২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:২৭ এম

বেঞ্চ থেকে নেমে টানা দ্বিতীয় ম্যাচে নায়ক বনে গেলেন বেঞ্জামিন সেস্কো। স্লোভেনিয়ান ফরোয়ার্ডের একমাত্র গোলে এভারটনকে হারিয়ে প্রিমিয়ার লিগে চতুর্থ স্থান মজবুত করেছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড।
এভারটনের মাঠে সোমবার রাতে ১-০ ব্যবধানে জিতেছে মাইকেল ক্যারিকের দল। অন্তর্বর্তী এই কোচের অধিনে অপরাজিত যাত্রাও ধরে রাখল ইউনাইটেড।
হিল ডিকিনসন স্টেডিয়ামে ম্যাচের ৭১ মিনিটে দ্রুত পাল্টা আক্রমণ থেকে গোলটি করেন সেস্কো। নিজেদের অর্ধ থেকে আক্রমণ শুরু করে সতীর্থ মাতেউস কুনিয়ার সঙ্গে বল আদান-প্রদান করেন তিনি। পরে ব্রায়ান এমবেউমোর থেকে বল পেয়ে প্রথম ছোঁয়ায় বল জালে পাঠান সেস্কো।
চলতি মৌসুমে সেস্কোর এটি অষ্টম গোল। আগের ম্যাচে ওয়েস্ট হ্যামের বিপক্ষে যোগ করা সময়ে গোল করে দলকে এক পয়েন্ট এনে দিয়েছিলেন এই ফরোয়ার্ড।
আরও পড়ুন
| নির্বাচনের আগে মেসির সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে নিরবতা ভাঙলেন লাপোর্তা |
|
অন্তর্বর্তী কোচ হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর ক্যারিকের অধীনে ছয় ম্যাচে পাঁচটি জিতল ইউনাইটেড। এর মধ্যে শেষ দুই ম্যাচেই বদলি নেমে গোল করলেন সেস্কো।
প্রথমার্ধে বলের দখল বেশি ছিল ইউনাইটেডের। তবে পরিষ্কার সুযোগ তৈরি করতে পারেনি তাঁরা। আমাদ দিয়ালোর জোরালো শট এভারটন গোলকিপার জর্ডান পিকফোর্ডের হাতের নিচ দিয়ে জালের দিকে যাচ্ছিল, গোললাইন থেকে সেটি ক্লিয়ার করেন জেমস তারকোভস্কি। পরে দিয়োগো দালত ও ব্রুনো ফের্নান্দেসের শটও লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।
বিরতির পর এভারটন কিছুটা আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে। হ্যারিসন আর্মস্ট্রং একটি সুযোগ পেয়েছিলেন, কিন্তু তাঁর শটে যথেষ্ট জোর না থাকায় ইউনাইটেড গোলকিপার সহজেই ধরে ফেলেন।
৫৮ মিনিটে দিয়ালোর বদলি হিসেবে মাঠে নামেন সেস্কো। ১৩ মিনিটের মধ্যেই ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেন তিনি।
ম্যাচের শেষ দিকে মাইকেল কিনের প্রায় ২৫ গজ দূর থেকে নেওয়া একটি জোরালো শট ক্রসবারের উপর দিয়ে পাঠিয়ে দেন ইউনাইটেড গোলকিপার সেন লামেন্স। শেষ পর্যন্ত পূর্ণ তিন পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে অতিথিরা।
২৭ ম্যাচে ৪৮ পয়েন্ট ইউনাইটেডের, তৃতীয় স্থানে থাকা অ্যাস্টন ভিলার থেকে এখন তিন পয়েন্ট পিছিয়ে রেড ডেভিলসরা। ২৭ ম্যাচে ৩৭ পয়েন্ট নিয়ে নবম স্থানে এভারটন।
No posts available.
