৫ জানুয়ারি ২০২৫, ৫:১৯ পিএম

নেপাল কাবাডি লিগ (এনকেএল)-এ অংশগ্রহণ করতে গেছেন মিজানুর রহমান, ইয়াসিন আরাফাত, মনিরুল চৌধুরী ও সবুজ মিয়া। ফ্র্যাঞ্চাইজি ভিত্তিক এ লিগে অংশগ্রহণের জন্য রোববার সকালে বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট যোগে তারা নেপাল পৌঁছান।
বাংলাদেশ থেকে এবার ছয় জন খেলোয়াড় নেপাল কাবাডি লিগে অংশগ্রহণ করবেন। বাকি দুজন হচ্ছেন শাহ মোহাম্মদ শাহান ও রোমান হোসেন। তারা ১২ জানুয়ারি নেপাল যাবেন। দুজনই খেলবেন হিমালয়ান রাইডার্সের হয়ে।
দলটির বর্তমানে প্রস্তুতির জন্য ভারত রয়েছে। প্রস্তুতি পর্ব শেষ করে হিমালয়ান রাইডার্স নেপালে ফেরার পর দলের অন্যান্য খেলোয়াড়দের সঙ্গে যোগ দেবেন শাহ মোহাম্মদ শাহান ও রোমান হোসেন।
বাংলাদেশের ৬ খেলোয়াড়ের মধ্যে মনিরুল চৌধুরী ও সবুজ মিয়া খেলবেন পোখরা লেকার্সের হয়ে, ইয়াসিন আরাফাত খেলবেন ধানগাদি ওয়াইল্ড-কেটসের হয়ে, মিজানুর রহমান খেলবেন কাঠমুন্ডু মেভারিকসের হয়ে এবং শাহ মোহাম্মদ শাহান ও রোমান হোসেন খেলবেন হিমালয়ান রাইডার্সের হয়ে।
No posts available.
৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৩:২৫ পিএম
১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:৫৯ পিএম
১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:৩৯ এম

নিরাপত্তা ইস্যুতে ভারতে হতে যাওয়া বিশ্বকাপ বয়কট করেছে বাংলাদেশ। তবে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে ভারত সফরের অনুমতি পেয়েছে বাংলাদেশ শুটিং দল। এশিয়ান শুটিং চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিতে গতকাল দিল্লিতে গেছেন শুটার রবিউল ইসলাম এবং কোচ শারমিন আক্তার।
বাংলাদেশ শুটিং ফেডারেশন জানিয়েছে, ভারত যাত্রার আগে নিরাপত্তা ও সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হয়েছে।
ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আলেয়া ফেরদৌস বলেন, 'শুটার ও কোচ ইতোমধ্যে ভারতে পৌঁছেছেন এবং তাদের নিরাপত্তার বিষয়টি আগেই নিশ্চিত করা হয়েছিল। ভারতের শুটিং ফেডারেশন এবং এশিয়ান শুটিং ফেডারেশনের সঙ্গেও নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখা হচ্ছে।'
এই সফরে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের অভিজ্ঞতাও বড় ভরসা। রবিউল ইসলাম ২০২৪ প্যারিস অলিম্পিকে অংশ নিয়েছিলেন, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খেলেছেন একাধিক টুর্নামেন্টে।
অন্যদিকে কোচ শারমিন আক্তারও সাবেক তারকা শুটার। এ কারণে পরিস্থিতি সামলাতে তাদের সক্ষমতা নিয়ে আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশ শুটিং ফেডারেশন।
ভারত পৌঁছানোর পর নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেছেন রবিউল ইসলাম। দিল্লি থেকে তিনি জানান, এখন পর্যন্ত সবকিছুই স্বাভাবিক ও নিরাপদ। তিনি বলেন, 'আমরা এখন পর্যন্ত বেশ নিরাপদ ও স্বাভাবিক আছি। ইমিগ্রেশনে তেমন সময় লাগেনি। হোটেল ও শুটিং রেঞ্জের পরিবেশও ভালো। কোনো সমস্যা বা সংকটের মুখোমুখি হইনি।'
রবিউলের মতে, এখন পর্যন্ত আতিথেয়তা ও সুযোগ-সুবিধাও সন্তোষজনক। শুটিং চ্যাম্পিয়নশিপে তাঁর ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হবে ৫ ফেব্রুয়ারি।

স্কোয়াশ প্রথমবার অলিম্পিকে জায়গা করবে। ২০২৮ লস এঞ্জেলস গেমসের জন্য যোগ্যতা নির্ধারণের নিয়ম ঘোষণা করেছে ওয়ার্ল্ড স্কোয়াশ।
অলিম্পিকে স্কোয়াশে পুরুষ ও মহিলা দুটি বিভাগ থাকবে, প্রতিটি বিভাগে ১৬ জন খেলোয়াড় অংশ নেবেন। যোগ্যতা নির্ধারণ হবে বিশ্ব র্যাঙ্কিং, মহাদেশীয় গেমসের সাফল্য, পাশাপাশি থাকবে ইউনিভার্সালিটি প্লেস, আয়োজক দেশের স্পট ও চূড়ান্ত যোগ্যতা টুর্নামেন্টের বিজয়ী।
