
অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে কোর্টে নামলেই যেন ফাইনাল নিশ্চিত আরিনা সাবালেঙ্কার। আজ সেমিফাইনালে ইউক্রেনের এলিনা সভিতোলিনাকে হারিয়ে টানা চতুর্থবারের মতো ফাইনাল নিশ্চিত করলেন বিশ্ব টেনিসের এক নম্বর তারকা।
মেলবোর্নের রড লেভার অ্যারেনায় সেমিফাইনালে সভিতোলিনাকে সরাসরি ৬-২, ৬-৩ সেটে হারান সাবালেঙ্কা। ওপেন যুগে নারীদের এককে টানা চারবার অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের ফাইনালে ওঠা মাত্র তৃতীয় খেলোয়াড় হলেন বেলারুশিয়ান এই তারকা।
এর আগে এই কীর্তি গড়েছিলেন ইভন গুলাগং ও মার্টিনা হিঙ্গিস।
এবারের টুর্নামেন্টে এখনও পর্যন্ত একটি সেটও হারেননি সাবালেঙ্কা। উন্মুক্ত যুগে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে কোনো সেট না হারিয়ে তৃতীয়বারের মতো উঠলেন তিনি। এই তালিকায় ইভন গুলাগং ও স্টেফি গ্রাফ চারবার করে ফাইনালে উঠেছেন।
ম্যাচে শুরু থেকেই নিয়ন্ত্রণে ছিলেন সাবালেঙ্কা। প্রথম সেটে শক্তিশালী শটের সামনে টিকতে পারেননি ১২ নম্বর বাছাই সভিতোলিনা। দ্বিতীয় সেটে এক পর্যায়ে ব্রেক পয়েন্টের সুযোগ পেলেও শেষ পর্যন্ত ম্যাচ নিজের করে নেন সাবালেঙ্কা।
ম্যাচ শেষে সাবালেঙ্কা বলেন,
‘বিশ্বাসই করতে পারছি না। দারুণ অর্জন, কিন্তু কাজ এখনও শেষ হয়নি। সে (সভিতোলিনা) পুরো সপ্তাহ জুড়ে দারুণ খেলেছে। ম্যাচ জিতে খুব খুশি।’
এদিন ম্যাচ শেষে হাত মেলাননি সাবালেঙ্কা ও সভিতোলিনা। ম্যাচ শুরুর আগেই দর্শকদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, এই দুই খেলোয়াড়ের মধ্যে কোনো হাত মেলানো হবে না।
মূলত ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকে রুশ ও বেলারুশিয়ান খেলোয়াড়দের সঙ্গে করমর্দন এড়িয়ে চলছেন ইউক্রেনের টেনিস খেলোয়াড়রা। সেই নীতির ব্যতিক্রম হয়নি মেলবোর্নের এই ম্যাচেও। বেলারুশিয়ান সাবালেঙ্কার বিপক্ষে তাই নেটে হাত মেলাননি ইউক্রেনের সভিতোলিনা।
গত বছর ফাইনালে ম্যাডিসন কিজের কাছে হারের পর এবার শিরোপা পুনরুদ্ধারের সুযোগ পাচ্ছেন সাবালেঙ্কা।
এবার জিতলে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে সাবালেঙ্কার তৃতীয় এবং ক্যারিয়ারের পঞ্চম গ্র্যান্ড স্ল্যাম শিরোপা হবে। শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে শনিবার সাবালেঙ্কা মুখোমুখি হবেন জেসিকা পেগুলা অথবা এলেনা রিবাকিনার মধ্যে জয়ী খেলোয়াড়ের।
No posts available.
