১৮ মে ২০২৫, ৫:০৭ পিএম

ম্যানচেস্টার সিটির তারকা ফরোয়ার্ড আর্লিং হলান্ড যে এখনো ওয়েম্বলিতে খুলতে পারেননি গোলের খাতা। এফএ কাপের ফাইনালেও ক্রিস্টাল প্যালেসের সাথেও কাটেনি হলান্ডের সেই খরা।
এই মাঠে সবমিলিয়ে ৬ ম্যাচ খেললেও হলান্ড গোল পাননি। এমনকি শনিবারের ম্যাচে ম্যান সিটি পেনাল্টি পেলেও সেটা নিজে না নিয়ে ওমর মারমুশকে দিয়ে দেন হলান্ড। ওমর মারমুশের সেই শট থেকে গোলও হয়নি। হলান্ড কী তবে ওয়েম্বলি ভয়ের কারণেই নিজে শট নেননি? ম্যাচের পর আলোচনায় এখন এই প্রশ্নই। এমনকি ম্যানচেস্টার সিটি কোচ পেপ গার্দিওলাও ভেবেছিলেন পেনাল্টি শটটা নেবেন আর্লিং হলান্ডই।
হলান্ডের এমন ঘটনায় সমালোচনা করেছেন সাবেক ফুটবলাররাও। ইংল্যান্ড ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সাবেক তারকা ফুটবলার ওয়েইন রুনি তো বলেই ফেললেন রোনালদো আর মেসির সাথে হলান্ডের অন্যান্যদের পার্থক্য এটাই। তিনি বলেন,
“হলান্ড দারুণ ফুটবলার, কিন্তু যখন আপনি মেসি এবং রোনালদোর কথা বলবেন, তখন তারা কখনই এভাবে বল দিয়ে দিতো না। এটাই মেসি-রোনালদোর সাথে হলান্ড অথবা এমবাপের পার্থক্য। মেসি-রোনালদো প্রতি মুহূর্তে গোল করতে চায়।” ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক ও নিউকাসল কিংবদন্তি অ্যালেন শিয়েরারও হলান্ডকে শুনিয়েছেন কড়া কথা। “আমার বিশ্বাস হচ্ছে না যে, ও শটটা নিজে না নিয়ে অন্য কাউকে নিতে বলেছে।“
এই মৌসুমে পেনাল্টি ভাগ্যটাও ভালো যাচ্ছে না হলান্ডের। ৭ বার পেনাল্টি শট নিয়ে ৩টাই যে মিস করেছেন নরওয়ের এই ফরোয়ার্ড। নিজের পেনাল্টির অফ ফর্ম, তাইতো এফএ কাপের ফাইনালে পিছিয়ে থাকার পর যখন সুযোগ এলো, কোনো ঝুঁকি নিতে চাননি আর্লিং হলান্ড। ওমর মারমুশ পেনাল্টিটা মিস না করলে আর ম্যানচেস্টার সিটি ম্যাচটা না হারলে হয়তো আলোচনাই হতো না হলান্ডের এই ঘটনা নিয়ে।
No posts available.
১৭ মার্চ ২০২৬, ৪:০১ পিএম

বিশ্বকাপের প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে। ফ্রান্স ও ক্রোয়েশিয়া ম্যাচের জন্য দল ঘোষণা করেছেন ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেত্তি। কিন্তু সে দলে জায়গা হয়নি তারকা ফরোয়ার্ড নেইমার জুনিয়রের। ভক্ত-সমর্থকেরা পুড়ছেন ক্ষোভে। আলোচনা-সমালোচনাও হচ্ছে ব্যাপক।
এর মধ্যেই মুখ খুললেন থিয়াগো সিলভা। তাঁর মতে, নেইমার ফর্মে থাকলে তাঁকে দলে না নেওয়ার কোনো প্রশ্নই ওঠে না। টিএনটি স্পোর্টসকে সাক্ষাৎকারে সিলভা বলেন, 'আমার কাছে এটা নিয়ে কোনো বিতর্কই নেই। নেইমার যদি ভালো খেলতে থাকে, তাহলে তাকে অবশ্যই বিশ্বকাপে নিতে হবে।'
৩৯ বছর বয়সী সিলভা মনে করেন, বর্তমান পারফরম্যান্স বিবেচনায় নেইমারকে দলে রাখা বাধ্যতামূলক। এই ডিফেন্ডার বলেন,
'এখন যেভাবে সে খেলছে, তাকে দলে নিতেই হবে। এ নিয়ে কোনো তর্ক নেই।'
নেইমারের মাঠের প্রভাবও তুলে ধরেন সিলভা। তাঁর ভাষায়, 'নেইমার যখন মাঠে থাকে, প্রতিপক্ষ দলের জন্য সে আগেই একটা মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।'
চোট ও ফর্মহীনতার ২০২৩ সালের শেষ দিক থেকে ব্রাজিল দলে নেইমারের উপস্থিতি অনিয়মিত। তবে সাম্প্রতিক নজরকাড়া পারফরম্যান্সে তিনি আবারও আলোচনায় ফিরেছেন। সেই প্রেক্ষাপটে সিলভার এই মন্তব্য ব্রাজিল দলে নেইমারের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক উসকে দিয়েছে। কোচ কার্লো আনচেলত্তির জন্য কঠিন চাপও।
বিশ্বকাপের আগে দল চূড়ান্ত করার সময় ঘনিয়ে আসায়, নেইমারকে ঘিরে এই আলোচনা আগামী দিনগুলোতে আরও জোরালো হওয়ার ইঙ্গিতই দিচ্ছে।

