
গুরুতর চোটে প্রায় এক বছরের জন্য মাঠের বাইরে ছিটকে গেলেন বার্সেলোনার বিস্ময়বালক সামা নোমোকো। উয়েফা ইয়ুথ লিগে আইনট্রাখট ফ্রাঙ্কফুর্ট অনূর্ধ্ব–১৯ দলের বিপক্ষে ম্যাচে গুরুতর হাঁটুর চোটে পড়েন ১৭ বছর বয়সী এই উইঙ্গার।
গত সপ্তাহে এস্তাদি ইয়োহান ক্রুইফে ম্যাচের প্রথমার্ধের মাঝামাঝি সময়ে চোট পান নোমোকো। একটি লুজ বলের দখল নিতে গিয়ে প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডার ইয়ানিস আহুয়ান্নুর সঙ্গে সংঘর্ষে পড়ে অস্বাভাবিকভাবে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। তীব্র যন্ত্রণায় কাতর নোমোকোকে স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়তে হয়। দুই দলের খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফরা তখন দাঁড়িয়ে করতালি দিয়ে তাঁকে সমর্থন জানান।
প্রাথমিক শঙ্কাই শেষ পর্যন্ত সত্যি হয়েছে। বার্সেলোনা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, নোমোকোর ডান হাঁটুর অ্যান্টেরিয়র ক্রুশিয়েট লিগামেন্ট (এসিএল) ছিঁড়ে গেছে। একই সঙ্গে হাঁটুর দুটি মেনিস্কাসেও চোট রয়েছে। অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন হলেও সম্পূর্ণ সেরে উঠতে তাঁর প্রায় ১২ মাস সময় লাগবে বলে জানিয়েছে ক্লাবটি। ফলে চলতি মৌসুম তো বটেই, পরের মৌসুমেরও বড় একটা সময় তাঁর খেলা অনিশ্চিত।
বার্সেলোনার বিবৃতিতে বলা হয়, ক্লাবের মেডিকেল বিভাগের তত্ত্বাবধানে বার্সেলোনা হাসপাতালে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করেছেন ডা. জোয়ান কার্লেস মনলাউ। পুনর্বাসন প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হবে।
চোট পাওয়ার আগে দারুণ সময় কাটাচ্ছিলেন নোমোকো। মাত্র ১৭ বছর বয়সেই বার্সা বি দল (রিজার্ভ বেঞ্চ) দলে নিয়মিত হয়ে উঠেছিলেন তিনি। রিজার্ভ দলের হয়ে ১৪টি লিগ ম্যাচেই খেলেন এই উইঙ্গার। করেছেন দুটি গোল ও চারটি অ্যাসিস্ট। মাঠে তাঁর গতি, ড্রিবলিং ও আক্রমণভাগে প্রভাব বার্সেলোনার কোচিং স্টাফদের নজর কেড়েছিল। লা মাসিয়া থেকে উঠে আসা পরবর্তী বড় প্রতিভা হিসেবে তাঁকে দেখা হচ্ছিল, এমনকি প্রথম দলে সুযোগ পাওয়াও সময়ের ব্যাপার বলেই মনে করা হচ্ছিল।
নোমোকোর চোটের ধাক্কা সত্ত্বেও সেদিন ম্যাচে দারুণ প্রত্যাবর্তন করে বার্সেলোনার অনূর্ধ্ব–১৯ দল। ৩–১ গোলে পিছিয়ে পড়েও শেষ পর্যন্ত ৪–৩ ব্যবধানে জয় পায় তারা। তবে ম্যাচের ফলাফলের চেয়ে সতীর্থের গুরুতর চোটই সবার মনে বেশি প্রভাব ফেলেছে।
No posts available.
২ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৪০ এম

আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপ ঘিরে আয়-ব্যয়ের হিসাব নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা। টুর্নামেন্টটি থেকে রয়েছে প্রায় ১১ বিলিয়ন ডলারের বেশি আয় হওয়ার সম্ভাবনা; বাংলাদেশি মুদ্রায় ১ লাখ ৩৫ হাজার কোটি টাকার বেশি। আর এতে অংশগ্রহণ ব্যয় মেটাতে বাড়তি অর্থ সহায়তা চেয়েছে ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশ।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দা অ্যাথলেটিকের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউরোপের ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা ইউয়েফার কাছে নিজেদের দাবি তুলে ধরেছে কয়েকটি সদস্য দেশ। তারা চায়, সংস্থাটি যেন ফিফার সঙ্গে আলোচনায় তাদের পক্ষে চাপ সৃষ্টি করে।
দলগুলোর উদ্বেগ, বিশ্বকাপে অংশ নিতে গিয়ে যে ব্যয় হবে, তা অনেক ক্ষেত্রে আয়কেও ছাড়িয়ে যেতে পারে। অন্তত লাভের অঙ্ক খুব বেশি নাও হতে পারে বলে আশঙ্কা তাদের।
আরও পড়ুন
| ২০০ ইনিংস কম খেলে কোহলির পাশে সাহিবজাদা |
|
টুর্নামেন্ট থেকে প্রাপ্ত অর্থ বিশ্ব ফুটবলের উন্নয়নে বিনিয়োগের কথা জানিয়েছে ফিফা। তবে অংশগ্রহণ করা দলগুলো ঠিক কতটা অর্থ পাবে- এ বিষয়ে এখনও পরিষ্কার কোনো ধারণা নেই।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতিটি দলকে ‘প্রস্তুতি ব্যয়’ হিসেবে ১৫ লাখ ডলার দেওয়া হবে। এ ছাড়া প্রায় ৫০ সদস্যের একটি বহরের জন্য প্রতিটি দলকে খাবার, যাতায়াত ও আবাসনের জন্য অতিরিক্ত ভাতা দেওয়ার কথাও রয়েছে।
উত্তর আমেরিকার যৌথ আয়োজনে হতে যাওয়া এই বিশ্বকাপ শুরু হবে ১১ জুন, মেক্সিকো সিটিতে দুটি ম্যাচ দিয়ে। পরদিন টুর্নামেন্ট গড়াবে কানাডার টরন্টো ও যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে। ৪৮ দলের এই আসরের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ১৯ জুলাই, যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে।

ইতালির ফিফা বিশ্বকাপ স্বপ্ন আবারও ভেঙে চুরমার। সেই ভাঙনের যন্ত্রণা লুকোতে পারেননি অধিনায়ক জিয়ানলুইজি দোনারুম্মা। ম্যাচ শেষে অশ্রু ঝরিয়েছেন তিনি- নিজের জন্য, দলের জন্য, সমর্থকদের জন্য।
২০২৬ বিশ্বকাপে জায়গা করে নেওয়ার লড়াইয়ে প্লে-অফ ফাইনালে ১-১ গোলে ড্রয়ের পর টাইব্রেকারে ৪-১ ব্যবধানে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার কাছে হেরে যায় ইতালি। ফলে টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপে খেলা হচ্ছে না চারবারের চ্যাম্পিয়নদের।
ম্যাচে প্রথমার্ধেই লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন আলেসান্দ্রো বাস্তোনি। ১০ জনের দলে পরিণত হওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধে একের পর এক দারুণ সেভ করে দলকে লড়াইয়ে রাখেন দোনারুম্মা। কিন্তু টাইব্রেকারে ভাগ্য সহায় হয়নি- একটিও শট ঠেকাতে পারেননি তিনি।
আরও পড়ুন
| ইতিহাসের সবচেয়ে বড় লোকসানের রেকর্ড চেলসির |
|
ম্যাচ শেষে উত্তেজনাও ছড়ায় মাঠে। টাইব্রেকারের সময় বসনিয়ার গোলরক্ষক নিকোলা ভাসিলজের সঙ্গে তর্কে জড়ান দোনারুম্মা। প্রতিপক্ষের ‘পেনাল্টি নোট’ নষ্ট করার অভিযোগও ওঠে তার বিরুদ্ধে। শেষ বাঁশির পর প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়দের দিকে তেড়ে গেলে সতীর্থদেরই তাকে থামাতে হয়।
তবে সব উত্তেজনার পর নিজের ভেতরের কষ্টটাই সামনে এনেছেন ইতালির এই গোলরক্ষক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিশদ বার্তা দিয়েছেন তিনি।