২৭ জানুয়ারি ২০২৬, ২:২৮ পিএম
২৫ জানুয়ারি ২০২৬, ৬:২৫ পিএম

নোভাক জোকোভিচ এখন চাইলে নিজেকে সাহসী দাবি করতেই পারেন। কারণ কথায় বলে, ভাগ্য সব সময় সাহসীর পক্ষে থাকে। জোকোভিচও যে পরপর দুই ম্যাচে পেয়েছেন ভাগ্যের ছোঁয়া। ম্যাচ না জিতেও উঠে গেছেন অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের ফাইনালে।
অবশ্য এটিকে সততার পুরস্কার বললেও ভুল হবে না। কারণ লরেঞ্জো মুসেত্তির বিপক্ষে সততার নজিরও দেখিয়েছেন সার্বিয়ান তারকা। সব কিছুর যোগফল হিসেবেই, একরকম উপহার পেয়েই ২৫তম গ্র্যান্ড স্ল্যাম শিরোপার আরও কাছে পৌঁছে গেছেন তিনি।
অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের কোয়ার্টার-ফাইনাল ম্যাচে বুধবার মুসেত্তির বিপক্ষে ওয়াকওভার পান জোকোভিচ। ম্যাচের প্রথম দুই সেট জিতে যাওয়ার পর তৃতীয় সেটে কুচকির চোট পান মুসেত্তি। এরপর আর কোর্টে ফেরা হয়নি তার। তাই জোকোভিচকে জয়ী ঘোষণা করা হয়।
ম্যাচের প্রথম সেটে ৬-৪ গেমে জেতেন মুসেত্তি। দ্বিতীয় সেটে ৫-৩ গেমে এগিয়ে থাকা অবস্থায় একটি বল কোর্টের বাইরে মেরে বসেন তিনি। পয়েন্ট দেওয়া হয় জোকোভিচকে। তবে সার্বিয়ান তারকা জানান, কোর্টের বাইরে যাওয়ার আগে বলটি তার ব্যাটে লেগেছে।
তাই বদলে যায় ওই পয়েন্টের সিদ্ধান্ত। ম্যাচে পিছিয়ে থাকা অবস্থায়ও সততার উদাহরণ দেখিয়ে পয়েন্ট খোয়ান জোকোভিচ। পরে সেটটিও ৬-৩ গেমে হেরে যান টেনিসের এই কিংবদন্তি। তৃতীয় সেটে ঘুরে দাঁড়ানোর আভাস দিয়ে ৩-১ গেমে এগিয়ে যান জোকোভিচ।
এরপর কুচকির চোট পান মুসেত্তি। জোকোভিচও তখন পায়ে ফোসকা পড়ায় শুশ্রূষা নিচ্ছিলেন। তবে চোটের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় আর কোর্টে ফিরতে পারেননি মুসেত্তি। তাই পিছিয়ে থেকেও জয় পেয়ে যান আগের সেটে সততার নজির দেখানো অভিজ্ঞ তারকা।
এর আগে শেষ ষোলোর ম্যাচেও ভাগ্যের ছোঁয়া পেয়েছিলেন জোকোভিচ। চেক রিপাবলিকের ইয়াকুব মেনসি চোটে ছিটকে পড়ায় সেদিন কোর্টেই নামতে হয়নি তার। সরাসরি ওয়াকওভার পেয়ে কোয়ার্টার-ফাইনালে উঠে যান তিনি। এবার পেলেন শেষ চারের টিকেট।
২০২৩ সালে সবশেষ গ্র্যান্ড স্ল্যাম জিতেছিলেন জোকোভিচ। গত দুই বছরে সম্ভাবনা জাগিয়েও শিরোপা জেতা হয়নি তার। গত বছর চারটি টুর্নামেন্টে সেমি-ফাইনালে থেমেছিলেন তিনি। এবার ভাগ্যের জোরে শেষ চারে ওঠার পর ২৫তম গ্র্যান্ড স্ল্যামের মিশনে নামবেন জোকোভিচ।

অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের দশম দিনে কোনোরকম অঘটন ঘটেনি। পুরুষ এককে সেমিফাইনাল নিশ্চিতের ম্যাচে জয় পেয়েছেন কার্লোস আলকারাজ ও আলেকসান্দার জভেরেভ। নারী এককে আরিনা সাবালেঙ্কা ও এলিনা স্বিতোলিনা সরাসরি সেটে জিতে কোয়ার্টার ফাইনাল অতিক্রম করেছেন।