আমেরিকান আয়োজক দেশ একটি স্পট পাবে। প্রফেশনাল স্কোয়াশ অ্যাসোসিয়েশনের র্যাঙ্কিং অনুযায়ী ৮টি স্থান দেওয়া হবে, যা ২০২৮ সালের ২২ মে চূড়ান্ত হবে।
একটি ইউনিভার্সালিটি প্লেস দেওয়া হবে এমন কোনো দেশের খেলোয়াড়কে, যা অলিম্পিকে অংশগ্রহণের বৈচিত্র্য বাড়াবে।
আগামী ১৮ মাসে মহাদেশীয় গেমসে ৫টি যোগ্যতা স্থান বিতরণ করা হবে। এর মধ্যে থাকবে ২০২৬ সালের এশিয়ান গেমস, ২০২৭ সালের আফ্রিকান গেমস, ইউরোপীয় গেমস, প্যাসিফিক গেমস ও পান আমেরিকান গেমস।
চূড়ান্ত একটি স্থান নির্ধারণ করা হবে ২৪ জনের চূড়ান্ত যোগ্যতা টুর্নামেন্টে, যা ২০২৮ সালের জুনে হবে, অলিম্পিকের ছয় সপ্তাহ আগে।
প্রতিটি দেশে মূলত একজন খেলোয়াড় থাকবে, তবে সর্বাধিক দুজন খেলোয়াড়ও অংশ নিতে পারবে। ফলে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় অনেক খেলোয়াড় খেলতে পারবে না। বর্তমানে মিশরের সাতজন পুরুষ এবং আটজন মহিলা খেলোয়াড় টপ ১৬ র্যাঙ্কিংয়ে রয়েছেন, যার মধ্যে চারজন শীর্ষ পাঁচে।

চট্টগ্রামের ক্রীড়াঙ্গনের চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘ফিউচার অফ স্পোর্টস ইন চট্টগ্রাম’ শীর্ষক আলোচনা সভা। বন্দর নগরীকে একটি আধুনিক ক্রীড়া নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে ক্রীড়া সংগঠন, প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর জোর দেওয়া হয় এই অনুষ্ঠানে।
আজ বিকেলে চট্টগ্রামের শহীদ ফজলুর রহমান অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল। প্রধান আলোচক ও প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজনীতিবিদ ও ক্রীড়া পৃষ্ঠপোষক আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন ক্রীড়া সংগঠক সিরাজউদ্দিন মো. আলমগীর।
প্রধান আলোচকের বক্তব্যে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, চট্টগ্রামের ক্রীড়া উন্নয়নের পথে যেসব সমস্যা রয়েছে, সেগুলো চিহ্নিত করে ধাপে ধাপে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড় তৈরির জন্য আধুনিক ক্রীড়া অবকাঠামো গড়ে তোলা, মানসম্মত প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা চালু করা এবং খেলোয়াড়দের জন্য প্রয়োজনীয় সব সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।’
ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়ে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের ইশতেহারে বিভিন্ন পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে ক্রীড়া সংগঠন, প্রশাসন ও খেলোয়াড়দের একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান আমির খসরু।
তামিম ইকবাল বলেন, ‘একটা সময় চট্টগ্রাম ছিল দেশের ক্রীড়াঙ্গনের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। এখান থেকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অনেক তারকা খেলোয়াড় উঠে এসেছে। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই ধারাবাহিকতা কিছুটা কমে গেছে।’
জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক বলেন, ‘এই অবস্থা থেকে উত্তরণে ক্রীড়া সংগঠক, কোচ, খেলোয়াড় ও প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগ অপরিহার্য। চট্টগ্রামের ক্রীড়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত উজ্জ্বল। সঠিক পরিকল্পনা ও বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নেওয়া গেলে আবারও এই অঞ্চলকে দেশের অন্যতম ক্রীড়া কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব।’
