২১ ডিসেম্বর ২০২৫, ৬:৩২ পিএম

আগামীকাল সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল ব্যাডমিন্টন সিরিজ। পাঁচ দিনব্যাপী এই টুর্নামেন্টের পর্দা নামবে ২৬ ডিসেম্বর। পল্টনের শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ ইনডোর স্টেডিয়ামে ১৮ দেশের শাটলাররা তাদের নৈপুণ্য প্রদর্শন করবেন।
সিরিজ শুরুর আগে ইন্টারন্যাশনাল চ্যালেঞ্জ টুর্নামেন্ট আয়োজন করেছিল বাংলাদেশ ব্যাডমিন্টন ফেডারেশন। যা ১৬ ডিসেম্বর শুরু হয়ে ২০ ডিসেম্বর শেষ হয়। সেখানে স্বাগতিক বাংলাদেশসহ ১৭টি দেশ এতে অংশ নিয়েছিল।
এই সিরিজেও খুব একটা পরির্বতন আসছে না। নতুন করে কাজাখস্তান যুক্ত হয়েছে। এছাড়া ভারতের কয়েকজন শাটলার ফিরে যাচ্ছেন, তাদের জায়গায় আসছেন নতুন কয়েকজন। ৫ হাজার ডলারের বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল সিরিজে টপ সিডেড খেলোয়াড়রা অংশ নিচ্ছেন। বাংলাদেশের টপ সিডেড হিসেবে আল আমিন জুমার, মোয়াজ্জেম হোসেন অহিদুলরা থাকছেন।
চ্যালেঞ্জ টুর্নামেন্টে প্রাইজমানি ছিল সাড়ে ১৭ হাজার ডলার; সিরিজে ৫ হাজার ডলার। দুই টুর্নামেন্টের পার্থক্য জানতে চাইলে ফেডারেশন সাধারণ সম্পাদক রাসেল কবির সুমন জানান,
‘এখানে মূল্য পার্থক্য হলো পয়েন্টে। চ্যালেঞ্জে বেশি পয়েন্ট। সিরিজে কম।’
No posts available.
১ এপ্রিল ২০২৬, ৮:০৮ পিএম
৩১ মার্চ ২০২৬, ৪:৩৬ পিএম
২৯ মার্চ ২০২৬, ৪:৪৪ পিএম

আগামী ৩০ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের ব্যাপকভাবে উদ্বোধন করবেন ‘নতুন কুড়ি স্পোর্টস’ প্রোগ্রাম। এই প্রোগ্রামের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আজ যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক সিলেট সফর করেন। সফরের সময় প্রতিমন্ত্রী সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম এবং সিলেট জেলা স্টেডিয়াম পরিদর্শন করেন।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক রাহাত শামস প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে আঞ্চলিক ক্রিকেট আয়োজনের বর্তমান চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে আলোচনা করেন। ক্রিকেট কার্যক্রম বৃদ্ধির জন্য পাশের মাঠ, খেলোয়াড়দের জন্য ডরমিটরি ও সুইমিং পুল, এবং অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ সুবিধা নির্মাণসহ অতিরিক্ত অবকাঠামোর প্রয়োজনের বিষয় তুলে ধরেন তিনি।
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জোর দিয়ে বলেন, ‘নতুন কুড়ি স্পোর্টস’ উদ্যোগের সফলতার জন্য সকল পক্ষের মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি। তিনি বিশেষভাবে কয়েকটি অগ্রাধিকারসূচি তুলে ধরেন। এরমধ্যে আছে স্থানীয় মাঠগুলোকে সারাবছর খেলার উপযোগী করা, সমন্বিত বার্ষিক ক্রীড়া ক্যালেন্ডার প্রস্তুত করা, সবুজ গ্যালারির অবস্থার উন্নয়ন এবং নিয়মিত স্থানীয় ক্রিকেট টুর্নামেন্ট আয়োজন নিশ্চিত করা।
পাশপাশি দর্শক সুবিধা বৃদ্ধির গুরুত্বের ওপরও জোর দেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। বিশেষ করে বাইরের গ্যালারিতে যেন ক্রীড়াপ্রেমীদের জন্য আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও আকর্ষণীয় পরিবেশ তৈরি করা যায়।

