তীতে ঘোষণা করবেন ২৬ জনের চূড়ান্ত দল।
স্থানীয় সময় সোমবার সকালে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন এই তালিকা প্রকাশ করে। আজ থেকে শুরু হয়েছে বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দল ঘোষণার সময়, চলবে ২ জুন পর্যন্ত। বিশ্বকাপের মূল আসর শুরুর আগে কোনো খেলোয়াড় চোটে পড়লে কেবল এই তালিকায় থাকা ফুটবলারদের মধ্য থেকেই বিকল্প নিতে পারবে আলবিসেলেস্তেরা।
স্কালোনির এই তালিকায় সবচেয়ে বড় চমক রিভার প্লেটের তরুণ গোলরক্ষক সান্তিয়াগো বেলট্রান। ছয় গোলরক্ষকের তালিকায় তিনি জায়গা পেলেও মূল দলে তাঁর সুযোগ পাওয়া কঠিন। তাঁর সামনে আছেন এমিলিয়ানো মার্তিনেজ, জেরোনিমো রুলি ও হুয়ান মুসোর মতো পরীক্ষিত প্রহরীরা।
রক্ষণে দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে নাহুয়েল মলিনার চোট। মাংসপেশির চোটে পড়া মলিনার সেরে উঠতে অন্তত ২১ দিন সময় লাগবে। তাঁর বিকল্প হিসেবে তালিকায় রাখা হয়েছে অগুস্তিন গিয়াওয়াই ও কেভিন ম্যাক অ্যালিস্টারকে। এ ছাড়া বোকা জুনিয়র্সের লাউতারো দি ললো ও হেতাফের জাইদ রোমেরোকে ডাক দিয়ে চমক দেখিয়েছেন স্কালোনি। তবে বাদ পড়েছেন গত আন্তর্জাতিক বিরতিতে ডাক পাওয়া টমাস পালাসিওস।
মাঝমাঠ ও আক্রমণভাগের তালিকায় স্কালোনি এমন কিছু নাম অন্তর্ভুক্ত করেছেন যাঁরা আগে কখনো জাতীয় দলে ডাক পাননি। বোকা জুনিয়র্সের মিল্টন দেলগাদো ও তমাস আরান্দা তাদের মধ্যে অন্যতম। আরান্দাকে নিয়ে বেশ আশাবাদী স্কালোনি। তিনি এই তরুণকে ‘অসাধারণ এক আবিষ্কার’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
দীর্ঘদিন দলের বাইরে থাকা আলেহান্দ্রো গারনাচো, মাতিয়াস সুলে ও ক্লদিও এচেভেরিও ফিরেছেন প্রাথমিক তালিকায়। কাতার বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন সদস্য গিদো রদ্রিগেজকেও রাখা হয়েছে এই বড় বহরে। তবে জিয়ানলুকা প্রেস্তিয়ানি দলে থাকলেও নিষেধাজ্ঞার কারণে বিশ্বকাপের প্রথম দুই ম্যাচে খেলতে পারবেন না।
শিরোপা ধরে রাখার মিশনে স্কালোনি যে অভিজ্ঞতার পাশাপাশি নতুন রক্ত সঞ্চালনেও গুরুত্ব দিচ্ছেন, এই বিশাল তালিকা তারই প্রমাণ। ৩০ মে চূড়ান্ত দল ঘোষণা করতে পারে আর্জেন্টিনা।
বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার প্রাথমিক দল:
গোলকিপার: এমিলিয়ানো মার্তিনেজ (অ্যাস্টন ভিলা), জেরোনিমো রুলি (অলিম্পিক মার্শেই), হুয়ান মুসো (আতলেতিকো মাদ্রিদ), ওয়াল্টার বেনিতেজ (ক্রিস্টাল প্যালেস), ফাকুন্দো কাম্বেসেস (রাসিং ক্লাব), সান্তিয়াগো বেলট্রান (রিভার প্লেট)