“গত রাতে আমি কেঁদেছি। কেঁদেছি এই হতাশা থেকে- ইতালিকে তার প্রাপ্য জায়গায় নিতে না পারার যন্ত্রণায়।”
“আমি কেঁদেছি, কারণ আমি যে গভীর দুঃখ অনুভব করছি- আমাদের পুরো আজ্জুরি দলের সঙ্গে, তার জন্য, যেই দলের অধিনায়ক হতে পেরে আমি গর্বিত। আমি জানি আমাদের জাতীয় দলের সমর্থকরাও একই অনুভূতি অনুভব করছেন।”
২০১৬ সালে মাত্র ১৭ বছর বয়সে জাতীয় দলে অভিষেক হওয়া দোনারুম্মা এখনও বিশ্বকাপে খেলার স্বাদ পাননি। কারণ ২০১৪ সালের পর বিশ্বকাপ খেলেইনি ইতালি। এবার ২০২৬ মিস করায় অন্তত ২০৩০ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে তাকে- তখন তার বয়স হবে ৩১।
তবে বিশ্বাস হারাচ্ছেন না দোনারুম্মা। নতুন উদ্যমে আবার শুরুর আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
“সবসময় বিশ্বাস রাখুন- এটাই সামনে এগিয়ে যাওয়ার মূল শক্তি। কারণ জীবন তাদেরই পুরস্কৃত করতে জানে, যারা বিন্দুমাত্র না থেমে নিজেদের সর্বোচ্চটা দেয়। আর এখান থেকেই আমাদের আবার শুরু করতে হবে। একসঙ্গে, আবারও।”

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে সময়টা খুব একটা ভালো যাচ্ছে না চেলসির। সবশেষ পাঁচ ম্যাচের তিনটি হেরেছে তারা, জয় স্রেফ একটি। এর মাঝে আর্থিক লোকসানের খবরও জানাল তারা। ইংলিশ ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি লোকসানের রেকর্ড করেছে পশ্চিম লন্ডনের ক্লাবটি।
এক বিবৃতিতে চেলসি জানিয়েছে, ২০২৪-২৫ মৌসুমে কর দেওয়ার আগে তাদের লোকসানের পরিমাণ ২৬ কোটি ২৪ লাখ পাউন্ড। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৪ হাজার ২৯১ কোটি টাকার বেশি। ইংলিশ ফুটবলের ইতিহাসে এক মৌসুমে এটিই সর্বোচ্চ লোকসানের রেকর্ড।
এর আগে ২০১১ সালে ১৯ কোটি ৭৫ লাখ পাউন্ড লোকসানের ঘোষণা দিয়েছিল ম্যানচেস্টার সিটি। এর বাইরে আরও দুই মৌসুমে ১৫ কোটি পাউন্ডের বেশি লোকসান করেছে চেলসি- ২০২৩ সালে ১৫ কোটি ৫৯ লাখ পাউন্ড ও ২০২১ সালে ১৫ কোটি ৫০ লাখ পাউন্ড।
আরও পড়ুন
| রোনান-মানিকদের নিয়ে গর্বিত কোচ কক্স |
|
অথচ ২০২৪-২৫ মৌসুমে ইউয়েফা কনফারেন্স লিগ ও ক্লাব বিশ্বকাপ জিতেছে চেলসি। প্রিমিয়ার লিগ শেষ করেছে ৪ নম্বরে থেকে যার সৌজন্যে ৪৯ কোটি ৯ লাখ পাউন্ড রাজস্ব আয় করেছে চেলসি। তবু লোকসানের অঙ্ক রেকর্ড গড়েছে তারা।
২০২২ সালে ব্লুকো চেলসির মালিকানা কিনে নেওয়ার পর ক্লাবে খেলোয়াড় আনা বাবদ ১০০ কোটির বেশি পাউন্ড খরচ হয়েছে। যা দিয়ে অনেক তরুণ ফুটবলারের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি করা হয়েছে।
এছাড়া চলতি মৌসুমের শুরুতে দল গঠনে খরচের অনুপাত ঠিক না রাখায় চেলসিকে ২ কোটি ৬৭ লাখ পাউন্ড জরিমানা করেছিল ইউয়েফা।

গ্রুপ পর্বে তুমুল লড়াইয়ের পর এবার শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে আবার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও ভারত। নিজ নিজ সেমি-ফাইনাল ম্যাচ জিতে ফাইনালের টিকিট কেটেছে প্রতিবেশী দেশ দুইটি।
মালদ্বীপের রাজধানী মালেতে শুক্রবার সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপার লড়াইয়ে নামবে বাংলাদেশ-ভারত।
একই মাঠে বুধবার বিকেলে নেপালকে ১-০ গোলে হারিয়েছে ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। পরে দ্বিতীয় সেমি-ফাইনাল ম্যাচে ভুটানকে ৫-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে ভারত।
আরও পড়ুন
| রোনান-মানিকদের নিয়ে গর্বিত কোচ কক্স |
|