মঙ্গলবার রড লেভার অ্যারিনায় তিন ঘণ্টা ১০ মিনিটের লড়াই শেষে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছেন জেভরেভ। যুক্তরাষ্ট্রের উদীয়মান প্রতিভা লার্নার টিয়েনকে চার সেটের হাড্ডাহাড্ডি ম্যাচে হারান জার্মান এই তারকা।
ম্যাচের শুরুটা জেভরেভের দখলেই ছিল। প্রথম সেটে নিয়ন্ত্রিত সার্ভিস গেম ও বেসলাইন আধিপত্যে ৬–৩ ব্যবধানে এগিয়ে যান তিনি। তবে দ্বিতীয় সেটে ঘুরে দাঁড়ান টিয়েন। টাইব্রেক পর্যন্ত গড়ানো সেই সেটে দৃঢ় মানসিকতার পরিচয় দিয়ে ৭–৬ (৭–৫) ব্যবধানে সেটটি জিতে নেন তরুণ আমেরিকান।
তৃতীয় সেটে আবারও অভিজ্ঞতার ঝলক দেখান জেভরেভ। টিয়েনকে খুব একটা সুযোগ না দিয়ে ৬–১ ব্যবধানে সেট জিতে ম্যাচে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেন তিনি। চতুর্থ সেটে দুই খেলোয়াড়ের মধ্যে জমে ওঠে দারুণ লড়াই। একাধিক ব্রেক পয়েন্ট বাঁচিয়ে সেট গড়ায় টাইব্রেকে, যেখানে শেষ পর্যন্ত ৭–৬ (৭–৩) ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করেন জেভরেভ। এই জয়ে টুর্নামেন্টের শেষ চার নিশ্চিত করলেন জেভরেভ, আর সাহসী লড়াই করেও কোয়ার্টার ফাইনালে থামতে হলো লার্নার টিয়েনকে।
রড লেভারে আরেক ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার অ্যালেক্স ডি মিনাওরকে স্ট্রেট সেটে হারিয়েছেন নম্বর ওয়ান শীর্ষ বাছাই আলকারাজ। ৭–৫, ৬–২ ও ৬–১ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে শেষ চারে পা দিয়েছেন তিনি।
নারী এককে ইভা জোভিচকে ৬–৩, ৬–০ ব্যবধানে হারিয়ে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছেন বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বর তারকা সাবালেঙ্কা।
চারবারের গ্র্যান্ড স্ল্যাম একক শিরোপাজয়ী সাবালেঙ্কা শেষ ১৭টি গ্র্যান্ড স্ল্যামের মধ্যে ১৪ বারই সেমিফাইনালে উঠেছেন। গত ৩৮ বছরে তিনি মাত্র তৃতীয় নারী খেলোয়াড়, যিনি টানা আটটি গ্র্যান্ড স্ল্যামের সেমিফাইনালে উঠলেন। এর আগে এই কৃতিত্ব ছিল লিন্ডসে ড্যাভেনপোর্ট ও মার্টিনা হিঙ্গিসের।
ইউক্রেনের এলিনা স্বিতোলিনাকে পরাজিত করেন যুক্তরাষ্ট্রের কোকো গফ ৬–১ ও ৬–২ ব্যবধানে। ক্যারিয়ারের আরেক গ্র্যান্ড স্ল্যামের জয়ের পথে মাত্র ৫৯ মিনিটে ম্যাচ সমাধান করেন শীর্ষ তিন নম্বর বাছাই।

অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে এবারও দারুণ ছন্দে আছেন আরিনা সাবালেঙ্কা। কোয়ার্টার ফাইনালে মার্কিন কিশোরী ইভা জোভিচকে ৬-৩, ৬-০ সেটে হারিয়ে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছেন বিশ্ব র ্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বর এই তারকা।
ম্যাচ শেষে সাবালেঙ্কা বলেন, ‘মানসিকতা একটাই- ট্রফি, অথবা কিছুই না।’ ২৭ বছর বয়সী বেলারুশ এই খেলোয়াড় এখন সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবেন তৃতীয় বাছাই কোকো গফ অথবা ইউক্রেনের এলিনা সভিতোলিনার।