২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৭:৫৫ পিএম
২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৭:২৭ পিএম
২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৬:৩৬ পিএম
২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৪:৪৮ পিএম
২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৩:৫৫ পিএম

আশরাফ হাকিমির বাসায় ধর্ষণের শিকার হয়েছেন— ২০২৩ সালে এমন আপত্তিকর অভিযোগ তুলেছিলেন ২৪ বছর বয়সী এক নারী। যদিও শুরু থেকেই এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন মরক্কোর ফুলব্যাক। তবে ঘটনার পর প্যারিসের পশ্চিম উপশহর নঁতেরের পাবলিক প্রসিকিউটরের দপ্তর বিষয়টি নিয়ে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করে।
আজ প্যারিস সেন্ট–জার্মেইন ডিফেন্ডার হাকিমি জানিয়েছেন, ধর্ষণের অভিযোগের পর তিনি বিচারের মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে হাকিমি লেখেন,
“আজকের দিনে শুধু ধর্ষণের অভিযোগই একটি বিচারের জন্য যথেষ্ট বলে মনে করা হয়। এটি যেমন নির্দোষদের জন্য অন্যায়। তেমনি প্রকৃত ভুক্তভোগীদের ক্ষেত্রেও। আমি শান্তভাবে বিচারের অপেক্ষায় আছি, যাতে সত্যটি সবার সামনে প্রকাশ পায়।”
মাঠের বাইরে এমন পরিস্থিতির মধ্যেই বুধবার চ্যাম্পিয়নস লিগের নকআউট প্লে–অফের দ্বিতীয় লেগে মোনাকোর বিপক্ষে খেলতে নামবে পিএসজি। গত মঙ্গলবার ঘোষিত ক্লাবটির প্রাথমিক স্কোয়াডে হাকিমির নাম রাখা হয়েছে।

সারা বিশ্বেই ফুটবলাররা সাধারণত আয় করে থাকেন নিজ নিজ ক্লাব থেকে। জাতীয় দলে তারা খেলেন দেশের জন্য, সম্মানের জন্য। আর ফেডারেশনের পক্ষ থেকে যা বেতন বা সম্মানী পান সেটির সঙ্গে ক্লাবের আয়ের পার্থক্য বিস্তর। বাংলাদেশের মতো দেশে ক্লাব থেকে সে অর্থে মোটা দাগের আয় বেশিরভাগ ফুটবলারের হয় না। সেটি বিচার করেই কি না এবার জাতীয় দলের ফুটবলারদের বেতনভুক্ত করার পরিকল্পনা করেছে সরকার। আজ এমনটাই জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
ক্রিকেট বোর্ড এবং ফুটবল ফেডারেশনসহ গতকাল সোমবার সব ফেডারেশনের কর্তাদের সঙ্গে সভা করেন প্রতিমন্ত্রী আমিনুল। আজ মঙ্গলবার কেবল বাফুফের সঙ্গে একান্ত বৈঠকে বসেন তিনি। সেখানে বেশ কিছু প্রাথমিক পরিকল্পনার কথা জানানো হয়। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য জাতীয় পুরুষ দলের ফুটবলারদের বেতনের আওতায় আনা। সেটি দেওয়া হবে ক্রীড়া মন্ত্রণালয় থেকে।
বাংলাদেশে পুরুষ ফুটবলারদের আগে কোনো বেতন দেওয়া হতো না। তবে ম্যাচ ফি, জাতীয় দলের ক্যাম্প চলাকালীন ফুটবলাররা ২০-২৫ হাজার টাকা করে সম্মানী পেতেন। আর নারী ফুটবলারদের আগে থেকেই বেতন দেওয়া হতো। এবার তারাও সরকারের পক্ষ থেকে বেতন পাবেন। সেক্ষেত্রে ফেডারেশনে এবং সরকার দুই জায়গা থেকে থেকে আফঈদারা বেতন পাবেন।
বাফুফে কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন,
‘আমাদের মেয়েদের ফুটবলাররা যেভাবে ভালো পারফর্ম করছে- তাদেরকে উৎসাহিত করতে, পুরুষ ফুটবলারদেরকে উৎসাহিত করতে ইতিমধ্যে আমাদের যে সিদ্ধান্ত আপনারা সকলেই অবগত রয়েছেন। পুরুষ এবং নারী ফুটবলার সবাইকেই আমরা সেই বেতন কাঠামোর ভেতরে এনে আমরা তাদেরকে মাসিক এবং সরকারিভাবে আমাদের চুক্তিভিত্তিক স্থায়ী বেতন কাঠামোর ভেতরে অন্তর্ভুক্ত করব।’
