২২ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:২৩ এম

দুই দিন বিরতির পর ঢাকায় আজ থেকে শুরু হচ্ছে আরও একটি আন্তর্জাতিক ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতা। ১৭ দেশ নিয়ে চ্যালেঞ্জ টুর্নামেন্ট শেষ হওয়ার পর আজ থেকে এক দল বেশি নিয়ে কোর্টে গড়াচ্ছে ব্যাডমিন্টন সিরিজ। প্রথম টুর্নামেন্টে তথা ইউনেক্স-সানরাইজ আন্তর্জাতিক চ্যালেঞ্জে মিশ্র দ্বৈতে আল আমিন জুমার ও ঊর্মি আক্তার রুপা জেতেন। এরপর থেকেই নতুন করে আলোচনায় দেশের ব্যাডমিন্টন।
যে কোনো সাফল্যের পর তা ধরে রাখাই বড় চ্যালেঞ্জ। মিশ্র দ্বৈত ইভেন্টে জুমার-ঊর্মিদের এখন চ্যালেঞ্জ সামনে দেশকে আরও কিছু দেওয়ার। আজ থেকে শুরু হতে যাওয়া প্রতিযোগিতায় দারুণ কিছু করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ তাঁরা। একই সঙ্গে চান তাঁদের নিয়ে, দেশের শাটলারদের নিয়ে হোক দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা। তাতে সম্মতি বাংলাদেশ ব্যাডমিন্টন ফেডারেশনের। বেশ কিছু পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে ফেডারেশনের কর্তা-ব্যক্তিরা। লম্বা সময় অনুশীলন যেমন দরকার তেমন উন্নতমানের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতের পাশাপাশি বড় মাপের কোচও রাখতে চায় ফেডারেশন।
এর আগে এসএ গেমসকে কেন্দ্র করে ক্যাম্প চালু করে ব্যাডমিন্টন ফেডারেশন। যদিও দক্ষিণ এশিয়ার এই প্রতিযোগিতা আর আলোর মুখ দেখেনি। তবে গেমসকে সামনে রেখে নেওয়া প্রস্তুতির ফল বাংলাদেশের শাটলাররা পেয়েছেন ঢাকায় হওয়া চ্যালেঞ্জ প্রতিযোগিতায়।
তবে এসএ গেমসের প্রস্তুতির স্বরূপ খেলোয়াড়দের অস্ট্রেলিয়া, কানাডা ও থাইল্যান্ডের মতো দেশে পাঠানো হলেও তার সুফল কতটা স্থায়ী হবে, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। কারণ, খেলোয়াড়দের দেওয়া তথ্য মতে, বিদেশি প্রতিপক্ষরা সারা বছর আধুনিক কোচ ও উন্নত সুবিধায় প্র্যাকটিস করে, যেখানে বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা কেবল টুর্নামেন্ট এলেই স্বল্পমেয়াদি ক্যাম্পের সুযোগ পান।
মিশ্র দ্বৈতে ফাইনালে মালয়েশিয়ার জুটির কাছে হারের পর ঊর্মি আক্তার বলেন, ‘ওরা আসলে দীর্ঘ সময় ধরে প্র্যাকটিস করে, ভালো কোচের অধীনে থাকে এবং ওদের সুযোগ-সুবিধা অনেক বেশি। ওদের স্পন্সর, ট্রেনিং সব কিছুই আমাদের চেয়ে ভালো।’শুধু এসএ গেমস নয় প্রতি বছরই দীর্ঘমেয়াদি ক্যাম্প চান জুমার, ‘সামনে অনিশ্চয়তা তো আছেই। যদি আবার এরকম দীর্ঘমেয়াদি ক্যাম্পের সুযোগ পাই, তবে এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখা সম্ভব হবে।’
ব্যাডমিন্টনের মতো টেকনিক্যাল ও ব্যয়বহুল খেলায় ব্যক্তিগত উদ্যোগে ভালো করা প্রায় অসম্ভব মনে করেন জুমার। তাই পৃষ্ঠপোষকদের এগিয়ে আসা উচিত, ‘আমাদের অনুশীলনের অভাব তো আছেই। এক বক্স শাটলের দাম এখন ৬০০০ টাকা, যা দিয়ে বড়জোর ২-৩ দিন অনুশীলন করা যায়। এত ব্যয়বহুল খেলায় একা ট্রেনিং চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়।’
