
বায়ার্ন মিউনিখের সঙ্গে ২০২৮ সাল পর্যন্ত চুক্তি থাকলেও নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছেন বিস্ময়বালক লেনার্ট কার্ল। রোববার নিজ শহর ফ্রামার্সবাখের কাছের ছোট শহর বার্গসিনে একটি বায়ার্ন সমর্থক ক্লাব পরিদর্শনে গিয়ে তিনি বলেছেন, একদিন রিয়াল মাদ্রিদে খেলা তার স্বপ্ন।
সমর্থকদের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক এক আলাপে কার্লকে প্রশ্ন করা হয়, বায়ার্ন মিউনিখ ছাড়া অন্য কোনো ক্লাবে খেলার স্বপ্ন আছে কি না। উত্তরে তিনি রিয়াল মাদ্রিদের কথা বলেন।
“আমি আশা করি কথাটা এখানের ভেতরেই থাকবে। বায়ার্ন খুব বড় একটি ক্লাব, এখানে খেলাটা স্বপ্নের মতো। তবে একদিন আমি রিয়াল মাদ্রিদে খেলতে চাই। ওটাই আমার স্বপ্নের ক্লাব- কিন্তু এটা যেন এখানেই থাকে।”
কিন্তু এই কথাটি আর গোপন থাকেনি। মুহূর্তেই বিষয়টি জার্মান গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
অবশ্য রিয়াল মাদ্রিদের জন্য কার্ল পরিবারের আগ্রহ নতুন নয়। তার পরিবারের কাছের বন্ধু ও সাংবাদিক সেবাস্টিয়ান লাইসগাংয়ের কথায় উঠে এসেছে এই তথ্য।
আরও পড়ুন
| ইনজুরি টাইমের গোলে সিটির বিপক্ষে হার এড়াল চেলসি |
|
সম্প্রতি এক পডকাস্টে লাইসগাং জানান, ২০১৮ সালে মাত্র ১০ বছর বয়সেই রিয়াল মাদ্রিদের যুব দলে বাছাই প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়েছিলেন কার্ল।
“আশাফেনবুর্গ অঞ্চলে হওয়া একটি আঞ্চলিক ট্রেনিং ক্যাম্প থেকে সে পরের ধাপে ওঠে। মেমিংগেনে দ্বিতীয় রাউন্ডেও সফল হয়। সেখান থেকেই তাকে মাদ্রিদে, সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে যাওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত রিয়াল মাদ্রিদের সঙ্গে চুক্তি হয়নি।”
শৈশবের সেই অভিজ্ঞতা হয়তো রিয়াল মাদ্রিদের প্রতি কার্লের আলাদা টান তৈরি করেছে। তবে আপাতত বাস্তবতা ভিন্ন।
কার্ল এখনও বায়ার্ন মিউনিখের খেলোয়াড় এবং ক্লাবটির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ২০২৮ সাল পর্যন্ত তার চুক্তি বহাল আছে। এই মুহূর্তে বায়ার্ন তাকে ছাড়তে আগ্রহী- এমন কোনো ইঙ্গিত নেই। একইভাবে রিয়াল মাদ্রিদ থেকেও আনুষ্ঠানিক আগ্রহের খবর পাওয়া যায়নি।
No posts available.
