
ক্লাবের ইতিহাসের অন্যতম সফল কোচ হওয়ার মতো সবকিছুই করেছেন তিনি। তাঁর কোচিংয়ে একের পর এক শিরোপাও জিতেছে দল। এমনকি শেষ ম্যাচে প্রতিপক্ষকে ৮-০ গোলে বিধ্বস্তও করে ফ্লামেঙ্গো। আর এমন কোচকেই কি না বহিষ্কার করল ব্রাজিলের ক্লাবটি!
ফ্লামেঙ্গো থেকে বহিষ্কার হয়েছেন ফিলিপে লুইস। ব্রাজিলিয়ান ক্লাবটির কোচের অধীনে শেষ ক্যাম্পেওনাতো ক্যারেওকা-র সেমিফাইনালে। যে ম্যাচে মাদুরেইরাকে ৮-০ উড়িয়ে দেয় ফ্লামেঙ্গো। আর ফাইনালের ওঠার কয়েক ঘণ্টা পরই চাকরি হারানোর বিষয়টি নিশ্চিত হন ৪০ বছর বয়সী ফিলিপে লুইস।
ফিলিপেকে বহিষ্কার করার বিবৃতিতে ফ্লামেঙ্গো জানায়, ‘ফিলিপে লুইস আর পেশাদার দলের দায়িত্বে থাকছেন না। তার সঙ্গে সহকারী কোচ ইভান পালাঙ্কো এবং ফিটনেস ট্রেনার দিয়োগো লিনহারেসও ক্লাব ছাড়ছেন।’ ফ্লামঙ্গোতে ফিলিপের অবদানের ধন্যবাদ জানিয়ে ক্লাবটির পক্ষ থেকে আরও বল হয়, ‘সাবেক খেলোয়াড় ও কোচ ফিলিপে লুইসকে এই যাত্রায় অর্জিত সাফল্য ও অবদানের জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছে ফ্লামেঙ্গো। তার পেশাদার ক্যারিয়ারের পরবর্তী অধ্যায়ের জন্য ক্লাব শুভকামনা জানাচ্ছে।’
সাবেক চেলসি ডিফেন্ডার ফিলিপে লুইস ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে ফ্লামেঙ্গোর দায়িত্ব নেন। ক্লাবটির হয়ে ডাগ-আউটে ১০০ ম্যাচে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। এই সময়ে ফ্লামেঙ্গোকে জিতিয়েছেন সাতটি শিরোপা¬—গড়ে প্রতি ১৪ ম্যাচে একটি করে ট্রফি।
তবে নতুন বছরে মুদ্রার উল্টো পিঠ দেখা শুরু করে ফ্লামেঙ্গো। ২০২৬ সালে টানা দুটি ফাইনালে হেরে যায় ফ্লামেঙ্গো। সুপার কোপ ব্রাজিল এবং রিকোপা সুদামেরিকানো টুর্নামেন্টে-এ রানার্সআপ হয়।
সোমবার রাতে ক্যাম্পেওনাতো ক্যারেওকা-র সেমিফাইনালে দ্বিতীয় লেগে ৮-০ জয়ের মাধ্যমে মাদুরেইরার বিপক্ষে দুই লেগ মিলিয়ে ১১-০ ব্যবধানে জিতে ফাইনালের টিকিট কাটে ফ্লামেঙ্গো। ফলে টানা তৃতীয়বারের মতো ক্যারিওকা শিরোপা জয়ের সুযোগ তৈরি হয় তাদের সামনে। রোববারের ফাইনালে প্রতিপক্ষ ফ্লামেনেন্সে। কিন্তু সেই ফাইনালে লুইস আর ডাগআউটে থাকবেন না।