চারবারের গ্র্যান্ড স্ল্যাম একক শিরোপাজয়ী সাবালেঙ্কা শেষ ১৭টি গ্র্যান্ড স্ল্যামের মধ্যে ১৪ বারই সেমিফাইনালে উঠেছেন। গত ৩৮ বছরে তিনি মাত্র তৃতীয় নারী খেলোয়াড়, যিনি টানা আটটি গ্র্যান্ড স্ল্যামের সেমিফাইনালে উঠলেন। এর আগে এই কৃতিত্ব ছিল লিন্ডসে ড্যাভেনপোর্ট ও মার্টিনা হিঙ্গিসের।
সাবালেঙ্কা বলেন, ‘আমি যা অর্জন করতে পেরেছি, তা সত্যিই অবিশ্বাস্য। সঠিক কাজে মনোযোগী হওয়াটাই আমাকে ধারাবাহিক হতে সাহায্য করেছে।’ এবারের অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে এখন পর্যন্ত একটি সেটও হারেননি তিনি। ২০২৬ সালের শুরু থেকে তাঁর জয়ের ধারাবাহিকতা দাঁড়িয়েছে ১০ ম্যাচ ও টানা ২০ সেটে।
গত বছর অস্ট্রেলিয়ান ওপেন ও ফ্রেঞ্চ ওপেনের ফাইনালে হেরে গেলেও, সেপ্টেম্বরে ইউএস ওপেন শিরোপা ধরে রাখেন সাবালেঙ্কা। এবার মেলবোর্নে আবারও শিরোপা পুনরুদ্ধারের বড় দাবিদার হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন তিনি। ২২টি ক্যারিয়ার শিরোপার মধ্যে ১৯টিই হার্ড কোর্টে।
আজ ম্যাচ শেষে এ নিয়ে সাবালেঙ্কা বলেন, ‘প্রতিটি খেলোয়াড়ই টুর্নামেন্টে আসে ট্রফি জয়ের লক্ষ্য নিয়ে। তবে আমি চেষ্টা করি প্রতিটি পয়েন্ট, প্রতিটি গেমে নিজের সেরাটা দিতে।’ টানা দ্বিতীয় রাউন্ডে কোনো কিশোর প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হন সাবালেঙ্কা। এর আগে তিনি হারিয়েছিলেন ১৯ বছর বয়সী কানাডিয়ান ভিক্টোরিয়া এমবোকোকে। দুই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে জিতেও তাদের প্রতি সম্মান জানান সাবালেঙ্কা। ম্যাচ শেষে তিনি বলেন, ‘স্কোরলাইন দেখে সহজ মনে হতে পারে, কিন্তু আসলে ম্যাচগুলো মোটেও সহজ ছিল না।’

মেলবোর্নের সন্ধ্যার সেশনে কোর্টে নামার কথা ছিল টেনিসের চতুর্থ বাছাই নোভাক জোকোভিচের। কিন্তু পেটের চোটে চতুর্থ রাউন্ডের ম্যাচটি থেকে আগের দিন নিজেকে সরিয়ে নেন ২০ বছর বয়সী ইয়াকুব মেনসিক। তাতেই সার্বিয়ান তারকা না খেলেই উঠে গেলে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের কোয়ার্টার ফাইনালে।
সোমবার কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিতের দিনে নারী ও পুরুষ সিঙ্গেলে কোনো রকম অঘটন ঘটেনি। পুরুষ এককে লুচিয়ানো দারদেরিকে হারিয়েছেন ইয়ানিক সিনার। টেইলর ফ্রির্টজ হেরেছেন লরেঞ্জ মুসেত্তির কাছে। নারী এককে সরাসরি সেটে জিতেছেন জেসিকা পেগুলা ও ইগা সিওনতেক।
রড লেভার অ্যারিনায় সিনার প্রথম দুই সেটে নিয়ন্ত্রণে রেখে প্রতিপক্ষের ওপর চাপ তৈরি করেন। তবে তৃতীয় সেটে লুসিয়ানো দারদেরি ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলে লড়াই গড়ায় টাইব্রেকে। সেখানে দৃঢ়তা দেখিয়ে ৬–১, ৬–৩, ৭–৬ (৭–২) সেটে স্বদেশি দারদেরিকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেন। শেষ চার নিশ্চিতের লড়াইয়ে বেন শেলটনের সঙ্গে লড়বেন সিনার।