গতকাল রোববার সন্ধ্যায় ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক রাসেল কবির সুমন বলেন, ‘আমাদের এই ক্যাম্পটা স্বল্প সময়ে হয়েছে। বাইরেও খেলছি গত তিন-চার মাসে। এর মধ্যেই কিন্তু আমরা এই অর্জন করতে। এই অভ্যাস যত বাড়াতে পারব তত আমাদের ফল ভালো হবে। দীর্ঘমেয়াদী প্রশিক্ষণের পাশাপাশি বাইরে খেলতে হবে।’
দীর্ঘমেয়াদী কোচ নিয়োগেরও চেষ্টা চালাচ্ছে ফেডারেশন। সুমন বলেন, ‘আগে আমরা একটা গণ্ডির মধ্যে ছিলাম, ওর বাইরে যেতাম না। আমার ফেডারেশন সভাপতিকে বলছি, যে দীর্ঘমেয়াদী একটা কোচ দরকার। আপনি এটা এনে দেন, সঙ্গে সঙ্গে এরা বাইরের সব টুর্নামেন্ট খেলবে। রেজাল্টও অটোমেটিক হবে, এই টুর্নামেন্টই তা প্রমাণ।’
আজ থেকে পল্টনের শহীদ তাজউদ্দীন ইনডোর স্টেডিয়ামে শুরু হচ্ছে ইউনেক্স-সানরাইজ সিরিজ টুর্নামেন্ট। ৫ হাজার ডলারের প্রাইজমানির এই টুর্নামেন্টে থাকছেন আগের অনেকেই। নতুন করে যোগ হয়েছে কাজাখস্তান। ভারতের কিছু শাটলার ফিরে গেছেন, আসছেন নতুন কয়েকজন।
No posts available.
১ মার্চ ২০২৬, ৭:৪৩ পিএম
১ মার্চ ২০২৬, ৫:১৬ পিএম

২০২৪ সালে লিভারপুলের দায়িত্ব ছাড়ার পর কোমল পানীয় প্রতিষ্ঠান রেড বুলের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হন ইয়ুর্গেন ক্লপ। জার্মান ফুটবল এবং প্রতিষ্ঠানটির ক্লাবগুলোর উন্নয়নে কাজ করার জন্য ‘হেড অব গ্লোবাল সকার’ পদে নিয়োগ দেওয়া হয় তাঁকে। তবে গুঞ্জন উঠেছে, সাবেক অল রেডস কোচের দায়িত্ব কিছুটা খর্ব হয়ে পড়েছে। দায়িত্ব ছাড়ার গুঞ্জন উঠেছে তাঁর।
অস্ট্রিয়ান সংবাদমাধ্যম সালজবুর্গার নাচরিচটেন জানিয়েছে, ক্লপ এবং রেড বুল ম্যানেজমেন্টের মধ্যে কিছুটা দূরত্ব বেড়েছে। কারণ রেড বুলের প্রধান ক্লাবগুলোর অগ্রগতি তেমন সন্তোষজনক নয়। লিপজিগ চ্যাম্পিয়নস লিগে সরাসরি অংশগ্রহণে ক্ষেত্রে বিপত্তির মুখে। বুন্দেসলিগায় তাদের অবস্থান পাঁচে। রেড বুলের অর্থায়নের আরেকটি ক্লাব সালজবুর্গেরও উন্নতি তেমন একটা লক্ষ্য করা যাচ্ছে না।
ওলে ওয়ার্নারকে লিপজিগের ম্যানেজার হিসেবে নিযুক্ত করার ক্ষেত্রে ক্লপের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। বুন্দেসলিগার ক্লাবটির সবকিছু পরিকল্পনা মাফিক না হওয়াতে ক্লপের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
নাচরিচটেনের সংবাদে বলা হয়েছে, ফরাসি দল প্যারিস এফসির ম্যানেজার নিয়োগের ক্ষেত্রে ক্লপের সাহায্য নেওয়া হয়নি। এ কারণেই ক্লপ কিছুটা হতাশ এবং ক্ষুব্ধ।
রেড বুলের সিইও ওলিভার মিনৎসলাফ যদিও ট্রান্সফারমার্কেটকে বলেছেন,
“এসব সম্পূর্ণ গুজব এবং কোনো ভিত্তি নেই। বরং, আমরা ক্লপের কাজ নিয়ে খুবই সন্তুষ্ট।”

দক্ষিণ ইরানের ফার্স প্রদেশের লামার্দ শহরে একটি জিমনেশিয়ামে ইসরায়েলের মিসাইল হামলায় অন্তত ২০ জন নারী ভলিবল খেলোয়াড় ও একজন কোচ নিহত হয়েছেন। ইরানের টেলিভিশন চ্যানেল আল মায়েদান ও এসএনএন নিউজ জানিয়েছে এই খবর।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বরাতে তারা জানায়, জিমে ক্লোজ ডোর অনুশীলনের সময়ই হামলাটি চালানো হয়। এসএননের প্রতিবেদনে বলা হয়, ৪টি ক্ষেপণাস্ত্র ওই এলাকায় আঘাত করেছে। হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে দায়ী করা হয়েছে।
