১৫ জানুয়ারি ২০২৫, ৭:২০ পিএম

বাংলাদেশ আর্চারি ফেডারেশন আয়োজিত ‘এসো দেশ বদলাই, পৃথিবী বদলাই’ স্লোগানে দেশব্যাপী পরিচালিত তারুণ্যের উৎসবের প্রথম পর্ব নীলফামারীতে নানা আয়োজনে সমাপ্ত হয়েছে। বুধবার জেলা প্রশাসক চত্ত্বর থেকে বের হওয়া বর্ণাঢ্য র্যালির মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী উৎসবের যাত্রা শুরু হয়। র্যালিটি চৌরঙ্গী মোড় ও বাটার মোড় হয়ে বড় মাঠে এসে আয়োজন শেষ হয়।
পরবর্তীতে পিঠা উৎসব, লোক সংগীত ও লোক নৃত্যের মনোমুগ্ধকর পরিবেশনা দিয়ে উৎসবের রঙিনতা আরও বাড়িয়ে দেয়। নীলফামারীর বড় মাঠে পিঠা উৎসব ও আর্চারি প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন বাংলাদেশর আর্চারি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক কাজী রাজিব উদ্দিন আহমেদ চপল।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নীলফামারীর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান। বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আল মামুন, জেলা জজ কোর্টের সরকারি কৌশলি আবু মোহাম্মদ সোয়েম। সভাপতিত্ব করেন নীলফামারীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন আরচ্যারী ফেডারেশনের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মো: ফারুক ঢালী, ছাত্র প্রতিনিধি শ্রেষ্ঠ সরকার, নীলফামারী জেলা সমন্বয়ক কমিটির আহবায়ক সৈয়দ মেহেদী হাসান আশিক ও জেলা ক্রীড়া অফিসার আবুল হাশেম।
নীলফামারীতে আর্চারির ভালো সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান বক্তারা। বিউটি রায়, দিয়া সিদ্দিকী, পুষ্পিতা জামানের মতো আর্চারিতে উঠে এসেছেন নীলফামারী থেকে।
নীলফামারীতে দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ আর্চারি একাডেমি করার পরিকল্পনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আর্চারি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক কাজী রাজিব উদ্দিন আহমেদ চপল। এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহায়তা করার কথা বলেছেন নীলফামারীর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান। ভারত, শ্রীলঙ্কাও বাংলাদেশে আর্চারি অ্যাকাডেমি করার ব্যাপারে তাদের সম্মতি দিয়েছে বলে জানান আর্চারি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক। এছাড়া আগামী মে মাসে জাতীয় যুব আর্চারি চ্যাম্পিয়নশিপ নীলফামারীতে আয়োজনের সিদ্ধান্ত হয়েছে।
বেশ উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে নীলফামারী সদর সহ ছয়টি উপজেলার আর্চারি প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। ১২ জন ছেলে ও ১২ জন মেয়ে তীর ধনুকের লড়াইয়ে অংশ নেয়। ছেলেদের বিভাগে সোনা জিতেছেন নীলফামারী সদর উপজেলার মোঃ কাশেম আলী। আর মেয়েদের বিভাগে একই উপজেলার শিগরীতা রানী সোনা জয় করেন। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বিজয়ীদের পুরস্কৃত করা হয়।
বাংলাদেশ আর্চারি ফেডারেশন দেশের ৭টি ভেন্যুতে এই উৎসবের আয়োজন করেছে। নীলফামারীর পর পরবর্তী আয়োজনগুলো হবে ১৮ জানুয়ারি ফরিদপুরে।
২৩ জানুয়ারি রাজশাহীতে, ২৬ জানুয়ারি নড়াইলে, ২৭ জানুয়ারি চুয়াডাঙ্গায়, ৩০ জানুয়ারি চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে এবং চূড়ান্ত পর্ব ৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকার ঐতিহাসিক পল্টন ময়দানে।
No posts available.