লুইস ফিলিপে খেলোয়াড়ি জীবনে হোসে মরিনিয়ো-র অধীনে ২০১৫ সালে চেলসির হয়ে প্রিমিয়ার লিগ জেতেন। কোচিং ক্যারিয়ারেও একের পর এক চমক দেখাতে থাকেন তিনি। ২০২৫ সালে তার অধীনেই ফ্লামেঙ্গো জেতে কোপা লিবার্তাদোরেস। এর আগে তিনি ২০১৯ ও ২০২২ সালে খেলোয়াড় হিসেবে ফ্লামেঙ্গোর হয়ে লিবার্তাদোরেস জিতেছিলেন।
এছাড়া ফিলিপের কোচিংয়ে ফ্লামেঙ্গো আরও জেতে ব্রাজিলিয়ান সিরি আ, কোপা দো ব্রাজিল, সুপারকোপা দো ব্রাজিল, ক্যাম্পেওনাতো কারিওকা, ফিফা চ্যালেঞ্জার কাপ এবং ফিফা ডার্বি অব দ্য আমেরিকাস। এর আগে তিনি ফ্লামেঙ্গোর অনূর্ধ্ব-১৭ ও অনূর্ধ্ব-২০ দলকেও লিগ শিরোপা জেতান। লুইস ১০১ ম্যাচে দায়িত্ব পালন করে ৬৪টি জয় ও মাত্র ১৫টি হার নিয়ে বিদায় নিচ্ছেন, যা অনেক অভিজ্ঞ কোচের কাছেও ঈর্ষণীয়।
চলতি মৌসুমে লিগ টেবিলে ফ্লামেঙ্গোর অবস্থান ১১তম। প্রথম তিন ম্যাচে তারা একটি করে জয়, ড্র ও হার পেয়েছে। এক ম্যাচ বেশি খেলা পালমেইরাস শীর্ষে আছে।
২০২৬ মৌসুমের শুরু থেকেই সম্পর্কের টানাপোড়েন স্পষ্ট হয়ে ওঠে। মাদুরেইরার বিপক্ষে বড় জয়ের আগে ফ্লামেঙ্গো সুপারকোপা দো ব্রাসিলে করিন্থিয়ান্সের বিপক্ষে এবং লানুসের কাছে কনমেবল রিকোপায় হেরেছে। বছরের শুরুতেই শিরোপা হাতছাড়া হওয়ায় সমর্থকদের মধ্যে অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়ে।
৮-০ জয়ের ম্যাচেও গ্যালারি থেকে কিছু সমর্থক খেলোয়াড়দের উদ্দেশে ‘লজ্জাহীন’ স্লোগান দেন। শেষ সংবাদ সম্মেলনে লুইস সমালোচনা এড়িয়ে যাননি। তিনি বলেন, ‘আগামীকাল আমি এখানে না থাকলেও, ফ্লামেঙ্গোর প্রতি আমার ভালোবাসা চিরকাল থাকবে। এবং আমি বিশ্বাস করি সমর্থকদের পক্ষ থেকেও তা থাকবে।’
রিও ডি জেনেইরোতে সাত বছরের সম্পর্কের কথা স্মরণ করে আবেগাপ্লুত লুইস বলেন, ‘আমি নিঃসন্দেহে এখানে আমার জীবনের সেরা সময় কাটিয়েছি।’
No posts available.