অনুষ্ঠানের শুরুতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের কাউন্সিলর ইসরাফিল খসরু চট্টগ্রামের ক্রীড়া উন্নয়নের পথে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা ও সম্ভাবনার দিকগুলো তুলে ধরেন। তিনি চট্টগ্রামকে আধুনিক ক্রীড়া নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে একটি সময়সাপেক্ষ ও বাস্তবসম্মত রোডম্যাপ উপস্থাপন করেন।
আলোচনা সভায় ক্রীড়া সংগঠকদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন ক্রীড়া সংগঠক মো. হাফিজুর রহমান, মশিউর রহমান স্বপন, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক কমান্ডার মো. শাহাবুদ্দিন, শাহাবুদ্দীন জাহাঙ্গীর, আমিনুল ইসলামসহ অনেকে।
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রামের বিভিন্ন ক্রীড়া সংগঠন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, খেলোয়াড়, কোচ ও ক্রীড়া সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

নিত্যদিন শুটিং কিংবা ভিডিও তৈরির কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকতে হয় কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের। সারা দিনের ক্লান্তি দূর করতে এবং শারীরিক ফিটনেস ঠিক রাখতে তাঁদেরও ছুটতে হয় জিমে ঘাম ঝরাতে। তাতে শরীরের সতেজতার সঙ্গে কর্মদক্ষতাও বাড়ে। তাই দেশের শতাধিক কনটেন্ট ক্রিয়েটর বেছে নিয়েছেন গোল্ডস জিম বাংলাদেশকে।
বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটিতে অবস্থিত অত্যাধুনিক এই জিম শনিবার দেশের জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছিল।
যুবসমাজ ও ডিজিটাল কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের সঙ্গে সম্পৃক্ততা বাড়ানোর লক্ষ্যে ‘ডিনার উইথ দ্য স্টারস’ শীর্ষক একটি নেটওয়ার্কিং ইভেন্টের আয়োজন করে গোল্ডস জিম বাংলাদেশ। বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির গোল্ডস জিমের পুলসাইডে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে শতাধিক কনটেন্ট ক্রিয়েটর, ফিটনেস সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অংশ নেন। এ সময় গোল্ডস জিম ও ক্রিয়েটরদের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) চুক্তি হয়।
গত বছরের মে মাসে যাত্রা শুরু হওয়া দেশের সবচেয়ে বড় এবং পরিপূর্ণ জিম সেন্টারের চাহিদা দিনকে দিন শুধু বেড়েই চলেছে। ওয়ার্ক আউট সেন্টার, কার্ডিও সেশন সেন্টার, ক্রাউ থেরাপি, কোল্ড প্লাঞ্জ, জাকুজি পুল, হিমলয়ান সল্ট বাথসহ নারী ও পুরুষের জন্য আলাদা দুটি সুইমিং পুল—সব মিলিয়ে আধুনিক ও অত্যাধুনিক সরঞ্জামের মিশেলে সুবিশাল স্থাপনা।
শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতির জন্য জিম অত্যধিক কার্যকরী। এই ভাবনা থেকেই অত্যাধুনিক এই জিম তৈরি করেছে বসুন্ধরা গ্রুপ।
ইতালির বিখ্যাত কম্পানি টেকনোজিম থেকে আনা হয়েছে গোল্ডস জিমের যাবতীয় সরঞ্জাম। আভিজাত্য ও চাকচিক্যে ভরা এই সরঞ্জামগুলো অভিজাত রোলস রয়েস গাড়ির সঙ্গে তুলনা করা চলে। লিমিটেড এডিশন হলেও যেটার মান অনেক উঁচুতে। এমন সরঞ্জাম যে কারোর নজর কাড়তে বাধ্য করবে। এখানে একসঙ্গে জিম সেশন করতে পারবে অন্তত ৮০০ জন।
দক্ষিণ এশিয়া তো বটেই, আয়তন ও আভিজাত্যে এশিয়ার মধ্যে এটি অন্যতম সেরা জিম সেন্টার। এই স্থাপনা তিনটি ফ্লোরে ভাগ করা। নিচতলায় অভ্যর্থনা কক্ষের সঙ্গে থাকছে ক্যাফেটেরিয়া। ডান পাশে ১০০ মিটারের সুইমিং পুল। দ্বিতীয় তলার পুরোটাই নারীদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি। তৃতীয় তলায় কার্ডিও এবং চতুর্থ তলায় ট্রেনিং জোন, যেখানে আছে স্কোয়াট র্যাক উইথ আ পুলআপ বার, অলিম্পিক বারবেল, ওয়েট প্লেটস, ফ্ল্যাট বেঞ্চ, ডাম্বেল, স্যান্ড ব্যাগ, রানিং মেশিন, রেসিস্ট্যান্ট ব্র্যান্ডসহ অন্যান্য যন্ত্রপাতি।
