২২ অক্টোবর ২০২৪, ৫:৫২ পিএম

ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’র পৃষ্ঠপোষকতায় ও ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি-ডিআরইউর আয়োজনে চলছে ‘ওয়ালটন-ডিআরইউ ক্রীড়া উৎসব-২০২৪।’ আজ মঙ্গলবার রাজধানীর হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামের আউটারে ক্রীড়া উৎসবের শ্যুটিং ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এই ইভেন্টের নারী বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন সমকালের সাজিদা ইসলাম পারুল। তিনি ৩ শ্যুটে অর্জন করেন ২৩ পয়েন্ট। তিন শ্যুটে ২০ পয়েন্ট অর্জন করে রানার্সআপ হয়েছেন একাত্তর টিভির নাদিয়া শারমিন। আর ১৯ পয়েন্ট অর্জন করে তৃতীয় হয়েছেন নিউজ নাউ বাংলার নাজনিন আক্তার লাকী।
পুরুষ বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন খবরের কাগজের মাহমুদুন্নবী চঞ্চল। তিনি তিন শ্যুটে অর্জন করেন ২৫ পয়েন্ট। ২৪ পয়েন্ট নিয়ে রানার্সআপ হয়েছেন দেশ রুপান্তরের তারেক ইমন। আর ২৩ পয়েন্ট অর্জন করে তৃতীয় হয়েছেন বাংলানিউজের তানভীর আহমেদ।
উপস্থিত থেকে এই ইভেন্ট উপভোগ করেন ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’র অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর ইমরান আল বারী, সাজ্জাদ হোসেন শাকিল, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি-ডিআরইউর অর্থ সম্পাদক জাকির হুসাইন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সুশান্ত কুমার সাহা, কল্যাণ সম্পাদক তানভীর আহমেদ, কার্যনির্বাহী সদস্য সাঈদ শিপন, দেলোয়ার হোসেন মহিন ও মো. শরীফুল ইসলাম।
এবারের আয়োজনে পুরুষ সদস্যদের জন্য ১০টি ইভেন্ট রয়েছে। সেগুলো হলো - দাবা, ক্যারম (একক), অকশন ব্রিজ, কলব্রিজ, রামি, অ্যাথলেটিকস (২০০ মিটার), গোলক নিক্ষেপ, সাঁতার, আর্চারি ও শ্যুটিং। নারী সদস্যদের জন্য রয়েছে ৫টি ইভেন্ট। সেগুলো হলো- অ্যাথলেটিকস (১০০ মিটার), ক্যারম (একক), লুডু, শ্যুটিং ও সাঁতার।
প্রতি বছরের মতো এবারও বর্ষসেরা পুরুষ ও নারী ক্রীড়াবিদকে আর্থিক পুরস্কার প্রদান করা হবে। এই আয়োজনের সহযোগিতায় রয়েছে জনপ্রিয় ব্র্যান্ড মার্সেল।
No posts available.
২৪ মার্চ ২০২৬, ৯:০১ এম
২০ মার্চ ২০২৬, ২:৩০ পিএম
১৭ মার্চ ২০২৬, ৭:৪২ পিএম
১৬ মার্চ ২০২৬, ৭:২৩ পিএম

থাইল্যান্ডে চলছে এশিয়া কাপ ওয়ার্ল্ড র্যাংকিং টুর্নামেন্ট। যেখানে অংশ নিয়েছেন ২০টি দেশের ১৯৪ জন আর্চার। প্রতিযোগিতার কোয়ালিফিকেশন রাউন্ডে দারুণ পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন বাংলাদেশের আর্চাররা।
এই আসরে অস্ট্রেলিয়ার তিন আর্চারকে হারিয়ে নজর কেড়েছেন বাংলাদেশের আব্দুর রহমান আলিফ, রামকৃষ্ণ সাহা ও মোসা. কুলসুম আক্তার মনি।
কম্পাউন্ড মহিলা এককে এলিমিনেশন রাউন্ডের ১/২৪ ধাপে মনি ও বন্যা আক্তার বাই পেয়ে সরাসরি ১/১৬-এ উঠেন। অন্যদিকে জোমা আক্তার ১৩৫-১৩৭ ব্যবধানে হংকংয়ের প্রতিপক্ষের কাছে হেরে যান। ১/১৬ ধাপে মনি ১৪৬-১৪১ ব্যবধানে অস্ট্রেলিয়ার রেন্ডেল এলিজাবেথকে হারিয়ে শেষ ষোলো থেকে কোয়ার্টার ফাইনালে (১/৮) উঠেন। তবে বন্যা ১৪৫-১৪৬ ব্যবধানে ভারতের সালভে তেজাল রাজেন্দ্রর কাছে হেরে বিদায় নেন।