বাংলাদেশে এসেছেন গলফের বিশ্বখ্যাত কোচ স্লোভেনিয়ার ইউরোস গ্রেগরিচ। ঢাকায় আজ সকালে পা রেখেই দিনভর সিদ্দিকুর রহমানদের ক্লাস নিয়েছেন।
বাংলাদেশ গলফ ফেডারেশনের আয়োজনে বাংলাদেশ গলফ একাডেমীতে শুরু হয়েছে চারদিন ব্যাপী স্থানীয় কোচদের ট্রেনিং প্রোগ্রাম ‘টেকনিক্যাল কোর্স ফর কোচেস ইন গলফ’। এই প্রোগ্রামে সার্বিক সহযোগিতা করছে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন। বাংলাদেশের স্থানীয় কোচদের মান উন্নয়নের অংশ হিসেবে এই কোর্সের আয়োজন করা হয়েছে। এখানে অংশ নিচ্ছেন দেশের তারকা গলফাররাও।
এই ট্রেনিং প্রোগ্রামে সস্ত্রীক অংশ নিয়েছেন দেশসেরা গলফার সিদ্দিকুর রহমান। দেশীয় কোচরা যাতে নতুন গলফার তৈরিতে আরও পারদর্শী হয়ে ওঠেন এবং তাদের শেখার প্রক্রিয়ায় ঘাটতি না রাখতে বাংলাদেশ গলফ ফেডারেশন প্রথমবারের মতো এমন অভিনব আয়োজন করে।
এমন আয়োজনে ট্রেনার হিসেবে অংশ নিতে পেরে বেশ খুশি স্লোভেনিয়ার কোচ ইউরোস গ্রেগরিচ,
‘আমি অনেক দেশেই এমন ট্রেনিং করিয়েছি। এটা খুবই দরকারী। এতে কোচদের দক্ষতা বাড়বে। আমি বাংলাদেশে এমন একটি আয়োজনের ট্রেনার হতে পেরে খুবই খুশি।’
সকালে উদ্বোধনীয় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ গলফ ফেডারেশনের (বিজিএফ) ভাইস প্রেসিডেন্ট মেজর জেনারেল (অব.) মাসুদ রাজ্জাক। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিজিএফের জেনারেল সেক্রেটারী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) সাঈদ সিদ্দিকী, জয়েন্ট সেক্রেটারী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাজ্জাদ হোসাইন, বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের ডিরেক্টর জেনারেল ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এ বি এম শেফাউল কবির। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের ডিরেক্টর মো. আমিনুল আহসান, বাংলাদেশ গলফ একাডেমীর ডিরেক্টর লেফটেন্যান্ট কর্নেল তোজাম্মেল হকসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ।
প্রধান অতিথি মেজর জেনারেল (অব.) মাসুদ রাজ্জাক বলেন,
‘বাংলাদেশে আমরা প্রথমবারের মতো এমন আয়োজন করছি। গলফ খেলতে শারীরিক এবং মানসিক দুই বিষয়েই দক্ষ হতে হয়। যারা নতুন গলফার তৈরি করবেন, তাদের শেখানোর মধ্যে যাতে কোনো রকম ঘাটতি না থাকে সে কারণেই এমন ট্রেনিংয়ের আয়োজন করা হয়েছে। এটা আমাদের গলফে দারুন কার্যকরী একটি পদক্ষেপ।’
বাংলাদেশ গলফ ফেডারেশনের জেনারেল সাঈদ সিদ্দিকী বলেন,
‘দেশের গলফের উন্নতি করতে হলে সবার আগে কোচদের মান উন্নয়ন করতে হবে, কেননা তারাই তো গলফ শেখান। আমার বিশ্বাস এই ট্রেনিং আমাদের স্থানীয় কোচদের আরও বেশি দক্ষ করে তুলবে। আর স্থানীয় কোচরা যত দক্ষ হবেন আমরা তত দক্ষ গলফার পাবো।’
বাংলাদেশের তারকা গলফার সিদ্দিকুর রহমান এই কোর্স থেকে অনেক কিছু শিখতে আশাবাদী,
‘আমি কোচ নই, তারপরও মনে করি এমন ট্রেনিংয়ের দরকার আছে। শেখার তো কোনো শেষ নেই। আমার লক্ষ যতদিন পারি গলফ খেলা চালিয়ে যাবো। আমার বিশ্বাস, এই কোর্স থেকে অনেক কিছু শিখতে পারবো।’
বাংলাদেশ জাতীয় গলফ দলের কোচ নাদিম হোসেন বলেন,
‘আমরা স্থানীয় কোচরা খুবই ভাগ্যবান, সে কারণেই এমন বড় একজন ট্রেনারের কাছে শেখার সুযোগ পাচ্ছি। চার দিনের এই ট্রেনিং আমাদের দক্ষতা আরও বাড়িয়ে দেবে। আশা করছি, এখান থেকে আমরা অনেক নতুন কিছু শিখবো, যা নতুন গলফার তৈরিতে কাজে লাগাতে পারবো।’
চারদিনের এই প্রোগ্রামের প্রথম দিন গতকাল পরিচিত পর্ব শেষে কোচদের দক্ষতা সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়েছে। তাত্ত্বিক এবং বাস্তবধর্মী দুই বিষয়েই দেখিয়ে দিয়েছেন গ্রেগরি। সকাল নয়টা থেকে শুরু করে বিকাল পাঁচটা পর্যন্ত চলে ক্লাস।