১২ জানুয়ারি ২০২৬, ২:০৬ পিএম

স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে চলছে ‘অ্যাডমিশন ফেয়ার স্প্রিং ২০২৬’। গত ৩ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে এই ভর্তি মেলার উদ্বোধন করা হয়।
ভর্তি মেলার উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইউনুছ মিয়া। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক অ্যাডভাইজার অধ্যাপক ড. আকা ফিরোজ আহমেদ, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. জিয়াউল হাসান, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জামান মজুমদার, প্রক্টর ও অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ড. মৃত্যুঞ্জয় আচার্য্য, রেজিস্ট্রার মুহাম্মাদ আবদুল মতিন, অ্যাডমিশন ফেয়ারের কনভেনর ও অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আবদুস সাত্তার, জনসংযোগ বিভাগের প্রধান প্রদীপ্ত মোবারক এবং অ্যাডমিশন বিভাগের প্রধান আশিক মাহমুদ। এ ছাড়া বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যান এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও উপস্থিত ছিলেন।
স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের পাঁচটি অনুষদের অধীনে ১৪টি বিভাগে মোট ২৯টি স্নাতক ও স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামে ভর্তি কার্যক্রম চলছে। ভর্তি মেলা চলাকালে শিক্ষার্থীরা ভর্তি ফিতে ৫০ শতাংশ ছাড় এবং প্রথম সেমিস্টারের টিউশন ফিতে ১০ শতাংশ ওয়েভার সুবিধা পাবেন।
ভর্তির জন্য আগ্রহীরা সরাসরি যোগাযোগ করতে পারবেন স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের অ্যাডমিশন অফিসে (৫১ সিদ্ধেশ্বরী রোড, রমনা, ঢাকা)। এ ছাড়া ভর্তি সংক্রান্ত তথ্য জানার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট www.stamforduniversity.edu.bd ভিজিট করা যাবে এবং ০৯৬১৩-৬২২৬২২ নম্বরে অ্যাডমিশন অফিসে যোগাযোগ করা যাবে।
গবেষণা ও কর্মমুখী শিক্ষায় গুরুত্ব, আধুনিক ও ডিজিটালাইজড ক্লাসরুম, উন্নতমানের ল্যাব, সমৃদ্ধ লাইব্রেরি, স্টুডেন্ট জোন, খেলাধুলার সুবিধা এবং নির্মাণাধীন স্থায়ী ক্যাম্পাসের মাধ্যমে স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ দেশি-বিদেশি শিক্ষার্থীদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, শিক্ষার্থীরা আর্কিটেকচার, সিভিল, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, পরিবেশ বিজ্ঞান, মাইক্রোবায়োলজি, ফার্মেসি, আইন, ব্যবসায় প্রশাসন, ইংরেজি, অর্থনীতি, সাংবাদিকতা ও মিডিয়া স্টাডিজ, ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া, পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশনসহ বিভিন্ন স্নাতক ও স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামে ভর্তি হতে পারবেন।
এ ছাড়া ইউজিসি অনুমোদিত থিয়েটার স্টাডিজ, অ্যাপ্লাইড নিউট্রিশন অ্যান্ড ফুড টেকনোলজি, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি এবং মাস্টার অব অ্যাডিকশন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন স্টাডিজ প্রোগ্রাম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জাপানি ভাষা, স্পোকেন ইংলিশ, বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ইংলিশ ও বাংলা কোর্স এবং আইইএলটিএস কোর্সেও ভর্তি চলছে।
এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের জন্য শতভাগ পর্যন্ত স্কলারশিপ সুবিধাও দিচ্ছে স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ।