রিকার্ভ পুরুষ এককে ১/২৪ ধাপে রাকিব বাই পেয়ে ১/১৬-এ উঠেন। রামকৃষ্ণ ৬-২ সেটে থাইল্যান্ডের প্রতিপক্ষকে এবং আলিফ ৬-০ সেটে হংকংয়ের প্রতিপক্ষকে হারিয়ে একই ধাপে জায়গা করে নেন।
১/১৬ ধাপে বাংলাদেশের তিন আর্চারই দারুণ পারফরম্যান্স দেখান। রাকিব ৬-০ সেটে স্লোভেনিয়ার দেজান ফ্যাবচিককে হারান। রামকৃষ্ণ ৬-২ সেটে অস্ট্রেলিয়ার জ্যাকশন ক্রিস্টোফারকে পরাজিত করেন। আর আলিফ ৭-১ সেটে অস্ট্রেলিয়ার তিয়াক রিয়ানকে হারিয়ে শেষ আটে জায়গা করে নেন।
দলগত ইভেন্টেও ছিল বাংলাদেশের লড়াই। কম্পাউন্ড মহিলা দল (বন্যা, কুলসুম ও জোমা) ২১৬০-এর মধ্যে ২০৪৬ স্কোর করে পঞ্চম হয়। আর রিকার্ভ পুরুষ দল (রাকিব, আলিফ ও রামকৃষ্ণ) ১৯৫৯ স্কোর করে ষষ্ঠ স্থান অর্জন করে।

অষ্টম নেকোস আন্তর্জাতিক জুডো চ্যাম্পিয়নশিপের শেষ দিনে আরও দুটি স্বর্ণ জিতলো বাংলাদেশ। মোট ৪ টি স্বর্ণ ও একটি ব্রোঞ্জ নিয়ে জুনিয়র ক্যাটাগরিতে রানার্সআপ হয়ে টুর্নামেন্ট শেষ করলো লাল সবুজের প্রতিনিধিরা।
নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর নয়া বাজারে অবস্থিত বহুমুখী মার্শাল আর্ট কেন্দ্রে ‘অষ্টম নেকোস আন্তর্জাতিক জুডো চ্যাম্পিয়নশিপের তৃতীয় দিনে +৭০ কেজি ওজনে দাপটের সঙ্গে স্বর্ণ জিতেছে ফাবিহা বুশরা।
এছাড়া দিনের শেষ ইভেন্ট পুরুষদের -৭৩ কেজি ওজনে বাজিমাৎ করে শাহিন আহমেদ। এর আগে টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় দিনে মেয়েদের অনূর্ধ্ব-১৮ ক্যাডেট +৫৩ ওজন ইভেন্টে স্বর্ণপদক জেতেন আজিজা আলেয়া লিয়ন। বালক ক্যাডেট +৬২ ইভেন্টে স্বর্ণ জেতেন উসাচিং মারমা বিজয় এবং বালিকা -৪৫ ইভেন্টে ব্রোঞ্জ জয় করেন রেমি হাসি।
শেষপর্যন্ত বাংলাদেশের ঝুলিতে জমা হয় ৪ টি স্বর্ণ এবং ১ টি ব্রোঞ্জ। জুনিয়র ক্যাটাগরিতে সেমিফাইনালে ৪ সেকেন্ড এবং ফাইনালে ৩০ সেকেন্ডে প্রতিপক্ষকে হারিয়ে টুর্নামেন্ট সেরা খেলোয়াড় হয়েছেন ফাবিহা বুশরা।
নেপাল ক্রীড়া ফেডারেশনের অন্তর্ভুক্ত জাতীয় জুডো সংঘের আয়োজনে এই আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে স্বাগতিক নেপালের ১৫ টি ক্লাব, বাংলাদেশ ও ভুটানের প্রায় ৩০০ জন জুডোকা অংশগ্রহণ করছেন।
বাংলাদেশ হয়ে ৩ জন বালক ও ৩ জন বালিকা অংশ নেন। যারা সবাই বিকেএসপির খেলোয়াড়। দলের ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন ড. লুৎফর রহমান, কোচের দায়িত্বে ছিলেন মো. আবু বকর সিদ্দিক এবং দলের অফিশিয়াল হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন ময়মনসিংহ জেলা ক্রীড়া অফিসার আল-আমিন।

নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর নয়া বাজারের বহুমুখী মার্শাল আর্ট কেন্দ্রে আজ থেকে শুরু হয়েছে ‘অষ্টম নেকোস (NECOS) আন্তর্জাতিক জুডো চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬’।