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে (এনএসসি) আজ যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুলের সঙ্গে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) বৈঠকে সভাপতি তাবিথ আউয়াল, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুব-উল-আলমসহ আরও অনেক উপস্থিত ছিলেন।

কমলাপুরের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহি মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামের মাঠটাই কেবল ছিল বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) আওতাধীন। এবার গ্যালারি ও স্টেডিয়ামের আবাসন ফেডারেশনকে হস্তান্তর করবে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। একই সঙ্গে আরও দুটি স্টেডিয়াম- সিলেট জেলা স্টেডিয়াম এবং চট্টগ্রাম এমএ স্টেডিয়াম। বাফুফেকে স্টেডিয়াম হস্তান্তরের বিষয়টি আজ জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
মঙ্গলবার এনএসসির সভাকক্ষে বাফুফে কর্মকর্তাদের সঙ্গে সভা শেষে প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন,
‘গ্রামাঞ্চলে অনেক ফুটবল মাঠ থাকতে পারে, তবে বিশেষ করে ফিফা অনুদানের আওতায় আমাদের ফুটবল ফেডারেশন কিছু ভেন্যু বরাদ্দের অনুরোধ করেছিল। আলোচনার পর আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, আমরা চুক্তির মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে তিনটি মাঠ ফুটবল ফেডারেশনকে হস্তান্তর করব।’
দুপুর সাড়ে ১২টায় শুরু হওয়া এই বৈঠকে বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়ালের সঙ্গে সহ-সভাপতি ফাহাদ করিম, নাসের শাহরিয়ার জাহেদি এবং অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ফেডারেশনের প্রতিনিধিরা মন্ত্রীর কাছে বেশ কিছু দাবি তুলে ধরেন, যার মধ্যে শুধুমাত্র ফুটবলের জন্য নির্দিষ্ট ভেন্যুর বিষয়টি প্রধান দাবি হিসেবে উঠে আসে। বৈঠকের পর কথা বলতে গিয়ে আমিনুল হক জানান,
‘আলোচনা মূলত ফুটবলের ভবিষ্যৎ, বর্তমান গতিকে কীভাবে আরও এগিয়ে নেওয়া যায় তা নিয়েই হয়েছে।’
বাফুফের সহ-সভাপতি ফাহাদ করিম এই বৈঠককে ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করে বলেন,
‘বৈঠকের পর আমি ব্যক্তিগতভাবে অত্যন্ত অনুপ্রাণিত এবং উৎসাহিত। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আমাদের নতুন অভিবাবকের নেতৃত্বে, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এবং আমাদের রাষ্ট্রপতির সমর্থনে নিশ্চিতভাবেই এই মেয়াদে আমরা একটি ফুটবল-বান্ধব স্টেডিয়াম পাব।’

অস্ট্রেলিয়া
সফরের আগে সর্বশেষ থাইল্যান্ড সফরটা ভালো যায়নি বাংলাদেশের। গত বছরের অক্টোবরে দুটি
প্রীতি ম্যাচ খেলতে থাইল্যান্ড যায় বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। প্রথম ম্যাচে হারের পর
বেশ কয়েকজন সিনিয়র খেলোয়াড়ের অ্যাপ্রোচে অসন্তুষ্ট ছিলেন প্রধান কোচ পিটার বাটলার।
আরেকটি সফরে সিডনিতে এবার মেয়েদের প্রশংসা ঝরেছে ব্রিটিশ কোচের কণ্ঠে।