ফাইনালের আগে গ্রুপেও মুখোমুখি হয়েছিল ভারত-বাংলাদেশ। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের ম্যাচে জেতেনি কেউ। ১-১ গোলে ড্র হয় ওই ম্যাচ।
এবার চতুর্থবারের মতো বয়সভিত্তিক সাফের ফাইনালে মুখোমুখি হবে দুই দল। এর আগে ২০১৯ সালে অনূর্ধ্ব-১৮, ২০২২ সালে অনূর্ধ্ব-২০ ও ২০২৫ সালে অনূর্ধ্ব-১৯ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ভারতের কাছে হেরেছে বাংলাদেশ।
এখন পর্যন্ত বিভিন্ন বয়সের ক্যাটাগরিতে সাতবার হয়েছে বয়সসভিত্তিক সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। এর মধ্যে চারবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ভারত, দুইবার নেপাল। আর ২০২৪ সালে অনূর্ধ্ব-২০ পর্যায়ের টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলাদেশ।
প্রায় তিন বছর পর আবারও অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় শিরোপার খোঁজে ভারতকে হারাতে হবে তাদের।

মোহাম্মদ মানিকের একমাত্র গোলে নেপালকে হারিয়ে সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠল বাংলাদেশ। মালদ্বীপের রাজধানী মালে’তে বুধবার প্রতিযোগিতার প্রথম সেমি-ফাইনালে গত আসরের রানার্সআপদের হারাল লাল-সবুজ দল।
কোচ মার্ক কক্সের অধীনে বয়সভিত্তিক ফুটবলে আরও একটি সাফল্যের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল দল। একমাসের চুক্তিতে যোগ দেওয়া ব্রিটিশ কোচ তার শিষ্যদের সাফল্যে বেশি উচ্ছ্বসিত।
সেমিফাইনাল পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানিয়েছেন, নেপালের বিপক্ষে তার শিষ্যরা বেশ ভালোই পারফরম্যান্স করেছে। তবে হাপিত্যেশের বিষয়টি এড়িয়ে যাননি তিনি।
কক্স বলেন,
‘এটা সত্যিই কঠিন ম্যাচ ছিল। তবে আমাদের ছেলেরা দারুণভাবে শুরু করেছিল। প্রথমার্ধেই আমরা ম্যাচ শেষ করে দিতে পারতাম। অনেক সুযোগ পেয়েছিলাম, কিন্তু কাজে লাগাতে পারিনি। সেট পিস থেকে একটি গোল করতে পেরেছি। কিন্তু ওপেন প্লেতে আরও অনেক সুযোগ ছিল, সেগুলো কাজে লাগেনি।’
প্রথমার্ধের ফল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখলেও দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে নেপাল বেশ চাপে রাখে বাংলাদেশকে। কোচ বলেন,
‘দ্বিতীয়ার্ধে নেপাল ভালো শুরু করে। প্রথম ১০-১৫ মিনিট তারা আমাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছিল। তবে আমাদের খেলোয়াড়রা দারুণ মানসিক দৃঢ়তা দেখিয়েছে। শেষ পর্যন্ত লড়াই করেছে এবং জয় তুলে নিয়েছে। ছেলেদের নিয়ে আমি গর্বিত।’
দায়িত্বপ্রাপ্তির পর থেকেই একটি বিষয় বেশ ভালোভাবেই মেনে চলেন কক্স। ব্রিটিশ কোচের প্রধান এবং একমাত্র লক্ষ্য—খেলোয়াড়দের মাঠে স্বাধীনতা নিশ্চিত করা। আর এতে শতভাগ সাফল্য পাচ্ছেন বলেন জানান তিনি।
কক্স বলেন,
‘ছেলেদের আমি তাদের মতো করেই খেলতে দিই। এটা আমাদের জন্য বড় অর্জন। আমরা আগেও অনূর্ধ্ব-২০ পর্যায়ে শিরোপা জিতেছিলাম। ঢাকায় প্রস্তুতি শুরুর সময় থেকেই এটি আমাদের লক্ষ্য ছিল। এখন ছেলেদের বিশ্রাম নিতে হবে এবং ফাইনালের জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে।’
মালেতে আজ ম্যাচের পুরোসময় বাংলাদেশের সমর্থকরা সাহস জুগিয়েছেন রোনান সুলিভানদের। বিষয়টি বেশ ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন কক্স।
বাংলাদেশ কোচ বলেন,
‘প্রথম ম্যাচ থেকেই আমরা বাংলাদেশের স্থানীয় সমর্থকদের সমর্থন পাচ্ছি। তারা অনেক দিন ধরে এখানে কাজ করছেন। তাদের মাঠে এসে আমাদের সমর্থন করা সত্যিই দারুণ অনুভূতি দেয়। মনে হয় যেন নিজের মাঠেই খেলছি। তাদের জন্য আমরা গর্বিত।’