বাংলাদেশের ক্রীড়া খাতের আধুনিকায়ন এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নে চীনের বড় ধরনের বিনিয়োগ ও কারিগরি সহযোগিতা চেয়েছে সরকার। সচিবালয়ে আজ দুপুরে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন এক সৌজন্য সাক্ষাৎকারে মিলিত হয়ে এই আগ্রহ প্রকাশ করেন।
বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রস্তাবিত স্পোর্টস ইনস্টিটিউটে চীনের বিনিয়োগ এবং ভলিবল, আর্চারি ও শুটিংয়ের মতো ইভেন্টগুলোতে দক্ষ চীনা কোচ ও উন্নত প্রশিক্ষণের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
সাক্ষাৎকালে প্রতিমন্ত্রী চীনের রাষ্ট্রদূতকে জানান, বর্তমান সরকার ক্রিকেট ও ফুটবলের পাশাপাশি সকল ক্রীড়া ইভেন্টকে সমানভাবে এগিয়ে নিচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় খেলোয়াড়দের জন্য বিশেষ ক্রীড়া ভাতা এবং ডিজিটাল ক্রীড়া কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী চীনের জাতীয় পুরুষ ফুটবল দলকে বাংলাদেশে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলার আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান এবং বাংলাদেশের উদীয়মান স্পোর্টস ইন্ডাস্ট্রিতে চীনের সক্রিয় অংশগ্রহণ কামনা করেন।
প্রতিমন্ত্রীর প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বাংলাদেশের ডিজিটাল ক্রীড়া উদ্যোগ ও খেলোয়াড়দের মাসিক ভাতার কর্মসূচির ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বাংলাদেশের যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং স্পোর্টস ইনস্টিটিউটে বিনিয়োগের ব্যাপারে ব্যাপক আগ্রহ ও আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
পাশপাশি চীনের জাতীয় ফুটবল দলের সঙ্গে প্রীতি ম্যাচের বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করার আশ্বাস দিয়ে তিনি জানান, নিয়মিত ক্রীড়া সরঞ্জাম ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে দুই দেশের এই খাত আরও সমৃদ্ধ হবে।

থাইল্যান্ডের ব্যাংককে বসেছিল এশিয়া কাপ আর্চারি টুর্নামেন্ট। (স্টেজ-১) এর কম্পাউন্ড পুরুষ দলগত ইভেন্টে ভিয়েতনামকে হারিয়ে স্বর্ণ পদক জয়ী বাংলাদেশ আর্চারি দল আজ দেশে ফিরেছে। ব্যাংকক থেকে বিমানযোগে রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করলে চ্যাম্পিয়ন দলটিকে উষ্ণ সংবর্ধনা জানানো হয়।
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের পক্ষ হতে বিমানবন্দরে বাংলাদেশ আর্চারি দলকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন যুব ও ক্রীড়া সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম। এ সময় তিনি দলের অসাধারণ সাফল্যের জন্য খেলোয়াড়, কোচ ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান।
যুব ও ক্রীড়া সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম বলেন,
‘এশিয়া কাপের মতো বড় আসরে ভিয়েতনামকে হারিয়ে স্বর্ণ জয় করা আমাদের দেশের জন্য এক গৌরবময় অর্জন। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আমাদের এই আর্চারি দল ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও বড় সাফল্য অর্জন করবে এবং বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের পতাকাকে আরও উঁচুতে তুলে ধরবে।’

আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি (আইওসি) ট্রান্সজেন্ডার অ্যাথলেটদের অংশগ্রহণ নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে নতুন নীতি ঘোষণা করেছে। এই নীতির আওতায় ২০২৮ লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিকে কেবল জৈবিকভাবে নারী অ্যাথলেটরাই নারী বিভাগে অংশ নিতে পারবেন।
রোববার এক ঘোষণায় আইওসি জানায়, ট্রান্সজেন্ডার নারী এবং যৌন বিকাশজনিত পার্থক্য (ডিএসডি) থাকা অ্যাথলেটদের নারী বিভাগে অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সংস্থাটি এটিকে একটি ‘ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত’ হিসেবে উল্লেখ করেছে।
আইওসির সভাপতি কার্স্টি কোভেন্ট্রি বলেন, নতুন এই নীতি প্রণয়নে চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের মতামতকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। তাঁর ভাষায়, ‘এই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের পরামর্শের ভিত্তিতে নেওয়া হয়েছে।’
নারী ক্রীড়ায় ন্যায্য প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানায় আইওসি। গত কয়েক বছর ধরে ট্রান্সজেন্ডার ও ডিএসডি অ্যাথলেটদের অংশগ্রহণ নিয়ে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক বিতর্ক চলছিল। বিভিন্ন ক্রীড়া সংস্থা ও দেশের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে ভিন্নমত দেখা গেছে।
এর আগে, ১৯৮০-এর দশকে অ্যাথলেটদের লিঙ্গ যাচাইয়ে জিন পরীক্ষার ব্যবহার করত আইওসি। তবে সমালোচনার মুখে নব্বইয়ের দশকে সেই পদ্ধতি বাতিল করা হয়। নতুন নীতির মাধ্যমে আবারও বিষয়টি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণে আনার ইঙ্গিত দিল সংস্থাটি।
বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে নতুন করে আলোচনা ও বিতর্কের জন্ম দিতে পারে। একদিকে নারী বিভাগের প্রতিযোগিতায় সমতা নিশ্চিত করার দাবি, অন্যদিকে অন্তর্ভুক্তির প্রশ্ন—দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য খুঁজে পাওয়াই এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।
২০২৮ সালের অলিম্পিককে সামনে রেখে আইওসির এই সিদ্ধান্ত ক্রীড়াজগতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।