১১ জানুয়ারি ২০২৬, ২:২৯ পিএম

রিয়াল মাদ্রিদের কোচ জাবি আলোনসোর ভবিষ্যৎ আপাতত কিছুটা স্থিতিশীল মনে হলেও—বার্সেলোনার বিপক্ষে স্প্যানিশ সুপার কাপ ফাইনাল তাঁর জন্য নতুন করে চাপ তৈরি করতে পারে। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম নির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাতে প্রতিবেদন করেছে, এল ক্লাসিকোতে যদি বড় ব্যবধানে হারতে হয়, তবে আলোনসোর চাকরি ঝুঁকিতে পড়তে পারে।
সম্প্রতি সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে টানা পাঁচ ম্যাচ জিতে কিছুটা স্বস্তি পেয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। বিশেষ করে সুপার কাপের সেমিফাইনালে আতলেতিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে জয় আলোনসোর প্রতি বোর্ডের আস্থাও বাড়িয়েছে। এমনকি গতকাল বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়, বার্সেলোনার বিপক্ষে হারলেও তাঁকে বরখাস্ত করা হবে না, কারণ দল ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে।
তবে বিষয়টি এতটা সহজ নয় বলে জানিয়েছে স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ডিরেক্টো গোল। তাদের প্রতিবেদন, আলোনসোর ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে বার্সেলোনার কাছে হারের ব্যবধানের ওপর। হার হলে কতটা বড় ব্যবধানে হারছে রিয়াল—সেটাই হয়ে উঠতে পারে সিদ্ধান্তের মূল বিষয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, যদি গত মৌসুমের মতো কোনো ম্যাচে বড় ব্যবধানে হারে লস ব্লাঙ্কোস, তবে সেটিই হতে পারে আলোনসোর শেষ ম্যাচ। অর্থাৎ হার মানেই বিদায় নয়, কিন্তু ‘ভারী হার’ হলে কোচের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে ভাবতে পারে ক্লাব কর্তৃপক্ষ।
‘ভারী হার’ বলতে ঠিক কত গোলের ব্যবধান বোঝানো হচ্ছে, সেটি অবশ্য পরিষ্কার নয়। তবে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর ইতিহাস বিবেচনায় ধরে নেওয়া হচ্ছে—রিয়াল যদি লড়াই ছাড়াই চার বা তার বেশি গোল হজম করে, সেটিকে বড় হার হিসেবে দেখা হতে পারে।
সবকিছু মিলিয়ে ফাইনালের আগে রিয়াল মাদ্রিদের ড্রেসিংরুমে এর কোনো প্রভাব নেই বলেই জানা গেছে। খেলোয়াড়দের মধ্যে আত্মবিশ্বাস রয়েছে, টানা দ্বিতীয়বারের মতো বার্সেলোনাকে হারিয়ে শিরোপা জয়ের বিশ্বাসও আছে। তবে মাঠের ফলই শেষ পর্যন্ত ঠিক করে দেবে¬¬—জাবি আলোনসোর ভবিষ্যৎ কতটা নিরাপদ।
No posts available.
