২৭ জানুয়ারি ২০২৫, ৪:৩৮ পিএম

চলতি মৌসুমে হান্সি ফ্লিকের অধীনে বার্সেলোনা রীতিমত উড়ছে। কাতালান ক্লাবটিকে যেন থামানোই দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। রবিবার রাতে তারা ভ্যালেন্সিয়াকে উড়িয়ে দিয়েছে ৭-১ গোলের বড় ব্যবধানে। তাতে নতুন এক রেকর্ডও গড়েছে তারা। মাত্র ৩২ ম্যাচেই তারা ছুঁয়ে ফেলেছে ১০০ গোলের মাইলফলক, যা ক্লাবটির ইতিহাসে ম্যাচের হিসেবে দ্বিতীয় দ্রুততম।
সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত বার্সেলোনা চলতি মৌসুমে করেছে ১০১ গোল। প্রতি ম্যাচে গড়ে তারা গোল করেছে ৩.১৬ টি! এর আগে বার্সেলোনার ইতিহাসে এমন ঘটনা ঘটেছে একবারই। ১৯৫০ মৌসুমে হেলেনিও হেরেরার অধীনে বার্সা গোলের শতক পূরণ করেছিল ৩১ ম্যাচেই। ফ্লিকের দলের অবস্থান এই তালিকায় এখন দুই নম্বরে। এক ম্যাচ বেশি খেলে তারা ছুঁয়েছে গোলের শতকের রেকর্ড।
বার্সেলোনা যে গতিতে শততম গোল করেছে তাতে ফুটবল মাঠেই টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের আমেজটা পেতে পারেন অনেক সমর্থক। কে জানে! বিশ্বজুড়ে ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের যে ধুম পড়েছে তা হয়তো ছুঁয়ে গেছে বার্সাকেও। রাফিনিয়া, লেভানডফস্কিরা মাত্র ৩২ ম্যাচে গোলের শতক করে তো সেই স্বাদটাই যেন দিয়ে দলেন সমর্থকদের।
অবশ্য বার্সার সামনে সুযোগ ছিল এই রেকর্ড আরও আগেই স্পর্শ করার তবে একের পর এক সহজ গোলের সুযোগ মিসে তারা সুযোগ হারিয়েছে সেই রেকর্ড গড়ার। পরিসংখ্যান বলছে চলতি মৌসুমে বার্সেলোনা শুধু লা লিগায় আর চ্যাম্পিয়নস লিগে সহজ সুযোগ হাতছাড়া করেছে ৭১ টি। অন্যান্য প্রতিযোগিতার হিসাব টানলে সেই সংখ্যা দাঁড়াবে প্রায় ৮০-তে।
এই নিয়ে চলতি মৌসুমে দুইবার ৭ গোলের দেখা পেয়েছে বার্সেলোনা। আর ৩৪ ম্যাচের মধ্যে ১৪ ম্যাচে তারা চার কিংবা তার থেকে বেশি গোল করেছে। এমন পরিসংখ্যান চোখ কপালে তোলার মতই। এক মৌসুম আগে যেই বার্সা খাবি খাচ্ছিল, সেই বার্সাই ফ্লিকের ছোঁয়ায় প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করছে। রিয়াল মাদ্রিদ বা ভ্যালেন্সিয়া ম্যাচই তার জলন্ত প্রমাণ।
দলের এমন পারফরম্যান্স ফ্লিক বেশ খুশি। “দলের মধ্যে জেতার যে তাড়না তা আমার বেশ ভালো লেগেছে, বিশেষ করে আজকের ম্যাচে। এটা ২-০ কিংবা ৩-০ তে থামেনি। তারা ম্যাচের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত গোল করার চেষ্টা চালিয়ে গেছে। এটা বেশ দারুণ ব্যাপার।
এই জয়ে বার্সেলোনা সমর্থকরা স্বস্তি পেতে পারেন। লা লিগায় ৫৪ দিন পর আবারও তারা ফিরেছে জয়ের ধারায়। অবশ্য পয়েন্ট টেবিলের এখনো তারা আছে তিন নম্বরেই। ২১ ম্যাচে বার্সেলোনা পয়েন্ট দাঁড়িয়েছে ৪২। সমান ম্যাচে ৪৯ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রিয়াল, আর ৪৫ পয়েন্ট নিয়ে আতলেতিকো মাদ্রিদ আছে দুইয়ে।
No posts available.