৩ মার্চ ২০২৬, ২:৫৮ পিএম
৩ মার্চ ২০২৬, ১:৩৭ পিএম
৩ মার্চ ২০২৬, ১:১২ পিএম

এশিয়ান কাপে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল খেলছে নিজেদের ইতিহাসের প্রথম ম্যাচ। সেই ম্যাচে প্রতিপক্ষ ৯বারের এবং বর্তমান চ্যাম্পিয়ন চীন। প্রতিযোগিতার সবচেয়ে সফল দলটিকে প্রথমার্ধে প্রায় আটকেই রেখেছিল বাংলাদেশ। তবে শেষ দিকে খেই হারিয়ে জোড়া গোল হজম করে বিরতিতে গেছে পিটার বাটলারের দল।
প্রতিযোগিতার সবচেয়ে সফল দলটির বিপক্ষে সিডনির ওয়েস্টার্ন স্টেডিয়ামে আজ ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে মাঠে নামে বাংলাদেশ। আক্রমণের গোলা সামলে সুযোগ বুঝে বাংলাদেশও উঠেছে প্রতিপক্ষের সীমানায়। গোল পেতে পারতেন বাংলাদেশের পোস্টার গার্ল ঋতুপর্ণা চাকমা। নিজেদের সর্বোচ্চটা নিংড়ে দেওয়া বাংলাদেশের মেয়েরা প্রথমার্ধ দারুণ খেলেছে।
শুরুতেই মুহুর্মহু আক্রমণে বাংলাদেশের রক্ষণে চিড় ধরানোর চেষ্টায় মেতে উঠে চীনের মেয়েরা। ৫ মিনিটের মধ্যে দুই-তিনবার গোলের সুযোগও পেয়ে যায় দলটি। কখনও শট লক্ষ্যে থাকেনি, কখনও ফাঁকা জায়গায় পেয়েও সময় মতো শট নিতে পারেনি তারা। বাংলাদেশের ডিফেন্ডাররা দারুণ ছিলেন এ সময়। বিশেষকরে নবিরন খাতুন, কোহাতি কিসকুরা।
আরও পড়ুন
| চীনের বিপক্ষে নেই স্বপ্না-তহুরা, অভিষেকের অপেক্ষায় সুইডেনপ্রবাসী আনিকা |
|
১২ মিনিটে মিলির দারুণ সেভে রক্ষা। বক্সে দুরুহ কোন থেকে জোরালো শট নেন চীনের ওয়াং শুয়াং। বাঁ দিকে লাফিয়ে সেভ করেন মিলি। প্রতিপক্ষ মিডফিল্ডারের ফিরতি হেড বেরিয়ে যায় পোস্ট ঘেঁষে।
প্রতি আক্রমণে ১৪ মিনিটে ঋতপর্ণাকে গোলবঞ্চিত করেন চীনের গোলকিপার চেন চেন। কর্নার প্রতিহতের পর বাংলাদেশের অর্ধ থেকে ঋতুকে লক্ষ্য করে উড়ন্ত পাস দেন মারিয়া। চীনের ডিফেন্ডার উ হাইয়ানকে গতিতে পরাস্ত করে বলের নিয়ন্ত্রণ নেন ঋতু। এরপর প্রায় ৪০ গজ দূর থেকে সরাসরি গোলে শট নেন তিনি। গোলকিপার টোকায় বল জালের ওপর দিয়ে কর্নার করে দেন।
১৭ মিনিটে গোল হতে হতে বেঁচে গেছে যায় বাংলাদেশ। বক্সে বল নিয়ে ঢুকে পড়েন প্রতিপক্ষের এক খেলোয়াড়। তবে তাঁকে গোলে শট নিতে দেননি বাংলাদেশ অধিনায়ক। দারুণ ব্লক করেন তিনি। তিন মিনিট পর পা দিয়ে ঠেকিয়ে জাল অক্ষত রাখেন মিলি।
২৪ মিনিটে হেডে বাংলাদেশের জালে বল ঠেলে দেন ওয়াং শুয়াং। তবে ভিএআরএ গেলে গোল বাতিল হয়ে অফসাইডের কারণে। পরের ১৫-১৭ মিনিটে বাংলাদেশও ওপরে উঠে খেলেছে। সমানে সমান লড়াইয়ে এ সময় প্রতিপক্ষের বক্সের সামনে আতঙ্ক ছড়িয়েছেন ঋতুপর্ণা, শামসুন্নাহার জুনিয়ররা।
