বুন্দেসলিগায় ফর্ম দুরন্ত, সব প্রতিযোগিতা মিলিয়েও ভিনসেন্ট কোম্পানির অধীনে দুর্দান্ত ফুটবল উপহার দিচ্ছে বায়ার্ন মিউনিখ। লিগে অপরাজিত থাকা দলটি আছে সাত ম্যাচের টানা জয়ের ধারায়। তবে বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের বিপক্ষে হাইভোল্টেজ ম্যাচের আগে সাবধানী এই বেলজিয়ান কোচ। তার মতে, ফর্ম যেমনই হোক, এই ম্যাচে তাদের জন্য অপেক্ষা করছে কঠিন চ্যালেঞ্জ
এই মৌসুমে বাভারিয়ানদের কোচ হয়েছেন কোম্পানি। গত মৌসুমে শিরোপাহীন দলটি তার ছোঁয়ায় বদলে গেছে রাতারাতি। বুন্দেসলিগায় অপরাজিত থেকে আছে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে শেষ সাত ম্যাচে একটি গোলও হজম করেনি বায়ার্ন। আর গোল করেছে অবিশ্বাস্য, ৩৬টি। স্বপ্নের ফর্মে থাকা তারকা স্ট্রাইকার হ্যারি কেইন করে ফেলেছে ১৪টি গোল।
তবে শনিবার ডর্টমুন্ডের বিপক্ষে ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে কোম্পানি বলেছেন, নতুন ম্যাচে নতুন পরীক্ষা দিতে হবে তাদের। “এতদিন ফলাফলগুলো এরই মধ্যে অতীত হয়ে গেছে। আমি শুধু চাই আগামীকালের ম্যাচে জিততে চাই। এটাই আমাদের ক্লাসিকারের লক্ষ্য। এই ম্যাচগুলোর একটা বিশেষ বিল্ড আপ রয়েছে, যা আমার ভালো লাগে। আমরা সবাই এই ম্যাচগুলোর জন্য উন্মুখ হয়ে থাকি।”
কোম্পানি প্রতিপক্ষকে সম্মান দেখিয়ে নিজেদের ফেভারিট হিসেবে না মানতে চাইলেও তারা মাথে নামবে এগিয়ে থেকেই। কারণ, ডর্টমুন্ড চলতি মৌসুমে একেবারেই নেই ছন্দে। বায়ার্নের চেয়ে ১০ পয়েন্ট পিছিয়ে থেকে পঞ্চম স্থানে আছে দলটি। চোটের আঘাতে মাঠের বাইরে আছেন কয়েকজন খেলোয়াড়। তার ওপর ম্যাচটি হবে বায়ার্নের মাঠে, আর এই মৌসুমে বুন্দেসলিগায় প্রতিপক্ষের মাঠে এখনও কোনো ম্যাচ জিততে পারেনি।
তবে কোম্পানি মনে করেন, জেতাটা সহজ হবে না তার দলের জন্য।
“আপনি যদি বড় ছবিটা দেখেন, অন্যরা আমাদের নিয়ে কী ভাবছে, সেটা আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নয়। আমরা তাদের কীভাবে দেখি সেটাই গুরুত্বপূর্ণ।”
৩১ আগস্ট ২০২৫, ৩:২০ পিএম
৩১ আগস্ট ২০২৫, ২:৩৫ পিএম
চলতি মৌসুমে লা লিগায় রিয়াল মাদ্রিদের প্রথম দুই ম্যাচেই দেখা পেয়েছেন গোলের। তবে মায়োর্কার বিপক্ষে শেষ ম্যাচে কিলিয়ান এমবাপেকে থাকতে হয়েছে গোলবিহীন। তাতে অবশ্য দলের জয় পেতে সমস্যা হয়নি। ফরাসি তারকা এক ম্যাচ গোল না করলেও তাই উদ্বিগ্ন নন কোচ জাবি আলোনসো।