যুক্তরাষ্ট্রের নবম বাছাই টেইলর ফ্রির্টজকে ৬-২, ৭-৫, ৬-৪ সেটে হারান ইতালির লরেঞ্জ মুসেত্তি। প্রথম সেটটি সহজে জিতে নেন লরেঞ্জ। দ্বিতীয় সেটে খেলা জমিয়ে তুলেন ফ্রির্টজ। তবে শেষ হাসি হাসে ইতালি তারকা। তৃতীয় সেটটিও নিজের করে নেন লরেঞ্জ।
নারী এককে স্বদেশি ম্যাডিসন কিসের বিপক্ষে শীর্ষ ষষ্ঠ বাছাই পেগুলা সরাসরি সেটে জয় তোলে। তাঁর জয়টি ছিল ৬-৩ ও ৬-৪ সেটে। প্রথম সেটে স্বদেশি দুই তারকার খেলা একচেটিয়া হলেও দ্বিতীয় সেট জমে ওঠে। আগামী বুধবার সেমিফাইনাল নিশ্চিতের মিশনে স্বদেশি অ্যামান্ডা আনিসিমোভার মুখোমুখি হবেন পেগুলা।
ম্যাডিসন ইংলিসের বিপক্ষে সিওনতেকের লড়াই হয়েছে ম্যাড়মেড়ে। একপক্ষ থেকে শাসন চালিয়ে গেছেন পোলিশ নন্দিনী। প্রথম সেটে ৬-০ ব্যবধানে হেরে আর খেলায় ফিরতে পারেননি মাদিসন। দ্বিতীয় সেট ৬-৩ ব্যবধানে হারেন তিনি। কোয়ার্টার ফাইনালে ইয়েলেনা রিবাকিনার মুখোমুখি হবেন সিওনতেক। আগামীকাল সন্ধ্যার সেশনে নামবেন দুজন।
কোয়ার্টার ফাইনালে চতুর্থ বাছাই জোকোভিচের প্রতিদ্বন্দ্বী লরেঞ্জ মুসেত্তি। আগামী বুধবার সন্ধ্যার সেশনে কোর্টে মুখোমুখি হবেন দুজন।

অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের শেষ ষোলোর লড়াইয়ে নোভাক জোকোভিচের মুখোমুখির কথা ছিল জেকুব মেনশিকের। তবে পেশির চোটের কারণে সরে দাঁড়িয়েছেন চেক প্রজাতন্তের এই তারকা। ফলে না খেলেই (ওয়াক ওভার) কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছেন সার্বিয়ান তারকা।
নিজের চোট সম্পর্কে মেনশিক বলেন, ‘খেলা চালিয়ে যাওয়ার জন্য সবকিছু করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পেশির চোটে সরে দাঁড়াতে হচ্ছে। গত কয়েকটি ম্যাচে এই চোট আরও বেড়েছে। হতাশ হলেও, এখানে প্রথমবারের মতো চতুর্থ রাউন্ডে পৌঁছানোটা দীর্ঘদিনের স্মৃতি হয়ে থাকবে।’
অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে মধুর পথচলা ২৪ গ্রান্ড স্ল্যাম জয়ী জোকোভিচের। প্রথম তিন রাউন্ডের সবগুলো ম্যাচই জিতেছেন সরাসরি সেটে।
গতকাল মেলবোর্ন পার্কে তৃতীয় রাউন্ড জিতে কিংবদন্তি রজার ফেদেরারের অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে ১০২ জয়ের রেকর্ডে ভাগ বসান জোকোভিচ। পাশপাশি বিশ্বের প্রথম টেনিস খেলোয়াড় হিসেবে গ্র্যান্ড স্ল্যামে ৪০০ ম্যাচ জয়ের কীর্তি গড়েন এই সার্বিয়ান কিংবদন্তি।
কোয়ার্টার-ফাইনালে পঞ্চম বাছাই লরেঞ্জো মুসেত্তি অথবা নবম বাছাই টেইলর ফ্রিটজের বিপক্ষে খেলবেন জোকোভিচ। এই ম্যাচ জিতলে অস্ট্রেলিয়া ওপেনে এককভাবে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ জেতা খেলোয়াড় হবেন তিনি।
রেকর্ড ১০ বারের অস্ট্রেলিয়ান ওপেন চ্যাম্পিয়ন জোকোভিচ। সবশেষ ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে ইউএস জিতেন। এরপর থেকে ২৫তম গ্র্যান্ড স্ল্যাম শিরোপার খোঁজে রয়েছেন জোকোভিচ।