১৪ জানুয়ারি ২০২৬, ৮:১৩ পিএম

স্প্যানিশ সুপার কাপের ফাইনালে বার্সেলোনার বিপক্ষে হারের পরই রিয়াল মাদ্রিদের হেড কোচের দায়িত্ব হারান জাবি আলোনসো। স্পেন কোচের চাকরিচ্যুতের ঘটনায় ঘুরে ফিরে আসছে বার্সেলোনা কোচ হান্সি ফ্লিকের নাম।
২০২৪-২৫ মৌসুমে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সার বিপক্ষে লাগাতার হারের কারণে চাকরি নড়বড়ে হয়ে পড়েছিল কার্লো আনচেলত্তির। শেষ পর্যন্ত আপোসে সরে দাঁড়ান অভিজ্ঞ এই কোচ। একই ঘটনা এবার ঘটল আলোনসোর বেলাতেও। সামাজিক মাধ্যমে প্রচার—রিয়ালের সাবেক কোচের চাকরি নড়বড়ে এবং একটা পর্যায়ে চাকরিচ্যুতের দিকে টেনে ফ্লিক।
সামাজিক মাধ্যমে রটা এসব ঘটনা নিশ্চয়ই অজানা নয় কাতালান কোচের। তবে তিনি জানিয়েছেন, আলোনসোর সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত সম্পর্ক খুবই ভালো। তবে তিনি এটাও স্পষ্ট করেছেন, ফুটবলে এ ধরনের সিদ্ধান্ত অস্বাভাবিক নয়। অর্থাৎ, সম্পর্ক যত ভালোই হোক না কেন, ফলাফল খারাপ হলে কোচকে বরখাস্ত করা ফুটবলের বাস্তবতা।
রিয়াল থেকে আলোনসোকে বরখাস্তের ঘটনায় সহানুভূতিশীল ফ্লিক। তবে বেশ সতর্ক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তিনি।
ফ্লিক বলেছেন, ‘আলোনসোকে নিয়ে মন্তব্য করা আমার কাজ নয়। তাঁর সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত সম্পর্ক ভালো। আমাদের পরিচয় লেভারকুসেনে। আমরা এখনো যোগাযোগ রাখি। সে দারুণ একজন কোচ। তাঁর পরবর্তী বড় চ্যালেঞ্জের জন্য আমি তাঁকে শুভকামনা জানাই।
কোচ ছাঁটাইয়ের বিষয়টি জার্মান কোচের কাছে স্বাভাবিক। ফ্লিক বলেছেন,
‘এটি ফুটবলেরই অংশ। ক্লাব ও দলের দুজনেরই আপনার ওপর বিশ্বাস থাকা দরকার। সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব যাদের, তারাই সেটা নেবে। তবে এটা আমার বিষয় নয়, তাই আমি এ নিয়ে কথা বলতে চাই না। কারণ কোচের কাজ খুব কঠিন এবং অনেক দায়িত্বের।’

সদ্যই রিয়াল মাদ্রিদের সঙ্গে চুক্তি সেরেছেন আলভারো আরবেলোয়া। সান্তিয়াগো বার্নাব্যুর ক্লাব একাডেমি সামলানো এই শিক্ষক এবার মূল দলের দায়িত্বে। কোপা দেল রে’র শেষ ষোলোর ম্যাচে আলবাসেতের বিপক্ষে প্রথমবার ডাগ আউটে দাঁড়াবেন তিনি।
আগামীকাল ইস্তাদিও কার্লোস বেলমন্টে বাংলাদেশ সময় রাত দুইটায় শুরু হবে ম্যাচটি। তার আগে স্কোয়াড় ঘোষণা করেছেন লস ব্লাঙ্কোস শিবিরের নতুন কোচ আলভারো। যাতে সুযোগ পেয়েছেন রিজার্ভ দলের বেশ কয়েকজন ফুটবলার।
রিয়ালের ২০ জনের স্কোয়াডে ফরোয়ার্ড হিসেবে আছেন- ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, গঞ্জালো গার্সিয়া ও ফ্রাঙ্কো মাস্তানতুয়োনো।
থিবো কোর্তোয়া, আন্টোনিও রুডিগার, জুড বেলিংহ্যাম, চুয়ামেনি, কিলিয়ান এমবাপে, রদ্রিগোদের বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে। এদের মিলিতাও, ট্রেন্ট-আলেকজান্ডার আর্নল্ড, ফেরলঁদ মঁদিরা চোটের কারণে আগে থেকেই মাঠের বাইরে আছেন।
হাঁটুর চোটে নতুন বছরে দলের প্রথম দুই ম্যাচে বাইরে থাকার পর, স্প্যানিশ সুপার কাপের ফাইনালে বার্সেলোনার বিপক্ষে বদলি হিসেবে নামেন এমবাপে। তার মধ্যে লা লিগায় আগামী শনিবার লেভান্তের মুখোমুখি হবে রিয়াল। তাই ঝুঁকি নিতে চাননি নতুন কোচ।
নতুন স্কোয়াড নিয়ে আলভরো বলেন,