লা লিগায় সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে গত শনিবার মায়োর্কার বিপক্ষে ২-১ গোলে জয় পায় রিয়াল। ম্যাচে মোট পাঁচবার গোলের চেষ্টা করলেও লক্ষ্যে রাখতে ব্যর্থ হন এমবাপে। একবার বল জালে পাঠালেও তা অফসাইডের কারণে বাতিল হয়ে যায়। গোটা ম্যাচে সাবেক পিএসজি ফরোয়ার্ড তিনবার অফসাইডে ধরা পড়েন।
তবে ম্যাচ শেষে এমবাপের পারফরম্যান্স নিয়ে চিন্তিত না হওয়ার কথাই জানালেন আলোনসো। “এমবাপে হয়ত গোল পায়নি, তবে এতে আমি মোটেও চিন্তিত নই। এমবাপের মানসিকতা কিন্তু দারুণ ছিল। তার সামান্য কিছু পজিশনিং ভুল ছিল। আর ফাইনাল পাস বা শটের একটু কমতি ছিল। আমি নিশ্চিত, সে খুব দ্রুতই ছন্দে ফিরে আসবে।”
গত মৌসুমে রিয়ালের সর্বোচ্চ গোলস্কোরার এমবাপেকে প্রতিপক্ষ ভালোই ভুগিয়েছে অফসাইডের ‘ট্র্যাপ’-এ। এই মৌসুমে তৃতীয় ম্যাচেই সেই একই চিত্র প্রকটভাবে দৃশ্যমান হয়েছে। এমবাপেকে পরিকল্পনা করে মায়োর্কার ডিফেন্ডাররা অফসাইডের ফাঁদে পা দিতে বাধ্য করেছেন।
আলোনসো অবশ্য বিষয়টি নিয়ে চিন্তার কিছু দেখছেন না। “অফসাইডের যে ব্যাপারটা, সেটা আমরা আমরা ঠিক করে ফেলব। এটা মনে রাখা প্রয়োজন যে, সে প্রতিপক্ষের জন্য সবসময়ই হুমকির কারণ হয়ে ওঠে। এসব খুঁটিনাটি বিষয় ঠিক করা সম্ভব। আর এই মৌসুমে সে অনেক গোল করবে… এটা নিয়ে আমার কোনো সন্দেহ নেই।”
শেষ পর্যন্ত জয় পেলেও ম্যাচের শুরুতে পিছিয়ে পড়েছিল রিয়াল। ১৮ মিনিটে মায়োর্কার ভেদাত মুরিকি গোল করে এগিয়ে নেন দলকে। তবে দ্বিতীয়ার্ধে আর্দা গুলার ও ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের গোলে জয় নিশ্চিত করে স্বাগতিক রিয়াল।
আগের ম্যাচে ভুটানের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করলে শিরোপা জেতার স্বপ্ন শেষ হয় যায় বাংলাদেশের। ওই দিনই নেপালকে ৫-০ গোলে হারিয়ে অনূর্ধ্ব-১৭ নারী চ্যাম্পিয়শিপের মুকুট পরে ভারত। বাংলাদেশের বিপক্ষে তাদের আজকের ম্যাচটি ছিল তাই নিয়মরক্ষার।
বাংলাদেশের বিপক্ষে অবশ্য শক্তিশালী একাদশই নামায় ভারত। তবে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারেনি তারা। ম্যাচের শেষ মিনিটের গোলে ভারতকে ৪-৩ ব্যবধানে হারিয়েছে বাংলাদেশ। এ জয়ে শিরোপা নয়, শুধু আক্ষেপই বাড়াল বাংলাদেশের। জিতেও তাই রানার্সআপ হয়ে প্রতিযোগিতা শেষ করেছে মাহবুবুর রহমান লিটুর দল।