১১ জানুয়ারি ২০২৬, ১:৫৯ পিএম

আরও একবার এল ক্লাসিকোতে
মুখোমুখি বার্সেলোনা ও রিয়াল মাদ্রিদ। স্প্যানিশ সুপার কোপার ম্যাচটিতে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী
দুই দলের অভিন্ন লক্ষ্য হলেও হ্যান্সি ফ্লিকদের কাছে এটি শোধ নেওয়ার উপলক্ষ। মৌসুমের
প্রথম এল ক্লাসিকোতে হারের বদলা নেওয়ার সুযোগ কাতালানদের। অন্যদিকে জাবি আলোনসোও খুব
করে চাইবেন লস ব্লাঙ্কোসদের হয়ে কোনো বিগ ম্যাচ জয়ে রাঙাতে।
সৌদি আরবের কিং আবদুল্লাহ
স্পোর্টস সিটিতে আজ বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় শুরু হবে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই দলের লড়াই।
সুপার কোপার সেমিফাইনালে রিয়াল মাদ্রিদ হারিয়েছিল আতলেতিকো মাদ্রিদকে। আর বার্সেলোনার
কাছে বড় ব্যবধানে হেরেছিল আতলেতিকো বিলবাও।
২০২৫–২৬ মৌসুমে একবারই মুখোমুখি হয়েছিল রিয়াল ও বার্সেলোনা। গত বছরের ২৬ অক্টোবর
লা লিগার দশম রাউন্ডে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুর সেই ম্যাচে ২–১ গোলে হেরেছিল অতিথিরা।
এরপর থেকেই বীরদর্পে ছুটছে
বার্সা। ১৪ ম্যাচের ১২টিতেই জিতেছে তারা। একটি করে ম্যাচ জিতেছে ও হেরেছে তারা। বাকি
সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে টানা ৯ ম্যাচে অপরাজিত বার্সেলোনা।
কিছুটা লাইনচ্যুত রিয়াল।
১৪ ম্যাচের ৮টিতে জিতেছে বার্নাব্যুর ক্লাব। তিনটি ম্যাচে হেরেছে এবং তিনটি ড্র করেছে
তারা। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে সবশেষ টানা ৫ ম্যাচে অপরাজিত রিয়াল।
সুপার কোপার ফাইনাল আলোনসোর
জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই প্রথম মাদ্রিদের ক্লাবের হয়ে কোনো প্রতিযোগিতার ফাইনালে
ডাগআউটে দাঁড়াবেন তিনি। এটি তার জন্য বড় পরীক্ষাও বটে। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যমগুলোর
প্রতিবেদন বলছে, এল ক্লাসিকোতে যদি বড় ব্যবধানে হারতে হয়, তবে আলোনসোর চাকরি ঝুঁকিতে
পড়তে পারে।
এর মধ্যে রিয়াল মাদ্রিদে
চোট সমস্যা গুরুতর। নতুন করে চোট পাওয়ায় এই ম্যাচে খেলতে পারবেন না ফরাসি ডিফেন্ডার
ফেরলান্দ মেন্দি। ম্যাচ-পূর্ববর্তী সবশেষ অনুশীলনে ছিলেন না তিনি। একই অনুশীলন সেশনে
অনুপস্থিত ছিলেন ট্রেন্ট আলেকজান্ডার-আর্নল্ডও।
কিলিয়ান এমবাপেকেও পাওয়ার
সম্ভাবনা নেই। এর আগেও ফরাসি ফরোয়ার্ডকে নিয়ে কোচ জানিয়েছিলেন, তিনি ফিরছেন লড়াইয়ের
মধ্য দিয়েই। লা লিগায় সর্বোচ্চ গোল এমবাপের—১৮টি গোল করেছেন তিনি।
এমবাপেকে নিয়ে আলোনসো বলেছেন,
‘আগে বুঝতে হবে আমরা কী জন্য খেলছি, ঝুঁকির মাত্রাটা মাপতে হবে। এরপরই সিদ্ধান্ত নেব। কিন্তু আত্মঘাতী কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না দল।’
