২৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ২:৪৫ পিএম

খবরটা চমক জাগানিয়াই। ওয়ার্ল্ড র্যাপিড চ্যাম্পিয়নশিপের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ম্যাগনাস কার্লসেন বাদ পড়েছেন অষ্টম রাউন্ড থেকে। তাও সেটা ড্রেসকোডের নিয়ম ভেঙে। শুক্রবার একই কারণে তাঁকে সতর্ক করার পাশাপাশি জরিমানা করলেও শনিবার আবারও তিনি নিয়ম ভাঙেন। ফলে শনিবার কার্লসেনকে নিউইয়র্কে ওয়ার্ল্ড র্যাপিড চ্যাম্পিয়নশিপ থেকে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে।
সপ্তম রাউন্ড শেষে জিনস পরে খেলায় কার্লসেনকে ২০০ ডলার জরিমানা করা হয়, কারণ টুর্নামেন্টের নিয়ম অনুযায়ী এই ধরনের পোশাক পরে খেলা নিষিদ্ধ। অষ্টম রাউন্ডে আরিয়ান তারির বিপক্ষে জয়ের পর নবম রাউন্ডের জন্য তাকে পোশাক পাল্টানোর জন্য বলা হলেও তিনি রাজি হননি। তাই ওই রাউন্ডের খেলায় তাকে রাখা হয়নি এবং এই কার্লসেনও সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন।
দাবায় পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন কার্লসনের এমন বাদ পড়া বেশ সাড়া ফেলেছে। যা নিয়ে শনিবার বিবৃতি প্রকাশ করেছে দাবার নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিদে। যেখানে তারা কার্লসনের নিয়মের তোয়াক্কা না করাটাকেই দায়ী করেছে।
“কার্লসেন পোশাকের নীতিমালা ভেঙেছেন, যেটা এই ইভেন্টে লম্বা সময় ধরেই আছে। টুর্নামেন্ট শুরুর আগে আই নিয়মগুলো নিয়ে সবাইকেই ধারণা দেওয়া হয়। প্রধান বিচারক কার্লসেনকে এই নিয়ম ভাঙার বিষয়ে জানিয়েছেন, ২০০ ডলার জরিমানাও করেছেন এবং পোশাক পাল্টানোর অনুরোধ করেছেন। দুর্ভাগ্যজনকভাবে কার্লসেন তা করতে রাজি হনিনি, যার ফলে নবম রাউন্ডে তাকে নেওয়া হয়নি। এই সিদ্ধান্ত সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য।”
৩৪ বছর বয়সী নরওয়ের এই গ্র্যান্ডমাস্টার অবশ্য থেমে নেই। সমালোচনা করেছেন ফিদের এই নিয়মের। নরওয়ের গণমাধ্যম এনআরকে-কে কার্লসেন বলেছেন,
‘আমি ফিদের ওপর খুব বিরক্ত। তাই ওদের সঙ্গে আর কোনো কিছুই করতে চাই না। সবার কাছে দুঃখ প্রকাশ করছি, হয়তো এটা বোকামিসুলভ নীতি, কিন্তু ব্যাপারটা একদমই বিরক্তিকর।”
No posts available.