বাংলাদেশ দুইবার এগিয়ে গিয়েও নির্ধারিত সময় স্কোরলাইন ছিল ৩-৩ গোলে। সেখান থেকে যোগ করা সময়ের শেষ মিনিটে আত্মঘাতী গোলে জয় পায় বাংলাদেশ। ২ গোল করে ম্যাচ সেরা হয়েছেন সুরভী আকন্দ প্রীতি। প্রতিযোগিতায় তাঁর গোল ৭টি। প্রথম দেখায় ভারতের কাছে ২-০ গোলে হেরেছিল তারা।
রাউন্ড রবিন লিগের ৬ ম্যাচ শেষে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে চ্যাম্পিয়ন ভারত। সমানসংখ্যক ম্যাচে বাংলাদেশের অর্জন ১৩ পয়েন্ট । এর আগে অনূর্ধ্ব-১৭ পর্যায়ের সাফ হয়েছিল একবারই, সেবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল অতিথি দল হিসেবে খেলা রাশিয়া। এবার ভারত জিতল নিজেদের প্রথম শিরোপা।
বাংলাদেশের বিপক্ষে টুর্নামেন্টে প্রথম হারের স্বাদ পায় ভারত। শিরোপা নিশ্চিত হওয়ার পরও এই ম্যাচে তারা নামায় সেরা একাদশ। বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচটা জিতেই যে তারা প্রতিযোগিতা শেষ করতে চেয়েছিল সেটি ম্যাচ শেষেই বোঝা গেল। বাংলাদেশের কাছে হারের পর মাঠেই কান্না করেছেন ভারতীয় খেলোয়াড়েরা।
৮৭ মিনিট পর্যন্ত বাংলাদেশ ৩-২ গোলে এগিয়েছিল। ৮৮ মিনিটে ভারত সমতা ফেরায় ম্যাচে। তবে যোগ করা সময়ের শেষ মিনিটে নাটকীয়ভাবে ম্যাচ জিতে নেয় বাংলাদেশ।
ম্যাচ শুরুর ২২ সেকেন্ডের মাথায় ভারতের জালে বল পাঠায় বাংলাদেশ। বাঁ-দিক থেকে মামুনির ক্রস থেকে পূর্ণিমা মারমা হেডে টুর্নামেন্টের দ্রুততম গোলটি করেন। লিড বেশি সময় ধরে রাখতে পারেনি মেয়েরা। রক্ষণের দুর্বলতায় অষ্টম মিনিটে ভারতকে সমতায় ফেরান আনুসকা কুমারী।
খেলার ৩৪ মিনিটে আলপি আক্তারের গোলে দ্বিতীয়বার লিড নেয় বাংলাদেশ। পূর্ণিমা মারমার শট ঠিকঠাক ক্লিয়ার করতে পারেননি ভারতের গোলরক্ষক। বলে পেয়ে যান বাংলাদেশের আলপি। তাঁ গোলে ব্যবধান ২-১ হয়।
দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরুর তিন মিনিটের মাথায় দলের হয়ে ব্যবধান ৩-১ করেন সুরভী আকন্দ প্রীতি। প্রতিযোগিতায় এ নিয়ে ৬ গোল হলো এই ফরোয়ার্ডে। বাঁ-দিক থেকে আসা বল ধরে ভারতের দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে জালে বল পাঠান এই ফরোয়ার্ড।
৬৫ মিনিটে ভারতের বদলি খেলোয়াড় প্রীতিকা বর্মণ গোল করে ব্যবধান ৩-২ করেন। ৮৮ মিনিটে ভারত সমতা ফেরালে বাংলাদেশ ড্র নিয়েই মাঠ ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। তবে যোগ করা সময়ের শেষ মিনিটে প্রীতির শট ভারতের গোলরক্ষক লাইন থেকে ক্লিয়ার করলেও তাদেরই এক ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে ঢুকে যায় জালে।