৬ জানুয়ারি ২০২৬, ৪:২৩ পিএম

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে রুবেন আমোরিম এখন নিকট অতীত। ১৪ মাসেই শেষ হলো তাঁর ওল্ড ট্র্যাফোর্ড অধ্যায়। টপ ম্যানেজম্যান্টের সঙ্গে সম্পর্ক ফাটলের জেরে বরখাস্ত হয়েছেন পর্তুগিজ কোচ।
রবিবার প্রিমিয়ার লিগে লিডস ইউনাইটেড ম্যাচে রেড ডেভিলদের হয়ে সবশেষ ডাগআউটে দাঁড়ান আমোরিম। বুধবার বার্নলির বিপক্ষে লিগের ম্যাচে ডাগআউটে দেখা যাবে ক্লাবের ঘরের ছেলে ড্যারেন ফ্লেচারকে।
রুবেন আমোরিমের বিদায়ের পর সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তাঁর শিষ্যরা। তবে চুপ রয়েছেন দুইজন। যাঁদের সঙ্গে তিক্ত সম্পর্ক ছিল পর্তুগিজ কোচের।
রেড ডেভিল ক্যাপ্টেন ব্রুনো ফার্নান্দেস সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, ‘ধন্যবাদ মিস্টার। আপনি এবং আপনার ট্যাকনিকাল টিমের জন্য শুভকামনা।’
ম্যান ইউনাইটেডের লেফট উইঙ্গার পেট্রিক ডর্গু লিখেছেন, ‘সবকিছুর জন্য ধন্যবাদ মিস্টার। আপনার ভবিষ্যতের জন্য শুভকামনা।’
স্ট্রাইকার জশুয়া জিরকজি লিখেছেন, ‘ভবিষ্যত ক্যারিয়ারের জন্য শুভকামনা বস।’
ডি লিট আবেগি বার্তা দিয়েছেন। তাঁর সে বার্তা শেয়ার দিয়েছেন হ্যারি মাগুয়ের। চোটে থাকা নেদারল্যান্ডস সেন্টারব্যাক সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, ‘সবকিছুর জন্য ধন্যবাদ বস। শুভকামনা রইল আপনার ভবিষ্যতের জন্য্।’
বেনজামিন সেসকো লিখেছেন, ‘সবকিছুর জন্য ধন্যবাদ বস।’
ফরোয়ার্ড আমাদ দিয়ালো লিখেছেন, ‘শুভকামনা কোচ।সবকিছুর জন্য ধন্যবাদ। আশা করি ভালো কিছু হবে।’
আমোরিমের বিদায়ের পর চুপ ছিলেন কোবি মাইনো ও লিসান্দ্রো মার্টিনেজ। বলে রাখা ভালো, এই দুই ফুটবলারের সঙ্গে আন্তকোন্দল ছিল পর্তুগিজ কোচের। এ ঘটনা প্রায়ই প্রকাশ্যে এসেছে।
কিছুদিন আগে ‘ফ্রি মাইনো’ লেখে স্টেডিয়ামে হাজির হয়েছিলেন মাইনোর ভাই। তার পরিবারের অভিযোগ, মাইনোকে যথেষ্ট সুযোগ দিচ্ছেন না আমোরিম।
তারচেয়েও বড় কথা, আমোরিমের সঙ্গে ঝগড়ার এক পর্যায়ে ক্লাব ছেড়েছিলেন আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড আলেহান্দ্রো গার্নাচো। কোচের বরখাস্তের নিউজ সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার হলে সেখানে ‘লাইক’ দিতে দেখা যায় তাঁকে।
প্রিমিয়ার লিগে ষষ্ঠ অবস্থানে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। টাইটেল রেসে ভালোভাবেই আছে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডের ক্লাব। তবে মাঝপথেই ধরলো ফাটল।