১২ মার্চ ২০২৬, ১০:৪৩ পিএম
৯ মার্চ ২০২৬, ৭:৫৫ পিএম
৫ মার্চ ২০২৬, ৭:১২ পিএম

জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারের জন্য মনোনীতদের আবেদন করতে হয়। দেশের ক্রীড়াঙ্গনে সর্বোচ্চ পুরস্কার প্রবর্তনের শুরু থেকেই এই নিয়ম বহাল আছে। অনেক খ্যাতিমান ক্রীড়াবিদ এবং ক্রীড়া সংগঠক এই নিয়মের বিরোধীতা করে আসছেন দীর্ঘদিন ধরে। যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও ক্রীড়াঙ্গনে সেরাদের অনেকে আবেদন করেননি। সাফ জয়ী ফুটবল দলের অধিনায়ক এবং বাংলাদেশের সর্বকালের অন্যতম সেরা গোলরক্ষক আমিনুল হক নিজেও জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারের জন্য আবেদন করেননি। যুবও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়ে আমিনুল হক এই নিয়মের পরিবর্তন আনার ঘোষণা দিয়েছেন। এখন থেকে আর এই পুরস্কারের জন্য আবেদন করতে হবে না ক্রীড়াবিদ কিংবা ক্রীড়া সংগঠকদের। একটি কমিটির মাধ্যমে সেরাদের মনোনীতদের করে জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারে তাঁদেরকে ভূষিত করা হবে। ২০১৬ সালে থেকে এই নিয়মে জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার দেয়া হবে। বৃহস্পতিবার ক্রীড়া সাংবাদিকদের সম্মানে রাজধানীর পল্লবীতে নিজ রাজনৈতিক কার্যালয়ে দেয়া ইফতার মাহফিলে এই ঘোষণা দিয়েছেন যুবও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
এদিকে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে জমে থাকা ২০২১ থেকে ২০২৩ সালের জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার এবং অন্তবর্তীকালীন সরকারের আমলে ২০২৪ ও ২০২৫ সালের জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার আগামী জুন মাসে একসঙ্গে দেয়ার পরিকল্পনার কথা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন যুবও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
‘খেলা হবে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’ এই শ্লোগানে ৫০০ ক্রীড়াবিদকে বেতনের আওতায় আনার ঘোষণা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের প্রথম ধাপের দিনক্ষণ ঠিক করেছেন যুবও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক ক্রীড়ায় সফল ১৬৪ ক্রীড়াবিদকে পুরস্কার এবং বেতনের আওতায় আনার মধ্য দিয়ে ক্রীড়াবিদদের বেতনের আওতায় আনতে চান তিনি। আগামী ২৯ মার্চ একটি অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সময়ের সেরা ক্রীড়াবিদদের বিশেষ পুরস্কারে ভূষিত করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন তিনি।
মেধাবী ক্রীড়াবিদ খুঁজে বের করতে অনূর্ধ্ব-১২ থেকে অনূর্ধ্ব-১৪ নুতন কুঁড়ি প্রতিযোগিতার জন্য ৭টি ডিসিপ্লিন চূড়ান্ত করেছে যুবও ক্রীড়া মন্ত্রানালয়। আগামী ৩০ এপ্রিল রাজধানীর বাইরে এই প্রতিযোগিতা উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক জিয়া, গণমাধ্যমকে এমনটাই জানিয়েছেন যুবও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।

বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশনের নতুন সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মোহাম্মদ আলী হোসেন ফকির। পদাধিকারবলে বাংলাদেশ পুলিশের প্রধান হওয়ায় তিনি এই দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
ফেডারেশনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, দেশের পুলিশের মহাপরিদর্শক পদাধিকারবলে বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। সেই ধারাবাহিকতায় সদ্য দায়িত্ব নেওয়া আইজিপি আলী হোসেন এখন থেকে ফেডারেশনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