পল্টনের শহীদ (ক্যাপ্টেন) এম. মনসুর আলী জাতীয় হ্যান্ডবল স্টেডিয়াম আজ থেকে শুরু হয়েছে জাতীয় যুব পুরুষ হ্যান্ডবল প্রতিযোগিতা। প্রথম দিনেই জয় পেয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ, ঢাকা, যশোর, কুষ্টিয়া, পঞ্চগড় ও ফরিদপুর।
দিনের প্রথম ম্যাচে মাদারীপুর জেলাকে ৪০-১১ গোলে হারিয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ। প্রথমার্ধে জয়ী দল ২৩-০৪ গোলে এগিয়ে ছিল। নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচেও হেরেছে মাদারীপুর। একপেশে লড়াইয়ে মাদারীপুরকে ৩৫-০৬ গোলে হারায় পঞ্চগড় জেলা।
দিনের অন্য ম্যাচে ঢাকা ৪৩-১২ গোলে নড়াইলকে হারিয়েছে। প্রথমার্ধে ২২-০৫ গোলে এগিয়ে ছিল ঢাকা। পরের ম্যাচে যশোর ৩৭-২৮ গোলে হারিয়েছে জামালপুরকে। প্রথমার্ধে দুই দলই ১৩-১৩ গোলে সমতায় ছিল।
কুষ্টিয়া ৩৩-২৩ গোলে হারিয়েছে ময়মনসিংহকে। প্রথমার্ধে জয়ী দল ১৫-০৮ গোলে এগিয়ে ছিল। প্রথমার্ধে ১৯-০৫ গোলে এগিয়ে ছিল পঞ্চগড়। দিনের শেষ ম্যাচে ফরিদপুর ৩৫-২৭ গোলে হারিয়েছে নড়াইলকে। প্রথমার্ধে ১৫-১০ গোলে এগিয়ে ছিল ফরিদপুর।
এবারের প্রতিযোগিতায় দুই গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলছে ১০টি জেলা। ‘ক’ গ্রুপে রয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ, ময়মনসিংহ, পঞ্চগড়, কুষ্টিয়া ও মাদারীপুর জেলা। ‘খ’ গ্রুপে ঢাকা, যশোর, ফরিদপুর, জামালপুর ও নড়াইল জেলা।
দুই গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স আপ দল নিয়ে হবে সেমিফাইনাল। ফাইনাল ১৫ জানুয়ারি।
আজ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. সেলিম ফকির। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হ্যান্ডবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সালাউদ্দিন আহম্মেদ। বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক এস এম নেওয়াজ সোহাগ, জিমন্যাস্টিকস ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান জামিল, বাংলাদেশ হ্যান্ডবল ফেডারেশনের যুগ্ন সম্পাদক ও আয়োজন কমিটির সদস্য সচিব রাশিদা আফজালুন নেসা, কার্যনির্বাহী সদস্য ও আয়োজন কমিটির যুগ্ম সদস্য সচিব মো. মকবুল হোসেনসহ আরও অনেকেই।

আগামীকাল রোববার থেকে শুরু হচ্ছে জাতীয় যুব (বালক) হ্যান্ডবল প্রতিযোগিতা। সবগুলো ম্যাচ হবে পল্টনের শহীদ (ক্যাপ্টেন) এম. মনসুর আলী জাতীয় হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামে। এবারের আসরে দুই গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলবে ১০টি জেলা।
‘ক’ গ্রুপে চাঁপাইনবাবগঞ্জ, ময়মনসিংহ, পঞ্চগড়, কুষ্টিয়ার সঙ্গে আছে মাদারীপুর জেলা। ‘খ’ গ্রুপে খেলবে ঢাকা, যশোর, ফরিদপুর, জামালপুর ও নড়াইল জেলা।
দুই গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দল নিয়ে হবে সেমিফাইনাল। ফাইনাল ১৫ জানুয়ারি।
এবারের যুব হ্যান্ডবলের পৃষ্ঠপোষকতা করছে তানভির কনস্ট্রাকশন লিমিটেড (টিএসএল)। প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করবেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. সেলিম ফকির।
বিশেষ অতিথি থাকবেন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নির্বাহী পরিচালক (যুগ্নসচিব) মো. দৌলতুজ্জামান খাঁন।
শনিবার ফেডারেশনের সম্মেলন কক্ষে হয়েছে সংবাদ সম্মেলন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হ্যান্ডবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সালাউদ্দিন আহম্মেদ, যুগ্ন সম্পাদক ও আয়োজন কমিটির সদস্য সচিব রাশিদা আফজালুন নেসা, কার্যনির্বাহী সদস্য ও আয়োজন কমিটির যুগ্ন সদস্য সচিব মো. মকবুল হোসেন।