এর আগে শনিবার সকালে লামার্দ শহরের একটি জিমে হামলা চালায় ইসরায়েল। যেখানে প্রাথমিকভাবে ১৫ জনের বেশি নিহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়। ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ সংস্থা আইআরআইবি জানায়, হামলার সময় ভবনের ভেতরে শিশুদের উপস্থিতিও ছিল।
তাশিম সংবাদ সংস্থা দাবি করেছে, শহরের আরও চারটি স্থাপনায় আঘাত হানা হয়েছে। ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি জানিয়েছে, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় দেশজুড়ে মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়েছে এবং আহত হয়েছেন অন্তত ৭৪৭ জন।
আরও পড়ুন
| মেসি ম্যাজিকে ঘুরে দাঁড়িয়ে মায়ামির জয় |
|
ভলিবল খেলোয়াড়দের মৃত্যুতে গভীর শোক ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক ভলিবল ফেডারেশন (এফআইভিবি)। তাদের আশঙ্কা, এই ঘটনার ফলে ভলিবল সংশ্লিষ্ট হাজারও মানুষ ‘চরম অনিশ্চিত ভবিষ্যতের’ সামনে পড়ে গেছে।
আনুষ্ঠানিক এক বিবৃতিতে, পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে তাৎক্ষণিক মানবিক সহায়তা দেওয়ার জন্য একটি বিশেষ দল গঠনের পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছে এফআইভিবি।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘এফআইভিবি সহযোগিতা, সংলাপ, শান্তি ও সংহতিতে বিশ্বাস করে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি উত্তেজনা প্রশমিত করে শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথ খুঁজে বের করার আহ্বান জানাই আমরা।’
কর্মকর্তারা জানান, এ হামলার পর অঞ্চলটিতে ক্রীড়াবিদদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। সংঘাতপূর্ণ এলাকায় কাজ করা বা ভ্রমণকারী ক্রীড়াবিদ ও স্বেচ্ছাসেবকদের ঝুঁকির বিষয়টিও নতুন করে সামনে এসেছে।

আধুনিক অলিম্পিকের প্রথম আসরের একটি রৌপ্য পদক ডেনমার্কের এক নিলামে প্রত্যাশার চেয়ে বহু গুণ বেশি দামে বিক্রি হয়েছে। ক্রীড়া ইতিহাসের এই দুর্লভ স্মারকটি রোববার ব্রান রাসমুসেন আর্টস অকশনারের অনলাইন নিলামে হাতবদল হয়।
নিলামে কাড়াকাড়ির পর পদকটি বিক্রি হয় ৯ লাখ ড্যানিশ ক্রোনারে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ১ কোটি ৭৩ লাখ টাকার বেশি। আর ক্রেতার প্রিমিয়ামসহ ১৮৯৬ সালের এই পদকটি মোট মূল্য দাঁড়ায় ১১ লাখ ৫২ হাজার ক্রোনার বা ২ কোটি ২২ লাখ টাকার বেশি।
অথচ অকশনারদের পূর্বাভাস ছিল ২ থেকে ৩ লাখ ক্রোনারের মধ্যে। অর্থাৎ সম্ভাব্য সর্বোচ্চ দামের তুলনায় প্রায় চার গুণ বেশি দামে বিক্রি হয়েছে ঐতিহাসিক এই পদক।
আরও পড়ুন
| টিটির অনূর্ধ্ব-১৯-এ সেরা নাফিজ-খই খই, অনূর্ধ্ব-১৫-তে মৃদুল-রোজা |
|
এই রৌপ্য পদকটি ১৮৯৬ সালের সামার অলিম্পিকসে প্রদান করা হয়েছিল। আধুনিক অলিম্পিকের প্রথম আয়োজন বসেছিল গ্রিসের রাজধানী এথেন্সে, যেখানে ১৪টি দেশের ২৪১ জন ক্রীড়াবিদ অংশ নেন। অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর একটি ছিল ডেনমার্কও।
