১ মার্চ ২০২৬, ৭:০৪ পিএম

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণ অনিশ্চয়তা পড়েছে। ইতোমধ্যে দেশটির ঘরোয়া ফুটবল লিগ (পার্সিয়ান গালফ প্রো লিগ) স্থগিত করা হয়েছে। ফলে নতুন সংকটে পড়তে পারে আন্তর্জাতিক ফুটবলের নিয়ন্তা সংস্থা।
রবিবার ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তব্যে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দেশটির ফুটবল ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট মেহদি তাজ ।
মেহেদি তাজ জানান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান সামরিক সংঘাতের কারণে ইরানের বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
ইরান ইতিমধ্যে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে। সূচি অনুযায়ী, তাদের গ্রুপের তিনটি ম্যাচই হওয়ার কথা যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে। ১৫ জুন লস অ্যাঞ্জেলেসে ইরানের প্রতিপক্ষ নিউ জিল্যান্ড। ২১ জুন বেলজিয়ামের বিপক্ষে একই ভেন্যুতে ম্যাচ এবং ২৬ জুন সিয়াটলে মিসরের বিপক্ষে ম্যাচ ইরানের।
মেহদি তাজ বলেন, “আজ যা ঘটেছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর পরিস্থিতি বিবেচনায় বিশ্বকাপে অংশ নেওয়ার বিষয়টি এখন অনিশ্চিত। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে দেশের ক্রীড়া কর্তৃপক্ষ।”
যদি ইরান বিশ্বকাপ থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে বা টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করতে অক্ষম হয়, তাহলে ফিফার নিয়মাবলী অনুযায়ী একটি দলের পরিবর্তে ‘নির্ধারিত বিকল্প দলকে রাখা হবে, যা সাধারণত সংশ্লিষ্ট যোগ্যতার প্লে-অফের সরাসরি রানার-আপ বা সেই মহাদেশের উচ্চতম র্যাংকিংয়ে থাকা বিশ্বকাপে জায়গা নিশ্চিত করতে না পারা দল।
সেক্ষেত্রে ফিফার সামনে দুটি সম্ভাব্য সমাধান থাকতে পারে। সংযুক্ত আরব আমিরাত ইরানের পেছনে থেকে নিজেদের এশিয়ান গ্রুপে সর্বোচ্চ অবস্থানে থাকা অযোগ্য দল ছিল, পাশাপাশি তারা কনফেডারেশন প্লে-অফে ইরাকের কাছে হেরে যায়।
আরেকটি বিকল্প হতে পারে—বিশ্বকাপে ইরানের জায়গায় ইরাককে অন্তর্ভুক্ত করা এবং মার্চে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া আন্তঃমহাদেশীয় প্লে-অফে ইরাকের পরিবর্তে আমিরাতকে সুযোগ দেওয়া।
স্থানীয় ফুটবল লিগ স্থগিত কিংবা বিশ্বকাপ নিয়ে অনিশ্চিয়তা থাকলেও অস্ট্রেলিয়ায় শুরু হওয়া এএফসি এশিয়ান কাপে নাম প্রত্যাহার করেনি ইরান। আগামীকাল সোমবার নিজেদের প্রথম ম্যাচে মাঠে নামবে দেশটির মেয়েরা। তাদের প্রতিপক্ষ দক্ষিণ কোরিয়া।
No posts available.