‘আমাদের একটি অসাধারণ দল আছে এবং তারা যা প্রয়োজন তাই করতে প্রস্তুত। রিয়াল মাদ্রিদের চাহিদাগুলো ভালোভাবেই জানি।’
কোপা দেল রে ম্যাচ নিয়ে তিনি বলেন,
‘আমি প্রতিযোগিতার প্রথম ম্যাচ শুরু করতে মুখিয়ে আছি। অন্য কোনো বিষয়ে চিন্তিত নই।’

সাফ ফুটসাল চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধনী ম্যাচে ভারত-বাংলাদেশের ম্যাচ ৪-৪ গোল ব্যবধানে ড্র হয়েছে। বুধবার থাইল্যান্ডের ব্যাংককে ননথাবুরি স্টেডিয়ামের এই ম্যাচে প্রতিবেশি দুদলই আক্রমণ ও রক্ষণে সমানভাবে লড়াই করেছে।
ম্যাচঘড়ির নবম মিনিটে মঈন আহমেদের গোলে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। তবে বেশিক্ষণ লিড ধরে রাখতে পারেনি লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। তিন মিনিট পরেই আনমল অধিকারীর গোলে সমতায় ফেরে ভারত।
ম্যাচের ষোড়শ মিনিটে আবারও এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। দলের হয়ে দ্বিতীয় গোলটি করেন অধিনায়ক রাহবার খান। বিরতিতে যাওয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে সমতায় ফেরে ভারত। লালসোয়ামপুইয়ার শট বাংলাদেশের তুহিনের পায়ে লেগে গোলকিপারকে বিভ্রান্ত করে খুঁজে নেয় জাল। ২-২ সমতায় শেষ হয় প্রধামার্ধ।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই লালরিনজুয়ালার শট বুক দিয়ে জালে ঠেলে দ্বিতীয়ার্ধে ভারতকে এগিয়ে নেন রোলুয়াপুইয়া। একটু পর দূরূহ কোণ থেকে মঈনের লক্ষ্যভেদে সমতায় ফিরে বাংলাদেশ।
এরপর ৩৬তম মিনিটে পোস্ট ছেড়ে বেরিয়ে বাংলাদেশের বিপদ বাড়ান গোলকিপার। সতীর্থের পাস ধরে ফাঁকা জালে অনায়াসে বল জড়িয়ে দেন রোলুয়াপুইয়া। ফের এগিয়ে যায় ভারত।
নাটকীয়তার তখনও বাকি। ভারতের আনমোল তালগোল পাকিয়ে বল হারালে পেয়ে যান অধিনায়ক রাহবার। দারুণ ক্ষিপ্রতায় বলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিখুঁত শটে লক্ষ্যভেদ করে ৪-৪ সমতায় ফেরান দলকে।

সুইডেনের কিংবদন্তি স্ট্রাইকার জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচের ছেলে মাক্সিমিলিয়ান এব্রাহিমোভিচ এসি মিলানের সঙ্গে চুক্তি করেছেন। ক্লাবটির পক্ষ থেকে বিষয়টি আজ আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে।
জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচ মিলানের হয়ে ১৬৩ ম্যাচ খেলে ক্লাবটির জন্য স্মরণীয় অবদান রেখেছেন। এবার তাঁর পুত্রও একই পথে হাঁটলেন।
মাক্সিমিলিয়ান অ্যাটাকিং পজিশনে খেলেন। চুক্তি নিয়ে তিনি বলেন,
“আমি ভালো অনুভব করছি। এটা নিয়ে খুবই রোমাঞ্চিত। আমি আমার নিজের গল্প লিখতে চাই।”
জ্লাতানের ক্যারিয়ারের টার্নিং পয়েন্ট ছিল ডাচ ক্লাব আয়াক্স। এখানে খেলার সময় তিনি আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করেছিলেন এবং পরবর্তীতে বার্সেলোনা, পিএসজি, ইন্টার মিলানসহ ইউরোপের শীর্ষ ক্লাবে খেলার সুযোগ পান। মাক্সিমিলিয়ানও তার প্রাথমিক পেশাদার ফুটবল জীবন শুরু করেছিলেন আয়াক্স থেকে।
আয়াক্স ত্যাগ করার সময় মাক্সিমিলিয়ান বলেন,
“ভালো লাগছে যে আমার বাবাও আয়াক্সের জন্য খেলেছেন। আমি খুশি যে এখানে এসে নিজেকে আরও বিকাশের সুযোগ পাচ্ছি।”
তিনি আরও যোগ করেন,
“আয়াক্সের আইডিওলজি আমার খুবই পছন্দ। আমি দ্রুত ছুটতে পছন্দ করি, আর আক্রমণভিত্তিক পজিশন আমার কাছে সবচেয়ে উপযুক্ত।”