এশিয়ান কাপে অংশ নিতে বাংলাদেশ দল এখন সিডনিতে অবস্থান করছে। চতুর্থ দিনের মতো আজ অনুশীলন সেশন করেছে মেয়েরা। সেখান থেকে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) পাঠানো ভিডিও বার্তায় কোচ বাটলার বলেছেন,
‘মেয়েরা সত্যিই দারুণ কাজ করেছে। আমি তাদের প্রচেষ্টায় কোনো খুঁত ধরতে পারছি না। তারা যেভাবে পরিশ্রম করছে তা চমৎকার। অনুশীলনের জন্য এটি একটি ভালো পরিবেশ; আপনারা দেখতেই পাচ্ছেন এখানকার মাঠগুলো অসাধারণ। যদিও এটি সাধারণ মানুষের জন্য কিছুটা উন্মুক্ত।’
১২ দলের প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ পড়েছে ‘বি’ গ্রুপে। যেখানে মোকাবিলা করতে হবে ৯ বারের চ্যাম্পিয়ন চীন ও তিনবারের চ্যাম্পিয়ন উত্তর কোরিয়াকে। এছাড়াও আছে শক্তিশালী উজবেকিস্তান। কঠিন গ্রুপে পড়লেও দারুণ কিছুর অপেক্ষায় বাটলার। তার আগে অবশ্য মানসিকতায় পরিবর্তনের ডাক দিয়েছেন তিনি,
‘আমার মনে হয় এর অনেকটা মানসিকতার সঙ্গে সম্পর্কিত। তাদের মাথায় এটা ঢোকাতে হবে যে আমরা বর্তমানে অন্যদের তুলনায় পিছিয়ে আছি এবং আমাদের সেই ঘাটতি পূরণ করতে হবে। তবে আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আগামীকাল দুটি ৪৫ মিনিটের ম্যাচে আমি মেয়েদের দেখার সুযোগ পাবো।’
এশিয়ান
কাপের প্রস্তুতির জন্য বাংলাদেশ দল মোট চারটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়েছে।
যার মধ্যে থাইল্যান্ডের বিপক্ষে দুটি এবং ঘরের মাঠে তিনজাতি সিরিজে আজারবাইজান ও মালয়েশিয়ার
সঙ্গে খেলেছে বাংলাদেশ। চার ম্যাচেই হেরেছে বাংলাদেশ। তবে সবচেয়ে বেশি সমালোচিত হয়েছে
বাটলারের হাইলাইন ডিফেন্স তত্ত্ব। অনেকের মতে বাটলারের হাইলাইন ডিফেন্সের সঙ্গে মোটেও
মানিয়ে নিতে পারেনি মেয়েরা। তারপরও সেটা এক প্রকার জোর করে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করছেন
তিনি।
এবার অস্ট্রেলিয়া বাটলার সেই হাইলাইন ডিফেন্স ফর্মুলনায় দলকে খেলাবেন কি না সেটি নিয়ে ছিল জানার আগ্রহ। সেখান থেকে সরে এসেছেন তা বলা যাবে না। তবে বেশ কয়েকটি ফর্মূলা নিয়ে কাজ করছেন সেটি জানিয়েছেন আজ,
‘আমি আজ রাতে বসে দল নিয়ে বিশ্লেষণ করবো। কয়েকটি বিকল্প নিয়ে কাজ করেছি— আমরা ৩-৪-৩, ৩-৫-২ নাকি ৪-৪-৩ ফরমেশনে খেলবো, তা পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে।’
বাংলাদেশ
কোন ছকে খেলবে সেটি আগামীকালের দুটি ৪৫ মিনিটের প্রস্তুতি ম্যাচেই সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।
এছাড়া মূল একাদশে কারা সুযোগ পাবেন সেটিও নির্ধারণ হতে পারে ওই দুটি ম্যাচ দেখে।

বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা
জাতীয় ফুটবল দলের অফিশিয়াল আঞ্চলিক স্পন্সর ওয়ালটন। আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের
(এএফএ) সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দলের সঙ্গে যুক্ত
হয় দেশের বহুজাতিক ইলেকট্রনিক্স কোম্পানিটি। এর মাধ্যমে আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দলের
সব ধরনের ব্র্যান্ডিং স্বত্ব লাভ করেছে তারা।
ওয়ালটন পণ্যের নানান ধরনের