পেদ্রি, রাফিনিয়া ও জোয়ান
গার্সিয়া সম্প্রতি চোট কাটিয়ে দলে সক্রিয়। সবশেষ পাঁচ ম্যাচে ক্লিনশিট ধরে রেখেছেন
গার্সিয়া—বার্সার জন্য যা বড় পাওয়া। এর সঙ্গে লামিন ইয়ামাল,
দানি ওলমো ও ফেরান তোরেস আছেন পূর্ণদমে।
যদিও হ্যান্সি ফ্লিক এমবাপেকে নিয়ে বলেছেন,
‘এমবাপেকে নিয়ে আলাদা করে ভাববে না বার্সেলোনা। গত এক–দেড় বছরে আমরা কতগুলো এল ক্লাসিকো খেলেছি? হেরেছি মাত্র একটিতে।’
ফরাসি ফরোয়ার্ডের প্রশংসা করতেও ভুলেননি ফ্লিক। তিনি বলেন,
‘সে দুর্দান্ত, সেটা আমি ভালোভাবেই জানি। কিন্তু বিশ্বের অন্যতম সেরা দলের বিপক্ষে খেলতে হলে মানিয়ে নিতে হয়। শুধুমাত্র এমবাপের বিপক্ষেই তো ম্যাচ হয় না।’

বার্সেলোনার বিপক্ষে স্প্যানিশ
সুপার কাপের ফাইনালের আগে বড় দুশ্চিন্তায় পড়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। নতুন করে চোট পাওয়ায়
এই ম্যাচে খেলতে পারবেন না দলের ফরাসি ডিফেন্ডার ফেরলান্দ মেন্দি। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যমের
প্রতিবেদন, অস্বস্তির কারণে দলের সঙ্গে সবশেষ অনুশীলনেও অংশ নেননি তিনি।
ম্যাচের আগের দিন রিয়ালের
অনুশীলনে অনুপস্থিত ছিলেন মেন্দি। তারপরই তাঁর ফাইনালে খেলা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়। শেষ
পর্যন্ত স্প্যানিশ রেডিও নেটওয়ার্ক কোপে জানিয়েছে, বার্সেলোনার বিপক্ষে আজকের ফাইনালের
দলেই থাকছেন না এই লেফটব্যাক। একই অনুশীলন সেশনে অনুপস্থিত ছিলেন ট্রেন্ট আলেকজান্ডার-আর্নল্ডও,
যা কোচ জাবি আলোনসোর রক্ষণভাগের বিকল্প কমিয়ে দিয়েছে।
যদিও মেন্দির অনুপস্থিতিকে
বড় ধাক্কা হিসেবে দেখছেন না অনেকে। চলতি মৌসুমজুড়েই চোটের সঙ্গে লড়াই করতে হয়েছে তাঁকে।
আলোনসোর পরিকল্পনায়ও খুব বেশি নিয়মিত ছিলেন না মেন্দি। পুরো ফিট থাকলেও এই ম্যাচে তাঁর
শুরু থেকে খেলার সম্ভাবনা কম ছিল। লেফটব্যাক পজিশনে তাঁর চেয়ে এগিয়ে আছেন আলভারো কারেরাস
ও ফেরান গার্সিয়া।
তবে নতুন এই চোট মেন্দির
ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন আরও জোরালো করেছে। একের পর এক চোটের কারণে রিয়াল মাদ্রিদ নাকি
তাকে নিয়ে প্রস্তাব শুনতে রাজি—এমন খবরও ইউরোপিয়ান ফুটবলে ঘুরছে। যদিও সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে
মেন্দির চুক্তির মেয়াদ এখনো আছে ২০২৮ সাল পর্যন্ত।
এই মুহূর্তে রিয়ালের নজর
মেন্দির চোটের ধরন ও গুরুতরত্বের দিকে। কতদিন মাঠের বাইরে থাকতে হবে, সেটাই ঠিক করে
দেবে সামনে তার ভূমিকা। আর সুপার কাপ ফাইনালে রিয়ালকে নামতে হচ্ছে তাকে ছাড়াই—এটাই
এখন নিশ্চিত।

এফএ কাপের তৃতীয় রাউন্ডে ঘরের মাঠে রীতিমতো গোল উৎসব করেছে ম্যানচেস্টার সিটি। শনিবার রাতে ইএফএল লিগ ওয়ানের ক্লাব এক্সেটার সিটির বিপক্ষে কোনোরকমের দয়া দেখায়নি পেপ গার্দিওয়ালার দল।