উলভারহ্যাম্পটনকে মৌসুমের প্রথম ম্যাচে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দারুণ শুরু। পরের ম্যাচেই টটেনহ্যামের বিপক্ষে ২-০ গোলের হারের ধাক্কা খায় ম্যানচেস্টার সিটি। তারপর কোচ পেপ গার্দিওলা খেলার ধরন ও দর্শন নিয়ে তীব্র সমালোচনা।
আন্তর্জাতিক বিরতির আগে নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে আজ ব্রাইটনের বিপক্ষে খেলবে সিটি। তার আগে গার্দিওলা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি কখনোই তার ফুটবল দর্শন বদলাবেন না, যদিও প্রিমিয়ার লিগ মৌসুমের শুরুটা মিশ্র অভিজ্ঞতায় কাটছে। তাঁর জবাব, ক্যারিয়ারে নিজের ধরন দিয়েই সাফল্য পেয়েছেন তিনি।
আরও পড়ুন
দিশা না পেয়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন মার্তিনেজের পিছু নিয়েছে ইউনাইটেড |
![]() |
৫৪ বছর বয়সী গার্দিওলা তাই একটু রসিকতার সুরে বললেন, ‘হ্যাঁ, ১৮টা শিরোপা জেতার পর আমি নিশ্চয়ই পরিকল্পনা বদলাব। হ্যাঁ, চারবার টানা প্রিমিয়ার লিগ জেতার পর নিশ্চিতভাবেই বদলাব- আমার বিশ্বাসের ফুটবল খেলার ধরন!
তারপর গার্দিওলার স্পষ্ট বার্তা, ‘কখনোই, কোনো দিনই আমার বিশ্বাসের ধরন পরিবর্তন করব না। তবে যদি উপরের দিকে বল কেড়ে নিতে পারি, তখন আমি চাই দ্রুত আক্রমণ করতে। প্রতিপক্ষ যদি ম্যান-টু-ম্যান হাই প্রেসিং করে আর আমরা প্রথম প্রেস ভেঙে বের হয়ে আসি, তখন আমি চাই দ্রুত আক্রমণ হোক। কিন্তু তার পর? আমি ভালোবাসি হাজারো, লাখো একঘেয়ে পাস। আমি সেটাই ভালোবাসি।’
গত মৌসুমে ট্রফিহীন থাকার পর এই গ্রীষ্মে ছয়জন নতুন খেলোয়াড় দলে ভিড়িয়েছে সিটি। অনেকেই মনে করছেন এতে খেলার ধরনে পরিবর্তন আসতে পারে। তবে গার্দিওলার ভাষায়, ‘হ্যাঁ, নতুন খেলোয়াড় এসেছে। কিন্তু আমি যে বিশ্বাসে দল খেলাই, তা কোনো দিনই বদলাবে না।’
নিজেদের বর্তমান অবস্থার সঙ্গে অতীতের সেরা দলগুলোর তুলনা করে কাতালান গার্দিওলার বলেন, ‘যদি এই দলটিকে সেঞ্চুরিয়নস কিংবা চার ঘরোয়া শিরোপা, ট্রেবল ও টানা চার লিগ জেতা দলের সঙ্গে তুলনা করি, আমরা হারব। কিন্তু এমন কিছু বিষয় আছে যা আমার ভালো লাগছে। হয়তো দুই মাস পর বলব আমি ভুল ছিলাম, তবে এখন যেদিন থেকে আমরা যুক্তরাষ্ট্রে (ক্লাব বিশ্বকাপ) গিয়েছি, তখন থেকেই কিছু কিছু বিষয় দেখছি যা ভালো মৌসুমের জন্য দরকারি। এর মানে এই নয় আমরা শিরোপা জিতব, কিন্তু আমি মনে করি মৌসুমটা ভালো কাটবে। আমরা ঠিক থাকব।”
