সম্ভাব্য অঘটনের সব শঙ্কা গুঁড়িয়ে দিয়ে এফএ কাপে দাপুটে জয় পেল আর্সেনাল। এফএ কাপের চতুর্থ রাউন্ডে উইগান অ্যাথলেটিক ক্লাবের বিপক্ষে ৪-০ গোলের জয়ে চারটি প্রতিযোগিতাতেই শিরোপার লড়াই জিইয়ে রাখল ইংলিশ জায়ান্ট ক্লাবটি।
নিজেদের ঘরের মাঠে ম্যাচের প্রথম ২৭ মিনিটেই কার্যত কাজ সেরে ফেলে আর্সেনাল। লিগ ওয়ানের (তৃতীয় বিভাগ) প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগকে অনায়াসে পাশ কাটিয়ে ১১ থেকে ২৭ অর্থাৎ ১৬ মিনিটের মধ্যেই চার গোল তুলে নেয় তারা।
১৯৯২-৯৩ মৌসুম থেকে শুরু করে গত ৩৪ বছরে এফএ কাপের কোনো ম্যাচে প্রথম ৩০ মিনিটে চার গোল করা ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের প্রথম ক্লাব আর্সেনাল। এই ৩৪ বছরে প্রিমিয়ার লিগের আর কোনো ক্লাব এতটা দাপট দেখাতে পারেনি।
মাঝমাঠে নেমে খেলা গুছিয়ে দেওয়া এবেরেচি এজের দুইটি নিখুঁত পাস থেকেই আসে প্রথম দুই গোল। দারুণ ফিনিশিংয়ে স্কোরশিটে নাম লেখান ননি মাদুয়েকে ও গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লি।
এরপর দুর্ভাগ্য পিছু ছাড়েনি উইগানের। নিজেদেরই ডিফেন্ডার জ্যাক হান্টের মাথায় লেগে জালে জড়ায় তৃতীয় গোল। কিছুক্ষণ পর ক্রিশ্চিয়ান নরগার্ডের কাছ থেকে ফাঁকায় বল পেয়ে ব্যবধান ৪-০- করে দেন গ্যাব্রিয়েল জেসুস।
আর্সেনালের গোলরক্ষক কেপা আরিজাবালাগার জন্য দিনটা তুলনামূলক সহজই ছিল। ক্লিনশিট নিশ্চিত করতে অবশ্য কাছ থেকে জো টেলরের শট এবং রাফায়েল রদ্রিগেজের শট কর্নারে পাঠানো- দুটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করতে হয়েছে তাকে।
বিরতির পর আর্সেনাল আরও একটি গোলের সম্ভাবনা জাগিয়েছিল। তবে ভিক্টর গিয়োকেরেসের শট বার পোস্টে লেগে ফিরে আসে। তাতে ফলাফলে কোনো প্রভাব পড়েনি। প্রথম আধঘণ্টার আধিপত্যে ম্যাচের রাশ শক্ত করে ধরে রাখে মিকেল আর্তেতার দল।
এফএ কাপের পঞ্চম রাউন্ডে আর্সেনালের প্রতিপক্ষ নির্ধারিত হবে সোমবার রাতে।
No posts available.
১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৬:৩৯ পিএম
১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:৫০ এম
১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:৫৫ এম

মৌসুম শেষে বার্সেলোনা ছাড়বেন রবার্ট লেভানডফস্কি— কিছুদিন ধরেই এমন গুঞ্জন সোশ্যাল মিডিয়ায়। আমেরিকা ভিত্তিক আন্তর্জাতিক ক্রীড়া নেটওয়ার্ক ইএসপিএনের বিশ্লেষক জানুশ মিখালিক জানিয়েছেন, পোলিশ স্ট্রাইকারকে ভেড়াতে জোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন শিকাগো ফায়ার।
লেভানডফস্কি যুক্তরাষ্ট্রে গেলে কেবল দলবদলই হবে না, তৈরি হবে নতুন আকর্ষণও। ইন্টার মায়ামির মেসির বিপক্ষে বছরে অন্তত দুইবার মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে।
সৌদি আরব, ইতালি ও তুরস্কের ক্লাবগুলোর আগ্রহের খবর থাকলেও স্প্যানিশ গণমাধ্যম মার্কার খবর, যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার সম্ভাবনা এখন আর কেবল গুঞ্জন নয়, বাস্তব বিকল্প হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