ব্রাজিল জাতীয় দলে ফেরার অপেক্ষার প্রহর আরও দীর্ঘ হলো নেইমার জুনিয়রের। সান্তোসের হয়ে ছন্দে ফেরার আভাস দিলেও কোচ কার্লো আনচেলত্তির ঘোষিত প্রীতি ম্যাচের স্কোয়াডে জায়গা হয়নি সেলেসাওদের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার। নিজেকে প্রমাণের মরিয়া চেষ্টার সুযোগ না পাওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছেন ৩৪ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড।
দল ঘোষণার পর সাও পাওলোতে একটি ম্যাচ চলাকালীন মাইক্রোফোন হাতে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেন নেইমার। তিনি বলেন,
‘আমি আজ কথা বলব, কারণ আমি আর চুপ থাকতে পারছি না।এটা স্বাভাবিক যে, দলে সুযোগ না হওয়ায় আমি হতাশ ও ব্যথিত।‘
তবে বাদ পড়লেও ২০২৬ বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্ন যে এখনও ফিকে হয়ে যায়নি, সেটিও স্পষ্ট করে দিয়েছেন নেইমার।
‘লক্ষ্য এখনো অটুট আছে। প্রতিদিনের অনুশীলন আর প্রতিটি ম্যাচ ধরে এগোচ্ছি। আমরা আমাদের গন্তব্যে পৌঁছাবই। বিশ্বকাপের চূড়ান্ত দল ঘোষণা এখনো বাকি।‘
মাঠে নামার জন্য নেইমার ব্যাকুল হলেও কোচ আনচেলত্তি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, শুধুমাত্র নামের ভারে কাউকে দলে নেবেন না তিনি। সান্তোসের হয়ে গত দুই ম্যাচে দুই গোল ও এক অ্যাসিস্ট করলেও কোচের চোখে নেইমার এখনো পুরোপুরি ফিট নন।
সংবাদ সম্মেলনে ইতালিয়ান এই কোচ বলেন,
‘আমি কেন তাকে ডাকিনি? কারণ সে এখনো ১০০ শতাংশ ফিট নয়। আমার এমন খেলোয়াড় প্রয়োজন যারা শারীরিক ও মানসিকভাবে পূর্ণ সক্ষম। নেইমারকে খেলা চালিয়ে যেতে হবে এবং প্রমাণ করতে হবে যে সে এখন বিশ্বমঞ্চে লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত।‘
২০২৬ বিশ্বকাপের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণার আগে নেইমারের হাতে সময় আছে মাত্র দুই মাস। আগামী ১৯ মে বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করবেন আনচেলত্তি। এই সময়ে সান্তোসের হয়ে ব্রাজিলিয়ান লিগ, কোপা দো ব্রাজিল এবং কোপা সুদামেরিকানা মিলিয়ে অন্তত ১৬টি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবেন নেইমার। এই তারকার জন্য প্রতিটি ম্যাচই হবে জাতীয় দলে ফেরার একেকটি ‘অডিশন’।

ফুটবলকে বিদায় জানালেন আর্জেন্টিনার গোলকিপার সার্জিও রোমেরো। সোমবার ফরাসি সংবাদমাধ্যম লেকিপ তাঁর অবসরের খবরটি নিশ্চিত করেছে।
গত বছর আর্জেন্টিনোস জুনিয়রসের হয়ে কোপা আর্জেন্টিনায় নিজের শেষ ম্যাচটি খেলেছিলেন ৩৯ বছর বয়সী রোমেরো। শৈশবের রেসিং ক্লাবে ব্যাক-আপ গোলকিপার হিসেবে ফেরার ইচ্ছা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা আর হয়ে ওঠেনি।
২০০৭ সালে অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপ জয় এবং ২০০৮ সালে বেইজিং অলিম্পিকে স্বর্ণপদক জয়ের মধ্য দিয়ে রোমেরোর উত্থান। দিয়াগো ম্যারাডোনার হাত ধরে জাতীয় দলে অভিষেক হওয়া এই গোলকিপার আর্জেন্টিনার হয়ে রেকর্ড ৯৬টি ম্যাচ খেলেছেন।
আরও পড়ুন
| যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বকাপ খেলতে অনিচ্ছুক ইরান |
|
রোমেরোর ক্যারিয়ারের সবচেয়ে স্মরণীয় মুহূর্ত ছিল ২০১৪ বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল। নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে টাইব্রেকারে দুটি পেনাল্টি রুখে দিয়ে আর্জেন্টিনাকে ফাইনালে তুলেছিলেন তিনি। যদিও জার্মানির বিপক্ষে ফাইনালে ১-০ গোলে হেরে স্বপ্নভঙ্গ হয় লিওনেল মেসিদের সেই দলের। ২০১৮ বিশ্বকাপেও রোমেরোর খেলার কথা থাকলেও চোটের কারণে শেষ মুহূর্তে ছিটকে যান তিনি।