এর আগে দায়িত্বে থাকা বিদায়ী আইজিপির স্থলাভিষিক্ত হয়ে আলী এই দায়িত্বে এলেন। জাতীয় খেলা কাবাডির উন্নয়ন, খেলোয়াড় তৈরির সুযোগ বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের সাফল্য ধরে রাখার লক্ষ্যে ফেডারেশনের কার্যক্রম পরিচালনা করতে চান তিনি।
জাতীয় খেলা কাবাডিকে আরও জনপ্রিয় করা এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান শক্তিশালী করতে ফেডারেশনের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। নতুন সভাপতির নেতৃত্বে কাবাডির অগ্রযাত্রা আরও এগিয়ে যাবে—এমনটাই আশা ক্রীড়াঙ্গনের।

মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব লিমিটেড কোম্পানিতে রূপান্তরের পর পরিচালনা পরিষদের ডাইরেক্টর ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন লোকমান হোসেন ভূঁইয়া। তবে সবশেষ পরিষদে তিনি ছিলেন না। এক মেয়াদ বিরতি দিয়ে আবার পরিচালনা পরিষদে এসেছেন তিনি এবং আবার হয়েছেন ডাইরেক্টার ইনচার্জ। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নতুন সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন বরকত উল্লাহ বুলু (এমপি)।
ঐতিহ্যবাহী ক্লাবটির চতুর্থ বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) এবং পরিচালনা পরিষেদের নির্বাচন আজ সোমবার ঢাকা ক্লাবের স্যামসন এইচ চৌধুরী সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়। ক্লাবের বিদায়ী সভাপতি জেনারেল মোহাম্মদ আব্দুল মুবীন (অব.) অসুস্থ থাকায় বার্ষিক সাধারণ সভায় সভাপতিত্ব করেন ক্লাবের অন্যতম পরিচালক মাহবুব উল আনাম।
বার্ষিক সাধারণ সভা শেষে পরিচালনা পরিষদের নির্বাচন হয়। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নতুন সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন খ্যাতিমান বরকত উল্লাহ বুলু (এমপি)। ১৬ টি পরিচালক পদেও সবাই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। তারা হলেন- মো. লোকমান হোসেন ভূইঁয়া, মাহবুব উল আনাম, মোস্তফা কামাল, মো. মোস্তাকুর রহমান, মাসুদুজ্জামান, মো. এনায়েত হোসন সিরাজ, খায়রুল কবির খোকন, মো. আবুল কালাম, মির্জা ইয়াসির আব্বাস, জহির আহমেদ, এম এ সালাম, নিলোফার চৌধুরী মনি, সাজেদ এ এ আদেল, সৈয়দ রুম্মান বিন ওয়ালী সাব্বির, মাহমুদ হাসান খান ও জাকির হোসেন চৌধুরী।
নির্বাচন পরিচালনা করেন ক্লাবের স্থায়ী সদস্য ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশন ক্লাবের স্থায়ী সদস্য আনোয়ারুল হক হেলাল, ব্যারিস্টার মোহাম্মদ ইসমাইল ও সিনিয়র ক্রীড়া সাংবাদিক খন্দকার মঞ্জুরুল ইসলাম (দিলু)।
বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচনের পরপরই নতুন পরিচালনা পর্ষদের প্রথম সভা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন নব-নির্বাচিত সভাপতি বরকত উল্লাহ বুলু। সভায় সর্বস্মতিক্রমে পরিচালক লোকমান হোসেন ভূঁইয়াকে ডাইরেক্টর ইনচার্জ অফ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, পরিচালক মাহবুব উল আনামকে ডাইরেক্টর ফাইন্যান্স ও পরিচালক মো. মোস্তাকুর রহমানকে ডাইরেক্টর স্পোর্টস হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।
এ ছাড়া ক্লাবের পরিচালক মোস্তফা কামালকে ফুটবল কমিটির চেয়ারম্যান, মো. আবুল কালাম এমপি, এম এ সালাম ও মির্জা ইয়াসির আব্বাসকে ভাইস চেয়ারম্যান মনোনীত করা হয়েছে। ক্রিকেট কমিটির চেয়ারম্যান মনোনীত করা হয়েছে পরিচালক মাসুদুজ্জামানকে, হকি কমিটির চেয়ারম্যান করা হয়েছে সাজেদ এএ

২০২৬ সালের স্বাধীনতা পদকের জন্য মনোনীত হয়েছেন কিংবদন্তী টেবিল টেনিস খেলোয়াড় জোবেরা রহমান লিনু। বৃহস্পতিবার মন্ত্রী পরিষদ বিভাগ এ বছরের স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করে।
