
পা হড়কালেই বিপদ! প্রিমিয়ার লিগে ম্যানচেস্টার সিটি এখন যে অবস্থানে, নখ টিপে টিপে হাঁটা ছাড়া উপায় নেই তাদের। টেবিলের শীর্ষে থাকা আর্সেনাল থেকে পাঁচ পয়েন্ট পিছিয়ে তারা। তবে মিকেল আরতেতার দলের চেয়ে একটি ম্যাচ কম খেলেছে সিটিজেনরা। এমতবস্থায় নটিংহাম ফরেস্ট ম্যাচের আগে বেশ সাবধানী পেপ গার্দিওলা।
বুধবার ইতিহাদ স্টেডিয়ামে নটিংহামকে আতিথ্য দেবে ম্যানসিটি। চিরচেনা মাঠ হলেও সতর্ক গার্দিওলা। সিটিজেন কোচ জানিয়েছেন, শিরোপার লড়াইয়ের রেসে পয়েন্ট হারানো উচিত নয় তাঁর দলের, বিশেষ করে বুধবার নটিংহাম ফরেস্ট ম্যাচে তো নয়-ই।
ভিতর পেরেইরা অধীনে নটিংহাম খুব একটা সুবিধা করতে পারছে না এই মৌসুমে। তারপরও সাবেক ওলভস কোচের ট্যাকটিস নিয়ে কিছুটা হলেও চিন্তিত গার্দিওলা।
তিনি বলেছেন,
“আমি তাকে (পোরেইরা) পোর্তোর সময় থেকেই চিনি। আমি ঠিকভাবে মনে রেখেছি। আমরা যখন গত বছর উল্ভসের সঙ্গে খেলেছিলাম, প্রথমার্ধে তারা আমাদের চেয়ে ভালো খেলেছে। আমরা ভাগ্যবান ছিলাম। সে একদম টপ ক্লাস ম্যানেজার।”
লিগে কর্ণার থেকে এখন পর্যন্ত গোলের সংখ্যা (১৩৮টি ২৮১ ম্যাচে) গত মৌসুমের (১৩৫ গোল ৩৮০ ম্যাচে) চেয়ে বেশি। লিভারপুল কোচ আর্নে স্লট বলেছিলেন, সেট-পিসের গুরুত্ব বাড়ায় প্রিমিয়ার লিগ দেখতে আনন্দ কমেছে। গার্দিওলাও এতে কিছুটা সহমত পোষণ করেছেন।
তিনি বলেছেন,
“সেট-পিস গুরুত্বপূর্ণ হয়ে গেছে। আমি যখন ম্যানেজার হয়েছি, তখন ভিন্ন ছিল। ছোটবেলাতেও আমরা দেখতাম ইংল্যান্ডে মানুষ কর্নার এবং ফ্রি-কিককে গোলের মতো উদযাপন করে। এখনও অনেকটাই একই। আর্সেনাল সেট-পিস ঠিকভাবে ব্যবহার করে এবং এটা গুরুত্বপূর্ণ। এটা খেলার অংশ, মানিয়ে নিতে হবে।”
No posts available.