এখানকার বাড়তি আকর্ষণ হিমালয়ান সল্ট বাথ। যে রুমে গিয়ে শ্বাস নিলে ফুসফুস পরিষ্কার করবে। যাদের শ্বাসকষ্টের সমস্যা আছে তাদের জন্য সল্ট বাথ ভীষণ কার্যকরী। জিমে ওয়ার্ক আউট করে সতেজ হতে পাশের পুলেই নেমে পড়তে পারবেন যেকোনো সদস্য। ২১ জন দক্ষ ট্রেইনার দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে এই জিম সেন্টার। আধুনিক যন্ত্রপাতি ও দক্ষ ট্রেনার থাকলেই তো চলবে না, দিতে হবে উন্নত মানের সেবা। যেটা ছিল বসুন্ধরা গ্রুপের প্রথম ও একমাত্র চাহিদা। সেই চাহিদা মেটাতে গোল্ডস জিম নিরন্তরভাবে কাজ করে চলেছে।
বৃহৎ এই জিম দেখে অবাক কনটেন্ট ক্রিয়েটররা। কনটেন্ট ক্রিয়েটর সানজিদা রহমান বলেন, ‘আমি তো প্রথম দেখাতেই অবাক হয়েছি। এত বড় জিম! সব কিছু আছে এখানে। জিম করতে এসে সুইমিং, স্পা, বাথ—সব পাচ্ছি এখানে। আমাদের জন্য খুবই ভালো হবে। বসুন্ধরা গ্রুপকে ধন্যবাদ এই জিম তৈরির জন্য।’
কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের সঙ্গে নতুন পথচলার কারণ হিসেবে গোল্ডস জিমের অপারেশনস ও মার্কেটিং ম্যানেজার আনিসুল ইসলাম ববি বলেছেন, ‘ট্রাভেল ব্লগার হোক, ফুড হোক, ফিটনেস, লাইফস্টাইল কিংবা মেকআপ ব্লগার—ফিটনেস কিন্তু সবার জন্য। আমরা একেকজন একেক ব্লগারকে অনুসরণ করি। তাই আমরা সব ধরনের কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে নিয়েছি। সে ক্ষেত্রে সব ধরনের মানুষের কাছে আমরা গোল্ডস জিমের খবর পৌঁছে দিতে পারব।’

বেশ কিছুদিন ধরেই কিডনিসহ নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন সাবেক খেলোয়াড় ও সংগঠক মোস্তফা কামাল। আজ ভোরে তিনি নিজ বাসায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর। তিনি স্ত্রী ও দুই কন্যা রেখে গেছেন।
মোস্তফা কামাল ক্রীড়াঙ্গনে অন্যতম এক সব্যসাচী ব্যক্তিত্ব ছিলেন। ষাটের দশকে ঢাকা মোহামেডানের হয়ে ফুটবল খেলেছেন। পরবর্তীতে ভলিবলই ছিল তার ধ্যান-জ্ঞান। খেলোয়াড় হিসেবে অবসর নেওয়ার পর জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে ভলিবল কোচ হন। তিনি ভলিবল ফেডারেশনে সহ-সভাপতি ছিলেন দীর্ঘদিন।
ভলিবল ছাড়াও ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) প্লেয়ার স্ট্যাটাস কমিটির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন মোস্তফা কামাল। বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের বিভিন্ন কমিটি ও পদে নানা ভূমিকা পালন করেছেন। খেলোয়াড়, কোচ ও সংগঠকের পাশাপাশি তিনি ক্রীড়া নিয়ে লেখালেখিও করেছেন। বাংলাদেশ ক্রীড়া লেখক সমিতির (বিএসপিএ) আজীবন সদস্য ছিলেন তিনি। ৬ যুগেরও বেশি সময় ক্রীড়াঙ্গনের অনেক খেলা ও সংগঠনের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা থাকলেও ভলিবলের কামাল হিসেবে তিনি বিশেষভাবে সমাদৃত।
মোস্তফা কামালের নামাজে জানাজা আজ বাদ যোহর শান্তিনগর ইস্টার্ন প্লাস শপিং মল জামে মসজিদে হবে। দ্বিতীয় নামাজে জানাজা হবে পল্টনের জাতীয় স্টেডিয়ামে, দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে। পরবর্তীতে তাঁর মরদেহ দাফন করা হবে রায়ের বাজার বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে।
কামালের মৃত্যুতে বাংলাদেশ ক্রীড়া লেখক সমিতিসহ বিভিন্ন ক্রীড়া সংগঠন ও ব্যক্তিত্ব গভীর শোক প্রকাশ করছেন।