একতরফা ম্যাচে একের পর এক গোল করে ১০-১ ব্যবধানের বড় জয় পেয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি। এই জয়ে এফএ কাপের চতুর্থ রাউন্ডে উঠেছে তারা।
ম্যান সিটির বিশাল ব্যবধানের এই জয়ে যেসব রেকর্ড হয়েছে-
৯২ বছরের রেকর্ড স্পর্শ
এফএ কাপে ম্যানচেস্টার সিটির ৯২ বছরের ইতিহাসে যৌথভাবে সবচেয়ে বড় ব্যবধানের জয় এটি। ১৯৩২-৩৩ মৌসুমে গেটসহেডের বিপক্ষে ৯-০ গোলে জিতেছিল তারা।
যৌথভাবে সবচেয়ে বড় জয়
সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ১৯৮৭ সালে হাডার্সফিল্ড টাউনের বিপক্ষে ১০-১ গোলের জয়ের রেকর্ডকে স্পর্শ করেছে এই ফলাফল, ক্লাব ইতিহাসে যৌথভাবে সবচেয়ে বড় জয়।
১৯৬০ সালের পর প্রথম
১৯৬০ সালের পর এই প্রথম ইংলিশ ফুটবলের শীর্ষ স্তরের কোনো দল এফএ কাপের একটি ম্যাচে ১০ বা তার বেশি গোল করল। এর আগে ১৯৬০ সালের ফেব্রুয়ারিতে ক্রুকে ১৩-২ গোলে হারিয়েছিল টটেনহ্যাম হটস্পার।
১৯৮৬ সালের পর প্রথম
ইংলিশ শীর্ষস্তরের কোনো দল প্রায় ৩০ বছর পর এক ম্যাচে ১০ বা তার বেশি গোল করল। এর আগে এমন কীর্তি গড়েছিল লিভারপুল। ১৯৮৬ সালের সেপ্টেম্বরে লিগ কাপের ম্যাচে ফুলহ্যামকে ১০-০ গোলে হারিয়েছিল তারা।
গার্দিওলার অধীনে প্রথম
কোচ পেপ গার্দিওলার কোচিং ক্যারিয়ারে এই প্রথম কোনো দল প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে ১০ বা তার বেশি গোল করেছে।
অভিষেকে গোল ও অ্যাসিস্ট
দলে যোগ দিয়ে অভিষেকেই গোল পেয়েছেন আন্তোন সেমেনিও। বোর্নমাউথ থেকে ৬৫ মিলিয়ন পাউন্ডে শুক্রবার দলে যোগ দিয়ে সরাসরি একাদশে জায়গা পাওয়া এই ফরোয়ার্ড দ্বিতীয়ার্ধে একটি গোলের পাশাপাশি একটি গোলে সহায়তা করেন। ২০১১ সালে সার্জিও আগুয়েরোর পর প্রথম সিটি খেলোয়াড় হিসেবে তিনি এই কৃতিত্ব দেখালেন।

ভিক্টর ওসিমেন ও আকোর আদামসের গোলে আফ্রিকা কাপ অফ নেশন্সের (আফকন) সেমিফাইনালে উঠেছে নাইজেরিয়া। কোয়ার্টার ফাইনালে শনিবার রাতে আলজেরিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়ে শেষ চার নিশ্চিত করে সুপার ঈগলসরা।
শনিবার রাতে মরক্কোর মারাকেশে শুরুতেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছিল নাইজেরিয়ার দখলে। প্রথমার্ধে একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও গোলের দেখা পায়নি তারা। বিরতির ৮ মিনিট আগে দারুণ একটি সুযোগ নষ্ট করেন আকোর আদামস; তাঁর বাঁকানো শট অল্পের জন্য গোলবারের ওপর দিয়ে যায়।
দ্বিতীয়ার্ধ শুরুর পরই লিড পায় নাইজেরিয়া। ৪৭ মিনিটে ব্রুনো ওনিয়েমেচির বাড়ানো ক্রসে হেডে গোল করেন ওসিমেন। এটি ছিল চলতি টুর্নামেন্টে তাঁর চতুর্থ গোল।