৪ এপ্রিল ২০২৬, ১২:২৭ পিএম
৪ এপ্রিল ২০২৬, ১২:১২ পিএম

গত ২২ মার্চ ইংলিশ লিগ কাপের ফাইনালে আর্সেনালকে হারায় ম্যানচেস্টার সিটি। সেটি ছিল তাদের মৌসুমের প্রথম ট্রফি। এবার দ্বিতীয় ঘরোয়া শিরোপা জয়ের আশা বাঁচিয়ে রাখার পালা, পেপ গার্দিওলার দল আজ মুখোমুখি হবে লিভারপুলের। ইতিহাদে বাংলাদেশ সময় বিকাল ৫টা ৪৫ মিনিটে এফএ কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে মাঠে নামবে দুই দল।
গত তিন মৌসুমের প্রতিটিতেই এফএ কাপের ফাইনালে উঠেছে ম্যানচেস্টার সিটি। ২০২২ সালে তারা ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে পরাজিত করলেও পরের বছর রেড ডেভিলদের কাছে হেরে যায়। এরপর গতবার ক্রিস্টাল প্যালেসের কাছে হারে সিটিজেনরা। এবারও যদি ম্যানচেস্টার সিটি এফএ কাপের ফাইনালে উঠে সেটি হবে তাদের জন্য নতুন রেকর্ড। টানা চারটি ফাইনালে খেলার কৃতিত্ব অর্জন করবে।
গার্দিওলার দল টানা ৪ ফাইনালিস্ট হতে পারবে কি না সেটি সময় বলে দেবে। তবে ইতিমধ্যেই একটি ইতিহাস রচনা করেছে ইতিহাদের ক্লাবটি। টানা সাতটি সেমিফাইনালে পৌঁছানো প্রথম দল তারাই। লিভারপুলকে হারিয়ে এবার যদিও সেমিতে উঠে তবে রেকর্ড আরও বর্ধিত হবে সিটির জন্য।
আরও পড়ুন
| সন্ধ্যায় দেশে আসছে সাফজয়ী দল |
|
পেপ গার্দিওলার দল এই লক্ষ্য পূরণে সর্বস্ব দিয়ে চেষ্টা করবে। কারণ এই মৌসুমের বাকি অংশে এটিই একমাত্র বড় শিরোপা যা তারা জিততে পারে। মার্চ উইন্ডোর আন্তর্জাতিক বিরতির আগেই চ্যাম্পিয়নস লিগ থেকে বাদ পড়ে ম্যানসিটি। অন্যদিকে প্রিমিয়ার লিগে টানা দুটি ড্রয়ের ফলে আর্সেনালের থেকে ৯ পয়েন্ট পিছিয়ে পড়েছে ক্লাবটি।
এদিকে, লিভারপুলের জন্য মার্চ ছিল ভুলে যাওয়ার মতো মাস। কারণ তারা তাদের ৬টি ম্যাচের বেশিরভাগই হেরেছে। যার মধ্যে ছিল লিগে উলভারহ্যাম্পটন ওয়ান্ডারার্স এবং ব্রাইটন অ্যান্ড হোভ অ্যালবিয়নের কাছে হার। এছাড়া টটেনহাম হটস্পারের সঙ্গে ড্র এবং চ্যাম্পিয়নস লিগে গালাতাসারাইয়ের বিপক্ষে প্রথম লেগে হার। ইউরোপের মঞ্চে দ্বিতীয় লেগে তুরস্কের ক্লাবটিকে বিপক্ষে ৪-০ গোলে জিতলেও মৌসুমজুড়ে অল রেডদের অধারাবাহিতা সামনে এসেছে।
মৌসুমের বাকি সময়ে ধারাবাহিক হওয়ার বিকল্প নেই লিভারপুলের সামনে। আজকের কোয়ার্টার ফাইনালের পর তারা চ্যাম্পিয়নস লিগের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন পিএসজির বিপক্ষে মাঠে নামবে। এবং দ্বিতীয় লেগের ঠিক পরেই এভারটনের সঙ্গে মার্সিসাইড ডার্বি ম্যাচ।
ইয়োস্কো গাভার্দিওল, রুবেন দিয়াস ও জন স্টোনস চোটের কারণে মাঠের বাইরে। ম্যানচেস্টার সিটিকে তিনজন সেন্টার-ব্যাককে ছাড়াই খেলতে হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। লিভারপুলের চোটের তালিকা আরও দীর্ঘ। অল রেডদের রক্ষণভাগের বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় অনুপস্থিত। তাদের মধ্যে গোলকিপার অ্যালিসন বেকার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য।