পদকটির নকশা করেছিলেন ফরাসি শিল্পী জুলস-ক্লেমেন্ত চ্যাপলেইন। পদকের এক পাশে দেখা যায় জিউস একটি গোলক ধরে আছেন, যার ওপর দাঁড়িয়ে আছেন বিজয়ের দেবী নাইকি। তার হাতে অলিভ শাখা। অন্য পাশে খোদাই করা আছে এথেন্সের অ্যাক্রোপলিস ও পার্থেননের চিত্র, সঙ্গে গ্রিক ভাষায় লেখা- “আন্তর্জাতিক অলিম্পিক গেমস, এথেন্স ১৮৯৬।”
নিলাম কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পদকটি ডেনমার্কের ক্রীড়াবিদ ভিগো জেনসেনের হতে পারে। তিনি ১৮৯৬ আসরে ভারোত্তোলনে ডেনমার্কের প্রথম অলিম্পিক চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন। তবে বিক্রি হওয়া পদকটি নির্দিষ্টভাবে তার সেই সাফল্যের স্মারক কি না, তা নিশ্চিত করা যায়নি।

বাংলাদেশ টেবিল টেনিসের অনূর্ধ্ব-১৯ বালিকা ও মহিলা বিভাগে ডবল ক্রাউনধারী ১ নম্বর খেলোয়াড় খই খই সাই মারমা। আজ তাঁকে সম্মাননা প্রদান করেছে লন্ডনভিত্তিক সংস্থা আরাফাত রহমান কোকো মেমোরিয়াল ট্রাস্ট।
দেশের একটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধি হয়েও বালিকা বয়সে সিনিয়র বিভাগে অংশ নিয়ে গতবছর ইসলামিক সলেডারেটি গেমসে মিশ্র দ্বৈতে রৌপ্যপদক জয় করায় টেবিল টেনিস ডিসিপ্লিনে তাঁকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়।
রোববার বিকেলে রাজধানীর লা মেরিডিয়ান ঢাকা হোটেলের গ্র্যান্ড বলরুমে আয়োজিত জমকালো অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক খই খই সাই মারমার হাতে “আরাফাত রহমান কোকো মেমোরিয়াল অ্যাওয়ার্ড ২০২৬”-এর সম্মাননা স্মারক ও এক লাখ টাকা আর্থিক অনুদানের চেক তুলে দেন। অনুষ্ঠানে ট্রাস্টের সভাপতি আবু নাসের শেখ ও সাধারণ সম্পাদক সারফরাজ শাপু উপস্থিত ছিলেন।
দেশের ক্রীড়াঙ্গনে সাবেক ও বর্তমান সফল তারকাদের অসামান্য অবদানকে স্বীকৃতি জানাতে ৭টি ডিসিপ্লিনে মোট নয়জন কৃতী ক্রীড়াবিদকে এ বছর এই পুরস্কার প্রদান করা হয়।
অন্যান্য পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন আফজাল আহমেদ (ফুটবল), হাবিবুল বাশার সুমন ও মারুফা আক্তার (ক্রিকেট), আমিরুল ইসলাম (হকি), আল আমিন জুমার (ব্যাডমিন্টন) ও সাগর ইসলাম (আর্চারি)। আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে।
রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলার চুশাকপাড়া গ্রাামের প্রত্যন্ত পাহাড়ি অঞ্চল থেকে উঠে আসা খই খইয়ের টেবিল টেনিসে হাতেখড়ি বান্দরবনের লামায় অবস্থিত কোয়ান্টাম স্কুলে। সেখানকার পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে বাংলাদেশ টেবিল টেনিস ফেডারেশন তাঁকে দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে অন্তর্ভুক্ত করে। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চুক্তিভিত্তিক খেলোয়াড় এবং এই বছর বিকেএসপি থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এইচএসসি পরীক্ষার্থী।
খই খই গত জানুয়ারিতে জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপে ৮টি ডিসিপ্লিনে অংশ নিয়ে তিনি ৬টি স্বর্ণ, একটি রৌপ্য ও একটি ব্রোঞ্জপদক জিতে নিজেকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যান।