বার্সেলোনার সঙ্গে চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত চুক্তির মেয়াদ রয়েছে লেভানডফস্কির। মিখালিক জানিয়েছেন, লেভানডফস্কি ও বার্সেলোনার অবস্থানের দিকে নজর রাখছে শিকাগো।
কোচ ও ক্রীড়া পরিচালক গ্রেগ বারহাল্টার কয়েক মাস আগে স্পেনে গিয়ে লেভানডফস্কি ও তাঁর প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকও করেছেন। প্রস্তাবে বড় অঙ্কের আর্থিক প্যাকেজের পাশাপাশি ২০২৮ সালে নতুন স্টেডিয়াম ঘিরে ‘সুপারক্লাব’ গড়ার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাও রয়েছে।
তবে গ্রীষ্মকালীন দলবদলের আগে সিদ্ধান্ত না এলে বিকল্প খেলোয়াড়ের দিকে ঝুঁকতে পারে শিকাগো। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো বার্সেলোনার পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করছে।

মৌসুমে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ শিরোপা জেতার রেসে লিভারপুল নেই বললেই চলে। ২৬ ম্যাচে ৪৪ পয়েন্ট নিয়ে অল রেডরা আছে টেবিলের ছয়ে। শীর্ষে থাকা আর্সেনালের সঙ্গে পয়েন্টের ব্যবধান ১৫। তবে চ্যাম্পিয়নস লিগে সরাসরি শেষ ষোলোতে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে আর্নে স্লটের দল।
শনিবার এফএ কাপে ব্রাইটনকে বিদায় করে পঞ্চম রাউন্ড নিশ্চিত করেছে লিভারপুল। ওই ম্যাচে গোল এবং গোলে সহায়তা করেছেন দলটির সেরা তারকা মোহাম্মদ সালাহ। তবে মৌসুমে কোনো শিরোপা জেতার জন্য মিশরীয় তারকা মনে করেন সেটা নির্ভর করছে ডোমিনিক সবোসলাইয়ের পারফরম্যান্সের ওপর। সর্বশেষ এফএ কাপে ৩-০ ব্যবধানে জেতা ম্যাচেও গোল করেছেন হাঙ্গেরিয়ান মিডফিল্ডার।
ব্রাইটনের বিপক্ষে ম্যাচে সোববোসলাই দলের হয়ে দ্বিতীয় গোলটি করেন। এই মৌসুমে তাঁর দশম গোল। ম্যাচ শেষে টিএন্ডটি স্পোর্টসকে সালাহ বলেছেন,
‘আমি মনে করি লিভারপুলের একটি কাপ জেতা তাঁর (সবোসলাই) পারফরম্যান্সের উপর নির্ভর করে। আমরা ওর উপর অনেক নির্ভরশীল। এই মৌসুমে সে বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়দের একজন।’
কোচ আর্নে স্লটও সালাহর কথায় একমত। ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে শনিবার রাতে স্লট বলেন,
‘বিশ্বে অনেক এলিট খেলোয়াড় আছে, কিন্তু আমি তাঁর (সালাহ) সঙ্গে একমত। ডোমিনিক (সবোসলাই) তাদের মধ্যে একজন।’
তবে সবোসলাইকে শুধু নয়, স্লট প্রশংসা করেছেন সালাহরও। বলেন,
‘সে কেবল গোলই করে না, দলের রক্ষণেও বড় ভূমিকা পালন করছে। এটিকে ইতিবাচক হিসেবে নিতে চাই।’
যদিও মৌসুমের প্রথমার্ধে সালাহর উপর আস্থা হারিয়েছিলেন স্লট। ম্যাচ টাইম না পেয়ে তো বিরক্ত হয়েছিলেন সালাহ নিজেও। সে সময় তাঁর ক্লাব ছাড়ার গুঞ্জনও উঠেছিল। তবে আফ্রিকা কাপ অব নেশনস থেকে ফিরে আসার পর সালাহ খেলার ধরনে কিছু পরিবর্তন এনেছেন যেন। মৌসুমের প্রথমার্ধে প্রতি ৯০ মিনিটে তিনি গড়ে ২.৭ বার বল জিততেন। আফকন থেকে আসার পর তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩.৫-এ। প্রথম দলে ফেরার পর ৭ ম্যাচে তিনি দুই গোল ও ৪টি অ্যাসিস্ট করেছেন।
ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, সবোসলাইয়ের ধারাবাহিকতা লিভারপুলের ট্রফি প্রত্যাশা বাড়িয়ে দিয়েছে এবং সেটি গুরুত্বপূর্ণ। তবে সালাহর অভিজ্ঞতা এখনও দলের সাফল্যে বড় ভূমিকা রাখবে বলেই ধারণা অনেকের।

ক্যারিয়ারের ৫০০তম গোলের মাইলফলক স্পর্শ করলেন হ্যারি কেইন। প্রথম ইংলিশ ফুটবলার হিসেবে এই কীর্তি গড়লেন বায়ার্ন মিউনিখের স্ট্রাইকার।
শনিবার রাতে বুন্দেসলিগায় ব্রেমেনের মাঠে ৩-০ ব্যবধানে জিতেছে বায়ার্ন। দুর্দান্ত ফর্মে থাকা কেইনের জোড়া গোলে লিগে শীর্ষ স্থান আরও মজবুত করেছে বাভারিয়ানরা।
গত ডিসেম্বরেই জিমি গ্রিভসের ৪৭৪ গোলের রেকর্ড ভেঙে ইংল্যান্ডের সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছিলেন কেইন। এবার সেটিকে নিয়ে গেলেন নতুন উচ্চতায়। ওয়েন রুনিকে ছাড়িয়ে জাতীয় দলের হয়েও সর্বোচ্চ গোলদাতা কেইন, থ্রি লায়ন্সদের জার্সিতে তাঁর গোল সংখ্যা ৭৮।
আরও পড়ুন
| সাউদাম্পটনের কাছে হেরে এফএ কাপ থেকে বিদায় নিল হামজার লেস্টার |
|
১৫ বছর আগে পেশাদার ফুটবলে লেইটন ওরিয়েন্টের হয়ে প্রথম গোল করেছিলেন কেইন, ক্লাবটিতে তাঁর গোলসংখ্যা ৫। এরপর লেস্টারের হয়ে ২, মিলওয়ালের হয়ে ৯, টটেনহামের হয়ে ২৮০ এবং বর্তমানে বায়ার্ন মিউনিখের জার্সিতে ১২৬ গোল করেছেন কেইন।
কেইনের ৫০০ গোলের প্রায় অর্ধেকই এসেছে প্রিমিয়ার লিগে (২১৩)। বুন্দেসলিগায় করেছেন ৮৯ গোল। কেইনের মোট গোলের এক-পঞ্চমাংশই (১০০ গোল) এসেছে স্পট কিক থেকে। চ্যাম্পিয়নস লিগে ইংলিশদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৪৮ গোল এখন তাঁর নামের পাশে।
৫০০ তম গোলটি ছিল দূরপাল্লার শট থেকে, ক্লাব ও দেশের হয়ে ৭৪৩ ম্যাচে এই মাইলফলকে পৌঁছালেন কেইন। পর্তুগালের ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো ২০১৫ সালে ৭৫৩তম ম্যাচে ছুঁয়েছিলেন ৫০০ গোল। সর্বকালের দ্রুততম হিসেবে এই রেকর্ডটি এখনও লিওনেল মেসির দখলে, মাত্র ৬৩২ ম্যাচে ৫০০ গোল করেছিলেন।
কেইনের সামনে এখন নতুন লক্ষ্য। এক মৌসুমে বুন্দেসলিগায় সর্বোচ্চ ৪১ গোলের রেকর্ড রবার্ট লেভানডফস্কির। কেইনের বর্তমান গোল ২৬, সামনে বাকি ১২ ম্যাচ। চলতি মৌসুমে দুর্দান্ত ছন্দে থাকা এই স্ট্রাইকার গড়ে প্রতি ম্যাচে ১.২৫টি গোল করলেই লেভানডফস্কিকে ছাড়িয়ে যাবেন।

নিজে একটি গোল করার পাশাপাশি সতীর্থের এক গোলে সহায়তা করলেন মোহাম্মদ সালাহ; মিশরীয় তারকার এমন দাপুটে পারফরম্যান্সে ব্রাইটনকে হারিয়ে এফএ কাপের পঞ্চম রাউন্ডে উঠেছে লিভারপুল। একই রাতে নিউক্যাসল ইউনাইটেডের কাছে হেরে প্রতিযোগিতা থেকে বিদায় নিয়েছে অ্যাস্টন ভিলা।
শনিবার রাতে অ্যানফিল্ডে এফএ কাপের চতুর্থ রাউন্ডের ম্যাচে ব্রাইটনের বিপক্ষে ৩-০ ব্যবধানের জয় পেয়েছে লিভারপুর। সালাহর আগে অন্য দুটি গোল করেছেন ডোমিনিক সোবোসলাই ও কার্টিস জোনস।
৪২মিনিটে মিলোস কেরকেজের ক্রস থেকে ডান দিক থেকে উঠে এসে বল জালে জড়ান জোন্স। গত ১৭ জানুয়ারির পর এটিই ছিল তাঁর প্রথম একাদশে নামা।
আরও পড়ুন
| ভিয়েতনামকে উড়িয়ে আফঈদাদের সতর্ক করলো চীন |
|