অন্যদিকে কনর ব্র্যাডলি, জিওভানি লিওনি এবং ওয়াতারু এন্ডো দীর্ঘমেয়াদি চোটের কারণে খেলতে পারছেন না। আলেক্সান্ডার ইসাক অনুশীলনে ফিরলেও তাঁর খেলার সম্ভাবনা কম। তবে বড় খবর হলো আর্নে স্লট আশা করছেন মোহাম্মদ সালাহ এবং ফেদেরিকো কিয়েসা এই ম্যাচটি খেলতে পারবেন।

ম্যানচেস্টার সিটির মাঝমাঠের প্রাণভোমরা রদ্রিকে ঘিরে দলবদলের গুঞ্জন এখন তুঙ্গে। স্প্যানিশ এই তারকা মিডফিল্ডারের রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেওয়ার আলোচনার পর মুখ খুলেছেন সিটি কোচ পেপ গার্দিওলা। স্পষ্ট জানিয়েছেন, কোনো খেলোয়াড় অখুশি থাকলে ক্লাব ছাড়তে পারেন। তবে ব্যক্তিগতভাবে গার্দিওলা চান রদ্রি ইতিহাদ স্টেডিয়ামেই থেকে যান।
মার্চের আন্তর্জাতিক বিরতির সময় রদ্রি স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছিলেন, রিয়াল মাদ্রিদের মতো ক্লাবের প্রস্তাব ফিরিয়ে দেওয়া অসম্ভব। বার্নাব্যুতে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে স্প্যানিশ অধিনায়ক বলেন, ‘বিশ্বের সেরা ক্লাবগুলোকে কেউ না বলতে পারে না। অনেক খেলোয়াড়ই আতলেতিকো এবং রিয়াল, উভয় ক্লাবের হয়ে খেলেছেন। এটি তাৎক্ষণিক না হলেও সময়ের সঙ্গে সম্ভব।’
লিভারপুলের বিপক্ষে শনিবারের এফএ কাপের কোয়ার্টার-ফাইনাল ম্যাচের আগে গতকাল রদ্রির মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় গার্দিওলা বলেন, ‘রিয়াল মাদ্রিদে খেলার সুযোগ কেউ হাতছাড়া করতে চায় না, এটা সত্য। রদ্রি একজন অবিশ্বাস্য খেলোয়াড় এবং আমার ইচ্ছা সে যত দিন সম্ভব এই ক্লাবে থাকুক। কিন্তু শেষ পর্যন্ত জীবনটা যার যার তার তার।’
আরও পড়ুন
| বিশ্বকাপের দেশে অফসাইডের নতুন নিয়মের পরীক্ষা শুরু |
|
রদ্রি চলে যেতে চাইলে বাধা দিবেন না জানিয়ে গার্দিওলা বলেন, ‘ক্লাব সবার ঊর্ধ্বে। যদি কোনো খেলোয়াড় এখানে অখুশি থাকে, তবে তাঁকে চলে যেতে হবে। ক্লাব রদ্রিকে ধরে রাখতে চায়, কিন্তু কেউ যদি চলে যেতে চায়, আমি তাঁর পথে বাধা হয়ে দাঁড়াব না। সে ক্ষেত্রে তাঁকে স্পোর্টিং ডিরেক্টরের দরজায় কড়া নাড়তে হবে এবং তাঁর মানের উপযুক্ত কোনো প্রস্তাব নিয়ে আসতে হবে।’
২০১৯ সালে যোগ দেওয়ার পর ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে ২৯৩ ম্যাচ খেলেছেন রদ্রি। এই সময়ে তিনি ৪টি প্রিমিয়ার লিগ, একটি চ্যাম্পিয়নস লিগ, একটি এফএ কাপ এবং ৩টি লিগ কাপ জিতেছেন।
২০২৪ সালে ব্যালন ডি’অর জিতলেও গত মৌসুমে চোটের কারণে প্রায় পুরোটা সময় মাঠের বাইরে ছিলেন রদ্রি। হ্যামস্ট্রিং সমস্যার কারণে চলতি মৌসুমেও দীর্ঘ সময় মাঠের বাইরে কাটিয়েছেন তিনি।
এই মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ২৮ ম্যাচ খেলা রদ্রির নেতৃত্বেই আর্সেনালকে হারিয়ে কারাবাও কাপের শিরোপা জিতেছে ম্যানচেস্টার সিটি। ২০২৭ সালের জুনে শেষ হবে সিটির সঙ্গে রদ্রির বর্তমান চুক্তির মেয়াদ।

বিশ্বকাপের আগে ফুটবলে এক পরীক্ষামূলক বিপ্লবের সূচনা হতে যাচ্ছে। সহ-আয়োজক দেশ কানাডার ঘরোয়া ফুটবলে প্রথমবারের মতো ব্যবহার করা হবে নতুন এক অফসাইড নিয়ম- যা বিশ্ব ফুটবলে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিতে পারে।