আগামী ৮-১১ এপ্রিল ২০২৬ ভারতে অনুষ্ঠিতব্য সাউথ এশিয়ান জুনিয়র টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়ানশিপ-২০২৬ এর প্রাথমিক বাছাইয়ে দুটি সিলেকশনে মোট ১২টি ম্যাচে অপরাজিত থেকে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন।
পুরস্কার গ্রহণের পর খই খই সাই মারমা বর্তমান সরকার ও আয়োজকদেও প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, ইসলামিক সলিডারিটি গেমসে পদক জয়ের পর তারাই প্রথম তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। তিনি বলেন,
'যেকোনো সম্মাননা কঠোর পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের স্বীকৃতি। এটি যেমন আনন্দের, তেমনি দেশের প্রতি দায়িত্ববোধও বাড়িয়ে দেয়। ২০২৩-২৫ সালে সাউথ এশিয়ান জুনিয়রে আমি প্রতিবার ব্রোঞ্জপদক জিতেছি। ২০২৬ আমার শেষ সাউথ এশিয়ান জুনিয়র। সর্বোচ্চ চেষ্টা দিয়ে দেশ ও ফেডারেশনের সুনাম বাড়াতে চাই।'

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীম নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামিনিসহ রাষ্ট্রের ঊর্ধ্বতন অনেক কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। পাল্টা আক্রমণের অংশ হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিনিদের বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে ইরান। এ ঘটনায় দুবাই বিমানবন্দরে আটকা পড়েছেন ভারতের ব্যাডমিন্টন তারকা পিভি সিন্ধু।
অল ইংল্যান্ড ওপেন ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে যাত্রাপথে দুবাই বিমানবন্দরে নেমেছিলেন সিন্ধু। সেখানেই আটকে পড়েন তিনি। সমাজমাধ্যমে ভারতের ব্যাডমিন্টন তারকা জানিয়েছেন, পরিস্থিতি ক্রমশ ভয়াবহ হয়ে উঠছে। কীভাবে বিস্ফোরণের ঘটনা দেখেছেন, তা-ও লিখেছেন সিন্ধু। তাঁকে এবং তাঁর কোচকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য তিনি ধন্যবাদ জানিয়েছেন দুবাই বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এবং ভারতীয় দূতাবাসকে।
সামাজিকমাধ্যমে সিন্ধু লিখেছেন,
‘‘দুর্ভোগ এখনও কাটেনি এবং পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠছে। কয়েক ঘণ্টা আগে আমরা বিমানবন্দরের যে জায়গায় আশ্রয় নিয়েছিলাম, তার খুব কাছেই একটা বিস্ফোরণ ঘটে। আমার কোচকে দ্রুত সেই এলাকা থেকে দৌড়ে বেরিয়ে আসতে হয়েছিল কারণ তিনি ধোঁয়া ও ধ্বংসাবশেষের সবচেয়ে কাছে ছিলেন। আমাদের সকলের কাছে এটা অত্যন্ত ভয়ের এবং আতঙ্কের মুহূর্ত।’’
এখন নিরাপদ স্থানে রয়েছেন সিন্ধু,
‘‘দুবাই বিমানবন্দরের কর্মী এবং দুবাই কর্তৃপক্ষের সহায়তায় আমরা নিরাপদ আছি এবং আমাদের আরও সুরক্ষিত একটা জায়গায় সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। আমাদের নিরাপদে রাখতে দুবাইয়ের ভারতীয় হাই কমিশন যে নিরন্তর সাহায্য করে গিয়েছে, তার জন্য তাদেরও ধন্যবাদ। আপাতত আমরা কিছুটা বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগ পেয়েছি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার আশায় রয়েছি।’’