মাক্সিমিলিয়ান স্পষ্ট করেছেন যে, বাবার নাম তার জন্য গাইডলাইন হলেও, এই যাত্রা তার নিজের—নিজের লক্ষ্য, নিজের গল্প।

এই আর্টিকেলের শিরোনাম হতে পারত—বন্ধু তুমি শত্রু তুমি। কেনই-বা এমন শিরোনাম লেখার পক্ষে লেখক, সেটা পরিস্কার হবে ক্রমান্বয়ে। তারচেয়েও বরং আফ্রিকা কাপ অব নেশনস, তথা আফকন যাঁরা নিয়মিত অনুসরণ করছেন, তাঁদের জানার কথা আজ আফ্রিকা অঞ্চলের মর্যাদা এই টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে মুখোমুখি দুই দেশ—সেনেগাল ও মিশর।
মরোক্কোর গ্র্যান্ড স্টেড দে তানজিয়ার স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত ১১টার ম্যাচটি দুদেশের লড়াই ছাপিয়ে আলোচনায় দুই বন্ধু—সাদিও মানে ও মোহাম্মদ সালাহ। অ্যানফিল্ডের ক্লাবে প্রায় ৭ বছর কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করেছেন দুইজন। আক্রমণভাগে আধিপত্য দেখিয়ে সাক্ষী হয়েছেন চ্যাম্পিয়নস লিগ, প্রিমিয়ার লিগ, এফএ কাপ ও ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ জয়ে।
২০১৭ সালে রোমা থেকে অলরেডস শিবিরে যোগ দেওয়া মোহাম্মদ সালাহ এখনও অ্যানিফিল্ডে বহাল তবিয়তে। আর ২০১৬ সালে সাউদাম্পটন থেকে লিভারপুলে যোগ দেওয়া সাদিও মানে ২০২২ সালে পাড়ি জমান জার্মান জায়ান্ট ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখে। সেখানে দুই বছর থেকে চলে যান সৌদি প্রো লিগের ক্লাব আল নাসরে।
বিশ্বের জনপ্রিয় এই দুই উইঙ্গার এবার জাতীয় দলের হয়ে একে অন্যের মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন আজ রাতে। আফকনে এর আগে ২০২১ সালের ফাইনালেও মুখোমুখি হয়েছিলেন দুজন। ২০২২ সালের ৭ ফেব্রুয়ারির ওলাম্বে স্টেডিয়ামের হাই ভোল্টেজ সে ম্যাচে পেনাল্টি শুটআউটে ৪-২ ব্যবধানে জয় পায় সেনেগাল। এটাই ছিল দেশটির প্রথম আফকন শিরোপা।
২০২১-২২ টুর্নামেন্টের পরের আসরে চ্যাম্পিয়ন হয় আইভরিকোস্ট। ওই বছর সুবিধা করতে পারেনি মিশর-সেনেগাল কেউই। তবে সবশেষ অর্থাৎ ২০২৫ আফকনে শেষ চারের লড়াইয়ে একে অন্যের প্রতিপক্ষ হয়েছে দুদল।
আফকনে অবশ্য মিশর সুবিধাজনক স্থানে, পরিসংখ্যান তাদের পক্ষে। এখন পর্যন্ত ৭ বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে নীল নদের দেশ। সেনেগাল একবার শিরোপা জিতেছে। সেটা ২০২১ সালে এবং মিশরের বিপক্ষেই। সে দিক বিবেচনা মেন্টালগেমে এগিয়ে থাকবে সেনেগাল। এক হিসেবে ম্যাচটি মিশরের জন্য প্রতিশোধেরও মঞ্চ।
২০২৫ আফকনের শেষ আটে মালিকে ১-০ গোলে হারিয়ে শেষ চারে পা দেয় সেনেগাল। ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আইভরিকোস্টকে হারায় মিশর। প্রতিযোগীতার আগে দুদলই বেশ ছন্দে। তার মধ্যে সেরা গোলদাতা এবং অ্যাসিস্টের তালিকায় রয়েছেন দুদলের প্লেয়ার। সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় তিনে মোহাম্মদ সালাহ। টুর্নামেন্টে ৪টি গোল করেছেন তিনি। সাদিও মানের অ্যাসিস্ট সংখ্যা ৩টি। তালিকায় তিনি দুইয়ে।
বাঁচা-মরার লড়াইয়ের আগে সালাহ জানিয়ে রেখেছেন, মিশরেও তাঁর চেয়ে বেশি কেউ এই ট্রফি জিততে চায় না। মিশর রাইট উইঙ্গারের এই কথার অর্থ—তিনি এখন পর্যন্ত আফকন ট্রফিতে চুমু আঁকতে পারনেনি। তাই তো বলেছেন, “আমি প্রায় সব পুরস্কারই জিতেছি। এই শিরোপাটার জন্য অপেক্ষা করছি।”