শনিবার কানাডা প্রিমিয়ার লিগের নতুন মৌসুমের উদ্বোধনী ম্যাচ দিয়েই শুরু হবে নতুন নিয়মের এই পরীক্ষা। অন্টারিওর হ্যামিল্টনে ফোর্গ এফসির মুখোমুখি হবে গতবারের চ্যাম্পিয়ন অ্যাটলেটিকো ওটোয়া। এই ম্যাচেই প্রয়োগ করা হবে ফিফার প্রস্তাবিত ‘অল্টারনেটিভ অফসাইড’ নিয়ম।
নতুন এই নিয়মের মূল ভাবনা- আক্রমণভাগের খেলোয়াড়দের একটু বেশি স্বাধীনতা দেওয়া। যার ফলে সামান্য ব্যবধানে অফসাইডের ফাঁদে পড়ার আশঙ্কা কমে যাবে। উইঙ্গার, স্ট্রাইকার কিংবা অ্যাটাকিং মিডফিল্ডারদের এগিয়ে যাওয়াটা আরও সাহসী হবে।
ফোর্গের ফরোয়ার্ড ট্রিস্টান বোর্গেস মনে করেন, ‘এতে খেলোয়াড়রা আগের চেয়ে বেশি আত্মবিশ্বাস নিয়ে দৌড় দিতে পারবে। ডিফেন্ডারদেরও আরও সতর্ক থাকতে হবে। সব মিলিয়ে খেলাটা আরও রোমাঞ্চকর হবে।’
বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা বলছে, খেলার গতি বাড়ানো ও সময় নষ্ট কমানোর লক্ষ্য থেকেই এই ধারণার জন্ম। একই সঙ্গে দর্শকদের জন্য আরও আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেওয়ার কথাও ভাবা হয়েছে।
ফিফার গ্লোবাল ফুটবল ডেভেলপমেন্ট প্রধান আর্সেন ওয়েঙ্গার অফসাইডের নিয়মের এই পরীক্ষাকে গুরুত্বপূর্ণ পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে দেখছেন। তার ভাষায়, ‘পেশাদার প্রতিযোগিতায় এই নিয়ম পরীক্ষা করলে এর প্রভাব সম্পর্কে বাস্তব ধারণা পাওয়া যাবে।’
সম্প্রতি ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে উঠেছে। বিশেষ করে অফসাইডের সূক্ষ্ম সিদ্ধান্তে দীর্ঘ সময় খেলা বন্ধ থাকায় ম্যাচের গতি ব্যাহত হয়েছে, গোল উদযাপনে স্বতঃস্ফূর্ততাও কমেছে।
নতুন নিয়মটি সেই জটিলতা কমিয়ে দ্রুত ও পরিষ্কার সিদ্ধান্ত দেওয়ার লক্ষ্যেই তৈরি। তবে ইউরোপের কিছু মহলে এই পরিবর্তন নিয়ে আপত্তিও রয়েছে। সমালোচকদের আশঙ্কা, এতে ডিফেন্ডাররা আরও রক্ষণাত্মক হয়ে পড়তে পারেন, যা উল্টো খেলার গতিকে ধীর করে দিতে পারে।
২০১৯ সালে যাত্রা শুরু করা কানাডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ এখনও বিকাশমান। মহামারির ধাক্কা সামলে এখন ৮ দলের লিগ ধীরে ধীরে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। কানাডা ঐতিহ্যগতভাবে হকি-নির্ভর হলেও, বিভিন্ন লিগের প্রভাব ও আসন্ন বিশ্বকাপ আয়োজনের কারণে ফুটবলের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে দ্রুত।
এই লিগ গত বছর বিশ্বজুড়ে আলোচনায় আসে এক ব্যতিক্রমী ঘটনার জন্য- তুষারঝড়ের মাঝে অনুষ্ঠিত ফাইনালে এক দৃষ্টিনন্দন বাইসাইকেল কিক, যা পরিচিতি পায় “আইসিকল কিক” নামে।
এবার সেই লিগই হয়ে উঠছে বিশ্ব ফুটবলের সম্ভাব্য নতুন নিয়ম পরীক্ষার মঞ্চ। শনিবারের ম্যাচটি তাই শুধু মৌসুমের শুরু নয়- ভবিষ্যৎ ফুটবলের এক ঝলকও।

সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে গতকাল ভারতকে টাইব্রেকারে হারিয়ে শিরোপা জেতে বাংলাদেশ। সাফজয়ী ফুটবল দল আজ সন্ধ্যা ৬টা ৩৫ মিনিটে বাংলাদেশে পৌঁছাবে।