ডিফেন্ডার: অগুস্তিন গিয়াওয়াই (পালমেইরাস), গনজালো মন্টিয়েল (রিভার প্লেট), নাহুয়েল মলিনা (আতলেতিকো মাদ্রিদ), নিকোলাস কাপালদো (হামবুর্গ), কেভিন ম্যাক অ্যালিস্টার (ইউনিয়ন সেন্ট জিলয়েস), লুকাস মার্তিনেজ কুয়ার্তা (রিভার প্লেট), মার্কোস সেনেসি (বোর্নমাউথ), লিসান্দ্রো মার্তিনেজ (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড), নিকোলাস ওতামেন্দি (বেনফিকা), হের্মান পেজেয়া (রিভার প্লেট), লিওনার্দো বালের্দি (অলিম্পিক মার্শেই), ক্রিস্তিয়ান রোমেরো (টটেনহাম হটস্পার), লাউতারো দি ললো (বোকা জুনিয়রস), জাইদ রোমেরো (গেতাফে), ফাকুন্দো মেদিনা (অলিম্পিক মার্শেই), মার্কোস আকুনা (রিভার প্লেট), নিকোলাস তাগলিয়াফিকো (অলিম্পিক লিওঁ), গাব্রিয়েল রোহাস (রাসিং ক্লাব)
মিডফিল্ডার: মাক্সিমো পেরোনে (কোমো ১৯০৭), লিয়ান্দ্রো পারেদেস (বোকা জুনিয়রস), গিদো রদ্রিগেজ (ভ্যালেন্সিয়া), আনিবাল মোরেনো (রিভার প্লেট), মিল্টন দেলগাদো (বোকা জুনিয়রস), অ্যালান ভারেলা (পোর্তো), এজিকুয়েল ফার্নান্দেজ (বায়ার লেভারকুসেন), রদ্রিগো দি পল (ইন্টার মায়ামি), এক্সেকুয়েল পালাসিওস (বায়ার লেভারকুসেন), এনজো ফার্নান্দেজ (চেলসি), অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার (লিভারপুল), জিওভানি লো সেলসো (রিয়াল বেতিস), নিকোলাস দোমিঙ্গেজ (নটিংহাম ফরেস্ট), এমিলিয়ানো বুয়েন্দিয়া (অ্যাস্টন ভিলা), ভ্যালেন্টিন বার্কো (রাসিং ক্লাব ডি স্ট্রাসবার্গ)
ফরোয়ার্ড: লিওনেল মেসি (ইন্টার মায়ামি), নিকোলাস পাজ (কোমো ১৯০৭), ফ্রাঙ্কো মাস্তানতুয়ানো (রিয়াল মাদ্রিদ), থিয়াগো আলমাদা (আতলেতিকো মাদ্রিদ), তমাস আরান্দা (বোকা জুনিয়রস), নিকোলাস গনজালেজ (আতলেতিকো মাদ্রিদ), আলেহান্দ্রো গারনাচো (চেলসি), জুলিয়ানো সিমিওনে (আতলেতিকো মাদ্রিদ), মাতিয়াস সুলে (রোমা), ক্লদিও এচেভেরি (গিরোনা), জিয়ানলুকা প্রেস্তিয়ানি (বেনফিকা), সান্তিয়াগো কাস্ত্রো (বোলোনিয়া), লাউতারো মার্তিনেজ (ইন্টার মিলান), হোসে ম্যানুয়েল লোপেজ (পালমেইরাস), জুলিয়ান আলভারেজ (আতলেতিকো মাদ্রিদ), মাতেও পেলেগ্রিনো (পার্মা)।

একমাস দূরে ২০২৬ বিশ্বকাপে। আগামী ১১ জুন মেক্সিকো-দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে ফুটবলের সবচেয়ে রোমাঞ্চর আয়োজন। তার আগে আজ সোমবার (১১ মে) থেকে দলগুলোর খেলোয়াড় তালিকা প্রকাশের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হচ্ছে।
ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, ৪৮টি অংশগ্রহণকারী দেশের হাতে জুন মাসের শুরু পর্যন্ত সময় রয়েছে চূড়ান্ত তালিকা জমা দেওয়ার জন্য। তবে অনেক পরাশক্তি ইতোমধ্যেই তাদের দল ঘোষণার দিনক্ষণ জানিয়ে দিয়েছে।
১১ মে দলগুলোর জন্য প্রাথমিক বা সাময়িকভাবে খেলোয়াড় তালিকা জমা দেওয়ার শেষ দিন। এই তালিকায় ৩৫ থেকে ৫৫ জন খেলোয়াড় রাখতে পারে ফেডারেশনগুলো। আজ থেকে শুরু হচ্ছে চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণার সময়।
২ জুন ফিফার কাছে ২৬ সদস্যের চূড়ান্ত স্কোয়াড জমা দেওয়ার শেষ দিন। এই দিনেই ফিফা আনুষ্ঠানিকভাবে ৪৮টি দেশের সব খেলোয়াড়ের নাম প্রকাশ করবে।
গত কাতার বিশ্বকাপের মতো এবারও প্রত্যেক দল সর্বোচ্চ ২৬ জন খেলোয়াড় নিয়ে স্কোয়াড গঠন করতে পারবে। দলে অন্তত তিনজন গোলরক্ষক থাকা বাধ্যতামূলক। চূড়ান্ত তালিকা জমা দেওয়ার পর শুধুমাত্র গুরুতর চোট বা অসুস্থতার ক্ষেত্রেই ফিফার অনুমতি সাপেক্ষে খেলোয়াড় পরিবর্তন করা যাবে।
২৫ মে ক্লাবগুলোর জন্য খেলোয়াড় ছাড়ার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে ফিফা। এর মধ্যেই শেষ হয়ে যাবে সব লিগ। ৩০ মে শুধু চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচ রয়েছে। সেই ম্যাচে যাঁরা খেলবেন, তাঁদের জন্য নিয়ম উন্মুক্ত।
১৪ মে কোচ দিদিয়ের দেশম ফ্রান্সের বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণা করবেন। এবারের বিশ্বকাপে হট ফেভারিট বলা হচ্ছে তাদের। গত দুই বিশ্বকাপের ফাইনালও খেলেছে ফরাসিরা। ২০১৮ সালে চ্যাম্পিয়ন, ২০২২ বিশ্বকাপে রানার্সআপ।
১৮ মে রিও ডি জেনেরিওতে ব্রাজিলের চূড়ান্ত বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করবেন কোচ কার্লো আনচেলত্তি। দুই যুগ ধরে বিশ্বকাপ ঘরে তুলতে পারছে না পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নরা। অপেক্ষার অবসান পেতে বিশ্বের সেরা কোচ আনচেলত্তিকে নিয়োগ দেয় সেলেসাওরা।
আর্জেন্টিনার কবে দল ঘোষণা করবে, তা এখনো ঘোষণা করেনি। বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের জন্য স্বস্তির খবর, ডিফেন্ডার নিকোলাস ওতামেন্দির নিষেধাজ্ঞা মওকুফ করেছে ফিফা, ফলে আলজেরিয়ার বিপক্ষে উদ্বোধনী ম্যাচেই তাঁকে পাচ্ছে আলেবিসেলেস্তেরা।

প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাস বলে—শেষ বাঁশির আগে উৎসব করাটা বরাবরই ঝুঁকিপূর্ণ। যেখানে এক রাউন্ডের হোঁচটই পুরো মৌসুমের কঠোর পরিশ্রম ধূলিসাৎ করে দিতে পারে। রবিবার লন্ডন স্টেডিয়ামে ঠিক তেমনই এক উৎকণ্ঠাময় সময় পার করেছে আর্সেনাল। যদিও ভিএআর তাদের সেই দুঃসময় থেকে উদ্ধার করেছে!
