
ঘরের মাঠে লিভারপুলের মোকাবিলা করার আগে তখন গা গরমের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ফুটবলাররা। তখনই এলো এক ভয় জাগানিয়া সংবাদ। হুট করে অসুস্থ হয়ে পড়ায় হাসপাতালে নেওয়া হয় ক্লাবের কিংবদন্তি কোচ স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসনকে।
ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে রোববার বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৮টায় লিভারপুলের মুখোমুখি হয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। এই ম্যাচ শুরুর আগে গ্যালারিতে হঠাৎ অসুস্থবোধ করেন স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসন। তাই দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয় তাকে।
রয়টার্স, বিবিসিসহ ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গুরুতর কিছু হয়নি ফার্গুসনের। তবে সতর্কতার অংশ হিসেবে দেরি না করে দ্রুতই হাসপাতালে নেওয়া হয় ৮৪ বছর বয়সী এই কিংবদন্তি কোচকে।
হাসপাতালে ভর্তির পর ফার্গুসনের শারীরিক অবস্থার পরবর্তী কোনো আপডেট জানানো হয়নি।
দীর্ঘ ২৭ বছর ইউনাইটেডের কোচের দায়িত্ব পালন করেছেন ফার্গুসন। সাফল্যমণ্ডিত কোচিং ক্যারিয়ারে ইতি টানার পর ওল্ড ট্র্যাফোর্ডের ডিরেক্টরস বক্সে বসে ক্লাবের সব খেলা দেখেন তিনি। রোববারও এর ব্যতিক্রম ছিল না।
খেলা শুরুর আগে অন্যান্য অতিথিদের সঙ্গে ছবি তুলতেও দেখা যায় ফার্গুসনকে। এর কিছুক্ষণ পরই অসুস্থ হয়ে পড়ায় একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় কিংবদন্তি কোচকে। তবে আশার খবর, গুরুতর কিছু হয়নি তার।
ক্লাব কর্তৃপক্ষের আশা, দ্রুতই হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে বাড়ি ফিরতে পারবেন ফার্গুসন।
No posts available.

ইউয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের টিকিট পেতে ড্র করলেই হতো। তবে জয়ের ক্ষুধায় খেলতে নামা ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ১৪ মিনিটেই করে ফেলল দুই গোল। পরে লিভারপুল ঘুরে দাঁড়ালেও শেষ পর্যন্ত ম্যাচ জিতেই কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন করল রেড ডেভিলরা।
ঘরের মাঠে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে রোববার রাতে লিভারপুলকে ৩-২ গোলে হারিয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। প্রথমার্ধে ইউনাইটেড জোড়া গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধে দুটিই শোধ করে লিভারপুল। পরে কোবি মাইনুর গোলে নিশ্চিত হয় স্বাগতিকদের জয়।
এই জয়ে ৩৫ ম্যাচে ৬৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের তিন নম্বর স্থান আরেকটু পোক্ত করল ইউনাইটেড। আর সমান ম্যাচে ৫৮ পয়েন্ট নিয়ে চারে লিভারপুল।
অল রেডদের বিপক্ষে দারুণ এই জয়ে ইউয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের টিকিটও নিশ্চিত হয়ে গেছে মাইকেল ক্যারিকের শিষ্যদের। দুই মৌসুম বাইরে থাকার পর আবার ইউরোপিয়ান শ্রেষ্ঠত্বের এই টুর্নামেন্টে খেলবে ইংল্যান্ডের ঐতিহ্যবাহী ক্লাবটি।
প্রতিপক্ষের মাঠে বল দখলের লড়াইয়ে এগিয়েই ছিল লিভারপুল। ৬১ শতাংশ সময় বল নিজেদের কাছে রেখে গোলের জন্য ১২টি শট করতে পারে তারা। এর মধ্যে ৪টি ছিল লক্ষ্য বরাবর। বিপরীতে ঘরের মাঠে ১৭টি শট করে ৫টি লক্ষ্যে রাখতে সক্ষম হয় ইউনাইটেড।
ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটে ম্যাথিউস কুনহার গোলে লিড নেয় স্বাগতিকরা। পরে ১৪তম মিনিটে বেনজামিন সেসকোও জালের ঠিকানা খুঁজে নিলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় তারা। প্রথমার্ধে আর গোলের দেখা পায়নি কোনো দল।
দ্বিতীয়ার্ধে ফিরে ব্যবধান কমাতে সময় নেয়নি লিভারপুল। ম্যাচের ৪৭ মিনিটে স্বাগতিকদের জাল কাঁপান ডমিনিক সবোসলাই। পরে ৫৬ মিনিটে কোডি হাকপোও স্কোরশিটে নাম তুললে ম্যাচে ফিরে আসে সমতা। মনে হচ্ছিল, হয়তো ঘুরে দাঁড়ানোর গল্পই লিখবে লিভারপুল।
তবে সেটি হতে দেননি কোবি মাইনু। ম্যাচের ৭৭ মিনিটে তার গোলে আবার এগিয়ে যায় ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। পরে আর গোল শোধ করতে পারেনি লিভারপুল। ম্যাচ সেরার পুরস্কার জেতেন ২১ বছর বয়সী মিডফিল্ডার মাইনু।

ইউয়েফা নারী চ্যাম্পিয়নস লিগে দাপুটে ফুটবলের ধারা অব্যাহত রেখে আরও একবার ফাইনালের টিকিট কাটল বার্সেলোনা ফেমেনি। সেমি-ফাইনালের দ্বিতীয় লেগে বায়ার্ন মিউনিখকে উড়িয়ে ইউরোপিয়ান শ্রেষ্ঠত্বের আসরে ফাইনালে উঠল বার্সেলোনার মেয়েরা।
নিজেদের ঘরের মাঠে রোববার রাতে দ্বিতীয় লেগের ম্যাচে বায়ার্নকে ৪-২ গোলে হারিয়েছে বার্সেলোনা। এর আগে বায়ার্নের মাঠে প্রথম লেগে ১-১ গোলে ড্র ছিল দুই দলের লড়াই। দুই লেগ মিলিয়ে ৫-৩ গোলে এগিয়ে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে নাম লেখাল বার্সেলোনা।
এ নিয়ে টানা ষষ্ঠবার ও সব মিলিয়ে সপ্তমবার ইউয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে উঠল বার্সেলোনা ফেমেনি। এর আগে খেলা ছয় ফাইনালে তিনটিতে চ্যাম্পিয়ন হয় তারা। গত আসরের ফাইনালে আর্সেনালের কাছে তৃতীয়বার রানার্স-আপ হয় বার্সেলোনা।
সেই হতাশা ভুলে এবার চতুর্থ শিরোপার খোঁজে ফাইনাল খেলতে নামবে কাতালান ক্লাবটি। আগামী ২৩ মে হবে শিরোপা নির্ধারণী ফাইনাল ম্যাচ। যেখানে বার্সেলোনার প্রতিপক্ষ টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ ৮ বারের চ্যাম্পিয়ন অলিম্পিক লিঁও।
২০২২ সালের ফাইনালে বার্সেলোনাকে হারিয়েই নিজেদের অষ্টম ও সবশেষ শিরোপা জিতেছিল লিঁও। এবার নিশ্চিতভাবেই সেই পরাজয়ের বদলা নিয়ে চতুর্থ শিরোপা জিততে চাইবে বার্সেলোনা।
ফাইনালে ওঠার পথে বায়ার্নের বিপক্ষে সেমি-ফাইনালের দ্বিতীয় লেগে দাপুটে ফুটবল খেলে বার্সেলোনা। ম্যাচের ১৪ মিনিটে সালমা পারালুয়েলোর গোলে এগিয়ে যায় তারা। তবে ৪ মিনিটের মধ্যে লিন্ডা দালমানের গোলে সমতা ফেরায় বায়ার্ন।
এরপর শুরু হয় বার্সেলোনার ঝড়। ২৩ মিনিটে অ্যালেক্সিয়া পুতিয়াস আবার এগিয়ে দেন দলকে। পরে ৫৬ মিনিটে ইওয়া পাজোরের গোলে ৩-১ হয় স্কোরলাইন। আর ৫৯ মিনিটে পুতিয়াস আবার গোল করলে অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে যায় বার্সেলোনার জয়।
তবে ৭২ মিনিটে পার্নিল হারডার গোল করলে ম্যাচে ফেরার আভাস দেয় বায়ার্ন। এরপর ৮৬ মিনিটেও বল জালে জড়ায় তারা। তবে ভিএআর দেখে গোল বাতিল করে দেন রেফারি। তাই আর দেখা মেলেনি ঘুরে দাঁড়ানোর গল্পের, ফাইনালে উঠে আয় বার্সেলোনা।