এ নিয়ে পরপর দুবার অনূর্ধ্ব-২০ সাফের শিরোপা জিতল বাংলাদেশ। এর আগে ২০২৪ সালে নেপালকে ১-০ গোলে হারিয়ে ট্রফি জিতেছিল লাল সবুজের তরুণেরা। শুক্রবার রাতে ভারতের সঙ্গে ফাইনালে টাইব্রেকারে ৪-৩ ব্যবধানে জেতে মার্ক কক্সের দল।
মালদ্বীপের মালের ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা শেষে কোনো দলই পায়নি গোলের দেখা। এরপর পেনাল্টিতে কিকে ভারতের প্রথম শট ঠেকিয়ে দেন বাংলাদেশের গোলকিপার ইসমাইল হোসেন মাহিন। পরে বাংলাদেশও একটি শট মিস করলে চার শট শেষে দুই দলের স্কোর ছিল ৩-৩।
শেষ শটে আবারও ভুল করে ভারত। আর বাংলাদেশের হয়ে ফাইনাল শট নিতে এসে কোনো ভুল করেননি রোনান সুলিভান। পানেনকা শটে ভারতের গোলকিপার সুরাজ সিংকে পরাস্ত করেন যুক্তরাষ্ট্রের ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়ন একাডেমিতে খেলা রোনান। প্রতিযোগিতায় সেরা গোলকিপারের পুরস্কার জিতেছেন মাহিন।

বয়স ৪১ হলেও ধার কমেনি ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর। হ্যামস্ট্রিংয়ের চোট কাটিয়ে এক মাস পর মাঠে ফিরেই নিজের জাত চেনালেন পর্তুগিজ মহাতারকা।
শুক্রবার রাতে সৌদি প্রো লিগে আল নাজমার বিপক্ষে জোড়া গোল করে আল নাসরকে ৫-২ ব্যবধানের বিশাল জয় উপহার দিয়েছেন রোনালদো।
এই জয়ের ফলে আল হিলালের চেয়ে ৬ পয়েন্টে এগিয়ে গেল লিগ টেবিলের শীর্ষে থাকা আল নাসর।
আরও পড়ুন
| চ্যাম্পিয়ন দলকে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর আর্থিক পুুরস্কার ঘোষণা |
|
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আল ফায়হার বিপক্ষে ম্যাচে চোট পেয়ে মাঠ ছেড়েছিলেন রোনালদো। এরপর চিকিৎসার জন্য স্পেনে গিয়ে তিন সপ্তাহের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শেষ করে সৌদিতে ফেরেন তিনি।
ঘরের মাঠ আল আউয়াল পার্কে ম্যাচের ৫৬ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে নেন রোনালদো। এরপর ৭৩ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় এবং দলের চতুর্থ গোল করেন।
এই জোড়া গোলের পর রোনালদোর ক্যারিয়ার গোল সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৬৭ তে। ফুটবল ইতিহাসের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ১০০০ গোলের মাইলফলক ছোঁয়ার পথে এখন মাত্র ৩৩ গোল দূরে আছেন তিনি।
সৌদি প্রো লিগে চলতি মৌসুমে সর্বোচ্চ গোলদাতার দৌড়েও রোনালদো বেশ ভালো অবস্থানে আছেন। বর্তমানে ইভান টোনির চেয়ে মাত্র ২ গোল পিছিয়ে থেকে গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে তিন নম্বরে রয়েছেন তিনি।
আরও পড়ুন
| ইসলামবিদ্বেষ নিয়ে কড়া বার্তা হান্সি ফ্লিকের |
|
রোনালদোর প্রত্যাবর্তনের রাতে উজ্জ্বল ছিলেন চোট কাটিয়ে ফেরা সাদিও মানেও। ম্যাচের দুই অর্ধে ইনজুরি টাইমে গোল করে তিনিও জোড়া পূর্ণ করেন। আল নাসরের হয়ে অন্য গোলটি করেন আব্দুল্লাহ আল হামদান।
এই জয়ের পর ২৭ ম্যাচে আল নাসরের সংগ্রহ এখন ৭০ পয়েন্ট। এক ম্যাচ কম খেলে ৬৪ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে আল হিলাল। আজ আল তাওয়ানের বিপক্ষে জিতে ব্যবধান কমানোর সুযোগ রয়েছে হিলালের সামনে।