ফয়সালার দ্বারপ্রান্তে থাকা প্রিমিয়ার লিগের রবিবার রাতের ম্যাচে আর্সেনাল-ওয়েস্ট হামের ম্যাচে তৃতীয় পক্ষ ছিল ম্যানচেস্টার সিটি। এই ম্যাচে পয়েন্ট তালিকায় তলানিতে থাকা দ্য হ্যামার্সদের বিপক্ষে হার কিংবা ড্রয়ে ভালো একটা সম্ভাবনা জিইয়ে থাকত ম্যানসিটির। ম্যাচের আগে ৩৫ ম্যাচে সিটির পয়েন্ট ৭৪। আর্সেনালের ৭৬। এই ম্যাচে ড্র হলে পেপ গার্দিওলার দলের সঙ্গে মিকেল আরতেতার দলের পয়েন্ট ব্যবধান হতো কেবল ৩। তারপরও আশা কিন্তু মরে যায়নি সিটিজেনদের। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে ফয়সালার জন্য।
যোগ করা সময়ে ওয়েস্ট হামের কলাম উইলসন জালে বল পাঠালে স্কোরলাইন হয়ে যায় ১-১। তবে আর্সেনাল দাবি তোলে ফাউলের। ডেভিড রায়াকে গোল সেভে বাঁধা দেওয়া হয়েছে এমনটাই জানান তারা। গানারদের সিদ্ধান্ত আমলে নিয়ে রেফারি ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারিকে বিষয়টি অবগত করেন। পর্যালোচনা শেষে গোলটি বাতিল হিসেবে গণ্য হয়।
মাঠের ও ভিডিও রেফারির সিদ্ধান্তের প্রশংসা করেছেন আর্সেনাল কোচ মিকেল আরতেতা,
‘যখন আমার ভিএআর কর্মকর্তাদের সমালোচনা করার প্রয়োজন হয়েছে, আমি করেছি। আজ তাদের প্রশংসা করতে হবে, অন্তত একজন রেফারিকে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ দেওয়ার জন্য।’
ওয়েস্ট হাম কোচ নুনো এস্পিরিতো সান্তো কিছুটা ক্ষুব্ধ। তিনি বলেন,
‘ম্যাচটি যেভাবে শেষ হয়েছে তাতে আমরা সবাই মর্মাহত। এমনকি রেফারিরাও এখন জানেন না কোনটি ফাউল আর কোনটি নয়। তারা নিজেরাই গোলকধাঁধায় আছেন, যা নিয়ে অনেক জল্পনা তৈরি হচ্ছে।’
দুই দলের কোচের পক্ষে-বিপক্ষে মত থাকলেও সাবেক ফুটবলার ও ধারাভাষ্যকার গ্যারি নেভিলের মতে,
‘প্রিমিয়ার লিগে ভিএআর ইতিহাসের সবচেয়ে বড় মুহূর্ত ছিল এটি।’

রবার্ট লেভানডফস্কি স্বীকার করেছেন যে, আসন্ন গ্রীষ্মে বার্সেলোনা ছাড়লে তিনি অপেক্ষাকৃত ‘কম প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লিগে’ খেলার কথা বিবেচনা করবেন। পোলিশ স্ট্রাইকারকে নিয়ে গুঞ্জন রয়েছে, মৌসুম শেষে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) যোগ দিতে পারেন।
লোয়ার লিগের জন্য দরজা খোলা
রোববার রাতে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে জিতে লিগ শিরোপা নিশ্চিত করে বার্সেলোনা। এরপর লেভানডফস্কি নিজেই স্বীকার করেছেন যে, ক্যাম্প ন্যু-তে তাঁর সময় ফুরিয়ে আসতে পারে। পোলিশ টেলিভিশন চ্যানেল ‘ইলেভেন স্পোর্টস’-এর সঙ্গে আলাপকালে অভিজ্ঞ স্ট্রাইকার জানান, শারীরিকভাবে কম পরিশ্রমের কোনো লিগে গিয়ে পরিবেশ পরিবর্তনের বিষয়টি এখন বাস্তবসম্মত সম্ভাবনা হিসেবে তাঁর টেবিলে রয়েছে।