তবে প্রথমার্ধের শেষ কয়েক মিনিটে খেই হারায় বাংলাদেশ। ৪৩ মিনিটে কোহাতি কিসকুর অবিশ্বাস্য ট্যাকলে গোলে শট নিতে পারেনি চীন। ৪৪ মিনিটে বক্সের অনেকটা বাইরে থেকে দূরপাল্লার শটে টপ কর্নার দিয়ে বাংলাদেশের জাল কাঁপান ওয়াং শুয়াং। গোলকিপার মিলির কিছুই করার ছিল না।
যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ঝাং রুই। তাঁর নেওয়া রিবাউন্ড শট আফঈদা খন্দকারের পায়ে লেগে আশ্রয় নেয় জালে।

এএফসি উইমেন’স এশিয়ান কাপে ইতিহাস গড়তে যাচ্ছে বাংলাদেশ। দুপুর ২টায় চীনের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে এশিয়ার সেরা এই আসরে অভিষেক হবে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের। শক্তিশালী চীনের বিপক্ষে মূল একাদশে তিন পরিবর্তন এনেছেন বাংলাদেশ কোচ কোচ পিটার বাটলার।
সর্বশেষ আজারবাইজান ম্যাচের একাদশে ছিলেন তহুরা খাতুন, স্বপ্না রানী ও রুপনা চাকমা। আজ তাঁদের জায়গায় খেলছেন উমেহ্লা মারমা, কোহাতি কিসকু ও মিলি আক্তার।
বাংলাদেশের দুটি সাফজেতা দলের প্রথম গোলকিপার ছিলেন রুপনা। শিরোপা জয়ের অন্যতম নায়কও তিনি। দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোলকিপার আজ জায়গা পাচ্ছেন না চীনের বিপক্ষে। তাঁর বদলি হিসেবে গোলবারের সামনে দেখা যাবে মিলি আক্তারকে।
আরও পড়ুন
| গ্যালারিতে নাৎসি স্যালুট: টটেনহামকে জরিমানা |
|
এর আগে নভেম্বর-ডিসেম্বরে হওয়া ট্রাই-নেশনস সিরিজের প্রথম ম্যাচে মালয়েশিয়ার বিপক্ষে একাদশে ছিলেন না তহুরা খাতুন। পরের ম্যাচ আজারাবাইজানের বিপক্ষে ফিরলেও আজ আবার জায়গা হারিয়েছেন। সেখানে তাঁর জায়গায় খেলছেন উমেহ্লা মারমা।
মিডফিল্ডে স্বপ্না রানী খেলেছেন সর্বশেষ আজারবাইজানের বিপক্ষে ম্যাচে। আজ তিনি বাদ পড়েছেন তিনি। বাংলাদেশ ৫জন ডিফেন্ডার নিয়ে মাঠে নামছে। যে কারণে কোহাতি কিসকুকে জায়গা ছেড়ে দিতে হয়েছে স্বপ্নাকে।
বাংলাদেশ দলে অভিষেকের অপেক্ষায় আনিকা রানিয়া সিদ্দিকী। সুইডেনপ্রবাসী এই মিডফিল্ডার মূল একাদশে জায়গা পাননি। তবে বদলি হিসেবে আজ তাঁর অভিষেক হয়ে যেতে পারে।
চীনের বিপক্ষে বাংলাদেশের একাদশ: শিউলি আজিম, শামসুন্নাহার সিনিয়র, আফঈদা খন্দকার, কোহাতি কিসকু, মনিকা চাকমা, মারিয়া মান্দা, ঋতুপর্ণা চাকমা, শামসুন্নাহার জুনিয়র, নবিরন খাতুন, উমেহ্লা মারমা, মিলি আক্তার।

সোমবার রাতে লা লিগায় ঘরের মাঠে ১-০ গোলে হেরেছে রিয়াল মাদ্রিদ। ম্যাচের শেষ দিকে মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা হয়ে এসেছে বদলি হিসেবে নামা ফ্রাঙ্কো মাস্তানতুয়োনোর লাল কার্ড।