টটেনহ্যামের বিপক্ষেও ইতিবাচক কিছু দেখেছেন গার্দিওলা, ‘স্পার্সের বিপক্ষেও আমি আমার দলের অনেক পরিচিত বিষয় দেখেছি। হ্যাঁ, কিছু কাজ আরও ভালোভাবে করতে হবে, তবে মৌসুমের এই পর্যায়ে এটা স্বাভাবিক। ফলাফলই তা বলে দেবে। যখন টানা চার-পাঁচ-ছয় ম্যাচ জিততে পারব, কিংবা ধারাবাহিকভাবে ভালো খেলব, কম গোল খাব আর বেশি গোল করব, তখন বলব: আমাদের ধারাবাহিকতা ফিরে এসেছে।’
সময়টা এমনিতেই ভালো যাচ্ছে না। তার সঙ্গে গোল পোস্টে আন্দ্রে ওনানা যেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিষ ফোঁড়া! গোলরক্ষকের বিতর্ক আর হাস্যকর সব ভুলের খেসারত দিতে হয় রেড ডেভিলদের। ২০২৫-২৬ মৌসুমেও হার দিয়ে শুরু হয় তাদের প্রিমিয়ার লিগ।
লিগে ইউনাইটেডের একাদশ চলতি মৌসুমে এখনো জায়গা হয়নি ওনানার। ইএফএল কাপে এক ম্যাচ খেললেও অচেনা দলের কাছে হেরে দ্বিতীয় রাউন্ড থেকে বিদায় নেয় তারা। ক্যামেরুন গোলরক্ষকের জায়গায় যাঁরা খেলছেন, তাঁদের ওপরও আস্থা রাখতে পারছেন না কোচ রুবেন আমোরি। দিশা না পেয়ে গ্রীষ্মকালীন দলবদলের শেষ মুহূর্তে পিছু নিয়েছে তারা বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন এমিলিয়ানো মার্তিনেজের। আগামীকাল বন্ধ হবে দলবদলের দরজা।
ইংলিশ ও ইউরোপিয়ান সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন, ট্রান্সফার ডেডলাইনের আগে নির্ভরযোগ্য গোলরক্ষকের খোঁজে মরিয়া ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। ওনানা, আলতাই বায়িন্দির ও টম হিটন ভরসা দিতে ব্যর্থ হওয়ায়, এবার তাদের লক্ষ্য অ্যাস্টন ভিলার আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক মার্তিনেজ এবং সেনে লামেন্স।
গ্রীষ্মকালীন দলবদলের বাজারে ব্যাপক পরিবর্তন আনলেও এখনো নির্ভরযোগ্য এক নম্বর গোলরক্ষক খুঁজে পায়নি ইউনাইটেড। সময় ফুরিয়ে আসছে আর এক দিনের মধ্যে জানালার পর্দা নামবে, আর সে কারণেই বিষয়টি ডেডলাইন ড্রামায় রূপ নিচ্ছে।
আমোরিমের হাতে এখন তিন অপশন আছে ওনানা, বায়িন্দির আর ৩৯ বছর বয়সী টম হিটন। তবে কেউই তাঁর চাহিদামতো নির্ভুল ও বিশ্বস্ত শট-স্টপার হিসেবে নিজেদের প্রমাণ করতে পারেননি।
প্রিমিয়ার লিগে প্রথম তিন ম্যাচে শুরুর একাদশে ছিলেন বায়িন্দির, প্রত্যেক ম্যাচেই কোনো না কোনো ভুল করেছেন তিনি।
অভিজ্ঞ হিটনকে নির্ভরযোগ্য বিকল্প মনে করা হলেও দীর্ঘমেয়াদী সমাধান হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে না। বয়সটা তাঁর ৪০-এর কাছে।