লেভানডফস্কি ব্যাখ্যা করেন,
‘লোয়ার লিগে খেলার একটি অপশন থাকতে পারে। আমার বয়স এখন প্রায় ৩৮। কিন্তু শারীরিকভাবে আমি ভালো বোধ করছি, তাই আমি বিষয়টি নিয়ে ভাবছি। আমাকে এই সম্ভাবনাটি মাথায় রাখতে হবে যে, এখন হয়তো খেলার পাশাপাশি জীবন উপভোগ করার সময় এসেছে। হয়তো সেই সুযোগটি আসবে এবং আমি এখনই তা উড়িয়ে দিচ্ছি না।’
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো ফায়ারের মতো দলগুলোর সঙ্গে এর আগেও বেশ কয়েকবার তাঁর নাম জড়িয়ে খবর প্রকাশিত হয়েছে।
চুক্তির ক্ষণগণনা
আগামী মৌসুমেও লেভানডফস্কি বার্সেলোনা জার্সিতে থাকবেন কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটেনি। শোনা যাচ্ছে, তাঁকে কম বেতনে চুক্তি বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি বলেন,
‘শরৎকালে (সেপ্টেম্বর-অক্টোবর) আমি কী করব তা জানি না। আমি এইমাত্র জানলাম যে আমার চুক্তির আর মাত্র ৫১ দিন বাকি আছে, তাই আমার হাতে এখনও সময় আছে। আমি আরও কিছু প্রস্তাব শুনব এবং তারপর সিদ্ধান্ত নেব।’

সফল ক্যারিয়ারের ১৪ লিগ শিরোপা
গত রাতে এল ক্লাসিকোতে বদলি হিসেবে খেলতে নামা লেভানডফস্কি এই সুযোগে তাঁর দীর্ঘ ক্যারিয়ারের অর্জিত ট্রফিগুলোর দিকে ফিরে তাকান। বরুশিয়া ডর্টমুন্ড এবং বায়ার্ন মিউনিখের এই সাবেক তারকার কাছে শিরোপা জেতাটা এখন অভ্যাসে পরিণত হয়েছে, যা তাঁকে পেশাদার ও ব্যক্তিগতভাবে তৃপ্তি দেয়। লেভানডফস্কি জোর দিয়ে বলেন,
‘আমি মোট ১৪টি লিগ চ্যাম্পিয়নশিপ জিতেছি এবং যেখানে খেলেছি প্রতিটি ক্লাবের হয়েই জিতেছি। এটি আমাকে খুব প্রভাবিত করে এবং আমি এটি নিয়ে গর্বিত।’
স্ট্যান্সনির মন্তব্যের জবাবে লেভানডফস্কি
স্বদেশী এবং বার্সেলোনার সতীর্থ ভয়চেক স্ট্যান্সনির সাম্প্রতিক পরামর্শটি হেসেই উড়িয়ে দিয়েছেন লেভানডফস্কি। স্ট্যান্সনি তাঁকে পেশাদার ফুটবল থেকে অবসর নিয়ে অন্য ক্যারিয়ারের কথা ভাবার পরামর্শ দিয়েছিলেন। বার্সার এই ‘নম্বর ৯’ তারকা হাসতে হাসতে পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন যে, তাঁর মধ্যে এখনও ফুটবল খেলার যথেষ্ট শক্তি ও সামর্থ্য অবশিষ্ট আছে এবং এখনই অবসরের কোনো পরিকল্পনা তাঁর নেই।
লেভানডফস্কি বলেন,
‘আপনারা তো জানেনই ভয়চেক (স্ট্যান্সনি) কেমন। সে আজ এক কথা বলে তো কাল অন্য কথা। আমার অবস্থা এমন নয় যে আমি সকালে ঘুম থেকে উঠি আর শরীরে ব্যথা অনুভব করি। আমি বর্তমানে যেখানে আছি সেই জায়গাটিকে মূল্যায়ন করি এবং ফুটবল উপভোগ করি। ভবিষ্যতে কী হয় তা দেখা যাবে, তবে একটি বিষয় পরিষ্কার যে আমি খেলা চালিয়ে যাব।’