ম্যাচের যোগ করা সময়ে রেফারির একটি সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ হয়ে মেজাজ হারান মাস্তানতুয়োনো। রেফারি আলেজান্দ্রো মুনিজ রুইজের ম্যাচ রিপোর্ট অনুযায়ী, আর্জেন্টাইন এই তরুণ ফুটবলার রেফারির দিকে তাকিয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন।
রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়, মাস্তানতুয়োনো চিৎকার করে বলতে থাকেন, ‘কী (অশ্রাব্য শব্দ) লজ্জা! কী জঘন্য লজ্জা!’ বারংবার সতর্ক করার পরও শান্ত না হওয়ায় তাকে সরাসরি লাল কার্ড দেখান রেফারি।
আরও পড়ুন
| চীনের বিপক্ষে মূল একাদশে নেই জোড়া সাফজয়ী গোলকিপার রুপনা চাকমা |
|
লা লিগার শৃঙ্খলাবিধির ১২৪ নম্বর ধারা অনুযায়ী, রেফারির প্রতি অবমাননাকর আচরণের জন্য মাস্তানতুয়োনোকে অন্তত দুই থেকে তিন ম্যাচের নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়তে হতে পারে। গত বছর একই ধরনের আচরণের জন্য জুড বেলিংহ্যামকে দুই ম্যাচ নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।
মাস্তানতুয়োনো ছাড়াও আগামী ম্যাচে বড় ধাক্কা খেতে যাচ্ছে রিয়ালের রক্ষণভাগ। আলভারো কারেরাস এবং ডিন হুইসেন- দুজনই এই ম্যাচে মৌসুমের পঞ্চম হলুদ কার্ড দেখেছেন। ফলে নিয়ম অনুযায়ী পরবর্তী ম্যাচে মাঠের বাইরে থাকতে হবে তাদের।
লিগে টানা দুই হারে শিরোপা দৌড়ে বার্সেলোনার চেয়ে ৪ পয়েন্টে পিছিয়ে পড়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। আগামী শুক্রবার সেল্তা ভিগোর বিপক্ষে মাঠে নামবে লস ব্ল্যাঙ্কোসরা।
কিলিয়ান এমবাপে, জুড বেলিংহ্যামের চোট ও খেলোয়াড়দের শৃঙ্খলাজনিত সমস্যার কারণে এখন নতুন করে ছক কষতে হবে আলভারো আরবেলোয়াকে।

ইতিহাসের দ্বারপ্রান্তে বাংলাদেশ। খানিক পরেই চীনের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে এএফসি উইমেন’স এশিয়ান কাপে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের অভিষেক হতে যাচ্ছে। অস্ট্রেলিয়ার সিডনির ওয়েস্টার্ন স্টেডিয়াম থেকে বেলা ২টায় খেলাটি সরাসরি সম্প্রচার করবে চ্যানেল টি-স্পোর্টস। গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচের আগে বড় খবর, বাংলাদেশের মূল একাদশে থাকছেন না অভিজ্ঞ গোলকিপার রুপনা চাকমা।
বাংলাদেশের দুটি সাফজেতা দলের প্রথম গোলকিপার ছিলেন রুপনা। শিরোপা জয়ের অন্যতম নায়কও তিনি। দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গোলকিপার আজ জায়গা পাচ্ছেন না চীনের বিপক্ষে। তাঁর বদলি হিসেবে গোলবারের সামনে দেখা যাবে মিলি আক্তারকে।
আরও পড়ুন
| পেনাল্টির চেয়ে ফ্রি-কিক গোল বেশি মেসির |
|
সর্বশেষ নারী ফুটবল লিগে মিলি খেলেছেন বাংলাদেশ আর্মি স্পোর্টিং ক্লাবে। দলটির হয়ে দারুণ করেছেন তিনি। সেখানে তাঁর দল ১০ ম্যাচের ৮টিতেই জয় পেয়েছে। সেই পারফরম্যান্স বিবেচনা করেই কি না আজ চীনের বিপক্ষে মিলিকে একাদশে রেখেছেন বাংলাদেশের ব্রিটিশ কোচ।