নেপাল ক্রীড়া ফেডারেশনের অন্তর্ভুক্ত জাতীয় জুডো সংঘের আয়োজনে এই আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে স্বাগতিক নেপালসহ বাংলাদেশ ও ভুটানের প্রায় ৩০০ জন জুডোকা অংশগ্রহণ করছেন। প্রতিযোগিতা শুরুর আগে হয় জাঁকজমকপূর্ণভাবে হয় উদ্বোধন অনুষ্ঠান।
এই টুর্নামেন্টে নেপালের বিভিন্ন প্রদেশ ও ক্লাবের পাশাপাশি বাংলাদেশ থেকে ৯ জন এবং ভুটান থেকে ১৯ জন প্রতিনিধি অংশ নিচ্ছেন।
বাংলাদেশ থেকে অংশ নেওয়া জুডোকা ফাবিয়া বুশরা বলেন, 'আপনারা জানেন যে আমরা বাংলাদেশে নেপালে খেলতে আসছি। আর আমাদের কাল থেকে খেলা শুরু। আমাদের খেলা হচ্ছে ঈদের দিনে। তো সবাই দোয়া করবেন যেন আমরা ঈদের দিনে বাংলাদেশকে একটা সারপ্রাইজ দিতে পারি ভালো রেজাল্ট করে।' ৭০+ ওয়েট ক্যাটাগরিতে খেলবেন বাগেরহাটের থেকে উঠে আসা এই ফাবিয়া।
দলের আরেক খেলোয়াড় রেমি। নওগা জেলার এই জুডোকা খেলবেন মাইনাস (-৪৫ কেজি) ক্যাটাগরিতে। এছাড়া বরিশালের মেয়ে উম্মে হাবিবা খেলবেন ৫৭ কেজি শ্রেণিতে। এছাড়াও আছেন মোহাম্মদ আব্দুল আলিম শাহরিয়ার (মাইনাস ৪৬ কেজি), অসাচিন মার্মা বিজয় (ওয়েট ৬১+), শাহীন আহমেদ (মাইনাস ৭৩ কেজি)।
অনূর্ধ্ব-১৮ (ক্যাডেট) এবং ১৮ থেকে ২১ বছর বয়সী (জুনিয়র) ক্যাটাগরিতে মোট ৩৫টি ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হবে।
দলগত চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স-আপ দলের জন্য নগদ অর্থসহ ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের জন্য বিশেষ পুরস্কারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাতীয় জুডো সংঘ নেপালের সভাপতি ধর্মকুমার শ্রেষ্ঠ বলেন, 'এই প্রতিযোগিতা দক্ষিণ এশিয়ার তরুণ জুডোকাদের প্রতিভা বিকাশে এবং পারস্পরিক মৈত্রী বাড়াতে একটি বিশেষ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে।' বাংলাদেশ ও ভুটানের শক্তিশালী অংশগ্রহণে এই আসর আরও প্রতিযোগিতামূলক হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
টুর্নামেন্ট চলবে আগামী ২২ মার্চ পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল থেকে বিভিন্ন ওজন শ্রেণিতে জুডোকারা তাদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণে লড়াই করবেন।
উদ্বোধনী দিনে বাংলাদেশের কোন প্রতিযোগিতা নেই। আগামীকাল পদকের লড়াইয়ে নামবে বাংলাদেশের ৩ জন বালক এবং ৩ জন বালিকা জুডো খেলোয়াড়।

নেপাল ক্রীড়া ফেডারেশনের আওতাধীন জাতীয় জুডো সংঘের উদ্যোগে 'অষ্টম নেকোস (NECOS) আন্তর্জাতিক জুডো চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬' কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
মঙ্গলবার কাঠমান্ডুতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় জুডো সংঘ জানিয়েছে যে, আগামী ৫ থেকে ৯ চৈত্র পর্যন্ত কাঠমান্ডুর নয়া বাজারে অবস্থিত বহুমুখী মার্শাল আর্ট কেন্দ্রে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।