৪ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০৫ এম

বিশ্বকাপের আগে ফুটবলে এক পরীক্ষামূলক বিপ্লবের সূচনা হতে যাচ্ছে। সহ-আয়োজক দেশ কানাডার ঘরোয়া ফুটবলে প্রথমবারের মতো ব্যবহার করা হবে নতুন এক অফসাইড নিয়ম- যা বিশ্ব ফুটবলে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিতে পারে।
শনিবার কানাডা প্রিমিয়ার লিগের নতুন মৌসুমের উদ্বোধনী ম্যাচ দিয়েই শুরু হবে নতুন নিয়মের এই পরীক্ষা। অন্টারিওর হ্যামিল্টনে ফোর্গ এফসির মুখোমুখি হবে গতবারের চ্যাম্পিয়ন অ্যাটলেটিকো ওটোয়া। এই ম্যাচেই প্রয়োগ করা হবে ফিফার প্রস্তাবিত ‘অল্টারনেটিভ অফসাইড’ নিয়ম।
নতুন এই নিয়মের মূল ভাবনা- আক্রমণভাগের খেলোয়াড়দের একটু বেশি স্বাধীনতা দেওয়া। যার ফলে সামান্য ব্যবধানে অফসাইডের ফাঁদে পড়ার আশঙ্কা কমে যাবে। উইঙ্গার, স্ট্রাইকার কিংবা অ্যাটাকিং মিডফিল্ডারদের এগিয়ে যাওয়াটা আরও সাহসী হবে।
ফোর্গের ফরোয়ার্ড ট্রিস্টান বোর্গেস মনে করেন, ‘এতে খেলোয়াড়রা আগের চেয়ে বেশি আত্মবিশ্বাস নিয়ে দৌড় দিতে পারবে। ডিফেন্ডারদেরও আরও সতর্ক থাকতে হবে। সব মিলিয়ে খেলাটা আরও রোমাঞ্চকর হবে।’
বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা বলছে, খেলার গতি বাড়ানো ও সময় নষ্ট কমানোর লক্ষ্য থেকেই এই ধারণার জন্ম। একই সঙ্গে দর্শকদের জন্য আরও আক্রমণাত্মক ফুটবল উপহার দেওয়ার কথাও ভাবা হয়েছে।
ফিফার গ্লোবাল ফুটবল ডেভেলপমেন্ট প্রধান আর্সেন ওয়েঙ্গার অফসাইডের নিয়মের এই পরীক্ষাকে গুরুত্বপূর্ণ পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে দেখছেন। তার ভাষায়, ‘পেশাদার প্রতিযোগিতায় এই নিয়ম পরীক্ষা করলে এর প্রভাব সম্পর্কে বাস্তব ধারণা পাওয়া যাবে।’
সম্প্রতি ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে উঠেছে। বিশেষ করে অফসাইডের সূক্ষ্ম সিদ্ধান্তে দীর্ঘ সময় খেলা বন্ধ থাকায় ম্যাচের গতি ব্যাহত হয়েছে, গোল উদযাপনে স্বতঃস্ফূর্ততাও কমেছে।
নতুন নিয়মটি সেই জটিলতা কমিয়ে দ্রুত ও পরিষ্কার সিদ্ধান্ত দেওয়ার লক্ষ্যেই তৈরি। তবে ইউরোপের কিছু মহলে এই পরিবর্তন নিয়ে আপত্তিও রয়েছে। সমালোচকদের আশঙ্কা, এতে ডিফেন্ডাররা আরও রক্ষণাত্মক হয়ে পড়তে পারেন, যা উল্টো খেলার গতিকে ধীর করে দিতে পারে।
২০১৯ সালে যাত্রা শুরু করা কানাডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ এখনও বিকাশমান। মহামারির ধাক্কা সামলে এখন ৮ দলের লিগ ধীরে ধীরে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। কানাডা ঐতিহ্যগতভাবে হকি-নির্ভর হলেও, বিভিন্ন লিগের প্রভাব ও আসন্ন বিশ্বকাপ আয়োজনের কারণে ফুটবলের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে দ্রুত।
এই লিগ গত বছর বিশ্বজুড়ে আলোচনায় আসে এক ব্যতিক্রমী ঘটনার জন্য- তুষারঝড়ের মাঝে অনুষ্ঠিত ফাইনালে এক দৃষ্টিনন্দন বাইসাইকেল কিক, যা পরিচিতি পায় “আইসিকল কিক” নামে।
এবার সেই লিগই হয়ে উঠছে বিশ্ব ফুটবলের সম্ভাব্য নতুন নিয়ম পরীক্ষার মঞ্চ। শনিবারের ম্যাচটি তাই শুধু মৌসুমের শুরু নয়- ভবিষ্যৎ ফুটবলের এক ঝলকও।

সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে গতকাল ভারতকে টাইব্রেকারে হারিয়ে শিরোপা জেতে বাংলাদেশ। সাফজয়ী ফুটবল দল আজ সন্ধ্যা ৬টা ৩৫ মিনিটে বাংলাদেশে পৌঁছাবে।
এ নিয়ে পরপর দুবার অনূর্ধ্ব-২০ সাফের শিরোপা জিতল বাংলাদেশ। এর আগে ২০২৪ সালে নেপালকে ১-০ গোলে হারিয়ে ট্রফি জিতেছিল লাল সবুজের তরুণেরা। শুক্রবার রাতে ভারতের সঙ্গে ফাইনালে টাইব্রেকারে ৪-৩ ব্যবধানে জেতে মার্ক কক্সের দল।
মালদ্বীপের মালের ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা শেষে কোনো দলই পায়নি গোলের দেখা। এরপর পেনাল্টিতে কিকে ভারতের প্রথম শট ঠেকিয়ে দেন বাংলাদেশের গোলকিপার ইসমাইল হোসেন মাহিন। পরে বাংলাদেশও একটি শট মিস করলে চার শট শেষে দুই দলের স্কোর ছিল ৩-৩।
শেষ শটে আবারও ভুল করে ভারত। আর বাংলাদেশের হয়ে ফাইনাল শট নিতে এসে কোনো ভুল করেননি রোনান সুলিভান। পানেনকা শটে ভারতের গোলকিপার সুরাজ সিংকে পরাস্ত করেন যুক্তরাষ্ট্রের ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়ন একাডেমিতে খেলা রোনান। প্রতিযোগিতায় সেরা গোলকিপারের পুরস্কার জিতেছেন মাহিন।

বয়স ৪১ হলেও ধার কমেনি ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর। হ্যামস্ট্রিংয়ের চোট কাটিয়ে এক মাস পর মাঠে ফিরেই নিজের জাত চেনালেন পর্তুগিজ মহাতারকা।
শুক্রবার রাতে সৌদি প্রো লিগে আল নাজমার বিপক্ষে জোড়া গোল করে আল নাসরকে ৫-২ ব্যবধানের বিশাল জয় উপহার দিয়েছেন রোনালদো।
এই জয়ের ফলে আল হিলালের চেয়ে ৬ পয়েন্টে এগিয়ে গেল লিগ টেবিলের শীর্ষে থাকা আল নাসর।
আরও পড়ুন
| চ্যাম্পিয়ন দলকে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর আর্থিক পুুরস্কার ঘোষণা |
|
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আল ফায়হার বিপক্ষে ম্যাচে চোট পেয়ে মাঠ ছেড়েছিলেন রোনালদো। এরপর চিকিৎসার জন্য স্পেনে গিয়ে তিন সপ্তাহের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শেষ করে সৌদিতে ফেরেন তিনি।
ঘরের মাঠ আল আউয়াল পার্কে ম্যাচের ৫৬ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে নেন রোনালদো। এরপর ৭৩ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় এবং দলের চতুর্থ গোল করেন।
এই জোড়া গোলের পর রোনালদোর ক্যারিয়ার গোল সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৬৭ তে। ফুটবল ইতিহাসের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ১০০০ গোলের মাইলফলক ছোঁয়ার পথে এখন মাত্র ৩৩ গোল দূরে আছেন তিনি।
সৌদি প্রো লিগে চলতি মৌসুমে সর্বোচ্চ গোলদাতার দৌড়েও রোনালদো বেশ ভালো অবস্থানে আছেন। বর্তমানে ইভান টোনির চেয়ে মাত্র ২ গোল পিছিয়ে থেকে গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে তিন নম্বরে রয়েছেন তিনি।
আরও পড়ুন
| ইসলামবিদ্বেষ নিয়ে কড়া বার্তা হান্সি ফ্লিকের |
|
রোনালদোর প্রত্যাবর্তনের রাতে উজ্জ্বল ছিলেন চোট কাটিয়ে ফেরা সাদিও মানেও। ম্যাচের দুই অর্ধে ইনজুরি টাইমে গোল করে তিনিও জোড়া পূর্ণ করেন। আল নাসরের হয়ে অন্য গোলটি করেন আব্দুল্লাহ আল হামদান।