ব্র্যান্ডিং কার্যক্রমে দেখা যাচ্ছে লিওনেল মেসি-এমিলিয়ানো মার্তিনেজদের, যা প্রতিষ্ঠানটির
অন্যতম শীর্ষ গ্লোবাল ব্র্যান্ড হয়ে ওঠার ক্ষেত্রে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে। এরই প্রেক্ষিতে
২০২৬ ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপকে সামনে রেখে আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের ফ্যান জার্সি উন্মোচন
করল প্রতিষ্ঠানটি। দেশজুড়ে ওয়ালটনের ক্রেতা ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা আর্জেন্টিনার এই ফ্যান
জার্সি পাবেন।
ওয়ালটনকে বাংলাদেশের সক্ষমতা
ও আত্মবিশ্বাসের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত
মার্সেলো কার্লোস সেসা। গতকাল রাজধানীর ওয়ালটন কর্পোরেট অফিসে আয়োজিত ‘আর্জেন্টিনা
ফ্যান জার্সি উন্মোচন’ শীর্ষক এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে প্রধান
অতিথির বক্তব্য প্রদানকালে এসব কথা বলেন তিনি।
সেসা বলেন,
‘ওয়ালটন একটি শীর্ষস্থানীয় বাংলাদেশী বহুজাতিক ইলেকট্রনিক্স কোম্পানি, যারা ৫০টিরও বেশি দেশে তাদের পণ্য রপ্তানি করে। ওয়ালটনের যাত্রা বাংলাদেশের রূপান্তরের প্রতিফলন। স্থানীয় উৎপাদনে একটি শক্তিশালী ভিত্তি থেকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ক্রমাগত বাজার সম্প্রসারণের মাধ্যমে ওয়ালটন বাংলাদেশের সক্ষমতা এবং আত্মবিশ্বাসের প্রতীক হয়ে উঠেছে।’
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সেসা আরও বলেন,
‘এএফএ বাংলাদেশে ওয়ালটনকে তার আঞ্চলিক পৃষ্ঠপোষক হিসেবে যখন বেছে নেয়, তখনই বিশ্বজুড়ে ওয়ালটনের গ্রহণযোগ্যতা বোঝা যায়। এটি কেবল একটি ব্র্যান্ড নির্বাচন করা নয়, বরং এটি একটি জাতির অগ্রগতিকে স্বীকৃতি দেওয়া। স্পনসরশিপ কেবল জার্সিতে বা স্টেডিয়ামে লোগো প্রদর্শন নয়, এটি ব্র্যান্ডের সক্ষমতার স্বীকৃতি। এটি মানুষকে অনুপ্রাণিত করে। যখন বাংলাদেশের তরুণ ছেলে-মেয়েরা আর্জেন্টিনার খেলা দেখে, তারা দক্ষতা, দলগত কাজ এবং অধ্যবসায় দেখতে পায়। আর্জেন্টিনার এই ফ্যান জার্সিতে তারা সেই আদর্শের পাশাপাশি এখন একটি বাংলাদেশি ব্র্যান্ডকেও দেখতে পাবে।’
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত
ছিলেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির চেয়ারম্যান এস এম শামছুল আলম, ম্যানেজিং
ডিরেক্টর এস এম মাহবুবুল আলম ও পরিচালক সাবিহা জারিন অরনা।
অনুষ্ঠানে ওয়ালটন হাই-টেকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর এস এম মাহবুবুল আলম বলেন,
‘আর্জেন্টিনার ফুটবল চেতনা তার সীমানা ছাড়িয়ে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। বাংলাদেশেও লক্ষ লক্ষ ভক্ত আর্জেন্টিনাকে সমর্থন করে। বিশ্বকাপের সময় ঢাকা, চট্টগ্রাম এবং গ্রামাঞ্চলের রাস্তাঘাট আকাশী নীল এবং সাদা পতাকায় ভরে ওঠে। এই ভালোবাসা আর্জেন্টিনার খেলার ধরণ, খেলোয়াড়দের নম্রতা এবং অনুপ্রেরণামূলক ফুটবল যাত্রার প্রতি বাংলাদেশী ভক্তদের আবেগগত সংযোগ প্রতিফলিত করে। আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দলের অংশ হতে পেরে আমরা সত্যিই সম্মানিত ও আনন্দিত।’