জাতীয় জুডো সংঘ নেপালের সভাপতি ধর্মকুমার শ্রেষ্ঠ জানান, এই প্রতিযোগিতায় নেপালের বিভিন্ন প্রদেশ, জেলা, ক্লাব, স্কুল ও ডোজোর খেলোয়াড়দের পাশাপাশি বাংলাদেশ ও ভুটানের খেলোয়াড়সহ মোট ৩০০ জন অংশগ্রহণ করবেন।
পুরুষ ও মহিলা উভয় বিভাগে বিভিন্ন ওজন শ্রেণিতে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। বিজয়ীদের স্বর্ণ, রৌপ্য ও ব্রোঞ্জ পদকের পাশাপাশি সনদপত্র প্রদান করা হবে। এ ছাড়া ক্যাডেট ও জুনিয়র উভয় গ্রুপে পুরস্কার হিসেবে:
সেরা ২ জন মহিলা ও ২ জন পুরুষ খেলোয়াড়কে: জনপ্রতি ৫,০০০ রুপি করে প্রদান করা হবে।
সভাপতি শ্রেষ্ঠ আরও জানান যে, অংশগ্রহণকারী খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের জন্য ৫ লক্ষ রুপির বীমা করা হয়েছে। তাঁদের থাকা, খাওয়া ও যাতায়াতের ব্যবস্থা আয়োজক কমিটিই করবে। পুরো প্রতিযোগিতাটি সম্পন্ন করতে প্রায় ৩১ লক্ষ রুপি খরচ হবে বলে জানানো হয়েছে।

দেশের ক্রীড়াঙ্গনের গৌরব মৃতপ্রায়। সেটি আবার ফিরিয়ে আনতে চেষ্টা করছে বর্তমান সরকার। বিশেষ করে তৃণমূল পর্যায় থেকে খেলোয়াড় তুলে আনতে দেশব্যাপী উদ্যোগ নিয়েছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। এমনটাই আজ জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
আশি-নব্বইয়ের দশকের জনপ্রিয় প্রতিভা অন্বেষণ কর্মসূচি ‘নতুন কুঁড়ি’র আদলে দেশব্যাপী শুরু হতে যাচ্ছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস। এই আয়োজনের সার্বিক প্রস্তুতি ও বাস্তবায়ন নিয়ে সোমবার জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) সম্মেলন কক্ষে ক্রীড়া পরিদপ্তরের উদ্যোগে এক মতবিনিময় সভা হয়। সেখানে ছিলেন দেশের সকল জেলা প্রশাসক (ডিসি), উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এবং জেলা ক্রীড়া অফিসাররা। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। আগামী ৩০ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করবেন।
সভা শেষে প্রতিমন্ত্রী আমিনুল বলেন,
‘১২-১৪ বছর বয়সী শিশুদের নিয়ে মোট ৭টি জনপ্রিয় ইভেন্টে এই প্রতিযোগিতা হবে। প্রাথমিকভাবে সিলেট থেকে এই যাত্রা শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। খেলাগুলো প্রথমে উপজেলা পর্যায়ে শুরু হবে। সেখান থেকে বিজয়ীরা জেলা ও বিভাগীয় পর্যায় হয়ে সবশেষে জাতীয় পর্যায়ে অংশ নেবে।’
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন,
‘নতুন কুড়ি স্পোর্টসের মাধ্যমে ক্রীড়াকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার সুযোগ তৈরী হচ্ছে। বাছাইকৃত খেলোয়াড়দের জন্য থাকছে সরকারি ক্রীড়া বৃত্তি। এছাড়া ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিকেএসপি মাধ্যমে তাদের উন্নত প্রশিক্ষণ, পড়াশোনা এবং সার্বিক দায়িত্ব গ্রহণ করবে সরকার। তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও ডিজিটাল আসক্তি থেকে দূরে রেখে একটি সুস্থ ও কর্মঠ জাতি গঠনে এই উদ্যোগ মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।’