আরও পড়ুন
| সালাহর গোলে জয়, আফকন সেমিফাইনালে মিশর |
|
১০ মিনিট পর ব্যবধান দ্বিগুণ করেন আকোর আদামস। মাঝমাঠে দারুণ আক্রমণ সাজিয়ে ওসিমেনের বাড়ানো বল পেয়ে আলজেরিয়ার গোলকিপার লুকা জিদানেকে কাটিয়ে সহজেই বল জালে পাঠান তিনি।
শেষ দিকে ব্যবধান আরও বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিল নাইজেরিয়া। ৮১ মিনিটে ওসিমেনের ক্রসে হেড করেছিলেন আদামস, কিন্তু বল গিয়ে লাগে গোলপোস্টে।
পুরো ম্যাচে আলজেরিয়াকে চাপে রেখেছিল নাইজেরিয়ার রক্ষণভাগ। দলের সবচেয়ে বড় তারকা রিয়াদ মাহরেজও ছিলেন অনেকটাই নিষ্প্রভ। শেষ পর্যন্ত এক ঘণ্টা পর মাঠ ছাড়তে হয় তাঁকে। ম্যাচের আগেই মাহরেজ জানিয়েছিলেন, এটিই তাঁর শেষ আফকন।
সেমিফাইনালে বুধবার স্বাগতিক মরক্কোর মুখোমুখি হবে নাইজেরিয়া। চতুর্থ শিরোপার স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখতে হলে এবার স্বাগতিকদের হারাতে হবে সুপার ঈগলসদের।

মোহাম্মদ সালাহর দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে আইভরি কোস্টকে হারিয়ে আফ্রিকা কাপ অফ নেশন্সের (আফকন) সেমিফাইনালে উঠেছে মিশর।
কোয়ার্টার ফাইনালে রোমাঞ্চকর ম্যাচে বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের ৩-২ গোলে হারায় সাতবারের শিরোপাজয়ীরা। ম্যাচে নিজে এক গোল করার পাশাপাশি গোলে সহায়তাও করেন সালাহ।
শনিবার রাতে মরক্কোর আগাদিরে ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল মিশর। চতুর্থ মিনিটে দুর্দান্ত গোল করে দলকে এগিয়ে দেন ওমর মারমুশ। এরপর ম্যাচে আর পিছিয়ে পড়তে হয়নি ফারাওদের।
৩২ মিনিটে সালাহর কর্নার থেকে হেডে গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন রামি রাবিয়া। ৪০ মিনিটে বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজেদের জালেই বল জড়ান আহমেদ ফাতুহ।
আরও পড়ুন
| ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে ফিরছে ফুটবল লিগের খেলা |
|
দ্বিতীয়ার্ধ শুরুর ৭ মিনিট পর আবার দুই গোলের লিড পায় মিশর। ইমাম আশুরের বাড়ানো বলে ঠাণ্ডা মাথায় গোল করেন সালাহ। চলতি টুর্নামেন্টে এটি ছিল তাঁর চতুর্থ গোল। সব মিলিয়ে আফকনে লিভারপুল তারকার গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১টিতে।
৭৩ মিনিটে বক্সে জটলা থেকে গ্যুয়েলা দুয়ের গোলে ব্যবধান কমায় আইভরি কোস্ট। শেষ দিকে চাপ বাড়ালেও সমতা ফেরাতে পারেনি তারা।
এই জয়ে আফকনে আইভরি কোস্টের বিপক্ষে নিজেদের আধিপত্য আরও জোরালো করল মিশর। টুর্নামেন্টে দুদলের ১২ দেখায় মিশরের হার মাত্র একবার।
সেমিফাইনালে বুধবার রাতে সেনেগালের বিপক্ষে মাঠে নামবে মিশর। ২০২১ সালের আফকন ফাইনালে টাইব্রেকারে সেনেগালের কাছেই হেরেছিল তারা।