৮ জানুয়ারি ২০২৬, ৪:৩৯ পিএম

দেশের শীর্ষস্থানীয় কসমেটিকস, স্কিনকেয়ার ও হোমকেয়ার পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান রিমার্ক-হারল্যান গ্রুপের জনপ্রিয় ব্র্যান্ড টাইলক্সের বিজ্ঞাপনে যুক্ত হলেন পাকিস্তানের কিংবদন্তি পেসার শোয়েব আখতার। এর আগে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান টাইলক্সের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিলেন।
ক্রিকেট বিশ্বে গতি, শক্তি ও আগ্রাসনের প্রতীক শোয়েব আখতার—যিনি রাওয়ালপিন্ডি এক্সপ্রেস নামে পরিচিত, এবার তিনি সেই শক্তির প্রতিচ্ছবি তুলে ধরছেন ঘরের পরিচ্ছন্নতায়। নতুন এই বিজ্ঞাপনে টাইলক্সের শক্তিশালী ক্লিনিং ফর্মুলা, জীবাণুনাশক ক্ষমতা ও কার্যকর পরিষ্কারের বার্তা তুলে ধরা হয়েছে। নতুন বিজ্ঞাপনে শোয়েব আখতার “ক্লিন মানেই টাইলক্স- টাইলক্স মানেই ক্লিন” শ্লোগানে সুভাশিত পরিচ্ছন্নতার বার্তা দিয়েছেন।
টাইলক্স মূলত ঘরবাড়ি ও কর্মপরিবেশকে পরিষ্কার, স্বাস্থ্যসম্মত ও জীবাণুমুক্ত রাখতে সহায়ক হিসেবে কাজ করছে। সাধারণত ক্লিনিং প্রোডাক্ট কেমিক্যালের কড়া গন্ধযুক্ত হয়ে থাকে। কিন্তু টাইলক্সের কোনও পণ্যে সেটা নেই এবং এটি বাংলাদেশের একমাত্র ক্ষতিকারক অ্যামোনিয়া-ফ্রি সারফেস ক্লিনিং রেঞ্জ।
নতুন বিজ্ঞাপন প্রসঙ্গে শোয়েব আখতার বলেন, “আমি সবসময় শক্তি ও পারফরম্যান্সে বিশ্বাস করি। টাইলক্স ঠিক তেমনই—শক্তিশালী, নির্ভরযোগ্য এবং কার্যকর। তাই টাইলক্সের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে আমি আনন্দিত।”
টাইলক্স-এর চীফ বিজনেস অফিসার মারুফুর রহমান জানান, সাকিব আল হাসানের পর শোয়েব আখতারকে যুক্ত করার মাধ্যমে ব্র্যান্ডটি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করতে চায়। ভোক্তাদের কাছে টাইলক্সকে শক্তিশালী, বিশ্বস্ত ও কর্মদক্ষতাসম্পন্ন হোম কেয়ার ব্র্যান্ড হিসেবে উপস্থাপন করাই এই ক্যাম্পেইনের মূল লক্ষ্য।
রিমার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজমুল আলম বলেন, টাইলক্স হাউজহোল্ড সারফেস ক্লিনিংয়ের জন্য এমন এক সল্যুশন যা শুধু পরিষ্কার করে না, সাথে পরিবেশকেও রাখে সুরভিত।
তিনি জানান, রিমার্কের প্রোডাক্ট প্রস্তুত হচ্ছে এশিয়ার এই অঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ এবং পরিবেশবান্ধব ইন্ডাস্ট্রিতে। নতুন এম্বাসেডর হিসেবে শোয়েব আখতার যুক্ত হওয়ায় আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে ব্র্যান্ডে হিসেবে টাইলক্স নতুন মাত্রা পাবে বলে আশা করেন তিনি।
টাইলক্সের নতুন ব্র্যান্ড এম্বাসেডর হিসেবে শোয়েব আখতারকে নিয়ে করা নতুন বিজ্ঞাপন এরই মধ্যে টেলিভিশন ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সম্প্রচার শুরু হয়েছে। এবং দর্শক মহলে ব্যাপক সাড়া ফেলছে।
৭ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:০৩ পিএম

যৌন হয়রানির অভিযোগকে ঘিরে কয়েক মাস ধরেই অস্থির দেশের শুটিং অঙ্গন। এর মধ্যেই গত ১ জানুয়ারি অভিযুক্ত যুগ্ম সম্পাদক জিএম হায়দার সাজ্জাদকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয় জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। একই দিনে বাংলাদেশ শুটিং ফেডারেশন সাময়িক বহিষ্কার করে জাতীয় তারকা শুটার কামরুন নাহার কলিকে। এমন প্রেক্ষাপটে বুধবার সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে ফেডারেশন, যা শেষ পর্যন্ত রূপ নেয় উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস আরা খানম (আলেয়া ফেরদৌস)। তবে বক্তব্য শেষ হতেই সাংবাদিকদের একের পর এক প্রশ্নে চাপে পড়েন তিনি। মূলত সংবাদ সম্মেলনের আমন্ত্রণপত্রে গণমাধ্যমকে উদ্দেশ করে ব্যবহৃত ভাষা নিয়েই শুরু হয় বিতর্ক।