আমোরিমের অধীনে ৬৩ ম্যাচের মধ্যে মাত্র ২৪টিতে জয় পেয়েছে ওল্ড ট্র্যাফোর্ডের ক্লাব। শতাংশের হারে ৩৮.৭১। ইউনাইটেডের ইতিহাসে এটি অন্যতম দুর্বল কোচিং রেকর্ড। সবশেষ ১৯৭১ সালে ফ্রাঙ্ক ও’ফ্যারেলের সময় এর চেয়েও খারাপ রেকর্ড দেখা গিয়েছিল, যিনি একইভাবে বরখাস্ত হয়েছিলেন।

প্রথম দুই রাউন্ডের খেলা শেষ হয় গত রোববার। এরপর ছিল দুই দিনের বিরতি। আগামীকাল বুধবার বাংলাদেশ নারী ফুটবল লিগের খেলা টার্ফে গড়াবে। কমলাপুরের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহি মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে এক দিনেই ম্যাচ হবে ৫টি।
সকাল ১০টা থেকে শুরু করে দিনের খেলা। নাসরিন স্পোর্টস একাডেমি মোকাবিলা করবে বাংলাদেশ পুলিশ ফুটবল ক্লাবকে। সোয়া ১২টায় বাংলাদেশ আর্মি স্পোর্টিং ক্লাব খেলবে আনসার ভিডিপির বিপক্ষে। দিনের শেষ ম্যাচটি গড়াবে সন্ধ্যা ৭টায়। রাজশাহী স্টার্সের প্রতিপক্ষ বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিকেএসপি।
দুই রাউন্ড শেষে ৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে ফরাশগঞ্জ স্পোর্টিং ক্লাব। সমান পয়েন্ট পেয়ে দুইয়ে বাংলাদেশ আর্মি। দুই ম্যাচে এক জয় এবং এক ড্রয়ে ৪ পয়েন্ট পেয়ে তিনে সিরাজ স্মৃতি সংসদ। এক ম্যাচ খেলে জয় পেয়ে ৩ পয়েন্ট রাজশাহী স্টার্সের। সদ্যপুস্করিনী এবং বাংলাদেশ পুলিশ দুই ম্যাচ খেলে একটি করে জয় পেয়েছে।
প্রায় দেড় বছরের বেশি সময় পর গত ২৯ ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়েছে এবারের লিগ। বাফুফের ব্যবস্থাপনায় এই লিগ চলছে যেন খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে। প্রথম ম্যাচ থেকে তাদের অব্যবস্থাপনা নিয়ে হয়েছে অনেক কথা। সমালোচনা ওঠে স্টেডিয়ামের ফ্লাডলাইট নিয়েও। আগামীকাল থেকে তৃতীয় রাউন্ড শুরুর আগে সেসব ঠিক হয়ে যাবে এমন প্রত্যাশাই করেন ফুটবলের সমর্থকেরা।

পালমেইরাস থেকে বেশ রাখডাক করেই এন্দ্রিককে উড়িয়ে আনা হয়েছিল লা লিগা জায়ান্ট রিয়াল মাদ্রিদে। অথচ স্বপ্নের ক্লাবে এসে থিতু হয়ে পড়েন ব্রাজিল স্ট্রাইকার। মাসের পর মাস বেঞ্চেই ঠিকানা হয় ১৯ বছর বয়সী তরুণের। শেষ পর্যন্ত তাঁকে ধারে ফরাসি ক্লাব লিওঁতে পাঠিয়েছে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুর ক্লাব।
সোমবার লিওঁতে এন্দ্রিকের আনুষ্ঠানিক পরিচয় পর্ব ছিল। এসময় বর্তমান কোচ পাওলো ফনসেকার সঙ্গে পালমেইরাসে তাঁর সাবেক কোচ আবেল ফেরেইরার তুলনা করেন তিনি। পাশপাশি এন্দ্রিক জানান লিওঁতে পাড়ি দেওয়ার পেছনে তাঁকে উৎসাহ জুগিয়েছেন ব্রাজিলের বর্তমান হেডকোচ কার্লো আনচেলত্তি।