গত মৌসুমেও তারা খেলছিল দ্বিতীয় বিভাগে। সেখান থেকে ধারাবাহিক ফুটবল খেলে ৫ বছর ফিরল সুইস সুপার লিগে। আর শীর্ষ পর্যায়ে এসে রূপকথার গল্প লিখে ইতিহাস গড়ে ১২৮ বছরের অপেক্ষা ঘুচিয়ে চ্যাম্পিয়ন হলো এফসি থুন।
সুইজারল্যান্ডের সুইস সুপার লিগে তিন রাউন্ড বাকি থাকতে শিরোপা নিশ্চিত করে ফেলেছে এফসি থুন। ঘরের মাঠে রোববার এফসি বাসেলকে ৩-১ গোলে হারায় তারা। আর অন্য ম্যাচে সেইন্ট গ্যালেন হেরে যাওয়ায় নিশ্চিত হয় এফসি থুনের শিরোপা।
দীর্ঘ ১২৮ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম বড় কোনো শিরোপা জিতল এফসি থুন। শুধু তাই নয়, সুইস সুপার লিগের ইতিহাসে প্রথম ক্লাব হিসেবে দ্বিতীয় বিভাগ থেকে শীর্ষ লিগে আসার পর প্রথম মৌসুমেই চ্যাম্পিয়ন হলো কোনো দল।
এখন পর্যন্ত ৩৩ ম্যাচে ৭৪ পয়েন্ট পেয়েছে এফসি থুন। সমান ম্যাচে ৬০ পয়েন্ট নিয়ে দুই নম্বরে রয়েছে সেইন্ট গ্যালেন। বাকি তিন ম্যাচ জিতলেও থুনকে টপকাতে পারবে না গ্যালেন। তাই আগেভাগেই নিশ্চিত হয়ে গেল চ্যাম্পিয়নশিপ।
গত অক্টোবর থেকেই পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে ছিল এফসি থুন। ধারাবাহিকতা ধরে রেখে শিরোপা সম্ভাবনা আগেই জাগিয়ে তোলে তারা। কিন্তু সবশেষ কিছু ম্যাচে হেরে যাওয়ায় বাড়তে থাকে তাদের উদযাপনের অপেক্ষা।
শেষ পর্যন্ত নিজেদের ম্যাচে জয় ও সেইন্ট গ্যালেনের পরাজয়ে শুরু হয়ে যায় এফসি থুনের বাধনহারা উল্লাস।
সুইস সুপার লিগে এর আগে এফসি থুনের সর্বোচ্চ সাফল্য ছিল দ্বিতীয় হওয়া। ২০০৫-০৬ মৌসুমে লিগে দ্বিতীয় হয়ে ইউয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগেও খেলেছিল ক্লাবটি। এবার প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় আবার ইউরোপিয়ান শ্রেষ্ঠত্বের আসরে দেখা যাবে এফসি থুন ক্লাব।

ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার নেইমার জুনিয়র আবারও বড় ম্যাচে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন। তবে এবার কোনো চোটের কারণে নয়, বরং কৃত্রিম ঘাসের (সিনথেটিক পিচ) মাঠে খেলার তীব্র বিরোধিতার কারণে। পালমেইরাসের বিপক্ষে সান্তোসের গুরুত্বপূর্ণ ডার্বি ম্যাচে মাঠে নামেননি এই আইকন। এমন এক সময়ে তিনি এই সিদ্ধান্ত নিলেন, যখন ২০২৬ বিশ্বকাপের দলে জায়গা করে নিতে কোচ কার্লো আনচেলত্তির কাছে নিজের ফিটনেস প্রমাণ করা তাঁর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
গতকাল পালমেইরাস ও সান্তোসের মধ্যকার ‘ক্লাসিকো’ ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হয়েছে। তবে ম্যাচের ফলাফলের চেয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে নেইমারের অনুপস্থিতি নিয়ে। গত সপ্তাহে কোপা সুদামেরিকানায় পূর্ণ ৯০ মিনিট খেললেও পালমেইরাসের ঘরের মাঠ আলিয়াঞ্জ পার্ক এর কৃত্রিম ঘাসে খেলতে অস্বীকৃতি জানান। এই মাঠের ঘাসকে নেইমার এর আগে ‘অযৌক্তিক’ এবং পেশাদার অ্যাথলেটদের জন্য বিপজ্জনক বলে আখ্যা দিয়েছিলেন। নিজের চোটপ্রবণ ক্যারিয়ারের কথা মাথায় রেখেই তিনি এই ঝুঁকি নিতে চাননি।