বিরতির পর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নেয় লিভারপুল। ৫৬ মিনিটে সালাহর ক্রস থেকে জোরালো শটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন সোবোসলাই। মৌসুমে এটি ১০ম গোল ছিল হাঙ্গেরিয়ান এই মিডফিল্ডারের।
৬৬ মিনিটে বক্সে সালাহকে ফেলে দেন পাসকাল গ্রোস। পেনাল্টি থেকে জোরালো শটে ব্যবধান ৩-০ করেন ৩৩ বছর বয়সি সালাহ। চলতি মৌসুমে লিভারপুলের জার্সিতে এটি তাঁর সপ্তম গোল।
ম্যাচে সুযোগ পেলেও কাজে লাগাতে পারেনি ব্রাইটন। আলিসন বেকার দারুণ সেভ করেন দিয়েগো গোমেজের শট, আর লুইস ডাঙ্কের সুযোগও লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। শেষ দিকে বদলি হিসেবে নেমে বল জালে জড়ান ১৭ বছর বয়সি রিও এনগুমোহা, তবে অফসাইডের কারণে গোল বাতিল হয়।
রাতের অপর ম্যাচে ১০ জনের অ্যাস্টন ভিলাকে ৩-১ গোলে হারিয়ে চমক দেখিয়েছে নিউক্যাসল ইউনাইটেড। সান্দ্রো টোনালির জোড়া গোলে পঞ্চম রাউন্ড নিশ্চিত হয় নিউক্যাসলের। ভিএআর না থাকায় ম্যাচজুড়ে রেফারির একাধিক সিদ্ধান্ত ঘিরে তৈরি হয় বিতর্ক।

দলের অন্যতম সেরা দুই তারকা কিলিয়ান এমবাপে ও জুড বেলিংহ্যামকে ছাড়াই সাান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে দাপুটে পারফরম্যান্স দেখাল রিয়াল মাদ্রিদ। জোড়া গোল করে দলের জয়ে বড় ভূমিকা রাখেন ভিনিসিউস জুনিয়র।
লা লিগায় শনিবার রাতে রিয়াল সোসিয়েদাদকে ৪-১ গোলে হারিয়েছে স্বাগতিকরা। এই জয়ে বার্সেলোনাকে টপকে শীর্ষে উঠল রিয়াল।
হাঁটুর অস্বস্তির কারণে সপ্তাহজুড়ে অনুশীলন মিস করা এমবাপে ছিলেন এদিন বেঞ্চে। উরুর চোটে জুড বেলিংহ্যামও ছিলেন না দলে। তবে দলীয় পারফরম্যান্সে ঘাটতি পড়েনি লস ব্লাঙ্কোসদের।
আরও পড়ুন
| সাউদাম্পটনের কাছে হেরে এফএ কাপ থেকে বিদায় নিল হামজার লেস্টার |
|
পঞ্চম মিনিটে ট্রেন্ট আলেকজান্ডার আর্নল্ডের ক্রস থেকে গোল করে রিয়ালকে এগিয়ে দেন গনসালো গার্সিয়া। ২১ মিনিটে ডিন হুইসেন ইয়াঙ্গেল হেরেরাকে ফাউল করলে পেনাল্টি পায় সোসিয়েদাদ। স্পট কিক থেকে সমতা ফেরান মিকেল ওইয়ারসাবাল।
চার মিনিট পরই আবার লিড নেয় রিয়াল। জন আরামবুরুর ট্যাকলে বক্সে পড়ে পেনাল্টি পান ভিনিসিউস। সফল স্পট কিকে নিজেই দলকে লিড এনে দেন। ৩১ মিনিটে ব্যবধান আরও বাড়ান অধিনায়ক ফেদেরিকো ভালভার্দে। বক্সের সামনে ফাঁকা জায়গা পেয়ে জোরালো শটে মৌসুমের নিজের প্রথম গোলটি করেন।
বিরতির পর আবারও পেনাল্টি থেকে গোল করেন ভিনিসিউস। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই পাওয়া স্পট কিক কাজে লাগিয়ে ব্যবধান ৪-১ করেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। শেষ পর্যন্ত ব্যবধান ধরে রেখে মাঠ ছাড়ে আলভারো আরবেলোয়ার দল।
এই জয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে সোসিয়েদাদের ১০ ম্যাচের অপরাজিত ধারার ইতি টানল রিয়াল। ২৬ ম্যাচে ৬০ পয়েন্ট নিয়ে লিগের শীর্ষে রিয়াল। এক ম্যাচ কম খেলে দুইয়ে থাকা বার্সেলোনার পয়েন্ট ৫৮, সোমবার জিরোনার বিপক্ষে জয় পেলে আবারো শীর্ষে উঠবে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।