আমন্ত্রণপত্রে বলা হয়, ‘ফেডারেশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ করা হচ্ছে, যা শুটিংয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে।’ সাংবাদিকরা জানতে চান কোন গণমাধ্যমের কোন প্রতিবেদন মিথ্যা বা ভিত্তিহীন? এ প্রশ্নের সুনির্দিষ্ট উত্তর দিতে ব্যর্থ হন সাধারণ সম্পাদক। একপর্যায়ে তিনি বলেন, ‘শুটারদের দেওয়া তথ্য যাচাই না করেই প্রকাশ করা হয়েছে।’সাংবাদিকরা সঙ্গে সঙ্গে এ বক্তব্যের বিরোধিতা করেন।
আমন্ত্রণপত্রের শেষাংশে গণমাধ্যমকে ‘যোগ্য প্রতিনিধি’পাঠানোর আহ্বান জানানো নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন উপস্থিত সাংবাদিকরা। দীর্ঘদিনের ক্রীড়া সাংবাদিকতার অভিজ্ঞতাসম্পন্ন অনেকেই এমন ভাষাকে নজিরবিহীন বলে উল্লেখ করেন। বিষয়টি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে সাধারণ সম্পাদক দায় এড়িয়ে বলেন, ‘অফিস থেকে হয়েছে, খেয়াল করা হয়নি।’ পরে ফেডারেশনের সদস্য সারোয়ার হোসেন সাংবাদিকদের সামনে দুই হাত জোড় করে ভুল ও দুঃখ প্রকাশ করেন।
সংবাদ সম্মেলনের সময় ফেডারেশনের পক্ষ থেকে মোবাইল ফোনে লাইভ সম্প্রচারের বিষয়টিও সাংবাদিকদের আপত্তির কারণ হয়। অনুমতি ছাড়া লাইভ করায় আবারও প্রতিবাদ জানান তারা। এরপর দ্বিতীয় দফায় ক্ষমা চায় ফেডারেশন। এর আগে শুটিং ফেডারেশনের বহু সংবাদ সম্মেলন হলেও কখনো লাইভ সম্প্রচার হয়নি বলে জানান সাংবাদিকরা, যা এদিনের ঘটনার পেছনে ভিন্ন উদ্দেশ্যের ইঙ্গিত দেয় বলে মন্তব্য করেন অনেকে।
সংবাদ সম্মেলনের ব্যানারেও ছিল বিতর্কিত বার্তা ‘বিএসএসএফ-এর বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র ও পরিকল্পিত মিথ্যাচার: দালিলিক সত্যের উন্মোচন’। তবে ‘দালিলিক সত্য’তুলে ধরার দাবি করা হলেও কোনো নথি উপস্থাপন করা হয়নি। ফেডারেশনের বর্তমান কমিটির একাধিক সদস্য পূর্ববর্তী সরকার আমলেও দায়িত্বে ছিলেন এ বিষয়ে প্রশ্ন উঠলে সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘২০১২ সালের আগে ছিলাম, তখন কোনো দুর্নীতি হয়নি।’
চার পৃষ্ঠার লিখিত বক্তব্যে শুটার তাসমায়াতি এমা, সাবেক শুটার শারমিন আক্তার রত্না ও কামরুন নাহার কলির অভিযোগগুলো প্রত্যাখ্যান করা হয়। অথচ এনএসসির তদন্ত কমিটি বেশ কয়েকটি অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে এবং জিএম হায়দার সাজ্জাদকে ১০ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করার সুপারিশও করেছে। এরপরও এমন সংবাদ সম্মেলনের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। ফেডারেশনের কর্মকর্তারা বলেন, ‘সংস্থার ভাবমূর্তি ও প্রকৃত চিত্র তুলে ধরতেই এই আয়োজন।’
সাংবাদিকদের আরও প্রশ্ন ছিল সাজ্জাদের অব্যাহতির আগে শুটাররা মানববন্ধন, মামলা ও আন্তর্জাতিক সংস্থায় চিঠি দেওয়ার সময় ফেডারেশন কেন নীরব ছিল? এখন সংবাদ সম্মেলন করে অভিযোগকারীদের বক্তব্যকে প্রশ্নবিদ্ধ করা কি সাজ্জাদের পক্ষ নেওয়ার শামিল নয়? সাধারণ সম্পাদক দাবি করেন, ‘এটা কোনো ব্যক্তির পক্ষে নয়, বরং শুটিংয়ে নারীদের অংশগ্রহণ ধরে রাখার জন্য।’
তবে সংবাদ সম্মেলনের দিনও ফেডারেশনে সাজ্জাদের উপস্থিতি নতুন করে প্রশ্ন তোলে। এ বিষয়ে সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘কাগজপত্র সংক্রান্ত কাজের জন্যই তিনি এসেছেন।’ যদিও তিনি স্বীকার করেন, এনএসসি থেকে আনুষ্ঠানিক চিঠি এখনো পাননি বলে সাজ্জাদকে পুরোপুরি কার্যক্রমের বাইরে রাখা হয়নি।