সময় যতই গড়িয়ে যাচ্ছে, ইউনাইটেড নতুন গোলরক্ষক নিশ্চিত করতে একাধিক পথে এগোচ্ছে। এর মধ্যে আবারও সামনে এসেছে অ্যাস্টন ভিলার এমিলিয়ানো মার্তিনেজ।
গত তিন মৌসুম ধরে অবিশ্বাস্য উত্থানের গল্পে এবার নতুন অধ্যায় যোগ করল রেক্সহ্যাম এএফসি। দীর্ঘ ৪৩ বছর পর তারা জয়ের স্বাদ পেল ইংলিশ ফুটবল লিগ চ্যাম্পিয়নশিপে।
চ্যাম্পিয়নশিপ লিগের ম্যাচে শনিবার মিলওয়াল এফসির বিপক্ষে ২-০ গোলের জয় পায় রেক্সহ্যাম। প্রতিপক্ষের মাঠে দলকে জেতানো গোল দুটি করেন কিফার মুর ও লুইস ও'ব্রায়েন।
আরও পড়ুন
দুই মিনিটে দুই গোল করে শীর্ষে রিয়াল |
![]() |
ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের পরের ধাপ ইংলিশ ফুটবল লিগ চ্যাম্পিয়নশিপে এই ক্লাবের সবশেষ জয়টি ছিল ১৯৮১-৮২ মৌসুমের শেষ দিনে রদ্যারহ্যাম ইউনাইটেডের বিপক্ষে। মাঝে চ্যাম্পিয়নশিপে আর কোনো ম্যাচ জিততে পারেনি তারা।
চলতি মৌসুম দিয়ে দীর্ঘদিন পর আবার চ্যাম্পিয়নশিপে ফিরেছে রেক্সহ্যাম। এখানেও প্রথম তিন ম্যাচে জয়হীন ছিল তারা। প্রথম তিন ম্যাচে একটি ড্র করেছিল, হেরেছিল বাকি দুটি। এবার চতুর্থ ম্যাচে এসে পেয়েছে প্রথম জয়।
১৮৬৪ সালে প্রতিষ্ঠিত রেক্সহ্যাম এএফসি ওয়েলসের সবচেয়ে পুরোনো ক্লাব। একইসঙ্গে বিশ্বের তৃতীয় প্রাচীনতম পেশাদার অ্যাসোসিয়েশন ফুটবল ক্লাবও তারা।
রেকর্ড ২৩ বার ওয়েলস কাপ জিতেছে ক্লাবটি। তবে এর সবশেষ ট্রফিটি ১৯৯৫ সালে। এরপর ধীরে ধীরে তারা নেমে যায় ফুটবলের পঞ্চম স্তরে।
আরও পড়ুন
শেষ মুহূর্তে চেলসি ফরোয়ার্ডকে ছিনিয়ে নিল মিলান |
![]() |
এরপর নতুন মালিকানা আসার পর অভাবনীয় উন্নতির কীর্তি গড়ে একে একে পঞ্চম থেকে চতুর্থ, চতুর্থ থেকে তৃতীয় এবং এবার দ্বিতীয় স্তরে জায়গা করে নেয় তারা। ইংলিশ ফুটবল লিগের ইতিহাসে প্রথম দল হিসেবে টানা তিন মৌসুমে প্রমোশনের রেকর্ড গড়ে তারা।
এবার তাদের লক্ষ্য চ্যাম্পিয়নশিপ থেকে প্রিমিয়ার লিগে জায়গা করে নেওয়া। প্রথম চার ম্যাচে অবশ্য অবস্থা সুবিধার নয়। চার ম্যাচে মাত্র ৪ পয়েন্ট নিয়ে ২৪ দলের মধ্যে ১৫ নম্বরে আছে রেক্সহ্যাম। তবে সামনের দিনগুলোতে ঘুরে দাঁড়াতে পারলেই হতে পারে তাদের স্বপ্নপূরণ।
১৩ ঘণ্টা আগে
১৫ ঘণ্টা আগে
৫ দিন আগে
৫ দিন আগে
৬ দিন আগে
৬ দিন আগে
৮ দিন আগে
১০ দিন আগে
১২ দিন আগে
১৩ দিন আগে
১৫ দিন আগে
১৫ দিন আগে
১৫ দিন আগে
২০ দিন আগে
২০ দিন আগে