নেইমার দীর্ঘদিন ধরে ব্রাজিলের এলিট ফুটবলে কৃত্রিম ঘাস নিষিদ্ধ করার আন্দোলনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আলিয়াঞ্জ পার্কে খেলা আমার জন্য প্রায় অসম্ভব। চোট থাকুক বা না থাকুক, কৃত্রিম ঘাসে খেলা একজন খেলোয়াড় হিসেবে আমাকে সবচেয়ে বেশি বিরক্ত করে। ব্রাজিলিয়ান ফুটবল যেদিকে যাচ্ছে তা চিন্তার বিষয়। আমাদের মতো বড় ফুটবলের দেশে কৃত্রিম ঘাস কোনো বিকল্পই হওয়া উচিত নয়।’
ব্রাজিলের হয়ে সর্বোচ্চ ৭৯ গোলের মালিক হলেও নেইমার ২০২৩ সালের অক্টোবরের পর থেকে জাতীয় দলের জার্সিতে মাঠে নামেননি। কোচ কার্লো আনচেলত্তির অধীনে আসন্ন বিশ্বকাপের জন্য ঘোষিতব্য ২৬ সদস্যের দলে তার জায়গা হবে কি না, তা নিয়ে দেশজুড়ে চলছে তীব্র বিতর্ক। ৩৪ বছর বয়সী এই তারকা নিজের লক্ষ্য স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘প্রত্যেক ব্রাজিলিয়ান খেলোয়াড়ের মতো আমিও বিশ্বকাপে থাকার স্বপ্ন দেখি এবং আশা করি আমি সেখানে থাকব।’
আগামী ১৮ মে বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দল ঘোষণা করবেন আনচেলত্তি। তার আগে নিজেকে প্রমাণ করতে নেইমারের হাতে ম্যাচ আছে আর মাত্র চারটি। সান্তোসের হয়ে কোপা সুদামেরিকানায় রেকলেতার বিপক্ষে ম্যাচ ছাড়াও ঘরোয়া লিগে ব্রাগান্তিনো এবং করিতিবার বিপক্ষে জোড়া ম্যাচে তাঁকে মাঠে নামতে হবে। বিশ্বকাপ গ্রুপ পর্বে মরক্কো, হাইতি ও স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে সহজ গ্রুপে পড়লেও, দলে জায়গা পেতে নেইমারকে এখন মাঠের পারফরম্যান্স দিয়েই কোচকে আশ্বস্ত করতে হবে।

লিওনেল মেসির গড়া দেড় দশকের পুরোনো এক রেকর্ড ভেঙে বার্সেলোনার ইতিহাসের পাতায় নিজের নাম নতুন করে লিখিয়েছেন স্প্যানিশ মিডফিল্ডার পেদ্রি। ওসাসুনার বিপক্ষে গত রাতের জয়ে বার্সেলোনার জার্সিতে এক অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করেছেন এই তরুণ তুর্কি।
ওসাসুনার মাঠ এল সাদারে বার্সেলোনার ২-১ ব্যবধানে জয় পায় বার্সেলোনা। এটি ছিল ক্লাবটির হয়ে মূল একাদশে তাঁর ২০০তম ম্যাচ। মাত্র ২৩ বছর ১৫৯ দিন বয়সে ক্লাবের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে ২০০ ম্যাচে শুরুর একাদশে থাকার রেকর্ড গড়েন।
এর আগে এই রেকর্ডটি ছিল ফুটবল জাদুকর লিওনেল মেসির দখলে। মেসি ২৩ বছর ২২৭ দিন বয়সে ২০০ ম্যাচে শুরুর একাদশে খেলার মাইলফলক ছুঁয়েছিলেন। কিংবদন্তি জাভি হার্নান্দেজকেও এই তালিকায় পেছনে ফেলেছেন পেদ্রি।
গাভি বা দানি ওলমোর মতো প্রতিভাবান মিডফিল্ডার দলে থাকলেও পেদ্রিই এখন বার্সেলোনার মাঝমাঠের মূল চালিকাশক্তি। কোচ হান্সি ফ্লিক পেদ্রিকে তাঁর কৌশলের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে দেখছেন। কোচের মতে, পেদ্রির টেকনিক্যাল দক্ষতা ছাড়া বর্তমানে দলের পরিকল্পনা করা প্রায় অসম্ভব। যদিও পেদ্রি এখন এই রেকর্ডের মালিক, তবে লামিন ইয়ামাল বা পাউ কুবার্সির মতো কিশোররা যেভাবে উঠে আসছেন, তাতে ভবিষ্যতে এই রেকর্ড আবার ভাঙার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
মাঝমাঠ সামলানোর পাশাপাশি গোল করা ও করানোতেও পেদ্রি সফল। বার্সেলোনার হৃৎপিণ্ড বললেও ভুল হবে না। লা লিগার শিরোপার সুবাস পাচ্ছে কাতালানরা। সামনেই রয়েছে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে মর্যাদার ‘এল ক্লাসিকো’। সেই ম্যাচে সমতা বা জিতলেই শিরোপা নিশ্চিত হয়ে যাবে বার্সেলোনার।