এই জয়ের পর ২৭ ম্যাচে আল নাসরের সংগ্রহ এখন ৭০ পয়েন্ট। এক ম্যাচ কম খেলে ৬৪ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে আল হিলাল। আজ আল তাওয়ানের বিপক্ষে জিতে ব্যবধান কমানোর সুযোগ রয়েছে হিলালের সামনে।

টানা দ্বিতীয়বারের মতো সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জিতল বাংলাদেশ। মালদ্বীপের মালের জাতীয় স্টেডিয়ামে শুক্রবার রাতের ফাইনালে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতকে টাইব্রেকারে ৪-৩ গোলে হারিয়ে শিরোপা ধরে রাখে লাল সবুজের তরুণরা।
ম্যাচ শেষে তাত্ক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় অধিনায়ক মিঠু চৌধুরী দলের লড়াকু মানসিকতার কথাই তুলে ধরেন,
'আমি চার বছর ধরে এটা চাচ্ছি। আল্লাহ আমাদের দিয়েছে। আমি একজনকে মিস করছি, আমার বন্ধু আশিক। ও থাকলে ভালো হতো। আমি এই ট্রফি তাঁকে উৎসর্গ করতে চাই।'
দেশের বাইরে খেলেছে বাংলাদেশ। তবে গ্যালারিতে বাংলাদেশী সমর্থকদের ৯০ মিনিটের উল্লাসে খেলোয়াড়দের কাছে মনে হয়নি তারা দেশ থেকে অনেক দূরে আছেন। তাই সমর্থকদের প্রশংসা করে মিঠু বলেন,
'ফ্যানরা আমাদের অনেক সাপোর্ট দিয়েছে। তাদের সাপোর্টের কারণে আমরা চ্যাম্পিয়ন হতে পেরেছি। নেক্সট টাইম আমরা আরও ফ্যান চাইবো এবং আরও চ্যাম্পিয়ন হতে চাই।'
নির্ধারিত ৯০ মিনিটে গোলশূন্য থাকার পর ফাইনাল গড়ায় পেনাল্টি শু্যটে। যেখানে ভারতের প্রথম শট ঠেকিয়ে দেন গোলকিপার মাহিন। খেলা শেষের প্রতিক্রিয়ায় মোহামেডান গোলকিপার বলেন,
'অসাধারণ। আমার কাছে মনে হয়েছে ২০ কোটি মানুষের স্বপ্ন রক্ষা করতে পেরেছি।'
অনূর্ধ্ব-২০ এর সদস্য মোর্শেদ বলেন,
'এক্সাইটেড ছিলাম, খুবই এক্সাইটেড। কি বলব! কিছু বলার ভাষা নেই। দেশবাসীর সঙ্গে দেখা হচ্ছে।'
আবদুল রিয়াদ ফাহিম তাঁর প্রতিক্রিয়ায় বলেন,
'স্বপ্নের ফাইনাল, আলহামদুলিল্লাহ। সবার আগে আল্লাহর কাছে লাখ লাখ শুকরিয়া যে আমরা চ্যাম্পিয়ন হতে পেরেছি। আজকের জয় আমরা দেশবাসীকে উৎসর্গ করলাম।'

মালদ্বীপের ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে আজ সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ভারতকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছে বাংলাদেশ। চ্যাম্পিয়ন দলকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। সেই সঙ্গে তাদেরকে আর্থিকভাবে পুরস্কারের ঘোষণাও দিয়েছেন তিনি। কক্সবাজারে বসে প্রতিমন্ত্রী ফাইনাল খেলা দেখেছেন বলে জানা যায়।
শুক্রবার ফাইনালে আজ ভারতকে (৪)০-০(৩) ব্যবধানে হারায় বাংলাদেশ। সর্বশেষ ২০২৪ সালে নেপালকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। এবার ভারতকে হারিয়ে শিরোপা ধরে রাখে লাল সবুজের প্রতিনিধিরা। তবে অনূর্ধ্ব-১৯ ক্যাটাগরিতে গতবছর ভারতের কাছে পেনাল্টিতে হেরে স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল লাল সবুজের প্রতিনিধিদের। সেই ফাইনালের শোধও আজ নেওয়া হলো বাংলাদেশের।
পুরুষদের বয়সভিত্তিক সাফে বাংলাদেশের জেতা দুটি শিরোপাই এসেছে অনূর্ধ্ব-২০ ক্যাটাগরিতে। অনূর্ধ্ব-১৮-তে দুইবার এবং অনূর্ধ্ব-১৯-এ একবার ফাইনালে উঠেও শিরোপা জিততে পারেনি বাংলাদেশ। সেই হতাশা এবার মালদ্বীপে কিছুটা হলেও কাটল মোর্শেদ, সুলিভান ব্রাদার্স ও নাজমুল ফয়সালদের হাত ধরে।