লিগে রাজশাহী স্টার্সের হয়ে খেলেছেন জাতীয় দলের দুই গোলকিপার রুপনা চাকমা এবং স্বর্ণা রানী মন্ডল। তাঁদের দল হয়েছে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন। রাজশাহী ১০ খেলার ১০টিকেই ক্লিনশিট রেখেছে। তাতে বেশি অবদান রুপনার। কিন্তু তারপরও আজ একাদশে তাঁর না থাকাটা আশ্চর্যের।
ধারণা করা হচ্ছে নভেম্বর-ডিসেম্বরে ঘরের মাঠে ট্রাইনেশন সিরিজে আজারবাইজানের বিপক্ষে রুপনার ভুলই কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। ১-২ ব্যবধানে হারা ম্যাচে রুপার একটি ভুলে গোল হজম করে বাংলাদেশ। যদিও সেই ম্যাচের পর কোচ বাটলারই পাশে দাঁড়িয়েছিলেন রুপনার। দ্বায়টা একা তাঁকে না দিয়ে পুরো দলের ওপর দিয়েছিলেন তিনি। তবে আজ মূল একাদশে রুপনার না থাকাটা বিস্ময়ই।

বয়স ৩৮ হলেও পায়ের জাদু যে বিন্দুমাত্র কমেনি, তা আরও একবার প্রমাণ করলেন লিওনেল মেসি। ওরলান্ডো সিটির বিপক্ষে সবশেষ ম্যাচে ইন্টার মায়ামির ৪-২ ব্যবধানের জয়ে জোড়া গোল করেছেন আর্জেন্টাইন এই খুদে জাদুকর।
আর এই ম্যাচেই উঠে এসেছে এক বিস্ময়কর পরিসংখ্যান- গত আট বছরে পেনাল্টির চেয়ে ফ্রি-কিক থেকেই বেশি গোল করেছেন মেসি।
২০১৮ সাল থেকে এখন পর্যন্ত মেসি সরাসরি ফ্রি-কিক থেকে গোল করেছেন ৩৬টি। বিপরীতে এই সময়ে পেনাল্টি থেকে তার গোলের সংখ্যা ৩৫। মেসির চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো ২০১৮ সাল থেকে পেনাল্টিতে ৮৩ গোল করলেও ফ্রি-কিক থেকে পেয়েছেন মাত্র ১১ গোল।
আরও পড়ুন
| ঘরের মাঠে রিয়ালের হার, বার্সার সঙ্গে ব্যবধান বাড়ল আরও |
|
ওরলান্ডোর বিপক্ষে করা দ্বিতীয় গোলটি ছিল মেসির ক্যারিয়ারের ৭০তম ফ্রি-কিক গোল। বর্তমানে তিনি ইতিহাসের চতুর্থ সর্বোচ্চ ফ্রি-কিক গোলদাতা। মেসির সামনে এখন কেবল তিন ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি ফুটবলার- মার্সেলিনো কারিওকা (৭৮), রবার্তো দিনামিতে (৭৫) এবং জুনিনহো (৭২)।
৬৩ ফ্রি-কিক গোল নিয়ে তালিকায় নবম স্থানে রয়েছেন রোনালদো। আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি ডিয়েগো ম্যারাডোনা ৬১ গোল নিয়ে আছেন দশম স্থানে।
এমএলএসে আগামী শনিবার ডিসি ইউনাইটেডের বিপক্ষে মাঠে নামবে মায়ামি। তার আগে বৃহস্পতিবার গত মৌসুমের এমএলএস কাপ জয়ের স্বীকৃতি হিসেবে হোয়াইট হাউসে সংবর্ধনায় যোগ দিতে যাবেন মায়ামির খেলোয়াড়রা।
এটিই হবে মেসির প্রথম হোয়াইট হাউস সফর এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে প্রথম আনুষ্ঠানিক সাক্ষাৎ।