২০০৬ সালে রেসিংয়ের হয়ে ক্যারিয়ার শুরু করা রোমেরো ইউরোপে পাড়ি জমান ডাচ ক্লাব এজেড আলকমারের হয়ে, যেখানে ২০০৯ সালে লিগ শিরোপা জেতেন। তারপর সাম্পদোরিয়া ও মোনাকো হয়ে ২০১৫ সালে যোগ দেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে। ওল্ড ট্রাফোর্ডে মূলত ব্যাক-আপ গোলকিপার হলেও ২০১৭ সালে রেড ডেভিলদের ইউরোপা লিগ জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তিনি। ক্লাব ফুটবলে সব মিলিয়ে ৩৭১টি ম্যাচ খেলেছেন রোমেরো।
ফুটবল থেকে অবসর নিলেও মাঠ ছাড়ছেন না রোমেরো। আর্জেন্টাইন সাংবাদিক ফেদে ক্রিস্তোফানেল্লির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, খুব শীঘ্রই তাকে ডাগআউটে নতুন ভূমিকায় দেখা যাবে।

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। নিজেদের ম্যাচ যুক্তরাষ্ট্রের বদলে মেক্সিকোয় আয়োজনের দাবি জানিয়েছে ইরান। এ নিয়ে ইতিমধ্যে ফিফার সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে দেশটির ফুটবল ফেডারেশন।
ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পশ্চিম এশিয়ায় চলমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি এবং নিরাপত্তা শঙ্কার কারণেই তারা যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে খেলতে আগ্রহী নয়। মঙ্গলবার মেক্সিকোয় অবস্থিত ইরানের দূতাবাসও বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
ইরানের ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি মেহদি তাজ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চয়তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে তাদের। 'যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি আমাদের দলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারেন বলে জানান, তাহলে আমরা সেখানে ভ্রমণ করব না,' সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় এমনটাই মন্তব্য করেন তিনি। একই সঙ্গে জানান, ইরানের ম্যাচগুলো মেক্সিকোয় আয়োজনের বিষয়ে ফিফার সঙ্গে আলোচনা চলছে।
আরও পড়ুন
| চার গোলকিপারকেই হারিয়ে চরম সংকটে বায়ার্ন |
|
বিশ্বকাপের ‘জি’ গ্রুপে ইরানের প্রতিপক্ষ হিসেবে রয়েছে নিউ জিল্যান্ড, মিশর ও বেলজিয়াম। সূচি অনুযায়ী, লস অ্যাঞ্জেলেসে নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করার কথা ইরানের। একই ভেন্যুতে বেলজিয়ামের বিপক্ষেও খেলার কথা রয়েছে তাদের। আর গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচটি সিয়াটলে মিশরের বিপক্ষে হওয়ার কথা।
সংবাদ সংস্থা এএফপির তথ্যমতে, টুর্নামেন্ট চলাকালে ইরানের বেস ক্যাম্প হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে অ্যারিজোনার টাকসন শহর।
এর আগে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মন্তব্য করেছিলেন, বিশ্বকাপে অংশ নিতে ইরানকে স্বাগত জানানো হবে, তবে নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থেই তাদের যুক্তরাষ্ট্রে না যাওয়াই ভালো। তার এ মন্তব্যের পরপরই তীব্র প্রতিক্রিয়া জানায় ইরান। দেশটি স্পষ্ট করে দেয়, কোনোভাবেই তাদের জাতীয় দলকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়া সম্ভব নয়।
ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো অবশ্য আশ্বস্ত করেছিলেন, বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া সব দলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরানের অবস্থান কিছুটা অনিশ্চয়তার দিকেই ইঙ্গিত দিচ্ছে।
চলতি বছরের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের সামরিক উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করে। এর জেরে মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও নাজুক হয়ে ওঠে, যার প্রভাব পড়েছে এখন ক্রীড়াঙ্গনেও।

ফুটবল বিশ্বকাপকে সামনে রেখে ফ্রান্স ও ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচের জন্য দল ঘোষণা করেছেন ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি। ২৬ সদস্যের এই দলে জায়গা হয়নি তারকা ফরোয়ার্ড নেইমার জুনিয়রের।
২০২৩ সালের অক্টোবরের পর থেকে জাতীয় দলের হয়ে মাঠে নামা হয়নি নেইমারের। ব্রাজিলের হয়ে সর্বোচ্চ গোল করা এই তারকা খেলার জন্য শতভাগ ফিট নন বলে জানিয়েছেন কোচ কার্লো আনচেলত্তি।
দলে রাখা না হলেও ৩৪ বছর বয়সী নেইমারের বিশ্বকাপ দলে ফেরার দরজা এখনো বন্ধ হয়নি বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন ব্রাজিল কোচ, ‘নেইমার পুরোপুরি ফিট নয় বলেই তাকে ডাকা হয়নি। তবে বিশ্বকাপের চূড়ান্ত স্কোয়াডের গল্পটা অন্যরকম হতে পারে।‘
প্রথমবার সেলেসাওদের জার্সিতে ডাক পেয়ে চমক সৃষ্টি করেছেন প্রিমিয়ার লিগে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা ব্রেন্টফোর্ড স্ট্রাইকার ইগর থিয়াগো এবং বোর্নমাউথ উইঙ্গার রায়ান। ব্রেন্টফোর্ডের হয়ে চলতি মৌসুমে ১৯ গোল করে প্রিমিয়ার লিগের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা এখন ২৪ বছর বয়সী থিয়াগো।
আরও পড়ুন
| চার গোলকিপারকেই হারিয়ে চরম সংকটে বায়ার্ন |
|
রিয়াল মাদ্রিদ থেকে লিওঁতে ধারে গিয়ে দারুণ শুরু করা ১৯ বছর বয়সী এনড্রিক আবারও জাতীয় দলে ডাক পেয়েছেন। ফরাসি ক্লাবটিতে ১১ ম্যাচে ৬ গোল করার পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে আরও ৪টি গোল করিয়েছেন ১৯ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড।
এছাড়া গালাতাসারাইয়ের হয়ে তুর্কি লিগ জেতা গ্যাব্রিয়েল সারা প্রথমবারের মতো স্কোয়াডে জায়গা করে নিয়েছেন। রক্ষণভাগে নতুন মুখ হিসেবে সুযোগ পেয়েছেন ৩০ বছর বয়সী ফ্লামেঙ্গো সেন্টার-ব্যাক লিও পেরেইরা।
পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা ১৩ জুন নিউ জার্সিতে মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে তাদের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে। গ্রুপ 'সি'-তে তাদের অন্য দুই প্রতিপক্ষ হাইতি ও স্কটল্যান্ড। তার আগে ২৬ মার্চ বোস্টনে ফ্রান্স এবং ৩১ মার্চ অরল্যান্ডোতে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামবে ব্রাজিল।
এক নজরে ব্রাজিল স্কোয়াড:
গোলকিপার: অ্যালিসন বেকার, বেন্তো, এডারসন।
ডিফেন্ডার: অ্যালেক্স সান্দ্রো, ব্রেমার, দানিলো, ডগলাস সান্তোস, গ্যাব্রিয়েল মাগালহায়েস, ইবানেজ, লিও পেরেইরা, মার্কুইনহোস, ওয়েসলি।
মিডফিল্ডার: আন্দ্রে সান্তোস, কাসেমিরো, দানিলো, ফাবিনহো, গ্যাব্রিয়েল সারা।
ফরোয়ার্ড: এনড্রিক, গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি, ইগর থিয়াগো, জোয়াও পেদ্রো, লুইজ হেনরিক, ম্যাথিউস কুনহা, রাফিনহা, রায়ান, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।