এন্দ্রিক বলেন, ‘রিয়াল ছাড়া এবং নতুন ক্লাবে যোগ দেওয়ার বিষয়ে আমি কার্লো আনচেলত্তির সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি আমাকে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন, কি করতে পারি এবং কি করা উচিত।’
সামনে ২০২৬ বিশ্বকাপ। ব্রাজিলের হেক্সা মিশনে বেশ ভালোভাবেই আনচেলত্তির রাডারে রয়েছেন এন্দ্রিক। এমনটাই বুঝালেন লিওঁ ফরোয়ার্ড।
এন্দ্রিক বলেছেন, ‘তিনি আমাকে পরামর্শ দিয়েছেন নিজেকে উন্নতির লক্ষ্যে রিয়াল ছাড়ার ব্যাপারে। কোথায় গেলে আমি আরও গেমটাইম পাবো এবং সুখে থাকতে পারবো। সে একজন গ্রেট কোচ।’
লিওঁর হয়ে এখনও মাঠে নামতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সম্পন্ন হয়নি এন্দ্রিকের। সব ঠিক থাকলে আগামী ১১ জানুয়ারি, লিলের বিপক্ষে ফ্রেঞ্চ কাপের ম্যাচে নতুন ক্লাবের হয়ে অভিষেক হতে পারে তাঁর।
৬ জানুয়ারি ২০২৬, ৩:৪০ পিএম

আগের বছরের শেষটা জয় দিয়ে রাঙিয়েছিল লেস্টার সিটি। টানা দুই পরাজয়ের পর ৩০ ডিসেম্বর জয়টা তাদের অবশ্যম্ভাবী ছিল। তবে নতুন বছরে আবারও হেরে শুরু করে পূর্ব মিডল্যান্ডসের ক্লাবটি। এমন অম্লমধূর অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়েই যাচ্ছে তারা। সোমবার রাতে আব্দুল ফাতাওয়ের শেষ মুহূর্তের গোলে জয়ে ফিরেছে লেস্টার। এদিন শুরুর একাদশ থেকে পুরো ৯০ মিনিট খেলেছেন লেস্টারের বাংলাদেশী মিডফিল্ডার হামজা চৌধুরী।
নিজেদের হোম ভেন্যু কিং পাওয়ার স্টেডিয়ামে ইংলিশ চ্যাম্পিয়নশিপের খেলায় ওয়েস্ট ব্রমউইচ আলবিয়নকে আতিথেয়তা দেয় লেস্টার সিটি। ম্যাচে ২-১ গোলে জয় পেয়েছে হামজাদের ক্লাব। ১৮ মিনিটে জর্ডান আইউর গোলে লিড নেয় লেস্টার। ৩৪ মিনিটে অতিথিদের সমতায় ফেরান কার্লান গ্রান্ট। নির্ধারিত সময়েও যখন সমতা, ড্র-ই ধরা হচ্ছিল ম্যাচের সম্ভাব্য ফল। তবে লেস্টারের ঘানার উইঙ্গার ফাতাওয়ের যোগ করা সময়ের ৪ মিনিটের গোলে গুরুত্বপূর্ণ তিন পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে মার্টি সিফুয়েন্তেসের দল।
এদিন পুরো ম্যাচে দারুণ খেলেছেন হামজা। রক্ষণে ৮টি ক্লিয়ারেন্স, দুটি ট্যাকল এবং একটি ব্লক করেন। প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়ের কাছ থেকে বল রিকভারি করেন আরও একবার। ৭৬ বার বলে স্পর্শ করে দুবার গোলের সুযোগও তৈরি করেন বাংলাদেশের ‘নম্বর এইট’।
২৬ ম্যাচে ১০ জয়, ৭ ড্র এবং ৯ পরাজয়ে ৩৭ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের ১২-তে লেস্টার সিটি। প্রিমিয়ার লিগের পদোন্নতির জন্য বাছাই খেলতে হলে থাকতে হবে পয়েন্ট টেবিলের সেরা ছয়ের মধ্যে। তালিকার ৬-এ থাকা ওয়াটফোর্ডের চেয়ে হামজারা ৪ পয়েন্ট পিছিয়ে। সমান ম্যাচে লেস্টারের চেয়ে ৬ পয়েন্ট কম নিয়ে তালিকার ১৮ নম্বরে ওয়েস্ট ব্রমউইচ। ৫২ পয়েন্ট নিয়ে চ্যাম্পিয়নশিপের শীর্ষে কভেন্ট্রি সিটি।