এ বছর সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, লিনুসহ মোট ২০ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পদকের জন্য মনোনীত করা হয়েছে।
১৯৬৫ সালে রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে জন্ম নেওয়া লিনু অল্প বয়সেই টেবিল টেনিসে নিজের প্রতিভার পরিচয় দেন। বাবার অনুপ্রেরণায় সিলেটের শাহাজীবাজার অফিসার্স ক্লাবে মাত্র ৮ বছর বয়সে টেবিল টেনিস খেলা শুরু করেন তিনি। ১৯৭৭ সালে ১২ বছর বয়সে প্রথমবার জাতীয় চ্যাম্পিয়ন হন। এরপর ১৯৭৯ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত মোট ১৬ বার জাতীয় মহিলা সিঙ্গেলস চ্যাম্পিয়ন হয়ে দেশের টেবিল টেনিসে অনন্য এক রেকর্ড গড়েন লিনু।
এই অসাধারণ কৃতিত্বের স্বীকৃতি হিসেবে ২০০২ সালে তাঁর নাম অন্তর্ভুক্ত হয় গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে। দীর্ঘ ১৮ বছর তিনি বিমান বাংরাদেশ এয়ারলায়েন্স স্পোর্টস ক্লাবের হয়ে খেলেছেন। টেবিল টেনিসে অবদানের জন্য ১৯৯৯ সালে তিনি জাতীয় ক্রীড়া পুরষ্কার লাভ করেন।
আন্তর্জাতিক পর্যায়েও তিনি সাফল্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ১৯৮০ সালে এশিয়ান টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপে পঞ্চম স্থান অর্জন করেন এবং ১৯৮২ সালে ভারতের হায়দরাবাদে হওয়া পেন্টাঙ্গুলার চ্যাম্পিয়নশিপে মিক্সড ডাবলসে রানার্স-আপ হন। এছাড়া ১৯৭৭ ও ২০০০ সালে ইন্টারন্যাশনাল টেবিল টেনিস ফেডারেশন আয়োজিত বিশ্ব টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন।
খেলোয়াড়ি জীবন শেষে বিভিন্ন ক্রীড়া সংগঠনের দায়িত্বও পালন করেছেন লিনু। তিনি বাংলাদেশ সাইক্লিং ফেডারেশনের সহ-সভাপতি এবং বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের অ্যাথলেট কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন।
সম্মানজনক পুরস্কারের জন্য বাংলাদেশ টেবিল টেনিস ফেডারেশন শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছে জোবেরা রহমান লিনুকে।

২০২৪ সালে লিভারপুলের দায়িত্ব ছাড়ার পর কোমল পানীয় প্রতিষ্ঠান রেড বুলের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হন ইয়ুর্গেন ক্লপ। জার্মান ফুটবল এবং প্রতিষ্ঠানটির ক্লাবগুলোর উন্নয়নে কাজ করার জন্য ‘হেড অব গ্লোবাল সকার’ পদে নিয়োগ দেওয়া হয় তাঁকে। তবে গুঞ্জন উঠেছে, সাবেক অল রেডস কোচের দায়িত্ব কিছুটা খর্ব হয়ে পড়েছে। দায়িত্ব ছাড়ার গুঞ্জন উঠেছে তাঁর।
অস্ট্রিয়ান সংবাদমাধ্যম সালজবুর্গার নাচরিচটেন জানিয়েছে, ক্লপ এবং রেড বুল ম্যানেজমেন্টের মধ্যে কিছুটা দূরত্ব বেড়েছে। কারণ রেড বুলের প্রধান ক্লাবগুলোর অগ্রগতি তেমন সন্তোষজনক নয়। লিপজিগ চ্যাম্পিয়নস লিগে সরাসরি অংশগ্রহণে ক্ষেত্রে বিপত্তির মুখে। বুন্দেসলিগায় তাদের অবস্থান পাঁচে। রেড বুলের অর্থায়নের আরেকটি ক্লাব সালজবুর্গেরও উন্নতি তেমন একটা লক্ষ্য করা যাচ্ছে না।
ওলে ওয়ার্নারকে লিপজিগের ম্যানেজার হিসেবে নিযুক্ত করার ক্ষেত্রে ক্লপের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। বুন্দেসলিগার ক্লাবটির সবকিছু পরিকল্পনা মাফিক না হওয়াতে ক্লপের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
নাচরিচটেনের সংবাদে বলা হয়েছে, ফরাসি দল প্যারিস এফসির ম্যানেজার নিয়োগের ক্ষেত্রে ক্লপের সাহায্য নেওয়া হয়নি। এ কারণেই ক্লপ কিছুটা হতাশ এবং ক্ষুব্ধ।
রেড বুলের সিইও ওলিভার মিনৎসলাফ যদিও ট্রান্সফারমার্কেটকে বলেছেন,
“এসব সম্পূর্ণ গুজব এবং কোনো ভিত্তি নেই। বরং, আমরা ক্লপের কাজ নিয়ে খুবই সন্তুষ্ট।”