আফ্রিকা কাপ অব নেশনসের (আফকন) এর কোয়ার্টার-ফাইনালে পৌঁছেছে মিসর। শেষ ষোলোর রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে বেনিনকে ৩–১ গোলে হারিয়েছে ফারাওরা।
তবে নির্ধারিত সময় শেষে স্কোরলাইন ছিল ১-১। অতিরিক্ত সময়ের শেষ দিকে দুটি গোল করে নিজেদের দিকে ম্যাচের ফল টেনে নেয় আফ্রিকার সাতবারের চ্যাম্পিয়নরা। এর একটি এসেছে দলের অধিনায়ক ও তারকা ফরোয়ার্ড মোহাম্মদ সালাহর পা থেকে।
মরক্কোর মারাকেশে শুরু থেকেই ছিল জমজমাট লড়াই। দুই দলের রক্ষণভাগ ছিল সংগঠিত, মাঝমাঠে চলেছে তীব্র লড়াই। ফলে পরিষ্কার গোলের সুযোগ ছিল খুবই সীমিত। মিসরের আক্রমণের প্রাণভোমরা সালাহ ম্যাচের বড় অংশজুড়ে ছিলেন অনেকটাই নিষ্ক্রিয়। বেনিনের রক্ষণ তাকে ঘিরে ধরে খেলায় আক্রমণ শানাতে ভুগতে হয় ফারাওদের।
গোলশূন্য প্রথমার্ধের পর দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচে আসে কিছুটা গতি। ৬৮তম মিনিটে প্রথম গোলের দেখা পায় মিসর। বক্সের বাইরে থেকে মারওয়ান আতিয়ার নেওয়া জোরাল শট সরাসরি চলে যায় গোলপোস্টের ওপরের কোণে। নিখুঁত সেই শটে গোলরক্ষকের কিছুই করার ছিল না।
এই গোলের পর মনে হচ্ছিল, এক গোলই হয়তো যথেষ্ট হবে মিসরের জন্য। কারণ বেনিন আক্রমণে খুব একটা ছন্দ খুঁজে পাচ্ছিল না। তবে ফুটবল যে অনিশ্চয়তার খেলা, সেটিই প্রমাণ হয় ম্যাচের শেষ সাত মিনিটে।
জুনিয়র অলাইটানের একটি ক্রস বড় ধরনের ডিফ্লেকশনে দিক পরিবর্তন করে। মিসরের গোলকিপার মোহাম্মদ এল শেনাওয়ি বলটি পুরোপুরি ঠেকাতে না পারলে সামনে থাকা জোডেল দোসু সহজ সুযোগ কাজে লাগিয়ে সমতা ফেরান।
এরপর ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। ক্লান্তি সত্ত্বেও দুই দলই ভুল এড়িয়ে খেলতে থাকে। তবে শেষ পর্যন্ত ভাগ্য সহায় হয় মিসরেরই। একটি সেট পিস থেকে ইয়াসের ইব্রাহিম কাছ থেকে নেওয়া এক স্ট্রেচিং শটে বল জালে পাঠান। বেনিন গোলকিপার মার্সেল ডান্ডজিনু চেষ্টা করেও সেই বলের নাগাল পাননি।
ম্যাচের শেষ মিনিটে আসে সালাহর মুহূর্ত। দ্রুতগতিতে প্রতিপক্ষের রক্ষণ ভেঙে বক্সের বাইরে থেকে বাঁ পায়ের বাইরের অংশে নেওয়া কার্লিং শটে তিনি জাল খুঁজে নেন। গোলটি ছিল নান্দনিক। সেই সঙ্গে মিসরের জয় নিশ্চিত করার চূড়ান্ত ঘোষণা।
এই পরাজয়ে ২০১৯ সালের মতো এবার আর কোয়ার্টার-ফাইনালে ওঠা হয়নি বেনিনের। আর মিসরের সামনে এখন আরও বড় পরীক্ষা। কোয়ার্টারফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ হবে আইভরি কোস্ট অথবা বুরকিনা ফাসো।